Dalimbachak Technical High School

Dalimbachak Technical High School Be & Make . নেতা অনেক ..
জননায়ক সেই একজনই!
যাঁর কথা উঠলেই দেশবাসী শ্রদ্ধাবনত হয়ে পড়ে।
হে বীর, তোমার ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে প্রণাম �

18/08/2026
17/08/2026

জরুরী বিজ্ঞপ্তি:-
তারিখ: ১৭/০৮/২০২৬
*অতিবৃষ্টিজনিত কারণে বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন সাময়িকভাবে স্থগিত*
এতদ্বারা ডালিম্বচক টেকনিক্যাল হাই স্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)-এর সকল ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক-অভিভাবিকা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, গত কয়েক দিনের অতিরিক্ত ও অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে বিদ্যালয় ও তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা মারাত্মকভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ে প্রবেশের প্রধান রাস্তায় প্রায় এক কোমর সমান জল জমে রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের মিড-ডে-মিলের রান্নাঘর ও স্টোররুম, ছাত্রছাত্রীদের শৌচাগার এবং একতলার প্রায় সমস্ত শ্রেণিকক্ষ সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়াও, বিদ্যালয়ের বহু ছাত্রছাত্রীর বাড়িঘরও জলমগ্ন হওয়ায় তাঁদের বিদ্যালয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতির উন্নতি ও বিদ্যালয় পুনরায় খোলার বিষয়ে পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
সকল ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক-অভিভাবিকাকে এই পরিস্থিতিতে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

শ্রী অমিতাভ নন্দ,
প্রধানশিক্ষক,
ডালিম্বচক টেকনিক্যাল হাই স্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)
গ্ৰাম-ডালিম্বচক্, পোস্ট -কুমারপুর,
ব্লক -হলদিয়া,থানা -ভবানীপুর, মহকুমা -হলদিয়া, জেলা -পূর্ব মেদিনীপুর।

৮০তম স্বাধীনতা দিবস — স্বাধীনতার অমৃত চেতনায় 🇮🇳শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী, শিক্ষাকর্মীবৃন্দ, প্রিয় অভিভাবক-অভিভাবি...
15/08/2026

৮০তম স্বাধীনতা দিবস — স্বাধীনতার অমৃত চেতনায় 🇮🇳
শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী, শিক্ষাকর্মীবৃন্দ, প্রিয় অভিভাবক-অভিভাবিকাগণ এবং আমার স্নেহের ছাত্রছাত্রীরা—
আজ এক মহান ঐতিহাসিক দিন। আজ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি ভারতবর্ষের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। এই পবিত্র দিনে জাতীয় পতাকার ত্রিবর্ণের ছায়াতলে দাঁড়িয়ে প্রথমেই গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই সকল অমর শহিদ ও বীর বিপ্লবীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস, ত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতার অমূল্য অধিকার।
হে বীর বিপ্লবী, তোমাদের চরণে জানাই শতকোটি প্রণাম।
তোমাদের রক্তে লেখা ইতিহাসই আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি।
ক্ষুদিরাম বসু, বাঘা যতীন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ভগৎ সিং, মহাত্মা গান্ধী, সরোজিনী নাইডু, মাতঙ্গিনী হাজরা—অসংখ্য পরিচিত ও অজ্ঞাতনামা দেশপ্রেমিক তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের জন্য। তাঁদের স্বপ্ন ছিল এমন এক ভারত, যেখানে মানুষ হবে স্বাধীন, মর্যাদাশীল, শিক্ষিত, ঐক্যবদ্ধ এবং মানবিক।
এই প্রসঙ্গে আমাদের প্রাণের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাও স্মরণ করতে হয়। তাঁর কলমে দেশপ্রেম কখনও সংকীর্ণ ছিল না; তাঁর দেশপ্রেম ছিল মানবতা, আত্মমর্যাদা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসায় পূর্ণ।
তিনি লিখেছিলেন—
“ও আমার দেশের মাটি,
তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা।”
এই মাটিই আমাদের পরিচয়, এই মাটিই আমাদের অহংকার। আবার তাঁর “আমার সোনার বাংলা” গান আমাদের মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার এক অমর প্রতীক।
১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইটহুড উপাধি ত্যাগ করেছিলেন। তাঁর সেই প্রতিবাদ আমাদের শেখায়—অন্যায়ের সামনে মাথা নত করা নয়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোই প্রকৃত দেশপ্রেম।
প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা,
স্বাধীনতা শুধু একটি তারিখ নয়। স্বাধীনতা শুধু পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত বা শোভাযাত্রার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ হলো দায়িত্ব।
আজ আমাদের হাতে বন্দুক নেই, যুদ্ধ করতে হয় না; কিন্তু আমাদের লড়াই করতে হবে অশিক্ষা, কুসংস্কার, নেশা, দুর্নীতি, অসহিষ্ণুতা, পরিবেশ দূষণ, নারী-পুরুষ বৈষম্য এবং সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে।
তোমরা যারা আজ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছ, তোমরাই আগামী দিনের ভারত। তোমাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ। তাই ভালো করে পড়াশোনা করো, বিজ্ঞানমনস্ক হও, প্রকৃতিকে ভালোবাসো, অন্যকে সম্মান করো এবং সর্বোপরি একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হয়ে ওঠো।
মনে রেখো—
দেশকে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ শুধু মুখে “ভারত মাতা কি জয়” বলা নয়; নিজের কাজটি সততার সঙ্গে করা, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং দেশের সম্পদ ও পরিবেশকে রক্ষা করাও দেশপ্রেম।
আজকের এই পবিত্র দিনে আমরা শপথ নিই—
আমরা দেশের সংবিধানকে সম্মান করব।
জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করব।
ধর্ম, ভাষা, জাতি ও বর্ণের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকব।
বিদ্যালয়কে ভালোবাসব, শিক্ষাকে সম্মান করব।
নেশা ও সকল অসামাজিক কাজ থেকে দূরে থাকব।
এবং নিজেদের যোগ্য করে তুলে একটি উন্নত, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলব।
শেষে রবীন্দ্রনাথের সেই অমর প্রার্থনার সুরে বলতে চাই—
“চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত…”
সেই ভারত গড়ার দায়িত্ব আজ আমাদের সকলের।
আসুন, স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে শহিদদের আত্মত্যাগকে হৃদয়ে ধারণ করে আমরা প্রত্যেকে বলি—
ভারত আমার দেশ, ভারত আমার গর্ব।
আমরা ভারতবাসী—এটাই আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়।
জয় হিন্দ।
বন্দে মাতরম্। 🇮🇳
সবাইকে ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

14/08/2026

এই জল জমে যাওয়ার ব্যর্থতার দায় কার?

বছরের পর বছর ধরে অপরিকল্পিতভাবে, অনেক ক্ষেত্রে অবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে ওঠা ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং অন্যান্য নির্মাণের ফলে জল নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ ও ড্রেনগুলি ক্রমশ সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তারই পরিণতি—সামান্য অতিবৃষ্টিতেই জলবন্দি হয়ে পড়ছে বিস্তীর্ণ এলাকা।
আর সেই জলমগ্নতার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের। তাদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া ব্যাহত হচ্ছে, স্বাভাবিক পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ।
এটি আজকের কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বারবার হলদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। অথচ সমস্যাটির গভীরে গিয়ে মূল কারণ চিহ্নিত করা এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি, বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত সমাধানের উদ্যোগ—সেটিই যেন অনুপস্থিত।
দোষ চাপিয়ে দেওয়া নয়, আমরা চাই সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত হোক, দায়বদ্ধতা নির্ধারিত হোক এবং স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হোক।
কারণ জল নামানোর ব্যবস্থা না করে প্রতি বছর জল জমার পর সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া কোনো সমাধান নয়।
আমাদের সন্তানদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে আসার অধিকার আছে।
তাদের পঠনপাঠনের অধিকার আছে।
আর সেই অধিকার রক্ষার দায় আমাদের সকলের। 🙏

13/08/2026

বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তোমাদের আজকের 13/08/2026 তারিখের নির্ধারিত পরীক্ষাগুলি স্থগিত রাখা হল।
পরিবর্তিত পরীক্ষার তারিখ পরে যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।
নির্দেশসহ-
অমিতাভ নন্দ, প্রধানশিক্ষক
ডালিম্বচক্ টেকনিক্যাল হাইস্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)।

🇮🇳 অগ্নিযুগের অমর কিশোর বিপ্লবী—শহীদ ক্ষুদিরাম বসু 🇮🇳ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম বসু এক অবিস্মরণীয় নাম...
12/08/2026

🇮🇳 অগ্নিযুগের অমর কিশোর বিপ্লবী—শহীদ ক্ষুদিরাম বসু 🇮🇳
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম বসু এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি শুধু একজন বিপ্লবী ছিলেন না—তিনি ছিলেন পরাধীনতার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা এক অগ্নিশিখা, বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া এক দুরন্ত কিশোর, যার হৃদয়ে ছিল মাতৃভূমির জন্য সীমাহীন ভালোবাসা।
১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর তৎকালীন মেদিনীপুর জেলার মোহবনী (হবিবপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ক্ষুদিরাম বসু। পিতা ত্রৈলোক্যনাথ বসু এবং মাতা লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। শৈশব থেকেই তাঁর মনে অন্যায় ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠেছিল। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে সেই স্ফুলিঙ্গই পরিণত হয়েছিল দুর্বার অগ্নিশিখায়।
দেশমাতৃকার স্বাধীনতার স্বপ্নে তিনি যুক্ত হয়েছিলেন বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে। মাত্র কিশোর বয়সেই দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করার কঠিন সংকল্প গ্রহণ করেছিলেন তিনি।
১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানের পর ক্ষুদিরাম গ্রেপ্তার হন। বিচারে তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৮ বছর।
১১ আগস্ট ১৯০৮।
মুজফ্ফরপুর কারাগারের ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক কিশোর যেন সমগ্র ভারতবর্ষকে বলে গিয়েছিল—
“দেশের জন্য জীবন দেওয়া যায়, কিন্তু দেশের স্বাধীনতার স্বপ্নকে হত্যা করা যায় না।”
হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ক্ষুদিরাম নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির চরণে। তাঁর সেই আত্মবলিদান পরাধীন ভারতের যুবসমাজের হৃদয়ে সৃষ্টি করেছিল এক অভূতপূর্ব জাগরণ।
ক্ষুদিরাম আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তাঁর সাহস আছে, তাঁর স্বপ্ন আছে, তাঁর আত্মত্যাগ আছে—আছে প্রতিটি ভারতবাসীর হৃদয়ে জ্বলতে থাকা স্বাধীনতার অমর প্রদীপে।
বয়স তাঁকে থামাতে পারেনি, মৃত্যুভয় তাঁকে দমাতে পারেনি।
কারণ তাঁর কাছে নিজের জীবন নয়, দেশের স্বাধীনতাই ছিল সর্বাগ্রে।
শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে তাঁকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা, বিনম্র প্রণাম ও অশেষ কৃতজ্ঞতা।
তাঁর দেশপ্রেম, সাহস, আত্মত্যাগ ও আদর্শ আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাক।
হে অমর বিপ্লবী,
তোমার ফাঁসির মঞ্চ আজও আমাদের শিখিয়ে দেয়—
দেশপ্রেম কখনও মরে না,
শহীদের মৃত্যু কখনও পরাজয় নয়।
🇮🇳 শহীদ ক্ষুদিরাম বসু অমর হোন। 🇮🇳
💐 বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম। 🙏

২২ শে শ্রাবণ,কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস! এমন একটি আবেগঘন দিনে সম্মানীয় বিধায়ক মহাশয়ের সঙ্গে আমাদের বিদ...
09/08/2026

২২ শে শ্রাবণ,কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস! এমন একটি আবেগঘন দিনে সম্মানীয় বিধায়ক মহাশয়ের সঙ্গে আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের মিলনও হয়ে উঠেছিল এক আন্তরিক মুহূর্ত।
কেউ এসেছিল কৌতূহল নিয়ে, কেউ প্রত্যাশা নিয়ে, কেউ বা নিজের বিদ্যালয়ের কথা বলার একটুখানি সুযোগের আশায়। ছাত্রছাত্রীদের চোখে ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কথায় ছিল বিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করে তোলার আকাঙ্ক্ষা, আর শিক্ষাকর্মীদের উপস্থিতিতে ছিল এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি তাঁদের নীরব ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার প্রকাশ।
সম্মানীয় বিধায়ক মহাশয়ও অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে কথা বললেন। ছাত্রছাত্রীদের কথা শুনলেন, তাঁদের নানা প্রশ্ন ও সমস্যার কথা জানলেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে শুনলেন পঠনপাঠন ও পরিকাঠামোর বাস্তব পরিস্থিতি। শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার চেষ্টা করলেন।

ন্যাশনাল মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ (NMMS) পরীক্ষা হলো ভারত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রকের একটি বৃত্তি পরীক্ষা। এর উদ্দেশ্য হলো ...
06/08/2026

ন্যাশনাল মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ (NMMS) পরীক্ষা হলো ভারত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রকের একটি বৃত্তি পরীক্ষা। এর উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

যোগ্যতা
• অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী।
• সরকারি, সরকার-পোষিত বা স্থানীয় সংস্থার বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে।
• অভিভাবকের বার্ষিক আয় ₹৩.৫ লক্ষের বেশি হওয়া যাবে না।
• সপ্তম শ্রেণিতে সাধারণত ন্যূনতম ৫৫% নম্বর (SC/ST-এর ক্ষেত্রে ৫০%) থাকতে হবে।

পরীক্ষার ধরণ:-
পরীক্ষা দুটি অংশে অনুষ্ঠিত হয়—
1. Mental Ability Test (MAT)
o যুক্তি, বিশ্লেষণ, মানসিক দক্ষতা, প্যাটার্ন শনাক্তকরণ ইত্যাদি।

2. Scholastic Aptitude Test (SAT)
o গণিত, বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন।
প্রতিটি অংশে সাধারণত ৯০টি করে বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন থাকে। নির্বাচনের জন্য MAT ও SAT—উভয় অংশেই নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

বৃত্তির পরিমাণ
• নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর ₹১২,০০০ (প্রতি মাসে ₹১,০০০) হারে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বৃত্তি পেতে পারে, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে।

আবেদন:-
প্রতিটি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিজস্বভাবে NMMS পরীক্ষা পরিচালনা করে। আবেদন, প্রবেশপত্র ও ফলাফল সংশ্লিষ্ট রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর প্রকাশ করে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরে National Scholarship Portal (NSP)-এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গে ন্যাশনাল মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ (NMMS) পরীক্ষা ২০২৬-এর জন্য আবেদন ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:-
• আবেদন শুরুর তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৬
• আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
• পরীক্ষার তারিখ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৬
আবেদন করতে পারবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের স্কলারশিপ পোর্টালের মাধ্যমে:
West Bengal Scholarship Portal (NMMS) - https://banglarshiksha.wb.gov.in/scholarships/

পশ্চিমবঙ্গ NMMS (National Means-cum-Merit Scholarship Examination) ২০২৬-২৭-এর জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস প্রকাশ করা হয় না। প্রশ্নের মান সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমের উপর ভিত্তি করে হয়।

পরীক্ষার কাঠামো
• MAT (Mental Ability Test) – ৯০টি MCQ
• SAT (Scholastic Aptitude Test) – ৯০টি MCQ
• প্রতিটি পত্রের সময়: ৯০ মিনিট

১. MAT (Mental Ability Test) সিলেবাস
এই অংশে যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা যাচাই করা হয়।
• Analogy (সাদৃশ্য)
• Classification (শ্রেণিবিভাগ)
• Number Series (সংখ্যা ধারা)
• Alphabet Series (বর্ণ ধারা)
• Coding-Decoding
• Blood Relation
• Direction Sense
• Ranking
• Pattern Perception
• Mirror & Water Image
• Embedded/Hidden Figures
• Non-verbal Reasoning
• Logical Reasoning
• Puzzle ও Decision Making

২. SAT (Scholastic Aptitude Test) সিলেবাস
গণিত (Class VII–VIII)
• Rational Numbers
• Linear Equation
• Algebra
• Percentage
• Profit & Loss
• Simple & Compound Interest
• Ratio & Proportion
• Time & Work
• Time, Speed & Distance
• Mensuration
• Geometry
• Data Handling
• Graph
• Square & Square Root
• Cube & Cube Root
• Exponents

বিজ্ঞান
• পদার্থবিজ্ঞান
o বল, গতি, কাজ ও শক্তি
o আলো
o তাপ
o বিদ্যুৎ
• জীবনবিজ্ঞান
o কোষ
o উদ্ভিদ ও প্রাণী
o মানবদেহ
o পুষ্টি
o রোগ ও স্বাস্থ্য
o পরিবেশ
• ভৌতবিজ্ঞান/রসায়ন
o পদার্থ
o ধাতু ও অধাতু
o অম্ল, ক্ষার ও লবণ
o রাসায়নিক পরিবর্তন
সমাজবিজ্ঞান
• ইতিহাস
• ভূগোল
• রাষ্ট্রবিজ্ঞান
• অর্থনীতি
• ভারতের সংবিধান
• স্বাধীনতা আন্দোলন
• প্রাকৃতিক সম্পদ
• পরিবেশ
• মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্ন

প্রস্তুতির পরামর্শ
• MAT: প্রতিদিন অন্তত ৩০–৪০টি রিজনিং প্রশ্ন অনুশীলন কর।
• SAT: পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির গণিত, বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বই সম্পূর্ণ পড়।
• গত ৫–১০ বছরের NMMS প্রশ্নপত্র সমাধান কর। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সরকারি পোর্টালে পাওয়া যায়।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩৬তম প্রয়াণবার্ষিকীতে ডালিম্বচক্ টেকনিক্যাল্ হাই স্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)-এর শ্রদ্ধাঞ্জলি‌।ভারতে...
29/07/2026

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩৬তম প্রয়াণবার্ষিকীতে ডালিম্বচক্ টেকনিক্যাল্ হাই স্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)-এর শ্রদ্ধাঞ্জলি‌।
ভারতের নবজাগরণের অন্যতম মহান পথিকৃৎ, প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ, মানবতাবাদী, বিধবা বিবাহ আন্দোলনের অগ্রদূত, বর্ণপরিচয়-এর স্রষ্টা এবং নারীশিক্ষার অক্লান্ত প্রবক্তা পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩৬তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে আজ, ২৯শে জুলাই, ২০২৬, ডালিম্বচক টেকনিক্যাল হাই স্কুল (উচ্চ মাধ্যমিক)-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র প্রণাম জানানো হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেবল একজন বিদ্বান পণ্ডিতই ছিলেন না; তিনি ছিলেন মানবতা, ন্যায়, যুক্তিবাদ এবং সমাজকল্যাণের এক অনন্য প্রতীক। সমাজের কুসংস্কার, বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় নারীশিক্ষার প্রসার, বিধবা বিবাহের আইনগত স্বীকৃতি এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হয়। তাঁর অমর সৃষ্টি বর্ণপরিচয় আজও বাংলা ভাষা শিক্ষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে সমানভাবে সমাদৃত।
এই পুণ্যস্মরণে বিদ্যালয় পরিবার তাঁর মহান আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ, শিক্ষাদর্শ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মধারাকে অনুসরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। বিদ্যাসাগরের জীবনাদর্শ, কর্মপ্রেরণা ও মানবপ্রেম আগামী প্রজন্মকে একটি মানবিক, শিক্ষিত, যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে—এই প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, শিক্ষাকর্মী এবং সমগ্র বিদ্যালয় পরিবার।
"দয়ার সাগর, বিদ্যার সাগর—ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাঙালির চিরন্তন প্রেরণা, মানবতার আলোকবর্তিকা এবং সমাজ সংস্কারের অমর পথপ্রদর্শক হয়ে যুগে যুগে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।"

Address

Haldia

Telephone

+919635597639

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dalimbachak Technical High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category