pradyut.ray.16

pradyut.ray.16 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from pradyut.ray.16, Education, Habra.

জয় ভীম,জয় ভারত,জয় সংবিধান!
20/06/2024

জয় ভীম,জয় ভারত,জয় সংবিধান!

I have reached 100 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
11/01/2024

I have reached 100 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

12/12/2022
03/08/2022

" ভারতের তফসিলী জাতি, তফসিলী উপজাতি ও অনগ্রসর জাতির (Sc, St,Obc) লোকদের সমস্যাগুলো কি কি এবং তার সমাধান কি ? "
**************************
Sc,St,Obc দের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষিত অথচ দায়্ত্বহীন লোকদেরকে দেখেই এই মতামত ব্যক্ত করা হয়েছে৷ এটা আত্ম সমীক্ষামূলক লেখা৷
ভারতের তফসিলী জাতি, তফসিলী উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর জাতি এদেরকে ইংরাজীতে বলা হয় সিডিউল্ড কাষ্ট, সিডিউল্ড ট্রাইব এবং আদার ব্যাকওয়ার্ড কাষ্ট৷ সংক্ষেপে বলা হয় Sc, St, Obc . এদের সংখ্যা হল 70% ৷ আর মুসলমানদের সংখ্যা হল 15% ৷ আর ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য যারা উচ্চবর্ণ তাদের সংখ্যা হল 15% ৷ মোট— Sc St Obc 70+upper caste 15+minority 15 . অর্থাৎ
70+15+15= 100 .
এই যে Sc, St, Obc এদের সরকারী পরিচয় হল এরা হিন্দু৷ আর এদের সামাজিক পরিচয় হল এরা শূদ্র-অস্পৃশ্য-আদিবাসী ছোটজাত৷ আর এদের সাংবিধানিক পরিচয় হল তফসিলী জাতি, তফসিলী উপজাতি, অনগ্রসর জাতি৷ এক কথায় Sc, St, Obc . এদেরকে আরো বহু নামে ডাকা হয় বা ইঙ্গিত করা হয়৷ এদেরকে দলিত-মথিত-নির্যাতিত শ্রেণী বা ( depressed castes ) ও বলা হত৷ প্রাচীন ভারতে এদেরকেই বলা হত— অনার্য, দ্রাবিড়, শূদ্র, নমঃশূদ্র, অস্পৃশ্য,চণ্ডাল, জলচল শূদ্র, জলঅচল শূদ্র, হরিজন, অসুর, দৈত্য, দানব, রাক্ষস, অসভ্য প্রভৃতি৷ এরা কোন কালেই হিন্দু ছিলনা আর আজও এরা হিন্দু নয়৷
কারণ—এরা নিজেদেরকে হিন্দু মনে করেনা৷ ব্রাহ্মণরা এদেরকে ছুঁতেও রাজী নয়৷ তাহলে এরা হিন্দু হবে কি করে ? এদের উদ্ধারকর্তা, ভারতের সংবিধান প্রণেতা ডঃ আম্বেদকরের মতে এরা হিন্দু নয়৷ এদেরকে কোন মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই, বেদ-গীতা-মনুস্মৃতি পড়ার অনুমতি নেই, পুরোহিত হওয়ার অধিকার নেই, শংকারাচার্য হওয়ার অধিকার নেই, গুরু হওয়ার অধিকার নেই, শাসক হওয়ার অধিকার নেই৷ তাহলে ষ্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে,যারা এদেরকে হিন্দু বলতে চায় তাদের মনে শয়তানী বা অন্য কিছু উদ্দেশ্য আছে৷
এখন আলোচনা করব যে, ভারতের তফসিলী, জাতি উপজাতি ও অনগ্রসর জাতির লোকদের সমস্যা কি কি ? Sc, St, Obc রা হল ভারতের মূলনিবাসী৷ এরাই অনার্য, এরাই দ্রাবিড়, এরাই কোল, ভীল, মুণ্ডা ও আদিবাসী৷ এক কথায় এরা সকলেই ভারতের মূলনিবাসী জনগণ৷ এদের জনসংখ্যা হল 70% ৷ আর এই অনার্য, শূদ্র, দ্রাবিড়রা ব্রাহ্মণদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দলে দলে ব্রাহ্মণদের তৈরী হিন্দু ধর্ম পাইকারীভাবে ত্যাগ করে হাজারে-হাজারে নয় বরং লক্ষ্য-লক্ষ্য, কোটি-কোটি শূদ্র-অস্পৃশ্যরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে কেউ ইসলাম ধর্ম, কেউ খৃষ্টান ধর্ম, কেউ বৌদ্ধ, কেউ শিখ ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিল, কোন লোভ কোন অস্ত্র ছাড়াই৷ এই হিন্দু ধর্ম ত্যাগ কারীরা হল Minorities . এরা সকলে মিলে হল 85% জনগণ৷ অতএব Sc, St, Obc দের মত মুসলমান,খৃষ্টান, শিখ, বৌদ্ধ,জৈন্যরাও মূলনিবাসী৷
এদের সমস্যা হল—
(1) Sc, St, Obc রা 85% জনগণ হয়েও গণতাণ্ত্রিক ভারতে পরাজিত৷
(2) Sc, St, Obc রা ব্রাহ্মণদের নিকট ঘৃণিত, লাঞ্ছিত,অপমানিত ও বঞ্চিত৷
(3) Sc, St, Obc বা শূদ্র সমাজকে, ব্রাহ্মণরা দাস, দস্যু, রাক্ষস, অনার্য, অসভ্য হিসাবে গণ্য করেছে আর শূদ্ররা এখনও ভীষণ তৃপ্ত ও সন্তুষ্ট৷
(4) Sc, St, Obc রা শ্রমিক, কৃষক ক্ষেত মজুর হিসাবে সেবক বলে গণ্য৷
( 5) বলা হয় যে, প্রাচীন গ্রীসে মোট 1 লক্ষ্য স্বাধীন নাগরিক ছিল আর 4 লক্ষ্য ক্রীতদাস ছিল৷ বর্তমান ভারতে 85% জনগণ ক্রীতদাস বা পরাজিত আর 15% উচ্চবর্ণরা স্বাধীন,শাসক, প্রভু,মনিব ও মালিক৷ কি আশ্চর্য!
(6) Sc, St,Obc রা দাস, ক্রীতদাস, ও কাজের লোক হিসাবে পরিগণিত৷
(7) বলা হয় Sc, St, Obc রা পূর্ব জন্মের পাপের ফল ভোগ করছে আর ব্রাহ্মণরা সেবা নিয়ে পাপ ক্ষয় করছে৷ (8) Sc, St, Obc রা 70% আর মুসলমানরা 15%=মোট 85% . আর গণতণ্ত্রে সংখ্যাগরিষ্টরা বিজয়ী হয়৷ ভারতে 15% জনগণই বিজয়ী হচ্ছে৷
(9) সংবিধানের 17 নং ধারায় "অস্পৃশ্যতা বিলুপ্ত করা হল" বলার পরও সংবিধান অমান্য করে স্পৃশ্য-অস্পৃশ্যতা অবাধে রমরমিয়ে চলছে৷
(10) Sc, St, Obc আর মুসলমানরা রাজনীতি জানেনা,সমাজবিজ্ঞানও জানেনা৷ ফলে গণতণ্ত্র আসার পরও চিরস্থায়ী পরাজিত হয়ে আছে৷
(11) Sc, St, Obc & Minorities রা রাজনীতি,কূটনীতি,কলাকৌশল, ষড়যণ্ত্র, চক্রান্ত কিছুই জানেনা৷
(12) Sc, St, Obc রা ধর্ম, রাজনীতি, কূটনীতি, ইতিহাস, শত্রু, মিত্র, আন্দোলন, সংগঠন সম্পর্কে সজাগ নয়,তা তাদের কার্যকলাপেই প্রমাণিত৷
(13)শূদ্র সমাজ—জ্যোতিরাও ফুলে, পেরিয়ার রামস্বামী,ডঃ আম্বেদকর, যোগেন মণ্ডল, হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ, নারায়ণ গুরু,কাঁশীরাম, ফজলুল হক, কাজী নজরুল, হাজী মুহাম্মদ মহসীন,মওলানা মুহাম্মদ আলি, মওলানা শওকাত আলি,শহীদ তীতুমীর ওরফে মীর নিসার আলি,বেগম রোকেয়া কাউকে চেনেনা বলেই অনুমিত হয়৷
(14) শূদ্র সমাজ—সাইমন কমিশন, গোলটেবিল বৈঠক, সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা পুনাচুক্তি,পৃথক নির্বাচন, সংরক্ষণ কোন কিছুই জানেনা৷

09/09/2021

শূদ ও নারীদের মহাশত্রু গীতা!

গীতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
শ্রেয়ান্ স্বধর্ম বিগুণঃ পরধর্মাৎ স্বনুষ্ঠিতাৎ।
স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ পর ধর্ম ভয়াবহঃ।
(35 শ্লোঃ 3 য় অঃ)
ভাবার্থ :-- হে অর্জুন - পরের ধর্ম হইতে নিজের ধর্ম গুণহীন হলেও আচরণ করা উত্তম। নিজের ধর্ম আচরণ করে মৃত্যুও শ্রেষ্ঠ, কিন্তু- অন্যের ধর্ম অত্যন্ত ভয়াবহ বা চরম শাস্ত্র বিরুদ্ধ কর্ম।
এখানে গীতায় স্বধর্ম বলতে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র চার বর্ণের বর্ণানুপাতে নির্ধারিত পালনীয় কর্ম করে মৃত্যুও ভালো, বুঝানো হয়েছে, ক্ষত্রিয়ের ধর্ম যুদ্ধ করা। অর্জুন যুদ্ধ কর মানুষ মার, তোমার পাপ হবে না।

শমো দমস্তপঃ শৌচং ক্ষান্তিরার্জবমেব চ।
জ্ঞান বিজ্ঞানমাস্তিক্যং ব্রহ্মকর্ম স্বভাবজম্।।
[৪২ শ্লোক ১৮ অঃ,গীঃ]
অর্থঃ- শম,দম,তপ,শৌচ, ক্ষান্তি (ক্ষমা),আর্জব (আর্যভাব), জ্ঞান, বিজ্ঞান, আস্তিক এই নয়টি গুণ ব্রাহ্মণের স্বভাবজাত ( জন্মগত) কর্ম। এই কর্মই ব্রাহ্মণের ধর্ম।

শৌর্যং তেজো ধৃতির্দাক্ষ্যং যুদ্ধে চাপ্যপলায়নম্।
দানমীশ্বরভাবশ্চ ক্ষাত্রং কর্ম স্বভাবজম্।।
[৪৩ শ্লোক, ১৮ অঃ গীঃ]
অর্থঃ- শৌর্য,তেজ, ধৃতি [ধৈর্য], দক্ষতা, যুদ্ধে পলায়ন না করা, দান করা, ঈশ্বর ভাব এই কয় কর্ম ক্ষত্রিয়ের স্বভাবজাত কর্ম।। এই কয়টি কর্ম করাই ক্ষত্রিয়ের ধর্ম।

কৃষিগৌরক্ষ্যবাণিজ্যম্ বৈশ্যকর্ম স্বভাবজম্।
পরিচর্যাত্মকং কর্ম শূদ্রস্যাপি স্বভাবজম্।।
[৪৪ শ্লোক, ১৮ অঃ, গীঃ]
অর্থ:- কৃষি, গোরক্ষা, বাণিজ্য, বৈশ্যদের স্বভাবজাত ( জন্মগত) কর্ম। এই কয়টি কর্ম করাই বৈশ্যদের ধর্ম। আর উক্ত তিন বর্ণের সেবা করা শূদ্রের স্বভাবজাত (জন্মগত) কর্ম। অর্থ্যাৎ তিন বর্ণের পরিচর্যা কর্ম করাই শূদ্র দের ধর্ম। -
গীতায় কৃষ্ণ এই চার বর্ণের মানুষের জন্য নির্ধারিত কর্ম বেঁধে দিয়েছেন। ------
স্বে স্বে কর্মণ্যভিরতঃ সংসিদ্ধিং লভতে নরঃ।
স্বকর্মনিরতঃ সিদ্ধিং যথা বিন্দতি তচ্ছৃণু।।
[৪৫ শ্লোক,১৮ অঃ, গীঃ]
অর্থঃ- কৃষ্ণ বললেন শোন - স্বে স্বে = যার যার নির্ধারিত কর্ম করলেই সেই সেই ব্যক্তি মুক্তি পাবে ।
**** যে সব শূদ্রগণ কৃষ্ণকে ভগবান জ্ঞানে পূজা করবেন - তারা লেখাপড়া চাকরিবাকরি করতে পারবেন না এবং ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য তিন বর্ণের সেবা পরিচর্যা করতেই হবে।
এবার গীতায় নারী শূদ্র ও বৈশ্য দের কি সুন্দর উপাধি দিয়েছেন --- পড়ুন কৃষ্ণ ভক্তগণ ----
মাং হি পার্থ ব্যপাশ্রিত্য যেঅপি স্যুঃ পাপযোনয়:।
স্ত্রীয়ো বৈশ্যাস্ত শূদ্রাস্তেঅপি যান্তি পরাং গতিম।।
(৩২ শ্লোক, ৯ম অধ্যায়)
ভাবার্থ : - হে অর্জুন - আমাকে বিশেষভাবে আশ্রয় করিলে সেই সব পাপ যোনি প্রাপ্ত স্ত্রীগণ, বৈশ্যগণ এবং শূদ্রগণও শ্রেষ্ঠ গতি বা মুক্তি লাভ করতে পারে।।

তাহলে নারী, বৈশ্য, শুদ্রগণ পাপ যোনি প্রাপ্ত বলে দাগিয়ে দিয়েছেন।। মায়েরা শূদ্ররা বৈশ্যরা পূজা করুন, পূজা করুন , ভগবান আপনাদের পাপ যোনি বলেছেন !!

(লেখাটা বিখ্যাত কবি সম্রাট হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের যোগ্য সন্তান লোক কবি মনোরঞ্জন বসুর ওয়াল থেকে নেওয়া হয়েছে)।

Address

Habra
743269,743271,743263

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when pradyut.ray.16 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category