Tasir Sir English

Directions

Tasir Sir English Tasir sir English Coaching Centre is a private education coaching centre specially for IX, X, XI & XII Students

08/05/2026
IMPROVE UR VOCAB💪
29/04/2026

IMPROVE UR VOCAB💪

Knowledge of the DAY. Join our Speak Smart English
28/03/2026

Knowledge of the DAY. Join our Speak Smart English

📰 মানিকচকের সিভিক ভলেন্টিয়ার নাইমা খাতুনের আন্তর্জাতিক স্বর্ণজয় — দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন চেন্নাইয়েনিজস্ব সংবাদদাতা, ম...
13/11/2025

📰 মানিকচকের সিভিক ভলেন্টিয়ার নাইমা খাতুনের আন্তর্জাতিক স্বর্ণজয় — দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন চেন্নাইয়ে

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা | প্রকাশিত: নভেম্বর, ২০২৫

মালদা জেলার মানিকচক থানার রাজনগরের গর্ব — সিভিক ভলেন্টিয়ার নাইমা খাতুন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক নজিরবিহীন সাফল্য অর্জন করলেন। তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত Asia Masters Athletics Championship 2025-এ জ্যাভেলিন থ্রো (Javelin Throw) ইভেন্টে প্রথম স্থান অর্জন করে সোনার পদক লাভ করেছেন।

এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ে, ৫ নভেম্বর থেকে ৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। ২৩তম এশিয়া মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ২২টি দেশ অংশগ্রহণ করে, যেখানে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে খেলোয়াড়রা নিজেদের ক্রীড়া দক্ষতা প্রদর্শন করেন। সেই বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে মানিকচকের সাধারণ পরিবারের মেয়ে নাইমা খাতুনের সাফল্য নিঃসন্দেহে সমগ্র বাংলার গর্বের বিষয়।

🏅 দেশের গৌরব, জেলার অহংকার

নাইমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে মানিকচক থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসেবে কর্মরত। চাকরির পাশাপাশি তিনি নিরলস পরিশ্রমে ক্রীড়াক্ষেত্রে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে রাজ্য ও জাতীয় প্রতিযোগিতায় একের পর এক পদক জিতে তিনি ধীরে ধীরে পৌঁছে গিয়েছেন আন্তর্জাতিক স্তরে।
চেন্নাইয়ের এশিয়া মাস্টার্স চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর দুরন্ত পারফরম্যান্স সকলকে মুগ্ধ করেছে। শক্তিশালী থ্রো-এর মাধ্যমে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

🌏 এশিয়ার ২২টি দেশের মধ্যে ভারতের মুখ উজ্জ্বল

এই প্রতিযোগিতায় চীন, জাপান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, বাংলাদেশসহ একাধিক দেশ অংশগ্রহণ করে। নাইমার জয় ভারতের পদক তালিকায় একটি উজ্জ্বল সংযোজন ঘটিয়েছে। ভারতীয় পতাকা উড়তে দেখে চেন্নাইয়ের স্টেডিয়ামে ভারতীয় কন্টিনজেন্টের সদস্যরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

💬 সমাজের বার্তা

একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার হওয়া সত্ত্বেও নাইমা প্রমাণ করেছেন, প্রতিভা ও অধ্যবসায় থাকলে সীমাবদ্ধতা কোনো বাধা নয়। তাঁর এই সাফল্য জেলা-রাজ্যের তরুণ-তরুণীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

🏛️ সরকারের পক্ষ থেকে কী হওয়া উচিত

যেভাবে ক্রিকেটার রিচা ঘোষ বিশ্বকাপের পর রাজ্য সরকারের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান, সংবর্ধনা ও প্রশংসা পেয়েছিলেন, ঠিক তেমনই
👉 নাইমা খাতুনের মতো গ্রামীণ পটভূমির একজন সিভিক ভলেন্টিয়ারের এই অসাধারণ আন্তর্জাতিক সাফল্য রাজ্য সরকারের স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।
👉 তাঁকে আর্থিক প্রণোদনা ও ক্রীড়া-সংক্রান্ত বিশেষ সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।
👉 পুলিশ বিভাগের তরফ থেকেও পদোন্নতি বা স্থায়ী নিয়োগের মতো পুরস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
👉 একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ-সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত।

🌟 নাইমার নিজের কথায়

নাইমা বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি একদিন দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক আনতে পারব। থানার দায়িত্বের পাশাপাশি আমি নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছি। এই সাফল্য শুধু আমার নয় — মানিকচকের, মালদার, এবং গোটা বাংলার।”

✍️ উপসংহার

নাইমা খাতুনের এই সাফল্য প্রমাণ করে— প্রতিভা যখন পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা প্রতিভাকে থামাতে পারে না।
চেন্নাইয়ের মাটিতে তাঁর সোনালি থ্রো শুধু একটি পদক নয়, বরং একটি বার্তা— বাংলার প্রতিটি কোণেই আছে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিভা, দরকার শুধু সুযোগ ও স্বীকৃতির।

✍️----- Mohammad Tasir Sheikh

゚

Seminar Visit Update — Genius Abasik Mission (H.S), Shershahi, Kaliachak (২৩-১০-২০২৫)গত বৃহস্পতিবার আমরা কালিয়াচক এর অন্...
24/10/2025

Seminar Visit Update — Genius Abasik Mission (H.S), Shershahi, Kaliachak (২৩-১০-২০২৫)

গত বৃহস্পতিবার আমরা কালিয়াচক এর অন্তর্গত Genius Abasik Mission (H.S) — একটি সম্পূর্ণ আবাসিক ও কেবলমাত্র মেয়েদের জন্য Class XI & XII Science বিভাগ পরিচালিত সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানে সেমিনার পরিচালনা করার সুযোগ পাই। আমাদের প্রতিষ্ঠান Speak Smart Pvt. Ltd. থেকে আগেই অফিসিয়ালি একটি প্রপোজাল লেটার প্রদান করা হয়েছিল, যা কর্তৃপক্ষ সাদরে গ্রহণ করে এবং সুবিধাজনক সময় নিশ্চিত করেন।

সেমিনারটি মূলত ১–১.৫ ঘন্টা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু ছাত্রীরা এতটাই আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে যে সেশনটি প্রায় আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত ডিলে হয়ে যায় — তবুও তারা আরো চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানায়, যা নিঃসন্দেহে তাদের শেখার আগ্রহ ও মনোযোগের পরিচয় দেয়।

✦ Seminar Highlights

➤ Session – 1 (Conducted by me):
সময়: প্রায় ২৫ মিনিট
আমার আলোচ্য বিষয়সমূহ ছিল —

1. একটি মোটিভেসনাল শর্ট story
2.ভালো ও মন্দ মানুষের সহবতে থাকার বাস্তব পরিণতি
3. "ভালো প্রশ্ন করা — জ্ঞানের অর্ধেক" এই নীতির ব্যাখ্যা

➤ Session – 2 (By Mr. MD Munsur Rahman)
তিনি Speak Smart Pvt. Ltd. এর CEO & Founder এবং মূল স্পিকার হিসেবে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সেমিনার পরিচালনা করেন।
মূল আলোচনার বিষয়গুলি ছিল —
– Communication Skill
– Spoken English
– Presentation Skill
– Career Guidance
– Motivational Speech

ছাত্রীরা পুরোটা সময় সম্পূর্ণ মনোযোগী, ইন্টারেক্টিভ ও প্রশ্নধর্মী অংশগ্রহণের মাধ্যমে সেশনের মান আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

✦ Special Acknowledgement

এই সেমিনারটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিষ্ঠানের Owner ও Headmaster ইসমাইল Sir শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ কপারেশন প্রদান করেন। উনার সহযোগিতার জন্য Speak Smart Pvt. Ltd. এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
আমরা তাঁর প্রতিষ্ঠান Genius Abasik Mission (H.S)-এর অব্যাহত অগ্রগতির জন্য শুভ কামনা করি।

শিক্ষা — সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে যখন সক্রিয় হয়, তখনই তার প্রকৃত শক্তি প্রকাশ পায়।
এই সেমিনারের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করলো — সঠিক পরিবেশ + আগ্রহী শিক্ষার্থী = পরিবর্তনের শুরু।

By - Mohammad Tasir Sheikh








25/09/2025

ভারতীয় ছাপরি:😂😂😂

অনেক দিন আগে থেকেই ভাবছিলাম যে এই বিরল প্রজাতি 'ছাপরিদের' নিয়ে কিছু লিখবো। তাই আজকে লিখেই ফেললাম, কেঁউকি আজ মৌকাভি হে অউর দাস্তুর ভি 😂

ছাপরি: (একটি গম্ভীর-গবেষণাধর্মী রসাত্মক প্রবন্ধ)

ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির ওপরে। কিন্তু তার মধ্যে যতজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেছে, তারও বেশি জন্ম নিয়েছে ছাপরি কনটেন্ট ক্রিয়েটর 🤦‍♂️। আগে জন্মদিনে মানুষ কেক কাটত, এখন কেক না থাকলেও “ভাই আমার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে দিও”—এই কেক-সদৃশ ডায়লগ অবশ্যই কাটছে 🎂📱।

ছাপরির সংজ্ঞা:

“ছাপরি” মানে কারা?
👉 যারা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ ক্যামেরার সামনে এসে “ভাই, এক মিনিট প্রেম হবে?” বলে মানুষকে বেকুব বানায় 😂।
👉 যারা ফেইসবুকে ১৪টা ফিল্টার লাগিয়ে নিজেদের “মডেল” ভাবে 🤳।
👉 যারা ইনস্টাগ্রামে রিল বানাতে গিয়ে মায়ের বালতি ফেলে দেয়, কিন্তু ক্যাপশন দেয় “Dream big, work hard.” 💧🤣
সংক্ষেপে, যারা মানুষের টাইমলাইনকে নষ্ট করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জন্মেছে—তারাই ছাপরি 🥲।

ভারতীয় ছাপরির বৈশিষ্ট্য:

1. কনটেন্ট আইডিয়া – বাজারে গিয়ে মানুষকে জিজ্ঞেস করা “আপনি আমাকে ভালোবাসেন?” 💘

2. লোকেশন – মলের ফ্লোর, মেট্রোর সিঁড়ি, বোনের বিয়ে, অথবা শ্মশান ঘাট বা কবরস্থান(হ্যাঁ, ওখানেও রিল বানানো হয়) ⚰️📹।

3. স্টাইল – মাইকেল জ্যাকসনের নাচ আর স্থানীয় গণেশ বিসর্জনের নাচের মাঝামাঝি কিছু 🕺।

4. ডায়লগ – “ভাই, এই ভিডিওটা ভাইরাল করে দাও।” (যেন সরকারিভাবে ভাইরাল বিভাগ আছে) 🙏🤣।

উন্নত দেশের সাথে তুলনা:

ধরা যাক আমেরিকা 🇺🇸। সেখানে ইউটিউবাররা রিসার্চ করে, ডকুমেন্টারি বানায়, মহাকাশে রকেট পাঠায় 🚀 আর ভিডিও বানায়।তাসির স্যার
অন্যদিকে ভারতীয় ছাপরিরা—

কুকুরকে আইসক্রিম খাওয়ায় 🍦🐶,

ট্রেনে ঝুলে রিল বানায় 🚆,

আর শেষে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আবার ভিডিও বানায় “ভাই, সাপোর্ট চাই।” 🏥😭

আমেরিকান ক্রিয়েটররা ক্যামেরা সেট করে, আলো জ্বালায়, স্ক্রিপ্ট বানায় 🎥।
ভারতীয় ছাপরি শুধু একটাই স্ক্রিপ্ট জানে—“ভাই, একটা লাইক-সাবস্ক্রাইব মেরে দাও।” 👍😂

গবেষণার তথ্য (একেবারেই না বানানো)

ভারতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ লাখ রিল তৈরি হয়, যার ৪৪.৯ লাখই ছাপরি কনটেন্ট 📊🤣।

গড়ে একজন ভারতীয় ছাপরি জীবনে অন্তত তিনবার পাবলিক থেকে চড় খায় 👋😂।

আমেরিকায় একজন ক্রিয়েটর কনফারেন্সে যায় 🎤, ভারতে ছাপরি পুলিশ কনস্টেবলকে বোঝায়—“স্যার, ভিডিও চলছিল।” 👮📹

শেষকথা:

ছাপরিরা আসলে এক বিরল প্রজাতি 🐒। তারা আমাদের টেনশন ভোলায়, হাসায়, আবার মাথা খারাপও করে 🤯। হয়তো ভবিষ্যতে ইউনেস্কো এদের “World Heritage Content” ঘোষণা করবে 🏆।তাসির স্যার

তবে হ্যাঁ, একদিন যদি কোনো ভারতীয় ছাপরি নোবেল প্রাইজ পায়—“সর্বাধিক বিরক্তিকর কনটেন্ট” এর জন্য—তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই 😜😂।

✍️By - Mohammad Tasir Sheikh

আমির সেখের ঘরে ফেরা: মানবিকতার জয়, নাকি রাজনৈতিক কৌশল?মালদার কালিয়াচক – ১ ব্লকের তরুণ পরিযায়ী শ্রমিক আমির সেখের ঘটনা আজ ...
19/08/2025

আমির সেখের ঘরে ফেরা: মানবিকতার জয়, নাকি রাজনৈতিক কৌশল?

মালদার কালিয়াচক – ১ ব্লকের তরুণ পরিযায়ী শ্রমিক আমির সেখের ঘটনা আজ গোটা বাংলার মানুষের হৃদয়কে নাড়িয়ে দিয়েছে। রাজস্থানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে তাকে বাংলাদেশি ভেবে কারাগারে বন্দি করা হয়। দীর্ঘ দুঃসহ দিন কাটানোর পর অবশেষে সরকারি উদ্যোগে তিনি নিজের মাটিতে, নিজের পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন।

আমিরের বাড়ি ফেরা নিঃসন্দেহে এক মানবিক সুখবর। তবে এই সুখবরকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

✦ সাংসদ ঈসা খান চৌধুরীর ভূমিকা

সোশ্যাল মিডিয়ার আপডেট এবং নথিপত্র দেখে সাধারণ মানুষ জানতে পারে যে কংগ্রেস দলের সাংসদ তথা মালদা দক্ষিণের জনপ্রতিনিধি মাননীয় ঈসা খান চৌধুরী বিষয়টি শুরু থেকেই গুরুত্ব সহকারে দেখেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক প্রশাসনিক দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছেন যাতে আমির নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে।

ঈসা খান চৌধুরী নিজে ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি লাগাতার চেষ্টা চালিয়েছেন এবং প্রমাণস্বরূপ সরকারি নথিও প্রকাশ করেন। এ কারণে জনগণের এক বড় অংশ মনে করেন যে আসল কৃতিত্ব তাঁর প্রাপ্য।তাসির স্যার

✦ তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান

অন্যদিকে, আমির বাড়ি ফেরার পর স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী জনসমক্ষে সভা আয়োজন করেন। সেখানে আমির ও তার পরিবারকে কাপড়সহ নানান উপহার দেওয়া হয়। এই দৃশ্যগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূলের দাবি— পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই আমির সুরক্ষিতভাবে ফিরতে পেরেছেন।

কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়— উপহারই কি যথেষ্ট?
যেহেতু আমির একবার এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছে, তাই ভবিষ্যতে সে আর রাজ্যের বাইরে কাজ করতে সাহস পাবে না। কাজেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দায়িত্ব ছিল তাকে কাপড়ের বদলে নিজের রাজ্যের ভেতরেই একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া। সেটিই ছিল প্রকৃত সহানুভূতি ও সমাধান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা করা হয়নি। ফলে উপহারের প্রদর্শনী যতই নজর কাড়ুক, বাস্তবিক অর্থে সমস্যার সমাধান হয়নি।তাসির স্যার

✦ সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি

মানুষের মনে আজ স্পষ্ট ধারণা— একজন নাগরিককে ফিরিয়ে আনা মানবিক দায়িত্ব, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা নয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত নথি এবং সাংসদ ঈসা খান চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টা দেখে সাধারণ মানুষ এটাই বিশ্বাস করে যে তাঁরই চেষ্টা আমিরকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। তবে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য দলও নিজেদের কৃতিত্ব দেখাচ্ছে।তাসির স্যার

✦ উপসংহার

আমিরের ঘরে ফেরা কেবল একটি পরিবারের স্বস্তি নয়, এটি গোটা সমাজের স্বস্তি। তবে তার ভবিষ্যৎ জীবন সুরক্ষিত করতে হলে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারকে এখনই এগিয়ে আসতে হবে।
রাজনীতি যদি সত্যিই মানুষের সেবার জন্য হয়, তবে আজই উদ্যোগ নেওয়া হোক আমিরকে একটি স্থায়ী কাজ দেওয়ার, যাতে সে আর কখনো ভিন রাজ্যে গিয়ে নিজের পরিচয়ের জন্য ভোগান্তির শিকার না হয়।তাসির স্যার

আমরা ভুলে যাওয়া চলবে না— মানুষ আগে, রাজনীতি পরে।

✍️By - Mohammad Tasir Sheikh

দায়িত্ব: এক পুরুষের জীবনের নীরব সঙ্গী জন্মের পরে এক শিশু যখন ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে ওঠে, তখন কেবল বয়স বাড়ে না — বদলে যায় তার ...
06/08/2025

দায়িত্ব: এক পুরুষের জীবনের নীরব সঙ্গী


জন্মের পরে এক শিশু যখন ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে ওঠে, তখন কেবল বয়স বাড়ে না — বদলে যায় তার জীবনের পর্যায়, বেড়ে যায় তার কাঁধের উপর চাপা পড়ে থাকা এক একটি “দায়িত্ব” নামক শব্দের ওজন।
আর এই “দায়িত্ব” শব্দটার সঙ্গে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে যে ব্যক্তি যুক্ত — সে হল একজন পুরুষ।

👶 শৈশব ও কৈশোর – বেঁচে থাকার প্রস্তুতি
একটি ছেলে যখন ছোট থাকে, তখন তার দায়িত্ব সাধারণত পরিবার নেয়। কিন্তু সেই ছোট্ট ছেলেটি বুঝে না যে একদিন ঠিক তাকেই হয়ে উঠতে হবে এক পরিবারের আশ্রয়স্থল। তখন সে শুধু শেখে — কিভাবে কথা বলতে হয়, কিভাবে চলতে হয়, কিভাবে কাঁদা বা হাসা যায়।

কিন্তু ধীরে ধীরে সমাজ, পরিবার ও চারপাশ তাকে তৈরি করতে থাকে সেই ভবিষ্যতের জন্য, যেখানে তার হাতেই থাকবে দায়িত্বের ভার।তাসির স্যার

🧑‍🎓 যুবক বয়স – মা-বাবার চোখে আশা হয়ে ওঠা
যখন একটি ছেলে বড়ো হয়ে যুবক হয়, তখন তার ওপর প্রথম যে দায়িত্ব এসে পড়ে, তা হল মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব।
তারা চায় — ছেলে হোক সুশিক্ষিত, সাবলম্বী, সম্মানিত।
তাদের মাথার উপরে যেন ছায়া দিতে পারে সেই ছেলে, যে এক সময় তারাই কোলে নিয়ে ঘুম পাড়িয়েছিল।

এটাই এক পুরুষের জীবনে প্রথম বড়ো দায়িত্ব — বাবা-মায়ের আশা ও বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।

💍 বিয়ে – নতুন সম্পর্ক, নতুন দায়িত্ব
এরপর যখন সে বিয়ে করে, তখন তার জীবনে আসে এক নতুন অধ্যায়। এখন সে শুধু পুত্র নয়, একজন স্বামী।
এক নারীর জীবনের নিরাপত্তা, ভালোবাসা, সম্মান এবং মানসিক আশ্রয় হয়ে উঠার দায়িত্ব এসে পড়ে তার উপর।
স্ত্রীর মুখের হাসি যেন না শুকায়, তার চোখে যেন কখনো জল না আসে — এই চেষ্টাটাই হয়ে যায় এক পুরুষের দ্বিতীয় পরিচয়।

👨‍👧 পিতা – দায়িত্বের নতুন নাম
সময় গড়িয়ে যখন সেই পুরুষ পিতা হয়, তখন এক নতুন প্রাণের দায়িত্ব তার হাতে আসে।
এই ছোট্ট শিশুটি যেন ভালো মানুষ হয়, শিক্ষা পায়, সুরক্ষিত থাকে, ভালোবাসা পায় — এসব নিশ্চিত করার পেছনে এক পুরুষ নিজের ঘুম-স্বপ্ন-সুখ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করে না।
এখন সে শুধুই একজন ব্যক্তি নয়, সে একটি আশ্রয়, একটি ছায়া, একটি পথপ্রদর্শক।তাসির স্যার

🕊️ দায়িত্ব: বোঝা নয়, ভালোবাসার এক রূপ
বাহ্যিকভাবে দেখলে মনে হতে পারে — একজন পুরুষ সারাজীবন শুধু দায়িত্বই পালন করে যাচ্ছে।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই দায়িত্বই তার জীবনের মূল পরিচয় হয়ে দাঁড়ায়।

👉 সে হাসে, যখন তার সন্তান প্রথম হাঁটে।
👉 সে গর্বিত হয়, যখন তার স্ত্রী তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে সম্মান দেয়।
👉 সে শান্তি পায়, যখন বৃদ্ধ মা-বাবা তার কাঁধে ভর করে হাঁটে।

এই “দায়িত্ব” শব্দটাই একজন পুরুষকে পূর্ণতা দেয়, তাকে পরিণত করে — একজন প্রকৃত মানুষে।তাসির স্যার

🌙 শেষ কথা:
সমাজ অনেক সময় পুরুষের কষ্ট, নিঃস্বার্থতা, আত্মত্যাগকে আড়াল করে রাখে।
তবে প্রকৃত সত্য এই —
একজন পুরুষ নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে নিজের পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে।
তাঁর কাঁধে ভর করেই এগিয়ে চলে সংসার, পরিবার, সমাজ।
এই দায়িত্বই তার আত্মা, এই দায়িত্বই তার ইবাদত।

আল্লাহ যেন প্রতিটি পুরুষকে দায়িত্ব পালনের শক্তি দেন এবং তাদের এই পরিশ্রমের প্রতিদান দুনিয়া ও আখিরাতে দেন।
আমিন।



✍️ – By Mohammad Tasir Sheikh

প্রথম সন্তানের বাবা হওয়ার খুশি: এক অমূল্য অনুভূতি ও মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়াপ্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত থা...
02/08/2025

প্রথম সন্তানের বাবা হওয়ার খুশি: এক অমূল্য অনুভূতি ও মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া

প্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত থাকে যা তার হৃদয়ে চিরস্থায়ী ছাপ রেখে যায়। তেমনই এক মুহূর্ত হল প্রথম সন্তানের বাবা হওয়া। এই অনুভূতিকে শব্দে প্রকাশ করা যায় না, কারণ এটি এমন এক আবেগ যার স্বাদ কেবল সেই পিতা-ই অনুভব করতে পারে, যিনি প্রথমবার নিজের কোলে একটি জীবন্ত পরশের স্পর্শ পেয়েছেন।

যে মুহূর্তে এক নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখে, ঠিক সেই মুহূর্তেই একজন পুরুষের জীবনে এক নতুন পরিচয়ের সূচনা ঘটে — তিনি বাবা হয়ে ওঠেন। সেই ছোট্ট আঙুলগুলো যখন বাবার আঙুল আঁকড়ে ধরে, তখন মনে হয় যেন বিশ্ব জয়ের থেকেও বড় কোন সাফল্য এসে ধরা দিয়েছে।

এই আনন্দ, এই অনুপম অনুভূতির পেছনে যিনি সবচেয়ে বড় নিয়ামত দানকারী, তিনি হলেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন।তাসির স্যার

🌟 আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া 🌟
প্রথম সন্তান লাভ করা নিঃসন্দেহে এক অশেষ নিয়ামত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন —
"যাকে আমি ইচ্ছা করি, তাকে কন্যা সন্তান দান করি, যাকে ইচ্ছা করি, তাকে পুত্র দান করি। আর যাকে ইচ্ছা করি, উভয়ই দান করি এবং যাকে ইচ্ছা করি, তাকে নিঃসন্তান রাখি।"
— (সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৪৯-৫০)

এই আয়াত থেকেই স্পষ্ট, সন্তান হচ্ছে একমাত্র আল্লাহর দান। তাই প্রথম সন্তানের মুখ দেখা মানেই যেন আল্লাহর রহমতের এক উজ্জ্বল চিহ্ন নিজের জীবনে দেখতে পাওয়া। এমন এক সময়ে একজন বাবা শুধু আবেগে বিহ্বল হয়ে পড়ে না, বরং তাঁর অন্তর পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে কৃতজ্ঞতায়।তাসির স্যার

🕋 শুকরিয়া আদায়ের পন্থা

1. সেজদায়ে শুকর (শুকরিয়ার সেজদা): সন্তান লাভের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর দরবারে সেজদা দিয়ে শুকরিয়া আদায় করা উচিত।

2. সন্তানকে নামাজি বানানোর নিয়ত: এই নবজাতককে দ্বীনের পথে বড় করার প্রতিজ্ঞা করে আল্লাহর এই নিয়ামতের যথাযথ কদর জানাতে হবে।

3. আকীকা করা: ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকীকা করে গরিবদের খাওয়ানো এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

4. দুআ করা: আল্লাহ যেন এই সন্তানকে নেক বানান, হেদায়াত দান করেন, দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণময় করেন — এমন দুআ করতে হবে।

🕊️ পিতৃত্বের দায়িত্ব ও উপলব্ধি
প্রথম সন্তানের আগমন কেবল খুশির বার্তা নয়, বরং এটি এক গুরু দায়িত্বের সূচনাও। একটি কোমল প্রাণ এখন এই বাবার দিকেই তাকিয়ে থাকবে সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্নেহের জন্য। তার চোখে বাবাই হবে পৃথিবীর প্রথম আদর্শ। তাই এক নবপিতা হিসেবে নিজের জীবনকে আরও বেশি পরিশুদ্ধ, ধার্মিক ও দায়িত্বশীল করে তোলা আবশ্যক।তাসির স্যার

📖 নবী (সা:) -এর দৃষ্টান্ত
আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন একজন আদর্শ পিতা ও দাদা। তিনি নিজের সন্তানদের এবং দৌহিত্র হাসান ও হোসাইনের প্রতি যে পরিমাণ স্নেহ দেখিয়েছেন, তা আমাদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

শেষ কথা:
প্রথম সন্তানের মুখে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাওয়া, তাকে প্রথমবার কোলে তোলা, তার কান্নার শব্দ শোনা — এসব মুহূর্ত এক পিতার জীবনে কখনোই ভুলে যাওয়ার নয়। এই অপূর্ব অভিজ্ঞতা যেন প্রতিনিয়ত আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে আরও পবিত্র হয়ে ওঠে।তাসির স্যার

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক, সৎ, হেদায়াতপ্রাপ্ত সন্তান দান করেন এবং তাদের দ্বীনি ও দুনিয়াবি কল্যাণে বড় করে তোলার তাওফিক দেন।
আমিন।


✍️ লেখক: একজন কৃতজ্ঞ পিতা
উপলক্ষ: প্রথম সন্তানের আগমন (2nd August - 2025)

By - Mohammad Tasir Sheikh

মালদা, কালিয়াচক – ১ ব্লক থেকে বিশেষ প্রতিবেদনহৃদয়স্পর্শী প্রতিবেদন: "আপন ঘরে ফেরার পথ চেয়ে আজও বসে আছে এক মা..."পশ্চিমবঙ...
28/07/2025

মালদা, কালিয়াচক – ১ ব্লক থেকে বিশেষ প্রতিবেদন

হৃদয়স্পর্শী প্রতিবেদন: "আপন ঘরে ফেরার পথ চেয়ে আজও বসে আছে এক মা..."

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলার কালিয়াচক – ১ নম্বর ব্লকের একটি নিঃশব্দ গ্রামের নিঃস্বরণে আজও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে এক মায়ের আর্তি — “আমার ছেলে কি আর ফিরবে?” ওই ছেলের নাম আমির, বয়স আনুমানিক ২০-২৫। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় ঠেলে সে পাড়ি দিয়েছিল রাজস্থানের পথে, একজন পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে। চাহিদা ছিল না বেশি—শুধু একটু আয়, একটু বাঁচার লড়াই।

কিন্তু রাজস্থানে পৌঁছানোর কিছুদিনের মধ্যেই ঘটে যায় এক অমানবিক ঘটনা। শুধুমাত্র তার মুখে বাংলা ভাষা শোনা গিয়েছিল বলেই রাজস্থানের পুলিশ তাকে 'বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী' বলে সন্দেহ করে। সমস্ত পরিচয়পত্র, আধার কার্ড দেখানোর পরও বিশ্বাস করেনি পুলিশ। কোনো সঠিক যাচাই না করেই তাকে তুলে দেওয়া হয় রাজস্থানের জেলে। দিনের পর দিন সেখানে বন্দি ছিলেন আমির।

প্রায় দুই মাস কারাবাসের পর, রাজস্থান পুলিশ তাকে তুলে দেয় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF)-এর হাতে। আর সেখান থেকে তাকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ ঘোষণা করে বাংলাদেশ BSF-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। যাকে একবারও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি, তাকে নিজ দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল।তাসির স্যার

সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয়, এই ঘটনার খবর তার মালদার বাড়িতে পৌঁছায় অনেক পরে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ততদিনে মা, দাদু, দাদি — তিনজনেই শুধুই আশায় বুক বেঁধে বসে ছিলেন। বাবা তো বহুদিন আগেই মারা গেছেন। সেই ক্ষীণ সংসার আজ পুরোপুরি স্তব্ধ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়। মানবিকতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন কিছুটা তৎপর হয়। কালিয়াচক – ১ নং ব্লকের বিডিও সাহেব নিজে আমিরের বাড়িতে গিয়ে তার অসহায় মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। কেবল আশ্বাস দিয়ে তিনি শুধু এটুকু বলেন,
“আমিরকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার যতদূর পারা যায় আমরা করব।”

কিন্তু শুধু আশ্বাসে কি ক্ষুধা মেটে? ফিরিয়ে দেওয়া যায় এক ছিন্নমূল সন্তানের হারানো পরিচয়?

প্রতিবেশীরা জানায়, আমির ছোট থেকেই শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। পরিবারের জন্য কিছু করতে চায় বলেই এত দূরের রাজস্থানে পাড়ি দিয়েছিল। কিন্তু কপাল যেন তার বন্ধ ছিল জন্ম থেকেই।তাসির স্যার

এই ঘটনা কেবল একটি পরিবারের কাহিনি নয়, এ যেন গোটা ব্যবস্থার অমানবিক রূপের নগ্ন প্রতিচ্ছবি। একজন ভারতীয় নাগরিক, যার কাছে বৈধ পরিচয়পত্র ছিল, শুধুমাত্র ভাষাগত কারণে বিদেশি সন্দেহে তার সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হলো। এটা কি শুধুই ভুল? নাকি সচেতন অবহেলা?

আজও তার মা, বৃদ্ধ দাদু আর অশক্ত দাদি প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় উঠোনে চেয়ে থাকেন পথের দিকে, যদি তাদের "আমির" ফিরে আসে...

শেষ কথা:

এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারকে এগিয়ে এসে আমিরের নাগরিকত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে, তাকে ফেরাতে হবে তার মাতৃভূমিতে। নয়তো, ‘ভারত মাতা’ নামে গর্ব করার কোনো ন্যায্যতা থাকবে না, যদি তারই সন্তান বিদেশি হয়ে যায় শুধুমাত্র ভাষার কারণে।তাসির স্যার

আমরা অপেক্ষায় থাকব, সেই দিনটির জন্য —
যেদিন আমির ফিরবে, আর তার মা বলবে –
“এবার তোকে আর কোথাও যেতে দেব না, ব্যাটা।”
তাসির স্যার

✍️ প্রতিবেদক:
এক হৃদয়বান নাগরিক
🕊️ অনুরোধ: এই প্রতিবেদনটি যত বেশি সম্ভব শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটা শেয়ারই ফিরিয়ে আনতে পারে এক সন্তানকে তার মায়ের কোলে…


By - Mohammad Tasir Sheikh

Address

Silampur Hatkhola, Malda
Kaliachak
732201

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasir Sir English posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share