Baghuasole Junsola Nehru Vidyapith

Baghuasole Junsola Nehru Vidyapith সত‍্যমেব জয়তে

15/08/2026

২০২৬ সালের ভারতের স্বাধীনতা দিবস: স্বাধীনতার গৌরব, ঐক্যের অঙ্গীকার ও উন্নত ভারতের স্বপ্ন

১৫ই আগস্ট ভারতবাসীর জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও আবেগঘন দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দীর ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামীর আত্মত্যাগ, ত্যাগ, সাহস ও দেশপ্রেমের ফলস্বরূপ আমরা আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক। আজকে আমাদের দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস । এবারের স্বাধীনতা দিবস কেবল অতীতের বীরদের স্মরণ করার দিন নয়, বরং একটি উন্নত, আত্মনির্ভর ও ঐক্যবদ্ধ ভারতের ভবিষ্যৎ গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করারও দিন।

স্বাধীনতা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা কখনো বিনা মূল্যে অর্জিত হয় না। মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ভগৎ সিং, ক্ষুদিরাম বসু, মাতঙ্গিনী হাজরা, চন্দ্রশেখর আজাদ, রানি লক্ষ্মীবাঈসহ অগণিত বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছিলেন। তাঁদের আত্মবলিদান আমাদের অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস। তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই আমাদের দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ এবং মানবিক মূল্যবোধকে জীবনের অংশ করে তুলতে হবে।

স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ শুধু বিদেশি শাসনের অবসান নয়; প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন দেশের প্রতিটি নাগরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায় এবং সমান সুযোগ লাভ করে। তাই আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য দেশের আইন মেনে চলা, পরিবেশ রক্ষা করা, জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা এবং ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের মধ্যেও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা।

শিক্ষার্থীদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের ছাত্রছাত্রীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, প্রশাসক ও দেশনায়ক। তাই নিষ্ঠার সঙ্গে পড়াশোনা, চরিত্র গঠন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এবং মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়েই তারা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, স্বাধীনতা দিবস কেবল একটি জাতীয় উৎসব নয়; এটি আমাদের আত্মপরিচয়, গৌরব এবং দায়িত্ববোধের প্রতীক। আসুন, স্বাধীনতার মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে আমরা সবাই মিলে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করি। শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি এটাই হবে আমাদের সর্বোত্তম শ্রদ্ধাঞ্জলি।

জয় হিন্দ। বন্দে মাতরম্

আয়ুষ্মান সপ্তাহ ও আয়ুষ্মান দিবস
11/08/2026

আয়ুষ্মান সপ্তাহ ও আয়ুষ্মান দিবস

ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে আমাদের বিদ্যালয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।।।।ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহু মহান বিপ্...
11/08/2026

ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে আমাদের বিদ্যালয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।।।।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহু মহান বিপ্লবীর আত্মত্যাগে গৌরবান্বিত। তাঁদের মধ্যে ক্ষুদিরাম বসুর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন ভারতের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ বিপ্লবী, যিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করেছিলেন। তাঁর আত্মত্যাগ শুধু স্বাধীনতা আন্দোলনকে শক্তিশালী করেনি, বরং পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রতি বছর ১১ আগস্ট তাঁর আত্মবলিদান দিবস শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে পালন করা হয়।
ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার মোহবনী গ্রামে। পিতা ত্রৈলোক্যনাথ বসু এবং মাতা লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। অল্প বয়সেই তিনি পিতামাতাকে হারান। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠেন। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন ও ব্রিটিশ শাসনের অত্যাচার তাঁর মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে।
তিনি বিপ্লবী সংগঠন 'যুগান্তর'-এ যোগ দিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ শুরু করেন। প্রচারপত্র বিলি, বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতেন। তাঁর সাহস ও দৃঢ়তা সহযোদ্ধাদের মুগ্ধ করেছিল।
ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ড বিপ্লবীদের ওপর কঠোর শাস্তি দিতেন। তাই তাঁকে লক্ষ্য করে ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল মুজাফ্ফরপুরে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী বোমা নিক্ষেপ করেন। কিন্তু ভুলবশত অন্য একটি গাড়িতে বোমা পড়ায় বিচারক বেঁচে যান এবং দুইজন ইউরোপীয় মহিলা নিহত হন। এরপর প্রফুল্ল চাকী আত্মসমর্পণ না করে নিজের জীবন বিসর্জন দেন এবং ক্ষুদিরাম বসু গ্রেপ্তার হন।
বিচার চলাকালে তাঁর অদম্য সাহস ও দৃঢ়চেতা মনোভাব সবাইকে বিস্মিত করেছিল। আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে ওঠেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ সমগ্র দেশের মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা বিনা মূল্যে অর্জিত হয়নি। অসংখ্য বিপ্লবী ও শহীদের ত্যাগের ফলেই ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে। তাই তাঁদের অবদান কখনও ভোলা যায় না।
আজকের প্রজন্মের কাছে ক্ষুদিরাম বসু সাহস, আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম ও আদর্শের প্রতীক। তাঁর জীবন আমাদের শেখায় যে ন্যায়, সত্য এবং দেশের প্রতি ভালোবাসার জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। তবে বর্তমান সময়ে দেশসেবার অর্থ হলো শিক্ষা, সততা, মানবিকতা, সামাজিক দায়িত্ব পালন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করা।
ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে আমরা তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি এবং প্রতিজ্ঞা করি যে আমরা তাঁর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করব। তাঁর আত্মত্যাগ ভারতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকবে।

আমাদের বিদ্যালয়ে বন মহোৎসব উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।।।।
17/07/2026

আমাদের বিদ্যালয়ে বন মহোৎসব উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।।।।

বন মহোৎসব পালনের শপথ
17/07/2026

বন মহোৎসব পালনের শপথ

আমাদের বিদ্যালয়ে বন মহোৎসব পালনের কিছু মুহূর্ত ।।।।।।।।।
17/07/2026

আমাদের বিদ্যালয়ে বন মহোৎসব পালনের কিছু মুহূর্ত
।।।।।।।।।

Best performance of the 12th International yoga day 2026 in our school
22/06/2026

Best performance of the 12th International yoga day 2026 in our school

21/06/2026

International yoga day 2026.

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন।
21/06/2026

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন।

আমাদের বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক যোগ  দিবসে শিক্ষার্থীদের যোগাসন প্রদর্শন।
21/06/2026

আমাদের বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে শিক্ষার্থীদের যোগাসন প্রদর্শন।

Address

Baghuasole
Jhargram
721517

Opening Hours

Monday 10am - 5pm
Tuesday 10am - 5pm
Wednesday 10am - 5pm
Thursday 10am - 5pm
Friday 10am - 5pm
Saturday 10am - 2pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baghuasole Junsola Nehru Vidyapith posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category