Students' Voice - kharagpur

Students' Voice - kharagpur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Students' Voice - kharagpur, Education, Kharagpur.

আপোষহীন ধারার বীর বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন-এর আত্মোৎসর্গ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হলো।
12/01/2026

আপোষহীন ধারার বীর বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন-এর আত্মোৎসর্গ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হলো।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীকার ধ্বংস করে শিক্ষায় চূড়ান্ত কেন্দ্রীকরণের নীল নকশা বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল (HECI) ব...
07/01/2026

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীকার ধ্বংস করে শিক্ষায় চূড়ান্ত কেন্দ্রীকরণের নীল নকশা বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ বিল (HECI) বাতিলের দাবিতে ছাত্র সংগঠন AIDSO'র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির আহ্বানে ৬-৭ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ খড়্গপুর কলেজ গেটে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আজ ২৮ ডিসেম্বর। ছাত্র সংগঠন AIDSO'র ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস।শিক্ষা-সংস্কৃতি-মনুষ্যত্ব রক্ষার্থে ও সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা রক্...
28/12/2025

আজ ২৮ ডিসেম্বর। ছাত্র সংগঠন AIDSO'র ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস।

শিক্ষা-সংস্কৃতি-মনুষ্যত্ব রক্ষার্থে ও সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা রক্ষা, HECI বাতিল, উন্নাও এর নির্যাতিতার বিচার এবং আরাবল্লী পর্বত রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে গভীর মর্যাদার সাথে ২৮ ডিসেম্বর এআইডিএসও'র ৭২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হলো।

।। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের আপোষহীন ধারার বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু'র ১৩৭ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।
03/12/2025

।। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের আপোষহীন ধারার বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু'র ১৩৭ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।

"১১ আগস্ট ফাঁসির দিন ধার্য হইল। আমরা দরখাস্ত দিলাম যে ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিব। উডম্যান সাহেব আদেশ দিলেন দুইজন মাত্র বা...
03/12/2025

"১১ আগস্ট ফাঁসির দিন ধার্য হইল। আমরা দরখাস্ত দিলাম যে ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিব। উডম্যান সাহেব আদেশ দিলেন দুইজন মাত্র বাঙালী ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিতে পারিবে। আর শব বহনের জন্য ১২ জন এবং শবের অনুগমনের জন্য ১২ জন থাকিতে পারিবে। ইহারা কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে যাইবে। ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিবার জন্য আমি ও ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায় উকিলের অনুমতি পাইলাম। আমি তখন বেঙ্গলী কাগজের স্থানীয় সংবাদদাতা। ভোর ছ’টায় ফাঁসী হইবে। পাঁচটার সময় আমি গাড়ির মাথায় খাটিয়াখানি ও সৎকারের অত্যাবশকীয় বস্ত্রাদি লইয়া জেলের ফটকে উপস্থিত হইলাম। দেখিলাম নিকটবর্তী রাস্তা লোকারন্য। সহজেই আমরা জেলের ভিতরে প্রবেশ করিলাম।

ঢুকিতেই একজন পুলিশ কর্মচারী প্রশ্ন করিলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা কে? আমি উত্তর দিলে হাসিয়া বলিল, আচ্ছা ভিতরে যান। দ্বিতীয় লোহার দ্বার উন্মুক্ত হইলে আমরা জেলের আঙ্গিনায় প্রবেশ করিলাম। দেখিলাম ডানদিকে একটু দূরে প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে ফাঁসির মঞ্চ। দুই দিকে দুই খুঁটি আর একটি মোটা লোহার রড যা আড়াআড়িভাবে যুক্ত তারই মধ্যখানে বাঁধা মোটা একগাছি দড়ি ঝুলিয়া আছে। তাহার শেষ প্রান্তে একটি ফাঁস।

একটু অগ্রসর হইতে দেখিলাম ক্ষুদিরামকে লইয়া আসিতেছে চারজন পুলিশ। কথাটা ঠিক বলা হইল না। ক্ষুদিরামই আগে আগে অগ্রসর হইয়া যেন সিপাহীদের টানিয়া আনিতেছে। আমাদের দেখিয়া একটু হাসিল। স্নান সমাপন করিয়া আসিয়া ছিল। মঞ্চের উপস্থিত হইলে তাহার হাত দুইখানি পিছন দিকে আনিয়া রজ্জুবদ্ধ করা হল। একটি সবুজ রঙের টুপি দিয়া তাহার গ্রীবামূল পর্যন্ত ঢাকিয়া দিয়া ফাঁসি লাগাইয়া দেওয়া হইল। ক্ষুদিরাম সোজা হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল। এদিক ওদিক একটুও নড়িল না।

উডম্যান সাহেব ঘড়ি দেখিয়া একটি রুমাল উড়াইয়া দিলেন। একটি প্রহরী মঞ্চের একপ্রান্তে অবস্থিত একটি হ্যান্ডেল টানিয়া দিল। ক্ষুদিরাম নিচে অদৃশ্য হইয়া গেল।
কেবল কয়েক সেকেণ্ড ধরিয়া উপরের দিকের দড়িটা একটু নড়িতে লাগিল। তারপর সব স্থির।

কর্তৃপক্ষের আদেশে আমরা নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে চলিতে লাগিলাম। রাস্তার দুপাশে কিছু দূর অন্তর পুলিশ প্রহরী দাঁড়াইয়া আছে। তাহাদের পশ্চাতে শহরের অগণিত লোক ভীড় করিয়া আছে। অনেকে শবের উপর ফুল দিয়া গেল। শ্মশানেও অনেক ফুল আসিতে লাগিল। চিতারোহণের আগে স্নান করাইতে মৃতদেহ বসাইতে গিয়া দেখি মস্তকটি মেরুদণ্ড চ্যুত হইয়া বুকের উপর ঝুলিয়া পড়িয়াছে। দুঃখে – বেদনায় – ক্রোধে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মাথাটি ধরিয়া রাখিলাম। বন্ধুগণ স্নান শেষ করাইলেন তারপর চিতায় শোয়ানো হইলে রাশিকৃত ফুল দিয়া মৃতদেহ সম্পূর্ণ ঢাকিয়া দেওয়া হইল। কেবল উহার হাস্যজ্বল মুখখানা অনাবৃত রহিল।

দেহটি ভস্মিভূত হইতে বেশী সময় লাগিলো না। চিতার আগুন নিভাইতে গিয়া প্রথম কলসী ভরা জল ঢালিতেই তপ্ত ভস্মরাশির খানিকটা আমার বক্ষস্থলে আসিয়া পড়িল। তাহার জন্য জ্বালা যন্ত্রনা বোধ করিবার মতন মনের অবস্থা তখন ছিল না।

আমরা শ্মশান বন্ধুগণ স্নান করিতে নদীতে নামিয়া গেলে পুলিশ প্রহরীগণ চলিয়া গেল। আর আমরা সমস্বরে বন্দেমাতরম বলিয়া মনের ভার খানিকটা লঘু করিয়া যে যাহার বাড়ি ফিরিয়া আসিলাম। সঙ্গে লইয়া আসিলাম একটি টিনের কৌটায় কিছুটা চিতাভস্ম, কালিদাসবাবুর জন্য। ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় সে পবিত্র ভস্মাধার কোথায় হারাইয়া গিয়াছে।"
বেঙ্গলী পত্রিকা, আগষ্ট, ১৯০৮

(ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সময় উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা ও উকিল উপেন্দ্রনাথ বসু ও ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে পরবর্তীতে উপেন্দ্রনাথ বসু এই লেখাটি লেখেন)

৩ ডিসেম্বর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর ১৩৭ তম জন্মদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করুন.....

।। ভারতবর্ষের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জ্যোতিবা ফুলের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।
28/11/2025

।। ভারতবর্ষের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জ্যোতিবা ফুলের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।

ভারতবর্ষের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জ্যোতিবা ফুলের  প্রয়াণ বার্ষিকীতে আমাদের শপথ—       ভারতবর্ষের নবজাগরণের উষা লগ্ন...
28/11/2025

ভারতবর্ষের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জ্যোতিবা ফুলের প্রয়াণ বার্ষিকীতে আমাদের শপথ—


ভারতবর্ষের নবজাগরণের উষা লগ্নে যে সকল মনীষীগণ কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধকার চিন্তার বিপরীতে নতুন মানবতাবাদী মূল্যবোধ ও যৌক্তিক বিজ্ঞানসম্মত আদর্শ প্রসারে এবং গণতান্ত্রিক শিক্ষা বিস্তারের অবিস্মরণীয় সংগ্রামে নিজেদের জীবন ব্যাপৃত রেখেছিলেন, তাঁদের অন্যতম হলেন জ্যোতি রাও ফুলে। মহারাষ্ট্রের গ্রামীণ জনপদে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও কুপমন্ডুকতায় ভরা অন্ধকার সমাজে জ্ঞানের প্রদীপ শিখা জ্বালতে জ্যোতি রাও ফুলে যে মরণপণ লড়াই করেছেন তা আজকের দিনেও গণতান্ত্রিক সমাজ সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুসরণীয়। তাঁর এই লড়াইতে তার সহযোদ্ধা রুপে ভূমিকা নিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী, মহিয়সী সাবিত্রী বাই ফুলে। গোটা মহারাষ্ট্রে তৎকালীন ব্রাহ্মণ সমাজের রক্ষণশীলতা ও আধিপত্যকে উপেক্ষা করে নারী শিক্ষা বিস্তারে জ্যোতি রাও ফুলে ও সাবিত্রী বাই ফুলের সংগ্রাম এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাবিত্রীবাই ফুলের সাথে এই লড়াইতে আরো একজন মহীয়সী নারী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন যার নাম ফতিমা শেখ। ১৮৪৮ সালে সাবিত্রীবাই ফুলের সাথে ফাতিমা শেখ জ্যোতিরাও ফুলে প্রতিষ্ঠিত নারী বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। নারী শিক্ষা প্রসারে এই ভূমিকা গ্রহণ করার জন্য ফুলে দম্পতিকে সামাজিকভাবে ও পারিবারিকভাবে বিতাড়িত হতে হয়। তখন ফাতিমা শেখ ও তার ভাই ওসমান শেখ নিজেদের বাড়ির দরজা ফুলে দম্পতির জন্য খুলে দেন। যাতে তারা নির্বিঘ্নে তাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। পাশাপাশি তৎকালীন সমাজে ব্রাহ্মণ্যবাদ ও সামন্ততান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে যুদ্ধ চালিয়েছিলেন। তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদ ও সামন্ততান্ত্রিক কুসংস্কার কিভাবে শাস্ত্রের বিধানের নামে নারী সমাজ ও তথাকথিত নিম্ন বর্ণের মানুষদের উপর নির্মম দমন পীড়ণ চালাচ্ছে! সেই উপলব্ধির জায়গা থেকেই তার সংস্কারমুক্ত মন, প্রভাবশালী চরিত্র ও সাহস এই সামাজিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। তিনি যতটুকু পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন এবং পাশ্চাত্যের নবজাগরণের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তার ভিত্তিতেই তিনি এই সামাজিক আন্দোলনে গভীর প্রত্যয়ের সাথে সংগ্রামী যোদ্ধা রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। প্রতিক্রিয়াশীল ও স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করলেও তার নীতিনিষ্ঠ কাজের থেকে তাকে সরাতে পারেনি।আজ যখন গোটা ভারতবর্ষের সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা দেশের সরকার কর্তৃক ধ্বংসাত্মক জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে চূড়ান্ত সংকটের মুখে এবং আগামী দিনে দেশের বুকে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিশ্চিহ্ন করার যে প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনুপ্রেরণা হিসাবে শক্তি যোগায় মহাত্মা জ্যোতি রাও ফুলের জীবন সংগ্রাম। তার সাথেই আজ যখন পুরনো, বস্তাপচা, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধকার চিন্তার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে দেশের সরকার যাবতীয় আয়োজন করছে এবং তাদের প্রশ্রয়ে, প্রতিক্রিয়াশীল স্বার্থান্বেষী শিবির দেশের গণতান্ত্রিক স্বাধীনচেতা মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনছে, তখন তার বিরুদ্ধে আমরা যারা প্রগতিশীল ও বিজ্ঞানসম্মত আদর্শের অনুসারী চিন্তার অনুশীলনে নিজেদেরকে নিয়োজিত রেখেছি তাদের কাছে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলের জীবন সংগ্রাম লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা যোগায়। আজ যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তথাকথিত দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এবং ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু অংশের মানুষ তার ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে তখন এর বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলের সামাজিক আন্দোলনের ভূমিকা আমাদের চলার পথে পাথেয়। তার ১৩৩ তম প্রয়াণ বার্ষিকীতে আমরা শপথ গ্রহণ করছি যে- তাঁর সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের লড়াইকে আরও গতিশীল ও সুসংহত করব এবং গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ ও সর্বজনীন শিক্ষার উপর আসা সকল আক্রমণের বিরুদ্ধে দৃঢ়তার সাথে রুখে দাঁড়াবো। পাশাপাশি সমস্ত ধরনের সামাজিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে বাঁচানোর লক্ষ্যে লড়াইতে অবিচল থাকব।

ছাত্র সংঘর্ষ কমিটি (সিলভার জুবিলী হাইস্কুল)-র উদ্যোগে আগামী ২৮ অক্টোবর বেলা ৩ টায় খড়্গপুর ট্রাফিক হাইস্কুলে "HOMEBOUND...
26/10/2025

ছাত্র সংঘর্ষ কমিটি (সিলভার জুবিলী হাইস্কুল)-র উদ্যোগে আগামী ২৮ অক্টোবর বেলা ৩ টায় খড়্গপুর ট্রাফিক হাইস্কুলে "HOMEBOUND" সিনেমাটা দেখানো হবে।

তাই দেরি না করে ২৮ তারিখ ঠিক বেলা ৩ টায় ট্রাফিক হাইস্কুলে সবাই চলে আসুন।

।। শ্রদ্ধায়-শপথে-অঙ্গীকারে মহামানব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬ তম জন্মদিবস পালন ।।
26/09/2025

।। শ্রদ্ধায়-শপথে-অঙ্গীকারে মহামানব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬ তম জন্মদিবস পালন ।।

বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের UG 3rd সেমিস্টার এর পরীক্ষার আড়াই মাসের মধ্যে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষা নেওয়ার প্রসঙ্গে ছাত...
06/09/2025

বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের UG 3rd সেমিস্টার এর পরীক্ষার আড়াই মাসের মধ্যে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষা নেওয়ার প্রসঙ্গে ছাত্র সংগঠন AIDSO এর পক্ষে সন্দীপন জানা ও তনুশ্রী বেজ বলেন __

গত ১৯ আগস্ট বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকস্তরের তৃতীয় সেমিস্টারের ফল প্রকাশে দেখা গিয়েছে কিছু কলেজে বহু ছাত্র কোন না কোন বিষয়ে এবং অনেকে সমস্ত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। এতে পরীক্ষায় খাতা দেখার ক্ষেত্রে গাফিলতি স্পষ্ট। ছাত্রছাত্রীরা প্রচন্ড মানসিক চাপের মধ্যে থেকে খাতা রিভিউ করে পুনরায় ফল প্রকাশ এর দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেইল করলেও এর কোন সদুত্তর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেয়নি। ঠিক সেই সময়েই হঠাৎ করেই ৪ সেপ্টেম্বর চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের নোটিশ দেওয়া হল। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যেই পরীক্ষা, অমানবিক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। এর মধ্যেই internship, অন্যান্য সেমিস্টারের পরীক্ষা, ছুটিসহ নানা কারণে ৫০ শতাংশ সিলেবাসও শেষ হয়নি, অধ্যাপকরাও বুঝতে পারছেন না ছাত্রদের কিভাবে সাহায্য করবেন। এমতাবস্থায় ছাত্ররা অত্যন্ত হতাশ, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত এবং দিশেহারা।
একেই ছাত্র-ছাত্রীরা সেমিস্টার সিস্টেমেই নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল, তার উপর চার বছরের ডিগ্রী কোর্স চালু হওয়ার পর থেকেই এই সমস্যা ভয়ংকর ভাবে বেড়ে চলেছে। উপযুক্ত পরিমাণ ক্লাসের অভাব, সিলেবাস শেষ না হওয়া, অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষা, খাতা দেখার ক্ষেত্রে গাফিলতি, মাল্টি ডিসিপ্লিনারি কোর্সের নামে নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিষয় এর মধ্যে ছাত্ররা নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে।
আমরা ছাত্র সংগঠন, AIDSO জাতীয় শিক্ষানীতি -২০২০ এর মাধ্যমে চার বছরের ডিগ্রী কোর্স চালু করার ফলে সৃষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক অসুবিধাগুলির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্ত করে আন্দোলন গড়ে তুলছি।


আমরা দাবি করছি--

★ স্নাতক স্তরের চতুর্থ সেমিস্টারে মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কোনোভাবেই সেমিস্টার পরীক্ষা নেওয়া চলবে না।
★ নিয়মিত রুটিন মাফিক ক্লাসের মধ্য দিয়ে সিলেবাস সম্পূর্ণ করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিতে হবে।

সংবাদ দাতা
নিরুপমা বক্সি
০৬/০৯/২৫

সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা বাঁচানোর দাবিতে ছাত্র সংগঠন AIDSO'র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির ডাকে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক ছা...
07/08/2025

সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা বাঁচানোর দাবিতে ছাত্র সংগঠন AIDSO'র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির ডাকে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক ছাত্র শহীদ দিবসে ছাত্র সমাবেশ ও মহা মিছিল। এই কর্মসূচি কে সফল করতে প্রচার, স্বাক্ষর সংগ্রহ ও দেওয়াল লিখন চলছে খড়্গপুর শহর জুড়ে।

Address

Kharagpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Students' Voice - kharagpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category