Ramchandrapur High School - H S

Ramchandrapur High School - H S

Comments

https://youtu.be/xLuo0uI2r5w
Plz Subscribe, Like, Comment and Share.
Teachers performing :
Kobi Guru Proyan 22 e Shrabon utjapon:
◼ মাশিলা রেলস্টেশন ➖ দঃ পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়গপুর বিভাগের জনবহুল আন্দুল ও সাঁকরাইল স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই বেশি । তাই এই দুটি স্টেশনের মাঝে " মাশিলা " গ্রামের নামে আরেকটি রেলস্টেশন গড়ে উঠতেই পারে । অতীতে একবার রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিলেও কি কারণে পিছিয়ে যায় । কিন্তু কেন? তারই একঝলক-👤 উন্নয়ন বিষয়ক খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন অশোক প্রধান ।
I miss my class room....
◼ কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের বিক্রি করা টেস্ট পেপারস নয় । স্কুল থেকে বিনামূল্যে দেওয়া শুরু হয়েছে পঃ বঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদে( প্রশাসনে ) র মাধ্যমিক টেস্ট পেপারস - 2018- 19 । তারই একঝলক-👤 সরকারি সত্য-তথ্যের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের খবরে-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ ফিরে দেখা- সেই আন্দুল-মৌড়ী বইমেলা ও সেই বইমেলার সেরা বইগুলির একঝলক-👤 সেই গর্বের বই উৎসবের ক্যামেরায়-গনশক্তি খ্যাত চিত্রপ্রতিবেদক বরুণ কাঁড়ার ও খবরে-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ দরিদ্র ও অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা হাওড়ার সাঁকরাইলের বানীপুরের বাসিন্দা ও অভয়চরণ হাই স্কুলের সামান্য স্কুল কর্মী । আবার তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত ছড়াও লেখেন । তাঁর লেখার মধ্যে সরল, সাদাসিধে ও দরিদ্র খেটেখাওয়া মানুষের প্রতি বঞ্চনার কথায় থাকে । তারই একঝলক-👤 গর্বের খবরে ও ক্যামেরাতেও- দরিদ্র ও অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ হাওড়ার সাঁকরাইল অভয়চরণ হাই স্কুলের ডিগ্রিধারী শিক্ষক-শিক্ষিকা নয় । সবচেয়ে কাছের-পাশের আপনজন সামান্য স্কুল কর্মী ও বিশিষ্ট ছড়াকার তপন কুমার প্রামাণিকের সাথে জীবনের প্রথম বোর্ডে( মাধ্যমিকে) র পরীক্ষার বসার ছাড়পত্র পেয়ে( টেস্টে পাশ করে) পড়ুয়ারা নীরবে আনন্দে মেতে উঠেছে । 👤 ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।
◼ প্রাচীন-ঐতিহ্যবাহী এবং পরাধীন ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী ও প্রদেশ-ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় ক্লাব সকলের মহান সেই মোহনবাগানেরই খ্যাতনামা বহু ফুটবলারের পদধূলি ধন্য হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসুদেবপুর ফাইভ স্টারের উদোগ্য 09/ 12/18 তে ক্লাব ভবনে রক্তদান শিবির হবে । 👤 সমাজসেবা মূলক খবরে ও ক্যামেরায়-একসময়কার সংবাদ প্রতিদিন খ্যাত রিপোর্টার অশোক প্রধান ।

This Institution is age old. Built in 1937 this institution caters the best education to her pupils. This institution had been the pioneer in the field of SPREADING BEST CULTURE & EDUCATION AMONG PEOPLE.

All the teachers are efficient and honest here.

Temporarily closed

16/08/2021

হ্যাঁ বন্ধুরা ইংল্যান্ডে, ইংরেজদের মাটিতে দাঁড়িয়ে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করলো ভারতীয় ক্রিকেট দল।

জয় হিন্দ! বন্দেমাতরম! 🇮🇳

15/08/2021

বৃথা চেষ্টা, যুবক মুখ খুললেন না। বাজিয়ে গেলেন একই কাটা রেকর্ড, “ডি.এস.পি সাহেবের উপর রাগ ছিল, উনি বিপ্লবীদের গ্রেফতার করে অত্যাচার করেন বলে। যা করেছি, একাই করেছি। কারোর নির্দেশে নয়। প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলাম, নিয়েছি।”‌🛑

কেউ মনে রাখেনি..... ‌🍂🍂

- "স্যার, খুব খিদে পেয়ে গেছে। জেলের একঘেয়ে খাবার তো রোজই খাই, ফিরে গিয়ে সেটাই জুটবে। আজ কচুরি-সিঙ্গাড়া খেতে খুব ইচ্ছে করছে, দিন না একটু ব্যবস্থা করে সামনের দোকান থেকে..."
এজলাসে উপস্থিত পুলিশ-উকিল-মোক্তারদের হতচকিত মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে হেসে ফেলেন যুবক। কোর্ট লক-আপের ভিতরে দাঁড়িয়ে ফের আর্জি জানান ভালমন্দ খাওয়ার।

- "জানি স্যার, নিয়ম নেই। কিন্তু একদিন না হয় একটু নিয়ম ভাঙলেন। অস্ত্রশস্ত্র তো আর চাইছি না, সামান্য কচুরি-সিঙ্গাড়া। আর হ্যাঁ, কয়েকটা রসগোল্লা হলে ভাল হয়। শেষে একটু মিষ্টিমুখ আর কী..."
পুলিশ কর্তা টেগার্টকে আসামির আর্জি জানাতে বললেন,
“ ফাঁসি তো হবেই ওর। যা খেতে চাইছে, দাও। খুশি থাকুক, ওকে একটু দরকারও আছে আমাদের।”

আদালতে যখন মধ্যাহ্নভোজের বিরতি, প্লেটে করে কচুরি-সিঙ্গাড়া-রসগোল্লা সাজিয়ে দেওয়া হল তাঁর সামনে। দিব্যি গুছিয়ে বসে খেলেন পেটপুরে এবং বিরতির পর নিশ্চিন্তে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পড়লেন নিয়মরক্ষার দণ্ডাদেশ শুনতে। জানাই তো আছে, কী সাজা ঘোষণা করতে চলেছেন বিচারক!

ঘড়ির কাঁটা সেদিন সাড়ে পাঁচটার দোরগোড়ায়। কলকাতার অফিসফেরতা মানুষের ভিড় থমকে গেল আচমকাই, স্তব্ধ হয়ে দেখছে রিভলভার হাতে উর্ধশ্বাস দৌড় এক যুবকের। যার সঙ্গে ব্যবধান দ্রুত কমে আসছে তাড়া করে আসা পুলিশ বাহিনীর। যুবকের হাতে উদ্যত রিভলভার। মাঝেমাঝেই পিছন ফিরে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছে, “খবরদার!”
দম ফুরিয়ে আসছে। মাথাও আর কাজ করছে না যুবকের, পুলিশ ধরে ফেলল বলে। কী করবে এখন? কী করা উচিত? আরে, উল্টোদিক থেকেও তো দু’জন ছুটে আসছে। গায়ে উর্দি, মানে পুলিশ! এবার?
রিভলভার নিজের মাথায় ঠেকানোর আগেই পুলিশ যুবকের হাত চেপে ধরলেন। পিছনের পুলিশবাহিনীও ততক্ষণে পৌঁছে গিয়েছে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সুযোগ পেলেন না যুবক। ধরা দিতে হল। রিভলভার, কার্তুজ এবং ছোরা বাজেয়াপ্ত হল সব।

“তুমি সরকারের শ্যাম, আমাদের শূল
তোমার ভিটেয় চরবে ঘুঘু দেখবে চোখে সরষে-ফুল।” ‌🐦🐦
ছড়াটা তখন মুখে মুখে ফিরত বাংলার বিপ্লবীদের। বানানো হয়েছিল ডাকসাইটে ডেপুটি সুপার সামসুল আলমকে নিয়ে | আলিপুর বোমার মামলায় পুলিশের তরফে সরকারি কৌঁসুলি মিস্টার নর্টনের ডান হাত ছিলেন সি.আই.ডি-র এই D.S.P যেখানে দশ বাঙালি বিপ্লবীর হয়েছিল কঠিন সাজা। শুধু এখানেই নয়, রাষ্ট্রদ্রোহের যে কোন মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজানোয় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল সামসুল মিঞার। মিথ্যে সাক্ষী জোগাড় করায় যেমন করিতকর্মা, তেমনই পটু কচিকাঁচাদের মগজধোলাই করে ‘রাজসাক্ষী’ হতে রাজি করানোয়।

এ হেন পুলিশ অফিসার যে দ্রুত বিপ্লবীদের খতমতালিকায় ঢুকে পড়বেন, প্রত্যাশিতই ছিল।
সামসুল-হত্যার দায়িত্ব দাদা মানে বাঘা যতীন দিলেন তাঁর বিশেষ স্নেহভাজন এক যুবককে। যুবকের জন্ম ঢাকার বিক্রমপুরে জন্ম। পাথরে কোঁদা চেহারা।! ‌🏵️

২৪শে জানুয়ারি ১৯১০...

সামসুল দুপুরের একটু পরে এসেছেন হাইকোর্টে। নর্টন সাহেবের ঘরে বসেছেন অন্যদিনের মতোই। সঙ্গে এনেছেন একগুচ্ছ ফাইলপত্র, যাতে গচ্ছিত রয়েছে আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। আলোচনা শেষ হল বিকেল পাঁচটা নাগাদ। দেহরক্ষীকে প্রস্তুত হতে বললেন সামসুল।
একটু পরেই বেরুলেন সরকারি কৌঁসুলির ঘর থেকে। সামনে হাঁটছেন অ্যাডভোকেট জেনারেল, যিনিও নর্টন সাহেবের ঘরে আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন। পিছনে সশস্ত্র দেহরক্ষী। পূর্ব দিকের সিঁড়িতে প্রথম পা রাখতে যাবেন, সাক্ষাৎ যমদূতের মতো মুখোমুখি হাজির হলেন যুবক।

অল্পবয়সী আগন্তুকের এভাবে পথ আটকে দাঁড়ানোয় ক্ষণিকের জন্য অপ্রস্তুত সামসুল। দেহরক্ষী ততক্ষণে দেখে ফেলেছেন, যুবক পরনের ফতুয়ার মধ্যে থেকে বার করছেন রিভলভার। বাধা দেওয়ার আগেই ‘দ্রাম’! করমর্দনের দূরত্ব থেকে গুলি চালিয়ে দিয়েছেন। সামসুলের বক্ষস্থল ভেদ করল বুলেট, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার আগে শুধু অস্ফুটে বলতে পেরেছিলেন, “পাকড়ো”! ‌💥

পাকড়াতে ধাওয়া করল পুলিশ। আদালত চত্বর এবং আশেপাশের এলাকায় তখন ত্রাহি ত্রাহি রব। সামসুলের গুলিবিদ্ধ প্রাণহীন দেহকে ঘিরে যেমন ভিড় জমে গেছে, তেমনই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাইরে। “খুন! খুন!” চিৎকারে আতঙ্ক গ্রাস করেছে হাইকোর্টের বাইরের রাস্তাকে। যেখানে চকিত ক্ষিপ্রতায় নেমে এসেছেন যুবক। দৌড়ে পালাচ্ছেন।

কিন্তু ওই জনাকীর্ণ এলাকায় পালাবেন কোথায় ? অশ্বারোহী পুলিশ তাড়া করেছে। হাইকোর্টের পাশের ওল্ড পোস্ট অফিস স্ট্রীট ধরে ছুটতে ছুটতে যখন যুবক পৌঁছলেন হেস্টিংস স্ট্রীটে। দম ফুরিয়ে এসেছে। মাথা কাজ করছে না আর। পিছনে যারা তাড়া করছে, তাদের সঙ্গে ব্যবধান তো কমে এসেছেই, উল্টোদিক থেকেও দেখতে পাচ্ছেন কয়েকজন পুলিশকে দৌড়ে আসতে।
মুহূর্তের জন্য কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন যুবক। দ্বিধা কাটিয়ে যখন স্থির করলেন, আত্মহত্যাই শ্রেয়, ততক্ষণে একজন সার্জেন্ট উল্টোদিক থেকে তার হাত ধরে ফেলেছেন |‌

সামসুল-হত্যার নেপথ্যের চক্রীদের পরিচয় জানতে বিরামহীন নির্যাতন চলল যুবকের উপর। জিজ্ঞাসাবাদে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করলেন সি.আই.ডি এবং স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের পোড়খাওয়া অফিসাররা। বৃথা চেষ্টা, যুবক মুখ খুললেন না। বাজিয়ে গেলেন একই কাটা রেকর্ড, “ডি.এস.পি সাহেবের উপর রাগ ছিল, উনি বিপ্লবীদের গ্রেফতার করে অত্যাচার করেন বলে। যা করেছি, একাই করেছি। কারোর নির্দেশে নয়। প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলাম, নিয়েছি।”‌🛑

হাইকোর্টে বিচার চলাকালীন আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কোনো উকিলের সাহায্য নিতেও তিনি অস্বীকার করেন। বিচারপতি লরেন্স জেঙ্কিন্স ব্যারিস্টার নিশীথ সেনকে তাঁর উকিল হিসেবে নিযুক্ত করেন। কিন্তু বিপ্লবীদের গুপ্ত সংবাদ প্রকাশ হওয়ার আশঙ্কায় তিনি নিশীথ সেনকে একটি কথাও জানাতে সম্মত হননি। শেষমেশ আদালতে নিশীথ সেন তাঁকে বিকৃতমস্তিস্ক বলে উল্লেখ করেন, তাতেও ঠেকানো গেল না ফাঁসির আদেশ।

২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯১০, আলিপুর জেলে ফাঁসি হয়ে গেলো বাংলা মায়ের এক দামাল ছেলে বীরেন্দ্র নাথ দত্তগুপ্তের। বয়স হয়েছিল মাত্র একুশ ! ‌

(পুন:প্রচারিত হল)

(তথ্য সূত্র : অচেনা লালবাজার)

বৃথা চেষ্টা, যুবক মুখ খুললেন না। বাজিয়ে গেলেন একই কাটা রেকর্ড, “ডি.এস.পি সাহেবের উপর রাগ ছিল, উনি বিপ্লবীদের গ্রেফতার করে অত্যাচার করেন বলে। যা করেছি, একাই করেছি। কারোর নির্দেশে নয়। প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলাম, নিয়েছি।”‌🛑

কেউ মনে রাখেনি..... ‌🍂🍂

- "স্যার, খুব খিদে পেয়ে গেছে। জেলের একঘেয়ে খাবার তো রোজই খাই, ফিরে গিয়ে সেটাই জুটবে। আজ কচুরি-সিঙ্গাড়া খেতে খুব ইচ্ছে করছে, দিন না একটু ব্যবস্থা করে সামনের দোকান থেকে..."
এজলাসে উপস্থিত পুলিশ-উকিল-মোক্তারদের হতচকিত মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে হেসে ফেলেন যুবক। কোর্ট লক-আপের ভিতরে দাঁড়িয়ে ফের আর্জি জানান ভালমন্দ খাওয়ার।

- "জানি স্যার, নিয়ম নেই। কিন্তু একদিন না হয় একটু নিয়ম ভাঙলেন। অস্ত্রশস্ত্র তো আর চাইছি না, সামান্য কচুরি-সিঙ্গাড়া। আর হ্যাঁ, কয়েকটা রসগোল্লা হলে ভাল হয়। শেষে একটু মিষ্টিমুখ আর কী..."
পুলিশ কর্তা টেগার্টকে আসামির আর্জি জানাতে বললেন,
“ ফাঁসি তো হবেই ওর। যা খেতে চাইছে, দাও। খুশি থাকুক, ওকে একটু দরকারও আছে আমাদের।”

আদালতে যখন মধ্যাহ্নভোজের বিরতি, প্লেটে করে কচুরি-সিঙ্গাড়া-রসগোল্লা সাজিয়ে দেওয়া হল তাঁর সামনে। দিব্যি গুছিয়ে বসে খেলেন পেটপুরে এবং বিরতির পর নিশ্চিন্তে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পড়লেন নিয়মরক্ষার দণ্ডাদেশ শুনতে। জানাই তো আছে, কী সাজা ঘোষণা করতে চলেছেন বিচারক!

ঘড়ির কাঁটা সেদিন সাড়ে পাঁচটার দোরগোড়ায়। কলকাতার অফিসফেরতা মানুষের ভিড় থমকে গেল আচমকাই, স্তব্ধ হয়ে দেখছে রিভলভার হাতে উর্ধশ্বাস দৌড় এক যুবকের। যার সঙ্গে ব্যবধান দ্রুত কমে আসছে তাড়া করে আসা পুলিশ বাহিনীর। যুবকের হাতে উদ্যত রিভলভার। মাঝেমাঝেই পিছন ফিরে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছে, “খবরদার!”
দম ফুরিয়ে আসছে। মাথাও আর কাজ করছে না যুবকের, পুলিশ ধরে ফেলল বলে। কী করবে এখন? কী করা উচিত? আরে, উল্টোদিক থেকেও তো দু’জন ছুটে আসছে। গায়ে উর্দি, মানে পুলিশ! এবার?
রিভলভার নিজের মাথায় ঠেকানোর আগেই পুলিশ যুবকের হাত চেপে ধরলেন। পিছনের পুলিশবাহিনীও ততক্ষণে পৌঁছে গিয়েছে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সুযোগ পেলেন না যুবক। ধরা দিতে হল। রিভলভার, কার্তুজ এবং ছোরা বাজেয়াপ্ত হল সব।

“তুমি সরকারের শ্যাম, আমাদের শূল
তোমার ভিটেয় চরবে ঘুঘু দেখবে চোখে সরষে-ফুল।” ‌🐦🐦
ছড়াটা তখন মুখে মুখে ফিরত বাংলার বিপ্লবীদের। বানানো হয়েছিল ডাকসাইটে ডেপুটি সুপার সামসুল আলমকে নিয়ে | আলিপুর বোমার মামলায় পুলিশের তরফে সরকারি কৌঁসুলি মিস্টার নর্টনের ডান হাত ছিলেন সি.আই.ডি-র এই D.S.P যেখানে দশ বাঙালি বিপ্লবীর হয়েছিল কঠিন সাজা। শুধু এখানেই নয়, রাষ্ট্রদ্রোহের যে কোন মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজানোয় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল সামসুল মিঞার। মিথ্যে সাক্ষী জোগাড় করায় যেমন করিতকর্মা, তেমনই পটু কচিকাঁচাদের মগজধোলাই করে ‘রাজসাক্ষী’ হতে রাজি করানোয়।

এ হেন পুলিশ অফিসার যে দ্রুত বিপ্লবীদের খতমতালিকায় ঢুকে পড়বেন, প্রত্যাশিতই ছিল।
সামসুল-হত্যার দায়িত্ব দাদা মানে বাঘা যতীন দিলেন তাঁর বিশেষ স্নেহভাজন এক যুবককে। যুবকের জন্ম ঢাকার বিক্রমপুরে জন্ম। পাথরে কোঁদা চেহারা।! ‌🏵️

২৪শে জানুয়ারি ১৯১০...

সামসুল দুপুরের একটু পরে এসেছেন হাইকোর্টে। নর্টন সাহেবের ঘরে বসেছেন অন্যদিনের মতোই। সঙ্গে এনেছেন একগুচ্ছ ফাইলপত্র, যাতে গচ্ছিত রয়েছে আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। আলোচনা শেষ হল বিকেল পাঁচটা নাগাদ। দেহরক্ষীকে প্রস্তুত হতে বললেন সামসুল।
একটু পরেই বেরুলেন সরকারি কৌঁসুলির ঘর থেকে। সামনে হাঁটছেন অ্যাডভোকেট জেনারেল, যিনিও নর্টন সাহেবের ঘরে আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন। পিছনে সশস্ত্র দেহরক্ষী। পূর্ব দিকের সিঁড়িতে প্রথম পা রাখতে যাবেন, সাক্ষাৎ যমদূতের মতো মুখোমুখি হাজির হলেন যুবক।

অল্পবয়সী আগন্তুকের এভাবে পথ আটকে দাঁড়ানোয় ক্ষণিকের জন্য অপ্রস্তুত সামসুল। দেহরক্ষী ততক্ষণে দেখে ফেলেছেন, যুবক পরনের ফতুয়ার মধ্যে থেকে বার করছেন রিভলভার। বাধা দেওয়ার আগেই ‘দ্রাম’! করমর্দনের দূরত্ব থেকে গুলি চালিয়ে দিয়েছেন। সামসুলের বক্ষস্থল ভেদ করল বুলেট, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার আগে শুধু অস্ফুটে বলতে পেরেছিলেন, “পাকড়ো”! ‌💥

পাকড়াতে ধাওয়া করল পুলিশ। আদালত চত্বর এবং আশেপাশের এলাকায় তখন ত্রাহি ত্রাহি রব। সামসুলের গুলিবিদ্ধ প্রাণহীন দেহকে ঘিরে যেমন ভিড় জমে গেছে, তেমনই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাইরে। “খুন! খুন!” চিৎকারে আতঙ্ক গ্রাস করেছে হাইকোর্টের বাইরের রাস্তাকে। যেখানে চকিত ক্ষিপ্রতায় নেমে এসেছেন যুবক। দৌড়ে পালাচ্ছেন।

কিন্তু ওই জনাকীর্ণ এলাকায় পালাবেন কোথায় ? অশ্বারোহী পুলিশ তাড়া করেছে। হাইকোর্টের পাশের ওল্ড পোস্ট অফিস স্ট্রীট ধরে ছুটতে ছুটতে যখন যুবক পৌঁছলেন হেস্টিংস স্ট্রীটে। দম ফুরিয়ে এসেছে। মাথা কাজ করছে না আর। পিছনে যারা তাড়া করছে, তাদের সঙ্গে ব্যবধান তো কমে এসেছেই, উল্টোদিক থেকেও দেখতে পাচ্ছেন কয়েকজন পুলিশকে দৌড়ে আসতে।
মুহূর্তের জন্য কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন যুবক। দ্বিধা কাটিয়ে যখন স্থির করলেন, আত্মহত্যাই শ্রেয়, ততক্ষণে একজন সার্জেন্ট উল্টোদিক থেকে তার হাত ধরে ফেলেছেন |‌

সামসুল-হত্যার নেপথ্যের চক্রীদের পরিচয় জানতে বিরামহীন নির্যাতন চলল যুবকের উপর। জিজ্ঞাসাবাদে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করলেন সি.আই.ডি এবং স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের পোড়খাওয়া অফিসাররা। বৃথা চেষ্টা, যুবক মুখ খুললেন না। বাজিয়ে গেলেন একই কাটা রেকর্ড, “ডি.এস.পি সাহেবের উপর রাগ ছিল, উনি বিপ্লবীদের গ্রেফতার করে অত্যাচার করেন বলে। যা করেছি, একাই করেছি। কারোর নির্দেশে নয়। প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলাম, নিয়েছি।”‌🛑

হাইকোর্টে বিচার চলাকালীন আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কোনো উকিলের সাহায্য নিতেও তিনি অস্বীকার করেন। বিচারপতি লরেন্স জেঙ্কিন্স ব্যারিস্টার নিশীথ সেনকে তাঁর উকিল হিসেবে নিযুক্ত করেন। কিন্তু বিপ্লবীদের গুপ্ত সংবাদ প্রকাশ হওয়ার আশঙ্কায় তিনি নিশীথ সেনকে একটি কথাও জানাতে সম্মত হননি। শেষমেশ আদালতে নিশীথ সেন তাঁকে বিকৃতমস্তিস্ক বলে উল্লেখ করেন, তাতেও ঠেকানো গেল না ফাঁসির আদেশ।

২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯১০, আলিপুর জেলে ফাঁসি হয়ে গেলো বাংলা মায়ের এক দামাল ছেলে বীরেন্দ্র নাথ দত্তগুপ্তের। বয়স হয়েছিল মাত্র একুশ ! ‌

(পুন:প্রচারিত হল)

(তথ্য সূত্র : অচেনা লালবাজার)

Photos from Ramchandrapur High School - H S's post 15/08/2021

আমাদের জন্মভূমি, ভারতবর্ষের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের সভাপতি, প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষক মন্ডলীর আন্তরিক প্রয়াস।

15/08/2021

৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন। Ramchandrapur High School - H S @

23/07/2021

শুভ গুরুপূর্ণিমা ...

আগামী পূর্ণিমা শুভ গুরুপূর্ণিমা। এই পূণ্য তিথিতে মুনি পরাশর এবং মাতা সত্যবতীর গৃহে জন্মগ্রহণ করেন মহাভারত রচয়িতা মহর্ষি বেদব্যাস। মহর্ষি বেদব্যাসকে সর্বশ্রেষ্ঠ গুরু মেনে এই পূণ্য তিথি গুরু আরাধনার তিথি হিসাবে পালন করা হয়। শাস্ত্র মতে দেবাদিদেব মহাদেব এই তিথিতে সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেন। ভগবান বুদ্ধ বোধিজ্ঞান লাভের পর পূণ্য গুরুপূর্ণিমা তিথিতে তাঁর পাঁচ সঙ্গীকে মহা উপদেশ দান করেছিলেন। মহাবীর এই পূণ্য তিথিতে তাঁর প্রধান শিষ্যকে দীক্ষা দান করেন। আগামী ২৪ জুলাই, ৮ শ্রাবণ, শনিবার গুরুপূর্ণিমা।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে :

পূর্ণিমা তিথি আরম্ভ -

বাংলা– ৭ শ্রাবণ, শুক্রবার।
ইংরেজি– ২৩ জুলাই, শুক্রবার।
সময়– সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট।

পূর্ণিমা তিথি শেষ –

বাংলা– ৮ শ্রাবণ, শনিবার।
ইংরেজি– ২৪ জুলাই, শনিবার।
সময়– সকাল ০৮টা ০৭ মিনিট।

৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, শুক্রবার পূর্ণিমার নিশি পালন।
৮ শ্রাবণ, ২৪ জুলাই, শনিবার শ্রী শ্রী গুরুপূর্ণিমা।

গুরুর প্রতি শিষ্যের শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসাবে উদযাপন করা হয় এই দিন। শিষ্যরা এই দিনে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ব্যাসদেবের জন্মজয়ন্তীও পালন করা হয় এই দিন। সেই কারণে এই বিশেষ দিনটিকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই তিথিতেই মুণি পরাশর ও সত্যবতীর ঘরে ব্যাসদেবের জন্ম হয়। জন্মের পরে তাকে ত্যাগ করেন সত্যবতী। পরবর্তীকালে নিজের যোগ্যতায় মহর্ষি হয়ে ওঠেন ব্যাসদেব। চতুর্বেদের সম্পাদনা ছাড়াও ১৮টি পুরাণ রচনা করেন তিনি। মহান এই ঋষির হাত থেকেই মহাকাব্য মহাভারতের রচনা। বেদের ব্যাখা ও বিন্যাস ঘটিয়েছেন বলেই মহর্ষিকে বেদব্যাস বলা হয়।
হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে গুরু পূর্ণিমার গুরুত্ব অসীম। কথিত আছে, বোধিজ্ঞান লাভের পর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় প্রথম সকলকে উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ। সেই কারণে এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে। হিন্দু পুরাণে বলা আছে, এই তিথিতেই গুরু হিসাবে শিষ্যদের মহাজ্ঞান প্রদান করেন দেবাদিদেব মহাদেব। আদিযোগী শিব এই তিথিতেই আদিগুরুতে রূপান্তরিত হন। অত্রি, বশিষ্ঠ, পুলহ, অঙ্গীরা, পুলস্থ, মরীচি, ক্রতু এই সাতজন ঋষি ছিলেন মহাদেবের প্রথম শিষ্য। তাঁদেরই জ্ঞান প্রদান করেন আদিগুরু মহাদেব।

প্রাচীন সমাজে অত্যন্ত গুরুত্ব পেত গুরু-শিষ্য সম্পর্ক। সেই কারণে একটা দিন গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিবেদন করত শিষ্য। সংস্কৃতে 'গু' শব্দের অর্থ অন্ধকার। 'রু' শব্দের অর্থ অন্ধকার দূরীকরণ। গুরু শব্দের অর্থ, যিনি শিষ্যদের অন্ধকার বা অজ্ঞতা থেকে আলোর দিশা দেখান সেই ব্যক্তি।

যে শ্লোকের মাধ্যমে গুরু পূর্ণিমাতে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়..
''গুরুব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেবো মহেশ্বর
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ''
এই শ্লোকের অর্থ- জীবনে গুরুই ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর। তিনিই আমাদের সৃষ্টি, স্থিতি, লয়ের পরম ব্রহ্মজ্ঞান দান করেন। সেই গুরুর উদ্দেশ্যে প্রণাম জানাই।

শুভ গুরুপূর্ণিমা ...

আগামী পূর্ণিমা শুভ গুরুপূর্ণিমা। এই পূণ্য তিথিতে মুনি পরাশর এবং মাতা সত্যবতীর গৃহে জন্মগ্রহণ করেন মহাভারত রচয়িতা মহর্ষি বেদব্যাস। মহর্ষি বেদব্যাসকে সর্বশ্রেষ্ঠ গুরু মেনে এই পূণ্য তিথি গুরু আরাধনার তিথি হিসাবে পালন করা হয়। শাস্ত্র মতে দেবাদিদেব মহাদেব এই তিথিতে সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেন। ভগবান বুদ্ধ বোধিজ্ঞান লাভের পর পূণ্য গুরুপূর্ণিমা তিথিতে তাঁর পাঁচ সঙ্গীকে মহা উপদেশ দান করেছিলেন। মহাবীর এই পূণ্য তিথিতে তাঁর প্রধান শিষ্যকে দীক্ষা দান করেন। আগামী ২৪ জুলাই, ৮ শ্রাবণ, শনিবার গুরুপূর্ণিমা।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে :

পূর্ণিমা তিথি আরম্ভ -

বাংলা– ৭ শ্রাবণ, শুক্রবার।
ইংরেজি– ২৩ জুলাই, শুক্রবার।
সময়– সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট।

পূর্ণিমা তিথি শেষ –

বাংলা– ৮ শ্রাবণ, শনিবার।
ইংরেজি– ২৪ জুলাই, শনিবার।
সময়– সকাল ০৮টা ০৭ মিনিট।

৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, শুক্রবার পূর্ণিমার নিশি পালন।
৮ শ্রাবণ, ২৪ জুলাই, শনিবার শ্রী শ্রী গুরুপূর্ণিমা।

গুরুর প্রতি শিষ্যের শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসাবে উদযাপন করা হয় এই দিন। শিষ্যরা এই দিনে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ব্যাসদেবের জন্মজয়ন্তীও পালন করা হয় এই দিন। সেই কারণে এই বিশেষ দিনটিকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই তিথিতেই মুণি পরাশর ও সত্যবতীর ঘরে ব্যাসদেবের জন্ম হয়। জন্মের পরে তাকে ত্যাগ করেন সত্যবতী। পরবর্তীকালে নিজের যোগ্যতায় মহর্ষি হয়ে ওঠেন ব্যাসদেব। চতুর্বেদের সম্পাদনা ছাড়াও ১৮টি পুরাণ রচনা করেন তিনি। মহান এই ঋষির হাত থেকেই মহাকাব্য মহাভারতের রচনা। বেদের ব্যাখা ও বিন্যাস ঘটিয়েছেন বলেই মহর্ষিকে বেদব্যাস বলা হয়।
হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে গুরু পূর্ণিমার গুরুত্ব অসীম। কথিত আছে, বোধিজ্ঞান লাভের পর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় প্রথম সকলকে উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ। সেই কারণে এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে। হিন্দু পুরাণে বলা আছে, এই তিথিতেই গুরু হিসাবে শিষ্যদের মহাজ্ঞান প্রদান করেন দেবাদিদেব মহাদেব। আদিযোগী শিব এই তিথিতেই আদিগুরুতে রূপান্তরিত হন। অত্রি, বশিষ্ঠ, পুলহ, অঙ্গীরা, পুলস্থ, মরীচি, ক্রতু এই সাতজন ঋষি ছিলেন মহাদেবের প্রথম শিষ্য। তাঁদেরই জ্ঞান প্রদান করেন আদিগুরু মহাদেব।

প্রাচীন সমাজে অত্যন্ত গুরুত্ব পেত গুরু-শিষ্য সম্পর্ক। সেই কারণে একটা দিন গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিবেদন করত শিষ্য। সংস্কৃতে 'গু' শব্দের অর্থ অন্ধকার। 'রু' শব্দের অর্থ অন্ধকার দূরীকরণ। গুরু শব্দের অর্থ, যিনি শিষ্যদের অন্ধকার বা অজ্ঞতা থেকে আলোর দিশা দেখান সেই ব্যক্তি।

যে শ্লোকের মাধ্যমে গুরু পূর্ণিমাতে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়..
''গুরুব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেবো মহেশ্বর
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ''
এই শ্লোকের অর্থ- জীবনে গুরুই ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর। তিনিই আমাদের সৃষ্টি, স্থিতি, লয়ের পরম ব্রহ্মজ্ঞান দান করেন। সেই গুরুর উদ্দেশ্যে প্রণাম জানাই।

[07/23/21]   ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ আর দোটানায় না রেখে তাদের জীবনের স্বার্থে বিদ্যালয় গুলি খোলা হোক। #WBGovt

14/05/2021

আমাদের বিদ্যালয়ের মেধাবী ফুটবলার দের ______ ঘুরে ১৯৯৩ সালে মারাদোনা যখন 'নেওয়েলস ওল্ড বয়েজ' ক্লাবে যোগ দিয়েছেন, এয়ারপোর্টে এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, 'তাহলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার আবার আর্জেন্টিনায় ফিরছে ?' বিন্দুমাত্র না ভেবে মারাদোনার উত্তর ছিল, 'পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার কোনোদিন রোজারিও ছেড়ে বেরোয়নি, আর তার নাম ট্রিঞ্চে কার্লোভিচ।' ...

উনিশশো চুয়াত্তর সালে বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে রোজারিও এসেছিল। স্থানীয় এক টিমের সঙ্গে খেলা, বলা ভালো নেহাতই গা ঘামানো। পাসারেল্লা, মারিও কেম্পেসের মতো মণিমুক্তোখচিত সেই জাতীয় দল হাফ টাইমে ৩-০ গোলে হারছিল, এবং দলের সমস্ত খেলোয়াড় দাবি করেন যে ওই স্থানীয় টিমের এক মিডফিল্ডারকে বেঞ্চে বসিয়ে দিতে হবে। সে এতটাই বাজে ভাবে তাদের নাচাচ্ছে যে এগারো বনাম এগারোতেও ফেয়ার প্লে হচ্ছে না।

হ্যাঁ। ঠিকই পড়েছেন। জাতীয় দলের প্লেয়াররা বলছেন এক স্থানীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারকে বসিয়ে দিতে, সে এতটাই বেশি ট্যালেন্টেড।

আর কে এই ফুটবলার ?

থমাস কার্লোভিচ। 'এল ট্রিঞ্চে'

হোসে পেকারম্যান থেকে কার্লোস বিলার্দো, সিজার মেনোত্তি থেকে মার্সেলো বিয়েলসা...প্রত্যেক কিংবদন্তী আর্জেন্টাইন কোচ যাকে এককথায় বলেছেন 'আর্জেন্টিনায় জন্মানো শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।' সারা ফুটবলবিশ্ব যাকে বলে 'জাতীয় দলের হয়ে না খেলা-দের মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ।'

কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে না খেলার কারণ কি? মেনোত্তির মতো কোচ যখন তাকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপের দল বানানোর কথা ভাবছেন, সেখান থেকে কি এমন হল যে কার্লোভিচ কোনোদিন জাতীয় দলে খেললেন না?

মেনোত্তি যখন তাঁকে জাতীয় দলে ডেকে ফোন করেছিলেন, কার্লোভিচ তখন আর্জেন্টিনার অপর প্রান্তে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। মাছ ধরা ছেড়ে তিনি আসতে চাননি।

হ্যাঁ, আবারও আপনি ঠিকই পড়েছেন।

'এখন মাছ ধরছি, তাই যাবো না। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেলেও না।'

উদ্বাস্তু ক্রোয়েশিয়ান পরিবারের এই ছেলে সারা জীবন আর্জেন্টিনার থার্ড, ফোর্থ ডিভিশনে ফুটবল খেলে গেছেন, প্রথম সারির ক্লাবগুলোর থেকে বিশাল বিশাল অঙ্কের অফার পাওয়ার পরেও। 'কেন খেলেননি বড় ক্লাবে?' এই প্রশ্নের উত্তরটা শুনে আমি হাত থেকে ফোন রেখে বসেছিলাম কিছুক্ষণ, মনে আছে।

'তোমরা যে বলো, 'পাওয়া' , সেটা কি পাওয়া? কি পেতে চাও তোমরা? আমি তো কোনো কিছু পাওয়ার আশা করিনি, শুধু ফুটবলটা খেলতে চেয়েছি।'

কেউ একটু ভালো খেললেই প্রথম সারির ক্লাবে যাচ্ছে, সেখান থেকে ইউরোপের নামী দামী ক্লাবে, বছরে কয়েক কোটি টাকা করে আয় করছে। আর রোজারিওর গলিতে বসে এক সাধক, পাড়ার মাঠে যাঁর খেলা দেখার জন্যে নিজের ক্লাব ফেলে ছুটে আসেন বিয়েলসা, পেকারম্যান..... তিনি হাসিমুখে বলছেন 'শুধু ফুটবলটা খেলতে চেয়েছি।'

এই নির্মোহ প্রেম আমি কোত্থাও দেখিনি, দেখে অভ্যস্ত নই।

বিখ্যাত ফুটবল লেখক আলেহান্দ্রো কারাভারিও বলেছিলেন, 'আর্জেন্টাইন ফুটবলের মূর্ত প্রতীক হচ্ছেন কার্লোভিচ। বল পায়ে ছুটতে ছুটতে যিনি বাঁধাধরা নিয়মকে হেলায় ড্রিবল করে বেরিয়ে গেছেন।' মেসিকে নিয়ে লেখা বইতে সাংবাদিক গিলেম ব্যালাগ লিখেছেন, 'কার্লোভিচ হচ্ছেন মেসির অ্যান্টিথিসিস। একই পাড়া থেকে উঠে আসা দুই বাঁ পায়ের জাদুকর, যাদের একজন বিশ্ববরেন্য, আরেকজনকে কেউ চিনলো না।'ভালদানো,আইমারের মতো বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় বলতেন, 'ট্রিঞ্চে মাঠে ফুটবল খেলে না। কবিতা লেখে। আর সেই কবিতা ফিজিক্সের নিয়ম মানে না।'

সত্যিই কবিতার মত জীবন থমাস কার্লোভিচের।কদিন আগে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, রাস্তায় এক কিশোর তাঁর সাইকেলটা ছিনতাই করে তাঁকে ধাক্কা মেরে ফুটপাতে ফেলে দিয়ে পালায়। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে কোমায় চলে যান চুয়াত্তর বছর বয়সের বুড়ো মানুষটি। জোগা বোনিতোর প্রাণখোলা ফুটবলের মত ৮ই মে সন্ধেবেলায় তিনিও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

ইতালি, স্পেন ঘুরে ১৯৯৩ সালে মারাদোনা যখন 'নেওয়েলস ওল্ড বয়েজ' ক্লাবে যোগ দিয়েছেন, এয়ারপোর্টে এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, 'তাহলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার আবার আর্জেন্টিনায় ফিরছে ?' বিন্দুমাত্র না ভেবে মারাদোনার উত্তর ছিল, 'পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার কোনোদিন রোজারিও ছেড়ে বেরোয়নি, আর তার নাম ট্রিঞ্চে কার্লোভিচ।'

ফুটবলের এক অদ্ভূত দেশ এই আর্জেন্টিনা। দারিদ্র্য, ক্রাইম আর ফুটবল এক মায়ের পেটের তিন ভাইয়ের মতো বেড়ে ওঠে এখানে। রাস্তাঘাটে ধুলোয় গড়াগড়ি খায় অনামী মণিমুক্তোরা। আর তা সত্ত্বেও প্রতিদিন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কিছু খেলোয়াড় আর কোচ উঠে আসে এই দেশ থেকে। নোংরা, ধুলোকাদা মাখা ডানার একদল দেবদূত। যাদের গরিব পায়ের ছোঁয়া লেগে কথা বলে ওই গোলাকার বস্তুটা। আর সেই দেশের সবথেকে জনপ্রিয় জাদুকর কাল চলে গেলেন, সবার অলক্ষ্যে। আমাদের জন্যে রেখে গেলেন একগুচ্ছ গল্প, এক বিদ্রোহী নায়কের স্মৃতি, আর নিয়ম না মানা, এক বিনয়ী অথচ প্রচণ্ড জেদি মানসিকতা।

আমার বন্ধুরা কি বলেন ?

আমাদের বিদ্যালয়ের মেধাবী ফুটবলার দের ______ ঘুরে ১৯৯৩ সালে মারাদোনা যখন 'নেওয়েলস ওল্ড বয়েজ' ক্লাবে যোগ দিয়েছেন, এয়ারপোর্টে এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, 'তাহলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার আবার আর্জেন্টিনায় ফিরছে ?' বিন্দুমাত্র না ভেবে মারাদোনার উত্তর ছিল, 'পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার কোনোদিন রোজারিও ছেড়ে বেরোয়নি, আর তার নাম ট্রিঞ্চে কার্লোভিচ।' ...

উনিশশো চুয়াত্তর সালে বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে রোজারিও এসেছিল। স্থানীয় এক টিমের সঙ্গে খেলা, বলা ভালো নেহাতই গা ঘামানো। পাসারেল্লা, মারিও কেম্পেসের মতো মণিমুক্তোখচিত সেই জাতীয় দল হাফ টাইমে ৩-০ গোলে হারছিল, এবং দলের সমস্ত খেলোয়াড় দাবি করেন যে ওই স্থানীয় টিমের এক মিডফিল্ডারকে বেঞ্চে বসিয়ে দিতে হবে। সে এতটাই বাজে ভাবে তাদের নাচাচ্ছে যে এগারো বনাম এগারোতেও ফেয়ার প্লে হচ্ছে না।

হ্যাঁ। ঠিকই পড়েছেন। জাতীয় দলের প্লেয়াররা বলছেন এক স্থানীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারকে বসিয়ে দিতে, সে এতটাই বেশি ট্যালেন্টেড।

আর কে এই ফুটবলার ?

থমাস কার্লোভিচ। 'এল ট্রিঞ্চে'

হোসে পেকারম্যান থেকে কার্লোস বিলার্দো, সিজার মেনোত্তি থেকে মার্সেলো বিয়েলসা...প্রত্যেক কিংবদন্তী আর্জেন্টাইন কোচ যাকে এককথায় বলেছেন 'আর্জেন্টিনায় জন্মানো শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।' সারা ফুটবলবিশ্ব যাকে বলে 'জাতীয় দলের হয়ে না খেলা-দের মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ।'

কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে না খেলার কারণ কি? মেনোত্তির মতো কোচ যখন তাকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপের দল বানানোর কথা ভাবছেন, সেখান থেকে কি এমন হল যে কার্লোভিচ কোনোদিন জাতীয় দলে খেললেন না?

মেনোত্তি যখন তাঁকে জাতীয় দলে ডেকে ফোন করেছিলেন, কার্লোভিচ তখন আর্জেন্টিনার অপর প্রান্তে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। মাছ ধরা ছেড়ে তিনি আসতে চাননি।

হ্যাঁ, আবারও আপনি ঠিকই পড়েছেন।

'এখন মাছ ধরছি, তাই যাবো না। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেলেও না।'

উদ্বাস্তু ক্রোয়েশিয়ান পরিবারের এই ছেলে সারা জীবন আর্জেন্টিনার থার্ড, ফোর্থ ডিভিশনে ফুটবল খেলে গেছেন, প্রথম সারির ক্লাবগুলোর থেকে বিশাল বিশাল অঙ্কের অফার পাওয়ার পরেও। 'কেন খেলেননি বড় ক্লাবে?' এই প্রশ্নের উত্তরটা শুনে আমি হাত থেকে ফোন রেখে বসেছিলাম কিছুক্ষণ, মনে আছে।

'তোমরা যে বলো, 'পাওয়া' , সেটা কি পাওয়া? কি পেতে চাও তোমরা? আমি তো কোনো কিছু পাওয়ার আশা করিনি, শুধু ফুটবলটা খেলতে চেয়েছি।'

কেউ একটু ভালো খেললেই প্রথম সারির ক্লাবে যাচ্ছে, সেখান থেকে ইউরোপের নামী দামী ক্লাবে, বছরে কয়েক কোটি টাকা করে আয় করছে। আর রোজারিওর গলিতে বসে এক সাধক, পাড়ার মাঠে যাঁর খেলা দেখার জন্যে নিজের ক্লাব ফেলে ছুটে আসেন বিয়েলসা, পেকারম্যান..... তিনি হাসিমুখে বলছেন 'শুধু ফুটবলটা খেলতে চেয়েছি।'

এই নির্মোহ প্রেম আমি কোত্থাও দেখিনি, দেখে অভ্যস্ত নই।

বিখ্যাত ফুটবল লেখক আলেহান্দ্রো কারাভারিও বলেছিলেন, 'আর্জেন্টাইন ফুটবলের মূর্ত প্রতীক হচ্ছেন কার্লোভিচ। বল পায়ে ছুটতে ছুটতে যিনি বাঁধাধরা নিয়মকে হেলায় ড্রিবল করে বেরিয়ে গেছেন।' মেসিকে নিয়ে লেখা বইতে সাংবাদিক গিলেম ব্যালাগ লিখেছেন, 'কার্লোভিচ হচ্ছেন মেসির অ্যান্টিথিসিস। একই পাড়া থেকে উঠে আসা দুই বাঁ পায়ের জাদুকর, যাদের একজন বিশ্ববরেন্য, আরেকজনকে কেউ চিনলো না।'ভালদানো,আইমারের মতো বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় বলতেন, 'ট্রিঞ্চে মাঠে ফুটবল খেলে না। কবিতা লেখে। আর সেই কবিতা ফিজিক্সের নিয়ম মানে না।'

সত্যিই কবিতার মত জীবন থমাস কার্লোভিচের।কদিন আগে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, রাস্তায় এক কিশোর তাঁর সাইকেলটা ছিনতাই করে তাঁকে ধাক্কা মেরে ফুটপাতে ফেলে দিয়ে পালায়। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে কোমায় চলে যান চুয়াত্তর বছর বয়সের বুড়ো মানুষটি। জোগা বোনিতোর প্রাণখোলা ফুটবলের মত ৮ই মে সন্ধেবেলায় তিনিও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

ইতালি, স্পেন ঘুরে ১৯৯৩ সালে মারাদোনা যখন 'নেওয়েলস ওল্ড বয়েজ' ক্লাবে যোগ দিয়েছেন, এয়ারপোর্টে এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, 'তাহলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার আবার আর্জেন্টিনায় ফিরছে ?' বিন্দুমাত্র না ভেবে মারাদোনার উত্তর ছিল, 'পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলার কোনোদিন রোজারিও ছেড়ে বেরোয়নি, আর তার নাম ট্রিঞ্চে কার্লোভিচ।'

ফুটবলের এক অদ্ভূত দেশ এই আর্জেন্টিনা। দারিদ্র্য, ক্রাইম আর ফুটবল এক মায়ের পেটের তিন ভাইয়ের মতো বেড়ে ওঠে এখানে। রাস্তাঘাটে ধুলোয় গড়াগড়ি খায় অনামী মণিমুক্তোরা। আর তা সত্ত্বেও প্রতিদিন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কিছু খেলোয়াড় আর কোচ উঠে আসে এই দেশ থেকে। নোংরা, ধুলোকাদা মাখা ডানার একদল দেবদূত। যাদের গরিব পায়ের ছোঁয়া লেগে কথা বলে ওই গোলাকার বস্তুটা। আর সেই দেশের সবথেকে জনপ্রিয় জাদুকর কাল চলে গেলেন, সবার অলক্ষ্যে। আমাদের জন্যে রেখে গেলেন একগুচ্ছ গল্প, এক বিদ্রোহী নায়কের স্মৃতি, আর নিয়ম না মানা, এক বিনয়ী অথচ প্রচণ্ড জেদি মানসিকতা।

আমার বন্ধুরা কি বলেন ?

Videos (show all)

বাংলার নবজাগরণের পুরোধা, শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) আজ জন্ম...
GRAMMAR CLASS for classes IX to XII (TENSE & VOICE part-3)
GRAMMAR CLASS for classes IX to XII Part-2 (TENSE & VOICE)
A GRAMMAR CLASS ON TENSE & VOICE for classes IX to XII
Three Questions part -3 for class XII
Three Questions part 2 for class XII
A Day in the Zoo...part-3 (final part) for class IX
Part 2. " A Day in the Zoo" for class IX

Location

Category

Address

Ramchandrapur Sankrail Howrah
Howrah
711313

Opening Hours

Monday 11am - 4pm
Tuesday 11am - 4pm
Wednesday 11am - 4pm
Thursday 11am - 4pm
Friday 11am - 4pm
Saturday 11am - 1pm
Other Education in Howrah (show all)
Learn By Fun Learn By Fun
Howrah
Howrah

Prayas Chemistry Prayas Chemistry
1st Floor, Shree Varsha Appartment 49/1 Dobson Road
Howrah, 711101

A 'Renaissance' in Science Education... let's bond with Chemistry... Faculty - Raghav Mundhra

PSR Institute PSR Institute
105/2 Girish Ghosh Road, Liluah, Howrah-711204,Near Don Bosco, School Liluah Gate No-3,Opp.Sohanlal Balika Vidyalaya.
Howrah, 711204

We impart quality education to students from ICSE, ISC & CBSE Board & enable a holistic development of children.

Sip Abacus Howrah Maidan, Dumurjala & Domjur Sip Abacus Howrah Maidan, Dumurjala & Domjur
104 Joynarayan Babu Ananda Datta Lane Howrah 711101.
Howrah, 711101

SIP ABACUS & BRAIN GYM PROGRAM FOR 5 to 12 YEARS AGED CHILD. SKILL DEVELOPMENT PROGRAM SINCE 2007. WE ARE AT HOWRAH MAIDAN- DUMURJALA STADIUM AREA & DOMJUR

Target Points Target Points
ANDUL ROAD
Howrah, 711302

Home delivery grocery item.Howrah and kolkata.

ReadyTechtutorials ReadyTechtutorials
Howrah, 711113

Welcome To ReadyTech Tutorial To Join us!!! Simply Follow And Like us in Twitter and Facebook. Subscribe To our Youtube channel To Stay Upto date with us

My Question Paper-Madhyamik/H.S./CBSE/ICSE My Question Paper-Madhyamik/H.S./CBSE/ICSE
Howrah

This page is fully Informative. Here you will get every possible information and Question papers about Madhyamik/H.S. and other Exams. Best of Luck!

APEX Academy APEX Academy
20, ROUND TANK LANE, MULLICK PHATAK, SHANTINIKETAN APPARTMENT,
Howrah, 711101

Coaching for CS FINAL - FFTM(PAPER 5), CFA - ALL LEVELS, FRM - ALL LEVELS, CA IPCC - COST&FM,CS EXECUTIVE - COSTING, CA-CPT, Class XI & XII(All Boards).

Soulistic Minds Howrah Soulistic Minds Howrah
222/1 Panchanantala Road
Howrah, 700101

Soulistic Minds is an education institution established to deliver high quality education. Our aim is to support the next generation for a better future

Suvash Niketan Suvash Niketan
38 Shashi Bhusan Chatterjee Lane, Opposite Of Bally Municipality Office
Howrah, 711201

It's a play school for differently abled children under colaboration of PTRC & BTC .Development of functional potential is our main goal.Age 3-12yrs

MasterStroke Education MasterStroke Education
3 , Botanical Garden Road
Howrah, 711103

Coaching institute for ISC, ICSE, CBSE students of classes V - XII. Computer Coaching Centre providing advance programming courses and Python Language. Spoken English and Foreign Language Training Institute in Howrah.

N. M. Infotech N. M. Infotech
Howrah, 711101

E rickshaw wholesale and retail.. Top quality models best price. We prefer quality not looks..