23/01/2024
ছবিতে যে ব্যক্তিটিকে দেখতে পাচ্ছেন তার নাম এনজিন আলতান৷
আপনারা হয়তো তাকে আর্তুগুল নাম চিনেন৷ কেননা তিনি " দিরিলিস আরতুগুল " টিভি সিরিজে উসমানী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা উসমানের পিতা আর্তুগুল চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
এতটুকু সবারই জানা। তবে আজ আমি কথা বলবো কিছু অজানা বিষয় নিয়ে যা তোমার জীবনে কাজে লাগবে।
এঞ্জিন আলতান অভিনয় জগতে কাজ শুরু করে ২০০১ সালে। প্রথম ৬ বছর তিনি সহঅভিনেতা হিসেবেই কাজ করেন৷ সর্বপ্রথম মূল চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পান ২০০৭ সালে এবং চূড়ান্তভাবে লাইমলাইটে আসেন ২০১৬ সালে " দিরিলিস আর্তুগুল " সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে।
🔶 এবার আমার মূল পয়েন্টে আসি, এনজিন আলতান অভিনয় শুরু করার ৬ বছর মূল চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পায় এবং অভিনয় শুরু করার ১৫ বছর পর লাইমলাইটে আসেন৷ বর্তমানে তিনি প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক৷ তিনি কোন ইসলামি রাষ্ট্রে ভ্রমণ করলে তাকে প্রেসিডেন্সি প্রটোকল দেওয়া হয়৷
কথা হচ্ছে তিনি যদি ১৫ বছর ধরে লেগে না থাকতেন তাহলে তিনি কি এই সাফল্য পেতেন?
এমন কি তিনি যদি ১৪ তম বছরে এসে হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দিতেন তাহলে কি তিনি এই সাফল্য পেতেন?
উত্তর - না।
আমরা কেন সাফল্য না পাওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে পারি না ?
© সৈয়দ সাকিব আলম
01/10/2023
Success Story: ষষ্ঠ শ্রেণীতে ফেল থেকে IAS অফিসার! সেল্ফ স্টাডির মাধ্যমেই এক চান্সে UPSC জয় রুকমণি রিয়ার
হেরে যাওয়া বা বিফল হওয়া এমন কোনো বড় ব্যাপার নয়। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়েই জীবনে আমূল পরিবর্তন করে দেখানো যায়। প্রমাণ করে দেখিয়েছেন চন্ডিগড়ের বাসিন্দা রুকমণি।
ষষ্ঠ শ্রেণীতে ফেল থেকে IAS অফিসার
ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)-এর পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে কঠিন যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়। এমনকি সারা বিশ্বের কঠিন পরীক্ষাগুলির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই এক্সাম। পরিশ্রম আর একাগ্রতাই ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার একমাত্র সূত্র। বারবার অকৃতকার্য হলেও যাঁরা জেদ ধরে রাখেন, তাঁরাই আসলে জিততে পারেন জীবনে। এখনও বহু ছাত্রছাত্রী মনে করেন, জীবনের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো কার্যত অসম্ভব। আর সেই ভাবনা যে ভুল, তা ফের একবার প্রমাণ করেছেন আইএএস (IAS) অফিসার রুকমণি রিয়া।
আজকের এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক তাঁর সফলতার কাহিনী।
চন্ডিগড়ের বাসিন্দা রুকমণি রিয়ার ছোট থেকে মেধাবি ছাত্রী ছিলেন না। গুরুদাসপুরের একটি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন তিনি। চতুর্থ শ্রেণীতে তিনি ভর্তি হন ডালহৌসির স্যাক্রেড হার্ট স্কুলে। ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় ফেল করেছিলেন রুকমণি। সেই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। কিন্তু এই ঘটনাই রুকমণির জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি মনে মনে ঠিক করেন, একদিন জীবনে সফল হয়ে দেখাবেন ঠিক। ওমনি যেমন ভাবা তেমন কাজ। পরের শ্রেণী থেকেই তিনি শুরু করলেন পরিশ্রম। সফলভাবে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাশ করেন রুকমণি। এরপর গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সমাজ বিজ্ঞানে স্নাতক উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট থেকে সমাজ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর অর্জন করে NGO তে ইন্টার্নশিপ শুরু করেন রুকমণি। তখনই তাঁর মাথায় ঝোঁক চাপে তিনি ইউপিএসসির সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
ইন্টার্নশিপ শেষ করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন রুকমণি। কোনোও কোচিং ছাড়াই নিজে পড়াশোনা করবেন বলে মনস্থির করেন। পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য তিনি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর NCERT বই খুঁটিয়ে পড়তে শুরু করেন। নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন মক টেস্টে। এর পাশাপাশি চলত বিগত বছরের প্রশ্ন ঘাঁটা ও তার সমাধান। লিখিত পরীক্ষার মতো ইন্টারভিউর প্রস্তুতি নিতেন রুকমণি। তার জন্য বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও সংবাদপত্র পড়তেন। আশেপাশে ঘটতে থাকা সমস্ত খবর নখদর্পণে থাকতো তাঁর। প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পরীক্ষায় বসেন রুকমণি। ২০১১ সালের ইউপিএসসিতে AIR2 পাশ করেন ও আইএএস (IAS) অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হন। আজ ষষ্ঠ শ্রেণীতে ফেল থেকে IAS অফিসার রুকমণি রিয়ার সকল ছাত্র ছাত্রীর অনুপ্রেরণা।
সৌ: ExamBangla.com
22/08/2023
স্কুল সার্ভিস কমিশন তরফে চেয়ারম্যান মহাশয় সকল সাংবাদিক বন্ধুদের জানিয়ে দিলেন আগামীকাল বুধবার বিকেল ৪ টা মধ্যে Upper Primary পূর্ণাঙ্গ মেধা তালিকা Break Up Score সহ প্রকাশ করা হবে।।
04/08/2023
প্রথম বছরে বিক্রি হয়েছিল মোটে ৫১টি রেজার আর দেড়শোটি ব্লেড।
সাধারণ বিক্রয়কর্মী থেকেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম উদ্যোগপতি এবং উদ্ভাবক। তিনি হয়ে উঠেছিলেন তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম মিলিয়নেয়ার।
(Gillette) ‘জিলেট’ -এই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডটির সঙ্গে আমরা সকলেই কম-বেশি পরিচিত। মূলতঃ শেভিং ক্রিম এবং রেজারের জন্য পরিচিত হলেও, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বডি কেয়ার পণ্যের জগতে একচেটিয়ে ব্যবসা জিলেটের। ডিওড্র্যান্ট থেকে শুরু করে সাবান, ফেয়ারনেস ক্রিম —সমস্ত ধরণের প্রসাধনীই বাজারে এনেছে জিলেট।
আমাদের গল্পের ‘রাজা’ আর কেউ নন, এই ‘জিলেট’-এরই প্রতিষ্ঠাতা। কিং ক্যাম্প জিলেট (King Camp Gillette)।
হ্যাঁ, স্রেফ হতাশা থেকেই এক অভিনব পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা এসেছিল তাঁর মাথায়। আর সেই ‘আশ্চর্য’ পণ্য হলো রেজার এবং ব্লেড। একুশ শতকে দাঁড়িয়ে ব্লেড আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত থাকলেও, আজ থেকে দেড়শো বছর আগে এই ধরণের কোনো সামগ্রীর কোনও অস্তিত্বই ছিল না পৃথিবীতে। কিন্তু কীভাবে ব্লেড আবিষ্কার করলেন জিলেট? সেই গল্পেই ফেরা যাক বরং।
—বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত দাড়ি কামানোর একমাত্র যন্ত্র ছিল ক্ষুর। তবে অসুবিধা হল, এই যন্ত্র ব্যবহারের সময় একটু অসাবধান হলেই রক্তক্ষরণ ছিল অনিবার্য। কখনও আবার সেই ক্ষতচিহ্ন থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে মৃত্যুও ঘটেছে কোনো কোনো ব্যক্তির। ইতিহাস খুঁড়লে উল্লেখ পাওয়া যায় এমন ঘটনারও। জিলেটের সঙ্গে ঘটেছিল তেমনটাই। সেখান থেকেই ক্ষতদাগ। আর যে ক্ষতদাগ দেখেই ভয়ে তাঁর মুখের ওপরেই দরজা বন্ধ করে দিতেন ক্রেতারা। একটা সময় ভেবেছিলেন দাড়ি বাড়িয়ে ঢেকে ফেলবেন ক্ষতচিহ্ন। তবে লাভ হয়নি তাতেও।
এরপর ক্রমশঃ হতাশা গ্রাস করতে থাকে জিলেটকে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাড়ি কামানোর সময় নিজের সঙ্গে প্রায়শই কথা বলতেন কিংবদন্তি উদ্যোগপতি। ঠিক এভাবেই তিনি জন্ম দিয়েছিলেন (Safety Razor) ‘সেফটি রেজার’ কথাটির। কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই যন্ত্র? তা নিয়েই গবেষণা শুরু হয় তাঁর। যন্ত্রটির নীল-নকশাও তৈরি করে ফেলেন জিলেট। মূলতঃ দাড়ি কাটার এই যন্ত্রকে দুটি ভাগে ভাগ করেছিলেন তিনি —একটি স্ট্যান্ড ও অন্যটি ব্লেড। স্ট্যান্ডটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য হলেও, ব্লেড অর্থাৎ ধারালো ধাতব খণ্ডটি হবে ডিসপোসেবল বা একবার ব্যবহারযোগ্য।
জিলেট এই নীল-নকশা তৈরি করেছিলেন ১৮৯৫ সালে। যদিও তা বাস্তবায়িত করতে তাঁর লেগে যায় দীর্ঘ ৬ বছর।
হ্যাঁ, কারণ এই যন্ত্রের নীল-নকশা তৈরি করলেও, তিনি যে প্রযুক্তিবিদ নন। ফলে, যন্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে তাঁকে নির্ভর করতে হয় অন্যদের ওপরেই। আর সমস্যা সেখানেই। যে যন্ত্রকে কোনোদিন কেউ দেখেইনি, নামও শোনেনি —তা বানানো কি মুখের কথা? তার উপরে আবার জিলেটের দাবি, তাঁর এই ব্লেডকে তৈরি করে দিতে হবে স্বল্পমূল্যে। সেটা যে ডিসপোসেবল। ফলে, বেশি দাম দিয়ে কিনবেন না ক্রেতারা। স্বাভাবিকভাবেই অধিকাংশ প্রযুক্তিবিদই ফিরিয়েছিলেন জিলেটকে। অবশেষে তাঁর এই প্রস্তাবকে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করতে রাজি হন এমআইটির প্রযুক্তিবিদ্যার স্নাতক ছাত্র, উইলিয়াম নিকারসন।
১৯০১ সালে প্রথম নিকারসনের হাত ধরেই তৈরি হয় জিলেটের রেজার এবং ব্লেড-এর প্রথম প্রোটোটাইপ। কার্বন-স্টিলের তৈরি সেই ধারালো ব্লেডের আয়তন ছিল মাত্র দেড় ইঞ্চি বাই এক ইঞ্চি। তারপর আরও কিছু পরিবর্তন করা হয় তাতে। ধাতব পাতটির মাঝে সংযুক্ত করা হয় স্ক্রু আটকানোর গর্ত। কেননা স্ক্রু দিয়েই এই ব্লেড আটকাতে হতো স্ট্যান্ড বা রেজারের সঙ্গে। কিন্তু কেমন দেখতে ছিল এই ব্লেড? অনেকের মনেই হয়তো এসেছে এই প্রশ্নটা! আজকে আমরা যে ব্লেড ব্যবহার করে থাকি, হুবহু একই আকৃতি ও আয়তন ছিল জিলেটের ব্লেডের। বা বলা ভালো, জিলেটের তৈরি ব্লেড অপরিবর্তিত হয়েই ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রায় একশো কুড়ি বছর ধরে। সেই প্রসঙ্গও আসবে একটু পরে।
যাই হোক, এর পর ১৯০৩ সালে দক্ষিণ বস্টনে আস্তো একটি কারখানা তৈরি করে ফেলেন কিং জিলেট। শুরু হয় সেফটি রেজারের বাণিজ্যিক উৎপাদন। ততদিনে পেটেন্টের জন্যেও আবেদন করা হয়ে গেছে তাঁর। তবে প্রথম বছরের ফলাফল খুব একটা আশাপ্রদ হয়নি। সেবছর বিক্রি হয়েছিল মোটে ৫১টি রেজার এবং দেড়শোটি ব্লেড। যদিও সেটা ছিল বিপ্লবের শুরু। ১৯০৪ সালে বিক্রি হয় ৯১ হাজার রেজার এবং দেড় লক্ষাধিক ব্লেড। ১৯০৬ সালে তাঁর ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে ক্যানাডা, জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স-সহ বিশ্বের সমস্ত শক্তিশালী দেশে। এমনকি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সেনানীদের নিরাপত্তার জন্য জিলেটের থেকে পাইকারি হিসাবে রেজার ও ব্লেড কিনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি সেনাকেই প্রদান করা হয়েছিল জিলেটের সেফটি রেজার। কেবলমাত্র সেনাবাহিনীতেই ব্যবহৃত হয়েছিল ৩ কোটি ২০ লক্ষ ব্লেড।
এই ব্যবসাই মাত্র কয়েক বছরে তাঁকে করে তুলেছিল মিলিয়নেয়ার। বস্টন শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কেননা, এই বাজারে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না কেউ-ই। ১৯০৪ সালেই যে সেফটি রেজারের পেটেন্ট জুড়েছে তাঁর নামের পাশে। ফলে, অন্য কোম্পানির পক্ষেও অসম্ভব হয়ে ওঠে এই যন্ত্রের পুনরুৎপাদন করা। অন্যদিকে ব্লেডের পেটেন্ট পেয়েছিলেন নিকারসন। তাঁর থেকে ব্লেডের স্বত্ত্ব কিনে ব্লেড উৎপাদন শুরু করেছিল একাধিক সংস্থা। যদিও ব্লেড ব্যবহারের একমাত্র যন্ত্র ছিল জিলেটের রেজার। তাই ব্লেড তৈরির ক্ষেত্রে তাঁরাও অনুসরণ করেন জিলেটের নকশাই। আজও যা অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।
১৯৩২ সালে মারা যান জিলেট। তারও পরে সেফটি রেজারের জগতে আত্মপ্রকাশ করে অন্যান্য প্রস্তুতকারক সংস্থারা। বলতে গেলে প্রায় ৩ দশক ধরে গোটা বিশ্বে শেভিং-এর জগতে রাজত্ব করেছিলেন কিং ক্যাম্প। সেদিক থেকে তাঁকে রাজা বললেও ভুল হয় না এতটুকু।
______________________
🖇️সংগৃহীত পোস্ট
05/05/2023
দুর্গাপুর মুসলিম ওয়েলফেয়ার সোসাইটির তরফ থেকে জানানো হচ্ছে যে আগামী
07 May 2023 রবিবার
যে সমস্ত ছাত্রের NEET [ UG ] পরীক্ষার centre দুর্গাপুর কিম্বা দুর্গাপুরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় পড়েছে , তাদের থাকার জন্য দুর্গাপুর মুসলিম ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ,[ সিটি সেন্টার কোর্ট বিল্ডিং এর পাশে ] সম্পূর্ণ বিনা খরচায় অভিভাবক এবং ছাত্রদের রাত্রি উদযাপনের ব্যবস্থা করেছে l
যে সমস্ত ছাত্র এবং অভিভাবক এই সুযোগ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক অগ্রীম যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি।
ধন্যবাদান্তে
দুর্গাপুর মুসলিম ওয়েলফেয়ার সোসাইটি
C-99 নেয়ার দুর্গাপুর কোর্ট, সিটি সেন্টার দূর্গাপুর - 713216 , পশ্চিম বর্ধমান
Helpline - 9800453366/ 8910049878/9434351919
19/04/2023
" সব মেয়েদের পড়ার
এবং সতর্ক থাকার অনুরোধ "
১। সবার আগে নিজের
ক্যারিয়ার গড়বেন।
এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না, মরে গেলেও না।
২। আত্মসম্মান,আত্মমর্যাদা
কক্ষনো বিসর্জন দিবেন না।
তাতে মরে যেতে হলে, যাবেন।
৩। চোখ বন্ধ করে পুরুষকে
বিশ্বাস করবেন না।
(গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে)
পুরা ফেরেশতা মার্কা স্যার,
বাবার বন্ধু, মামার ফ্রেন্ড,
বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম
ফ্যামিলি পার্সন, এরকম-
এমন কারো সাথে
একা কোথাও থাকবেন না।
Be careful who you trust,
the devil was once an angel.
৪। বান্ধবীর বাড়ীতে যেতে হলে পরিবারকে জানান। ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই, বোন কে দিয়ে যান।
সবসময় নিরাপদে যত
দ্রুত সম্ভব বাড়ীতে ফিরবেন।
রাতে চেষ্টা করবেন না থাকার। থাকলেও বাড়ির পরিবেশ দেখে নিয়েন।
৫। নিজের gut feelings -
কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন।
দেখে কিছুই মনে হয় না,
খুব ভাল মানুষ, কিন্তু মন
কেন যেন ব্যাক্তিটাকে পছন্দ করে না।
এমন হলে সেই ব্যাক্তি থেকে
১০০ হাত দূরে থাকেন।
trusting your 'Gut Feeling' is often the best strategy to save yourself.
৬। নিজের আবেগ সব সময়
নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। মেয়েরা
আবেগের কারনে ভিক্টীম হয়।
৭।ফ্যামিলিকে সব সময়
পাশে রাখবেন। ফ্যামিলিকে,
বিশেষ করে মাকে বন্ধু বানান।
তার সাথে সব যেন শেয়ার
করা যায় এমন ভাবে সম্পর্ক
করবেন বাবা মার গোপনে
কিছু কইরেন না। victim
হলে আপনি হবেন। তখন
বাবা মা এটাই ভাববে "মেয়েটা আমাদের বলল না কেন!!"
৮।৷ কাউকে বিশ্বাস করার
আগে ১০০ বার ভাববেন।
You read it right. ১০০ বার।
৯।নিজেকে ভালবাসেন।
এটা খুব দরকার। আপনি কালো,
শর্ট, মুখে ব্রন --বিলিভ মি
এগুলা কিচ্ছু না। ঈশ্বর
আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন
আপনি সেভাবেই সুন্দর।
আপনার মেধা, ব্যাক্তিত্ব
দেখে যেন একটা ছেলে
দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে
ঐভাবে তৈরি করেন।
১০। সব সময় সত্যকে
পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ। অন্যায় অনেক আনন্দ দেয়। কিন্তু তা সব সময় ক্ষণিকের জন্য। সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কষ্টের হোক।
১১। জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর।
হতাশা, unexpected crisis, unexpected incident এগুলা লাইফের পার্ট।ও আচ্ছা, এমন হইল। ঠিকাছে। এরপর কি?-- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেবার আগে ভাবে এরে পেইন দিয়া লাভ নাই।
১২। মাটি এখন পায়ের নিচে।
একদিন এটা আমি, আপনী মাটির উপরে শায়িত থাকবো। আমাদের
জন্য একসময় অন্যরা প্রার্থনা করবে, তার আগেই নিজের প্রার্থনা নিজেই অন্তত যেন করি।
১৩। গাড়ির ড্রাইভার, এপার্টমেন্টের দারোয়ান এই দুই দলের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। এই দুই দলের মানুষ বিপদে চরম সাহায্য করে।
(বুদ্ধিমানরা এইখানে কি
বলি নাই তাও বুঝবে।)
১৪। অতীত নিয়ে একদম
ভাব্বেন না। তবে অতীত
থেকে শিক্ষা নিবেন। সুন্দর
একটা স্মৃতি কি দ্বিতীয় বার
একইভাবে আনন্দিত করবে আপনাকে? nope, never.
প্রথমবারের থেকে কম
আনন্দের অনুভূতি দিবে।
তাহলে অতীতের দুঃখ কেন
বারবার কাঁদাবে? সময় নাই,
অতীত নিয়ে ভাবার- এভাবে ভাবেন।
ইউ উইল বি হ্যাপিয়া।
(সমাজের সমসাময়িক
বাস্তবতা থেকে নেওয়া)
পৃথিবীর সকল নারী
সুরক্ষিত থাকুক।
(সংগৃহীত)