অক্ষরযাত্রা প্রকাশন

অক্ষরযাত্রা প্রকাশন এসো অক্ষরযাত্রায় পার হই এক অক্ষর-পারাবার

টুসুপুরাণ জহরলাল মাহাতপ্রচ্ছদ: সন্দীপ দেয়াসীমুদ্রিত মূল্য: ₹১৫০.০০____________________________________এই সময়টি এমন, যে...
21/02/2026

টুসুপুরাণ
জহরলাল মাহাত

প্রচ্ছদ: সন্দীপ দেয়াসী
মুদ্রিত মূল্য: ₹১৫০.০০
____________________________________

এই সময়টি এমন, যেন জোৎস্নার গর্ভে লালিত হচ্ছে অমাবস্যা! আসলে জাতীয়তাবোধের অলীক মোহে আমরা যখন বিশ্বায়নের স্রোতে গা ভাসাতে ব্যস্ত, তখন আমাদের যূথবদ্ধ জীবনের শিকড়গুলো অলক্ষ্যে শিথিল হয়ে পড়ছে। তথাকথিত 'জাতীয় উৎসব' বা 'জাতীয় ঐতিহ্যে'র যে-কৃত্রিম ছাঁচ আজ সমাজমানসে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, তা অনেক সময়ই লোকজীবনের মাটির গন্ধমাখা আঞ্চলিকতাকে অস্বীকার করে। অথচ সত্য এই যে, আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দনটুকু কেড়ে নিলে জাতীয়তার জয়গান কেবল এক অন্তঃসারশূন্য আস্ফালন ছাড়া আর কিছুই নয়। রাষ্ট্রনীতির পরোক্ষ প্রশ্রয়ে আজ আমাদের লোকায়ত উৎসব ও ঐতিহ্যগুলি আঞ্চলিকতার তকমা গায়ে মেখে অনাদরে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের অতলে।
এই ক্ষয়িষ্ণু সময়ের প্রেক্ষাপটে মকর পরব ও টুসু সংস্কৃতি আজও এক অবিনাশী লোক-উত্তরাধিকারের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের কাছে এটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং তাঁদের জীবনচর্যা ও আবেগের এক অখণ্ড বহিঃপ্রকাশও।

অগ্রহায়ণের সংক্রান্তি থেকে পৌষের শেষ দিন পর্যন্ত গানে গানে যে-মাতৃ বা কন্যারূপী টুসুর আবাহন চলে, তার আড়ালে লুকিয়ে আছে আমাদের হাজার বছরের এক সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা। ভাষাবিজ্ঞানী ও ঐতিহাসিকদের বিচারে এই উৎসবের প্রাচীনত্ব সুদূরপ্রসারী।

বর্তমান সংকলনটিতে সেই গ্রামীণ প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠে লালিত টুসুগীতগুলিকে পরম মমতায় ধরে রাখার প্রয়াস করা হয়েছে। যে-গীতের রচয়িতা ও বাহক তথাকথিত 'অজ্ঞ-মূর্খ' শ্রমজীবী মানুষ, তাঁদের সেই অমূল্য সৃষ্টিকে বিদগ্ধ সমাজের অন্দরমহল থেকে বের করে পুনরায় তাঁদেরই হাতে অর্পণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব অবশ্যই। যদি এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আমাদের লোকসংস্কৃতির অবক্ষয়িত স্রোতে সামান্যতম বাঁক সৃষ্টি করতে পারে, তবে এই শ্রম সার্থক হবে।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, সংকলনটির প্রারম্ভেই ড. বিনয়কুমার মাহাতা ও ড. অজিত ত্রিবেদীর টুসু গান বিষয়ক দুটি অসামান্য তাত্ত্বিক প্রবন্ধ রয়েছে। লোকজীবনের এই বহমান ঐতিহ্যের গভীরে অবগাহন করে তাঁরা যে-নিপুণ বিশ্লেষণ ও প্রজ্ঞা এতে সঞ্চার করেছেন, তা কেবল বর্তমান গ্রন্থটির উৎকর্ষই বৃদ্ধি করেনি, বরং টুসু সংস্কৃতির গবেষণায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটিয়েছে। তাঁদের এই মননশীল লেখনী গবেষক ও সাধারণ পাঠক---উভয়কেই লোকসংস্কৃতির এক নিবিড় ও নির্মোহ সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।
____________________________________

প্রাপ্তিস্থান
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

মধুমঙ্গল মালাকারপ্রচ্ছদ: রোচিষ্ণু সান্যাল মুদ্রিত মূল্য: ₹৩৬০.০০____________________________________এবছর জানুয়ারিতে মধু...
20/02/2026

মধুমঙ্গল মালাকার
প্রচ্ছদ: রোচিষ্ণু সান্যাল
মুদ্রিত মূল্য: ₹৩৬০.০০
____________________________________

এবছর জানুয়ারিতে মধুমঙ্গল মালাকারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হল। এই সময়ে ফিরে দেখতে ইচ্ছে করে আমাদের ছোটলোকি জ্ঞানদীপিকার পথচলা।

আমাদের জ্ঞানচর্চার পরিসরে দীর্ঘ দিন ধরে একটি প্রচলিত বিশ্বাস কাজ করেছে---নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় নাকি বহিরাগতরাই বেশি নিরপেক্ষ, কারণ তারা দূরত্ব বজায় রাখতে পারে। নিজভূমের মানুষকে ধরা হয় পক্ষপাতদুষ্ট; যেন জলের মধ্যে থাকা মাছ জলের স্বরূপ বোঝে না। রাষ্ট্রও যখন লোকজ জ্ঞানকে ধারণ করতে চায়, তখন তার একক হয়ে ওঠে প্রশাসনিক সীমানা---থানা, জেলা, নানান শাসনের খাঁচা। কিন্তু শোলা ও শোলাজ শিল্পের মতো এক জীবন্ত পরম্পরাকে কি এই কাঠামোয় মাপা যায়? তাকে বোঝার একক কি মানচিত্রের রেখা, না কি কারিগরদের জীবনযাপন, শ্রম, বিশ্বাস, উৎসব ও উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতা?

এই প্রশ্ন থেকেই বইগুলোর ভিত গড়ে উঠেছে। এখানে শোলাকে কেবল উপাদান হিসেবে নয়, এক সমগ্র জীবনজগতের অংশ হিসেবে দেখার চেষ্টা রয়েছে।

মধুমঙ্গল মালাকার যে-ভাবনা চিন্তার বীজ বপন করেছেন, যে-পরম্পরার পায়ের ছাপ রেখে গেছেন, যে জ্ঞানচর্চা আমাদের হাতে সমর্পণ করেছেন---তাকে দু’মলাটের মধ্যে ধরে রাখাই ছিল আমাদের দায়। কারিগর সংগঠনের প্রকাশনা সংস্থা ‘কলাবতী মুদ্রা’ সেই দায়িত্ব নিয়েছিল।

নেপালদা তাঁর বইটি দেখে যেতে পেরেছিলেন। মধুমঙ্গল মালাকার পারেননি---এই অপূর্ণতাবোধ রয়ে গেছে।

অসামান্য এই গ্রন্থের প্রযুক্তিগত কাজ সম্পন্ন করেছেন আমাদের প্রযুক্তিবিদ শিল্পী বন্ধু সৌরভ রায়। তাকে আলাদা করে কৃতজ্ঞতা জানাব না---সে আমাদের সহযাত্রী।
---বিশ্বেন্দু নন্দ

______________________________________

বইটি প্রয়োজন মনে বলে জানান, পাঠিয়ে দেব আপনার ডাকঠিকানায়। কলেজ স্ট্রিটে এসেও হাতে হাতে নিতে পারেন।
ফোনে নয়, সব ক্ষেত্রেই যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপে করুন: 094749 07307

অদ্বৈত মল্লবর্মণ: জীবনের আখান তপোধীর ভট্টাচার্য প্রচ্ছদ: সন্দীপ দেয়াসীমুদ্রিত মূল্য:₹২৫০.০০____________________________...
19/02/2026

অদ্বৈত মল্লবর্মণ: জীবনের আখান
তপোধীর ভট্টাচার্য

প্রচ্ছদ: সন্দীপ দেয়াসী
মুদ্রিত মূল্য:₹২৫০.০০
____________________________________

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অদ্বৈত মল্লবর্মণ কেবল একজন লেখকই শুধু নন, বরং তিনি ছিলেন প্রান্তিক ও নিম্নবর্গীয় চেতনার এক বলিষ্ঠ স্বরও। বর্তমান সময়ে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা পুনর্বিচারের দাবি রাখে মূলত তাঁর জীবনদর্শন এবং সাহিত্যের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।

প্রান্তবর্গীয় জীবনের মহাকাব্যিক রূপকার তিনি।
অদ্বৈত মল্লবর্মণ নিজে মালো বা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন, যা তৎকালীন বর্ণবাদী সমাজে ‘ব্রাত্য’ বা নিম্নবর্গীয় হিসেবে গণ্য হতো। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসে তিনি কোনো কৃত্রিম সহানুভূতি নয়, বরং ভেতর থেকে মালো সমাজের আঁতের কথা এবং তাদের অস্তিত্বের সংগ্রামকে তুলে ধরেছেন। বর্তমানের উত্তর-ঔপনিবেশিক ও নিম্নবর্গীয় চর্চার যুগে প্রান্তিক মানুষের এই আত্মপরিচয় সন্ধানের ভাষা অদ্বৈতকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই তাঁর শিকড়ে।
উচ্চবর্গীয় আধিপত্যবাদ ও সাংস্কৃতিক রাজনীতির যে-দেয়াল অদ্বৈতের জীবন ও সৃষ্টিকে ঘিরে ছিল, তা ভাঙা আজ জরুরি। আধুনিক সমাজ যখন আজও জাতপাত ও শ্রেণিবিদ্বেষের শিকল থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি, তখন অদ্বৈতের জীবনসংগ্রাম আমাদের শেখায় কীভাবে প্রতিকূল পরিবেশেও আপন মেধা ও কৃষ্টির সাহায্যে পরিত্রাণ ও উত্তরণ সম্ভব।

অদ্বৈতের সাহিত্যে কেবল মালোদের যন্ত্রণাই নেই, আছে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের পারস্পরিক সহযোগিতার এক নিবিড় চিত্র। তিনি সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে এক সর্বজনীন মানবিক চৈতন্যের জয়গান গেয়েছেন। আজকের দিনে যখন সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত অসহিষ্ণুতা বারবার মাথাচাড়া দিচ্ছে, তখন অদ্বৈতের এই মানবিক দর্শন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তপোধীর ভট্টাচার্য তাঁর বইতে উল্লেখ করেছেন যে, অদ্বৈতের জীবন নিয়ে তথ্যের অভাব থাকলেও তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই তাঁর সৃজনশীল জীবনকে পুনর্গঠন করা সম্ভব। আধুনিক পাঠকের কাছে অদ্বৈত প্রাসঙ্গিক কারণ তিনি তথাকথিত অভিজাত সাহিত্যের বলয় ভেঙে সাধারণ মানুষের জীবনকে শিল্পের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। অদ্বৈত মল্লবর্মণ আজ কেবল একজন স্মৃতিকাতর লেখক নন; তিনি প্রান্তিক মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের এক চিরন্তন প্রতীক, যা বর্তমান সময়ের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে আরও বেশি অর্থবহ হয়ে উঠেছে।____________________________________

প্রাপ্তিস্থান
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635
◉বইপিয়োন website boipeon.com

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

লোকদেবতা ত্রিনাথমানচিত্র পাল প্রকাশক: অক্ষরযাত্রা প্রকাশন প্রচ্ছদ: পরিক্ষীৎ সূত্রধর মুদ্রিত মূল্য: ₹২৫০.০০______________...
16/02/2026

লোকদেবতা ত্রিনাথ
মানচিত্র পাল

প্রকাশক: অক্ষরযাত্রা প্রকাশন
প্রচ্ছদ: পরিক্ষীৎ সূত্রধর
মুদ্রিত মূল্য: ₹২৫০.০০
_____________________________________
বাংলার লোকধর্ম ও লোকবিশ্বাসের বিস্তৃত ভূগোলে 'ত্রিনাথ' একটি অনন্য নাম। এই উপাসনা যে শুধু ধর্মীয় আচারের পরিসরে সীমাবদ্ধ তা নয়---'ত্রিনাথ' নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার গ্রামীণ জীবনযাপন, শ্রুতি ও স্মৃতির মেলবন্ধন, সংগীত ও আচার, সমাজসংযোগ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দীর্ঘতর স্রোত।

এই গ্রন্থে ‘ত্রিনাথ’ উপাসনার উৎস ও গঠনের সামাজিক প্রেক্ষিত যেমন বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তেমনি বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত উপাসনাচর্চার প্রকৃতি, রীতিনীতি ও ভাষাভঙ্গিও ধরা পড়েছে এক নিবিড় অনুসন্ধানে। ক্ষেত্র সমীক্ষার নিরিখে উঠে এসেছে তথ্যদাতাদের কণ্ঠস্বর, যাঁদের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতায় সংরক্ষিত আছে ত্রিনাথের গল্প, গান, গাথা এবং বিশ্বাস।

বইটি একটি কেবল ধর্মতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নয়, এ এক নৃতাত্ত্বিক পাঠ, যা পাঠককে পরিচিত করায় এক প্রবহমান লোকঐতিহ্যের সঙ্গে। ত্রিনাথ নামের অন্তর্লীন ত্রি-তত্ত্ব, উপাসনার অনুশাসন, সেবার রীতি, বাদ্যযন্ত্র, দিনক্ষণ, এমনকি গানের ভাব ও ছন্দ---সবই ধরা আছে প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণ ও তথ্যের মাধ্যমে।

'লোকদেবতা ত্রিনাথ' শুধুমাত্র একটি উপাসনার নথিভুক্তি নয়, বরং বাংলার লৌকিক সংস্কৃতির জীবন্ত এক দলিল। এই গ্রন্থ সেই সব পাঠকের জন্য, যাঁরা ধর্ম ও সংস্কৃতির সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে জনজীবনের গভীরে প্রবেশ করতে চান, শুনতে চান সেই সব কণ্ঠস্বর, যেগুলো ইতিহাসের মূল ধারায় নয়, বরং প্রান্তে থেকেও বহমান ও শক্তিশালী।

এই গবেষণা এবং সংকলন, ত্রিনাথ উপাসনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও বহুস্তরীয় চিত্র তুলে ধরে। আশা করি পাঠকের অন্তর্দৃষ্টি ও কৌতূহলকে এটি জাগ্রত করবে---একটি লোকবিশ্বাসের মহাজীবনের দিকে।
_____________________________________

প্রাপ্তিস্থান
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

সরল তরল সুব্রত সান্যাল প্রকাশক: অক্ষরযাত্রা প্রকাশন প্রচ্ছদ: রোচিষ্ণু সান্যালমুদ্রিত মূল্য: ₹২৫০.০০_____________________...
16/02/2026

সরল তরল
সুব্রত সান্যাল

প্রকাশক: অক্ষরযাত্রা প্রকাশন
প্রচ্ছদ: রোচিষ্ণু সান্যাল
মুদ্রিত মূল্য: ₹২৫০.০০
________________________________________

❝বাঙালি জাতি মদ্যপান করে না, 'মাল' খায়। আরও একটু এগিয়ে বাঙালি সাধক-কবি গেয়ে ওঠেন---'সুরা পান করিনে আমি, সুধা খাই জয় কালী বলে'। ভারতীয় সংস্কৃতি বৈদিক যুগ থেকে মদ্যপানের বিরোধী ছিল না। ঋকবেদের সোমসূক্ত, চাণক্যের অর্থশাস্ত্র, প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য ইত্যাদি পড়লে পরিষ্কার বোঝা যায় ভারতীয়রা সেই আদিম যুগ থেকেই দিব্যি রসেবশে আছেন। জৈন আর বৌদ্ধ ধর্মমতের প্রভাবে ভারতীয় সমাজের একাংশ মদ্যপানের বিরোধী হয়ে ওঠে, কিন্তু শাক্তগণ কারণবারির ভক্তই থেকে যান। বাঙালি জাতি ঐতিহ্যগতভাবে শাক্ত, তাই কারণবারির প্রতি বাঙালিদের আসক্তি সহজবোধ্য। কিন্তু মদ্যপানের বদলে 'মাল' খাওয়ার কারণ বোঝার জন্যে গভীর গবেষণা দরকার।❞

পানীয়, বিশেষ করে সুরারস---তা শুধু কাচের গ্লাসে ঢেলে নেওয়া এক ধরনের তরল নয়, বরং সংস্কৃতি, ইতিহাস, ভূগোল, ভৌত-রসায়ন আর মানুষের রসনাতৃপ্তির এক অভূতপূর্ব সমাগম। এই বইয়ের প্রতিটি প্রবন্ধ যেন সেই তরলের মতোই---কখনও গাঢ়, কখনও হালকা, কখনও ঝাঁজালো, আবার কখনও সুমিষ্ট।

লেখাগুলো কেবলমাত্র অ্যালকোহলিক বেভারেজের বর্ণনা নয়, বরং তাদের ঘিরে তৈরি হওয়া সমাজ-সংস্কৃতি, মিথ, ইতিহাস, এমনকি কল্পনা ও ভাষার কথাও বলে।

পাঠক এখানে পাবেন রেনেসাঁস ইউরোপের ওয়াইন-শিল্প থেকে শুরু করে লাতিন আমেরিকার টেকিলা-উৎসব, স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অ্যাবসিস্থের ধূসর আভা থেকে শুরু করে উপমহাদেশের মধুমিশ্রিত কল্পনার ছায়া।

এই লেখার প্রয়াস ছিল এই জটিল জগতকে সহজ ভাষায় প্রকাশ করা। ককটেলের মতোই, এই বইটিও নানা স্তরের উপাদানে তৈরি---তথ্য, অভিজ্ঞতা, ব্যঞ্জনা, রসিকতা আর প্রণয়।

আসুন, গ্লাস না হোক, পাতা উলটে আস্বাদন করা যাক---এই 'সরল তরল' পথের, যেখানে প্রতিটি শব্দে এক ঢোক গল্প, প্রতিটি বাক্যে এক চুমুক ইতিহাস।
________________________________________

প্রাপ্তিস্থান:
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

শেখর দাশ ও তার গল্পবিশ্বতাকে আমরা আবিষ্কার করি ১৯৭৩-এর ফেব্রুয়ারির কোনো-এক আড্ডায়। আমরা মানে, আমি ও গল্পকার মিথিলেশ ভট্ট...
15/02/2026

শেখর দাশ ও তার গল্পবিশ্ব

তাকে আমরা আবিষ্কার করি ১৯৭৩-এর ফেব্রুয়ারির কোনো-এক আড্ডায়। আমরা মানে, আমি ও গল্পকার মিথিলেশ ভট্টাচার্য। শিলচর শহরের যে-পাড়ায় আমরা দু'জনেই থাকতাম তখন, তারই মোড়ের এক টি-স্টলে। ওখানে সকাল গড়িয়ে দুপুর হত, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত। কুচকুচে কালো রঙের শরীরে তখন তার ঘন কালো চুল, উজ্জ্বল দুটি চোখ, যার কতরকম উপমা দেওয়া সম্ভব। ভিড়ের নিরবয়ব উপস্থিতি থেকে নিজেকে সে আলাদাভাবে চিনিয়ে দিয়েছিল। আমি ও মিথিলেশ চমকে উঠেছিলাম।

তখন শিলচরের পরিচয় কবির শহর হিসেবে। গদ্যের ঔদ্ধত্য যেন সুদূরপরাহত। শেখর এল, দেখল, জয় করল। ১৯৭৩-এর জুলাইতে আমরা তিনজন আর প্রবাসী রণবীর পুরকায়স্থ মিলে বের করলাম 'শতক্রতু'। প্রস্তাবনা সংখ্যায় বেরলো শেখরের 'ক্রমশ তাপ'। গল্পহীন গল্পের এই বিন্যাস বাংলা সাহিত্যের তৃতীয় ভুবনে তখনো দেখেনি কেউ। ওর গল্পভাষা জুড়ে সেদিন পরাবাস্তবের দ্যুতি। যার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পুনায়, রাঁচিতে, কাটিহারে কোথায় পেল সে এই ভাষা, এই বয়নপদ্ধতি, এই দেখার চোখ?

১৯৫২-এর ২১শে মে লক্ষ্ণৌয়ে যার জন্ম, ১৯৭৩-এ তার তো বয়সোচিত আখ্যানে লিপ্ত হওয়ার কথা। কাজলকুমার দাস যে-বাড়ির নামে পরিচিত হতে চাইল, এও সম্ভবত তার ব্যতিরেকী আত্মপ্রতিষ্ঠার সংকেত। এখন শেখরের বাড়ির দেওয়ালে বাখতিন ও আইনস্টাইনের প্রবাদপ্রতিম উচ্চারণ আর জো উইন্টারের গীতাঞ্জলি অনুবাদের একটি পঙ্ক্তি- 'হাই বোটম্যান- হাই, হু আর ইউ...!' তার টেবিলে কম্পিউটার 'টু ডে, সায়েন্স টু' ডে-র বিভিন্ন সংখ্যা এবং প্রতীচ্যের সাহিত্যতত্ত্ব সম্পর্কিত বইপত্র। বাঙালির তৃতীয় ভুবনে এ এক আশ্চর্য ও বিরল ঘটনা বলেই উল্লেখ করলাম। আমরা যখন তাকে আবিষ্কার করি, স্কুল ফাইনাল ভালোভাবে পাশ করার পরে সে তখন নামমাত্র মাইনেতে মোটর সারাইয়ের কারখানায় কাজ করে। ১৯৭৫-এ সে অস্থায়ী নিযুক্তি পেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে। শিলচরের বাইরে, মোহনপুর গ্রামে। ফি শনিবারে আসে। নানা টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে স্থায়ী নিযুক্তি হল দু-বছর পরে। জীবন নামক পাঠকৃতির তাৎপর্য যে সাহিত্যের বয়ানের মতো নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়েও অর্জনীয়, শেখরের চেয়ে ভালো কে জানে আর? কোন নাবিক নৌকো বেয়ে চলেছে, সম্ভাব্য এক তীরের দিকে যাওয়ার জন্যে কি। অথবা যাওয়ায় সত্য শুধু, পৌঁছানো কেবল অবভাস!

'ক্রমশ তাপ' থেকে 'শ্বেতরক্তকণা' যেন অ্যাবসার্ডিটির নতুন গ্রন্থনা। চেতনার চেয়ে বড়ো অবচেতন, ভাষার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পরাভাষার। মোটর-মেকানিকের প্রান্তিক অস্তিত্বে পৃথিবী-সমাজ-সময় গল্পকারের কাছে বুঝি-বা ঘষা কাচের দেয়ালের ওপারে। বাস্তব আর অবাস্তব, জৈবিক আর যান্ত্রিক অনুপুঙ্খ তাই পরস্পর-সম্পৃক্ত। মোহনপুরের অপরতা থেকে বরাক উপত্যকার কেন্দ্রীয় শহর শিলচর এবং পরিচিত সম্পর্কের বিন্যাসকে কীভাবে দেখেছিল শেখর, তারই অসামান্য পাঠকৃতি 'ফেরারি।' জীবনানন্দীয় বিষণ্ণতা ও অনন্বয় তার গল্পভাষাকে পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছিল। এই একটি গল্প দিয়ে গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মান্যতা পেয়েছে শেখর। এর বেশ কিছু বাক্য কবিতার পঙ্ক্তির মতোই স্মরণীয়। বিশেষত সূচনার বাক্যগুলি দার্শনিক দ্যুতির জন্যে বহুবার উদ্ধৃত হয়েছে তৃতীয় ভুবনের সাহিত্য-আলোচনায়- 'এই শহরটা শহর নয়, ছাউনি। অস্থায়ী। একদিন সবকিছু গুটিয়ে ফেলবে ওরা, চলে যাবে অন্য কোথাও। শহর তখন হয়ে পড়বে তেপান্তরের মাঠ। মানুষ নিজের খেয়ালে বসত গড়ে, ভেঙেও ফেলে, যেভাবে নিয়তির খেয়ালে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় যত বিশ্বাস-স্বপ্ন-সম্পর্ক। জীবনের কোনো স্থিরতা নেই।'

১৯৭৩ থেকে ১৯৮৭ মোটামুটি নিয়মিতভাবে লিখেছে শেখর। তার সম্পর্কে জোর গলায় বলার মতো কথা এই যে, কী গল্পভাষায় কী প্রাকরণিক বিন্যাসে কী বিষয়বস্তুতে শেখরের কোনো-দুটি গল্পই একরকম নয়। প্রান্তিকায়িত অস্তিত্ব এবং সময়ের গ্রন্থিলতা তার মূল উপজীব্য হলেও মধ্যবিত্ত জীবনের গোলকধাঁধাতেও আলো পড়েছে। নির্মোহ নিরাসক্ত শল্যচিকিৎসকের মতো শেখরের অবস্থান যেন, আবার মানবিক মূল্যবোধের স্ফুরণও সে দেখতে পায় ঘনঘোর অন্ধকারে। হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গায় কলঙ্কিত বরাক উপত্যকায় 'আজান' গল্প বা গ্রামীণ মাফিয়ার চারণভূমি শহরতলির আখ্যান 'জনসভা' কেবল শেখরই লিখতে পারে।

সময় যেখানে আপাত-স্থবির, পরিসর যেখানে কৃষ্ণবিবর সেই বরাক উপত্যকায় আধুনিকতা কীভাবে উত্তর-আধুনিক প্রাকৃতায়নে ব্যক্ত হয়ে চলেছে, সেই জরুরি প্রতিবেদন হিসেবে গণ্য হতে পারে শেখরের গল্পসংকলন। দৃশ্যমান অবয়ব থেকে কীভাবে ক্রমশ পরিস্ফুট হয়ে চলেছে প্রচ্ছন্ন আরেক অবয়ব, তার নানামাত্রিক প্রকাশ বলে গণ্য হোক 'মৃতবৎসা' ও 'জোড়শালিক', 'শব্দের প্রতিচ্ছবি' ও 'ডায়নোসোরের ফুসফুস।' কিংবা 'অপ্সরা' ও 'কোষাগার।' আত্মসর্বস্ব নার্সিসাস হতে চায় না শেখর, সে ঢুকে যেতে চায় সময় ও সামাজিক পরিসরের মর্মে। সম্ভবত সে বিশ্বাস করে, এখনো আমাদের কাছে আসল বাস্তব ধরা দেয়নি। মুখোশের শিল্প বিভ্রান্ত করে কেবলই। ওই বিভ্রান্তি থেকে সমাজকে মুক্তি দিতে চায় শেখরের ছোটগল্প, বোঝাতে চায় এ জীবন শুধুই 'perennial see-saw' নয়।

১৯৮৭ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত প্রায়-স্তব্ধ ছিল তার কলম। অস্থায়ী ছাউনি গুটিয়ে ফেলে চলে গেছে আট বছরের এক বাসিন্দা। 'জীবনের কোনো স্থিরতা নেই।' আমাদের শতক্রতু পরিবারের এক বালিকা ছিল সে, শেখরের মেয়ে। জীবনের পাঠকৃতি এমন। তবু পাঠকৃতির পুনর্নির্মাণ হতে থাকে। এইজন্যে আবার শেখর লিখেছে। 'মোহানা', 'বনজারা' ও 'বিন্দু বিন্দু জল'-এর মতো উপন্যাস। আর প্রকাশিত হতে চলেছে 'রাঙামাটি' নামে উপন্যাস যা, শেখরের সৃষ্টিপ্রতিভার নবতর উন্মোচন ঘটবে। দুটি বড়ো গল্প এবং তার নিজস্ব দুর্গ, ছোটগল্প। পাঠক লক্ষ করুন, গল্পভাষায় ছায়াছবির ভাষার অন্তর্বয়ন, অন্তর্নাট্যের ইশারা। লক্ষ করুন, জীবন কত সুন্দর, কত আশ্চর্য, কত গভীর। এত সমস্যা, এত সংকট, এত পরাজয়। তবু।

---তপোধীর ভট্টাচার্য

এই অস্থির সময়ে পাঠাভ্যাস যেন ক্রমশ ছোটো পরিসরের দিকে সরে যাচ্ছে। দীর্ঘ আখ্যানের প্রতি আগ্রহ কমলেও, সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর শ...
15/02/2026

এই অস্থির সময়ে পাঠাভ্যাস যেন ক্রমশ ছোটো পরিসরের দিকে সরে যাচ্ছে। দীর্ঘ আখ্যানের প্রতি আগ্রহ কমলেও, সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর শিল্পমূল্যসম্পন্ন গল্পের চাহিদা রয়ে গেছে---বরং বলা যায়, ভালো ছোটোগল্পের এক ধরনের সংকটই আজ অনুভূত হচ্ছে। এই ভাবনা থেকেই দীর্ঘদিনের পরিকল্পনায় আমরা প্রকাশ করেছি আপাতত তিন খণ্ডে ‘অক্ষরযাত্রা ছোটগল্প গ্রন্থমালা’ সিরিজ। প্রতিটি সংকলনে স্থান পেয়েছে নির্বাচিত, শিল্পমানসম্পন্ন এবং ভাবনায় তাৎপর্যপূর্ণ ছোটগল্প---যেগুলো পাঠককে শুধু বিনোদনই নয়, ভাবনার গভীরতায়ও নিয়ে যাবে বলে মনে করি।

অক্ষরযাত্রা ছোটগল্প গ্রন্থমালা সিরিজের তিনটে বই---
১. রেদওয়ান খানের ছোটগল্প
২. দীপেন্দু দাসের ছোটগল্প
৩. স্বপ্না ভট্টাচার্যের ছোটগল্প

এই গ্রন্থমালা ধারাবাহিকভাবে আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী খণ্ডগুলিতেও আমরা এমন গল্পই নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেগুলো সাহিত্যিক গুণমান, জীবনবোধ এবং সময়ের তাৎপর্যকে সার্থকভাবে বহন করে।

ভালো গল্পের পাঠচর্চাকে নতুন করে উজ্জীবিত করার এই ছোট প্রচেষ্টায় আপনাদের পাশে পাওয়াই আমাদের প্রেরণা।

বাংলা লোকনাট্যের ধারা: পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর ড.কৌষেয়ী ব্যানার্জি ড. শ্রীপর্ণা রায় প্রচ্ছদ: সঞ্জয় বর্...
15/02/2026

বাংলা লোকনাট্যের ধারা: পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর

ড.কৌষেয়ী ব্যানার্জি
ড. শ্রীপর্ণা রায়

প্রচ্ছদ: সঞ্জয় বর্মণ
মুদ্রিত মূল্য: ২৫০.০০
_____________________________

লোকসংস্কৃতির আয়নায় বাংলার লোকনাট্য শস্যশ্যামলা মাটির সংস্কৃতির এক অফুরন্ত খনি।
সেই আদিম যুগ থেকে আজ পর্যন্ত এদেশের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না আর সমাজ-চেতনার যে-ছবিগুলো মাটির কাছাকাছি বেঁচে আছে, তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হল 'লোকনাট্য'। এটি কেবল বিনোদন নয়, বরং তা আমাদের জনজীবনের এক জীবন্ত পরম্পরা। এই গ্রন্থটি সেই ইতিহাসের এক নিবিড় অনুসন্ধান। বাংলার লোকনাট্যের বিশাল ভাণ্ডার থেকে এঁরা মূলত পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলের চারটি প্রধান জেলা---পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া এবং মেদিনীপুরকে নিয়ে আলোচনা আবর্তিত করেছেন। এই চারটি অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির যে স্বতন্ত্র বৈচিত্র্য আছে, তা সমীক্ষকের চোখ নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
এই সময়ে, যখন বিশ্বায়নের যুগে আমাদের নিজস্ব লোকজ শিল্পগুলো অস্তিত্বের সংকটে রুগ্নপ্রায়, তখন এমন একটি গবেষণাভিত্তিক কাজ অত্যন্ত সময়োপযোগী---বলাই বাহুল্য
_____________________________

প্রাপ্তিস্থান:
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635
◉বইপিয়োন website boipeon.com

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

সাবঅলটার্ন কলকাতার শিকড়সন্ধানঅসিত দাস প্রচ্ছদ: সঞ্জয় বর্মণমুদ্রিত মূল্য: ৩০০.০০_____________________________কলকাতা কেব...
13/02/2026

সাবঅলটার্ন কলকাতার শিকড়সন্ধান
অসিত দাস

প্রচ্ছদ: সঞ্জয় বর্মণ
মুদ্রিত মূল্য: ৩০০.০০
_____________________________

কলকাতা কেবল অট্টালিকা, রাজপথ আর আভিজাত্যের শহর নয়; বরং এই শহরের প্রতিটি অলিতে-গলিতে মিশে আছে এমন কিছু মানুষের জীবনকাহিনি, যাঁরা ইতিহাসের মূল ধারায় বরাবরই উপেক্ষিত। অসিত দাসের ‘সাবঅলটার্ন কলকাতার শিকড়সন্ধান’ সেই প্রান্তিক বা ‘সাবঅলটার্ন’ মানুষের জীবনযাত্রা, জীবিকা এবং লোকসংস্কৃতির এক গভীর অনুসন্ধান।
শহরের নামকরণের বিবর্তন থেকে শুরু করে পাড়ার নামকরণের নেপথ্যের গল্প---সবই উঠে এসেছে এই সংকলনে। কুমোরটুলি, জোড়াসাঁকো বা ভবানীপুরের মতো পরিচিত নামগুলোর পাশাপাশি বইটিতে গুরুত্ব পেয়েছে মেটিয়াবুরুজ কিংবা ট্যাংরার রহস্য। লেখক এখানে কেবল ভৌগোলিক বিবরণ দেননি, বরং তুলে ধরেছেন কলকাতার সেই শ্রমিক, কারিগর এবং সাধারণ মানুষদের কথা, যাঁদের হাড়ভাঙা খাটুনিতে এই মহানগরী তিল তিল করে গড়ে উঠেছে।

‘সাবঅলটার্ন কলকাতার শিকড়সন্ধান’ কোনো শুষ্ক ঐতিহাসিক দলিল নয়; এটি কলকাতার অন্তরাত্মাকে চেনার এক আন্তরিক প্রয়াস। যারা এই শহরকে ভালোবাসেন এবং এর চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আদি ও অকৃত্রিম ইতিহাসকে জানতে চান, এই বইটি তাঁদের জন্য এক অমূল্য সম্পদ মনে করি।
_____________________________

প্রাপ্তিস্থান
◑ধ্যানবিন্দু 8777476910
◉লালন 9330915587
◑গীতা বুকস্টল 9434626346
◉পাপাঙ্গুলের ঘর 6289066429
◑প্লাটফর্ম 79800 38280
◉কাউন্টার এরা 98747 17375
◑বহুবচন 7044428635
◉বইপিয়োন website boipeon.com

◑সব শেষে বলুন আমাদের, পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। ফোন নয়, হোয়াটসঅ্যাপ করুন: 094749 07307

Address

72 Debaipukur Road
Hind Motor
712233

Telephone

+919474907307

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অক্ষরযাত্রা প্রকাশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to অক্ষরযাত্রা প্রকাশন:

Shortcuts

Share