25/09/2026
জুম্মা মোবারক জুমার দিনের ফজিলত ও মর্যাদা 🌙🕌
ইসলামে জুমার দিন (শুক্রবার) অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। হাদিসে এ দিনকে মুসলমানদের জন্য বিশেষ দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> “সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।”
— সহিহ মুসলিম
এই দিনেই হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং কিয়ামতও জুমার দিন সংঘটিত হবে—এমন বর্ণনা হাদিসে এসেছে।
🤲 ২. জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়
জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন—এ কথা সহিহ হাদিসে এসেছে।
তাই জুমার দিনে বেশি বেশি দোয়া, ইস্তিগফার ও আল্লাহর জিকির করা উত্তম।
ﷺ ৩. নবীজি ﷺ-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পড়া
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> “জুমার দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো।”
তাই জুমার দিন বেশি বেশি পড়তে পারেন:
اللهم صل وسلم على نبينا محمد
📖 ৪. সূরা কাহফ পাঠের ফজিলত
জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করার ব্যাপারে ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। অনেক আলেম জুমার দিন বা জুমার রাতকে এর জন্য উত্তম সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
🕌 ৫. গোসল ও পরিচ্ছন্নতা
জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং সুন্দরভাবে মসজিদে যাওয়া সুন্নত আমলের অন্তর্ভুক্ত।
👣 ৬. আগে আগে মসজিদে যাওয়ার ফজিলত
হাদিসে জুমার দিন আগে মসজিদে যাওয়ার বিশেষ সওয়াবের কথা এসেছে। তাই সম্ভব হলে খুতবার অনেক আগে মসজিদে যাওয়া উত্তম।
🤫 ৭. খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা
ইমাম খুতবা দেওয়ার সময় কথা বলা, অপ্রয়োজনীয় কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা জুমার গুরুত্বপূর্ণ আদব।
সংক্ষেপে: জুমার দিন হলো নামাজ, দরুদ, দোয়া, জিকির, ইস্তিগফার ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগের দিন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জুমার দিনের ফজিলত অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲