Saonta Susar Jiyar Jharna Club

Saonta Susar Jiyar Jharna Club REGISTERED NO – S/2L/6140

WHERE THERE IS MOVEMENT,THERE IS IMPROVEMENT...

THE NAME OF OUR CLUB IS SAONTA SUSAR JIYAR JHARNA CLUB.IT WAS ESTABLISHED IN 1960.IT IS SITUATED AT DHARAMPUR MANASATALA,P.O-PALASHI,VIA-KANCHRAPARA,P.S-BIZPUR,DIST-24 PARGANAS(NORTH),WEST BENGAL.IT IS REGISTERED UNDER BY GOVT. OF WEST BENGAL REGISTRATION ACT XXVI OF 1961.WE HAVE DONE MANY ACTIVITIES LIKE-
(1) TOUR
(2) BAHA,
(3) MAH MORE,
(4) MAGH-SHIM,
(5) GAAY DARAN WITH SOHRAY,
(6) COCK-FIGHTIN

G GAME (DHULAT),
(8) BIDU -CHANDAN,
(9) SARASWATI PUJA,
(10) BIRTH DAY CELEBRATION OF Dr. B.R. AMBEDKAR
(11) BIRTH DAY CELEBRATION OF PANDIT RAGHUNATH MURMU
(12) HULMAHA,
(13) ANNUAL SPORTS,
(14) ANNUAL FOOTBALL TOURNAMENT,
(15) ANNUAL CULTURAL PROGRAMME...etc
OUR CLUB MEMBER ARE INVOLVED VARIOUS KIND OF SOCIAL WORK TO DEVELOP AND PROGRESS FOR OUR SANTAL SOCIETY.

  is observed on 9th August every year to protect and promote the rights of the world's indigenous population. This even...
09/08/2019

is observed on 9th August every year to protect and promote the rights of the world's indigenous population. This event also recognizes the achievements and contributions that indigenous peoples make to improve world issues such as environmental protection.
This year the theme is _Indigenous Languages_ and the year 2019 has been declared as the international year of the indigenous languages.
According to United Nations there are an estimated 370 million indigenous people in the world living across 90 countries. They make up less than 5 percent of the total world population but accounts for 15 percent of the poorest. They speaks a overwhelming majority of the world's estimated .
UN calls indigenous people as the .
আগস্ট আর আদিবাসী অন্য আঙ্গিকে আপন হয়েছে।আগস্টই বিশ্ব আদিবাসী দিবস। আগস্টের শ্লোগান-সেভ আদিবাসী। সেভ ওয়ার্ল্ড। আদিবাসীদের মধ্যেই মিশে আছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার মন্ত্র। পৃথিবী জুড়ে আওয়াজ উঠছে আদিবাসীদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে হবে। আদিবাসীদের শিক্ষার অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। বন,জঙ্গল,পাহাড়ের অধিকার আদিবাসীদের। আদিবাসীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন বিশ্ব জুড়ে সুনিশ্চিত করা দরকার। আদিবাসী দিবস অধিকার আদায়ের দিবস। আদিবাসীদের ধর্ম, সংস্কৃতি রক্ষায় সিডুল এরিয়া নির্ধারিত করা আবশ্যক। আদিবাসীদের নিজস্ব বিচার ব্যবস্থা, রীতি নীতি অব্যাহত রাখা জরুরী।
১৯৯০ সালের ১৮ই ডিসেম্বর জাতি সংঘের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৯৩ সালকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। আর সারা বিশ্বের আদিবাসীদের মানবাধিকার, পরিবেশ, উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা সমাধান করা হবে আন্তর্জাতিক স্তরে।আদিবাসীদের আন্তর্জাতিক স্তরে সহযোগিতা করা হবে। আর এই জন্য আদিবাসী দশক ঘোষনা করা হয় -১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত। জাতি সংঘ আদিবাসীদের জন্য প্রথম আদিবাসী দশক ঘোষনা করে। প্রথম আদিবাসী দশকের শ্লোগান ছিল ইন্ডিজেনাস পিপল পার্টনারশিপ ইন একসন। আবার ২৩ ডিসেম্বর ১৯৯৪ সাল ঘোষনা হয় ৯ ই আগস্ট কে আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসাবে পালন করার। বিশ্বের আদিবাসীদের অবস্থা তেমন কিছু পরিবর্তন হয়নি।২০০৪ সালের ২০ ডিসেম্বর দ্বিতীয় আদিবাসী দশক হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় আদিবাসী দশক। দ্বিতীয় আদিবাসী দশকের শ্লোগান-ইন্ডিজেনাস পিপল পার্টনারশিপ ফর এক্স এন্ড ডিগনিটি। জাতি সংঘ আদিবাসীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত দিলেও বহু দেশেরই সরকার তা কার্যকর করতে অনীহা বা এড়িয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় আদিবাসী দশকের বার্তা আদিবাসী জন মানুষে পৌঁছানো গেল না।আদিবাসীদের অধিকার কি তা অকল্পনীয়, অধরাই, দিক ভ্রান্ত, বিপন্নতার মুখোমুখি। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে আদিবাসী নর নারী অত্যাচারিত। শিক্ষা ক্ষেত্রেও প্রতারিত-বঞ্চিত-লাঞ্ছিত। নিগ্রহ হচ্ছে মানসিক ভাবে,ধর্ষিত হচ্ছে কৌশলে। আবারও ২০১৯ আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা বর্ষ হিসাবে ঘোষিত হলেও আদিবাসী ভাষাচর্চা- ভাষা উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কী না তা তো সময় এবং বাস্তবেই বলবে। এরই মাঝে হিসাবের মিল গরমিলের মধ্যেই নাচ-গান-অর্কেস্ট্রা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পেরোবে আর এক আদিবাসী দিবস।।

03/04/2019

আমাদের সংগ্রাম এই দেশকে বন্ধুত্বের বন্ধনে সমস্ত সম্প্রদায়কে ঐকবদ্ধ করার জন্য.

এবং সংবিধানই তার হাতিয়ার.

যারা দেশের সংবিধানকে অপমান অসম্মান করে
যারা সংবিধান জ্বালায় এবং যারা এসব দেখেও চুপ চাপ থাকে,
আমরা তাদেরকেই আসল দেশদ্রোহী মনে করি.
আমরা মনে করি এরাই আসল সন্ত্রাসবাদী.

এদেরকেই চিরকালের জন্য জেলে পাঠানো দরকার. তবেই দেশ সুরক্ষিত থাকবে.

Send a message to learn more

গুজরাটে আদিবাসীদের জমি দখল করে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি স্থাপন নিয়ে আদিবাসীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে বিজেপি সরকার, ...
31/10/2018

গুজরাটে আদিবাসীদের জমি দখল করে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি স্থাপন নিয়ে আদিবাসীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে বিজেপি সরকার, ছিঁড়ে ফেলা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার।

৩১ অক্টোবর, ২০১৮ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৪৩ তম জন্মদিন৷ এদিনই গুজরাটের নর্মদা জেলায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ উপস্থিত থাকবেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিও৷ প্রথম থেকেই এই মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছেন ওই অঞ্চলের আদিবাসীরা৷ উদ্বোধনের আগে সেই আন্দোলনের তেজ আরও প্রবল করার ইঙ্গিত দিল আদিবাসী সমাজ৷ ছেঁড়া হল প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত পোস্টার৷
জানা গিয়েছে, প্রায় নব্বই শতাংশ পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়৷ পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে, আবার নতুন করে পোস্টার লাগাতে হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের৷ বসানো হয়েছে পুলিশি প্রহরা৷ এলাকায় টহল দিচ্ছে বিশাল পুলিশবাহিনী৷ স্থানীয় এক আদিবাসী নেতা জানান, এই ঘটনাই প্রমাণ করে রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের উপর কতটা বিক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে আদিবাসী সমাজ৷ এই মূর্তি নির্মাণের ফলে আদিবাসীদের জীবিকা বিপন্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি৷ এই আদিবাসী নেতার দাবি, ভাদোদরা থেকে একশো কিলোমিটার দূরে প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ একটা অঞ্চলে এই সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই মূর্তিটি নির্মাণ করেছে বিজেপি সরকার৷ এই ফলে চরম বিপদের মুখে পড়েছে ওই অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৭৫ হাজার আদিবাসীর জীবন৷
ওই আদিবাসী নেতার কটাক্ষ, বিশ্বে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রীর পোস্টার রক্ষার্থে পুলিশকে পাহারায় বসতে হয়েছে৷ তিনি জানান, শুরু থেকেই নর্মদা জেলার আদিবাসীরা এই মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছিল৷ তবে এবার রাজ্যের সমগ্র আদিবাসী সমাজ ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ প্রকল্পের বিরোধী৷ সূত্রের খবর, ৩১ অক্টোবর, ২০১৮ রাজ্যেজুড়ে বনধ পালনও করতে পারে ছোট-বড় শ’খানেক আদিবাসী সম্প্রদায়৷ রয়েছে উপবাসের পরিকল্পনাও৷ প্রভাব পড়তে পারে ন’টি জেলার ৭৫টি গ্রামে৷ আদিবাসী সমাজের একাংশের দাবি, গুজরাটের মহান সন্তান সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তির বিরোধিতা করছেন না তাঁরা৷ কিন্তু তাঁদের জীবন ও জীবিকা হাতছাড়া হওয়ায় সরকার বিরোধী ক্ষোভ জমেছে তাঁদের মনে৷
গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হোর্ডিং পাহারা দিচ্ছে রাজ্য পুলিশ! পৃথিবীর ইতিহাসে সম্ভবত প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া ব্যানার প্রহরায় মোতায়েন পুলিশকর্মীরা। শুধু তাই নয়, আদিবাসীদের ক্ষোভ থেকে হোর্ডিং বাঁচাতে ছবিতে বিরাট আকারের বিরসা মুন্ডার ছবি দেওয়া হয়েছে। তার নিচে প্রধানমন্ত্রীকে বসানো হয়েছে। হই হুল্লোড় করে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের বিশাল মূর্তি উদ্বোধনের বন্দোবস্ত করলেও স্থানীয় আদিবাসীদের পাশাপাশি কৃষকদের ক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর বাহিনীকে।
নর্মদা বাঁধের কাছেই দাঁড়িয়ে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের বিশালাকার মূর্তি। ১৮২ মিটার উচ্চতার এই মূর্তি বুধবার ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৮ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে ব্যানার, হোর্ডিং, পোস্টারে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্য। বাদ যায়নি নর্মদা জেলাও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই হোর্ডিংয়ে রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানির ছবিও। সম্প্রতি ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী ফলাও করে এর প্রচার করেছেন। উদাহরণ দিয়ে দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন দুনিয়ার সবথেকে বড় মূর্তি হয়েছে এটিই। ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এমন একটি মূর্তি নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন প্রধানমন্ত্রী এটিকে বিরাট সাফল্য হিসাবে দেখাতে উঠেপড়ে লেগেছেন।
যদিও ভিটে মাটি হারানো আদিবাসীরা এইসব কথায় ভুলছেন না। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের এই মূর্তি নির্মাণের জন্য আদিবাসীদের কাছ থেকে জমি কেড়ে নেয় রাজ্যের বিজেপি সরকার। মেলেনি পর্যাপ্ত পুনর্বাসনও। কমপক্ষে ৭৫ হাজার আদিবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, হারিয়েছেন জমি। ঘটা করে সেই মূর্তি উদ্বোধনের ব্যবস্থা করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আদিবাসীরা। জেলাজুড়ে অধিকাংশ হোর্ডিংয়ে কালো কালি লাগিয়েছেন বা ছিঁড়ে ফেলেছেন তাঁরা, অভিযোগ এমনই। এক সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গিয়েছে, ৯০ শতাংশ পোস্টার-হোর্ডিংই হয় ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে নয়ত কালো কালি লেপে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা। সংলগ্ন ২২টি গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধানরা একটি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় লিখেছেন, ‘এই জঙ্গল, নদী, ঝরনা, জিম এবং কৃষি আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম সমর্থন দিয়ে চলেছে। আমরা এর উপরে ভিত্তি করেই বেঁচে আছি। কিন্তু সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হলো এবং উৎসব করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আপনার মনে হচ্ছে না এটা কারোর মৃত্যুতে উৎসব করা হচ্ছে? আমাদের তেমনই মনে হচ্ছে।’ এইরকম একটি এলাকার গ্রামগুলিতে এখনও স্কুল, হাসপাতাল,পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। অথচ ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে অর্থহীন মূর্তি তৈরি করা হলো। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সর্দার প্যাটেল যদি প্রাকৃতিক সম্পদের এই ব্যাপক ধ্বংস এবং আমাদের উপর এই অবিচার দেখতেন, তিনি কান্নায় ভেঙে পড়তেন। আমরা যখন এই সব কথা বলতে গেছি, তখন আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ চিঠিতে স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে বলা হয়েছে, আমাদের এখানে আপনি অনাহূত অতিথি। বুধবার বন্‌ধ ডেকেছে ছোট-বড় মিলিয়ে কমপক্ষে ১০০টি আদিবাসী সংগঠন। বনসকণ্ঠ থেকে ডাঙ, ৯টি জেলায় হবে বন্‌ধ। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’র উন্মোচনের দিনে ডাকা এই বন্‌ধ স্কুল, কলেজ, অফিস বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এই প্রকল্পের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত ৭২টি গ্রামের কোনও বাড়িতে রান্না হবে না বলেও জানিয়েছেন এই আদিবাসী নেতা। প্রথা অনুযায়ী, আদিবাসীদের গ্রামে কারও মৃত্যু হলে শোক জানিয়ে বন্ধ থাকে রান্না। ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার পর তড়িঘড়ি ফের নতুন পোস্টার বানিয়ে ফেলেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কোনোরকম ঝুঁকি না নিয়ে বিরসা মুন্ডার ছবি দিয়ে এবার বানানো হয়েছে হোর্ডিং। যাতে আর আদিবাসীরা তা নষ্ট করতে না পারেন এবং পাহারায় রয়েছে পুলিশকর্মীরা।
এদিকে, সংখেদায় ১১ বছর আগে ছিল ‘সর্দার সুগার মিল’। চিনি কলেরই বোর্ড সদস্যদের আর্থিক গন্ডগোলের জেরে বন্ধ হয়ে যায় সেটি। সেই সময় থেকে ছোটা উদেপুর, পঞ্চমহল, ভদোদরা এবং নর্মদা — এই চার জেলার ১৫০০ কৃষক নিজেদের বকেয়া পাওনার জন্য দিন গুনছেন। এই সমস্ত কৃষক প্রায় ২ লক্ষ ৬২ হাজার টন আখ বিক্রি করেছিলেন ওই চিনিকলে। ১২ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে তাঁদের। বহুবার সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েও মেলেনি অর্থ। এবার তাঁরাও নামছেন প্রতিবাদে। বুধবার, মূর্তি উদ্বোধনের দিন জলে ডুবে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন এই কৃষকরা। ‘এই মূর্তি আমাদের কাছে কিছুই নয়। সরকারের ঔদাসীন্যে কৃষকরা এখনও দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ‘১১ বছর ধরে লড়াই করে যাচ্ছি’ ক্ষোভ-হতাশা মিলিয়ে বলেছেন কৌশিক প্যাটেল। তিনি ৩৮৯.৭৩ টন আখ বিক্রি করেছিলেন চিনিকলে। পাবেন ২ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত, বুধবার পালটা ‘একতা যাত্রা’র আয়োজন করেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার।
সৌজন্য – সংবাদ প্রতিদিন (২৮/১০/২০১৮) ও টিডিএন বাংলা (৩০/১০/২০১৮)

আমাদের সকল আদিবাসীদের গর্বের বিষয়| সাঁওতালি সিনেমা "ফুলমুনি" দিল্লীর সিনেমা উৎসবে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে| "ফুলম...
10/10/2018

আমাদের সকল আদিবাসীদের গর্বের বিষয়| সাঁওতালি সিনেমা "ফুলমুনি" দিল্লীর সিনেমা উৎসবে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে| "ফুলমুনি" সিনেমার পুরো টিমকে অভিনন্দন জানাই|
সংবাদ সূত্র - সারি কাথা|

বিনিতা সরেন। এভারেস্ট জয়ী আদিবাসী সাঁওতাল মহিলা। ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সরাইকেলার বাসিন্দা। অভিনন্দন জানাই।
15/09/2018

বিনিতা সরেন। এভারেস্ট জয়ী আদিবাসী সাঁওতাল মহিলা। ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সরাইকেলার বাসিন্দা। অভিনন্দন জানাই।

12/08/2018

ম্যাচের সেরা - মৌসুমী মুর্ম্মূ (নয়াগ্রাম)
জার্সি নং - 14

৯ ই আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের ঘোষণাপত্র।
09/08/2018

৯ ই আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের ঘোষণাপত্র।

৯ ই আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের ঘোষণাপত্র। (International Day of the World's Indigenous Pe...

আজ 9 ই আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস !রাষ্ট্রসংঘ 1993 সালকে আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।1995 --2004 সাল পর্যন্ত ...
09/08/2018

আজ 9 ই আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস !
রাষ্ট্রসংঘ 1993 সালকে আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।1995 --2004 সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠী দশক এবং 2005 --2014 সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী দশক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।যার উদ্দেশ্য ছিল আদিবাসীদের উদ্বেগের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া।1982 সালের রাষ্ট্রসংঘ সর্বপ্রথম আদিবাসীদের স্বীকৃতি দেয়। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলির ঔপনিবেশিক অমানবিক শাসন,শোষণ, জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের স্বীকৃতি 9ই আগস্ট।
জাতিসংঘ আদিবাসীদের অধিকার,ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে সুরক্ষা প্রদানের স্বার্থে দিনটি পালন করার জন্য বলা হয়।আদিবাসী জনগনের মানবাধিকার পরিবেশ,উন্নয়ন,শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সুদৃঢ় ও গণসচেতনতা সৃষ্টি করাই বিশ্ব আদিবাসী দশক, বর্ষ ও দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।
রাষ্ট্রসংঘ সারা পৃথিবী জুড়ে 5000-এর বেশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষজনের অস্তিত্ব, ভাষা, সাহিত্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ধর্ম, পূজা-পার্বণ, সামাজিক আচার-আচারণ-রক্ষা ও সংরক্ষণের স্বার্থে কর্মসূচি ও শপথ গ্রহণের জন্য 1995, 9 ই আগস্ট দিনটিকে 'আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস' হিসাবে ঘোষণা করেছে ।সেই থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী গুলি তাঁদের জাতিসত্ত্বা ও অস্তিত্ব রক্ষা এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার দিবস হিসাবে পালন করে আসছে।

আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে আদিবাসী হিসেবে রাষ্ট্রের কাছে আমার দাবী সনদ ---

১.বিশ্ব আদিবাসী দিবস সারা বিশ্বের সাথে সাথে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে উদযাপিত হোক ।
২.আদিবাসী অধিকার বিষয়ক জাতি সঙ্ঘের ঘোষণাপত্র ২০০৭ বাস্তবায়ন করা হোক।
৩. এস্ট্রো এশিয়াটিক ভাষা গোষ্ঠীর মানুষদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দান করা হোক ।
৪. সংবিধানে উপজাতি শব্দ বিলুপ্ত করে এস্ট্রো এশিয়াটিক ভাষা গোষ্ঠীর মানুষদের ক্ষেত্রে আদিবাসী শব্দ ব্যবহার করা হোক ।
৫. আধাসামরিক ,সামরিক বাহিনি ,পুলিশ দিয়ে নির্দোষ আদিবাসী হত্যা,গ্রেপ্তার বন্ধ হোক।
৬. আদিবাসীদের ধর্ষণ ,হত্যা, শারীরিক- মানসিক- যৌন নির্যাতনের মতন অপরাধের সাথে যুক্তদের কোঠর থেকে কঠোরতর সাজা দেওয়া হোক ।
৭.জল ,জঙ্গল ,জমি ও স্বশাসন সহ আদিবাসিদের বিভিন্ন অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সংবিধানের ৫ম ও ষষ্ঠ তপশীল সঠিকভাবে কার্যকরী করা হোক ।
৮. রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদা প্রদান ও আদিবাসীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রক্রিয়া বন্ধ হোক ।
৯. উন্নয়নের ভাঁওতা দিয়ে আদিবাসী উচ্ছেদ বন্ধ করা হোক ।
১০. আদিবাসিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ,ধর্মীয় ক্ষেত্রে সরকারী হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হোক ।

তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সংশোধন বিল পাশ লোকসভায়। তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কেন...
07/08/2018

তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সংশোধন বিল পাশ লোকসভায়।

তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র নরম অবস্থান নেওয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছিল দেশজুড়ে। সেই চাপের মুখে সংশোধনী এনে পুরনো ধারাগুলি ফের জুড়ে নিয়ে লোকসভায় পাশ হল তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন প্রতিরোধ সংশোধনী আইন। আর আজই রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে ওবিসি কমিশন বিল। বিল দু’টি নিয়ে সংঘাতের পথে যাননি বিরোধীরা।
মাস চারেক আগে তফসিলি জাতি-জনজাতি নির্যাতন আইন লঘু করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। যা প্রথমে সরকার মেনে নেয়। এ নিয়ে বিরোধীদের সঙ্গেই সরব হন রামবিলাস পাসোয়ান, রামদাস আটাওয়ালের মতো কেন্দ্রের শাসক জোটের শরিক নেতারাও। চাপ আসে বিজেপির দলিত সাংসদদের থেকেও। সারা দেশে দলিত বিক্ষোভ মাথাচাড়া দেয়। চাপের মুখেই দলিত আইনে যে সব ধারায় ফাঁস আলগা করার রায় সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছিল, সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। তাতে চার মাস দেরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জ্জুন খড়্গে। তিনি বলেন, ‘‘কিছু ব্যবসায়ীর স্বার্থরক্ষায় সংশোধনী বিল আনতে সরকার এতটুকু দেরি করে না। কিন্তু দলিতদের জন্য এটা করতে গিয়ে চার মাস কেটে গেল।’’ তৃণমূলের ইদ্রিশ আলি বলেন, ‘‘সরকার দলিতদের স্বার্থরক্ষায় ব্যর্থ। বিরোধীদের চাপেই সংশোধনী আনতে বাধ্য হল সরকার।’’
লোকসভায় বিলটি বিনা বাধায় পাশ হলেও, কোর্টের ভূমিকা নিয়ে সরব হন ইলাহাবাদের বিজেপি সাংসদ বিজয় শঙ্কর। বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের কাজ হল আইন বিশ্লেষণ। আইন তৈরি করা নয়। সুপ্রিম কোর্টের সক্রিয়তায় বিচারব্যবস্থা না সংসদ কে বড় — সেই বিতর্ক ফের সামনে চলে এসেছে।’’ যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, কেন্দ্র অবস্থান নরম করায় সুপ্রিম কোর্ট বিলের ধারা লঘু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
সৌজন্য – আনন্দবাজার পত্রিকা, ০৭/০৮/২০১৮।

12/05/2018

মাই লাংতিতি আর শ্রেয়া .....

ফুলের গন্ধ যেমন চাপা দিয়ে রাখা যায় না, চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনই কুৎসা করে কোন মানুষের মহনতা কেও ধামাচাপা দেওয়া যায় না...
02/03/2018

ফুলের গন্ধ যেমন চাপা দিয়ে রাখা যায় না, চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনই কুৎসা করে কোন মানুষের মহনতা কেও ধামাচাপা দেওয়া যায় না|
ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের মহান নেতা দিশম গুরু শিবু সরেনের সংগ্রামের কথা, আন্দোলনের কথা, ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে সূদূর ইংল্যান্ড এ টেউ খেলেছে| জানা গেল যে ইংল্যান্ড এর রাজধানী লন্ডন শহরের জাদুঘরে ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের মহান নেতা দিশম গুরু শিবু সরেনের সংগ্রামের কথা, আন্দোলনের কথা দর্শনার্থীদের জানানোর জন্য লেখা আছে|
এই খবর জেনে একজন ভারতবাসী হিসেবে, একজন আদিবাসী হিসেবে, একজন সাঁওতাল হিসেবে আমি তো দারুন গর্ব বোধ করছি| কিন্তু তাদের কথা ভাবছি, যারা দিনরাত ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের মহান নেতা দিশম গুরু শিবু সরেনের বিরুদ্ধ কুৎসা করে, তাঁকে দিনরাত গালি না দিলে ভাত হজম হয় না| এই খবর শুনে তারা তো কড়াইের ফুটন্ত তেলের মতন টগবগ করে ফুটবে| দুঃখিত, আমি কোনো সাহায্য করতে পারব না|
ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের মহান নেতা দিশম গুরু শিবু সরেন জিৎকার|

Address

DHARAMPUR MANASATALA, P. O-PALASHI, VIA-KANCHRAPARA, P. S-BIZPUR, DIST-24 PARGANAS(NORTH)
Kancharapara
743195

Telephone

9433337007

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saonta Susar Jiyar Jharna Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Saonta Susar Jiyar Jharna Club:

Shortcuts

Share

Category