Deulpur High School

Deulpur High School

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deulpur High School, School, DEULPUR, Howrah.

Operating as usual

26/12/2020

দ্বাদশ শ্রেণীর সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত জরুরী একটি ঘোষণা। এই ঘোষণাটি আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান দ্বাদশশ্রেণীতে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে

04/11/2020

নবম শ্রেণীর ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি ঘোষণা

15/09/2020

Photos from Deulpur High School's post

28/09/2019

Deulpur High School: duet song by Jayanta sir & Subhankar sir in Annual function 2019

এ বছরের বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সেরা চমক - জয়ন্ত বাবু ও শুভঙ্করবাবুর যুগলবন্দী- কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই।

https://youtu.be/JqpTI1iIJkc

19/09/2019

খুব দুষ্টু।ক্লাস এইটে পড়ে।নাম সৌরিন। ক্লাসে দুমিনিট চুপ করে একে বসানো আর খ্যাপা ষাঁড়কে বাগ মানানো একই ব্যাপার। আজ কথা বলতে বলতে বেরিয়ে পড়ল ওর এই প্রতিভা।
দেখছিলাম আর মনে মনে ভাবছিলাম,এতো পুরো বারুদ!খোলা হাওয়ায় ছেড়ে দিলাম তাই।এখন দেখি দেশলাইটা কে মারে এই বারুদে।ভাইরাল করতেই হবে।

10/01/2019

DEULPUR HIGH SCHOOL: VOLLEYBALL PRACTICE MATCH

10/01/2019

DEULPUR HIGH SCHOOL: VOLLEYBALL PRACTICE MATCH

আগামীকাল হতে চলা ' ছাত্র বনাম শিক্ষক' ভলিবল ম্যাচের প্রস্তুতির একঝলক

https://www.youtube.com/watch?v=GG3FqRaPlXE&t=81s

[01/10/19]   আগামীকাল স্কুলের মাঠে দুপুর ২.৩০টে থেকে'ছাত্র বনাম শিক্ষক' ভলিবল ম্যাচ।সবাই এসো।

20/08/2018

Deulpur High School

গত একশো বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ানক বন্যার তোড়ে আজ কেরালাবাসী আক্রান্ত। স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৮০০% অতিবৃষ্টির ফলে সমগ্র কেরালা আজ জলনিমগ্ন। হাজার হাজার মানুষ আজ ভিটেছাড়া।এই বন্যা কেড়ে নিয়েছে প্রায় ৪০০টি জীবন। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে সকল বিশ্ববাসী আজ শোকস্তব্ধ। সমগ্র ভারতবাসী আজ নিজেদের সামর্থ্য মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাই আমরা দেউলপুর হাই স্কুল-এর ছাত্রছাত্রীরা একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি যে আমরা প্রত্যেকে নিজেদের সামর্থ্য মতো কিছু অর্থ একত্রিত করে ত্রানশিবিরে পাঠিয়ে কেরালার দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াবো। তাই সকল দেউলপুর হাই স্কুলের বন্ধুদের অনুরোধ করছি তোমরা নিজেদের সামর্থ্য মতো কিছু অর্থ আগামী দুদিনের মধ্যে(২২/০৮/২০১৮) বিদ্যালয়ে জমা দাও।

দয়া করে উপেক্ষা না করে এই পোষ্টটি সকল দেউলপুর হাই স্কুল বন্ধুদের শেয়ার করো।

দ্বাদশ শ্রেণী-দেউলপুর হাই স্কুল

[08/20/18]   গত একশো বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ানক বন্যার তোড়ে আজ কেরালাবাসী আক্রান্ত। স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৮০০% অতিবৃষ্টির ফলে সমগ্র কেরালা আজ জলনিমগ্ন। হাজার হাজার মানুষ আজ ভিটেছাড়া।এই বন্যা কেড়ে নিয়েছে প্রায় ৪০০টি জীবন। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে সকল বিশ্ববাসী আজ শোকস্তব্ধ। সমগ্র ভারতবাসী আজ নিজেদের সামর্থ্য মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাই আমরা দেউলপুর হাই স্কুল-এর ছাত্রছাত্রীরা একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি যে আমরা প্রত্যেকে নিজেদের সামর্থ্য মতো কিছু অর্থ একত্রিত করে ত্রানশিবিরে পাঠিয়ে কেরালার দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াবো। তাই সকল দেউলপুর হাই স্কুলের বন্ধুদের অনুরোধ করছি তোমরা নিজেদের সামর্থ্য মতো কিছু অর্থ আগামী দুদিনের মধ্যে(২২/০৮/২০১৮) বিদ্যালয়ে জমা দাও।

দয়া করে উপেক্ষা না করে এই পোষ্টটি সকল দেউলপুর হাই স্কুল বন্ধুদের শেয়ার করো।

দ্বাদশ শ্রেণী-দেউলপুর হাই স্কুল

28/02/2018

[02/28/18]   আজ বেলা ২.৩০ টে থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে।

24/01/2018

সরস্বতী প্রতিমা বিসর্জনের পর

[01/24/18]   গত কাল স্মরণীয় গেল আমাদের স্কুলের কাছে।

1. ডোমজুড় বিজ্ঞান মেলায় জুনিয়র বিভাগে আমরা 'প্রথম' স্থান অধিকার করেছি।

অংশগ্রহণে- প্রীতম নস্কর, সৌরভ দাস, পুষ্কর বাগ

2. গঙ্গাধরপুর যুগবাণী সংঘে আয়োজিত ক্যুইজ প্রতিযোগিতায়

'তৃতীয় স্থান'

অংশগ্রহণে- সোহম নস্কর, মিরান মন্ডল, হিমাংশু পাত্র

3. ধুলাগড় যুগান্তর সংঘে আয়োজিত ক্যুইজ প্রতিযোগিতায়

'প্রথম স্থান'

অংশগ্রহণে- হিমাংশু পাত্র, সোহম নস্কর

[01/20/18]   পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ছাত্র বিজ্ঞান মেলায় জেলা স্তরে
আমাদের বিদ্যালয় 'সিনিয়র' বিভাগে

'সৌরভ দাস ও সহদেব নাথ' প্রথম স্থান অধিকার করে রাজ্য স্তরে উত্তীর্ণ হয়েছে।

20/01/2018

পার্বতীপুর বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিতর্ক, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা ও ক্যুইজে আমাদের স্কুলের ছাত্ররা স্কুলের নাম উজ্জ্বল করল আবার।

বিতর্কে- সোহম নস্কর (প্রথম), সৌরভ দাস (তৃতীয়)

তাৎক্ষণিক বক্তৃতা- সৌরভ দাস (দ্বিতীয়)

ক্যুইজ- সোহম নস্কর ও হিমাংশু পাত্র (দ্বিতীয়)

[12/31/17]   # বর্ষ শেষের হর্ষ #

ন্যাশনাল চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস প্রতিযোগিতায় জাতীয় স্তরে সারা ভারত থেকে আগত ৮৫০টি স্কুলের মধ্যে সেরার সেরা ১৫টি স্কুলের মধ্যে আমাদের স্কুলের ছাত্র 'সোহম নস্কর' স্থান করে নিয়েছে।

দেউলপুর হাই স্কুল ন্যাশনাল চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেসে ভারত সেরা ১৫টি স্কুলের মধ্যে অন্যতম।

।। বুকে নিয়ে এ হর্ষ
হোক শুরু নববর্ষ ।।

07/12/2017
29/11/2017

আমাদের স্কুলের জন্য একটা ভীষণ ভালো খবর। আমাদের বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র

"সোহম নস্কর"

জাতীয় শিশু বিজ্ঞান কংগ্রেসে "জাতীয় স্তরে" নির্বাচিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩০ জনের দল যাবে। সমগ্র হাওড়া জেলা থেকে চারটি মাত্র বিদ্যালয় জাতীয় স্তরে উত্তীর্ন হতে পেরেছে। দেউলপুর হাই স্কুল তাদের মধ্যে একটি।

আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৩০শে ডিসেম্বর অবধি গুজরাটে এই প্রতিযোগিতা চলবে।

প্রধান অতিথি থাকছেন- মাননীয় রাষ্ট্রপতি

সোহম এর জন্য স্কুলের তরফ থেকে অকুন্ঠ শুভ কামনা রইল।

17/11/2017

সফিকুলের আত্মার শান্তি কামনা করি।সফিকুল তুই ঘুমো।আমরা জেগে আছি।

বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০১৭ এর কিছু মুহূর্ত 06/10/2017

বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০১৭ এর কিছু মুহূর্ত

04/10/2017
17/09/2017

Deulpur High School: Annual Function 2017 Trailer

এ বছরের আমাদের স্কুলের চোখ ধাঁধানো বার্ষিক উৎসবের একটা ছোট্ট ঝলক।

16/09/2017

আমাদের স্নেহের ছাত্র- ছাত্রীদের কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত

16/09/2017

কৃতী ছাত্র- ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণ - ২০১৭

[09/13/17]   আবার একটা সুখবর।

ন্যাশনাল চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস প্রতিযোগিতায় আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্র

"সোহম নস্কর"

রাজ্য স্তরে কোয়ালিফাই করেছে।

ওর জন্যে শুভ কামনা কর সবাই যাতে জাতীয় স্তরে স্কুলের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে ও।

11/09/2017

প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। তারই এক ঝলক।

দেউলপুর হাই স্কুল বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী ২০১৭

[09/11/17]   বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানের আগেই এক আনন্দের খবর আমাদের স্কুলের জন্যে।

আমাদের স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র

"সোহম নস্কর"

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত
তাৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতায়

"দ্বিতীয়" স্থান অধিকার করেছে।

স্কুলের তরফ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জানাই তোমায়।

09/09/2017

কেন যাব? কেন আমি আ্যনুয়াল ফাংশন এর দিন স্কুল যাব? আমি তো প্রথম তিনজনের মধ্যে দূরে থাক, প্রথম পঞ্চাশের মধ্যেও আসিনি কোনদিন।যারা প্রাইজ পায় তারা প্রতি বছরই পায়।আমি কি জীবনে ওদের মত হতে পারব নাকি?আমার বন্ধুরা কেউ যাবে না ওইদিন।আমি একা একা গিয়ে কি করব!

আমি যখন ছাত্র ছিলাম তোমাদের মত আমি তখন আমার স্কুলের আ্যনুয়াল ফাংশন এ একবারও যাইনি। কারণ আমার খুব কষ্ট হত ওই দেমাকি ছেলেগুলোকে হাসতে হাসতে মঞ্চে উঠতে দেখে। মনে হত মানুষ হলেও আমরা, একে ওপরের মাঝে কত আলোকবর্ষ ব্যবধান।

আমি আ্যনুয়াল ফাংশনে কোনদিন স্কুল যাইনি কারণ আমি কোনদিন মনে করিনি আমার যাওয়ার কোন প্রয়োজনীয়তা আছে। আমি না পারি পড়াশোনা, না পারি খেলাধূলা, না পারি আঁকতে, আবৃত্তি করতে, গিটার বাজাতে আর না পারি গান গাইতে।এত কিছু যার নেই, ওই হাসি হাসি মুখে ওই ছেলে গুলোর বাবা মায়ের ছেলের পাওয়া প্রাইজ গোছানো দেখতে আমার যাওয়ার দরকার নেই। আর আমি গেলেই কি আর না গেলেই স্কুলের এই জৌলুসে তার কোন প্রভাব পড়বে না।আমার নামটাই তো কোন স্যার ম্যাডাম জানেননা, তো আবার আমার আসা আর না আসা!আমি খুব ভাল করে বুঝতাম আমার মত ছেলেরা আসলে স্কুলের কাছে একটা সংখ্যা, একটা স্ট্যাটিসটিক্স জাস্ট। প্রতি বছর এরকম কত সংখ্যা বেরিয়ে যায়। আবার একদল এসে ভর্তি হয়।

আমরা জানি এই স্কুলের বাইশটা ঘরে এমন সংখ্যা কোণায়, কোণায়, জানলার ধারে, বেঞ্চের মাঝে বসে থাকে যাদের কাছে আ্যনুয়াল ফাংশন একটা ছুটির দিন জাস্ট। এ দিনটা তোমার কোনদিন ছিল না, আজও নেই, পরেও যে আর হবে না,তা আমরাই তোমাদের মাঝে মাঝেই বুঝিয়ে দিয়েছি।

আমরা জানি তোমরা যারা পড়াশোনা করে কোনদিন ওই মঞ্চটায় উঠতে পারনি, তারা মনে একটা ছোট্ট শিশুকে আজন্ম আদর করে এসেছো, আমিও নাচবো ওই দিন।আমার স্বরের উত্থান পতনে প্রতিধ্বনিত হবে স্কুলের মাঠ, বিল্ডিং, আকাশ। আমার মা'ও বসে থাকবে দর্শকের আসনে লাজুক মুখে একরাশ টেনশন নিয়ে, তার মেয়ে আজ নাচবে, তার ছেলে আজ আবৃত্তি করবে,নাটক করবে।একবার অন্তত ওই মঞ্চটায় যদি উঠতে পারতাম!

আমরা এও জানি তোমরা যারা এই স্কুলের পাঠ চুকিয়ে জীবন আর জীবিকার উদ্দেশ্যে রোজ সংগ্রাম করছ, তারাও কেউ আসতে চাও না কারণ স্কুল ছেড়ে দেওয়ার পর স্কুলের ওপর তোমাদের আর অধিকার থাকে না এমনটাই শুনে এসেছ। তোমরা অনেকেই হয়ত ঠকে শিখেছ, স্কুল কখনো নিজের হয় না।ওটা একমাত্র বাড়িই হয়। না তুমি কোনদিন স্কুলের কেউ ছিলে না স্কুল কোনদিন তোমার ছিল।

তোমরা যারা স্কুলের পাশ দিয়ে ফেরো প্রতিবছর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দিন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই একবার গেটের দিকে তাকিয়ে বেরিয়ে গেছ। যারা ঢুকেছিলে তারা এক কোণায় দাঁড়িয়ে যত না অনুষ্ঠান দেখলে , তার চেয়ে বেশি স্যার ম্যাডাম দের দেখতে দেখতে ভেবেছিলে- এখন আর কোন ভয় নেই। তোমায় কেউ আপ্যায়ন করেনা, তুমি আশাও করনা সেটা, তবু বুকের ভিতর কেমন যেন একটা হু হু লাগা থাকে,নিজেকে কোথাও একটা অযাচিত, অবাঞ্ছিত, আউটসাইডার মনে হয়।বেরিয়ে এসেছ অল্প একটু থেকেই।

প্রাইজ দেওয়াটা একটা রীতি।একটা নিয়ম। এমন একটা নিয়ম যেটা দেখতে দেখতে এটাও মনে হতে পারে কখনো আমাকেও এই মঞ্চে একদিন উঠতে হবে। মানুষের জীবনের প্রথম জেদ জন্ম নেয় এই প্রাইজ দেওয়া দেখতে দেখতেই। কার বুকে কখন প্রত্যয় জন্ম নিতে থাকে, যে আমাকেও দেখিয়ে দিতে হবে একদিন ওই মঞ্চটায় উঠে-এভারেস্ট যদি ডিঙোতে পারে মানুষ, তো এই মঞ্চটাকেও জয় করা যায়।

তোমরা যারা কোনদিনই পারলে না কোন কারণেই ওই মঞ্চটায় উঠতে, তারা জেনে রেখো, ওই মঞ্চটা আসলে তোমাদের বিচরণের জন্য অনেকটাই ছোট। তোমরা যখন মাঝ রাস্তায় সাইকেল থেকে নেমে পড় এই স্কুলের কোন দিদিমণিকে দেখে, কিংবা কোন একা একা বাড়ি ফেরা মাস্টারমশাইকে হাঁটতে দেখে বাইক থামিয়ে স্যার কে বাইকে তুলে নাও, জেনে রাখ তোমাকে সম্মানিত করার জন্য আমাদের মঞ্চটা সেই মুহূর্তে অনেক তুচ্ছ, অনেক ছোট হয়ে যায়। পুরস্কার তো আসলে সেই ভরসাটা দেয়, আমাদের যে এই ছেলেটি বা মেয়েটিকে আমরা সঠিক শিক্ষা দিতে পেরেছি। কিন্তু তোমাদের ব্যবহার আমাদের সেই ভরসা দেয়, তোমাদেরকে আমরা মানুষ করতে পেরেছি।

তোমরা এই মুহূর্তে যে, যে কলেজে পড়ছ, যে যেখানে ব্যবসা করছ, চাকরি করছ তারা প্রতিদিন তোমাদের প্রত্যেকটা সাহায্যের মধ্যে দিয়ে, প্রত্যেকটা পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে দিয়ে, প্রত্যেকটা সৎ সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে তোমার স্কুলকে রোজ রোজ আরো একটু গর্বিত করে তুলছো, আরো একটু সম্মানিত করছো সেটা তোমরা নিজেরাই জানো না। তোমরা বোকার মত খালি ভেবে এসেছ স্কুল ছাড়লেই সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় স্কুলের সাথে, অধিকার হারিয়ে যায়, স্কুলের মাঠটার ওপর।

ওরে পাগলের দল, সেই যখন বন্ধুরা রাক্ষস বললে খেপে যেতে, মোটা বললে রেগে যেতে, সেই যখন হাফ প্যান্ট পরে আসতে, সেই যখন মাথায় দু দিকে শিংয়ের মত করে ফিতে দিয়ে ঝুঁটি বেঁধে পি.টি করতে সেই সময় থেকে স্কুল তোমার বাবা মায়ের মত আগলেছে তোমায়, তোমার গোঁফ গজানো থেকে গলার স্বর ভাঙা, তোমার ফ্রক থেকে তোমার শাড়ি তে উত্তরণ সবই দেখেছে এই স্কুল। সেই স্কুল তোমাদের ছাড়া আর কারই বা হতে পারে!

এই মঙ্গলবার (১২ই সেপ্টেম্বর), এবং বুধবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) এই স্কুলের প্রতিটা...প্রতিটা ছাত্র ছাত্রীকে, বর্তমান এবং প্রাক্তন সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলের তরফ থেকে বিশেষ বিশেষ আমন্ত্রণ রইল এইবারের অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী এই পেজ-এ আছ তারা তোমাদের যতদূর অবধি ক্ষমতা যায়, তোমাদের পুরো ব্যাচ, তোমাদের সমস্ত চেনা জানা ছাত্র-ছাত্রী যারা একসময় এই স্কুলে পড়েছে, সব্বাই কে নিয়ে চলে এস।যাদের সঙ্গে কারো আর যোগাযোগ নেই, তারা পরিবারের সাথে চলে এস। এই দু দিন আমরাও চাই তোমাদের সাথে ছোট হয়ে যেতে, এই দুদিন আমরাও চাই তোমাদের যত জমে থাকা মান অভিমান সব টুকরো টুকরো হয়ে যাক, আমাদের ভালবাসার ছোঁয়ায়।

এসে দেখে যাও, এ স্কুল তোমার ছিল, এখনো তোমারই আছে।

দেখা হচ্ছে তাহলে স্কুল মাঠে। ভাল থেকো, সুস্থ থেকো, আনন্দে থেকো।

05/09/2017

২০ থেকে ৪০ এই সীমার মধ্যে যাদের রোল হয় স্কুলে,তাদের নাম, সাধারণত কোন মাস্টারমশাই জানেন না।স্বাভাবিক।এই মহাবিশ্বের কোটি কোটি নক্ষত্রের ভীড়ে কেবল তাদেরই নামকরণ হয় যারা কোন না কোন গ্রহের খুব কাছে অবস্থান করে। কেবল তাদেরই নামকরণ হয় যাদের বিচ্ছুরণে সবচেয়ে বেশি আলো বেরোয়। কেবল তাদেরই নামকরণ হয় যারা আকৃতিতে বিশাল হ্য়।এর মাঝে রোজ কত শত নক্ষত্র মহাকাশের কোন সুদূর কোণে চুপচাপ মরে যায়।বিস্ফোরণের আওয়াজ নয়, পৃথিবীতে এসে পৌঁছয় তাদের ধবংসের আলোটুকু।বিজ্ঞানীরা তাই সব নক্ষত্রের নামকরণ করেন না।

আমি যখন ছাত্র ছিলাম আমার চোখে শিক্ষকরা স্পষ্ট দুটো ভাগে বিভক্ত ছিল।এক শ্রেণীর স্যর যারা ভীষণ মারেন;আরেক শ্রেণীর স্যর যারা মারেন না, কিন্তু এমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে তাদের সামনে কথা বলতে গেলে ভয় হত যে আমার কোন কথায়, কোন অজ্ঞানতায় না উনি অপমানিত হন।ফলে কোন দিন আমার আর জিগেস করা হয়ে উঠল না – ‘ এই অঙ্কের শেষটা ঠিক বুঝতে পারলাম না. . . আরেক বার বুঝিয়ে দেবেন স্যর! সবাই যেখানে একেবারেই বুঝে গেল, সেখানে আমার এই বুঝতে না পারা এটাই প্রমাণ করে যে – অঙ্ক আমার জন্যে না।ইংরাজীতে ‘ফ্রেন্ড’ এর সমার্থক জানতে চেয়েছিলাম এক শিক্ষকের কাছে।আমার দিকে তাকিয়ে উনি বললেন-কেন?কি কাজে লাগবে?আমি ভীষণ অপ্রস্তুত হয়ে বললাম- না মানে এমনি স্যর! বললেন, ‘দুঃখের সময় যে পাশে দাঁড়ায় সেই প্রকৃত বন্ধু’- এটা আগে ট্রান্সলেট কর।পারলে, বলব।ইংরেজিতে কাঁচা আমার সেদিন আর জানাই হলনা ‘ফ্রেন্ড’ এর সমার্থক হয় কিনা।

সেই বয়সে একটা কথা বুঝেছিলাম- স্যরেরা শুধু প্রথম আর শেষ বেঞ্চের ছাত্রদেরই চেনেন।মাঝখানের বেঞ্চগুলো শুধু সংখ্যা।যারা শেষ বেঞ্চে বসত তারা কেউ পড়াশোনা করত না।কিন্তু খেলাধুলো আর বদমায়েশিতে প্রথম ছিল। যারা প্রথম বেঞ্চে বসত, তারা কেউ খেলাধুলো করত না।কিন্তু পড়াশোনা, আবৃত্তি, গান, আঁকা তে প্রথম ছিল। এই চরম উত্তর আর চরম দক্ষিণের মাঝে আমরা ছিলাম এক আদি অন্তহীন গ্রস্ত উপত্যকা।এ দেশের মধ্যবিত্তের ডাকনাম যেমন – ‘লোকটা’, তেমনি রোল ২০ থেকে ৪০ এর পরিচিতি ছিল- ‘ছেলেটা’।আরেকটু বড় হয়ে বুঝেছি দুর্গাপূজো সেই বাড়িতেই হয়- যে বাড়ির একটা ঐতিহ্য থাকে।শিক্ষকেরা হলেন- দুর্গা ঠাকুর।ভাড়া বাড়িতে থেকে দুর্গাপূজো যে হয় না, এটা বুঝতে অনেক বছর লেগে গেল আমার।

মাস্টারমশাইয়ের সঙ্গে ছাত্র ছাত্রীদের সম্পর্কটা অনেকটা ডাক্তারবাবুর সঙ্গে রুগীর মত। সব রুগীই এই অন্ধ বিশ্বাস রাখে যে ডাক্তারবাবু আমায় ঠিক ভাল করে দেবেন। সব রুগীই এই অন্ধ বিশ্বাস রাখে যে ডাক্তারবাবু যে ওষুধটা দিচ্ছেন সেটা আর যাচাই করার দরকার নেই। ডাক্তারবাবু কখনো ভুল ওষুধ দেন না। সব রুগীই এই অন্ধ বিশ্বাস রেখে অপারেশন টেবিল এ ওঠে যে- এরপর আমার আবার জ্ঞান ফিরবে, এরপর আর কষ্ট পাব না। ঘটনা হল, এই বিশ্বাস রেখে ঠকে গেছে যারা, তারা এরপরও আবার বিশ্বাস করে আগের মতোই সব ডাক্তারবাবুদের।ক্লাসে ঢোকার পর থেকে পৃথিবীর সমস্ত মাস্টারমশাই এর সাথে এই ঘটনাই ঘটে। প্রতিদিনের এই নিরন্তর অভ্যেস সেই লোয়ার কেজি থেকে শুরু হয়েছিল আমাদের, যখন ক্লাসরুমে মা’কে ছাড়াই প্রথমবার এতক্ষণ থাকতে হয়েছিল। সামনের ঐ মহিলাটিকে যাকে আমি কোনোদিনও আমার বাড়িতে দেখিনি, সেই মহিলাটিকে কেঊ ‘মিস’ কেঊ বা ‘দিদিমণি’ বলে ডাকছে, তাকে প্রবলভাবে বিশ্বাস করা ছাড়া আমার সে সময় কোন ঊপায় ছিলনা। ঐ ‘মিস’ যেমন যেমন বলতেন,ঠিক তেমন তেমন করার চেষ্টা আমরা সবাই করেছি, মোটেও এই ভেবে নয় যে উনি যা বলছেন- সব ঠিক বলছেন। উনি যা বলছেন- সব আমার ভালো’র জন্য বলছেন। ওনার সব কথা মেনেছি, কারণ সেই কয়েকঘণ্টা আমার ওনাকে বিশ্বাস করা ছাড়া কোন ঊপায় ছিল না যে আমাকে উনি মারবেন না। সেই কয়েকঘণ্টা আমাকে উনি একটা ভরসা দিয়েছিলেন- দু ঘণ্টা বাদে আমি ঠিক বাড়ি ফিরে যেতে পারব মায়ের কাছে।

মাস্টারমশাই’র সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের সম্পর্কের মূল ভিতটাই দাঁড়িয়ে আছে এই ভরসার ওপর।এর অনেক অনেক পর আসে, ইতিহাস, ভূগোল, অঙ্ক বিজ্ঞান, সিলেবাস,সাজেশান, পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর।এই অকৃত্রিম বিশ্বাস থেকেই মাস্টারমশাই যা বলেন সব না লিখলেও, সব না শুনলেও যতটা শুনেছিলাম তার সবটা- সবটা বিশ্বাস করেছিলাম সেদিন।আজও সে বিশ্বাস অটুট। মাস্টারমশাই আর ডাক্তারবাবুদের ওপর আমাদের আস্থাটা এমনই সেই সৃষ্টির শুরু থেকে যে জীবনে এগোনোর পথে মানুষ থেকে ঈশ্বর, সরকার থেকে পুলিশ অনেক কিছুর ওপর থেকেই আমাদের আস্থা কমে, কেবল এঁদের দুজনের ওপর ছাড়া।
আজ বেঞ্চের এই পাড়ে দাঁড়িয়ে আছি আমরা যারা, তাদের যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হবে যে আমরা এই আকুলপারা বিশ্বাসের যোগ্য কিনা।আমরা দায়বদ্ধ এই পরীক্ষা দিতে কারণ আমি মনে করি শিক্ষক/শিক্ষিকা ঈশ্বর হয়ে গেলে মুশকিল। ঈশ্বর আর ঠাকুর এর মধ্যে একটা প্রভেদ আছে। ঈশ্বর আরাধিত হন, ঠাকুর পূজিত।ঈশ্বর আরাধনায় কেবল ব্রাহ্মণের অধিকার থাকে। শিক্ষককে হতে হবে ঠাকুর- যার পূজো নকুলদানাতেও হয়, আবার সিন্নিতেও হয়। যার পূজো সাত বছরের মেয়েও করতে পারে আবার মেথর বাড়িতেও ধুমধামের সাথে হয়। যার পুজো অভ্রভেদী দেবালয়ে হয়, আবার খুপরি ঘরের আলো না ঢোকা কুলুঙ্গিতেও হয়।

আজ বেঞ্চের এই পাড়ে দাঁড়িয়ে আছি যারা, আমরা কি সেই তোমাদের প্রতিটা বুঝতে না পারা দ্বিধাগ্রস্ততাকে কি একশো বার ধরে বুঝিয়ে গেছি বিরক্তিহীন ভাবে সমান উৎসাহের সঙ্গে যতক্ষণ না তুমি বলছ - ‘এবার বুঝতে পেরেছি,স্যর।’ যদি পেরে না থাকি তবে এ শিক্ষক দিবস আমাদের জন্যে নয়।

ওই পুঁচকে গুলোর প্রতিটা অপ্রাসঙ্গিক,সিলেবাস বহির্ভূত প্রশ্নের সম্মুখে আমরা কি পাল্টা প্রশ্ন করে তার এ প্রশ্নের কারণ এবং কার্যকারিতা জানতে চেয়েছি, নাকি আমাদের সীমিত সামান্য সাধ্যের মধ্যে তার যুক্তিগ্রাহ্য উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি? যদি তার প্রশ্নের উত্তরে আমি তাকেই প্রশ্ন করে থাকি, তাহলে এ সম্মানের অধিকারী আমরা নই কারণ ওই ছোট বড় মেজ সমস্ত অবুঝগুলোকে আমরা কেবল উত্তর দিতে শিখিয়েছি-প্রশ্ন করতে নয়। এ পদ্ধতি অফিস বসের, শিক্ষকের নয়।তাই এ সম্মান আমার জন্য নয়।

শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে আজ জড়তাহীনভাবে, কুণ্ঠাহীনভাবে আমরা একবার স্বীকার করেই ফেলি না , তোমরা, প্রতিটা ছাত্র ছাত্রী আমাদের এক একজন শিক্ষক। এক একজন শিক্ষিকা। তোমাদের থেকে আমরা যা যা শিখি রোজ রোজ, তার একটাও আমি আজ অবধি কোথাও পড়িনি। কেউ শেখায়নি আমাদের।

ক্লাস ফাইভের এক ছাত্রীর উত্তরপত্রে যেদিন দেখেছিলাম – জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য উপাদান- জল কিংবা অক্সিজেন নয়- মা,সেদিন অবাক হয়ে গেছিলাম।পর দিন ওকে এই উত্তরের কারণ জানতে চেয়েছিলাম।ও বলেছিল- মা ছাড়া আমরা তো জন্মাতামই না স্যর।মা না থাকলে কে আমাদের বড় করত,কে খাইয়ে দিত?এই অপার্থিব ইনোসেন্সের রাজত্বে অনায়াস পায়চারী করতে যে যোগ্যতা লাগে,আমার তা নেই।ক্লাস ফাইভের সেদিনকার সেই ছাত্রী আমার প্রথম শিক্ষিকা, যে শিখিয়েছিল – সরলতার ঠিক কত গভীরে নামলে, ফিট, ফ্যাদম সমস্ত একক একেকার হয়ে কেবল দর্শন পড়ে থাকে।আমি প্রণাম জানাই আমার সেই ছোট্ট প্রথম শিক্ষিকা কে।

আমি প্রণাম জানাই অষ্টম শ্রেণীর সেই ছাত্রীটির মনের জোর কে, যে তার মা’কে সকালে কবর দিয়ে পরেরদিন পরীক্ষা দিতে আসে তার আম্মীজানের কথা রাখতে যে- কোন কিছুর জন্যই পড়াশোনা বন্ধ করবিনা।আমি মরে গেলেও না।ওর বুকের পাঁজর আমি তৈরী করিনি,আমরা কেউ কোনদিন ওকে এই অতিমানবিক মনের জোরের উৎসমুখ দেখাইনি, কারণ আমরা নিজেরাই এর উৎসমুখ খুঁজে পাইনি। শিক্ষক দিবসের এই আদি লগ্নে আমি প্রণাম জানাই তাকে, আমার শিক্ষিকাকে।
আমি প্রণাম জানাই ক্লাস সেভেনের সেই দুটি ছাত্র ছাত্রীকে যারা পরীক্ষায় আমার অসাবধানতায় অতিরিক্ত তিন নম্বর পেয়ে আমার কাছে এসে নম্বর কমিয়ে নিয়ে যায়।এ সততা ওই বয়সে আমার অনন্ত ছিলনা।আমি প্রণাম জানাই আমার সেই দুই শিক্ষক শিক্ষিকাকে।

প্রণাম জানাই ক্লাস সিক্সের সেই ছেলেটিকে যে স্কুল আসবার সময় খেতে খেতে দেখে সামান্য যে ভাতটুকু সেদিন তার মা ধুম জ্বর গায়ে রাঁধতে পেরেছিল, তার সবটা মা তাকেই দিয়ে দিয়েছে নিজের জন্যে এক কণাও না রেখে। মা’কে মিথ্যে বলে নিজের টিফিন খাওয়ার পয়সা জমিয়ে মায়ের জন্য চাল কিনে নিয়ে আসবার পথে বাজারে আমার সঙ্গে দেখা হয়, আর আমি তখন কিনা তাকে শিখিয়ে এলাম না জেনে না শুনেই অযথা স্কুল কামাই করা উচিত নয়।

আমরা যারা শিক্ষা দান করি রোজ রোজ তারা শিক্ষা গ্রহণও করি এই সমস্ত অঙ্কুরিত প্রেরণা থেকে। কিন্তু স্বীকার করিনা তাদের অবদানটা - কিছুটা সংকোচের বিহ্বলতায় আটকে গিয়ে, কিছুটা শিক্ষক এই পদমর্যাদার যুগযুগান্তরের প্রোটোকলে আটকে গিয়ে।

আমরা যারা বন্যার মধ্যেও শাড়ি গুটিয়ে, কিংবা এক কোমর জলে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা দিবসে পতাকাটা স্রেফ তুলতে তিরিশ কিমি পথ পাড়ি দিয়েছি, তারা সেদিনই ওই হাফ প্যান্ট আর ফ্রক পড়া ছেলে মেয়েগুলোকে বুঝিয়ে দিয়েছি আমাদের অজান্তেই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল কারণগুলো।

আমার এক মাস্টারমশাই বলতেন- মাস্টার আর রাজ মিস্তিরির মধ্যে কোন পার্থক্য নেই স্রেফ পোশাকটুকু ছাড়া। দুজনেরই ভিত গড়া কাজ। দুজনেই কাজের শেষে ধুলো মেখে ভূত হয়। একজন সিমেন্টের আরেকজন চকের।

শিক্ষক দিবসের এই অস্তমিত প্রগাঢ়তায়, আমরা আজ বরং আশীর্বাদ করব না। ওটা ঈশ্বরের কাজ।আমরা ঈশ্বরও নই।আমরা শিক্ষক শিক্ষিকাও নই। আমরা সবাই তোমাদের মতই ছাত্র ছাত্রী।শুধু তোমরা বেঞ্চে বসে, আর আমরা চেয়ার টেবিলে।এটুকুই যা ।।

ঐ সব খুদে খুদে মুখে
ঐ সব গোল গোল চোখে ওরা রোজ দেখে তোমাকে।
কিভাবে তোমার বলা প্রতিটা শব্দ, কথা,
কিভাবে তোমার নাড়ানো হাত, রোজ ত্রিভুজ আঁকে চকে।

ঐ সব খুদে খুদে হাত
সর্বদা প্রস্তুত এঁকে বেঁকে যেতে তোমার ইশারা যত।
ঐ সব খুদে খুদে হাত, রোজ স্বপ্ন দেখে
একদিন হবে ওরা বড় হয়ে, একদম তোমার মত।

ঐ সব খুদে খুদে বুকে তুমি রোজ ভিত গড়ে তোল
রোজ তুমি ধীরে ধীরে বনে যাও- মন্দির মসজিদ গির্জা।
যে জানালা বন্ধ ছিল এতকাল, আজ অবারিত হল
ঐ সব খুদে খুদে বুকে, ভরবেগ তুমি, তুমিই গালিব মির্জা।

ঐ সব খুদে খুদে মনে তুমি রোজ আসা যাওয়া কর-
নির্ভুল, নিষ্পলক- কোন শব্দ ছাড়াই।
ঐ সব খুদে খুদে নিঃশ্বাসে রোজ তুমি বের হও-
বের হও তুমি দ্বিধাহীনভাবে- কোন প্রশ্ন ছাড়াই।

তুমি আর একা নও, আর একা নও
চেয়ে দেখ, ওরাও বলছে আজ তোমারই মত হবে।
বলেছিলে তুমি ঐ খুদে খুদে পিঠে হাত রেখে যবে,
কাঁদিসনা, আমি জানি- একদিন তোরও হবে।

স্কুলের তরফ থেকে তোমাদের সক্কলকে অনেক অনেক আদর আর ভালবাসা রইল। ভাল থেকো তোমরা। ভাল স্টুডেন্ট না হলেও চলবে- ভাল মানুষটা কিন্তু হতেই হবে। বুঝলে? 😀😀😊😊

Videos (show all)

খুব দুষ্টু।ক্লাস এইটে পড়ে।নাম সৌরিন। ক্লাসে দুমিনিট চুপ করে একে বসানো আর খ্যাপা ষাঁড়কে বাগ মানানো একই ব্যাপার। আজ কথা বল...
ডোমজুড় বিজ্ঞান মেলা 2017 তে আমাদের স্কুল দেউলপুর হাইস্কুল সিনিয়র বিভাগে : প্রথম স্থান অধিকার করেছে।বিষয়: বুলেট ট্রেন কিভ...
ডোমজুড় বিজ্ঞান মেলা 2017 তে আমাদের স্কুল দেউলপুর হাইস্কুল জুনিয়র বিভাগে : দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে
আমাদের স্কুলে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন।
GOALLLLLLLLLL!!!!!!!!!!!
TEAM DEULPUR HIGH SCHOOL VICTORY CELEBRATION

Location

Category

Telephone

Address


DEULPUR
Howrah
711411

Opening Hours

Monday 10:50am - 4:30pm
Tuesday 10:50am - 4:30pm
Wednesday 10:50am - 4:30pm
Thursday 10:50am - 4:30pm
Friday 10:50am - 4:30pm
Saturday 10:50am - 1:30pm
Other Schools in Howrah (show all)
Penro Penro
Penro,West Bengal,India
Howrah, 711410

this is a very good place..:-)

Shilpi Sangha(HOWRAH) Shilpi Sangha(HOWRAH)
9, M.C. GHOSH LANE
Howrah, 711101

A Leading Group Theatre

Rainbow Art Academy Rainbow Art Academy
Basantapur
Howrah, 711416

Learning point Learning point
Howrah, 711101

cooching

Maharaja Engineering WORKS Maharaja Engineering WORKS
172/21, Madhusudan Pal Chaudhury Lane
Howrah, 711101

We are one of the prominent manufacturers and exporters of seed processing machine for milling, dehusking and other associated processes with the brand MEW

Dakshin Benapur Primary Schools Dakshin Benapur Primary Schools
VILLAGE- BENAPUR , POST - BENAPUR-CHANDANAPARA . NEAREST RAILWAY STATION - BAGNAN. BAGNAN -2 BLOCK
Howrah, 711312

WE UPLOAD OUR SCHOOLS PERFORMANCE ..... WE WANTS EVERYBODY FOLLOW US

Khila Gopimohan Siksha Sadan Khila Gopimohan Siksha Sadan
Howrah, GOURANGACHAK, HOWRAH.

A REPUTED EDUCATIONAL INSTITUTION AT KHILA,P.S-UDAYNARAYANPUR,DIST-HOWRAH.

Makardah Bamasundari Institution Makardah Bamasundari Institution
Makardah
Howrah, 711409

MAKARDAH BAMASUNDARI INSTITUTION is a Co-ed school.This school is located in Howrah city of west bengal.This school is affiliated to WBBSE board.

Skylight Education Skylight Education
89/01, Shaike Para Lane, Near Carry Road, Near Carry Road,
Howrah, 711104

The Institution has been planned accordingly to provide budding ambitious young experts with Stateof-the-art technologies to meet the challenging scenario.

Marian's Code Of Conduct Marian's Code Of Conduct
Howrah

It's a simple page which tells us that How Maria's Day is Special to us..!!

Film Institute - Model N Movie Film Institute - Model N Movie
193 Shibpur Road, 1st Floor, Near Hindu Girls School, Mandirtala
Howrah, WEST BENGAL, INDIA.

Model N Movie is a Film Institute with lots of National and International Activities, such as "Model N Movie International Short Film Festival"