Hooghly Amateur Astronomy Club

Hooghly Amateur Astronomy Club Our aim is to spread interest in astronomy to young people who may never have looked through a teles the atmosphere wrapped the planet.

In the 16th and 17th centuries, Astronomers tried to understand the motions they saw in the sky. In doing so, they invented a new way of understanding nature, what we now call science. The story of Astronomy begins with the observing heavenly bodies and it was four centuries ago a logical way of thinking about nature gives birth of modern science. Our club is dedicated for the persons interested i

n Astronomy and Sky Watching; to motivate the children in observing astronomical facts as a part of studying nature and grooming enthusiasts among school children, the young learners. With this motto we, the astronomy lovers of Hooghly Amateur Astronomy Club, are working for years. Any person interested in Astronomy and Sky Watching can join us to carry on our curriculum.There's no formality, only have a pure intention to work with us. When we look through a window of our room we look out the rest of the nature from our home. Likely when we look up at the stars in the sky we look out the rest of the universe from our Home Planet, the Earth. Keep in mind that we live in a spinning planet and we are sunken in air i.e. These make the appearances of the sky i.e. what the universe looks like seen from Earth deceiving. It was too difficult to understand what we see in the sky everyday ----- Modern science was born when people tried to understand the appearance of the sky.

চুঁচুড়ার এক শান্ত কোণে অবস্থিত 'প্রণব কন্যা সংঘ'। ভারত সেবাশ্রম সংঘের এই মহিলা শাখাটি মূলত এক নিরাপদ আশ্রয়। এখানে বর্তম...
26/04/2026

চুঁচুড়ার এক শান্ত কোণে অবস্থিত 'প্রণব কন্যা সংঘ'। ভারত সেবাশ্রম সংঘের এই মহিলা শাখাটি মূলত এক নিরাপদ আশ্রয়। এখানে বর্তমানে ২৫ জন কন্যা বড় হচ্ছে, যাদের কারও মাথার ওপর বাবার হাত নেই, কারও মা নেই, আবার কেউবা একেবারেই অনাথ। অতি দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করা কিছু মেয়েও দূর-দূরান্ত থেকে এসে এখানে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণী অবধি পড়াশোনা করে। এই আশ্রমে কেবল শিশুরাই নয়, রয়েছেন সমাজ ও পরিবার থেকে পরিত্যক্তা কিছু প্রবীণাও।
​গত মে মাস থেকে এই আশ্রমের সঙ্গে আমাদের সদস্য Chiroranjan Bose এর এক নিবিড় আত্মিক যোগাযোগ গড়ে উঠেছে। ওদের ওরিগামি শেখানোর পাশাপাশি সপ্তম থেকে দশম শ্রেণীর মেয়েদের অঙ্ক আর ভৌতবিজ্ঞান শেখান চিররঞ্জন বাবু। তাই এবার ওদের এই চার দেওয়ালের বাইরের অসীম বিশ্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার একটা সুযোগ করে দেওয়া হল। অঙ্ক আর বিজ্ঞানের বইয়ের শুকনো পাতায় যে মহাবিশ্বের গল্প ওরা পড়ে, তাকে একবার চোখের সামনে টেলিস্কোপে দেখানো। টেলিস্কোপে যখন ধরা দিল রূপোলি চাঁদ আর গ্রহরাজ বৃহস্পতি, তখন সেই ছোট্ট মেয়েগুলোর চোখে যে অপার বিস্ময় আর আনন্দের ঝিলিক দেখা গেল, তা আমাদের কাছে এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।
​আমাদের মনে হয়, এই নিষ্পাপ শিশুদের কাছে বিজ্ঞানের আলো পৌঁছে দেওয়া আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। আজ হয়তো ওরা এক প্রতিকূল পরিবেশে বড় হচ্ছে, কিন্তু সঠিক সুযোগ আর অনুপ্রেরণা পেলে এদের মধ্য থেকেই হয়তো উঠে আসবে আগামী দিনের কোনো কল্পনা চাওলা, মেঘনাদ সাহা কিংবা এস. চন্দ্রশেখর-এর মতো বিশ্বখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী। আকাশ দেখার এই বীজটি যদি আজ ওদের মনে বুনে দেওয়া যায়, তবে ভবিষ্যতে তারাই হয়তো মহাবিশ্বের নতুন কোনো রহস্য উন্মোচন করবে। IAU Office for Astronomy Outreach

সুন্দরবনের একবারে প্রান্তিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি গ্রাম— সোনাগাঁ। বনের কোল ঘেঁষে থাকা এখানকার মানুষগুলোর জীবনযুদ্ধ চলে মূল...
26/04/2026

সুন্দরবনের একবারে প্রান্তিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি গ্রাম— সোনাগাঁ। বনের কোল ঘেঁষে থাকা এখানকার মানুষগুলোর জীবনযুদ্ধ চলে মূলত কৃষিকাজ, জঙ্গল থেকে মধু সংগ্রহ আর নদীতে বাগদা চিংড়ির মীন ধরার মধ্য দিয়ে। অভাব আর লড়াই যাদের নিত্যসঙ্গী, সেখানকার শিশুদের চোখে একরাশ স্বপ্নের বুড়িছোঁয়া দিতে নিরলস কাজ করে চলেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (NGO)।
দীর্ঘদিন ধরেই সেই সংগঠনটি তাদের স্কুলের শিশুদের জন্য আকাশ দেখার বিষয়ে আগ্রহ তৈরির পরিকল্পনা করছিল। সেই উদ্দেশ্যেই হুগলী আমেচার অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাবের (Hooghly Amateur Astronomy Club) পক্ষ থেকে সংগঠনের নির্দেশ মেনে আমাদের সদস্য ডা: অচিন্ত্যকুমার রায় Achintyakumar Roy পৌঁছে গিয়েছিলেন সুন্দরবনের সেই প্রত্যন্ত গ্রামে।
চাঁদের পাহাড়-খাদ থেকে শুরু করে বৃহস্পতি গ্রহের মহিমা, আর আকাশের সেই চিরচেনা শিকারি কালপুরুষকে চিনিয়ে দেওয়া— সবকিছুই ছিল ওদের কাছে এক অপার বিস্ময়।
একটি ছোট্ট ক্লাসের মাধ্যমে আমরা মহাকাশের বিভিন্ন অজানা রহস্য নিয়ে আলোচনা করলাম।
ওদের মনে মহাকাশ নিয়ে যে কৌতূহল দেখলাম, তা সত্যিই অতুলনীয়।
আমাদের লক্ষ্য একটাই— এই প্রান্তিক শিশুদের মাঝে বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলা এবং তাদের দৃষ্টিকে সীমানার ওপারে প্রসারিত করা। অনুসন্ধিৎসু মনের এই জয়গান যেন কখনও থেমে না যায়।
প্রকৃতির রহস্য আর বিজ্ঞানের আলো এভাবেই পৌঁছে যাক প্রতিটি কোণায়। IAU Office for Astronomy Outreach

11/04/2026

NASA's Artemis II crew has named a lunar crater "Carroll" after Carroll Taylor Wiseman, the late wife of mission commander Reid Wiseman. Carroll passed away in 2020 after a five-year-long battle with cancer.

On April 6, the astronauts on the Artemis II mission reached the farthest point from Earth ever traveled by humans.

The naming was announced as the crew, comprising three Americans and one Canadian, entered the moon's gravitational sphere of influence. Canadian astronaut Jeremy Hansen spoke during a live broadcast, saying, "It's a bright spot on the Moon. And we would like to call it Carroll."

Commander Wiseman and the other astronauts became emotional and had tears in their eyes. They came together and hugged each other while floating in space. Hansen also mentioned that the crater can be seen from Earth at certain times as the Moon moves around our planet.

They also gave another Moon crater the name "Integrity," which is the same name as their spacecraft.

মহাকাশে যখন কোনো নক্ষত্র বা গ্যালাক্সি আমাদের থেকে দূরে সরে যায়, তখন তা থেকে নির্গত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রসারিত বা বৃদ্ধি...
06/04/2026

মহাকাশে যখন কোনো নক্ষত্র বা গ্যালাক্সি আমাদের থেকে দূরে সরে যায়, তখন তা থেকে নির্গত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রসারিত বা বৃদ্ধি পায়। দৃশ্যমান বর্ণালীতে এই পরিবর্তন নীল প্রান্ত থেকে লাল প্রান্তের দিকে ঘটে বলে একে লাল সরণ বা Redshift বলা হয়। বিপরীতভাবে, কোনো বস্তু যদি আমাদের দিকে এগিয়ে আসে, তবে তার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সংকুচিত হয় এবং বর্ণালীর লাল অংশ নীলের দিকে সরে যায়। তরঙ্গের এই আপেক্ষিক পরিবর্তনকেই বলা হয় ডপলার ক্রিয়া (Doppler Effect)।মহাবিশ্বের নিরন্তর প্রসারণের ফলে অধিকাংশ গ্যালাক্সিই বর্তমানে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যার ফলে তাদের আলোতে লাল সরণ পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে সুদূর অতীতের আদি গ্যালাক্সিগুলো, যা দৃশ্যমান মহাবিশ্বের প্রান্তসীমায় অবস্থিত, সেগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে। এই অতি-দূরবর্তী গ্যালাক্সিগুলোর লাল সরণের মাত্রা এতটাই বেশি যে, তাদের নিঃসৃত অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য (< 400 nm) বৃদ্ধি পেতে পেতে দৃশ্যমান বর্ণালী অতিক্রম করে অবলোহিত বা ইনফ্রারেড (> 700 nm) তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী, আমাদের নিজস্ব মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিও মহাবিশ্ব সৃষ্টির কয়েকশ মিলিয়ন বছরের মধ্যেই গঠিত হয়েছিল। আমাদের গ্যালাক্সিতে এমন কিছু প্রাচীন নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে যাদের বয়স প্রায় ১৩০০ কোটি বছর।মহাজাগতিক লাল সরণ বা z-এর মান নির্ণয় করা বেশ সহজ এবং গাণিতিকভাবে সুনির্দিষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, আমরা হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লক্ষ্য করতে পারি। যখন কোনো ইলেকট্রন পরমাণুর পঞ্চম কক্ষপথ থেকে দ্বিতীয় কক্ষপথে ঝাঁপ দেয়, তখন তা থেকে একটি নির্দিষ্ট ফোটন বা আলোক কণা নির্গত হয়। গবেষণাগারে মেপে দেখা গেছে, এই ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ঠিক ৪৩৪.০৫ ন্যানোমিটার। উল্লেখ্য, উচ্চতর কক্ষপথ থেকে দ্বিতীয় কক্ষপথে ইলেকট্রনের এই স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট বর্ণালীকে বামার সিরিজ (Balmer Series) বলা হয়।পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় কক্ষপথের এই নির্দিষ্ট নিঃসরণকে বলা হয় Hγ (এইচ-গামা), যা আমাদের চোখে বেগুনি বর্ণের দেখায়। তবে মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে বহু দূরের গ্যালাক্সি থেকে আসা এই একই Hγ ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেড়ে যায়।​ধরা যাক, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের (JWST) NIRSpec যন্ত্র ব্যবহার করে একটি সুদূর গ্যালাক্সির বর্ণালী বিশ্লেষণ করা হলো। সেখানে দেখা গেল, ল্যাবে পাওয়া ৪৩৪.০৫ ন্যানোমিটারের সেই Hγ রেখাটি এখন ৩৭৬১.১৫ ন্যানোমিটারে গিয়ে পৌঁছেছে। এখানে ৩৭৬১.১৫ ন্যানোমিটার (বা ৩.৭৬১ মাইক্রোমিটার) তরঙ্গদৈর্ঘ্যটি আর দৃশ্যমান সীমানার মধ্যে নেই। এটি এখন নিকটবর্তী অবলোহিত (Near-Infrared) বর্ণালীর অন্তর্ভুক্ত। এখানে 'নিকটবর্তী' বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, এই অবলোহিত তরঙ্গটি দৃশ্যমান আলোক বর্ণালীর ঠিক পরেই অবস্থান করছে।z = 7.66 লাল সরণসম্পন্ন একটি গ্যালাক্সি আমাদের থেকে ঠিক কত দূরে অবস্থিত? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কিছুটা জটিল, কারণ এটি মহাবিশ্বের গঠন এবং এর প্রসারণের হারের ওপর নির্ভর করে।
যদি আমরা মহাবিশ্বের বর্তমান গ্রহণযোগ্য মডেল অনুযায়ী ধরে নিই যে—মহাবিশ্বের মোট শক্তির ৭৩% তমোশক্তি (Dark Energy), ২৭% বস্তু (Matter) এবং হাবল ধ্রুবক (Hubble Constant) ৭১ কিমি/সেকেন্ড/মেগাপারসেক।এই গ্যালাক্সি থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে সময় নিয়েছে প্রায় ১৩০০ কোটি (১৩ বিলিয়ন) বছর।মহাবিশ্বের ক্রমাগত প্রসারণের ফলে এই মুহূর্তে গ্যালাক্সিটির প্রকৃত দূরত্ব আমাদের থেকে প্রায় ৩০০০ কোটি (৩০ বিলিয়ন) আলোকবর্ষ।অর্থাৎ, ৩০ বিলিয়নকে (7.66 + 1) দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, আলো নিঃসরণের সময় গ্যালাক্সিটি আমাদের থেকে মাত্র ৩৫০ কোটি (৩.৫ বিলিয়ন) আলোকবর্ষ দূরে ছিল।সবসময় গ্যালাক্সির বর্ণালীতে স্পষ্ট রেখা খুঁজে পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা 'লাইম্যান ব্রেক' (Lyman Break) নামক একটি কৌশল ব্যবহার করেন।​হাইড্রোজেন পরমাণুর উচ্চতর কক্ষপথ থেকে ইলেকট্রন যখন প্রথম কক্ষপথে নেমে আসে, তখন যে ফোটন বিকিরিত হয় তাকে লাইম্যান সিরিজ (Lyman Series) বলা হয়।​যেসব গ্যালাক্সিতে নতুন নক্ষত্র জন্ম নিচ্ছে, সেখানে প্রচুর হাইড্রোজেন গ্যাস বা নীহারিকা থাকে। নতুন নক্ষত্রের অতিবেগুনি (UV) রশ্মি যখন এই নীহারিকার ভেতর দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো সেই শক্তি শোষণ করে নেয়।
​বিশেষ করে ১২১ ন্যানোমিটারের নিচের প্রায় সমস্ত অতিবেগুনি রশ্মি এই গ্যাস দ্বারা শোষিত হয়ে যায়। ফলে ওই গ্যালাক্সির বর্ণালী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ১২১ ন্যানোমিটারের নিচে কোনো আলো নেই—সেখানে একটি বড় 'খাদ' বা শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। একেই বলা হয় লাইম্যান ব্রেক।​দূরবর্তী গ্যালাক্সির ক্ষেত্রে এই 'লাইম্যান ব্রেক' বা অন্ধকারের অংশটিও ডপলার ক্রিয়ার কারণে লাল সরণ বা Redshift-এর শিকার হয়। ফলে দৃশ্যমান বা অতিবেগুনি আলোর পরিবর্তে এই ব্রেক বা খাদটি অবলোহিত (Infrared) তরঙ্গে গিয়ে ধরা পড়ে। এই স্থানান্তরের মাত্রা দেখেই বিজ্ঞানীরা অতি দূরবর্তী গ্যালাক্সির দূরত্ব নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারেন।চিত্র ২-এ একটি লাইম্যান ব্রেক গ্যালাক্সি দেখানো হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে, এই গ্যালাক্সির নীহারিকা লাইম্যান-আলফা রেখার নিচের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমস্ত ফোটন শোষণ করে নিয়েছে। ডপলার লাল সরণের (Redshift) প্রভাবে এই 'ব্রেক' বা খাদটি এখন প্রায় ১৬০০ ন্যানোমিটারে পরিলক্ষিত হচ্ছে। গাণিতিক পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখা যায়, এই গ্যালাক্সিটির z মান ১২.৬। এর অর্থ হলো, এই গ্যালাক্সি থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে সময় নিয়েছে প্রায় ১৩৩০ কোটি (১৩.৩ বিলিয়ন) বছর। অর্থাৎ, বিগ ব্যাং-এর মাত্র ৪০০ মিলিয়ন বছরের মধ্যেই এই গ্যালাক্সিটির জন্ম হয়েছিল।চিত্র ২-এর ওপরের প্যানেলে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের NIRCam ডিটেক্টরের সাতটি ভিন্ন ফিল্টারে তোলা ছবি লক্ষ্য করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। ৯০০ ন্যানোমিটার থেকে ৪৪৪০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত এই ফিল্টারগুলোর মধ্যে ২০০০ ন্যানোমিটারের পরের ছবিগুলোতে (২৭৭০, ৩৫৬০ এবং ৪৪৪০ ন্যানোমিটার) কেন্দ্রে একটি ছোট গ্যালাক্সি দৃশ্যমান। কিন্তু ১৫০০ ন্যানোমিটার বা তার নিচের ফিল্টারগুলোতে এটি সম্পূর্ণ অদৃশ্য। এই অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার কারণই হলো 'লাইম্যান ব্রেক'। বর্ণালীতে এই ব্রেকটিকে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করেই গ্যালাক্সিটির লাল সরণ ১২.৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ১৬০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এটি z = 11-এর বেশি লাল সরণ পরিমাপ করতে পারে না। অন্যদিকে, জেমস ওয়েবের NIRCam ৫০০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত দেখতে সক্ষম, যা তাত্ত্বিকভাবে z = 40 পর্যন্ত লাল সরণ মাপতে পারে।
​z = 40 মানে হলো বিগ ব্যাং-এর মাত্র ১০০ থেকে ২০০ মিলিয়ন বছর পরের সময়কাল। বিজ্ঞানীরা আগে ধারণা করেছিলেন যে, এত অল্প সময়ে গ্যালাক্সি তৈরি হওয়া কঠিন এবং চারপাশের নিরপেক্ষ হাইড্রোজেনের কারণে তাদের দেখা পাওয়া অসম্ভব হবে। নক্ষত্রের আলো যখন এই হাইড্রোজেনকে আয়নিত করে ইলেকট্রন মুক্ত করে, কেবল তখনই মহাবিশ্ব স্বচ্ছ হয়। এই আয়নিত হওয়ার পূর্ববর্তী সময়কে বলা হয় অন্ধকার যুগ (Dark Ages)। আগে ভাবা হতো এই প্রক্রিয়া বিগ ব্যাং-এর ৪০০ মিলিয়ন বছর পর শুরু হয়েছে, কিন্তু জেমস ওয়েবের তথ্য বলছে এই আয়নন প্রক্রিয়া আরও অনেক আগেই শুরু হয়েছিল।বর্তমানে জেমস ওয়েবের তথ্যে সর্বোচ্চ ১৬.৭ পর্যন্ত লাল সরণ পাওয়া গেছে। যদি এটি নিশ্চিত হয়, তবে বলতে হবে বিগ ব্যাং-এর মাত্র ৩০০ মিলিয়ন বছরের মধ্যেই মহাবিশ্ব গ্যালাক্সিতে পরিপূর্ণ ছিল এবং তারা অতিবেগুনি রশ্মিতে অত্যন্ত উজ্জ্বল ছিল। তবে এই উচ্চ রেডশিফট নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিতর্কও আছে।
​কিছু গবেষকের মতে, আমরা যেটিকে লাইম্যান ব্রেক ভাবছি, তা আসলে দৃশ্যমান তরঙ্গের বামার শোষণ রেখা (৪০০ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি) হতে পারে। ধূলিময় গ্যালাক্সিগুলোকে শুধু ইনফ্রারেড তথ্য দিয়ে বিশ্লেষণ করলে অনেক সময় ভুলবশত উচ্চ রেডশিফট (z > 12) মনে হতে পারে। কিন্তু সেগুলোকে মিলিমিটার বেতার তরঙ্গে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় তাদের প্রকৃত রেডশিফট আসলে ৪ থেকে ৬-এর মধ্যে।জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ কেবল দূরবর্তী গ্যালাক্সিই নয়, বরং বহিঃগ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ, নক্ষত্রের জন্মপ্রক্রিয়া এবং তমোবস্তুর (Dark Matter) অবস্থান নির্ণয়েও বিপ্লব ঘটাচ্ছে। বিজ্ঞানের এই অগ্রগতি পূর্বসূরি হাবল এবং অন্যান্য রেডিও টেলিস্কোপের অর্জনের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে। জেমস ওয়েবের এই অভাবনীয় সাফল্য মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আরও বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

15/03/2026

প্রকৃতির প্রতিটি কোণায় লুকিয়ে আছে এক অদৃশ্য জ্যামিতি। আমরা সাধারণত যে ধরণের টাইলস বা নকশা দেখি (যেমন বর্গাকার বা ষষ্ঠভুজ), সেগুলো একটি নির্দিষ্ট ব্যবধানে বারবার ফিরে আসে। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতবিদ ও নোবেলজয়ী পদার্থবিদ স্যার রজার পেনরোজ এক অদ্ভুত ধরণের নকশা আবিষ্কার করেন, যা গণিত ও দর্শনের চিরচেনা ধারণা বদলে দেয়। পেনরোজ টাইলিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অ-পর্যায়বৃত্ত (Aperiodic)। সাধারণ টাইলসের ক্ষেত্রে আপনি একটি নির্দিষ্ট অংশ কেটে নিয়ে পাশে বসালে হুবহু মিলে যায়। কিন্তু পেনরোজ টাইলসের ক্ষেত্রে নকশাটি অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও তা কখনোই নির্দিষ্ট ছকে নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে না। অর্থাৎ, পুরো প্যাটার্নটির মধ্যে আপনি কোনো ‘সেন্ট্রাল ইউনিট’ পাবেন না যা বারবার ফিরে আসছে। অথচ এর মধ্যে রয়েছে এক গভীর শৃঙ্খলা। এই শৃঙ্খলা বজায় থাকে 'গোল্ডেন রেশিও' র (φ~1.618) মাধ্যমে।মহাবিশ্বের এনট্রপি বা বিশৃঙ্খলার মাঝেও কীভাবে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংরক্ষিত থাকে, তার এক গাণিতিক মডেল হতে পারে এই টাইলিং। পেনরোজ নিজে মনে করেন, কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং মহাকর্ষের মেলবন্ধনে এই ধরণের জ্যামিতিক কাঠামোর ভূমিকা থাকতে পারে।রজার পেনরোজ তার গবেষণায় দেখিয়েছেন যে মহাবিশ্বের স্থান-কাল (Space-time) সবসময় মসৃণ নয়। ক্ষুদ্রতম স্কেলে মহাবিশ্বের গঠন হয়তো অনেকটা এই টাইলিংয়ের মতোই জটিল এবং অ-পর্যায়বৃত্ত। ব্ল্যাক হোলের সিঙ্গুলারিটি ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রেও জ্যামিতির এই অপ্রচলিত রূপগুলো আমাদের নতুন পথ দেখায়।

08/03/2026

Happy International Women's Day ❤️

Today is the anniversary of the birth, at Chinsura, West Bengal on 1 Feb 1902, of the Indian scientist and astronomer An...
01/02/2026

Today is the anniversary of the birth, at Chinsura, West Bengal on 1 Feb 1902, of the Indian scientist and astronomer Anil Kumar Das. Following his graduation from the University of Calcutta, he studied spectroscopy at the Sorbonne in Paris, after which he worked at the Institut für Theoretische Physik in Göttingen. This was followed by a brief spell at the Solar Physics Observatory in Cambridge before a move to the Indian Meteorological Department in 1930 and eventually to the Kodaikanal Solar Observatory (pictured) in 1937, where he became director in 1946, remaining in the post until his retirement in 1960. His main observational interests related to solar physics and much of his work at Kodaikanal was concerned with the spectrophotometric study of the chromosphere and sunspots. The 38 km diameter lunar crater Das, located in the region to the north west of the large walled plain Chebyshev on the far side of the Moon, is named in his honour.

*AR-4336* taken and analysed by Me !Telescope: *GSO 150/1200* Dobsonian Telescope with *25mm* eyepiece with Solar filter...
14/01/2026

*AR-4336* taken and analysed by Me !

Telescope: *GSO 150/1200* Dobsonian Telescope with *25mm* eyepiece with Solar filter .

Afocal projection using: *IQoo Z7s*

📍 *Uttarpara, Hooghly, WB.*

⚠️ *Warning* :
Do not look at the sun directly through the telescope !
This image is taken using a proper good quality solar Filter attached with the telescope !
📷📸 One of our members: Mr. Krishnendu Goswami

11/01/2026

Sunspot AR 4336 একটা বিশাল magnetically complex active region , প্রায় ১৫টি দৃশ্যমান স্পট নিয়ে গঠিত এবং সৌর গোলার্ধের 320 millionths এলাকা জুড়ে এটা বিস্তৃত। বর্তমানে এটি Earth-facing অবস্থানে (S10°, Longitude 1°) থাকায় এটা পর্যবেক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সিগনিফিক্যান্ট ফ্লেয়ার দেখা যায়নি, তবে এখান থেকে M-class flare হওয়ার ১৫% এবং C-class flare হওয়ার ৫৫% সম্ভাবনা রয়েছে।
AR 4336 অঞ্চলটি আকারে আমাদের পৃথিবীর দ্বিগুণ র ও বেশি!

আজ কিছু খুদে সদস্যদের নিয়ে  সৌরকলঙ্ক পর্যবেক্ষণ।Sunspot AR 4336 একটা বিশাল  magnetically complex active region , প্রায় ...
11/01/2026

আজ কিছু খুদে সদস্যদের নিয়ে সৌরকলঙ্ক পর্যবেক্ষণ।Sunspot AR 4336 একটা বিশাল magnetically complex active region , প্রায় ১৫টি দৃশ্যমান স্পট নিয়ে গঠিত এবং সৌর গোলার্ধের 320 millionths এলাকা জুড়ে এটা বিস্তৃত। বর্তমানে এটি Earth-facing অবস্থানে (S10°, Longitude 1°) থাকায় এটা পর্যবেক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সিগনিফিক্যান্ট ফ্লেয়ার দেখা যায়নি, তবে এখান থেকে M-class flare হওয়ার ১৫% এবং C-class flare হওয়ার ৫৫% সম্ভাবনা রয়েছে।
AR 4336 অঞ্চলটি আকারে আমাদের পৃথিবীর দ্বিগুণ র ও বেশি! ভিডিও পরবর্তি পোস্ট এ।

Address

Hugli

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hooghly Amateur Astronomy Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Hooghly Amateur Astronomy Club:

Shortcuts

Share

Category