মানুষ মরণশীল।অনিত্য এই সংসারে সবই পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যে নিজেদের ধরে রাখা সত্যিই কঠিন। এই কাঠিন্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল মানিসিক কাঠামোকে ঠিক রাখা। মনের সাথে শরীরের যোগ নিবিড়। তাই শরীর আর মন দুই-ই ঠিক রাখতে গেলে সঙ্গীতচর্চা একান্তভাবে প্রয়োজন। এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। ছবি আঁকা, ইত্যাদির মধ্য দিয়ে মানসিক চাপ(Tension)কমাতে পারি। তার ফলে যেমন হৃদরোগ এড়ানো সম্ভব তেমনি পাশাপাশি সৃজ
নশীল কিছু করা যায়।এর মধ্য দিয়ে দৈহিক, সামাজিক, আর্থিক, মানসিক তৃপ্তি লাভ সম্ভব হয়। “আলোর দিশা ড্রয়িং এডুকেশন সেন্টার
( সাংস্কৃতি ও তথ্য বিভাগ )” বর্তমান যন্ত্র সভ্যতার যুগে এই সকল বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার প্রতি দৃষ্টি রেখে সার্বিক মানব কল্যাণের, শিল্প ও শিল্পীকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়ার উদ্দেশ্যের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানের “শিল্পী সমাজ” অত্যন্ত দুঃস্থ, আর্থিক ভাবে দুর্বল। তাই তাঁদের শিল্পকর্ম যাতে বিদেশের বাজারে বিক্রয়ের মাধ্যমে কিছু আর্থিক সহায়তা করা যায় তার প্রতি “আলোর দিশা ড্রয়িং এডুকেশন সেন্টার( সাংস্কৃতি ও তথ্য বিভাগ )” দৃষ্টি রাখছে। এই “বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয়” স্বীকৃত মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদনাপক্ষারত এর উদ্দেশ্যগুলি হল :-
(1) অনুমোদন কেন্দ্রগুলিতে পাঠরত শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা গ্রহণ।
(2) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সমস্ত ছাত্র/ছাত্রীকে প্রতি বৎসর আভিজ্ঞান পত্র/উপাধিপত্র প্রদান করা।
(3) জ্ঞানী-গুণীজনের সম্বর্ধনার ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা করা।
(4) পুরনো ছবির সংরক্ষণ সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা।
(5) শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
(6) দুঃস্থ শিল্পীদের আর্থিক অনুদান প্রদান করা।
(7) নিজস্ব বাৎসরিক ‘পত্রিকা’ প্রকাশ করা।
(8) প্রিন্টিং-এর কাজ শেখানো।
(9) সৃজনশীল কাজের জেলাওয়ারি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা।
(10) বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও সকল কেন্দ্রাধ্যক্ষগণকে আমন্ত্রণ ও তাঁদের মতামত জানা বা জানানোর ব্যবস্থা করা।