Ramchandrapur High School - H S

Ramchandrapur High School - H S

Comments

https://youtu.be/xLuo0uI2r5w
Plz Subscribe, Like, Comment and Share.
Teachers performing :
Kobi Guru Proyan 22 e Shrabon utjapon:
◼ মাশিলা রেলস্টেশন ➖ দঃ পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়গপুর বিভাগের জনবহুল আন্দুল ও সাঁকরাইল স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই বেশি । তাই এই দুটি স্টেশনের মাঝে " মাশিলা " গ্রামের নামে আরেকটি রেলস্টেশন গড়ে উঠতেই পারে । অতীতে একবার রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিলেও কি কারণে পিছিয়ে যায় । কিন্তু কেন? তারই একঝলক-👤 উন্নয়ন বিষয়ক খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন অশোক প্রধান ।
I miss my class room....
◼ কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের বিক্রি করা টেস্ট পেপারস নয় । স্কুল থেকে বিনামূল্যে দেওয়া শুরু হয়েছে পঃ বঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদে( প্রশাসনে ) র মাধ্যমিক টেস্ট পেপারস - 2018- 19 । তারই একঝলক-👤 সরকারি সত্য-তথ্যের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের খবরে-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ ফিরে দেখা- সেই আন্দুল-মৌড়ী বইমেলা ও সেই বইমেলার সেরা বইগুলির একঝলক-👤 সেই গর্বের বই উৎসবের ক্যামেরায়-গনশক্তি খ্যাত চিত্রপ্রতিবেদক বরুণ কাঁড়ার ও খবরে-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ দরিদ্র ও অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা হাওড়ার সাঁকরাইলের বানীপুরের বাসিন্দা ও অভয়চরণ হাই স্কুলের সামান্য স্কুল কর্মী । আবার তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত ছড়াও লেখেন । তাঁর লেখার মধ্যে সরল, সাদাসিধে ও দরিদ্র খেটেখাওয়া মানুষের প্রতি বঞ্চনার কথায় থাকে । তারই একঝলক-👤 গর্বের খবরে ও ক্যামেরাতেও- দরিদ্র ও অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ হাওড়ার সাঁকরাইল অভয়চরণ হাই স্কুলের ডিগ্রিধারী শিক্ষক-শিক্ষিকা নয় । সবচেয়ে কাছের-পাশের আপনজন সামান্য স্কুল কর্মী ও বিশিষ্ট ছড়াকার তপন কুমার প্রামাণিকের সাথে জীবনের প্রথম বোর্ডে( মাধ্যমিকে) র পরীক্ষার বসার ছাড়পত্র পেয়ে( টেস্টে পাশ করে) পড়ুয়ারা নীরবে আনন্দে মেতে উঠেছে । 👤 ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ প্রাচীন-ঐতিহ্যবাহী এবং পরাধীন ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী ও প্রদেশ-ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় ক্লাব সকলের মহান সেই মোহনবাগানেরই খ্যাতনামা বহু ফুটবলারের পদধূলি ধন্য হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসুদেবপুর ফাইভ স্টারের উদোগ্য 09/ 12/18 তে ক্লাব ভবনে রক্তদান শিবির হবে । 👤 সমাজসেবা মূলক খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।

This Institution is age old. Built in 1937 this institution caters the best education to her pupils. This institution had been the pioneer in the field of SPREADING BEST CULTURE & EDUCATION AMONG PEOPLE.

All the teachers are efficient and honest here.

Operating as usual

16/01/2022

Ramchandrapur High School - H S

ভালো করে দেখে নাও ক্লাস অনুযায়ী রুটিন ( অনলাইন ক্লাস)

Ramchandrapur High School - H S This Institution is age old. Built in 1937 this institution caters the best education to her pupils. This institution had been the pioneer in the field of SPREADING BEST CULTURE & EDUCATION AMONG PEOPLE. All the teachers are efficient and honest here.

13/01/2022

কর্ণাটকের এক সরকারি স্কুলের শিক্ষক অবসর নিচ্ছেন, আর দেখুন কত সম্পদ তিনি বাড়ী নিয়ে যাচ্ছেন!! 🙏 সবাই কে অনুরোধ করছি ভিডিও টি দেখুন শিক্ষক হলে এ রকমই হওয়া উচিত, প্রকৃত মানুষ তৈরি করার কারিগর এ রকম শিক্ষক এখনো আছে আমি আন্তরিক প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানাই শিক্ষক মশাই কে🙏🙏🙏🙏

26/12/2021

বন্ধুরা জানো কি ?
স্পেন দেশে নিষিদ্ধ 'কোলগেট' !!

বন্ধুরা জানো কি ?
স্পেন দেশে নিষিদ্ধ 'কোলগেট' !!

20/12/2021

বিদ্যালয়ে ভর্তি চলছে পঞ্চম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত। সত্তর যোগাযোগ করুন। 7278652601 , 9831730119 , 9432641823 , 6289306813

17/12/2021

বিদ্যালয়ে ভর্তি চলছে। পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি শুরু হয়ে গেছে।

15/12/2021

আমাদের সেই পুরানো রামচন্দ্রপুর হাই স্কুল। সেই পুরানো স্মৃতি- বিজড়িত চিত্রপট। কত মানুষের মনের মণিকোঠায় আজও এই ছবি বিরাজমান।

আমাদের সেই পুরানো রামচন্দ্রপুর হাই স্কুল। সেই পুরানো স্মৃতি- বিজড়িত চিত্রপট। কত মানুষের মনের মণিকোঠায় আজও এই ছবি বিরাজমান।

13/12/2021
05/12/2021

এভাবেও প্রকৃতি রক্ষা করা যায় !!

আর্জেন্টিনার উকাচা অঞ্চলের কাঠের বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে সিমেন্টের খুঁটি বসানো হচ্ছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কাঠের খুঁটির যে অংশে পাখির বাসা ছিলো সেটুকু কেটে যে উচ্চতায় বাসা ছিলো সেখানেই বেঁধে দিয়েছে।

আর আমরা ?

এভাবেও প্রকৃতি রক্ষা করা যায় !!

আর্জেন্টিনার উকাচা অঞ্চলের কাঠের বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে সিমেন্টের খুঁটি বসানো হচ্ছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কাঠের খুঁটির যে অংশে পাখির বাসা ছিলো সেটুকু কেটে যে উচ্চতায় বাসা ছিলো সেখানেই বেঁধে দিয়েছে।

আর আমরা ?

30/11/2021

বিদ্যালয়ের এই পেজ এ কোনো রকম "নির্বোধ - মন্তব্য" করা থেকে সমস্ত শিক্ষার্থীদের বিরত হতে বলা হচ্ছে।

28/11/2021

১৯৫০ সালে নির্মিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জীবনীমূলক চলচ্চিত্রেরর একটি অনবদ্য অংশ:

28/11/2021

লীলা মজুমদার একবার বলেছিলেন, "মনে করলে মানিক কোটিপতি হতে পারত। কিন্তু অনেক অনুরোধ স্বত্ত্বেও সে বাংলা সিনেমার বাইরে পা রাখেনি। সত্যিই তো সারাজীবন থাকলেন ভাড়া বাড়িতে ..."

''আমি মনে করি ভারতবর্ষে ছবির মাধ্যমটাকে যদি কেউ বোঝে তবে, তিনি হচ্ছেন সত্যজিৎ রায়। দেখুন, মেজে - ঘষে পড়াশোনা করে একটা স্তর পর্যন্ত রগড়াতে রগড়াতে পৌঁছানো যায়, এমনকি হয়তো প্রবন্ধকার বা ইসকুল মাষ্টারের স্তর ছাড়িয়ে এক ধরণের শিল্পীতেও পরিণত হওয়া যায়। কিন্তু জাতশিল্পী হতে গেলে অন্য আরএকটা এলেম লাগে।'' পথের পাঁচালি ছবি দেখার পর বলেছিলেন ঋত্বিক কুমার ঘটক।
এই ছবির মানবিক বক্তব্য, ছন্দময় দৃশ্য, স্বাভাবিক সংলাপ চিন্তাশীল ও রুচিশীল দর্শককে কীরকম স্তম্ভিত করেছিল, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখেনা। বাহাত্তর বছর বয়সে যখন অসুস্থ শরীরে আগন্তুক তৈরি করছেন, প্রথম দিনের মতোই সেই প্রখর কান্ডজ্ঞান। দীর্ঘ সময় ধরে একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গেছেন সত্যজিৎ। তিনি বাঙালির সাত রাজার ধন এক মানিক।

অথচ এটাও আশ্চর্যজনকভাবে সত্যি, আমরা যে দুজনকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি করি, সেই রবীন্দ্রনাথ এবং সত্যজিৎ দুজনই গড় বাঙালি চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করতেন। ডি জে কীমার কোম্পানির বড়ো অঙ্কের বেতনের চাকরি ছেড়ে, স্ত্রীর গয়না বন্ধক দিয়ে আড়াই বছর ধরে ছবি তৈরির ঝুঁকি, আর যাইহোক শান্তিপ্রিয়, ভবিষ্যৎ সচেতন বাঙালি কখনোই নিতনা। বিশেষ করে, দেনার দায় সত্ত্বেও কজনই বা স্পর্ধিত কণ্ঠে বিধান রায়ের সামনে বলতে পারতেন, "শিল্পীর স্বাধীনতা মতো ছবি করতে না পারলে তার প্রয়োজন নেই অর্থ সাহায্যের।" হয়তো গড় চরিত্রের বিপরীত মেরুর বলেই আমরা তাঁদের নিয়ে এতটা আপ্লুত হই !

লীলা মজুমদার একবার বলেছিলেন, "মনে করলে মানিক কোটিপতি হতে পারত। কিন্তু অনেক অনুরোধ স্বত্ত্বেও সে বাংলা সিনেমার বাইরে পা রাখেনি। সত্যিই তো সারাজীবন থাকলেন ভাড়া বাড়িতে, ছবি পরিচালনার সাথে সাথে চিত্রনাট্য, সঙ্গীত সমস্ত বিষয়ই নিজে সামলাতেন অথচ প্রযোজকের কাছ থেকে টাকা নিতেন শুধু ছবি পরিচালনার জন্য। শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর সংসার চলত বইয়ের রয়ালটির টাকায়। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাইপাসের ধারে সরকারী বাংলো দিতে চেয়েছিলেন, নেননি। এই সংযম বর্তমান সময়ে অলৌকিক মনে হয়, বিশেষ করে বর্তমান বঙ্গের বুদ্ধিবিভাষিত দার্শনিকদের দেখার পর।"

নিজের অবস্থা নিয়ে কোনোদিন কোনো আফশোষ ছিলনা সত্যজিতের। বছরে একটা ছবি করতেন। চলচ্চিত্র থেকে চিত্র, চিত্র থেকে সাহিত্য, সম্পাদনা, ক্যালিগ্রাফি, কোরিওগ্রাফির বিশাল পরিসরে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করতেন না। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সঙ্গীতে এত ব্যুৎপত্তি তাঁর মতো কজনেরই বা ছিল? সৃষ্টিশীলতার কোনো ভান তাঁর ছিলনা, বরং শিল্পের মাঝে নিজেকে বিকীর্ণ করেছিলেন অসামান্য দক্ষতায়। শিল্পী সত্যজিৎ জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ কিন্তু আরো মহৎ এই ঋজু মানুষটার মনুষ্যত্ববোধ। সত্যকে জয় করেই তিনি সত্যজিৎ। সব যুগের রায়ে।

মহারাজা -- তোমাকে সেলাম।

লীলা মজুমদার একবার বলেছিলেন, "মনে করলে মানিক কোটিপতি হতে পারত। কিন্তু অনেক অনুরোধ স্বত্ত্বেও সে বাংলা সিনেমার বাইরে পা রাখেনি। সত্যিই তো সারাজীবন থাকলেন ভাড়া বাড়িতে ..."

''আমি মনে করি ভারতবর্ষে ছবির মাধ্যমটাকে যদি কেউ বোঝে তবে, তিনি হচ্ছেন সত্যজিৎ রায়। দেখুন, মেজে - ঘষে পড়াশোনা করে একটা স্তর পর্যন্ত রগড়াতে রগড়াতে পৌঁছানো যায়, এমনকি হয়তো প্রবন্ধকার বা ইসকুল মাষ্টারের স্তর ছাড়িয়ে এক ধরণের শিল্পীতেও পরিণত হওয়া যায়। কিন্তু জাতশিল্পী হতে গেলে অন্য আরএকটা এলেম লাগে।'' পথের পাঁচালি ছবি দেখার পর বলেছিলেন ঋত্বিক কুমার ঘটক।
এই ছবির মানবিক বক্তব্য, ছন্দময় দৃশ্য, স্বাভাবিক সংলাপ চিন্তাশীল ও রুচিশীল দর্শককে কীরকম স্তম্ভিত করেছিল, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখেনা। বাহাত্তর বছর বয়সে যখন অসুস্থ শরীরে আগন্তুক তৈরি করছেন, প্রথম দিনের মতোই সেই প্রখর কান্ডজ্ঞান। দীর্ঘ সময় ধরে একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গেছেন সত্যজিৎ। তিনি বাঙালির সাত রাজার ধন এক মানিক।

অথচ এটাও আশ্চর্যজনকভাবে সত্যি, আমরা যে দুজনকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি করি, সেই রবীন্দ্রনাথ এবং সত্যজিৎ দুজনই গড় বাঙালি চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করতেন। ডি জে কীমার কোম্পানির বড়ো অঙ্কের বেতনের চাকরি ছেড়ে, স্ত্রীর গয়না বন্ধক দিয়ে আড়াই বছর ধরে ছবি তৈরির ঝুঁকি, আর যাইহোক শান্তিপ্রিয়, ভবিষ্যৎ সচেতন বাঙালি কখনোই নিতনা। বিশেষ করে, দেনার দায় সত্ত্বেও কজনই বা স্পর্ধিত কণ্ঠে বিধান রায়ের সামনে বলতে পারতেন, "শিল্পীর স্বাধীনতা মতো ছবি করতে না পারলে তার প্রয়োজন নেই অর্থ সাহায্যের।" হয়তো গড় চরিত্রের বিপরীত মেরুর বলেই আমরা তাঁদের নিয়ে এতটা আপ্লুত হই !

লীলা মজুমদার একবার বলেছিলেন, "মনে করলে মানিক কোটিপতি হতে পারত। কিন্তু অনেক অনুরোধ স্বত্ত্বেও সে বাংলা সিনেমার বাইরে পা রাখেনি। সত্যিই তো সারাজীবন থাকলেন ভাড়া বাড়িতে, ছবি পরিচালনার সাথে সাথে চিত্রনাট্য, সঙ্গীত সমস্ত বিষয়ই নিজে সামলাতেন অথচ প্রযোজকের কাছ থেকে টাকা নিতেন শুধু ছবি পরিচালনার জন্য। শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর সংসার চলত বইয়ের রয়ালটির টাকায়। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাইপাসের ধারে সরকারী বাংলো দিতে চেয়েছিলেন, নেননি। এই সংযম বর্তমান সময়ে অলৌকিক মনে হয়, বিশেষ করে বর্তমান বঙ্গের বুদ্ধিবিভাষিত দার্শনিকদের দেখার পর।"

নিজের অবস্থা নিয়ে কোনোদিন কোনো আফশোষ ছিলনা সত্যজিতের। বছরে একটা ছবি করতেন। চলচ্চিত্র থেকে চিত্র, চিত্র থেকে সাহিত্য, সম্পাদনা, ক্যালিগ্রাফি, কোরিওগ্রাফির বিশাল পরিসরে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করতেন না। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সঙ্গীতে এত ব্যুৎপত্তি তাঁর মতো কজনেরই বা ছিল? সৃষ্টিশীলতার কোনো ভান তাঁর ছিলনা, বরং শিল্পের মাঝে নিজেকে বিকীর্ণ করেছিলেন অসামান্য দক্ষতায়। শিল্পী সত্যজিৎ জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ কিন্তু আরো মহৎ এই ঋজু মানুষটার মনুষ্যত্ববোধ। সত্যকে জয় করেই তিনি সত্যজিৎ। সব যুগের রায়ে।

মহারাজা -- তোমাকে সেলাম।

28/11/2021

কলকাতার বিখ্যাত স্পোর্টস ফটোগ্রাফার অমিয় তরফদারের তোলা অভূতপূর্ব ছবি এটি!
১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল কভার করতে কলকাতা থেকে মেক্সিকোতে নিয়ে গিয়েছিলেন এই নামাবলী। মারাদোনার সঙ্গে সাক্ষৎকারের সুযোগ মিলে যাওয়ায় তিনি আর দেরি করেননি। নামাবলী বের করে ফুটবলের রাজপুত্রর গায়ে চড়িয়ে বলেন, "আমাদের দেশ ভারতের পবিত্র বস্ত্র এটি | আমি তোমার জন্যেই এনেছি । তোমার মঙ্গল হোক!"
তিনি বিহ্বল হয়ে যান। ছবি তোলেন অমিয়বাবু। মারাদোনা অভিভূত !
সেই বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে তিনি আর্জেন্তিনাকে বিশ্বজয়ী করেন। তারপর থেকেই অমিয়বাবুর সঙ্গে তাঁর সখ্যতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল।
তাঁর মনের মণিকোঠায় হয়তো রয়ে যায় 'বিশ্বাসে মিলায় জয়'।
আর নামাবলী গায়ে মারাদোনার ছবিটা রয়ে গেল ইতিহাস হয়ে।
অমিয়বাবু গত হয়েছেন অনেক আগেই। তারপর নামাবলীর স্মৃতি নিয়ে গত হলেন দিয়াগো মারাদোনা।

কলকাতার বিখ্যাত স্পোর্টস ফটোগ্রাফার অমিয় তরফদারের তোলা অভূতপূর্ব ছবি এটি!
১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল কভার করতে কলকাতা থেকে মেক্সিকোতে নিয়ে গিয়েছিলেন এই নামাবলী। মারাদোনার সঙ্গে সাক্ষৎকারের সুযোগ মিলে যাওয়ায় তিনি আর দেরি করেননি। নামাবলী বের করে ফুটবলের রাজপুত্রর গায়ে চড়িয়ে বলেন, "আমাদের দেশ ভারতের পবিত্র বস্ত্র এটি | আমি তোমার জন্যেই এনেছি । তোমার মঙ্গল হোক!"
তিনি বিহ্বল হয়ে যান। ছবি তোলেন অমিয়বাবু। মারাদোনা অভিভূত !
সেই বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে তিনি আর্জেন্তিনাকে বিশ্বজয়ী করেন। তারপর থেকেই অমিয়বাবুর সঙ্গে তাঁর সখ্যতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল।
তাঁর মনের মণিকোঠায় হয়তো রয়ে যায় 'বিশ্বাসে মিলায় জয়'।
আর নামাবলী গায়ে মারাদোনার ছবিটা রয়ে গেল ইতিহাস হয়ে।
অমিয়বাবু গত হয়েছেন অনেক আগেই। তারপর নামাবলীর স্মৃতি নিয়ে গত হলেন দিয়াগো মারাদোনা।

26/11/2021

ছবিটি ১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি, ভারতীয় দল ১-১ ড্র করে ফ্রান্সের সাথে, কেন জিততে পারেনি জানেন? ভারতীয় দল খালি পায়ে খেলেছিল সেই অলিম্পিকে এবং তার জন্য চারজন ফুটবলার পায়ে আঘাতও পেয়েছিল, সেই দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন আমাদের শৈলেন মান্না। ১৪ জোড়া বুট কিনে দেওয়ার মতো আর্থিক অবস্থা নাকি দেশের ছিল না, ওদিকে ‌প্রধানমন্ত্রী নেহরুর জামা কাপড় ড্রাই ওয়াশ হয়ে আসতো প্যারিস থেকে, চার্টার্ড প্লেনে ঘুরতে বেরোতেন " নেহরু"।

ছবিটি ১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি, ভারতীয় দল ১-১ ড্র করে ফ্রান্সের সাথে, কেন জিততে পারেনি জানেন? ভারতীয় দল খালি পায়ে খেলেছিল সেই অলিম্পিকে এবং তার জন্য চারজন ফুটবলার পায়ে আঘাতও পেয়েছিল, সেই দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন আমাদের শৈলেন মান্না। ১৪ জোড়া বুট কিনে দেওয়ার মতো আর্থিক অবস্থা নাকি দেশের ছিল না, ওদিকে ‌প্রধানমন্ত্রী নেহরুর জামা কাপড় ড্রাই ওয়াশ হয়ে আসতো প্যারিস থেকে, চার্টার্ড প্লেনে ঘুরতে বেরোতেন " নেহরু"।

22/11/2021

দারুন খবর :ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে হাওড়ার ছেলে।
বর্তমান পত্রিকা 22.11.2021

দারুন খবর :ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে হাওড়ার ছেলে।
বর্তমান পত্রিকা 22.11.2021

18/11/2021

গণিতে ছোট্ট চিকা'র নতুন উদ্ভাবন!

সম্প্রতি ১২ বছরের নাইজেরিয়ার
এক বালক চমকে দেবার মতো
গণিতের একটি নতুন বিষয়
উদ্ভাবন করে ফেলেছে।

ছোটবেলা থেকেই আমরা জানতাম কোন সংখ্যা 7 দিয়ে বিভাজ্য কিনা সেটা বোঝার কোন শর্টকাট মেথড নেই। গতবছর বন্ধু পঞ্চানন মন্ডল Panchanan Mandal এর টাইমলাইন থেকে জানতে পারলাম একটা ছোট্ট ছেলে সে আপাত অসম্ভব কাজটাকেও সম্ভব করেছে।

উদ্ভাবনের বিষয়টি নতুন না হলেও পদ্ধতিটি একেবারেই নতুন। আমরা যখন ছোটবেলায় বিভাজ্যতার নিয়ম শিখেছি বা এখনো যারা শিশুদের এই বিষয়টি শেখানোর দায়িত্ব পালন করেন তারা একটু খেয়াল করে দেখবেন বইগুলোতে 2, 3, 4, 5, 6, 8, 9, 11 এদের দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকলেও 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকে না। চিকা এই 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়মটি অন্য ভাবে আবিষ্কার করেছে। তবে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম যে আগে আবিষ্কৃত হয়নি এমনটা নয়। কিন্তু চিকার পদ্ধতিটি একেবারে নতুন ও অভিনব। চিকার এই উদ্ভাবনী ইতিমধ্যে TruLittle Hero Award জিতে ফেলেছে। পদ্ধতিটি জানার আগে চলুন জেনে নিই উদ্ভাবনের পেছনে লুকিয়ে থাকা গল্প ....………

নাইজেরিয়ার এই বালক পড়াশোনা করে লন্ডনের Westminster Under School বিদ্যালয়ে। সেই স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা হলেন Miss Mary Ellis. যিনি 'The Aliens Have Landed and 174 other problems' নামে একটি বইও লিখেছেন।
বিদ্যালয়ের দীর্ঘকালীন ছুটির সময় তিনি একটি assignment দেন। যেখানে ছিল, ভাগ না করে কোন সংখ্যার বিভাজ্যতা যাচাই করা। সেই বইতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার কোন নিয়ম ছিল না কারণ এমনিতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম খুব সহজও নয় এবং মনে রাখার মতনও নয়। আর এখানেই ভাবতে শুরু করে চিকা। শিক্ষিকা Miss Mary Ellis জানাচ্ছেন 'গত শুক্রবার ক্লাসে চিকা জানায় সে নতুন কিছু বলতে চায় এবং তা সকলের সামনে উপস্থাপিত করে এবং আমি চমকে উঠি। এমন কোন সংখ্যা পাওয়া যায়নি যার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয় না।'
চলুন দেখি এবার কি সেই পদ্ধতি।

● যে কোনো সংখ্যার এককের অংকের সাথে 5 গুন করে বাকি সংখ্যার সাথে যোগ দিতে হবে। যোগফল 7 দ্বারা বিভাজ্য হলেই মূল সংখ্যাটি 7 দ্বারা বিভাজ্য হবে।
● যদি দেখা যায় সংখ্যাটিকে ওই পদ্ধতি একবার প্রয়োগ করার পর প্রাপ্ত যোগফল বড় সংখ্যা আসে, তাহলে তাকে আবার একই ভাবে ওই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যেতে হবে।

উদাহরণঃ

1567 ~156+7×5=191
191 ~19+1×5=24
24, 7 দ্বারা বিভাজ্য নয়, সুতরাং 1567 ,7 দ্বারা বিভাজ্য নয়।

অন্যদিকে হিসাব করে দেখুন 9065 , 7 দ্বারা বিভাজ্য। বিষয়টি খুব সামান্য হলেও তার চিন্তা কে কুর্নিশ জানাতেই হয়।

কি ভাবছেন আমাদের এখানে চিকা দের পাচ্ছি না কেন? পাবো কি করে? ছোটো থেকেই শিশু মনের মধ্যে গণিতের প্রতি একটা কৃত্রিম ভীতি তৈরি করে দেওয়া হয়। তারপর স্কুলের শিক্ষকমশাইদের দেওয়া হোম টাস্ক ছাত্রের হাত দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে গৃহ শিক্ষকের হাতে বা অভিভাবকের কাছে। আবার বিপরীত পথে উত্তর চলে আসছে স্কুলের মাস্টার মশাই কাছে। এই তো অবস্থা। স্বাধীন মুক্ত চিন্তার বিকাশের সুযোগ কই? বাধা ধরা গতের হোম টাস্ক ও নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সমাপ্ত করা। এসবই শেষ করে দিচ্ছে আমাদের প্রতিটি ছাত্রদের "চিকা" হবার সম্ভাবনা কে।

গণিতে ছোট্ট চিকা'র নতুন উদ্ভাবন!

সম্প্রতি ১২ বছরের নাইজেরিয়ার
এক বালক চমকে দেবার মতো
গণিতের একটি নতুন বিষয়
উদ্ভাবন করে ফেলেছে।

ছোটবেলা থেকেই আমরা জানতাম কোন সংখ্যা 7 দিয়ে বিভাজ্য কিনা সেটা বোঝার কোন শর্টকাট মেথড নেই। গতবছর বন্ধু পঞ্চানন মন্ডল Panchanan Mandal এর টাইমলাইন থেকে জানতে পারলাম একটা ছোট্ট ছেলে সে আপাত অসম্ভব কাজটাকেও সম্ভব করেছে।

উদ্ভাবনের বিষয়টি নতুন না হলেও পদ্ধতিটি একেবারেই নতুন। আমরা যখন ছোটবেলায় বিভাজ্যতার নিয়ম শিখেছি বা এখনো যারা শিশুদের এই বিষয়টি শেখানোর দায়িত্ব পালন করেন তারা একটু খেয়াল করে দেখবেন বইগুলোতে 2, 3, 4, 5, 6, 8, 9, 11 এদের দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকলেও 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকে না। চিকা এই 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়মটি অন্য ভাবে আবিষ্কার করেছে। তবে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম যে আগে আবিষ্কৃত হয়নি এমনটা নয়। কিন্তু চিকার পদ্ধতিটি একেবারে নতুন ও অভিনব। চিকার এই উদ্ভাবনী ইতিমধ্যে TruLittle Hero Award জিতে ফেলেছে। পদ্ধতিটি জানার আগে চলুন জেনে নিই উদ্ভাবনের পেছনে লুকিয়ে থাকা গল্প ....………

নাইজেরিয়ার এই বালক পড়াশোনা করে লন্ডনের Westminster Under School বিদ্যালয়ে। সেই স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা হলেন Miss Mary Ellis. যিনি 'The Aliens Have Landed and 174 other problems' নামে একটি বইও লিখেছেন।
বিদ্যালয়ের দীর্ঘকালীন ছুটির সময় তিনি একটি assignment দেন। যেখানে ছিল, ভাগ না করে কোন সংখ্যার বিভাজ্যতা যাচাই করা। সেই বইতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার কোন নিয়ম ছিল না কারণ এমনিতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম খুব সহজও নয় এবং মনে রাখার মতনও নয়। আর এখানেই ভাবতে শুরু করে চিকা। শিক্ষিকা Miss Mary Ellis জানাচ্ছেন 'গত শুক্রবার ক্লাসে চিকা জানায় সে নতুন কিছু বলতে চায় এবং তা সকলের সামনে উপস্থাপিত করে এবং আমি চমকে উঠি। এমন কোন সংখ্যা পাওয়া যায়নি যার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয় না।'
চলুন দেখি এবার কি সেই পদ্ধতি।

● যে কোনো সংখ্যার এককের অংকের সাথে 5 গুন করে বাকি সংখ্যার সাথে যোগ দিতে হবে। যোগফল 7 দ্বারা বিভাজ্য হলেই মূল সংখ্যাটি 7 দ্বারা বিভাজ্য হবে।
● যদি দেখা যায় সংখ্যাটিকে ওই পদ্ধতি একবার প্রয়োগ করার পর প্রাপ্ত যোগফল বড় সংখ্যা আসে, তাহলে তাকে আবার একই ভাবে ওই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যেতে হবে।

উদাহরণঃ

1567 ~156+7×5=191
191 ~19+1×5=24
24, 7 দ্বারা বিভাজ্য নয়, সুতরাং 1567 ,7 দ্বারা বিভাজ্য নয়।

অন্যদিকে হিসাব করে দেখুন 9065 , 7 দ্বারা বিভাজ্য। বিষয়টি খুব সামান্য হলেও তার চিন্তা কে কুর্নিশ জানাতেই হয়।

কি ভাবছেন আমাদের এখানে চিকা দের পাচ্ছি না কেন? পাবো কি করে? ছোটো থেকেই শিশু মনের মধ্যে গণিতের প্রতি একটা কৃত্রিম ভীতি তৈরি করে দেওয়া হয়। তারপর স্কুলের শিক্ষকমশাইদের দেওয়া হোম টাস্ক ছাত্রের হাত দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে গৃহ শিক্ষকের হাতে বা অভিভাবকের কাছে। আবার বিপরীত পথে উত্তর চলে আসছে স্কুলের মাস্টার মশাই কাছে। এই তো অবস্থা। স্বাধীন মুক্ত চিন্তার বিকাশের সুযোগ কই? বাধা ধরা গতের হোম টাস্ক ও নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সমাপ্ত করা। এসবই শেষ করে দিচ্ছে আমাদের প্রতিটি ছাত্রদের "চিকা" হবার সম্ভাবনা কে।

Photos from Ramchandrapur High School - H S's post 18/11/2021

বিদায় সম্বর্ধনা দেয়া হলো আমাদের একনিষ্ঠ বিদ্যালয় কর্মী শ্রী বিশ্বনাথ মাহালি মহাশয় কে।

17/11/2021

আজ আমাদের প্রিয় বিশ্বনাথ দা General Transfer নেবার অন্তিম লগ্নে আবেগঘন মুহূর্তে।

Photos from Ramchandrapur High School - H S's post 16/11/2021

ওরা আবার বিদ্যালয়ে এলো। আজ আনন্দের দিন।

31/10/2021

পঞ্চাশের দশকের কথা ...
তখন তিনি ‘ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’র ছাত্র। অনেক দাম দিয়ে একটা মিউজিক সিস্টেম কিনেছিলেন। কিন্তু তাতে গান শুনে মন ভরল না।
অথচ কোনও অডিটোরিয়ামে গান শুনতে গেলে তো এমন হয় না!
কারণ খুঁজতে শুরু করলেন এক প্রবাসী বঙ্গসন্তান। দেখলেন, প্রেক্ষাগৃহে গায়কের গলার ৮০ শতাংশ সরাসরি শ্রোতার কানে আসে না। আসে দেওয়ালে ছাদে ধাক্কা খেয়ে। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর পদার্থবিদ্যার এই মূল সূত্রকে কাজে লাগিয়ে নিজেই মিউজিক সিস্টেম তৈরির কাজে লাগলেন।

রোমের সিস্টিন চ্যাপেল, মক্কার প্রধান মসজিদ কিংবা লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টেপলস সেন্টারে যে সাউন্ড সিস্টেমগুলো বসানো, সেনাবাহিনী, বিমানসংস্থা এমনকী নাসার মহাকাশচারীরাও যে হেডফোন ব্যবহার করছেন, সে সবই তার কোম্পানির সৃষ্টি! ‘বোস’। নামে নয়, স্পিকারের ওপর খোদাই করা চারটি ইংরেজি অক্ষরে খোদাই করা পদবিই তাঁর পরিচয়। অডিও সিস্টেম তথা ধ্বনিবিজ্ঞানের জগতে এমনই অবিশ্বাস্য বিপ্লব ঘটিয়েছেন তিনি। দুনিয়া হয়তো ‘বোস কর্পোরেশন’-এর প্রাণপুরুষ হিসেবেই বেশি মনে রাখবে তাঁকে। যিনি দেখিয়েছিলেন, কনসার্ট হলে বসে গান শোনার অনুভূতি বাড়ির বৈঠকখানায় বা চলন্ত গাড়িতেও তুলে আনা যায়। কিন্তু শুধু এটুকু বললে অমরের প্রতি অন্যায় হবে। কারণ, একাধারে তিনি বিজ্ঞানী, অধ্যাপক এবং শিল্পপতিও বটে। উদ্ভাবনী ক্ষমতা আর ব্যবসাবুদ্ধি লক্ষ্মী-সরস্বতীর বিরল সমন্বয় তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বের প্রথম ৪০০ কোটিপতির তালিকাতেও। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ব্যবসা শুরু করেছিলাম অন্য রকম কিছু তৈরি করব বলে। অর্থ উপার্জনের জন্য নয়। তাঁর দীর্ঘ গবেষণার কথা মনে করিয়ে সে দিন সহাস্যে জানান, "অন্যের সংস্থায় কাজ করলে হয়তো কয়েকশো বার চাকরি খোয়াতাম!"

সুর-তাল-ছন্দের প্রতি টান ছিল ছোটবেলা থেকেই। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে ভালবাসতেন। কিন্তু তাল কেটে দিত আশপাশের বাড়তি আওয়াজগুলো। কিশোর বয়সে রেডিও সারাইয়ের অভিজ্ঞতা ছিলই। তার সঙ্গে জুড়ল ইঞ্জিনিয়ারের মেধা। প্রেক্ষাগৃহে শব্দের প্রতিফলনের তত্ত্ব কাজে লাগিয়েই এমন এক সাউন্ড সিস্টেমের নকশা বানিয়ে ফেললেন, যাতে রয়েছে অনেকগুলো ছোট ছোট স্পিকার, দেওয়ালের দিকে তাক করা। অর্থাৎ শুধুই সরাসরি স্পিকারের শব্দ নয়, শ্রোতাকে প্রতিফলিত শব্দ শোনানোরও বন্দোবস্ত। প্রেক্ষাগৃহের মজা বাড়িতে পাওয়ার রেসিপি হল এই দুইয়ের মিশেল। চলতে লাগল নিরন্তর পরীক্ষা। ‘বোস কর্পোরেশন’-এর জন্ম হল ১৯৬৪ সালে। তাঁদের প্রথম তৈরি সাউন্ড সিস্টেমটা অবশ্য তেমন সফল হয়নি। কিন্তু ১৯৬৮ সালে যেটা বাজারে আসে, সেই ‘বোস ৯০১ ডিরেক্ট/রিফলেক্টিং’ স্পিকার সিস্টেম’পরের টানা ২৫ বছর ‘বেস্ট সেলার’ থাকে। ক্রমশ ‘বোস’-এই ভরসা রাখে সেনা থেকে নাসা। যন্ত্রগুলো অবশ্য আমজনতার ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। কারণ, আকাশছোঁয়া দাম। ‘বোস’-এর সাউন্ড সিস্টেমই যে দু’টো ব্র্যান্ডের গাড়িতে ব্যবহার হয়, তার একটা হল পোর্শে, অন্যটা মার্সিডিজ।

এমন মহামূল্য যন্ত্র তৈরি করলো কে জানেন ? যিনি আদতে এক মধ্যবিত্ত, ব্রিটিশ পুলিশের ভয়ে দেশছাড়া এবং অনুপ্রবেশকারী এক বাঙালির সন্তান। বাবা ননীগোপাল বোস ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই গোপনে চালিয়ে যাচ্ছিলেন স্বাধীনতার লড়াই। ননীগোপাল এক বার বন্দিও হলেন পুলিশের হাতে। কোনও মতে পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই পালিয়ে গেলেন মার্কিন মুলুকে। সালটা ১৯২০। শুরু করলেন আমদানি-রফতানির ব্যবসা। বিয়ে করলেন এক মার্কিন স্কুল শিক্ষিকাকে। ১৯২৯ সালে জন্ম হলো এই সফল বাঙালির…..অমর গোপাল বোস ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন শুরু হয়, কিশোর অমর তখন হাতখরচ জোগাতে ফিলাডেলফিয়ার একটা রেডিও-র দোকানে কাজ করেন। বাবার ব্যবসা লাটে উঠলে স্কুলের বন্ধুদের নিয়েই তিনি শুরু করেন দোকান। মডেল ট্রেন, রেডিও সারিয়ে রোজগারের অর্থ তুলে দিতেন বাবার হাতে। এই সময়েই কয়েকটি পরিবারের মধ্যে হ্যাম রেডিও পর্যন্ত চালু করে ফেলেছিলেন। এ সব করতে গিয়ে কিন্তু পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটেনি।

অ্যাবিংটন হাই স্কুল থেকে পাশ করে ভর্তি হন এমআইটিতে। প্রথমে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিয়ে স্নাতক। পরে সেখান থেকেই স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি। স্কলারশিপ নিয়ে এক বছরের জন্য দিল্লিতে গবেষণা করতে এসেই ভাবী স্ত্রী প্রেমার সঙ্গে আলাপ। তাঁদের দুই সন্তান ভানু গোপাল বোস এবং মায়া বোস। প্রেমার সঙ্গে বিয়ে অবশ্য টেঁকেনি। বিবাহবিচ্ছেদের পর অমর দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছিলেন উর্সুলাকে। ১৯৫৬ সালে এমআইটি-র অধ্যাপকের পদে যোগ দেন অমর। পরের ৪৫টা বছর অধ্যাপনার সঙ্গেই চলে গবেষণা। দক্ষ হাতে সামলান সংস্থার কাজও। অমরের গোটা জীবনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য ভাবে জুড়ে যায় এমআইটি। তাই ২০১১ সালে সংস্থার শেয়ারের বেশির ভাগটাই দান করেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। এতে ‘বোস’-এর লভ্যাংশের অর্থ ঢুকবে এমআইটি-র ঘরে।

১২ই জুলাই ২০১৩ দুনিয়া থেক বিদায় নিলেন বিজ্ঞানী ও শিল্পপতি অমরগোপাল বোস। ৮৩ বছর বয়সে আমেরিকার ওয়েল্যান্ডে নিজের বাড়িতেই প্রয়াত হন মার্কিন মুলুকের অত্যন্ত সফল এই বঙ্গসন্তান।

পঞ্চাশের দশকের কথা ...
তখন তিনি ‘ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’র ছাত্র। অনেক দাম দিয়ে একটা মিউজিক সিস্টেম কিনেছিলেন। কিন্তু তাতে গান শুনে মন ভরল না।
অথচ কোনও অডিটোরিয়ামে গান শুনতে গেলে তো এমন হয় না!
কারণ খুঁজতে শুরু করলেন এক প্রবাসী বঙ্গসন্তান। দেখলেন, প্রেক্ষাগৃহে গায়কের গলার ৮০ শতাংশ সরাসরি শ্রোতার কানে আসে না। আসে দেওয়ালে ছাদে ধাক্কা খেয়ে। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর পদার্থবিদ্যার এই মূল সূত্রকে কাজে লাগিয়ে নিজেই মিউজিক সিস্টেম তৈরির কাজে লাগলেন।

রোমের সিস্টিন চ্যাপেল, মক্কার প্রধান মসজিদ কিংবা লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টেপলস সেন্টারে যে সাউন্ড সিস্টেমগুলো বসানো, সেনাবাহিনী, বিমানসংস্থা এমনকী নাসার মহাকাশচারীরাও যে হেডফোন ব্যবহার করছেন, সে সবই তার কোম্পানির সৃষ্টি! ‘বোস’। নামে নয়, স্পিকারের ওপর খোদাই করা চারটি ইংরেজি অক্ষরে খোদাই করা পদবিই তাঁর পরিচয়। অডিও সিস্টেম তথা ধ্বনিবিজ্ঞানের জগতে এমনই অবিশ্বাস্য বিপ্লব ঘটিয়েছেন তিনি। দুনিয়া হয়তো ‘বোস কর্পোরেশন’-এর প্রাণপুরুষ হিসেবেই বেশি মনে রাখবে তাঁকে। যিনি দেখিয়েছিলেন, কনসার্ট হলে বসে গান শোনার অনুভূতি বাড়ির বৈঠকখানায় বা চলন্ত গাড়িতেও তুলে আনা যায়। কিন্তু শুধু এটুকু বললে অমরের প্রতি অন্যায় হবে। কারণ, একাধারে তিনি বিজ্ঞানী, অধ্যাপক এবং শিল্পপতিও বটে। উদ্ভাবনী ক্ষমতা আর ব্যবসাবুদ্ধি লক্ষ্মী-সরস্বতীর বিরল সমন্বয় তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বের প্রথম ৪০০ কোটিপতির তালিকাতেও। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ব্যবসা শুরু করেছিলাম অন্য রকম কিছু তৈরি করব বলে। অর্থ উপার্জনের জন্য নয়। তাঁর দীর্ঘ গবেষণার কথা মনে করিয়ে সে দিন সহাস্যে জানান, "অন্যের সংস্থায় কাজ করলে হয়তো কয়েকশো বার চাকরি খোয়াতাম!"

সুর-তাল-ছন্দের প্রতি টান ছিল ছোটবেলা থেকেই। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে ভালবাসতেন। কিন্তু তাল কেটে দিত আশপাশের বাড়তি আওয়াজগুলো। কিশোর বয়সে রেডিও সারাইয়ের অভিজ্ঞতা ছিলই। তার সঙ্গে জুড়ল ইঞ্জিনিয়ারের মেধা। প্রেক্ষাগৃহে শব্দের প্রতিফলনের তত্ত্ব কাজে লাগিয়েই এমন এক সাউন্ড সিস্টেমের নকশা বানিয়ে ফেললেন, যাতে রয়েছে অনেকগুলো ছোট ছোট স্পিকার, দেওয়ালের দিকে তাক করা। অর্থাৎ শুধুই সরাসরি স্পিকারের শব্দ নয়, শ্রোতাকে প্রতিফলিত শব্দ শোনানোরও বন্দোবস্ত। প্রেক্ষাগৃহের মজা বাড়িতে পাওয়ার রেসিপি হল এই দুইয়ের মিশেল। চলতে লাগল নিরন্তর পরীক্ষা। ‘বোস কর্পোরেশন’-এর জন্ম হল ১৯৬৪ সালে। তাঁদের প্রথম তৈরি সাউন্ড সিস্টেমটা অবশ্য তেমন সফল হয়নি। কিন্তু ১৯৬৮ সালে যেটা বাজারে আসে, সেই ‘বোস ৯০১ ডিরেক্ট/রিফলেক্টিং’ স্পিকার সিস্টেম’পরের টানা ২৫ বছর ‘বেস্ট সেলার’ থাকে। ক্রমশ ‘বোস’-এই ভরসা রাখে সেনা থেকে নাসা। যন্ত্রগুলো অবশ্য আমজনতার ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। কারণ, আকাশছোঁয়া দাম। ‘বোস’-এর সাউন্ড সিস্টেমই যে দু’টো ব্র্যান্ডের গাড়িতে ব্যবহার হয়, তার একটা হল পোর্শে, অন্যটা মার্সিডিজ।

এমন মহামূল্য যন্ত্র তৈরি করলো কে জানেন ? যিনি আদতে এক মধ্যবিত্ত, ব্রিটিশ পুলিশের ভয়ে দেশছাড়া এবং অনুপ্রবেশকারী এক বাঙালির সন্তান। বাবা ননীগোপাল বোস ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই গোপনে চালিয়ে যাচ্ছিলেন স্বাধীনতার লড়াই। ননীগোপাল এক বার বন্দিও হলেন পুলিশের হাতে। কোনও মতে পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই পালিয়ে গেলেন মার্কিন মুলুকে। সালটা ১৯২০। শুরু করলেন আমদানি-রফতানির ব্যবসা। বিয়ে করলেন এক মার্কিন স্কুল শিক্ষিকাকে। ১৯২৯ সালে জন্ম হলো এই সফল বাঙালির…..অমর গোপাল বোস ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন শুরু হয়, কিশোর অমর তখন হাতখরচ জোগাতে ফিলাডেলফিয়ার একটা রেডিও-র দোকানে কাজ করেন। বাবার ব্যবসা লাটে উঠলে স্কুলের বন্ধুদের নিয়েই তিনি শুরু করেন দোকান। মডেল ট্রেন, রেডিও সারিয়ে রোজগারের অর্থ তুলে দিতেন বাবার হাতে। এই সময়েই কয়েকটি পরিবারের মধ্যে হ্যাম রেডিও পর্যন্ত চালু করে ফেলেছিলেন। এ সব করতে গিয়ে কিন্তু পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটেনি।

অ্যাবিংটন হাই স্কুল থেকে পাশ করে ভর্তি হন এমআইটিতে। প্রথমে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিয়ে স্নাতক। পরে সেখান থেকেই স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি। স্কলারশিপ নিয়ে এক বছরের জন্য দিল্লিতে গবেষণা করতে এসেই ভাবী স্ত্রী প্রেমার সঙ্গে আলাপ। তাঁদের দুই সন্তান ভানু গোপাল বোস এবং মায়া বোস। প্রেমার সঙ্গে বিয়ে অবশ্য টেঁকেনি। বিবাহবিচ্ছেদের পর অমর দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছিলেন উর্সুলাকে। ১৯৫৬ সালে এমআইটি-র অধ্যাপকের পদে যোগ দেন অমর। পরের ৪৫টা বছর অধ্যাপনার সঙ্গেই চলে গবেষণা। দক্ষ হাতে সামলান সংস্থার কাজও। অমরের গোটা জীবনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য ভাবে জুড়ে যায় এমআইটি। তাই ২০১১ সালে সংস্থার শেয়ারের বেশির ভাগটাই দান করেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। এতে ‘বোস’-এর লভ্যাংশের অর্থ ঢুকবে এমআইটি-র ঘরে।

১২ই জুলাই ২০১৩ দুনিয়া থেক বিদায় নিলেন বিজ্ঞানী ও শিল্পপতি অমরগোপাল বোস। ৮৩ বছর বয়সে আমেরিকার ওয়েল্যান্ডে নিজের বাড়িতেই প্রয়াত হন মার্কিন মুলুকের অত্যন্ত সফল এই বঙ্গসন্তান।

Videos (show all)

বাংলার নবজাগরণের পুরোধা, শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) আজ জন্ম...
GRAMMAR CLASS for classes IX to XII (TENSE & VOICE part-3)
GRAMMAR CLASS for classes IX to XII Part-2 (TENSE & VOICE)
A GRAMMAR CLASS ON TENSE & VOICE for classes IX to XII
Three Questions part -3 for class XII

Location

Category

Address

Ramchandrapur Sankrail Howrah
Howrah
711313

Opening Hours

Monday 11am - 4pm
Tuesday 11am - 4pm
Wednesday 11am - 4pm
Thursday 11am - 4pm
Friday 11am - 4pm
Saturday 11am - 1pm
Other Education in Howrah (show all)
Howrah Sanskrit Sahitya Samaj Howrah Sanskrit Sahitya Samaj
P-14, Biplabi Harendra Ghosh Sarani
Howrah, 711101

Mentors Mentors
Howrah, 7111-01

AN EDUTAINMENT HUB

George Telegraph Institute of Automobile Engineering - Salap Centre George Telegraph Institute of Automobile Engineering - Salap Centre
NH-6, Salap More
Howrah, 711403

GTIAE Salap is the best institute for Automobile Engineering.

Science and Technology Science and Technology
Puillya Palpara, Unsani, Howrah
Howrah, 711302

A tution centre with innovative ideas to explore and spread knowledge in the field of Science and the rapid growing Technology

Tunnel of Talent Tunnel of Talent
Salkia
Howrah, 711106

Multi Activity Center Our Activities :- Dance,Aerobics,Skating,Karate,Yoga,Abacus,Acting & Modeling, etc.

Bikki Mahato Bikki Mahato
Howrah

See reviews about gadgets and get information about latest technologies. Get study material and tutorial videos. The best part is: it is all completely free

DNAS Learning Solutions DNAS Learning Solutions
Howrah, 711102

We provide a new way of learning and the latest learning solutions

Mathur Sir Classes Mathur Sir Classes
72, G.T. Road, Opposite Oriapara Bus Stand
Howrah, 711106

MSC covers the following Subjects: Accountancy Cost Accounting Financial Management Commerce E-commerce Business communication Business studies Economics Direct & In-direct Tax Company Law Business Law Competitive exam preparations

NOBEL Academy for competitive examination NOBEL Academy for competitive examination
Ranihati,howrah,near Hakola.u.c.high School
Howrah

It is a special WBCS study academy

WTS Academy WTS Academy
Howrah, 711101

WTS Academy is a Howrah based PHP training Academy offering young students who have passed out their college or in college to choose their career path in the field of web development and programming.

Dr. Rathi's Astrology/ Numerlogy Dr. Rathi's Astrology/ Numerlogy
Ganges Garden Phase 2, 106 Kiran Chandra Singka Road, Foreshore Road
Howrah, 711102

CORPORATE ADVISOR Researches in 1. Vaastu Energy Balancing System 2. Holistic Science 3. Divine Yoga 4. Corporate Vaastu

BESU Confessions BESU Confessions
Howrah, 711103

Have a story that you want to share, but can't or probably shouldn't? Submit it here at http://besuconfessions.co.nr !!! :) Keep it Coming :)