05/01/2025
(একনজরে মাওঃ Bilal Ahmad Boksh কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সংগঠন সমূহের সংস্কারমূলক কাজ)
আপনারা নিশ্চয়ই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে আমাদের সমাজ সংস্কার মূলক কার্যকলাপ দেখে অবগত আছেন যে, ত্রিপুরা রাজ্যের ঊনকোটি জেলার বহুমুখী অগ্রণী হিতৈষী সামাজিক সংস্থা “ঈশা ফাউন্ডেশন” তথা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থানার্জনকারী সমাজ সংস্কারমূলক সংগঠন “হেফাযাতূল মুসলিমিন” ও “আঞ্জুমানে তাদরিবুল কুরআন”। সংবাদ শিরোনামে বহুল আলোচিত সমালোচিত এই সংস্থাগুলি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ভাবে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে কিছুটা হলেও বিস্তৃত হতে সক্ষম হয়েছে।
১। বিগত ২০২০ সাল থেকে ত্রিপুরা রাজ্যের উনকোটি জেলার অন্তর্গত কৈলাসহর মহকুমার সামাজিক সংস্থা “ঈশা ফাউন্ডেশন” প্রদত্ত মুসলিম শিশুদের কলমের প্রয়োগ শক্তি বিকাশে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৫% শতাংশ নাম্বার পেয়ে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কৃতি সম্মাননা প্রদান করা, অসামাজিক কাজকর্ম যেমনঃ মদ, জুয়া, গাঁজা, টেবলেট প্রতিরোধে প্রসাশনিক পর্যায়ে ডেপুটেশন প্রদান করা, গুণীজনকে সসম্মান দেওয়ার জন্য সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুল লতিফ স্মারক সম্মাননা প্রদান করা। যুব সমাজকে ধৰ্মীয় চেতনায় উদ্ভুদ্ধ করতে বার্ষিক ম্যাগাজিন “দৃপ্তকণ্ঠ” প্রকাশ করা।
২। তৎসঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্যের বহুমুখী অগ্রগামী ইসলামি শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ “আঞ্জুমানে তাদরিবুল কুরআন” প্রদত্ত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় মক্তক, মাদ্রাসা নির্মাণ করা, ১০টি কওমি মাদ্রাসার গরিব, এতিম, মিসকিন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ছাত্রবৃত্তি (Studentship) প্রদান করা, মুসলিম শিশুদের মেধা সন্ধানীর জন্য IPED পরীক্ষা নেওয়া এবং প্রবীণ উলামাগণকে সম্মাননা প্রদানে “উলামা সম্মাননা” নবীন আদর্শবান আ’লিমদেরকে “আ’লিম সম্মাননা” এবং গরিব, এতিম, মিসকিন, ছাত্রছাত্রীদেরকে “শীতবস্ত্র সম্মাননা” প্রদান করে আসছি। কাওমি মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং প্রতিবছর রমযান মাস ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির বন্ধে দীনি শিক্ষা ছুট শিক্ষার্থীদেরকে "দীনি শিক্ষা প্রশিক্ষণ" দেওয়া হয় যাতে ২০৫০ সালের ভিতরে মুসলিম ছেলেমেয়ে ধৰ্মীয় শিক্ষায় মনোনিবেশনের মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবেশ গঠন করতে পারে। প্রতিবৎসর শিক্ষার্থীর উৎসাহ প্রদানে "শিক্ষা সফর" করানো হয়ে থাকে।
৩। মুসলিম সমাজকে এগিয়ে নিতে ও সামাজকে কুসংস্কার মুক্ত করতে ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যতম সমাজ সংস্কার মূলক ধর্মীয় জাগরণী উত্তাণীয় ইসলামি সংগঠন “হেফাযাতুল মুসলিমিন” কর্তৃক ধৰ্মীয় প্রতিনিধিত্বকারীদেরকে উৎসাহ প্রদানের জন্য ১। “রাহবর সম্মাননা”, রামযান মাসে ২। “রামযান কিট বিতরণ”, এবং রামযান মাসে শ্বশুর বাড়িতে থেকে যারা ইফতারি গ্রহণ করেন না, তাদেরকে ৩। “ইফতারি সম্মাননা”, ঈদুল আযহার ৪। “কুরবানি সম্মাননা” ও ছোট ছোট ব্যবসায়ীদেরকে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার জন্য ৫। “কারযে হাসানা” প্রদান, এবং বরযাত্রা ও যৌতুক ছাড়া বিবাহ কারীকে ৬। “বিবাহ সম্মাননা” এবং প্রবীণ ইমামগণকে ৭। “ইমাম সম্মাননা”, বিশ্ব নবি হযরত মুহাম্মদ মুহাম্মাদ ﷺ এর জীবনী অধ্যয়ন এর মাধ্যমে জ্যোতির্ময় জীবন সম্পর্কে জানতে ৮। সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী, এবং ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকার নিচে মাসিক হাদিয়াপ্রাপ্ত ১০টি মসজিদের ইমামগণকে ৯। “ইমামবৃত্তি” (Imamship) তৎসঙ্গে দীনদার যুবকদের ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে ১০। “নবীন সম্মাননা” প্রদান করে আসছি। তাই ছোট পরিসরে আমাদের এই অগ্রযাত্রা এবং উন্নতির চূড়ান্ত পর্যায়ে না পৌছাঁনো পর্যন্ত এই অগ্রগতি চালিয়ে যাবো, ইনশা-আল্লাহ্।
এর পীচনে নিঃস্বার্থে কাজ করে যাওয়া আমাদের দেশের গর্ব এবং মুসলিম উম্মাহের অমূল্য সম্পদ, বহুগ্রন্থ প্রণেতা, প্রখ্যাত শিক্ষাবীদ, অন্যতম লেখক ও গবেষক, মুসলিম সমাজের অতুল্য রাহবর, হাজারো মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাসহর মহকুমার অন্তর্গত দেওরাছড়া গ্রামের কৃতি সন্তান, তরুণ্যের অহ্ংকার, হেফাযাতূল মুসলিমিন এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও “ঈশা ফাউন্ডেশন” এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তথা আঞ্জুমানে তাদরিবুল কুরআন”-র প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক এমনকি প্রত্যেক সংগঠনের হিতাকাঙ্খী হযরত মাওলানা বিলাল আহমদ বখ্শ।। আপনার লেখালেখিতে অনুপ্রাণিত হই আমরা, সর্বোপরী আপনার প্রতি অভিনন্দন ও শুভ কামনা রইল। ইতি,
➥ Anjumane Tadribul Qur’aan এর পক্ষথেকে সম্প্রচারিত।