20/08/2026
ঈশ্বরই যদি সব হয়েছেন, এরূপ নানা ভাব কেন?
উঃ বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে আছেন, কিন্তু শক্তিবিশেষ। কোনখানে বিদ্যাশক্তি, কোনখানে অবিদ্যাশক্তি, কোনখানে বেশি শক্তি, কোনখানে কম শক্তি। দেখ না, মানুষের ভিতর ঠগ, জুয়াচোর আছে, আবার বাঘের মতো ভয়ানক লোকও আছে। আমি বলি, ঠগ নারায়ণ, বাঘ নারায়ণ।
তিনি আর তাঁর শক্তি, ব্রহ্ম আর শক্তি-বই আর কিছুই নাই। নারদ রামচন্দ্রকে স্তব করতে করতে বললেন, হে রাম তুমিই শিব, সীতা ভগবতী; তুমি ব্রহ্মা, সীতা ব্রহ্মাণী; তুমি ইন্দ্র, সীতা ইন্দ্রাণী; তুমিই নারায়ণ, সীতা লক্ষ্মী; পুরুষ-বাচক যা কিছু আছে সব তুমি, স্ত্রী-বাচক সব সীতা।
শ্রীরামকৃষ্ণ 🪷
19/08/2026
“বাবা, শুধু পড়লে কি আর বিশ্বাস হয়, বেশী পড়লে গুলিয়ে যায়। ঠাকুর বলতেন, 'জগৎ মিথ্যা, তিনিই সত্য-এইটে শাস্ত্র পড়ে জেনে নিতে হয়”।
শ্রী শ্রী মা 🪷
18/08/2026
“....আত্মার প্রকাশ হলে দেখবি, দর্শন, বিজ্ঞান সব আয়ত্ত হয়ে যাবে। সিংহগর্জনে আত্মার মহিমা ঘোষণা কর, জীবকে অভয় দিয়ে বল-“উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত"-Arise! awake ! and stop not till the goal is reached.”
স্বামী বিবেকানন্দ 🪷
17/08/2026
“জপধ্যানের সময় আমরা যে-ভগবানের চিন্তা করি, তিনিও মানুষ হয়ে রয়েছেন; এ বুদ্ধি নিয়ে সেবা করলে সেই সেবায় ভগবানের ধ্যানও হয়ে যায়, তাহলেই ভগবানের পূজায়, তাঁর ধ্যানে এবং ভগবদ্-বুদ্ধিতে মানুষের সেবায় কোন প্রভেদ আর থাকে না, সব সময়েই আমরা ভগবানের চিন্তাতেই লিপ্ত থাকতে পারি। এতে আদর্শ থেকে ভ্রষ্ট হবার সম্ভাবনা নেই।”
স্বামী বীরেশ্বরানন্দ 🪷
16/08/2026
ভাল কাজ করতে গেলে আন্তরিক খুব যত্ন ও রোক চাই। যখন নহবতে থাকতুম, রাতে যখন চাঁদ উঠত, গঙ্গার ভিতর স্থির জলে চাঁদ দেখে ভগবানের কাছে কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা করতুম – 'চন্দ্রতেও কলঙ্ক আছে, আমার মনে যেন কোনও দাগ না থাকে।'
শ্রী শ্রী মা 🪷
15/08/2026
হে আমার সন্তানগণ, আমার সমগ্র পরিকল্পনাটি আমি তোমাদের কাছে ব্যক্ত করতে এসেছি। যদি তোমরা আমার কথা শোনো, আমি তোমাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। যদি না শোনো, এমনকী আমাকে যদি ভারতভূমি থেকে পদাঘাত করে বের করে দাও, তবুও আমি তোমাদের কাছে ফিরে আসব। ফিরে এসে বলব : আমরা সকলে ডুবতে বসেছি। সেই জন্যই আমি তোমাদের মধ্যে এসেছি। আর যদি আমাদের ডুবতেই হয়, আমরা সকলে একসঙ্গেই যেন ডুবি। কিন্তু কারও প্রতি কোনও কটূক্তি কোনও অভিশাপ যেন আমাদের মুখ থেকে বর্ষিত না হয়।
জয়তু স্বামীজী 🪷
13/08/2026
“ভগবদবুদ্ধিতে
গুরুর পূজা, গুরুর ধ্যান
ও চিন্তা করতে করতে
দেহ-মন যখন শুদ্ধ হয়ে যায়, তখন গুরু
শিষ্যকে ইষ্টদর্শন করিয়ে দিয়ে সরে যান।
শুদ্ধ আধার, শুদ্ধ মন
না হলে তাঁর দর্শন পাওয়া যায় না।”
স্বামী ব্রহ্মানন্দ🪷