Ramakrishna Mission Boys' Home High School Rahara

Ramakrishna Mission Boys' Home High School Rahara This is the official page of Ramakrishna Mission Boys’ Home High School, Rahara.
(1)

In the ideals of Ramakrishna Mission, in the thoughts of Swami Vivekananda, it always strives for the all-round development of the students.

৬৫ তম"  সুব্রত কাপ  ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬"উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রানার্স-আপ রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যাল...
26/07/2026

৬৫ তম" সুব্রত কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬"

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রানার্স-আপ রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহড়া

ভারতের স্কুল-স্তরের ফুটবলের ইতিহাসে *সুব্রত মুখার্জি কাপ আন্তঃস্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতা* এক গৌরবময় নাম। ১৯৬০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের অসংখ্য প্রতিভাবান ফুটবলারকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। প্রতিবছর পশ্চিমবঙ্গে lপশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ** এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতা সুবিন্যস্তভাবে আয়োজিত হয়।

প্রতিযোগিতাটি চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়— **সাব-ডিভিশন, জেলা, রাজ্য এবং অল ইন্ডিয়া পর্যায়**। রাজ্য পর্যায়ে সফল দলগুলি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সেরা স্কুল দলের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ লাভ করে। জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্ব ঐতিহ্যগতভাবে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়।

এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে *৬৫তম সুব্রত মুখার্জি কাপ* যেখানে *অনূর্ধ্ব-১৫ (জুনিয়র)* এবং *অনূর্ধ্ব-১৭ (সিনিয়র)*—এই দুটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রতিযোগিতা

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল জেলা **উত্তর ২৪ পরগনা**। এই জেলার প্রতিযোগিতা পাঁচটি সাব-ডিভিশনে অনুষ্ঠিত হয়—

* ব্যারাকপুর
* বারাসাত
* বসিরহাট
* বনগাঁ
* বিধাননগর

প্রতিটি সাব-ডিভিশনের অসংখ্য বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে নিজেদের সেরার প্রমাণ দিতে মাঠে নামে। কয়েক দফা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ শেষে প্রতিটি সাব-ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন দল জেলা পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

ব্যারাকপুর সাব-ডিভিশনে রামকৃষ্ণ মিশন রহড়ার দুর্দান্ত সাফল্য

এবার ব্যারাকপুর সাব-ডিভিশনে—

*সিনিয়র বিভাগে ২৭টি বিদ্যালয়*
*জুনিয়র বিভাগে ১৭টি বিদ্যালয়*

অংশগ্রহণ করে।

এই কঠিন প্রতিযোগিতায় অসাধারণ দলগত সমন্বয়, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস এবং মনোমুগ্ধকর ফুটবল নৈপুণ্য প্রদর্শন করে **রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহড়া**।

গর্বের বিষয়, **জুনিয়র ও সিনিয়র—উভয় বিভাগেই আমাদের বিদ্যালয় ব্যারাকপুর সাব-ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করে** এবং জেলা পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা লাভ করে।

জেলা পর্যায়ে বানীপুরে লড়াই

জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় **বানীপুর ড. বি. আর. আম্বেদকর স্পোর্টস স্কুল** প্রাঙ্গণে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পাঁচটি সাব-ডিভিশনের সেরা দলগুলি সেখানে অংশগ্রহণ করে।

পুরো প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে—

*জুনিয়র বিভাগে ১০০-রও বেশি বিদ্যালয়*
*সিনিয়র বিভাগে ১২০-রও বেশি বিদ্যালয়*

অংশগ্রহণ করেছিল। এত বিপুল সংখ্যক বিদ্যালয়ের মধ্যে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে জেলা পর্যায়ের ফাইনালে পৌঁছানো নিঃসন্দেহে এক অসাধারণ কৃতিত্ব।

প্রথম অংশগ্রহণেই ইতিহাস

আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য এ বছরের সুব্রত মুখার্জি কাপ ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। **প্রথমবারের মতো এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেই** রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহড়া এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

* 🥈 **অনূর্ধ্ব-১৫ (জুনিয়র) বিভাগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রানার্স-আপ**
* 🥈 **অনূর্ধ্ব-১৭ (সিনিয়র) বিভাগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রানার্স-আপ**

অর্থাৎ একই বছরে জুনিয়র ও সিনিয়র—উভয় বিভাগেই জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে বিদ্যালয় এক বিরল সাফল্যের নজির স্থাপন করেছে।

এই অর্জন কেবল একটি ট্রফি বা পদকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিরলস পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, দলগত ঐক্য এবং খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার উজ্জ্বল প্রতিফলন।

এই সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক, ক্রীড়া শিক্ষক, প্রশিক্ষক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিরন্তর উৎসাহ ও সহযোগিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও ছাত্রদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই আজ এই গৌরবময় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

আজকের এই সাফল্য আগামী দিনের আরও বড় স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা। আমাদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহড়া শুধু জেলা বা রাজ্য নয়, **অল ইন্ডিয়া স্তরেও** নিজেদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবে।

সমস্ত খেলোয়াড়, ক্রীড়া প্রশিক্ষক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

17/07/2026

রথযাত্রা🙏
রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম , রহড়া

🏆 আনন্দ শিক্ষার শ্রেষ্ঠ সম্মান ২০২৬ 🏆অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফ...
15/07/2026

🏆 আনন্দ শিক্ষার শ্রেষ্ঠ সম্মান ২০২৬ 🏆

অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ 'এবিপি আনন্দ' পশ্চিমবঙ্গের বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়গুলির মধ্যে শুধুমাত্র আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় , রহড়া- কে "আনন্দ শিক্ষার শ্রেষ্ঠ সম্মান ২০২৬"-এ ভূষিত করেছে।

এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় গত ৪ জুলাই ২০২৬, কলকাতার ঐতিহ্যবাহী 'দ্য গ্রেট ইস্টার্ন ললিত অডিটোরিয়ামে। অনুষ্ঠানে শিক্ষা, প্রশাসন, শিল্প, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্পমন্ত্রী শ্রী তাপস রায় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য মহাশয় । তাঁরা এই সম্মাননা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বামী মুরলীধরানন্দজী মহারাজের হাতে তুলে দেন।

এই সম্মান শুধু একটি পুরস্কার নয়—এটি আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র, অভিভাবক, প্রাক্তনী এবং সমগ্র রামকৃষ্ণ মিশন পরিবারের নিরলস পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ ও শিক্ষার প্রতি নিষ্ঠার এক অনন্য স্বীকৃতি।

এই গৌরবময় অর্জনের জন্য বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। ভবিষ্যতেও আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষার উৎকর্ষে নতুন নতুন সাফল্যের শিখর স্পর্শ করুক—এই প্রার্থনাই রইল।

আজ ২১শে জুন ২০২৬ বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে Ramakrishna Mission Boys' Home, Rahara-এ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের সঙ্গে ...
21/06/2026

আজ ২১শে জুন ২০২৬ বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে Ramakrishna Mission Boys' Home, Rahara-এ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের সঙ্গে পালন করা হয়। এ উপলক্ষে আশ্রম প্রাঙ্গণে ছাত্র, শিক্ষক, সন্ন্যাসী ও কর্মীবৃন্দের অংশগ্রহণে এক বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব ও মানবজীবনে এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। নিয়মিত যোগচর্চা শরীরকে সুস্থ, মনকে শান্ত এবং জীবনকে সুশৃঙ্খল রাখতে সাহায্য করে। বর্তমান ব্যস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক জীবনে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য যোগব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম।

এরপর প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ছাত্ররা বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম ও ধ্যানের অনুশীলন করে। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মহারাজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি আত্মউন্নয়ন ও চরিত্রগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নিয়মিত যোগাভ্যাসের মাধ্যমে ছাত্ররা সুস্থ, সচেতন ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।”

সুস্থ জীবনযাপন ও মানসিক বিকাশের বার্তা নিয়ে বিশ্ব যোগ দিবসের এই অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দিনটি হয়ে ওঠে শিক্ষণীয়, অনুপ্রেরণামূলক এবং স্মরণীয়।

20/06/2026

"পশ্চিমবঙ্গ দিবস " ২০২৬

আজ, ২০শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম, রহড়ায় দিনটি অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনালগ্ন থেকেই গান, আবৃত্তি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে এক মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ে বক্তৃতা, অঙ্কন (Drawing) এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ছাত্ররা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেদের প্রতিভার পরিচয় দেয়।

প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা ছাত্রদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। উপস্থিত সকলের করতালির মাধ্যমে বিজয়ী ছাত্রদের উৎসাহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক মহারাজ, ছাত্র ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহারাজ ; রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর অবদান ব্যক্ত করেন।

দেশে ভয়ঙ্কর পঞ্চাশের মন্বন্তর (১৯৪৩) এবং প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয় (মেদিনীপুরের বন্যা)। ত্রাণের কাজে স্বামী পুণ্যানন্দজী ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তখন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (তখন প্রধানমন্ত্রী বলা হত) ফজলুল হক। বর্মার বাঙালি শরণার্থীদের জন্য কলকাতায় ত্রাণকেন্দ্র তৈরি হয়েছিল। রিলিফ ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারের দায়িত্ব পালনের জন্য রামকৃষ্ণ মিশনকে আহ্বান করা হল। যেহেতু রেঙ্গুনে থাকাকালীন স্বামী পুণ্যানন্দের দুঃসাহসিক কাজের খবর রামকৃষ্ণ মিশনের জানা ছিল, তাই মিশনের পক্ষ থেকে রেঙ্গুন থেকে আসা বাঙালিদের রিলিফ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হল স্বামী পুণ্যানন্দকে।

১৯৪৪ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ৩৭ জন বালক-নারায়ণকে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম। তার একমাস আগে ১৬ আগস্ট ঠাকুর-মা-স্বামীজির পূজা ও হোমের মাধ্যমে আশ্রমের কাজ শুরু হয়ে যায়। রহড়া বালকাশ্রমের প্রথম কর্মাধ্যক্ষ স্বামী পুণ্যানন্দজী মহারাজ। তাঁর সঙ্গে নিখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কর্মাধ্যক্ষ সম্পাদক ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সুসম্পর্ক ছিল।

হিন্দু মহাসভার কর্ণধার ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হত। বাংলাদেশের খুলনার সেনহাটি হাইস্কুল ছিল এই রকম একটি প্রতিষ্ঠান। নানান কারণে শ্যামাপ্রসাদ এই স্কুলটি চালাতে পারছিলেন না। তিনি পুণ্যানন্দজীর সঙ্গে যোগাযোগ করলেন এবং এই সময় কিছু ছেলেদের পাঠাতে চাইলেন রামকৃষ্ণ মিশনে। স্বামীজি রাজি হলেন। পরবর্তীকালে ওই ছাত্রদের জন্য একটি গৃহ নির্মাণের ব্যাপারে তিনি হিন্দু মহাসভার পক্ষ থেকে একটি বড় অঙ্কের টাকা, ২৫,০০০ টাকা দান করলেন। এই টাকায় খড়দায় তৈরি হয়েছিল ‘হিন্দু মহাসভা ধাম’। এটি রহড়া বালকাশ্রমের প্রথম সুরম্য দ্বিতল গৃহ।

১৯৪৫ সালে স্বামী পুণ্যানন্দজী মহারাজের আমন্ত্রণে শ্যামাপ্রসাদ মহাশয় রহড়ায় এলেন। পুরনো আশ্রম বাড়ির বাইরে প্রাঙ্গণে সভামঞ্চ, তারই উদ্বোধক অতিথি আসনের তলায় সেদিন সভা হয়েছিল। আবাসিক ছাত্ররা সঙ্গীত পরিবেশন করে মুগ্ধ করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদকে।

ছাত্রদের মধ্যে ছিলেন সেনহাটি হাইস্কুলের ছাত্র কৃষ্ণকমল চক্রবর্তী বা কেষ্ট, যিনি পরবর্তীকালে স্বামী নিত্যানন্দ নামে পরিচিত হন। তিনি রহড়া বালকাশ্রমের দ্বিতীয় অধ্যক্ষ এবং বারাকপুর রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের প্রতিষ্ঠাতা। কৃষ্ণকমল হিন্দু মহাসভার শাখা কেন্দ্র কলকাতার কর্নওয়ালিশ স্ট্রিটের ছাত্রাবাসে ছিলেন। কিছুদিন পর চলে যান হিন্দু মহাসভার খুলনা জেলার সেনহাটি হাইস্কুলে।

হিন্দু মহাসভার স্কুল উঠে গেলে ১৯৪৪ সালের গোড়ায় কলকাতার ১০ নং নলিনী সরকার স্ট্রিটে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ব্যবস্থাপনায় স্বামী পুণ্যানন্দের কাছে উপস্থিত হন। স্বামী নিত্যানন্দ মহারাজ বারাকপুর রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের শতবর্ষ স্মারকে লিখেছেন রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ইতিহাস। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের পর তাঁর মেজদি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত একটি ছাত্রাবাসে তাঁকে ভর্তি করে দেন। পুণ্যশ্লোক স্বামী পুণ্যানন্দজীর সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সুসম্পর্ক বজায় ছিল। রহড়া আশ্রমে শ্যামাপ্রসাদ উপস্থিত হলে স্বামীজি নিজে তাঁকে মাল্যবরণ করতেন। ফুলমালা দিয়ে স্বামীজি নিজে সম্মান জানাতেন।

পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি ভৌগোলিক অঞ্চল নয়, এটি এক সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, জ্ঞানচর্চা, মানবিকতা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরসহ অসংখ্য মনীষীর কর্ম ও আদর্শে এই বাংলা বিশ্বদরবারে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য নিজেদের রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে জানা, লালন করা এবং আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তোমরাই আগামী দিনের পশ্চিমবঙ্গের গর্ব; তাই সৎ চরিত্র, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও দেশপ্রেমের আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সারাদিনের এই সুন্দর আয়োজন ছাত্রদের মনে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি ভালোবাসা, গর্ব ও দায়িত্ববোধ আরও দৃঢ় করে তোলে।



11/06/2026

লোকভবনে অনুষ্ঠিত এক গৌরবময় অনুষ্ঠানে Ramakrishna Mission Boys' Home High School, Rahara-র ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম দশের মধ্যে স্থানাধিকারী চারজন কৃতী ছাত্রকে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

🏆 ৬ষ্ঠ স্থান – আদৃত গোস্বামী (৬৯২)
🏆 ৭ম স্থান – অনীশ দাস (৬৯১)
🏆 ৯ম স্থান – সূর্যস্নাত বর্মন (৬৮৯)
🏆 ১০ম স্থান – সৃজন দে সরকার (৬৮৮)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন R. N. Ravi মহাশয়, যিনি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কৃতী ছাত্রদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননাপত্র তুলে দিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানান।

রাজ্যপাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই সাফল্য শুধু ছাত্রদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিদ্যালয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম, রহড়ার এই কৃতী ছাত্রদের সাফল্যে সমগ্র আশ্রম পরিবার গর্বিত। তাঁদের এই অসামান্য কৃতিত্ব আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং বিদ্যালয়ের গৌরব আরও বৃদ্ধি করবে।

“একটি গাছ মায়ের নামে” ৫ই জুন ২০২৬ - বিশ্ব পরিবেশ দিবস বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ মাধ্যমিক ব...
05/06/2026

“একটি গাছ মায়ের নামে”
৫ই জুন ২০২৬ - বিশ্ব পরিবেশ দিবস

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহড়া । আজকের দিনটি অত্যন্ত উৎসাহ ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, অঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ছাত্ররা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বপূর্ণ ফল করা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী ছাত্রদের পুরস্কৃত করা হয়।

“একটি গাছ মায়ের নাম” এই মহৎ ভাবনাকে সামনে রেখে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ছাত্ররাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণে অংশগ্রহণ করে এবং পরিবেশ রক্ষার শপথ গ্রহণ করে।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুর জেলার ডি.আই. শ্রী প্রাণতোষ মাইতি মহাশয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এ.আই. শ্রী কৌশিক মণ্ডল, শ্রী অমিত কুমার সাহা এবং শ্রী চিত্তরঞ্জন সরকার মহাশয়। তাঁরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।

বিদ্যালয়ের পাঁচজন ছাত্র বক্তব্য প্রদান করে । তারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য, পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব এবং বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নিজেদের ভাবনা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে। ছাত্রদের বক্তব্যে উঠে আসে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও সুস্থ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার। তাদের আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন উপস্থাপনা উপস্থিত সকলের প্রশংসা অর্জন করে এবং অন্যান্য ছাত্রদের মধ্যেও পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহারাজ ছাত্রদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন যে, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কেবল সরকারের নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দেয়। তিনি সকল ছাত্রকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। সবুজায়নের মাধ্যমে প্রকৃতিকে রক্ষা করে একটি সুন্দর, সুস্থ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলাই ছিল এই দিনের মূল বার্তা।

“একটি গাছ মায়ের নামে — একটি গাছ মানেই জীবনের প্রতি ভালোবাসা, প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতা।”

Based on the results of the 2026 Madhyamik Examination, 20 top-ranking students from the school were felicitated at the ...
12/05/2026

Based on the results of the 2026 Madhyamik Examination, 20 top-ranking students from the school were felicitated at the state level. May their future paths be bright and prosperous.
Ramakrishna Mission Boy's Home High school, Rahara.

কবি প্রণাম।রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম হাই স্কুল, রহড়া।
12/05/2026

কবি প্রণাম।
রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম হাই স্কুল, রহড়া।

08/05/2026

🌸 গর্বের মুহূর্ত 🌸

২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্যের মাধ্যমে রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয় , রহড়ার চারজন কৃতী ছাত্র রাজ্যের মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করেছে।

🏆 ৬ষ্ঠ স্থান – আদৃত গোস্বামী (৬৯২)
🏆 ৭ম স্থান – অনীশ দাস (৬৯১)
🏆 ৯ম স্থান – সূর্যস্নাত বর্মন (৬৮৯)
🏆 ১০ম স্থান – সৃজন দে সরকার (৬৮৮)

তোমাদের এই অনবদ্য সাফল্যে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তোমরা শুধু বিদ্যালয়ের নয়, সমগ্র রহড়াবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছ।

আগামী দিনের জীবনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করো, এই শুভকামনা রইল। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। 💐✨

রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম , রহড়াকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা




















Address

P. O/Rahara, North 24 Parganas
Khardaha
700118

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Mission Boys' Home High School Rahara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Ramakrishna Mission Boys' Home High School Rahara:

Shortcuts

Share

Category