Kandi computer training institute

11/07/2024
23/04/2023

Healthy bone tips: বয়স যতই বাড়ুক, হাড় টাটকা লোহার মতো থাকবে। পাঁচ অভ্যাস রোজকার জীবনে থাকলে আর কোনও সমস্যা হবে না। জেনে নিন .....

23/04/2023

দেশের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ফের কড়া ভূমিকায় অবতীর্ণ হল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। ত...

22/04/2023

জীবনে প্রথমবার আইসক্রীম খেয়ে দাঁত ভীষণ সিরসির করায় ছেলেটি বলেছিল ওই আইসক্রীমটা একটু গরম করে দিতে। প্রফুল্লচন্দ্র মহালনবীশ অর্থাৎ বুলাকাকার সঙ্গী হয়ে একদিন ছেলেটি উটরাম ঘাটের জলের ওপরে ভাসমান উটরাম রেস্টোরান্টে গিয়েছিল, সেখানে জীবনে প্রথমবার পরিচয় আইসক্রীমের সাথে।আর অভিজ্ঞতার কথা আমরা প্রথমেই জেনেছি, কিন্তু ছেলেটি কে? তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক , আমাদের দেশের গর্ব সত্যজিৎ রায়।

© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

এই বুলাকাকা কলকাতা রেডিও স্টেশন চালু হবার পরে সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে তাঁকে একটা রেডিও উপহার দিয়েছিলেন,সেই রেডিও এখনকার রেডিওর তুলনায় আলাদা, তাকে বলা হত ক্রিস্ট্যাল সেট,কানে হেডফোন লাগিয়ে শুনতে হত। একসাথে একজনের বেশি মানুষ রেডিওর অনুষ্ঠান শুনতে পেতেন না।

ছোটবেলায় সত্যজিৎ রায়, মা ও ছোট মাসির সাথে একবার লখনৌতে গিয়েছিলেন, যাওয়ার বা আসবার সময়টা মানিকবাবু মনে করতে পারেন নি,মাসি,মা ইন্টারক্লাস লেডিস কামরায় উঠেছিলেন, মানিককে কোনওক্রমে তুলে দেওয়া হয় পাশের সেকেন্ড ক্লাসে।সেই কামরায় সাহেব আর মেমেরা ছিল।একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলেন, মুখে শব্দ করছেন না, ওদিকে ট্রেন থেকে নামবেন সম্ভব নয় গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে,কি আর করবেন কামরার এককোণে মেঝেতে সারারাত বসে থাকলেন। মানিকবাবুর কথায় সাহেবরা যদি তাঁকে বসতে দিতে চাইতেন কিন্তু তাদের ইংরেজি বোঝার সাধ্য তাঁর ছিল না,সম্ভবত সাহেবরা মানিককে গ্ৰাহ্য করেন নি।

ট্রেনে না হয় রাত কাটালেন কিন্তু প্রায় পড়ে যাচ্ছিলেন পরীক্ষার গেরোয়। সত্যজিৎ সেবার ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেবেন বয়স পনেরোর নীচে হলে হবে না,সরকারি নিয়ম, ওদিকে ১৯৩৬সালের মার্চে সত্যজিৎ ১৪বছর দশ মাস।কি হবে তাহলে!নিয়মের গেরোয় কি ম্যাট্রিক পরীক্ষা সেবছর আর দেওয়া হবে না! বয়স বাড়ানোর কিছু পদ্ধতি ছিল, কিন্তু কোনও অনিয়ম সুপ্রভা দেবীর ঘোর অপছন্দ, তিনি ওসবে রাজী নন, খুব ইন্টারেস্টিং তথ্য হল পরীক্ষার কয়েক মাস আগে ১৫বছরের নিয়ম উঠে গেল, সত্যজিৎ রায়ের ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকল না।
সংকলনে - Arunava Sen
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে







**ছবিটি সত্যজিৎ রায়ের চার বছরের

পুস্তক ও চিত্র ঋণ, কৃতজ্ঞতা স্বীকার,যখন ছোট ছিলাম সত্যজিৎ রায়,

07/04/2023

'আছে দুঃখ,আছে মৃত্যু' গানটি সুকুমার রায়ের মৃত্যুশয্যার পাশে গাইছেন রবীন্দ্রনাথ,তন্ময় হয়ে সেই গান তিনি শুনেছেন একবার নয় দু'বার৷

ওষুধ তখনও আবিষ্কৃত হয়নি। দুরারোগ্য মারণ ব্যাধি কালাজ্বর বাসা বেঁধেছে সুকুমারের শরীরে,খুবই অসুস্থ,গান শুনতে ভালবাসতেন ৷

সহধর্মিণী সুপ্রভা দেবীর কাছে রবীন্দ্রনাথকে শেষবারের মত দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন৷ সেই খবর রবীন্দ্রনাথের কাছে পৌঁছে যেতে সব কাজকর্ম ফেলে তিনি উদ্বেগাকুল হয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুকুমারের মৃত্যুশয্যার পাশে,মাত্র কয়েক বছর আগে যাঁর বিবাহ সভায় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন৷

রবীন্দ্রনাথ কে ঘরে ঢুকতে দেখে সুকুমারের চোখে-মুখে অসীম আনন্দের ছাপ,তিনি রবীন্দ্রনাথ কে বললেন 'আছে দুঃখ,আছে মৃত্যু' গানটি গাইতে৷ রবীন্দ্রনাথ সেই গান গেয়েছিলেন একবার নয় দু'বার৷ আরও একটি গান রবীন্দ্রনাথ ধরলেন 'এত কালের ভয়-ভাবনা কোথায় যে যায় সরে,ভালোমন্দে ভাঙাচোরা আলোয় ওঠে ভরে'৷ সকুমার তবু অতৃপ্ত আবার ফরমাশ করলেন 'দুঃখ এ নয়,সুখ নয় গো,গভীর শান্তি এ যে' গানটি গাইতে হবে,এই গানও রবীন্দ্রনাথ গেয়েছিলেন দু'বার৷ আনন্দিত সুকুমার প্রণাম জানিয়ে কবিগুরু কে বিদায় দিলেন৷
সেদিন তাঁর সব আকাঙ্খার অবসান হওয়ার কিছুদিন পরে অকাল জীবনাবসান হল সুকুমার রায়ের৷বড় ট্র্যাজেডি হল তিনি নিজের চোখে দেখে যেতে পারেন নি তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি 'আবোলতাবোল'৷

ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে ১৯২৩সালে প্রকাশিত হয়েছিল 'আবোলতাবোল',দিনটি ছিল ১৯ সেপ্টেম্বর৷অথচ তার মাত্র কয়েকটি দিন আগে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে তিনি আকাশের তারা হয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে৷ তখন তাঁর বয়স মাত্র ছত্রিশ৷

সুকুমার রায়ের অকাল প্রয়াণে ব্যথিত হয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ, লিখেছিলেন 'আমি অনেক মৃত্যু দেখেছি,কিন্তু এই অল্পবয়স্ক যুবকটির মতো অল্পকালের আয়ুটিকে নিয়ে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে এমন নিষ্ঠার সঙ্গে অমৃতময় পুরুষ কে অর্ঘ্য দান করতে প্রায় আর কাউকে দেখিনি৷ মৃত্যুর দ্বারের কাছে দাঁড়িয়ে অসীম জীবনের জয়গান তিনি গাইলেন'৷

সংকলনে - Arunava Sen




গ্রন্থঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার,অনন্য রবীন্দ্রনাথ,ড.নিতাই বসু

07/04/2023

শারীরিক ভাবে বেশ শীর্ণ, রুগ্ন মাস্টারদা সূর্য সেন কে সহযোদ্ধারা রসিকতা করে বলতেন, পুলিশ এলে আপনাকে খপ করে ধরবে আর নিয়ে যাবে, মাস্টারদা স্বয়ং হেসে বলতেন দেখা যাবে..🌿

ইংরেজি ক্যালেণ্ডারে সেদিন ১০নভেম্বর, ১৯২৬ বিকেল বেলা। হাতে একটি চায়ের কেটলি নিয়ে ধীরে ধীরে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে আসছে বাড়ির ভৃত্য৷ তাঁকে বেশ জোরে ধমক দিল হিন্দুস্থানী সেপাই,-'কিধার য়াগেগা? অন্দর যাও'৷ বরফ অবশ্য গলেছিল একটু পরে,দারোগাকে একটা সেলাম, গেটে প্রহরারত কনস্টেবলের দিকে দু'বার সেলাম ঠুকে গুটি গুটি পায়ে চা আনতে বেরিয়ে গেলেন ওই ভৃত্য৷ পুলিশও বুঝতেই পারল না তাদের চোখে ধুলো দিয়ে ভারতের সশস্ত্র বিপ্লবের অবিসংবাদিত নেতা,মাস্টারদা সূর্য সেন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেলেন৷

মাস্টারদা সহযোদ্ধাদের রসিকতার জবাবে হেসে বলতেন দেখা যাবে,যাদের গায়ে জোর বেশি, ছুটতে পারে,দৌড়তে পারে তারা আগে ধরা পড়ছে৷ আমি সময় মত সরে পড়তে পারব৷ বড় সত্যি হল এক নয় একাধিক বার তিনি পুলিশের চোখ কে ফাঁকি দিয়ে উধাও হয়েছেন,তাঁর খোঁজে গিয়ে পুলিশ বুঝতে পেরেছে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি,প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব,এবং অসম সাহসিকতায় তাদের টেক্কা দিয়ে,তাদের বোকা বানিয়ে মাস্টারদা চলে গিয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে৷

সেদিন ও সাধারণ একটা দিন,তবে দিনটা যে মোটেও খুব সাধারণ নয় বিষয়টি অনুধাবন করতে ভুল হয়নি সূর্য সেনের।তিনি দেখতে পেলেন ব্রিটিশের পুলিশ বিপ্লবীদের খোঁজে গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেছে৷ এর আগেও চট্টগ্রামে ২৫ অক্টোবর ১৯২৪,তারিখে পুলিশ তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলেছিল,তবে তাকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা পুলিশের হয় নি,বাড়ির খাটা পায়খানার ফাঁক দিয়ে নিঃশব্দে পেছনের ঘন জঙ্গলে ঢুকে গভীর অন্ধকারে মিলিয়ে গিয়েছিলেন৷

কিন্তু এবার কী হবে! গোটা বাড়িটা যে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে রেখেছে, পালাবার যে কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না! বিচক্ষণ সূর্য সেন মুহূর্তে গায়ের জামা, গেঞ্জি সব খুলে ফেললেন, নিজের পায়ের জুতো ফেলে দিলেন৷ পাশে ঝোলানো কোনও একজনের একটা অত্যন্ত অপরিস্কার,ময়লা,তেল চিটচিটে গামছা কাঁধে ফেলে মাথার চুলগুলো এলোমেলো করে দিলেন৷
হাতে একটি চায়ের কেটলি নিয়ে ধীরে ধীরে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এসেছেন ৷ বাড়ির বাইরের দরজার সামনে হিন্দুস্থানী এক পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল সে প্রচণ্ড জোরে ধমক দিল মাস্টারদাকে, 'কিধার যায়েগা? অন্দর যাও'৷
দু'পা পিছিয়ে পুলিশকে দিলেন এক সেলাম ঠুকে, ঢোক গিলে বললেন 'উপরের বাবু লোক চা খেতে চাইছেন;পয়সা দিয়েছেন:তিন পেয়ালা চা আনতে হবে'৷
ডান হাতের মুঠ খুলে পয়সাও দেখালেন৷

পুলিশের কনস্টেবল অবশ্য নিজের দায়িত্ব পালন করছে,সে পরিস্কার বলে দিল-'নেহী আনতে হোবে;যাও অন্দর'৷ মাস্টারদা একটু ইতঃস্তত করলেন৷ পাশে দাড়িয়ে ছিল এক দারোগা তিনি অবশ্য বাঙালি৷ বাড়ির ভৃত্যের আপাদমস্তক পুলিশের চোখ দিয়ে ভাল করে দেখে বললেন 'সেপাই,ছেড়ে দাও,ও বাড়ির চাকর'৷ সঙ্গে-সঙ্গে দারোগাকে একটি সেলাম দিয়ে কনস্টেবলের দিকে দুবার সেলাম করে গুটি গুটি পায়ে চা আনতে বেরিয়ে গেলেন,সেই যে বের হলেন আর ওই বাড়িতে ঢুকলেন না৷

হ্যাঁ সেই মাস্টারদা যার নেতৃত্বে চট্টগ্রামে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘটেছিল,মানুষ ভুলে যায় নি তাঁর আদর্শ,সশস্ত্র বিদ্রোহের পথে গিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যদাদের বিরুদ্ধে সূর্য সেনের তীব্র লড়াই জাতির যুবশক্তিকে নতুন প্রেরণায়,নব চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল৷ দেশের স্বাধীনতার জন্য ফাঁসির দড়ি হাসতে হাসতে গলায় তুলে নিয়েছেন। তাঁকে জানাই আমাদের স্যালুট..✊

♦️গ্রন্থঋণ - বিপ্লবী সূর্য সেন (গণেশ ঘোষ)

সংকলন ✒️ Arunava Sen (ধ্রুবতারাদের খোঁজে)

© এক যে ছিলো নেতা

| ে_ছিলো_নেতা |

📌 Facebook এর পাশাপাশি আমরা পথচলা শুরু করেছি YouTube এও.. আমাদের কাজ ভালো লাগলে আমাদের channel টি Subscribe করে পাশে থাকবেন.. এই রইলো link 👇 https://appopener.com/yt/19zgtp0em

11/01/2023

Address

Kandi, Jibdharpara, Murshidabad
Kandi

Telephone

+913484255999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kandi computer training institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category