OBAK BISWA

OBAK BISWA বিভিন্ন আজব-গজব বিষয়ে জানতে এই পেজে নজর রাখুন

এস ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:- ১৯৯৯-এর কার্গিল যুদ্ধ, ২০১৬-এর উরি আক্রমণ, ২০১৯-এর পুলওয়ামা হামলা, বা ২০২০-এর...
13/05/2025

এস ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:-

১৯৯৯-এর কার্গিল যুদ্ধ, ২০১৬-এর উরি আক্রমণ, ২০১৯-এর পুলওয়ামা হামলা, বা ২০২০-এর গালওয়ান সংঘর্ষ—প্রতিটি ঘটনাই ভারতকে একটি বার্তা দিয়েছে: যুদ্ধ এখন আর শুধু মাটির উপরে নয়, যুদ্ধ এখন আকাশেও।

এই বাস্তবতায়, ভারতের জন্য প্রয়োজন ছিল এমন একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা কেবল শত্রুকে প্রতিহত করতে নয়, বরং তাদের আগে থেকেই শনাক্ত করেই ধ্বংস করতে সক্ষম। আর এখানেই S-400 Sudarshan হয়ে ওঠে Game-Changer।

পুরনো সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা

এক সময় ভারত ভরসা রাখত Akash, Pechora, এবং OSA-AK ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেমের ওপর। কিন্তু এই সব প্রযুক্তি ছিল Cold War যুগের তৈরি। যদিও কিছু আপডেট আনা হয়েছিল, কিন্তু তবুও আধুনিক চ্যালেঞ্জ—বিশেষ করে Hypersonic মিসাইল, Stealth বিমান, বা swarm drone-এর বিরুদ্ধে তাদের কার্যক্ষমতা ছিল ধীর ও সীমিত।

সুদর্শন–এর ক্ষমতাঃ-

S-400 শুধুমাত্র একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নয়—এটি একটি মাল্টি-লেয়ারড ডিফেন্স সিস্টেম। এর মূল শক্তি হল একসঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি রাডার কভারেজ, ৪ ধরণের মিসাইলের সমন্বিত ব্যবহার, এবং প্রায় ৪০০ কিমি পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার ক্ষমতা।

এর মানে কী?

যদি চীন লাদাখ সীমান্ত থেকে কোনও ব়্যামজেট মিসাইল পাঠায় —Sudarshan সেটি ৩০০ কিমি দূর থেকেই শনাক্ত করতে পারে।
যদি পাকিস্তান থেকে stealth ড্রোন পাঠানো হয়—এটা রাডারে ধরা পড়ার আগেই Sudarshan তা অনুভব করতে পারবে এবং আকাশেই ধ্বংস করবে।
আর সবচেয়ে বড় কথা—একটি স্কোয়াড্রনই ৬০০ কিমি দূর পর্যন্ত একটি গোটা রাজ্যকে রক্ষা করতে পারে। আজ ভারতের দিল্লি, পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গ এই ঢালের আওতায়।

india’s s 400 missile system

২০২৫ সালের মে — সুদর্শন –এর বাস্তব যুদ্ধ

একটি অস্ত্রের সত্যিকার অর্থে শক্তি বোঝা যায় তখনই, যখন সেটি পরীক্ষাগারে নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে তার কামাল দেখায়। দীর্ঘদিন ধরে প্রশিক্ষণ, মহড়া আর সিমুলেশন শেষে ২০২৫ সালের মে মাসে সুদর্শন বা S-400 প্রথমবারের মতো বাস্তব যুদ্ধের মুখোমুখি হয়। সেই দিনটি শুধু ভারতের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের জন্যও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

অপারেশন সিন্দুর প্রতিশোধ — এক অঘোষিত যুদ্ধের শুরু

২০২৫ সালের ৮ মে রাত— নিস্তব্ধতা ভেঙে দেয় একের পর এক উচ্চগতির ড্রোন ও মিসাইল। পাকিস্তান হঠাৎ করেই চালায় “অপারেশন সিন্দুর প্রতিশোধ” নামক একটি প্রচ্ছন্ন হামলা, যার লক্ষ্য ছিল রাজস্থানের যোধপুর, পাঞ্জাবের পাঠানকোট এবং দিল্লির নিকটবর্তী বেশ কিছু সামরিক ঘাঁটি।

হামলার ধরন ছিল বহুমুখী:

২৭টি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, একসঙ্গে আকাশে উড়ে আসে।
১২টি ক্রুজ মিসাইল, নিচু উচ্চতায় উড়ে টার্গেটকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে ছোঁড়া হয়।
এবং ৪টি Hypersonic মিসাইল, যেগুলো প্রায় Mach 5 গতিতে ছুটে আসে।
এই পুরো অপারেশন ছিল পরিকল্পিত, হাই-টেক এবং বিভ্রান্তিমূলক। শত্রুর আশা ছিল—ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিভ্রান্ত হবে এবং প্রতিরোধ দিতে ব্যর্থ হবে।

কিন্তু ওরা জানত না—আকাশে তখন সুদর্শন চক্র জেগে ছিল।

বিস্তারিত পড়ার জন্য নীচের ছবিতে ক্লিক করুন-

https://intellectpedia.com/indias-s400-missile-system-sudarshan-bengali/

#ভারত #মিসাইল #ডিফেন্স

ভারতের S-400 মিসাইল সিস্টেম হল একটি পৃষ্ঠ থেকে আকাশ অর্থাৎ Surface to Air Missile. ভারতের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সংযোগ এই ডিফেন...

তাজমহল সম্পর্কে অজানা তথ্য:-শাহজাহান ও মমতাজের প্রথম দেখা?একদিন শাহজাহান মিনা বাজারে ঘুরছিলেন তখন তার চোখ একটি মেয়ের উপ...
30/04/2025

তাজমহল সম্পর্কে অজানা তথ্য:-

শাহজাহান ও মমতাজের প্রথম দেখা?
একদিন শাহজাহান মিনা বাজারে ঘুরছিলেন তখন তার চোখ একটি মেয়ের উপরে পরে, সেই মেয়েটি সিল্ক এবং কাঁচের চুড়ি বিক্রি করছিল। জানেন কি সেই মেয়েটিই ছিল মমতাজ যার আসল নাম আরজুমান বানু বেগম। শাহজাহানের সাথে তার পরিচয় হওয়ার সময় শাহজাহানের বয়স ছিল ১৪ বছর অন্যদিকে মমতাজ এর বয়স ছিল ১৫ বছর।

সাত স্ত্রীর মধ্যে সবথেকে প্রিয়-
শাহজাহানের সাতজন স্ত্রীর মধ্যে থেকে তার সবচেয়ে প্রিয় স্ত্রী ছিলেন মমতাজ। সবসময় তিনি শাহজাহানের সাথে থাকতেন। ১৪ তম সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় মমতাজ মারা জান।

তাজমজল নির্মাণে করা হয়েছিল হাতির ব্যবহার-
কখনো মনে প্রশ্ন জেগেছে কি, তাজমহল তৈরির পাথর গুলি কে বয়ে নিয়ে এলো! তাজমহল তৈরি করতে যে পাথর গুলি ব্যবহার করা হয়েছিল সেগুলি বয়ে নিয়ে আসতে ব্যবহার করা হয়েছিল ১০০০ টিরও বেশি হাতি।

যুদ্ধের সময় তাজমহলকে বাঁশের চাদরে মুড়ে রাখা হয়েছিল-
বিংশ শতকে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় গোটা তাজমহলকে শত্রু পক্ষের যুদ্ধ বিমান থেকে রক্ষা করতে সবুজ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এতে ব্যবহৃত হয়েছিল প্রচুর সংখ্যক বাঁশ।

তাজমহল নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছিল কাঠ-
জানেন কি, তাজমহল শুধু পাথর দিয়েই নয় সাথে ব্যবহৃত হয়েছিল কাঠ। যদি যমুনা নদী না থাকত তাহলে হয়ত এতদিন তাজমহল ধ্বসে পরে যেত। কারন যমুনা নদীর জলীয় বাস্প কাঠ গুলিকে ভেজা রাখতে সাহায্য করে যার ফলে তাজমহলের স্ট্রাকচার মজবুত থাকে।

এখানে শুধু মাত্র কয়েকটি তথ্য দেওয়া রয়েছে বাকি আরও আকর্ষণীয় তথ্য দেখতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে 👇🏻👇🏻👇🏻
#তাজমহল #অজানা #অবাক #তথ্য

তাজমহল সম্পর্কে অজানা তথ্য. আজ আপনাদের জানাবো তাজমহল সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য যা এতকাল সবার থেকে লুকানো আছে।

🤔
08/11/2024

🤔

🥲🥲🥲
12/06/2024

🥲🥲🥲

25/01/2024

#ছাড়পত্র #অজানা #তথ্য

charpatra.com

 #স্বামীজী
12/01/2024

#স্বামীজী

Address

Jalpaiguri

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OBAK BISWA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to OBAK BISWA:

Shortcuts

Share

Category