20/04/2026
গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে যখন চারপাশ খাঁ খাঁ করছে, তখন বিদ্যালয়ের এক কোণে এক চিলতে স্বস্তি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের 'বাটারফ্লাই গার্ডেন' বা প্রজাপতি বাগান। এই গরমেও সেখানে প্রাণের স্পন্দন থামেনি; বরং নানা রঙের ফুলের মেলা আর প্রজাপতিদের ডানার ঝাপ্টায় বাগানটি এখন এক মায়াবী রূপ ধারণ করেছে।
আমাদের বিদ্যালয়ের এই বিশেষ বাগানে বর্তমানে যে সমস্ত ফুল ফুটেছে এবং প্রজাপতিদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, তাদের নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:
গ্রীষ্মের রঙে রঙিন বাটারফ্লাই গার্ডেন
১. স্থলপদ্ম (Confederate Rose):
বাগানের একপাশে সগর্বে ফুটে আছে স্থলপদ্ম। এই ফুলের বিশেষত্ব হলো এর রঙ পরিবর্তন। সকালে যখন ফোটে তখন থাকে সাদা, বেলা বাড়ার সাথে সাথে তা হালকা গোলাপি এবং বিকেলে গাঢ় গোলাপি বর্ণ ধারণ করে। এর বড় বড় পাপড়িগুলো প্রজাপতিদের বিশ্রামের জন্য আদর্শ স্থান।
২. গার্লিক ভাইন (Garlic Vine):
লতা জাতীয় এই গাছটি এখন বেগুনী ফুলের থোকায় ভরে গেছে। এর পাতা ছিঁড়লে রসুনের মতো গন্ধ বের হয় বলেই এর এমন নামকরণ। এই উজ্জ্বল বেগুনী রঙ দূর থেকেই প্রজাপতিদের আকৃষ্ট করছে।
৩. জেট্রোফা (Jatropha):
গাঢ় সবুজ পাতার মাঝে ছোট ছোট লাল রঙের জেট্রোফা ফুলগুলো যেন আগুনের ফুলকি। এই ফুলগুলো সারা বছর ফুটলেও গ্রীষ্মে এদের জেল্লা বেড়ে যায়। এর মিষ্টি মধু সংগ্রহ করতে মৌমাছি আর প্রজাপতিরা ভিড় জমায়।
৪. বিচিত্র রঙের রঙ্গন (Ixora):
বাগানের আনাচে-কানাচে ফুটে আছে বিভিন্ন রঙের রঙ্গন— লাল, গোলাপি, হলুদ এবং সাদা। ছোট ছোট তারার মতো ফুলগুলো যখন থোকায় থোকায় ফোটে, তখন মনে হয় যেন কেউ বাগানে রঙের আলপনা দিয়ে রেখেছে।
৫. ল্যান্টানা ক্যামেরা (Lantana Camara):
প্রজাপতি বাগানের প্রাণ বলা যায় ল্যান্টানাকে। এর একেকটি থোকায় হলুদ, কমলা আর লাল রঙের মিশ্রণ দেখা যায়। এই ফুলগুলো প্রচুর পরিমাণে নেক্টার বা মধু সরবরাহ করে, যা কমন জে (Common Jay) বা প্লেইন টাইগার (Plain Tiger)-এর মতো প্রজাপতিদের প্রধান খাদ্য।
৬. ক্লক ভাইন (Clock Vine):
নীল বা বেগুনি রঙের এই লতানো ফুলটি বাগানের বেড়া বা গেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ঘণ্টার মতো আকার আর নীল আভা বাগানে এক শীতল পরশ বুলিয়ে দেয়। এছাড়াও আরো অনেক ফুলের গাছ আছে, সেগুলি পরের পর্বে অবশ্যই জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রজাপতি ও পরিবেশের মেলবন্ধন
এই গরমে যখন জলাশয় শুকিয়ে আসে, তখন এই বাগানটি প্রজাপতিদের জন্য এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আমরা লক্ষ্য করেছি:
কমন মরমন (Common Mormon) এবং লাইম বাটারফ্লাই (Lime Butterfly)-দের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি।
ফুলের মধু পান করার পাশাপাশি প্রজাপতিরা গাছের পাতায় ডিম পাড়ছে, যা আমাদের প্রাণিবিদ্যার পাঠকে আরও জীবন্ত করে তুলছে।
বিদ্যালয়ের এই বাটারফ্লাই গার্ডেনটি শুধুমাত্র সৌন্দর্য বর্ধন করে না, বরং এটি আমাদের প্রকৃতির বাস্তুসংস্থান বুঝতে সাহায্য করে। এই কাঠফাটা রোদেও যখন রঙিন ডানার প্রজাপতিরা ফুলের ওপর ওড়াউড়ি করে, তখন সারা দিনের ক্লান্তি নিমেষেই দূর হয়ে যায়।
04/04/2026
জল সংরক্ষণ ও পরিবেশ সচেতনতায় পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দির
বর্তমান বিশ্বে জলসংকট মোকাবিলা এবং পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত সরকারের ‘রাষ্ট্রীয় আবিষ্কার সপ্তাহ’ পালন করল পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দির। সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচিতে জল সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই উদ্যোগকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
কর্মসূচির মূল দিকসমূহ:
১. জল সংরক্ষণে ‘রিজার্ভ পিট’ ও ব্যবহারিক পরিকল্পনা:
জল অপচয় রোধে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রিজার্ভ পিট বা পুনর্ভরন গর্ত তৈরির প্রক্রিয়া প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া, ‘জল সংরক্ষণের জন্য কমিউনিটি প্ল্যানিং’ শীর্ষক আলোচনায় স্থানীয় স্তরে কীভাবে বৃষ্টির জল ধরে রাখা যায় এবং দৈনন্দিন জীবনে জলের অপচয় কমানো সম্ভব, সে বিষয়ে একটি সুসংবদ্ধ পরিকল্পনা পেশ করা হয়।
২. বৃহৎ জলাভূমি পরিদর্শন:
শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে ব্যবহারিক জ্ঞান দিতে স্থানীয় একটি বৃহৎ জলাভূমি পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জলাভূমির বাস্তুসংস্থান (Ecosystem) এবং ভূগর্ভস্থ জলস্তর বজায় রাখতে জলাশয়ের ভূমিকা ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি প্রত্যক্ষ করে।
৩. সেমিনার ও সচেতনতা শিবির:
বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে ‘জল সংরক্ষণ: সময়ের দাবি’ বিষয়ে একটি বিশেষ সেমিনার আয়োজিত হয়। তথ্যচিত্র ও স্লাইড শোর মাধ্যমে জলসংকটের ভয়াবহতা এবং তা থেকে উত্তরণের পথগুলি তুলে ধরা হয়। ডিজিটাল স্ক্রিনে ছাত্রছাত্রীদের জন্য জল সংরক্ষণের বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে শেখানো হয়।
৪. বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি:
‘বৃক্ষহীন পৃথিবী, জলহীন জীবন’—এই বার্তাকে সামনে রেখে বিদ্যালয় চত্বর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৃষ্টিপাত নিশ্চিত করতে গাছের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে শিক্ষকদের বক্তব্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে।
পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দিরের এই গঠনমূলক উদ্যোগ কেবল একটি সপ্তাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এই বিদ্যালয়ের ইকো ক্লাব ( ECO CLUB) শিক্ষার্থীদের মনে পরিবেশ রক্ষার যে বীজ বপন করেছে, তা আগামী দিনে এক সচেতন সমাজ গড়তে সাহায্য করবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "ছাত্রছাত্রীরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের মধ্যে এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারলেই আমাদের এই পরিশ্রম সার্থক হবে।"
07/03/2026
পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দিরের পক্ষ থেকে একাদশ শ্রেণীতে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি :
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে একাদশ শ্রেণীতে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করেছে, যেখানে বছরে দুবার (সেমিস্টার ১ ও ২) পরীক্ষা হয়। মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের পর মে মাসের মাঝামাঝি বা তার পরে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় । ভর্তি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ সেমিস্টার ভিত্তিক পাঠ্যক্রম ও বিষয় নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে পরিচালিত হয়।
একাদশ শ্রেণী ভর্তি সংক্রান্ত মূল বিষয়সমূহ (সেমিস্টার পদ্ধতি):
ভর্তি সময়কাল: মাধ্যমিক ফলাফল প্রকাশের পর, সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি ।
সেমিস্টার কাঠামো: একাদশ শ্রেণীতে বছরে দুবার সেমিস্টার পরীক্ষা হবে । প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের নম্বর মিলিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন হয়, যা WBCHSE-র নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী হয়।
পরীক্ষা পদ্ধতি: সেমিস্টার ১-এ সাধারণত MCQ (বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন) ভিত্তিক পরীক্ষা ও সেমিস্টার ২-এ বর্ণনামূলক প্রশ্ন থাকে।
বিষয় নির্বাচন: ভর্তির সময় সেমিস্টার ভিত্তিক বিষয় সংমিশ্রণ (Subject Combination) বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকছে ।
তাই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সময় খুব কম। এখন থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সাবজেক্ট কম্বিনেশন পছন্দ করে নিলে একাদশ শ্রেণীতে পঠন পাঠন এর ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকটাই সুবিধা হবে।
25/02/2026
বিদ্যালয়ের প্রজাপতি বাগানে নতুন সংযোজন গোলাপবাগান এবং তারই সাথে সাথে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার করে প্রতিটি গাছের ক্ষেত্রে জ্যামিতিক আকার প্রদান। আর ও নতুন কিছু সংযোজন- এর ক্ষেত্রে আপনাদের সকলের পরামর্শ একান্তভাবে আশা করছি।
29/01/2026
বিদ্যালয়ে আজ সরস্বতী পূজা উপলক্ষে
মহাভোজের যে আয়োজন করা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীরা আনন্দ সহযোগে সেই মহাভোজে অংশগ্রহণ করেছে। সেই আনন্দের কিছু মুহূর্ত....
( মেনুতে আছে বাসন্তী পোলাও,আলুর দম, চিকেন কারি, চাটনি, পাঁপড়, রসগোল্লা )
20/01/2026
পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দিরের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আজ ছিল অন্তিম দিন। বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অফুরান প্রচেষ্টায় উজ্জ্বলভাবে পরিসমাপ্তি ঘটল বর্তমান বৎসরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রাক্তন ছাত্ররাও অংশগ্রহণ করেছিল তাদের নির্দিষ্ট ইভেন্টে। "Go As You Like" ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয় পছন্দের উপর ছিল অভিনবত্বের ছাপ। একজন খেলোয়াড় হিসাবে সকলকে অনুপ্রাণিত করল আমাদের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আঘাতপ্রাপ্ত হাত নিয়ে মিউজিকাল চেয়ারে প্রথম হয়ে। অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সকলের জন্য ছিল টিফিনের ব্যবস্থা এবং প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ছিল আজ দুপুরের আহারের ( খিচুড়ি,আলুর দম চাটনি ) আয়োজন। পড়াশোনার সাথে খেলাধুলার যে একটা মেলবন্ধন আছে তা সকলের জন্য বার্তা প্রেরণ করল অষ্টম শ্রেণীর ফাস্ট বয় তিনটি ইভেন্টেই স্থান অর্জন করে। এরকম টুকরো টুকরো অনেক মুহূর্ত গেঁথে থাকল আমাদের মানস পটে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
18/01/2026
সিমচক কমলা বিদ্যাপীঠের সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে ফুটবল প্রতিযোগিতায় পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দির রানার্স খেতাব অর্জন করে। একই খেতাবের পুনরাবৃত্তি ঘটে ৯ই জানুয়ারি বলাইচক উচ্চ বিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে ফুটবল প্রতিযোগিতায়। দুই টুর্নামেন্টেই ম্যান অফ দি টুর্নামেন্ট হয় বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র প্রিয়াংশু ঘোষ। দুই টুর্নামেন্টের কিছু মুহূর্ত।
17/01/2026
বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রথম দিনের কিছু উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত...
07/01/2026
বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের Road safety বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আয়োজিত হল "Safe Drive Save Life" বিষয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা।
শিক্ষার্থীরা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে। প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের উপস্থিতিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
27/12/2025
"আজ থেকে সব ছুটি, ফুরালো কর্মজীবনের ধাওয়া,
ফিরলাম আবার সেই শান্ত নীড়ে, যেখানে কেবলই হাওয়া।
ঘড়ির কাঁটা নয়, এবার চলব প্রকৃতির ডাকে,
ভোরের আলোয় জাগব, সূর্যাস্ত দেখব একে একে।"
শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শিক্ষক মহাশয়দের কোনদিনই অবসর হয় না, তাঁদের শিক্ষার ভান্ডার ফল্গু স্রোতের মতো চলতে থাকে দিনের পর দিন শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে। পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দিরের বাংলার শিক্ষক মাননীয় সত্যব্রতবাবু গত ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫( ২৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি থাকায় শিক্ষাবর্ষের শেষ কর্মদিবসে অনুষ্ঠানটা করা হয়) সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করলেন।আপনার উজাড় করে দেওয়া জ্ঞান এবং অগণিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের নতুন পথ দেখিয়েছে ।আপনার ধৈর্য্য, যত্ন এবং শিক্ষাদানের অসাধারণ নিষ্ঠা শিক্ষার্থীদের জীবনে অবিস্মরণীয় প্রভাব ফেলেছে। আপনার অভাব আমরা অনুভব করব। আপনার সাহিত্যচর্চা, শিল্পকলা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।
শীতের সকালে ঘাসের ডগায় মুক্তোর মতো উজ্জ্বল শিশির বিন্দুর ন্যায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক আপনার শিল্পকলা।অবসরের এই নতুন অধ্যায় আপনার জীবনে শান্তি ও আনন্দ নিয়ে আসুক। আপনি আপনার সদা হাস্যময় জীবন নিয়ে সুস্থ থাকুন ও ভালো থাকুন।