THE MVKC SKILL & EDUCATION

THE MVKC SKILL & EDUCATION

Autonomous educational institutions affiliated to the education missions of the Central and State Go PBSSD

Operating as usual

03/04/2022

সুদীর্ঘ লড়াইয়ের ফল কখনোই বিফল হয়না , অধ‍্যবসাই সর্বদাই সাফল্যের মুলচালিকা শক্তি ,
শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষিকার দায়িত্ব যোগ্যতার সাথেই পালিত হোক , অভিনন্দন MVKC পরিবারের পক্ষ থেকে।

20/03/2022
Photos from THE MVKC SKILL & EDUCATION's post 01/01/2022

ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা আগামীর পথে করুনাময়ী মায়ের আশীর্বাদ ,

Photos from THE MVKC SKILL & EDUCATION's post 13/03/2021

জ্ঞানের অনুশীলন কেবলমাত্র পুঁথিগত নয় তার জন্য প্রয়োজন কর্মযোগ .... MVKC পরিবার একার্থে কর্মযোগের অনুশীলন ক্ষেএ

07/03/2021

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থাকবে বিশেষ কর্মসূচি ...

Photos from THE MVKC SKILL & EDUCATION's post 28/02/2021

MVKC এর বহুমুখী শিক্ষা পরিকল্পনার একটি নতুন দিগন্ত রুপচর্চা প্রশিক্ষণ... প্রতিষ্ঠানের এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে প্রথম ইতিহাস গঠনের পথে । পশ্চিমবঙ্গ কারিগরি বিভাগের অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল তা অতিমারির অভিঘাত কাটিয়ে আবার নিজস্ব ছন্দে মুখরিত ..

21/10/2020

শ্রীপঞ্চমীর মাতৃরুপ

20/10/2020

মাতৃ আরাধনা

Photos from THE MVKC SKILL & EDUCATION's post 05/09/2020

MVKC পরিবারের খন্ডচিত্র ... অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীর কোলাহলে মুখরিত প্রতিষ্ঠান সংকট ময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ও প্রকৃত শিক্ষার পাঠ দিয়ে চলছে ... গতানুগতিক আনুষ্ঠানিক ভাবধারায় প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস রাখে না সর্বদাই মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষাই পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য হিসেবে স্থান পেয়েছে । ছাত্র ছাত্রীদের আবেগ ভালোবাসা সহানুভূতিশীল মনোভাবের কাছে কঠোর নিয়মাবলী সর্বদাই পরিবর্তিত হয়েছে ,

শিক্ষার্থী হিসেবে আমি ঋনী তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিষ্ঠাই আমাদের প্রাপ্তি , তোমাদের আনন্দ আমাদের জয়ের বার্তা তাই তোমাদের কাছে শিক্ষক হলেও আমি যা কিছু শিখেছি তোমাদের তরে আজ শুভ দিনে তোমাদের বরন করে নিচ্ছি আমার শিক্ষা গুরু হিসেবে । তোমাদের জয় আসুক প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠো ...

আজ বিশেষ দিনে প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষক হিসেবে বরন করছে যারা আমাদের পরিবারের সদস্যদের সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে সহযোগিতা করেছিলেন ,

আজ শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধাশীল তাদের প্রতি যারা বাড়ির সমস্ত কাজ সামলেও ছেলে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব পূর্ণ আচরনে সঠিক পথ দেখাচ্ছেন ।

শিক্ষক দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা তাদের প্রতি যারা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান না থাকা সত্বেও সমালোচনায় বিদ্ধ করে সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন ।

আজকের শ্রদ্ধাশীল সরকারি দপ্তরের সেই সব আধিকারিকদের প্রতি যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে mvkc এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সর্বদাই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে থেকেছেন ।

আমার শ্রদ্ধাশীল ভালোবাসা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকার প্রতি যারা কঠিন সময়ে সর্বদাই পরিবারের সাথেই থেকেছে ।

আমরা শ্রদ্ধাশীল সমাজের সর্বস্তরের সেই সব মানুষের প্রতি যাদের জন্য প্রতিষ্ঠান শিক্ষা ছাড়াও বহুমুখী কর্মক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান সুস্থির করতে পেরেছে ।

আসুন আমরা সমাজ গড়ি মানবিকতার সাথেই ,

Timeline photos 20/08/2020

E-learning academy

30/07/2020

New System of Education in INDIA 🇮🇳

বদলে যাচ্ছে পড়াশোনার রকমসকম। বদলাচ্ছে জাতীয় শিক্ষানীতি। কেরানি তৈরি করা নয়, প্রকৃত শিক্ষায় গুরুত্ব। গুরুত্ব বিজ্ঞান বোধে।

কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রকের নাম বদলে, হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রক।

প্রাথমিক শুধু নয়। ১৮ বছর পর্যন্ত শিক্ষার অধিকার। মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব।

ক্লাস ৩, ৫, ৮ এ স্কুলের পরীক্ষা। ১০, ১২ বোর্ডের পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা, রেজাল্টের ধরণ সব পালটে যাবে।

মাধ্যমিক পরীক্ষার গুরুত্ব আর থাকছে না।

১০+২ সিস্টেম উঠে যাচ্ছে,
স্কুল শিক্ষাটা হবে-৫+৩+৩+৫

৫ (একদম প্রাথমিক শিক্ষা) + ৩ (গ্রেড ৩-৫)+ ৩ (গ্রেড ৬-৮) + ৪ (গ্রেড ৯-১২)
অর্থাৎ ক্লাস সিক্স পর্যন্ত বেসিক এডুকেশন চলতে থাকবে। ক্লাস ৬ থেকে ৮ সাবজেক্টিভ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর ক্লাস ৯ থেকে ১২ উচ্চ শিক্ষার বুনিয়াদি শিক্ষা। ক্লাস ১২-এ ,আলাদা কোনও স্ট্রিম থাকছে না।

সায়ন্স পড়লেই আর্টসের সাবজেক্ট নিতে পারবেনা, সে ব্যাপারটা পাল্টাচ্চে। সায়ান্স- আর্টসের দূরত্ব কমছে।

আলাদা করে সায়ান্স, আর্টস, কমার্স থাকছে না। কেউ ফিজিক্স নিয়ে পড়ার সাথে সাথে ফ্যাশন টেকনোলজি নিয়েও পড়তে পারে।

ক্লাস ৬ থেকেই ভোকেশনাল ট্রেনিং। এমনকি ১০ দিনের ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থাও থাকবে। ধরা যাক, কেউ ইলেক্ট্রিকের কাজ শিখতে চায়।সে ক্লাস সিক্স থেকেই শিখতে পারে।

ই লার্নিংয়ে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। ৮টি ভাষায় আপাতত অনলাইনে পড়াশোনা চলবে।

ক্লাস ৬ থেকেই কম্পিউটার কোডিং শেখা যাবে। বিজ্ঞানবোধকে বাড়ানোর চেষ্টা চলবে।

ক্লাস ৫ পর্যন্ত মাতৃভাষা শেখা মাস্ট। এরপর তা ঐচ্ছিক।

৩ ভাষার ফর্মুলা থাকছে।
মাতৃভাষা, ইংরেজি এবং সাথে আরেকটা কিছু, হতে পারে হিন্দি।

পরীক্ষার রেজাল্ট আগে যেরকম হতো, তাতেও বদল আসছে। মুখস্ত করে উগরিয়ে দিয়ে নম্বর তোলার ফান্ডা পাল্টাচ্চে। ছাত্রের দক্ষতাকে গুরুত্ব।

৩/৪ বছর পর্যন্ত অনার্স করা যাবে। এরপর ১/২ বছর পোস্ট গ্রাজুয়েশন।

বিশ্বের সেরা ১০০টা ইউনিভার্সিটি এদেশে তাদের ক্যাম্পাস খুলতে পারবে।

এম ফিল উঠে গেল।

ইউনিভার্সিটিগুলোতে ভর্তির একটাই কমন এন্ট্রান্স টেস্ট।

উচ্চশিক্ষায় এন্ট্রি বা এক্সিটে অনেক অপশন থাকছে। যেমন, ৩-৪ বছরের গ্রাজুয়েশন। কেউ মনে করলেন, ১ বছর পর আর পড়বেন না। তাহলে তাঁকে ওই ১ বছরেরই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। ২ বছর হলে অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা। ব্যাচেলর ডিগ্রি ৩ বছরে। আর পুরো কমপ্লিট করলে, ব্যাচেলর উইথ রিসার্চ। আগে এক বা দু বছর পর গ্রাজুয়েশন ছেড়ে বেরোলে তা উচ্চমাধ্যমিক থাকতো তা আর থাকছে না ,

Photos from Harinavi Dwarkanath Vidyabhusan Welfare Society's post 22/05/2020
12/04/2020

কয়েকটি দিন মেনে চলুন সরাসরি বিধিনিষেধ

AarogyaSetu 05/04/2020

আপনাদের প্রত্যেককে *Arogya Setu* অ্যাপটি ডাউনলোড করতে অনুরোধ করা হচ্ছে covid19 এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং আপনাদের আশেপাশের অন্তত ২০ জনকে এই অ্যাপটি শেয়ার করবেন।
Android :
https://play.google.com/store/apps/details?id=nic.goi.aarogyasetu

iOS :
https://apps.apple.com/in/app/aarogyasetu/id1505825357

ভারত সরকারের অনুমোদন প্রাপ্ত MVKC এর পক্ষ থেকে ছোট্ট প্রয়াস । সুস্থ্য থাকুন সচেতন রাখুন সমাজকে , আতঙ্কিত হবেন না মিথ্যা প্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না ,

AarogyaSetu

29/03/2020

করোনা ভাইরাস নামক বস্তুটি আসলে কি ?

উঃ সামগ্রিক ভাবে বলতে গেলে করোনা ভাইরাস হলো একধরনের ভাইরাস-পরিবার, যা কিনা বহুদিন ধরেই মানুষ এবং বিভিন্ন পশুর দেহে বসবাস করে আসছে। এদের দেখতে মুকুটের মতন বলে এ হেন নামকরণ (Corona = Crown) ।

এই পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাকুল্যে চারটি, যথা alpha, beta, gamma এবং delta CoV (CoV =Coronavirus)।

আলফা ও বিটা প্রজাতিটাই মানুষকে সংক্রমিত করে। সংক্রমণটা সাধারণত শুরু হয় মানুষ থেকে, তারপর এই ধরনের অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির মতোই হাঁচি-কাশি এবং ছোঁয়া/সংস্পর্শের মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়।

অতি বিরল ঘটনা হিসাবে ইতিপূর্বে দুই বার মাত্র পশু থেকে মানবদেহে সংক্রমণ ঘটেছিল, তারপর সেটা ছড়িয়েছে মানুষর মধ্যে।

প্রথমবারের ঘটনা ২০০২ সালে। সেবার Civet cat (ভাম/খটাশ) থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে SARS (Severe Acute Respiratory Syndrome) নামক একটি শ্বাসনালির রোগ ঘটিয়েছিল। ঘটনার সূত্রপাত চিনে।

দ্বিতীয় ঘটনা ২০১২ সালের। এবার আর SARS নয়, MERS অর্থাৎ Middle East Respiratory Syndrome. ঘটনার সূত্রপাত মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে সৌদি আরব। দায়ী ছিল উট।

উপরোক্ত দুটি ঘটনার কোনটাই মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছায়নি, আর সবচেয়ে বড় কথা এবারের মতো Pandemic অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী মহামারীর আকার ধারণ করেনি।

বর্তমানে যে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত অসুখটি ছড়াচ্ছে সেটাও আগের দু’বারের মতো Zoonotic disease বা পশু থেকে মানুষে সংক্রমিত রোগ।

সূত্রপাতটা এরকম :-

সাল ২০১৯, তারিখ ছিল ১২ই ডিসেম্বর। সেদিনই প্রথম চিনের উহান প্রদেশ থেকে এমন একধরনের নিউমোনিয়া রিপোর্ট করা হলো যার কারণ অজানা। আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকলো। সন্দেহ হলো এটা উহানের সামুদ্রিক প্রাণীবাজার থেকেই ছড়িয়েছে (যদিও এই তথ্যটা এখনও পর্যন্ত officially confirmed নয়), তাই ১লা জানুয়ারি ২০২০ থেকে সেই বাজার বন্ধ করে দিল চিন।

এর দুদিন পরেই, অর্থাৎ ৩রা জানুয়ারি ২০২০ তে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আমাদের দেশকে এই নতুন ধরনের নিউমোনিয়া সম্বন্ধে সতর্ক করে দিল। তখনো কেউ জানে না নিউমোনিয়ার কারণটা কি !

জানলো আরো চারদিন পর, জানুয়ারির ৭ তারিখে। ওই দিনই আমরা জানলাম এক নতুন ধরনের করোনাভাইরাস এসেছে। ভাইরাসের নামকরণ করা হলো nCoV, অর্থাৎ Novel Coronavirus (Novel = New)।

রোগটার নাম দেওয়া হলো COVID-19, অর্থাৎ Coronavirus Disease 19 (19=2019, অর্থাৎ যে বছর থেকে রোগটি ছড়াচ্ছে)।

এই রোগটা কিভাবে ছড়ায়?

উঃ হাঁশি, কাশি ইত্যাদির ফোঁটা থেকে (droplet infection) সংক্রমণ হয় এবং সংক্রমিত হাত অথবা কোনও বস্তুর সংস্পর্শে এসে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়।

ধরুন কোনও COVID-19 আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচলেন বা কাশলেন অথবা থুতু ছিটিয়ে কথা বললেন। ঘটনার সময়ে তিনি রুমাল/টিস্যু ব্যবহার করেন নি। এবার ধরুন তাঁর সামনে এক মিটারের কম দূরত্বে আরেকজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন। সেই ব্যক্তিটি আক্রান্ত হতে পারেন।

মনে রাখবেন, যদি দুজনের মধ্যে দূরত্বটা এক মিটারের বেশি হয় তাহলে কিন্তু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে না ! কেন থাকবে না ? কারণ এই ভাইরাসটা একটু ভারি, ফলে বাতাসে খুব একটা দূর অবধি যেতে পারে না। হাঁচি বা কাশির গতিবেগ যত বেশিই হোক না কেন, এরা এক মিটার যাওয়ার আগেই মুখ থুবড়ে নিচে পড়ে যাবে। পড়বে মানে যে মরবে তা নয় কিন্তু ! জীবিত অবস্থাতেই থাকবে। মাঝখানের ওই এক মিটারের মধ্যে মেঝে, টেবিল অথবা যে surface থাকুক না কেন তার উপর সেই ভাইরাসগুলো জ্যান্ত অবস্থায় পড়ে থাকবে। এই অবস্থায় তারা কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায় নি, তবে এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটা ৮ ঘন্টা থেকে ২ দিন পর্যন্ত হতে পারে। এর মধ্যে যদি সেই জায়গাটি disinfect অর্থাৎ সংক্রমণমুক্ত না করা হয়, তাহলে সংক্রমিত surface-এর সংস্পর্শে এসে আরো কিছু মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন এবং সংক্রমণ ছড়াতে পারেন।

আরেকটা দৃশ্য কল্পনা করুন। ধরুন কোনও COVID-19 আক্রান্ত ব্যক্তি মুখের সামনে হাত রেখে কাশলেন অথবা হাঁচলেন। স্বাভবিক ভাবেই তাঁর হাত সংক্রমিত হয়ে গেল। এবার তিনি ওই হাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এটা ওটা ধরছেন, লোকজনের সাথে করমর্দন করছেন, ইত্যাদি। আরেকজন সেই সংক্রমিত বস্তুটি ধরলেন, তারপর যথারীতি সেই হাতেই কাজকর্ম করতে লাগলেন। এইভাবে অগুনতি মানুষের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে।

কিভাবে করোনা ভাইরাস ছড়ানো আটকানো যাবে ?

উঃ ভাইরাস ছড়ানোর চক্রটা যদি কোনও একটি জায়গায় কেটে দেওয়া যায় তাহলেই হবে। ভাইরাস আর ছড়াবে না। চক্রটি মোটামুটি বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি :-

করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তি (তাঁর দেহে COVID-19 এর লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক) মানেই একটি reservoir বা আধার, যাঁর মাধ্যমে অন্যারা সংক্রমিত হতে পারেন।–>তাঁর শরীর থেকে ভাইরাসের নির্গমন হবে মুখ অথবা নাক দিয়ে।–>সংক্রমণ সরাসরি আরেকজনের মানুষের দেহে ছড়াতে পারে, যদি দুজনের মধ্যে এক মিটারের কম ব্যবধান থাকে এবং সেই অবস্থায় সংক্রমিত ব্যক্তিটি রুমাল/টিস্যু ছাড়াই অথবা mask না পরে হাঁচি/কাশি দেন বা কথার মাঝখানে মুখ দিয়ে থুতু ছেটান।

এছাড়া তিনি মুখের সামনে হাত দিয়ে হাঁচলে/কাশলে এবং তারপর সেই হাতটা ভালো করে সাবানজলে না ধুয়ে যদি কোনও জিনিস ধরেন বা কারো সাথে করমর্দন করেন তাহলে সেই জিনিস অথবা আরেকজনের হাত সংক্রমিত হয়ে যাবে, যদি সেই অপর ব্যক্তিটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা না নেন।–>
অপর ব্যক্তির নাক/মুখ দিয়ে তাঁর শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করবে ও বংশবৃদ্ধি করবে। তখন তাঁর দেহে COVID-19 এর লক্ষণ না থাকলেও তিনি একজন potential reservoir হয়ে গেলেন, যিনি আবার একই ভাবে ভাইরাস ছড়াবেন।

এই হলো চক্র ! এই চক্রের কোনও একটা জায়গা যদি আমরা ছিন্ন করতে পারি তাহলে আর ভয় নেই। ছিন্ন কিভাবে করবো ? কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে। আসুন এবার সেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটায় যাই।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচাতে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ?

উঃ আমরা পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আলোচনা করবো। মন দিয়ে শুনুন –

১) HAND HYGIENE : এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। হাতটা ভালো করে ধুতে হবে। একবার নয়, বারবার …. যতবার প্রয়োজন পড়ে।

● হাত না ধুয়ে কিছু খাবেন না, এমনকি চোখও চুলকাবেন না।

● অফিস-কাছারি বা বাড়ির বাইরে লোকজনের সাথে যতটা সম্ভব hand contact এড়িয়ে চলুন।

● ট্রেনে-বাসে রড/হাতল ধরার পর সচেতন থাকুন যেন যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব হাতটা ধোওয়া যায়।

● হাত ধোওয়ার জন্য সাবানজলই যথেষ্ট ! মনে রাখবেন soap + running water এর মতন কার্যকরী handwash এখনও তৈরি হয়নি। এমনকি বিশেষ কোনও সাবানেরও দরকার নেই ! আপনি নিত্যদিন বাড়িতে যে সাবানে হাত পরিষ্কার করেন সেটা হলেই চলবে।

● এছাড়া অবশ্যই alcohol-based hand sanitizer ব্যবহার করতে পারেন, তবে এমনটা নয় যে ওটা না দিলে আর হাত পরিষ্কার হবে না। যদি hand sanitizer না থাকে তাহলে জাস্ট একটা সাবান কাছে রাখবেন আর প্রয়োজন পড়লেই সেটা দিয়ে হাত ধুয়ে নেবেন।

● হাত মোছার জন্য পরিষ্কার রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করুন। যদি নাক ঝাড়েন তাহলে সেই হাতটা টিস্যুতে মুছুন এবং সঠিক জায়গায় টিস্যুটা ফেলুন। যত্রতত্র ফেলবেন না।

● নাক ঝেড়ে হাত মোছার জন্য রুমালের চেয়ে টিস্যু ব্যবহার করা অনেক ভালো, কারণ ওই নোংরা রুমালটা বারবার ব্যবহার করা আর পকেটে/ব্যাগে রাখা মানেই আরো বিপদ বাড়ানো।

● হাত ধোয়ার নিয়ম আছে। নিয়মগুলো লিখে বলার চেয়ে ছবির মাধ্যমে বোঝানো সুবিধে, তাই পোস্টের সাথে সেই ছবিটা দিলাম। দয়া করে ভালো করে দেখে নেবেন।

২) COUGH ETIQUETTE & RESPIRATORY HYGIENE :-

● হাঁচি অথবা কাশির সময়ে মাথা ঘুরিয়ে কাশবেন।

● হাঁচি/কাশির সময়ে নাক এবং মুখের উপর টিস্যু ধরবেন।

● হাঁচি/কাশির পর সঠিক জায়গায় টিস্যু ফেলবেন। যেখানে সেখানে ফেলবেন না। এরপর অবশ্যই ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।

● যদি মাস্ক পরে থাকেন তাহলে ওই অবস্থাতেই হাঁচবেন/কাশবেন।
○ দয়া করে মাস্ক সরিয়ে কম্মটি করবেন না।
○ এরপর অবশ্যই সেই মাস্কটা খুলবেন, সঠিক জায়গায় বর্জ্য হিসাবে ফেলবেন এবং ভালো করে হাত ধোবেন।

● যদি হঠাৎ এমন জোর হাঁচি পায় যে টিস্যু বার করার সময় পেলেন না তাহলে কনুই ভাঁজ করে জামার হাতা দিয়ে মুখ গার্ড করুন। এটা হাত দিয়ে মুখ ঢাকার তুলনায় বেটার অপশন।

● মাস্কের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যবহার : –
এই এক গোলমেলে জিনিস ! বহু স্কুল অফ থটস্ বাজারে ঘুরছে, আমি সেসব উহ্য রেখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন বলছি।

● প্রথমত, মাস্ক ব্যবহার করা মানেই করোনার বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ পরে ফেলা নয়। আসল হলো hand hygiene maintain করা। শুধু মাস্কের ব্যবহারে সংক্রমণ আটকানো যায় না, যাবে না।

● নাম্বার টু, মাস্ক সবাইকে পরতে হবে এমন কোনও মানে নেই। অকারণে মাস্কের ব্যবহার শুধু যে খরচ বাড়ায় তাই নয়, তার সাথে কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে …. যেমন এখন করছে।

● তিন নম্বর কথা হলো অনেকে মাস্ক পরে ভাবছেন সাঙ্ঘাতিক লেভেলের সতর্কতা নিয়ে ফেলেছেন, অতএব আর চিন্তা নেই ! এর ফলে আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি অবহেলিত হয়, যেমন হাত ধোওয়া।

■ মাস্ক কারা পরবেন না?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
● কোনও সুস্থ মানুষ, যিনি বিগত দু-সপ্তাহের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোনও দেশ অথবা রাজ্য থেকে আসেন নি, তাঁর মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই।

● কোনও সুস্থ মানুষ, যিনি কোনও COVID-19 suspected case-এর সংস্পর্শে নেই অথবা তাঁর পরিচর্যা করছেন না, তাঁর মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই।

■ মাস্ক কারা পরবেন অথবা পরতে পারেন?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

● যাঁরা সরাসরি রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন, অর্থাৎ ডাক্তার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী।

● হাঁচি-কাশি জ্বর শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি শ্বাসনালিতে সংক্রমণের লক্ষণযুক্ত কোনও ব্যক্তি।

● কোনও সুস্থ ব্যক্তি, যিনি হাঁচি-কাশি জ্বর শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি শ্বাসনালিতে সংক্রমণের লক্ষণযুক্ত কোনও ব্যক্তির পরিচর্যা করেন বা সংস্পর্শে আসেন অথবা এক মিটারের কম দূরত্ব থেকে তাঁর সাথে interact করেন।

অতএব বুঝতেই পারছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী আমাদের অধিকাংশ লোকেরই মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই। যাঁরা ট্রেন/বাস ইত্যাদি public conveyance এ যাতায়াত করছেন তাঁরা অবশ্য মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন, তবে তার সাথে handwashing বাধ্যতামূলক। স্রেফ মাস্কের ব্যবহারে কোনও লাভ নেই যদি না handwashing ঠিকঠাক করেন।

● কি ধরনের মাস্ক ব্যবহার করবেন ?

এর একটাই উত্তর – Medical Mask, অর্থাৎ 3-pleated 6-lamellar disposable mask. সোজা কথায়, ওষুধের দোকানে যে মাস্কগুলো পাওয়া যায়।

● সাধারণ জনগণের জন্য N95 মাস্কের কোনও প্রয়োজন নেই।

● একটা মাস্ক একবারই ব্যবহার করা যাবে, তারপর ফেলে দিতে হবে।

● একটা মাস্ক একটানা ততক্ষণ ব্যবহার করা যাবে যতক্ষণ না নিশ্বাসের ভাপে অথবা ঘামে moist হচ্ছে না। বর্তমান আবহাওয়ায় এই সময়কালটা ৬ থেকে ৮ ঘন্টা।

● হাঁচি/কাশি পেলে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় সেটা করতে হবে, এবং সঙ্গে সঙ্গেই সেই মাস্ক খুলে, নিরাপদ জায়গায় রেখে, handwashing করে তবেই আরেকটা মাস্ক পরতে হবে।

● Pollution আটকানোর জন্য বাজারচলতি যেসব মাস্ক আছে সেগুলো করোনাভাইরাস আটকানোর কাজে লাগবে না।

● মাস্ক পরার পর মাস্কের উপর আর হাত দেবেন না।

৩) SOCIAL DISTANCING :-
**********
● জনবহুল জায়গায় যাবেন না অথবা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলবেন।

● সভাসমিতি, মিটিং, মিছিল, ইত্যাদি জনসমাগম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ করা হলেও টুকটাক চলছে না তা নয় ! দয়া করে সেখানে যাবেন না বা অংশগ্রহণ করবেন না।

● যতটা সম্ভব নিজেকে গৃহবন্দী করে ফেলুন। খুব দরকার ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না।

● একসাথে বেশি বাজার করে রাখুন যাতে রোজ-রোজ বাজারে ছুটতে না হয়।

● রেস্টুরেন্টে খাওয়া আপাতত বন্ধ রাখুন।

● অফিসে যাঁরা আপনার সাথে কথা বলতে আসবেন অথবা অন্যান্য কাজের জন্য আসবেন তাঁদের পরিস্কার বলে দিন টেবিলের ওপাশ থেকে কথা বলতে। টেবিল ডিঙিয়ে ঘাড়ের কাছে এসে কথা বলা অ্যালাউ করবেন না। প্রয়োজনে টেবিলের উপর নোটিশ সাঁটিয়ে দিন।

● আত্মীয়-কুটুম্বিতা আপাতত বন্ধ রাখুন। অসামাজিক হয়ে যান কিছুদিনের জন্য।

৪) অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা :-
*************

● Hand-to-hand contact এর দ্বারা রাস্তায় যেসব খাবার খান, যেমন ফুচকা/আলুকাবলি/কাটা ফল সেগুলো খাবেন না।

● সিগারেট/বিড়ির নেশা থাকলে লুজ সিগারেট-বিড়ি কিনবেন না। প্যাকেট সহ কিনবেন, প্যাকেটটা hand sanitizer দিয়ে একটু বুলিয়ে নেবেন, খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করে তবে প্যাকেট থেকে বার করবেন। দোকান থেকে দোকানদারের হাতে করে দেওয়া লুজ সিগারেট কিনে ধরাবেন না।

● রাস্তায় যত্রতত্র থুতু/কফ ফেলবেন না।

● বাইরে থেকে ঘরে ঢুকে জামাকাপড় ছেড়ে ফেলবেন। কাচার পর তবে আবার সেই জামাকাপড় ব্যবহার করবেন। ঘরে ঝুলিয়ে রাখবেন না।

● বাইরে থেকে কোনো অতিথি/আত্মীয় বাড়ি এলে তাঁকে আগে hand wash করতে বলবেন। বিছানায় বসাবেন না। সোফা/চেয়ার/মেঝেতে (যেমন আপনার খুশি) বসান। নিজে তাঁর থেকে অন্তত এক মিটার দূরে বসুন। তিনি চলে যাওয়ার পর সেই জায়গাটা এবং তার চারপাশের এক মিটার এরিয়া সাবানজল/ফিনাইল/কলিন ধরনের জিনিস দিয়ে মুছে নেবেন। যদি সেটা টেবিল হয় তাহলে টেবিলের উপর কলিন ধরনের জিনিস দিয়ে মুছবেন। টেবিল কভার হলে কেচে নেবেন। যদি একান্তই বিছানায় বসাতে বাধ্য হন তাহলে বিছানার চাদর কেচে নেবেন।

● বাইরে থেকে এসে মোবাইল/পেন/পার্স/ব্যাগ ইত্যাদি জিনিসগুলো hand sanitizer দিয়ে একপোঁচ বুলিয়ে নেবেন।

■ কোনো প্রকার গুজবে কান দেবেন না, প্রশ্রয় দেবেন না এবং ছড়াবেন না। সরকার থেকে প্রকাশিত খবর/তথ্য/বার্তা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার থেকে প্রাপ্ত কোন তথ্য ছাড়া এই সংক্রান্ত অন্য কিছু পোস্ট শেয়ার করবেন না।
এটা পরিকল্পিত মহামারী, অমুক দিন থেকে কমে যাবে, চোদ্দ ঘন্টার কার্ফু হলেই করোনা শেষ …. এই ধরনের আজগুবি জিনিস প্রশ্রয় দেবেন না এবং অবশ্যই ছড়াবেন না। এর ফলে একটা false sense of security তৈরি হয় মানুষের মনে, যা কিনা অতি, অতি ভয়ংকর !

■ সচেতন হোন। সচেতন করুন। মনে রাখবেন, একমাত্র সচেতনতাই পারে আমাদের এই ভয়াল বিপদ থেকে রক্ষা করতে। যে দেশের জনসংখ্যা এত বেশি সে দেশে এই মহামারী ঠেকাতে হলে সচেতনতাই একমাত্র অস্ত্র। এখনও যদি আমরা সচেতন না হই তো করোনাভাইরাসের সামনে স্রেফ উড়ে যাবো।

■ সচেতন হোন, সরকারের সাথে সহযোগিতা করুন এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে যুক্ত মানুষজনের উপর আপাতত ভরসা রাখুন। আমরা আছি ! দিনরাত এক করে আমরা, অর্থাৎ সরকারি ডাক্তার এবং বিভিন্ন পদের স্বাস্থ্যকর্মীরা খাটছি। কয়েকটা দিন আমাদের উপর ভরসা রেখে চলুন। এই মুহূর্তে আমাদের মারধোর করবেন না প্লিজ ! যদি বেঁচে থাকেন তাহলে ডাক্তার পেটানোর অনেক সুযোগ পাবেন। আপাতত বাঁচুন এবং বাঁচান !

* তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের দ্বারা প্রাপ্ত তথ্য ও বিধি।

27/03/2020

এই কঠিন মুহূর্তে বিশ্বের বিজ্ঞানী মহলের দৃষ্টি ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পাওয়া , এই ক্ষেত্রে ভেষজগুণ সম্পূর্ণ দারচিনি,যষ্ঠিমধু , লবঙ্গ, তুলসী, গোলমরিচ, আদা , কাঁচা হলুদ ,প্রভৃতি ঔষধি সম্পূর্ণ গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আমরা নিজেদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিক রাখতে পারি , আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন , ঈশ্বরের আশীর্বাদে সব ঠিক হয়ে যাবে , এই কঠিন পরিস্থিতিতে ঈশ্বরের দান ভেষজগুণ সম্পূর্ণ গাছের প্রতি ভরসা থাকুক । যেখানে পথ হারিয়ে মানুষ বিভ্রান্ত সেখানে আদি অকৃত্রিম সনাতনী ব্যবস্থাপনার উপরে একটু ভরসা রাখা যেতেই পারে ,

26/03/2020

সচেতন থাকুন

24/03/2020

আতঙ্কিত নয় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন , তবেই সম্ভব মহামারীর দিকে এগিয়ে যাওয়া থেকে নিজের পরিবারকে রক্ষা করা , চায়ের দোকান থাকবে যতদিন চায়ের চাষ থাকবে কিন্তু দোকানে চা খাওয়ার লোক থাকবে তো ??

দেশের প্রশাসন কি করছেন তার সমালোচনা না করে নিজেদের ছোট্ট পরিসরকে সুরক্ষিত রাখুন তবেই সম্ভব দেশকে সুরক্ষিত রাখার ,

সময় এখনো আছে আপনার মৃত্যু মিছিল আটকানোর ,
সময় এখনো আছে রাজনৈতিক ,ধর্মীয় ,বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে নিজেকে তথা দেশকে সুরক্ষিত রাখার ,
সময় এখনো আছে তবে তা কতসময় থাকবে তা ভেবে পদক্ষেপ নেওয়ার ,
আপনার হঠকারিতা আপনার ভবিষ্যৎ ক্ষমা করবে না ,
মহামারীর পরেও পৃথিবীতে সবুজের সমারোহ থাকবে কিন্তু আপনাকে ক্ষমা করার মতো একজন মানুষ কেও পাবেন না ,

আপনি এতদিন দেখেছেন পথে প্রানীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে কিন্তু আপনার অবিবেচক নীতিহীনতা হয়তো আগামী দিনে মানুষের মৃত্যু মিছিল ডেকে আনতে পারে ,

পরিশেষে ঈশ্বরের কাছে পার্থনা করুন , ভরসা করুন তার সৃষ্টিকে পরিত্রাণ তিনি করবেন বিজ্ঞানের বেশে যদি ভরসা থাকে প্রকৃতির উপরে ।

21/03/2020

জয় জগন্নাথ

19/03/2020

সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন আতঙ্ক নয় ,

পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান ,

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সুষম আহার করুন ,

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

CORONA - নামের মধ্যেই প্রতিরোধ লুকিয়ে আছে

C - Clean Your Hands 🖐
O- Off From crowd 🏃
R- Raise Your Immunity 😇
O- Only Sick to Wear Mask 😷
N - No to Hand Shake 👏
A- Avoid Rumours
,

14/03/2020

মহামারীর ইতিহাস পাঠ্য বইয়ের মধ্যে এতদিন সীমাবদ্ধ ছিল , এই প্রজন্ম আবার তা চাক্ষুষ করার সুযোগ পেলো এক রাশ আতঙ্কের মধ্যে , WHO এর মারামারি হিসেবে ঘোষণা উদ্বেগের । ভারত সরকার সচেতনতার প্রচার করছেন , কিন্তু বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর কি অবস্থা তা সবাই আমরা অবগত , এই রোগ ভারতের ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়লে মৃত্যুর হার লক্ষ থেকে কোটিতে যেতে বেশি সময় নেবে না ,এই পরিস্থিতিকে রুখে দেওয়ার দায়িত্ব আমার আপনার সকলের । কয়েকটি দিন একটু সচেতন হোন নিজের জন্য , প্রথমত * শপিং মল বৃহত্তর জামায়াতে এড়িয়ে চলুন , দ্বিতীয়ত , এই সময় আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় রাতে ফেন চালিয়ে , রাস্তার দোকান থেকে আইসক্রীম খেয়ে শরীরের উপরে নিজের জবর দখলী ভাব এড়িয়ে চলুন , তৃতীয়ত , হাত ধোয়ার জন্য সাবান ব্যাবহার করুন , বাড়ির বাইরে গেলেই হাত পা ধুয়ে বাড়িতে প্রবেশ করুন , গরম জল খাওয়ার চেষ্টা করুন , জামাকাপড় পরিবর্তন করে খেতে বসুন , পঞ্চমত, বাড়িতে শিশু , বৃদ্ধ , অসুস্থ , রোগী থাকলে বাড়তি গুরুত্ব দিন কারন এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম , ষষ্ঠত , মুরগি ছাগলের দাম কমেছে বলে পোস্ট না করে সচেতন করুন আশেপাশে থাকা মানুষ দের , মিথ্যা প্রচার থেকে বিরত থাকুন , দেশের সেবা মনে করে উপরিউক্ত নিয়ম পালন করুন , এই কাজগুলো করার জন্য আপনাকে অতিরিক্ত পয়সা বা সময় খরচ করতে হচ্ছে না কিন্তু আন্তরিকভাবে করলে , সমাজের , দেশের , বিশ্বের মঙ্গল হবে । চলুন আমরা দেখিয়ে দিই পৃথিবীর উন্নত ধনী দেশগুলো যা পারলোনা , আমাদের অশিক্ষিত , অজ্ঞ , অসচেতন কোটি কোটি মানুষ সম্বলিত এই দেশ তা পারলো ! আর সেটা পারলে আমার আপনার পরিবার বাঁচবে , আমার দেশ বাঁচবে , , আমাদের প্রিয়জন বাঁচবে , আমরা থাকবো সুন্দর ধরাতলে , সত্যম শিবম সুন্দরের জয় হোক , ভয় নয় সাহসী হতে হবে ,

13/03/2020

যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে ,,,,,, প্রশিক্ষণ মুহূর্তের এক ঝলক

12/03/2020

মনের ইচ্ছা থাকলেই নারী বা পুরুষের বিভাজনের বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয় না , প্রয়োজন হয় না পরিবেশ অনুকূলে না প্রতিবন্ধকতা সামনে , এগোনো যায় , ফিরিয়ে আনা যায় সংসারের এক চিলতে হাসি , এগিয়ে চলো অন্যের প্রেরনা হতে ।কর্মের প্রতি আরো দৃঢ় হয়ে ওঠো , যাদের কাছে এক জন মেয়ে বলে খেলার পাত্র ছিলে ওদের কে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলো , দেখবে কখন তুমি প্রানবন্ত হয়ে উঠেছ ওরা হয়ে উঠবে পুতুল ,

28/02/2020

B.ed প্রথম সেমিস্টারের সাফল্য পরবর্তী ক্ষেত্রে আরো বৃদ্ধি পাক ,

27/02/2020

মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে বসে না থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিউটিশিয়ান কোর্সের জন্য যোগাযোগ করুন ,
03324774036

Want your school to be the top-listed School/college in Harinavi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

কয়েকটি দিন মেনে চলুন সরাসরি বিধিনিষেধ
সচেতন থাকুন
আতঙ্কিত নয় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন , তবেই সম্ভব মহামারীর দিকে এগিয়ে যাওয়া থেকে নিজের পরিবারকে রক্ষা করা , চায়ের দ...
জয় জগন্নাথ
সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন আতঙ্ক নয় ,পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান , রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সুষম আহার করুন , সরকারি ন...
যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে ,,,,,, প্রশিক্ষণ মুহূর্তের এক ঝলক
চরম সংকট .....
আপনি অপরাধী নয় তো 👉👉👉👉👉👉👉👉👉🌍🌎🌏
বিচার যা হয় তা মানুষের অশিক্ষায় , মুলভবনে নেই কোন ভেদাভেদ ,
যে কাজ হোক তা যেনো সততার সঙ্গে হয় , লোভের বশবর্তী হয়ে সব কিছু নিজের করা যায় না ,

Location

Telephone

Address


Madhusudan Acharjee Road
Harinavi
700148

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm
Other Harinavi schools & colleges (show all)
Swaragini the academy of music Swaragini the academy of music
Harinavi, 700084

subject -1.Hindustani Classical, semi-classical, Bollywood, sufi, western, folk, 2.all kind of music

English Tution English Tution
Harinavi
Harinavi

Mr. Sujay Paul Mr. Sujay Paul
Chowhati More
Harinavi, 700147

Motivational 🔥 inspirational videos🔥 personal blog, tour & travel videos

Rebuild Zone Rebuild Zone
A5 Nibedita, Pratapgarh, Kamalgazi
Harinavi, 700103

Children's Art Academy Children's Art Academy
Harinavi, 700148

Art school with exam facility

Science Placebo Science Placebo
Harinavi, 700153

Lobh Lobh
700103, Kolkata
Harinavi, 700103

share easy tasty recipe for bachelors who can't cook