Selim uddin nlb kp

Selim uddin nlb kp সবাই কে সাথে নিয়ে চলার জন্য

24/08/2026

Good morning everyone

21/08/2026

আচ্ছা বলেন তো কোন বুছুল চামার (প্রাউড) নয় পৌড ফিল করে হে নিজের মেয়ের রায়বার 😛🤪

20/08/2026

এই ভিডিও চিত্রটি দেখুন—ওরা কী বলছে, আপনারাই বিচার করুন।
একবার নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন—ওদেরকে কি এভাবে কথা বলা বা সরকারি জমি থেকে কাউকে তাড়িয়ে দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছিল? ওরা কারা? তাদের পরিচয় কী? তাদের উপরে কার নির্দেশ ছিল? কোথা থেকে তারা এসেছিল?
যদি তারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসে থাকে, তাহলে অবশ্যই বিষয়টি আইন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার আওতায় পড়ে। কিন্তু যদি তারা কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এসে থাকে, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—সরকারি জমির কাগজপত্র যাচাই করা কিংবা কাউকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাদের কে দিয়েছে?
আমি ভারতের সর্বস্তরের নাগরিকদের কাছে বিনীত আবেদন জানাই—দোষী যে-ই হোক, তার ধর্ম বা বর্ণ দেখে নয়, অপরাধের ভিত্তিতে বিচার হোক। অপরাধীর কোনো ধর্ম বা বর্ণ হয় না; অপরাধীর পরিচয় হলো তার অপরাধ।
আর এই ভিডিওতে যাদের দেখা যাচ্ছে, তারা যদি সত্যিই প্রশাসনের লোক না হয়ে থাকে এবং নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে থাকে, তাহলে তাদের কর্মকাণ্ডও নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা হোক। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা গুন্ডামির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আইন সবার জন্য সমান হোক—কেউ অপরাধী হলে তাকে ছাড় দেওয়া নয়, আবার নিরপরাধ কাউকে হয়রানিও নয়।

18/08/2026

Good morning

17/08/2026

একবার এই ভাইয়ের কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন!
গোল্ডেন বরাক’ নামে একজন পেইজার বরাকের একজন বড় মাপের আলিমকে নিয়ে কী কী লিখছে, কতগুলো ভিডিও বানিয়েছে—তা অনেকেই দেখেছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একজন আলিমকে নিয়ে এত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার আগে কি নিজের পরিবার ও নিজের কর্মকাণ্ডের দিকে একবার তাকিয়ে দেখেছেন?
এইবার আপনারাই এই ভাইয়ের মুখ থেকে কথাগুলো শুনে নিন। তিনি কী বলছেন, কী অভিযোগ করছেন—সবকিছু আপনারাই শুনুন এবং নিজের বিবেক দিয়ে বিচার করুন।
কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা যেতেই পারে, কিন্তু একজন আলিমকে নিয়ে সীমা ছাড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযোগের জবাব অভিযোগ দিয়ে নয়—সত্য, প্রমাণ ও যুক্তি দিয়ে হওয়া উচিত।
ভিডিওটি শুনুন, তারপর আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন—
আসলে কে কি রখম কি গাছের বিজ কার তবলিগে সয়তানের কাজে লাগে আর কার কাজে সয়তানি ও কুরুচিপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটছে!

একটু থামুন…! নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন—আমরা মুসলমানরা কোথায় যাচ্ছি?স্বাধীনতার এত বছর পরও আমাদের সমাজের অনেক মানুষ শিক্ষ...
16/08/2026

একটু থামুন…! নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন—আমরা মুসলমানরা কোথায় যাচ্ছি?
স্বাধীনতার এত বছর পরও আমাদের সমাজের অনেক মানুষ শিক্ষা, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের নিজেদের মধ্যকার বিভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ও ঐক্যের অভাব—এগুলো কি আমাদের দুর্বল করে দিচ্ছে না?
আমরা আহলে সুন্নত, নদওয়া, জমিয়ত, ইমারতে শরিয়া, আহলে হাদিস, জামাতে ইসলামী, আমিরে নেজামুল মুসলিমিন—এমন নানা পরিচয়ে বিভক্ত। মতাদর্শ ও ধর্মীয় ব্যাখ্যার পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু সেই পার্থক্য কি আমাদের একে অপরকে গালি দেওয়ার অধিকার দেয়?
আবার আমাদের বরাক উপত্যকায় বৃটিশের দেওয়া সামাজিক উপাধি নিয়ে কত বিভাজন—চৌধুরী, বড় ভূঁইয়া, মাঝার ভূঁইয়া, সিকদার, জায়গিরদার, মজুমদার, তালুকদার, কিরার, লস্কর, সদিয়ল, খান, মাইমাল (ফিশারম্যান) ইত্যাদি।
একবার গভীরভাবে ভাবুন—এই পরিচয় গুলো কি আমাদের আলাদা করার জন্য, নাকি শুধু বৃটিশের দেওয়া সামাজিক উপাধি!
আমরা তো সবাই আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-এর সন্তান।
আমরা সবাই আল্লাহর বান্দা।
আমরা সবাই হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর উম্মত।
আমাদের ঈমানের মূল কালিমা এক।
তাহলে এত হিংসা কেন?
এত বিদ্বেষ কেন?
এত অহংকার কেন?
এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে ছোট করে কেন?
মতপার্থক্য হলেই গালাগালি কেন?
আমরা কি ভুলে যাচ্ছি—যে সময়ে আমাদের একে অপরের পাশে দাঁড়ানো দরকার, সেই সময়েই আমরা নিজেদের মধ্যে দেয়াল তৈরি করছি?
আমাদের সন্তানরা যখন ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে, তখন আমরা তাদের কী শিক্ষা দিচ্ছি?
“তুমি অমুক দলের, আমি অমুক দলের—তাই তুমি আমার ভাই নও”?
না, আমাদের ভাবতে হবে নতুন করে।
মতপার্থক্য থাকবে। মাযহাব ও চিন্তাধারার পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু পার্থক্য যেন শত্রুতা না হয়, মতভেদ যেন বিদ্বেষে পরিণত না হয়, আর ধর্মের নামে একে অপরকে অপমান করা যেন আমাদের স্বভাবে পরিণত না হয়।
ঐক্য মানে সবাই একই মতের হয়ে যাওয়া নয়।
ঐক্য মানে—মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একে অপরকে সম্মান করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে একসঙ্গে দাঁড়ানো এবং সমাজের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করা।
আজ আমাদের নিজেদেরকেই প্রশ্ন করতে হবে—
আমরা কি বিভক্ত হয়ে দুর্বল থাকব, নাকি ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী সমাজ গড়ব?
আপনার বিবেক কী বলে?
আমাদের মুসলিম সমাজে এত বিভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ও গালাগালির মূল কারণ কী?
আপনার মতামত কমেন্টে লিখুন।
গালাগালি নয়—যুক্তি দিয়ে কথা বলুন।
ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়—সমাধানের পথ খুঁজুন।
কারণ প্রশ্নটা শুধু আজকের নয়—প্রশ্নটা আমাদের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

দয়া করে সবাই পড়ুন এবং শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিন আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।বরাক ভ্...
14/08/2026

দয়া করে সবাই পড়ুন এবং শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

বরাক ভ্যালি তথা আসামের সকল জাতি-বর্ণ ও ধর্মের মানুষের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ—আপনারা যেভাবে বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এর মাধ্যমে মনে হচ্ছে, আমাদের সমাজ থেকে ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
যাকে নিয়ে আপনারা কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন, তিনি হলেন বরাক তথা আসামের সর্বশ্রদ্ধেয় ও সর্বজনপরিচিত আলেমে দ্বীন আল্লামা সারিমুল হক লস্কর বাস্ট্যান্ডি সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম)। তিনি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত এবং দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।
তাঁকে নিয়ে আপনারা যেভাবে ট্রল করছেন, বিভিন্ন মন্তব্য করছেন কিংবা তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি করছেন, এতে সমাজে বিভেদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ—ইসলাম, ইসলামী জ্ঞান ও আলেম-উলামাকে নিয়ে কোনো পোস্ট করার আগে বিষয়টি ভালোভাবে জেনে ও যাচাই করে তারপর কথা বলুন। কারণ যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বক্তব্য প্রচার করলে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে যারা হযরত মাওলানা আল্লামা সারিমুল হক লস্কর বাস্ট্যান্ডি সাহেবের বিরুদ্ধে কটূক্তি করছেন কিংবা তাঁর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্নভাবে ভাইরাল করছেন, তাঁদের বলব—এভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা মোটেও ভালো কাজ হয়নি।
তিনি যে বক্তব্যে তাবলিগ জামাতকে নিয়ে কথা বলেছেন এবং বলেছেন যে, ভারতের অনেক দুষ্কৃতিকারী তাবলিগ জামাতকে পাকিস্তানি বলে আখ্যা দেয়—এ কথাটি সম্পূর্ণ অমূলক নয়। আমরা বিভিন্ন সময়ে সংবাদপত্র ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের ঘটনা দেখেছি। বাস্তবতা হলো, তাবলিগ জামাতের মানুষ দ্বীনের দাওয়াত ও প্রচারের উদ্দেশ্যে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকা, এবং এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে যান।তবে ইসলামের বিরুদ্ধে যারা বিদ্বেষপূর্ণ ভাব রাখে তাহারা বিভিন্ন ধরনের অপবাদ বা তকমা ব্যবহার করে, তাদের ব্যাপারে অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকা উচিত। তাই হযরত যে কথাটি বলেছেন, সেটিকে তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য বুঝে দেখা দরকার। তিনি কী নিয়তে কথাটি বলেছেন, তা আল্লাহই ভালো জানেন; আমরা তাঁর অন্তরের নিয়ত সম্পর্কে জানি না।
আরেকজন সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত পরিচিত ব্যক্তি, যিনি ফিটনেস গুরু বা বডি বিল্ডার হিসেবে পরিচিত—সুরমা সাদ্দাম সাহেব, যিনি বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে কর্মরত—তাঁর একটি পোস্ট দেখে আমি অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছি। তিনি সেখানে যুক্তি দিয়ে দলিল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
ভাই, আপনি আপনার কর্মক্ষেত্রে এবং নিজের ক্ষেত্রে একজন পরিচিত মানুষ। কিন্তু আলেম-উলামার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করার আগে ইসলামী জ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।
আপনি একটি বিষয় বলেছেন—তাবলিগ জামাতে গিয়ে আপনি দাড়ি রাখা শিখেছেন এবং নবীজির সুন্নত পালন করছেন। আবার বলেছেন, কর্মরত অবস্থায় জাঙ্গিয়া পরেও জিম করেন, কিন্তু দাড়ি কাটেন না।
দাড়ি রাখা যদি আপনি নবীজির সুন্নত হিসেবে পালন করেন, নিঃসন্দেহে এটি আপনার জন্য ভালো আমল। কোন আমল, কোন সুন্নত কিংবা কোন নেক কাজের কারণে কে জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।
কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—সুন্নতের পাশাপাশি ফরজের প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। পুরুষের সতর নাভি থেকে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত আবৃত রাখা ফরজ। তাই ফরজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পর সুন্নত ও অন্যান্য নফল আমলের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
আমি আপনার ব্যক্তিগত আমল নিয়ে বিচার করতে চাই না। তবে একজন আলেমের বক্তব্যের সমালোচনা করতে হলে যথেষ্ট ইসলামী জ্ঞান ও দলিল থাকা প্রয়োজন। আপনি একজন বডি বিল্ডার ও পরিচিত ব্যক্তি; আপনার মুখ থেকে কোনো আলেমের ব্যাপারে বিভ্রান্তিকর বা কঠোর মন্তব্য করা আপনার মতো একজন পরিচিত মানুষের জন্য শোভনীয় নয়।
তাই আমার অনুরোধ—আপনি আপনার নিজস্ব ক্ষেত্রে যেভাবে আছেন, সেভাবেই থাকুন; কিন্তু আলেম-উলামার সঙ্গে বিতর্কে যাওয়ার আগে বিষয়টি ভালোভাবে জেনে নিন।
আরেকটি বিষয়—আপনি বলেছেন, হযরত আল্লামা বাস্ট্যান্ডি সাহেব মসজিদের ভিতরে পেঁয়াজ ও রসুন খেয়ে প্রবেশ না করার ব্যাপারে একটি হাদিস পড়েছেন। অথচ আপনি তাঁর সেই হাদিস পাঠকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যেন তিনি কোনো জাদুমন্ত্র বা অন্য কিছু করছেন।
ভাই, হাদিস ও কোরআনের আয়াতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হযরত যে বক্তব্যটি পড়েছেন, সেটি হাদিসের বক্তব্য—কোরআনের আয়াত নয়। আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান সম্পর্কে ভালোভাবে জানা থাকলে বিষয়টি সহজেই বোঝা সম্ভব।
কোরআন শরিফের আয়াত তিলাওয়াতের নির্দিষ্ট আদব ও পদ্ধতি রয়েছে। অন্যদিকে হাদিস পাঠের বিষয়টি আলাদা। তাই কোনো আলেমের হাদিস পাঠের ধরন না বুঝে সেটিকে জাদুমন্ত্র বা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা মোটেও সমীচীন নয়।
আপনার এই ধরনের মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে, বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আরও জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। আপনার যদি এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ইলম থাকত, তাহলে হয়তো এমন মন্তব্য করতেন না।
আমি আপনাকে আবারও বিনীতভাবে বলছি—কাদা ছোড়াছুড়ি, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও আলেম-উলামাকে নিয়ে বিদ্রূপ করা থেকে বিরত থাকুন। ভবিষ্যতে কোনো আলেমের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সম্মানজনকভাবে প্রশ্ন করুন, দলিলের মাধ্যমে আলোচনা করুন এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য আলেমদের কাছ থেকে বিষয়টি জেনে নিন।
এতে আপনারও ভালো হবে, সমাজেরও ভালো হবে, মুসলমানদেরও ভালো হবে এবং সর্বোপরি আমাদের সমাজে শান্তি ও ঐক্য বজায় থাকবে।
আসুন, আমরা মতভেদকে শত্রুতায় পরিণত না করি।
আলেম-উলামার সম্মান করি, ভুল হলে দলিল দিয়ে সংশোধন করি এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে বিভেদের নয়—ঐক্যের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করি।
এই বলে আমার বক্তব্য শেষ করলাম।
অনুরোধ রইল—আমার এই পোস্টটি সবাই পড়ে, বিষয়টি বুঝে এবং ভালো মনে হলে শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন, সমাজে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করুন। আমিন।

🚨 সচেতনতা পোস্ট 🚨💍 বিবাহ রেজিস্ট্রেশনে প্রতারণা থেকে সাবধান!বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও ধর্মীয় বন্ধন। তাই বিবাহ র...
13/08/2026

🚨 সচেতনতা পোস্ট 🚨
💍 বিবাহ রেজিস্ট্রেশনে প্রতারণা থেকে সাবধান!
বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও ধর্মীয় বন্ধন। তাই বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের সময় যোগ্য ও বৈধ বিবাহ নিবন্ধকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করুন।
⚠️ অপরিচিত বা কথিত দালালের হাতে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা অতিরিক্ত টাকা তুলে দেবেন না।
📌 রেজিস্ট্রেশনের আগে জেনে নিন—
• নিবন্ধকের পরিচয় ও বৈধতা
• রেজিস্ট্রেশনের সরকারি/নির্ধারিত ফি
• প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
• রেজিস্ট্রেশন শেষে নিকাহনামা/সনদের সঠিক তথ্য
💡 আপনার অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন। অন্যকেও সচেতন করুন।
❝সঠিক তথ্য জানুন, প্রতারণা থেকে বাঁচুন❞
📢 কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন।

Address

Nilambazar
Karimganj
788722

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Selim uddin nlb kp posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Selim uddin nlb kp:

Shortcuts

Share

Category