Bar Na

Bar Na OWN LIFE �

যেরকম আছে সেরকমই থাক,শুধু, ভাবনায় সে রয়ে যাক ⁉️
26/11/2024

যেরকম আছে সেরকমই থাক,
শুধু, ভাবনায় সে রয়ে যাক ⁉️

মানুষ শুরুতে যেই টান দেখায়,  তা যদি শেষেও থাকতো;  হয়তো গল্পটা অন্যরকম হতো..!!'''😊💔❤️🥀
21/10/2024

মানুষ শুরুতে যেই টান দেখায়, তা যদি শেষেও থাকতো; হয়তো গল্পটা অন্যরকম হতো..!!'''😊💔
❤️🥀

22/07/2024

Wife: তুমি কাকে বেশি ভালোবাসো
আমাকে নাকি মাকে ??

Husband: আ মি তো মা কে ভা লো বা সি।

খুব সংকীর্ণ!!!
03/07/2024

খুব সংকীর্ণ!!!

এটাও থেকে যাক 🍂🍂
27/06/2024

এটাও থেকে যাক 🍂🍂

বসন্ত বিলাপের শেষ দৃশ্যটা মনে আছে? যেখানে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেখে অপর্ণা সেন জিজ্ঞেস করছে, "আপনি যান নি? " সৌমিত্র এ...
21/06/2024

বসন্ত বিলাপের শেষ দৃশ্যটা মনে আছে? যেখানে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেখে অপর্ণা সেন জিজ্ঞেস করছে, "আপনি যান নি? " সৌমিত্র একগাল হেসে বলছে " আমি জানতাম তুমি আসবে "। ব্যাস এইটুকুতেই সমস্ত রাগ-অভিমান গলে জল। এই যে আমি জানতাম। এই যে জানার বিশ্বাসটুকু। ছুটে আসার অপেক্ষাটুকু বড় মেদুর। কিংবা ধরুন দাদারকীর্তির শেষ দৃশ্য। একটা বোকা-ক্যাবলা কেরিয়ারে জিরো একটা ছেলের সারল্যের, সততার মাধুর্যে মজে গেলো মহুয়ার মন। ছোঁয়া নেই। ভালোবাসি বলাও নেই। কিন্তু এরচেয়ে চমৎকার প্রেমের দৃশ্য আর দুটো হয় না।

আজকাল সবকিছু খুব জটিল লাগে। আমাদের থামা নেই। অপেক্ষা নেই। চোখে চোখে বুঝে নেওয়া নেই। আমাদের প্রেম পায়। আমাদের প্রেম ফুরিয়ে যায়। আমাদের অনেক ' অপশন '। আমাদের লাখ টাকার প্যাকেজের কেরিয়ার। আমাদের swag। আমাদের এখন কথায় কথায় ' ছেঁড়া যায় '। আমরা অভিমানের ভাষা বুঝি না। আমরা ভালোবাসার সমর্পণ জানি না। আমরা প্রেম করি কেবল। ভালো তো বাসি না। আর কেউ বাসলেও তাকে অপমানে, যন্ত্রণায়, নির্মমতায়, বিশ্বাসঘাতকতায় শেষ করে দিই। এতেই মজা। নিষ্ঠুর আনন্দ!
লেখা © অনুব্রতা গুপ্ত
#সংগৃহীত Barnali Roy

আঙ্গুল টা থেমে গেলো তো🫵 এটাই দেশের প্রতি ভালোবাসা 🧡❤️‍🩹💝🇮🇳 নেতাজি  ছিলেন এক ভোজন রসিক  বিশুদ্ধ বাঙালী।বাঙালী মানেই ভোজন ...
21/06/2024

আঙ্গুল টা থেমে গেলো তো🫵
এটাই দেশের প্রতি ভালোবাসা 🧡❤️‍🩹💝
🇮🇳 নেতাজি ছিলেন এক ভোজন রসিক বিশুদ্ধ বাঙালী।

বাঙালী মানেই ভোজন রসিক। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে বাঙালীর জুড়ি মেলা ভার। তবে এই ভোজন রসিক বাঙালীর তালিকা থেকে বাদ যাননি আমাদের “সুভাষ বাবু” অর্থাৎ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু। এই মানুষটার খাদ্যাভাস কেমন ছিলো? কি খেতে ভালোবাসতেন তিনি?

খাদ্যরসিক হিসেবে এই প্রশ্নটা মাঝে মধ্যেই জাগে আমাদের মনে।

👉🏻ভীষণ ভালোবাসতেন চা খেতে, দিনে পঁচিশ ত্রিশ কাপ চা খেতেন তিনি। প্রিয় পানীয় ছিল গরম জলে বিটনুন দিয়ে লেবুর রস।

👉🏻ভীষণ পছন্দের খাবার ছিলো খিচুড়ি, ভাতেভাত আর সোনা মুগ ডাল, মাছের ঝোল আর ভাত, এছাড়াও সুক্ত এবং পুঁইশাক তার খুব পছন্দের খাবার ছিল।

👉🏻একবার মাঝখানে তিনি মাংস ডিম্ ইত্যাদি সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করেছিলেন শুধুমাত্র মাছ আর সবজি খেতেন আর কিছু ফল (পছন্দের ফল আপেল কলা আর আঙ্গুর) এই ছিলো তখন ওনার জীবনধারণের সহায়।

👉🏻পছন্দের মিষ্টি ছিলো নারকেলের তৈরী যে কোনো মিষ্টি ।বিশেষত, চিনির পুলি,নারকেল নাড়ু,মনোহরা তিলের তক্তি ইত্যাদি।

👉🏻ছাত্রাবস্থায় এবং তারপরেও রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে নিয়মিত ছিলেন কফি হাউসের ৪ নম্বর টেবিল এ সেখানে আবার ওনার প্রিয় ছিল চিকেন কাটলেট।

👉🏻প্রচন্ড সুপারি খেতেন নেতাজি ,এমনকি ব্যাডমিন্টন খেলার সময়ও সুপারি খাবার উল্লেখ রয়েছে ওনার ভাইপোর চিঠিতে, পরে অবশ্য সুপারি সম্পূর্ণ ছেড়ে দিয়ে হরিতকি খেতেন।

👉🏻Chain Smoker ছিলেন নেতাজি। সেই নিয়ে নিজের অনুগামীদের বকাঝকাও সহ্য করতে হতো ওনাকে।

👉🏻ওনার প্রিয় খাদ্যপ্রতিষ্টানগুলোর মধ্যে বেশ কিছু এখনো বর্তমান।

👉🏻লক্ষীনারায়ণ সাউ এন্ড সন্স।
হাতিবাগানের এই তেলেভাজার দোকানটা ২৩জানুয়ারীর দিন সবাইকে বিনামূল্যে তেলেভাজা বিতরণ করে ওনার স্মৃতিতে। শোনা যায় নেতাজি ওনার জন্মদিন পালন করেছিলেন এই দোকানে।

👉🏻প্যারামাউন্ট
বঙ্কিম চ্যাটার্জী স্ট্রিটের এই শরবতের দোকানটি ছিলো ওনার খুব প্রিয়।

👉🏻ইন্ডিয়ান কফি হাউস
আড্ডাজগতের মক্কা হিসেবে প্রখ্যাত এই প্রতিষ্ঠানের ৪ নম্বর টেবিল এখনো বিখ্যাত নেতাজির স্মৃতিতে।

👉🏻ফেভারিট কেবিন
সূর্য সেন স্ট্রিট অঞ্চলে আজও ৪ নম্বর টেবিল শ্রদ্ধার বিষয় এখানেও।

👉🏻স্বাধীন ভারত হিন্দু হোটেল।
এখানে নিজের হাতে শতরঞ্চি পেতে বন্ধুদের নিয়ে এক আনায় দুবেলা ভরপেট মাছ ভাত খেতেন নেতাজি বহু বছর।

ভাত যাতে গরমে নষ্ট না হয়, তাই একসময় জল ঢেলে রাখা হতো। সেটাই পরের দিন সকালে পান্তা ভাতে পরিণত হতো। এই সমস্যা থেকে বাঁচার ...
20/06/2024

ভাত যাতে গরমে নষ্ট না হয়, তাই একসময় জল ঢেলে রাখা হতো। সেটাই পরের দিন সকালে পান্তা ভাতে পরিণত হতো। এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য ফ্রিজ আবিষ্কার হলো। এখন মানুষ বেশি টাকা দিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে পান্তা ভাত কিনে খায়, ফেসবুকে পান্তা নিয়ে আদিখ্যেতা করে।

প্লেট সহজলভ্য ছিলো না বলে মানুষ একসময় কলাপাতা কেটে তাতে খাবার খেতো। এখন সবার বাড়িতে প্লেট, কিন্তু নামী রেস্তোরাঁয় কিংবা কখনো বাড়িতেও কলাপাতায় খাবার সুযোগ পেলে মানুষ সেটাকে লাক্সারি মনে করে।

ধুতি-পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ি পরাটাই একসময় চল ছিলো। ঘরে-বাইরে প্রতিটা জায়গায় ওগুলোই ছিলো স্বাভাবিক পোশাক। ওগুলো পরার ঝামেলা বলেই পরবর্তীকালে প্যান্ট-শার্ট মানুষের মাঝে জনপ্রিয় হলো। এখনকার ছেলেমেয়েরা ধুতি কিংবা শাড়ি পরে ভীষণ স্পেশাল অকেশনে কিংবা উৎসবের সময়।

গ্রামের জীবনযাত্রাকে অত্যাধুনিক করার জন্যে এবং মানুষের জীবনকে আরামদায়ক বানাবার জন্যেই শহরের সৃষ্টি হল। কুঁড়েঘর ভেঙে ফ্ল্যাট তৈরি হল, চাষের জমিতে কারখানা তৈরি হল, গাছ কেটে চওড়া রাস্তা বানানো হলো। কিন্তু এখন যেকোনো শহরবাসীকে জিজ্ঞেস করুন তার শহর পছন্দ নাকি গ্রাম। বেশিরভাগই উত্তর দেবে, 'গ্রাম'। প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়া এখন লাক্সারি। পাহাড়ে-জঙ্গলে ঘুরতে যাওয়া এখন খরচা সাপেক্ষ। অথচ জঙ্গল কেটেই আমাদের এই নগরের সৃষ্টি, কারণ আমরা জঙ্গলের বদলে নগর চেয়েছিলাম।

এগুলো থেকে স্পষ্ট যে কিছু জিনিস জীবন থেকে হারিয়ে গেলেই সেগুলো মূল্যবান হয়ে যায়। সাথে থাকাকালীন কেউ মূল্যই বোঝেনা!! কখনো নিজের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য হারিয়ে যাওয়া ভীষণ প্রয়োজন।

সংগৃহীত🙏🙏

19/06/2024

🥰🥰

স্মৃতির পাতা 💕🥀
17/06/2024

স্মৃতির পাতা 💕🥀

Address

Haldibari
Haldibari
735122

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bar Na posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Bar Na:

Shortcuts

Share