LEARN BIOLOGY

Nilkanta Roy, an experienced trained
teacher for -
• Madhyamik - Life Science
• HS, NEET & JENPAUH - Biology
• B.Sc. - Zoology & Botany

Experienced Tutor for :-
• Madhyamik - Life Science
• H.S. & JEE - Biological Science
• B.Sc. - Zoology & Botany

Features :-
• Updated study material.
• Regularly class test & mock test.
• Class-room teaching, digital learning.
• Practical facility.
• Library facility.

Operating as usual

21/05/2019

Batch:- Jagacha _ Ramrajatala _ Baksara

12/02/2019

আজ থেকে শুরু হচ্ছে এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষা প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জীবনের প্রথম বড়ো পরীক্ষা। এই উপলক্ষে সারা বাংলায় এক বিরাট কর্মযোগ্যের আয়োজন। আয়োজনে সামিল ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষকশিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও অভিভাবকবৃন্দ। মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্রবিন্দু সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও আশির্বাদ। তোমরা খুব ভালো করে পরীক্ষা দাও। জীবনে অনেক বড়ো হও।

27/11/2018

Batch: Santragachi _ Jagacha _ Ramrajatala _ Baksara

22/11/2018

Batch: Jagacha _ Santragachi _ Baksara _ Ramrajatala _ Howrah

14/11/2018

শিশু দিবসে প্রতিটি শিশুকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!
প্রার্থনা করি প্রতিটি শিশু যেন তার প্রয়োজনীয় খাদ্য, আশ্রয় ও শিক্ষা পায়।

10/07/2018

মাদাম কুরিকে কি কেও মনে রেখেছেন ? ?
মাদাম কুরি : এক জীবন্ত ভগবতী

আজ পর্যন্ত নারী হিসেবে তাঁর সাফল‍্য কেউ স্পর্শ করতে পারেনি।
সারা পৃথিবীতে তিনিই প্রথম মহিলা ডক্টরেট ।
সারা পৃথিবীতে তিনিই প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী।
সারা পৃথিবীতে তিনিই প্রথম মহিলা নোবেল জয়ী। শুধু তাইই নয় দ-ুদূবার নোবেল প্রাপ্তি।

এত বড়ো সাফল‍্যের জীবন কাহিনী শুনলে আনন্দে বুকটা ভরে যায়, তাইনা? কিন্তু তার পেছনে যে কত কান্নার ইতিহাস জড়িয়ে আছে। বিশ্বাস করুন।

১৮৬৭ সাল। পোল্যান্ড তখন পরাধীন দেশ। বর্বর ইংরেজদের মতন পোল্যান্ড ও রাশিয়ার দখলে। জারের লুটপাট আর অত‍্যাচারে অতিষ্ঠ দেশ।

বাবা-মা দুজনেই শিক্ষক। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়ার জন‍্য দুজনেরই চাকরি কেড়ে নেয় রুশ পুলিশ।
পাঁচ ভাই বোন। প্রত‍্যেকেই অত‍্যন্ত মেধাবী। শুনলে অবাক হবেন, তারা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেয় একবছর দুজন স্কুলে পড়তে যাবে বাকিরা কাজ করে দুজনের সংসারের খরচ যোগাবে পরের বছর ঠিক তার উল্টো, অর্থাৎ যারা স্কুলে গিয়েছিল তারা যাবে কাজ করতে বাকিরা স্কুলে। কিন্তু তাতে ও অভাব ঘোঁচেনা । অনাহারে অপুষ্টিতে চতুর্থ বোনটা মারা গেল চোখের সামনে। দু'বছর পর মায়ের যক্ষ্মা। বিনা চিকিৎসায় হারিয়ে গেল মা ও।

পরিবারের সর্বকনিষ্ঠা মেয়েটা পাথরের মত শক্ত হয়ে গেল।সবার অলক্ষ্যে প্রতিজ্ঞা করে বসল নিজের মধ‍্যে_ না, চোখের জল ফেলে দুর্বল হলে চলবে না। লড়তেই হবে।
ছেড়ে দিল গীর্জায় যাওয়া। নির্ভরতা? না না, কারো কাছে আর নির্ভরতা নয়, এমনকি_ ঈশ্বরের প্রতিও নয়।
মেয়েটা নাস্তিক হয়ে গেল।

১৮৬১ সাল। উচ্চশিক্ষার জন্য পোল্যান্ডের মেয়েদের কোন অধিকার নেই। চলে গেলেন প‍্যারিস, বড়দির কাছে। জামাইবাবু বিখ্যাত ডাক্তার ‌। তার কাছে থেকে যথাযথ পরামর্শ নিয়ে ভর্তি হলেন সোরবন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শহরের শেষ প্রান্তে একটা পাঁচতলা বাড়ির একেবারে উপরের তলায় ভাড়া নিয়ে থাকার ব্যবস্থা করলেন। দিদি জামাইবাবু তো রে রে করে উঠলো শুনে। কিন্তু ওই যে বললাম কারো প্রতি নির্ভরতা আর নয়। এই প্রতিজ্ঞাই তো তাঁর সাফল‍্যের চাবিকাঠি!

সেই দিন গুলো যে কত ভয়ংকর তা বর্ণনাতীত। ভোর বেলা বালতি করে একতলা থেকে সমস্ত জল তোলা (তখন তো না ছিল পাম্প মেশিন, না ছিল লিফট), দুপুরে এক হোটেলে থালাবাটি মাজা, সন্ধ্যেয় টিউশনি পড়ানো। পায়ে জুতো নেই তো খালি পায়েই কলেজ। শীতের গাউন নেই, তো তাতেও দুঃখ নেই। এত ধকলে শরীরটা ও বিদ্রোহ করে ওঠে। তবুও ডোন্ট কেয়ার। মোট কথা থামা নেই!
একবার তো মৃত‍্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে। সে যাত্রায় জামাইবাবু রক্ষা করেন।

১৯০৩ সাল।
স্বামী পিয়েরের সাথে যৌথভাবে নোবেল পেলেন। সেই দিন যে কি আনন্দ! খুশিতে চোখের জলে বাঁধ মানেনা আর।

বছর দুই না কাটতেই ভাঁটা পড়ল সে আনন্দের। পথ দুর্ঘটনায় মারা গেলেন স্বামী পিয়েরে কুরি। আবার ঝড়!
আবার দুঃখ! আবার শোক!
ছোট্ট মেয়ে দুটিকে বুকে আগলে নিয়েই এবার সামনে এগিয়ে চলা।

১৯০৮ সাল। মানব সভ‍্যতাকে দিলেন রেডিয়ামের সন্ধান_ দূরারোগ‍্য ক‍্যানসারের অবর্থ দাওয়াই। মানব সভ্যতার এক আশ্চর্য আশীর্বাদ। স্বীকৃতি স্বরূপ দ্বিতীয় বার নোবেল পুরস্কারের মত বিরল সন্মান মিললেও উক্ত রেডিয়াম নিয়ে গবেষণা করতে করতেই তাঁর শরীরে মারণ ক‍্যানসার বাসা বাঁধে এবং ১৯৩৪ সালে আজকের দিনটিতে ফ্রান্সে তাঁর মৃত্যু হয়।

(প্রত্যেক নারীর তো বটেই প্রত্যেক মানুষেরই তাঁর জীবনী পড়া উচিত........)

06/06/2018

সকল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

09/05/2018
12/03/2018

২০১৮ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভালো হোক
জীবনের প্রথম বড়ো পরীক্ষা।

11/02/2018

গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছিড়েছেন কখনো? ছিঁড়লেও নিশ্চয়ই গুণে দেখেন নি, কয়টা পাপড়ি থাকে। ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫ কিংবা ৮৯ টা। কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া প্রায় সব ফুলই এই নিয়ম মেনে চলে। অদ্ভুত মনে হচ্ছে? আসুন আরো সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে। আপনি সায়েন্স হোন আর আর্টস হোন, অঙ্কে দুর্বল হোন, আর সুপার ডুপার হোন খুব সহজেই হিসাবটা করতে পারেন।
.
০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯, ১৪৪, ২৩৩, ৩৭৭...... এই যে সংখ্যাগুলো, এদেরকে বলা হয় ফিবোনাচ্চি সংখ্যা। অর্থাৎ, আগের সংখ্যার সাথে পরের সংখ্যাটা যোগ করলেই আরেকটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যা পাওয়া যায়।
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব ফুল এই নিয়ম মেনে চলে।
শুধু ফুল নয়, প্রকৃতির অনেক জায়গায় এ সংখ্যা পাবেন। ফলেও ফিবোনাচ্চি সংখ্যা দেখা যায়। আনারসের "চোখ" গুণে দেখুন। এক সারিতে ৮ টা কিংবা ১৩ টা থাকে।
.
নাম লিওনার্দো ফিবোনাচ্চি। জন্ম ইটালিতে। তিনি-ই সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারেই এই ধারার নাম হয়েছে, ফিবোনাচ্চির ধারা! ১২০৩ খ্রিষ্টাব্দে খরগোশের প্রজননে তিনি সর্বপ্রথম এই ধারার অস্তিত্ব দেখতে পান। অর্থাৎ দুটি খরগোশ থেকে যদি প্রজনন হয়, আর একটা খরগোশও না মরে, তাহলে যদি ১০ মাস পর ৫৫ টা খরগোশ হয় ১১ মাস পর হবে ৮৯ টা, ১২ মাস পর হবে ১৪৪ টা।
.
এখানেই শেষ না। পাশাপাশি দুটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যার যদি পরেরটাকে আগেরটা দিয়ে ভাগ করেন ১.৬১ হয়। অর্থাৎ ২৩৩ কে ১৪৪ দ্বারা কিংবা ৩৭৭ কে ২৩৩ দ্বারা ভাগ করলে ১.৬১ পাওয়া যাবে। একে বলে গোল্ডেন রেশিও। মানবদেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গে এই গোল্ডেন নাম্বারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। একটা অঙ্গের দৈর্ঘ্যকে ১.৬১ দ্বারা গুণ করলে আরেকটা অঙ্গের দৈর্ঘ্যের সমান হয়।
.
বর্তমানে মিউজিকে এর বহুল ব্যাবহার দেখা যায়। বড় বড় ব্যান্ড দলগুলো বিভিন্ন মিউজিকে ফিবোনাচ্চির ছন্দ ব্যাবহার করেছে। এ মিউজিকগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
....ফিবোনাচ্চির সংখ্যাগুলো নিয়ে পাশাপাশি বর্গ আঁকুন। অর্থাৎ প্রথমটা দুই সেমি হলে পরেরটা তিন পরেরটা পাঁচ....এরপর এদের স্পর্শক আঁকলে দেখা যাবে, এটা হাতির শুঁড়ের মতো হয়। বহু প্রাণীর লেজ এরকম বাঁকানো থাকে।
.
চমক শেষ হয়নি।
পাখিরা যখন দলবেঁধে আকাশে ওড়ে, গণণা করে দেখবেন। প্রতি দলে হয় ১৩ টা নাহয় ২১ টা নাহয় ৩৪ টা.......অর্থাৎ ফিবোনাচ্চির সংখ্যানুযায়ী এরা দলে বিভক্ত থাকে।

30/12/2017

It is hereby notified that We have arranged an annual feast on 14th january 2018 in Learn Biology Coaching Centre premises. Fees Rs 200/- only.
All students are requested to join the feast. Interested students should contact to your batch leader. For further query contact with me. Call - 8013140240
NB- Name of batch leader with class:
* Shreya Bhunia - IX
* Riya Banik - X
* Sachin Ghosh - X
* Rajkumar Mandi - XI
* Tamal Banik - XII
* Biswajit Patra - XII
* Rituparna
Choudhury - 1stYear
* Mousumi khan -
2nd Year
* Kinjal Pal -
Evergreen Praktani
It is a notice please response by writing your name and class as early as possible.

10/12/2017

#পরশ খানি দিও
বেলা প্রায় ৩ টে হবে। স্কুলের মাঠে ক্লাস থ্রি এর ছেলে গুলো কবাডি খেলছিল আর মেয়ে গুলো রুমালচোর। হইচই চিৎকারে মাঠ সরগরম। ঘাসের ওপর বসে কবাডির জাজের দায়িত্ব পালন করছিলো প্রীতম। এই হইচই করা প্রানবন্ত খুদে গুলো ওর বড় প্রিয়। তাই সময় পেলেই ওদের সাথে মাঠে নেমে পড়ে সে। এদের মাঝে ফিরে পায় ফেলে আসা ছেলেবেলাকে। এমন সময় ছুটতে ছুটতে এলো রোহন। বলল স্যার স্যার, হেডস্যার আপনাকে ডাকল এখুনি। প্যান্ট থেকে ঘাস মাটি ঝাড়তে ঝাড়তে স্কুলের দিকে চলল প্রীতম। ছেলেমেয়ে গুলোকে বলল, এই তোদের ছুটি, যা বাড়ি চলে যা সাবধানে।

হেডস্যারের ঘরে গিয়ে দেখল ৪/৫ জন মহিলা গার্জিয়ান দাঁড়িয়ে আছেন। সে হেডস্যারকে জিজ্ঞাসা করলো কী হয়েছে স্যার? স্যার গম্ভীর ভাবে গার্জিয়ানদের দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনারাই বলুন। এক মহিলা বললেন,আপনি হেডস্যার তাই আপনিই বলুন। হেডস্যার বললেন, একটা সমস্যা হয়েছে প্রীতম। এনারা সবাই ছাত্রীদের মা। এইযে তুমি ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে হইচই খেলাধুলো করো, এটা এনাদের ঠিক পছন্দ নয়।

সেই সময় মনিমালার মা শুরু করলেন। শুনুন স্যার, আমার মেয়ে, এই গীতা, মঞ্জু এদের সবার মেয়েই এই স্কুলে পড়ে। রোজই দেখি আপনি ওদের নিয়ে নিয়ে মাঠে যান, খেলান, গল্প করেন। ওরাও আপনার কোলে পিঠে চাপে। আপনি ছেলে মেয়ে কাউকে তফাত করেননা। মেয়েও দিনরাত স্যার এই বলেছে, স্যার ওই করেছে বলে বলে মাথা খারাপ করে। এতদিন কিছু মনে হয়নি স্যার। কিন্তু টিভিতে যা দেখছি তাতে ভয় লাগছে। টিভিতে আলোচনায় বলছিল অনেকেই আদর কোরে, গল্প বোলে বাচ্চা মেয়েদের কাছে টেনে নানা খারাপ কাজ করে। তাই নিজের বাড়ির কেউ ছাড়া অন্য কেউ আদর করলে সাবধান। এই নিয়েই আমরা মায়েরা আলোচনা করছিলাম। এরা সবাই বলল সবার মেয়েই নাকি আপনার নাম করে। ইস্কুলে তো আরও স্যার আছেন, দিদিভাইরা আছেন তাদের কথা তো কই তেমন বলেনা। সেদিনের কেসটা শোনার পর আমাদের বাপু এটা পছন্দ হচ্ছেনা। এই তোমরাও বলো না, মেয়েরা বড় হচ্ছে এখন কী আর কোলে নেওয়া, গাল টিপে আদর করা উচিত?

মায়েদের মধ্যে একটা গুঞ্জন উঠলো। রাখীর মা বলল, হ্যা স্যার যা যুগ পড়েছে কারোর ওপর ভরসা নেই। আমরাতো মেয়ের মা, আমাদের তো ভাবতেই হবে। আসলে টিভিতে বারবার সাবধান করছিলো।আমরা তো জানতুম না এতোসব। ভালোবাসে ভালোবাসে, স্যারেরা তো ভালোবাসবেই। কিন্তু তার ভিতরে যে এতো কিছু, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এসব জানতুম নি মোটেই। কালকে সবাই আলোচনা করে নিজেদের মেয়েদের কে বলেছিলুম, স্যারের কাছে বেশি জাবিনি। বাবা, মেয়ের কী রাগ! স্যার কতো ভালোবাসে জানো? আমাদের বাপু এতোসব ভালো লাগছেনা। ওরা তো ছোট, ভালো মন্দ ওরা কী বুঝবে। তাই সবাই মিলে বলতে এলুম। আপনি ছেলেগুলোকে নিয়ে খেলান। মেয়ে গুলো পড়তে এসেছে, কেলাসের পর বাড়ি চলে যাক।অতো খেলা টেলার দরকার নেই। মনিমালার মা তখন আবার হেডস্যারকে বললেন, আমরা যাচ্ছি স্যার, আপনি ব্যাপারটা দেখবেন।

কেউ সপাটে গালে থাপ্পর মারলেও এতটা স্তম্ভিত অপমানিত হতোনা প্রীতম। সে ভাবতে পারেনি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আসতে পারে! তাও কেউ একা নয়, দলবেঁধে। লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে গেছিলো তার। হেডস্যার বললেন, ভেঙে পড়ার কিছু নেই। চারদিকে যা হচ্ছে তাতে চিন্তিত সবাই। বিশ্বাসটাই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যাকগে, তুমিও একটু সংযত হও। অতো ভালোবাসার দরকার নেই। চাকরি করতে এসেছ, চাকরি করে চলে যাবে। বেশি ভালো করতে যাবে তো এইসব উটকো ঝামেলা। আর ব্যাপারটা তো তোমার একার নয়। স্কুলকেও এর জন্য সাফার করতে হবে। মাথায় রেখো ব্যাপারটা।

মাথা নিচু করে স্টাফ রুমে ঢুকেছিল সে। অন্য স্যার ম্যাডাম দের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল সে মাঠ থেকে আসার আগেই সকলের কানে এসেছে কথাটা। জয়ন্তদা বলল, কী ব্যাপার,সব দলবেঁধে কী বলছিল? দেখাও আরও আলগা পীড়িত। সবাই হাসছিল হি হি করে। শ্যামলদা বলেছিল, আর বাপু ওস্তাদি করোনা। শেষে খাবে ঝাড়।

লজ্জায় অপমানে ঘৃণায় মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরেছিল সে। অসুস্থ লাগছিলো শরীরটা। মনের মধ্যে তুমুল ঝড় এলোমেলো করে দিচ্ছিল ভাবনা চিন্তা। গরীব ঘরের ছেলে সে। অভাব আর বেকারত্বের জীবনে একঝলক টাটকা বাতাস এনেছিল এই চাকরি। এমনিই পড়াতে ভালোলাগতো তার, ভালো লাগতো বাচ্চাদেরও। চাকরিটা পেয়ে সে ভাবেছিল ভালোবাসার এই কাজটা ভালোবেসেই করবে। তারপর স্কুলে জয়েন করা। আস্তে আস্তে মিশে যাওয়া এদের সঙ্গে। মফঃস্বলের এই প্রাইমারি স্কুলটায় ছাত্র ছাত্রী কম না। কিন্তু সবাই আসে অল্প শিক্ষিত খেটে খাওয়া পরিবার থেকে। বাবারা ব্যস্ত কলকারখানার কাজে, আর মায়েরা বাড়ি বাড়ি ঠিকে কাজে ব্যস্ত। ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে তাদের শান্তি। অন্তত আটকা থাকবে সারা দুপুর, দুটো ভাত খাবে দুপুরে। এইরকম সব অনাদরের ছেলেমেয়ে গুলোকে আদরে ভরিয়ে দিয়েছিল সে। না না, দুটো খাবার আর আটকা থাকার জন্য স্কুল নয়। এটা বোঝাতে হবে তাদের। সব দিক দিয়েই এগোনর চেষ্টা করবে সে। তারপর থেকেই ক্লাসের ফাঁকে ওদের গল্প বলা, ল্যাপটপে নানা বিজ্ঞান ভূগোল ইতিহাসের ছবি দেখানো, নানা খেলাধুলো করানো, আবৃত্তি শেখানো সব নিয়ে মেতে ছিল সে।

আর ওরা, একটু ভালোবাসা আর গুরুত্ব পেয়ে স্যারকে আপন করে নিয়েছিলো। ও স্যার আজ আমার বইটা নেবেন, ও স্যার এই পেয়ারাটা খান, ও স্যার আমার পা কেটেছে একটু ওষুধ দিন, ও স্যার রাজা না কাল ভূত দেখেছে, ও স্যার আমার পিঠে দেখুন কেমন ফোঁড়া হয়েছে...... নানান আবদার, অভিযোগ মনের কথা সব স্যারের কাছে। একটা থ্রি এর ছেলের একদিন মুখ শুকনো লাগছিলো, হইচই তেমন করছে না, কাছে ডেকে পিঠে হাত রেখে জিজ্ঞাসা করতেই চোখ ভিজে গেছিলো ছেলেটার। ট্রেনের গণ্ডগোলে মা ফেরেনি রাত্রে। কাল রাত থেকে খাওয়া হয়নি তার। তাকে নিজের টিফিনের মুড়ি গুলো দিতে গিয়ে চোখ ভিজে উঠেছিলো প্রীতমেরও। তখনই ওই ক্লাসের সুনন্দা, এমা!!! স্যার কাঁদছে। বলে ফ্রকের কোনা দিয়ে ঝপাৎ করে মুছিয়ে দিয়েছিলো চোখ দুটো। সে সুনন্দার ঝাঁকড়া চুলে হাত বুলিয়ে আদর করেছিলো। সেটা কি ব্যাড টাচ ছিল?

আচ্ছা, রাখীর মা যে বলে গেলো কারোর ওপর ভরসা নেই। কিন্তু সেদিন সংযুক্তার মা যে এসে বলল, মেয়ের জ্বর। দুজনেই কাজে বেরবো। কোথায় থাকবে একা একা, ইস্কুলেই দিয়ে গেলাম স্যার। আপনি আছেন এটাই ভরসা। আজ তো ওই দলে উনিও ছিলেন। সব ভরসা উড়ে গেলো কোথাকার একটা ঘটনায়!!! কতো অভিযোগ কতো অনুরোধ করে যেতেন অভিভাবকরা। ছেলে বা মেয়ে পড়ছে না, স্কুলে অন্য ছাত্ররা জ্বালাচ্ছে, মিড ডে মিল টা যেন ঠিক করে খায়, জন্ম সার্টিফিকেটের ভুল নামটা ঠিক করাবো কী করতে হবে স্যার......আজ সব মিথ্যে হয়ে গেলো!! ওইরকম অভিযোগ করতে একটুও আটকাল না! না না, আর নয় চেঞ্জ হতে হবে, চাকরিটা চাকরির মতই করতে হবে। ধুস, স্কুলটাই চেঞ্জ করতে হবে। এই এলাকাতেই থাকবে না আর।

পরদিন স্কুল গেলো সে। সাইকেলটা রাখতেই হইহই করে ছুটে এলো খুদে বাহিনী। ও স্যার এতো দেরি করলেন কেন? ও স্যার ক্রিকেট খেলবেন চলুন। ক্লান্ত গলায় প্রীতম বলল, শরীর খারাপ। ছেড়ে দে আমায়। আর তাকিয়ে দেখল মনিমালার মা শক্ত করে ধরে আছে ওর হাত। আর মনিমালা কাছে আসার জন্য ছটফট করছে। মাথা নিচু করে অফিসে ঢুকে গেলো সে। বাচ্চা গুলো হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইল বারান্দায়। সারাটা দিন যন্ত্রের মতো ক্লাস নিলো। ছেলে মেয়ে গুলো বারবার কী হয়েছে বলে খোঁজ নিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলো। অবসন্ন দেহে বাড়ি ফিরল প্রীতম। নাহ, কয়েকটা দিন ছুটি নেবে। এইভাবে স্কুল করা পোষাচ্ছেনা।

কয়েকদিন স্কুল যায়নি সে। শুয়ে বসে কাটিয়েছে আর ভেবেছে ওই দিনটার কথা। দুরন্ত অভিমানে চোখ ভিজেছে ততবারই।কখনও মনে হয়েছে সে নিজে তো জানে, সে কী। লোকের কথায় আদর্শ ছাড়বে কেন? মনে হয়েছে, হেডস্যারের বলা, তোমার জন্য পুরো স্কুলকেই সাফার করতে হবে। আবার মনে জমা হয়েছে হতাশার মেঘ। মা কয়েকবার জিজ্ঞাসা করল কী ব্যাপার স্কুলে যাচ্ছিসনা, শুয়ে আছিস, কী হয়েছে? শরীর ঠিক তো? ও প্রতিবারই উত্তর দিয়েছে, কিছু হয়নি মা, পাওনা ছুটি নিচ্ছি। কিন্তু কিছু একটা লুকোনোর ব্যর্থ চেষ্টা চোখ এড়ায়নি মায়ের।

সেদিন সকাল থেকেই অকাল নিম্নচাপে আকাশ মেঘলা। মনখারাপ যেন কয়েকগুন বেড়ে গেছে। হয়ত সামান্যই ঘটনা, কিন্তু মনে এতোটা প্রভাব ফেলবে সে নিজেও বোঝেনি। এই অযাচিত অহেতুক দোষারোপ তার উৎসাহ উদ্যম সব শুষে নিয়েছে একেবারেই। সারাদিন শুধু শুয়ে থাকতেই ইচ্ছা করে। যে স্কুলের নামে সে পাগল ছিল, সেই স্কুলের কথা ভাবলে মনে পড়ে মায়েদের ওই জটলা, মনে পড়ে সহকর্মীদের বাঁকা হাসি, আর ছোট্ট মনিমালার মায়ের হাত ছাড়িয়ে কাছে আসার নিষ্ফল চেষ্টা, নিজেকে যেন বিরাট অপরাধ করে ফেলা অপরাধী মনে হয়। এইসবই ভাবছিল সে। ফোন বেজে উঠলো। H.M calling. ধরতেই হেডস্যার বললেন, শরীর ঠিক তো? এখনি একবার স্কুলে আসতে হবে। দরকার আছে। দেরি করোনা।

কিছুটা কৌতূহল নিয়ে হেডস্যারের ঘরে গিয়ে দেখল, মনিমালা শুকনো মুখে তার বাবার সাথে বেঞ্চে বসে আছে। হেডস্যার বললেন, ইনি মনির বাবা, তোমার সাথে কথা বলতে চান। মনির বাবা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমি ক্ষমা ছাইছি স্যার। ওর মা ভুল করেছে। সেই ভুল ভেঙেছে মনি নিজেই। আপনি যা আঘাত পেয়েছেন, তার ঢের বেশি আঘাত লেগেছে ওর মনে। ওর মুখটা একবার তাকিয়ে দেখুন স্যার। তিনদিন মেয়েটা ভালো করে খায়নি। ওর জেদ দেখে ওর মা মেরেছে। তাতে আরও জেদ বেড়ে গেছে। কেঁদে কেঁদে জ্বর বাধিয়েছে মেয়েটা। আমি সারাদিন কাজে যাই, রাত্রে ফিরি, কিছুই জানতামনা। কাল রাত্রে শুনলাম সবটা। খুব খারাপ লেগেছে আমার। খুব বকেছি ওর মা কে। টিভিতে কে কী বলল, তাই দেখে সবাইকে বিচার করতে হবে!! টিভির লোকগুলো সারাদিন মেয়ের খেয়াল রাখে? যে এতো যত্ন করে, ভালোবাসে, টিভির কথায় তার গায়ে কাদা লাগানো। ছি ছি! খুব বলেছি স্যার, সেদিন তো দেখলাম এক মা মেয়েকে মেরে ফেলেছে সূচ ঢুকিয়ে, তাহলে তো তোমার থেকেও সাবধান থাকতে হয়। ওর মা বুঝেছে। লজ্জায় আসার মুখ নেই।

আজ মেয়ের জন্মদিন। ওকে একটু আদর করুন স্যার। ওর এই কদিনের চোখের জল আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে ভালোবাসা কাকে বলে। যা মনি, স্যারের কাছে যা। মনি ঝাঁপিয়ে এসে পড়লো প্রীতমের বুকে। অভিমানে, আবেগে প্রীতমের বুকের মাঝে কেঁপে কেঁপে উঠছিল ছোট্ট শরীরটা। প্রীতমের চোখেও তখন বর্ষা নেমেছে। ভালবাসার স্পর্শে ঝুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাচ্ছে সব অভিমান মালিন্য অভিযোগ। কোথায় যেন রবি ঠাকুরের গান বাজছে..." মাঝে মাঝে প্রানে তোমার পরশখানি দিও।"

27/11/2017
20/10/2017

LEARN BIOLOGY

05/09/2017

*ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ*

(৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ – ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫)

ভারতবর্ষের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক তথা দার্শনিক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ ৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ তামিলনাডুর তিরুট্টানিতে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি (১৯৫২-১৯৬২) এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি(১৯৬২-৬৭) ছিলেন।

একাধারে রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ও অধ্যাপক এই শান্ত মানুষটি ছাত্রজীবনে অতি মেধাবী ছিলেন। জীবনে কোন পরীক্ষায় দ্বিতীয় হননি। বিভিন্ন বৃত্তির মাধ্যমে তার ছাত্র জীবন এগিয়ে চলে। ১৯০৫ সালে তিনি মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তার বিষয়টি ছিল ‘বেদান্ত দর্শনের বিমূর্ত পূর্বকল্পনা’(The Ethics of the Vedanta and its Metaphysical Presuppositions)।

বিশ্বের দরবারে তিনি অতি জনপ্রিয় দার্শনিক অধ্যাপক হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। ১৯৩১ সালে তাঁকে British knighthood-এ সম্মানিত করা হয়। ১৯৫৪ তে *ভারতরত্ন* উপাধি পান।

প্রথম জীবনে তিনি মাইসোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা করেন (১৯১৮)। এসময় তিনি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পত্রিকায় লিখতেন। সে সময়েই তিনি লেখেন তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘The Philosophy of Rabindranath Tagore’। দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘The Reign of Religion in Contemporary Philosophy’প্রকাশিত হয় ১৯২০সালে। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেন। দেশ–বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বারবার অধ্যাপনার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছেন।
*
তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি Oxford বিশ্ববিদ্যালয়ে তথা বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন! He was a Professor of 'Eastern Religion and Ethics' at University of Oxford (1936–1952).

*তাঁর লেখা বিখ্যাত বইগুলি হল*

1.The philosophy of Rabindranath Tagore (1918), Macmillan, London, 294 pages
2.Indian Philosophy (1923) Vol.1, 738 pages. Vol 2, 807 pages. Oxford University Press.
3.The Hindu View of Life (1926), 92 pages
4.An Idealist View of Life (1929), 351 pages
5.Eastern Religions and Western Thought (1939), Oxford University Press, 396 pages
6.Religion and Society (1947), George Allen and Unwin Ltd., London, 242 pages
7.The Bhagavadgītā: with an introductory essay, Sanskrit text, English translation and notes (1948), 388 pages
8.The Dhammapada (1950), 194 pages, Oxford University Press
9.The Principal Upanishads (1953), 958 pages, HarperCollins Publishers Limited
10.Recovery of Faith (1956), 205 pages
11.A Source Book in Indian Philosophy (1957), 683 pages, Princeton University Press, with Charles A. Moore as co-editor.
Religion, Science & Culture (1968), 121 pages

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তার গুণমুগ্ধ ছাত্র ও বন্ধুরা তাঁর জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন ‘জন্মদিনের পরিবর্তে ৫ই সেপ্টেম্বর যদি শিক্ষক দিবস উদ্‌যাপিত হয় তবে আমি বিশেষরূপে অনুগ্রহ লাভ করবো।’

সেই (1962) থেকে এই দিনটি ভারতে শিক্ষক দিবসরূপে অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে।

Location

Category

Telephone

Address


Santragachi Press Quarter, Jagacha
Howrah
711112
Other Education in Howrah (show all)
Aloha Learning Centre Uttarpara,Hooghly Aloha Learning Centre Uttarpara,Hooghly
96/2 B.N.ROAD UTTARPARA HOOGHLY
Howrah, 712258

ALOHA LEARNING CENTRE

Learn By Fun Learn By Fun
Howrah
Howrah

ReadyTechtutorials ReadyTechtutorials
Howrah, 711113

Welcome To ReadyTech Tutorial To Join us!!! Simply Follow And Like us in Twitter and Facebook. Subscribe To our Youtube channel To Stay Upto date with us

"auto CAD Designer" "auto CAD Designer"
Howrah

I Create This Page Just For Sharing Some 'CAD' Design Tips For My all "CAD" Designer Friends !

Ideas Ideas
Howrah, 711104

FOR SALE & MAKING OF PRODUCTS CONTACT SUTAPA MUKHOPADHYAY

All India Student Bloc- AISB-Howrah All India Student Bloc- AISB-Howrah
347,N.S.BOSE ROAD
Howrah

a.i.s.b. a leftist student org.our moto socialism,peace, and progress

Infonet-Howrah Infonet-Howrah
50, P. M. Busti 3rd Bye Lane, Shibpur
Howrah, 711102

Its about Computer Education

Antareek - ngo Antareek - ngo
North Balitikuri
Howrah, 711113

Help People

La Folie La Folie
101 Despran Sashmal Road Suite 203
Howrah, 711101

ARCHITECTURE

Institute of indian Taxation and practice Institute of indian Taxation and practice
96.salkia School Road
Howrah

All type of Taxation like, Income Tax,Vat,Central Exise,Custum, Service Tax,Proffessional Tax etc.

MindRisers MindRisers
No. 21/2 Khetra Mohan Banerjee Lane , Near Mandirtala
Howrah, 711101

We provide wide range of activites for overall development of kids.

Tunnel of Talent Tunnel of Talent
Salkia
Howrah, 711106

Multi Activity Center Our Activities :- Dance,Aerobics,Skating,Karate,Yoga,Abacus,Acting & Modeling, etc.