18/06/2026
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির আহ্বানে
★স্কুলে পাশ ফেল চালু, ★সেমিষ্টার বাতিল
★দ্রুত স্কলারশীপের টাকা প্রদান।
★শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ
★ছাত্রদের পরিবহন ভাড়া ফ্রি করা
★ কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন সহ নানান দাবিতে
মুখ্যমন্ত্রীর নিকট স্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি চলছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড ব্রতীন দাস।
17/06/2026
আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত এক রোগীর পরিবারের মেয়ের ওপর নিগ্রহের ঘটনার প্রতিবাদে AIDSO পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক কমরেড বিশ্বজিৎ রায় এক বিবৃতিতে বলেন-
" আর. জি. কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে পরিজনের চিকিৎসা করাতে আসা তরুণিকে প্রলোভন দেখিয়ে অভিযুক্ত জওয়ান হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড করে ব্ল্যাকমেল, একাধিক বার নির্যাতনে বাধ্য করা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে নির্যাতিতা সাহস সঞ্চয় করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।
আর. জি. কর মেডিকেল কলেজের স্নাতকোত্তর ছাত্রী অভয়ার নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনা সেই উদ্বেগকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আর.জি.কর হাসপাতালে অভয়ার ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় মোতায়েন করা হয়েছিল। নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং তা হাসপাতাল চত্বরে রোগী, পরিজন, ছাত্রছাত্রী, স্বাস্থ্যকর্মী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলছে।
আমারা দাবি করছি....
• অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত সম্পন্ন করে দোষী জওয়ানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
• ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী রোগী ও রোগীর পরিজনদের সামগ্রিক নিরাপত্তা সরকারকে সুনিশ্চিত করতে হবে।
নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সমস্ত ছাত্র জনতাকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। "
**e
08/06/2026
যাদবপুরে পুলিশের বর্বর আক্রমণকে জানাই ধিক্কার।
24/05/2026
" একস্থানে দেখিলাম, ঊনপঞ্চাশ জন ভদ্র-অভদ্র হিন্দু মিলিয়া একজন শীর্ণকায় মুসলমান মজুরকে নির্মমভাবে প্রহার করিতেছে, আর একস্থানে দেখিলাম, প্রায় ওই সংখ্যাক মুসলমান মিলিয়া একজন দুর্বল হিন্দুকে পশুর মতো মারিতেছে। দুই পশুর হাতে মার খাইতেছে দুর্বল অসহায় মানুষ। ইহারা মানুষকে মারিতেছে যেমন করিয়া বুনো জংলি বর্বরেরা শূকরকে খোঁচাইয়া মারে। উহাদের মুখের দিকে তাকাইয়া দেখিলাম, উহাদের প্রত্যেকের মুখ শয়তানের চেয়েও বীভৎস, শূকরের চেয়েও কুৎসিত! হিংসায়, কদর্যতায় উহাদের গাত্রে অনন্ত নরকের দুর্গন্ধ!
উহাদের দুই দলেরই নেতা একজন, তাহার আসল নাম শয়তান। সে নাম ভাঁড়াইয়া কখনও টুপি পরিয়া পর-দাড়ি লাগাইয়া মুসলমানদের খ্যাপাইয়া আসিতেছে, কখনও পর-টিকি বাঁধিয়া হিন্দুদের লেলাইয়া দিতেছে, সে-ই আবার গোরা সিপাই গুর্খা সিপাই হইয়া হিন্দু-মুসলমানদের গুলি মারিতেছে! উহার ল্যাজ সমুদ্রপারে গিয়া ঠেকিয়াছে, উহার মুখ সমুদ্রপারের বুনো বাঁদরের মতো লাল!
দেখিলাম, আল্লার মসজিদ আল্লা আসিয়া রক্ষা করিলেন না, মা-কালীর মন্দির কালী আসিয়া আগলাইলেন না! মন্দিরের চূড়া ভাঙিল, মসজিদের গম্বুজ টুটিল! আল্লার এবং কালীর কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। আকাশ হইতে বজ্রাঘাত হইল না মুসলমানদের শিরে, ‘আবাবিলের’ প্রস্তর-বৃষ্টি হইল না হিন্দুদের মাথার উপর।
এই গোলমালের মধ্যে কতকগুলি হিন্দু ছেলে আসিয়া গোঁফ-দাড়ি-কামানো দাঙ্গায় হত খায়রু মিয়াঁকে হিন্দু মনে করিয়া ‘বলো হরি হরিবোল’ বলিয়া শ্মশানে পুড়াইতে লইয়া গেল, এবং কতকগুলি মুসলমান ছেলে গুলি খাইয়া হত দাড়িওয়ালা সদানন্দ বাবুকে মুসলমান ভাবিয়া ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়িতে পড়িতে কবর দিতে লইয়া গেল।
মন্দির এবং মসজিদ চিড় খাইয়া উঠিল, মনে হইল যেন উহারা পরস্পরের দিকে চাহিয়া হাসিতেছে! "
(মন্দির ও মসজিদ প্রবন্ধের অংশ)
বিপ্লবী কবি নজরুল স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য।
09/05/2026
আজ ২৫ বৈশাখ। আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী। এক পক্ষকাল পরেই ১১ জৈষ্ঠ্য। নজরুল জয়ন্তী আসন্ন। এই এক পক্ষকাল এদেশে আড়ম্বড়তার সাথে পূজীত হবেন রবীন্দ্র -নজরুল। সে পূজায় আর সবাই যখন পূজাচ্ছলে ভুলে থাকবেন মহান দুই কবিকে, তখন আমরা যেন তাঁদের সৃষ্টি,চেতনাকে ধারণ করতে পারি এই আমাদের শপথ হোক। যে সৃষ্টির কেন্দ্রে আছে এ সমাজ ও সভ্যতার স্রষ্টা মানুষ। যারা মাঠে মাঠে বীজ বোনে, পাকা ধান কাটে সেই মানুষ। যাদের রক্ত ঘামে এ সভ্যতার নিয়ত নির্মান চলছে আমরা যেন সে মানুষকে বিষ্মৃত না হই। যে মানুষ বিপন্ন, যার ঘরে ক্ষুধার অন্ন নেই, যার সন্তানের শিক্ষা নেই, যার রোগজর্জর শরীর যত্নের অভাবে কাতর। আমরা যেন সে মানুষের মূঢ় ম্লান মূক মুখে ভাষা দিতে পারি। সে ভাষা প্রত্যয়ের। সে ভাষা প্রতিজ্ঞার। সে ভাষা যুক্তির। যে ব্যাবস্থা তাদের নিয়ত বিপন্ন করে, যে ব্যাবস্থা ধনী -দরিদ্রে, নারী -পুরুষে, জাতি- ধর্মে বিভাজিত, আমরা সেই অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ভাষা উচ্চারণ করব এই শপথ করছি। আমরা শপথ করছি এ সংগ্রাম আমরা জারি রাখব ততদিন যতদিন এদেশের আকাশ উৎপীড়িতের কান্নায় মুখর থাকবে। সে উৎপীড়ন দুর্বলের প্রতি সবলের, অসহায়ের প্রতি প্রবলের। এ লড়াইয়ে ধর্মের মোহ আমাদের বিব্রত করবে না। অন্ধ ফ্যাসিবাদী বিষাক্ত নিঃশ্বাস আমাদের কলুষিত করবে না। আমাদের পথ হবে মানব মুক্তির পথ। সঙ্কীর্ণ স্বার্থপরতার বিপরীতে, সেই পথে জ্ঞানের মশালকে চির প্রজ্জ্বল রাখার শপথ আমরা গ্রহন করছি।
11/04/2026
ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ জ্যোতিরাও ফুলের দ্বিশত জন্মবর্ষে
ধর্মনিরপেক্ষ- বিজ্ঞানভিত্তিক - গণতান্ত্রিক ও সর্বজনীন শিক্ষার দাবিতে সোচ্চার হোন।
আগামী ১১ এপ্রিল
দেশব্যাপী
সরকারি শিক্ষা বাঁচাও দিবস
হিসেবে পালন করুন
11/03/2026
★ সেমিস্টার সিস্টেম বাতিল
★স্কুলে পঠন-পাঠন বন্ধ রেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা চলবে না।
★সরকারি শিক্ষা বাঁচাতে
#১১মার্চ
িস_অভিযান
08/03/2026
#১১মার্চ
#ঝাড়গ্রাম_DI_অফিস_অভিযান
D.M এর কাছে ডেপুটেশনে দলে দলে যোগ দিন।