14/11/2025
প্রকৃতির অজানা রহস্য,অচেনা সুন্দরবনে……….
সুন্দরবন মানেই অগনিত গাছপালা হরেক রকম কীটপতঙ্গ প্রজাপতি পশুপাখি ও সরীসৃপের সমৃদ্ধ এ অজানা জঙ্গলমহল।প্রকৃতির অবাধ উম্মুত্ত পরিবেশের মাঝে এ বাংলার ঈষনীয় সম্পদ সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ অরন্য অঞ্চল।
নোনা জল,কাদামাটি ঘন হয়ে থাকা হেতাল বন,কত নদী আর অসংখ্যা খাঁড়ি-পৃথিবীর সব চাইতে বড় ব-দ্বীপ এই সুন্দরবন. ৪২৬৪ বর্গ কিমি জুড়ে এর বিস্তার। এর মধ্যে ২৫৮৫ বর্গ কিমি সুন্দরবন টাইগার রির্জাভ।আর পশ্চিম অরণ্যে১৬৭৯ বর্গকিমি বনাধিকারিক ২৪পরগনার ।৫৬টি ব-দ্বীপ রয়েছে এই অসাধারন বনাঞ্চলে। সুন্দরী,গরান,হেতাল,গর্জন,কেওড়া,বাইন,ধুদুল,সহ বহু রকম ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের অরন্যভূমি সুন্দরবন ।বাঘ এই অরন্যের রাজা হলেও ভয়ঙ্করর তীব্র গতির আ্যাসচ্যুরিয়াল ক্রোকোডাইল,হাঙর,শুশুক,কাঁকড়া,চিতল হরিণ,রির্সাস বাঁদর,বুনো শুয়োর,মেছো বিড়াল,বেজি,ভোঁদর নানা রকমবিষধর সাপ দেখা যায়।
অক্টোবর থেকে মার্চ সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ অরন্য যাওযার আদর্শ সময় হলে ও যারা পক্ষীপ্রেমিক তাদের বলব জুন থেকে সেপ্টেম্বর আসুন।এই সময় নদী অধ্যুষিত বনাঞ্চল গুলিতে নানা রঙের বৈচিএ্যেময় পাখিদের মেলা বসে জল-জঙ্গলের দেশে-এই দেশ বিদেশ থেকে এসে এরা বাসা বাধেঁ,ডিম পাড়ে গাছে গাছে ,বেশ ভালো লাগে ।সজনেখালির নিকট পাখিরালয় নামক স্হানটিতে অতীতে পাখির উপস্হিত থাকলে ও বতর্মান তা হ্রাসমান ।এরা বতর্মান আস্তানা তৈরি করেছে গাড়াঁল নদীর পাশে চরঘেরী,বড় খাল,বানতলা খাল,পশুরতলা খাল,কাঁকসা ও সামনগরের পাশে শকুন খালিতে প্রচুর পাখি দেখা যায়।পানকৌড়ি,কাস্তেচোরা,শকুন,শামুকখোল,বিভিন্ন ধরনের সারস,মাছরাঙা,বক,টিয়া,সমুদ্র ঈগল,বালিহাঁস,গাঙশালিক,বুনো হাঁস,বুলবুল,শ্ঙখচিল, আপনি যখন ডিঙি নৌকা করে সোসাল ফরেস্টের পাশ দিয়ে ঘুরবেন,ছোট বড় পাখির উজ্জ্বল দশর্ন ও মধুর ডাকে আপনি হারিয়ে যাবেন।ভারত তথা বিশ্বের বৃহওম ম্যানগ্রোভ অরন্য ও ব্যাঘ্র প্রকল্পে ,নিজর্ন ভয়ঙ্কর সুন্দর খাঁড়ি পথে সুরক্ষিত লঞ্চে ভ্রমন।বনের মধ্যে গাঁ ছমছমে ক্যানোপি ওয়াক ও country boat ride and mudflats, at the chargheri village (last domestic village in the sundarban) .we cruise along the waterways and take you for a tour of Chargheri Char, the Southern most village of South 24 Parganas. This is a special attraction where you have a chance to get a feel of the "Mudflats". An important physical feature of Sundarbans are the "Mudflats". You may be lucky enough to see small Octopus, Star Fish, Jelly Fish, Horse shoe Crab, prawn seeds as well as many other variety of fishes etc. Optional activity involves country boat ride along the jungles. We then set off for a visit to a village and learn about the experiences of the villagers in the forest. Meet the fishermans, the Honey Collectors as well as the woodcutters and share their experiences of the Jungle.নদীর ধারে আরামদায়ক রিসর্টে থাকা, বেঙ্গলী ভালো খাওয়া-দাওয়ার উষ্ণ আথিথেয়তা গ্রহন করুন ।
ভুগোল ,উদ্ভিদবিদ্যা,প্রানীবিদ্যা,ও বিভিন্ন স্তরের সুন্দরবন বিষয়ের গবেষকরা যোগাযোগ করুন।
আমরা শ্রব্ধেয় শিক্ষক ও শিক্ষিকা ও প্রিয় ছাএ/ছাএীদের শিক্ষামূলকভ্রমনের ব্যবস্হ্য করে থাকি।
দুই রাএি তিন দিন সুন্দরবন ভ্রমনসূচী.
প্রথম দিন ঃ- #গোসাবা,রবীন্দ্রনাথ ও #হ্যামিল্টন সাহেবের বাংলো,-দূর্গা-দোযানি নদী ও গোমর নদী হয়ে গভীর ম্যানগ্রোভ জঙ্গলের পাশে উপস্থিত। শরীরের মধ্যে একটু রহস্যতা।বাইন,গরান,ধুদুল,পশুরগাছ দেখতে দেখতে চলে দুপুরের খাওয়া। এরপর একেবার হোটেল।রাএি বাস।
দ্বিতীয় দিনঃ- সকালে হালকা সেজেগুজে বেরিয়ে পড়ুন লঞ্চে উঠেই হাতেই খাবার প্লেট আর চোখ জঙ্গলের দিকে -সজনেখালি🐅🐊🐢(নজরমিনার) আ্যালবুনো কুমীর, ম্যানগ্রোভ ইন্টারপ্রিটেশনে সেন্টার। পাবের প্রচুর তথ্য , পাশের পুকুরে বাটাগুর কচ্ছপ, এদিকে ওদিকে ঘোরাঘুরি করছে ওয়াটার মনিটর লির্জাট, পাশে সুন্দরী গাছের গাঁয় হেলান দিয়ে ছবি তুলুন শ্বাসমূল ভালো করে দেখে নিন।-সুধন্যখালি (নজরমিনার) জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে লোহার জালের এক লম্বা করিডর, পাশেই মিস্টি জলের পুকুর জঙ্গলের রাজা-প্রজারা জল খেতে আসে। অনেক ধরনের গাছ আছে, যা চিহ্নিত করা সহজে বুঝতে পারবেন।-সরকখালি ও চোরাগাজি হয়ে সোজা দোবাঁকি (নজরমিনার) ও ক্যানোপি ওয়াক করা।গাঁ ছমছম করা এক অনবদ্য পরিবেশ। নজর রাখুন রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিন,শূয়োর,নদীর চরে বিশালাকৃতি কুমীর।অজস্র পাখির আনাগোনা। এ ছাড়া ছোটো ছোটো খাঁড়ি ও 🐙🐋
তৃতীয় দিন ঃ আ্যাডভেন্চার প্রোগাম চরঘেরীর চর পরিদর্শন ছোট নৌকা করে জঙ্গলের ঘোরা ও সাধারণ জনজীবনের সঙ্গে কথা বলা ।
প্রথম দিন-
সকাল-পুরি,তরকারি,ডিম সিদ্ধ,মধু।🦀🐓🐟
দুপুরে-ভাত,ডাল,সব্জি,ভাজা,মাছ,চাটনি,পাপড়
সন্ধ্যায়-চা,ভেজ পকোড়া
রাত-ভাত,সব্জি,মুরগীর মাংস,চাটনি,পাপড়.
দ্বিতীয় দিন-
সকাল-পুরি,তরকারি,ডিম সিদ্ধ,মধু।।
দুপুরে-ভাত,ডাল,সব্জি,ভাজা,মাছ,চাটনি,পাপড়
সন্ধ্যায়-চা,ভেজ পকোড়া
রাত-ফ্রায়েড রাইস-চিলি চিকেন।
তৃতীয় দিন-
সকাল-পুরি, তরকারী,ডিম সিদ্ধ।
দুপুরে-ভাত,ডাল,সব্জি,মাছ,চাটনি,পাপড়
বিঃদ্রঃ ১। জোয়ার-ভাটাঁ ও তিথির দিকে নজর রাখুন।
২। জল নষ্ট করবেন না।
৩। কোন খাবার খেয়ে প্যালস্টিক নদীর জলে ফেলবেন না।
৪।গাছের পাতা ছিড়বেন না।
৫। জোরে জোরে কথা বা লাউডস্পিকার ব্যাবহার করবেন না।
৬। স্হানীয় কথা শুনে চলুন তাতে ভালো হবে।
৮।দুর্গম ও পরিবহন ব্যবস্হা তেমন ভালো না থাকার জন্যে খাবারের পরিবর্তন হতে পারে।
৯।বেশি রঙীন জামাকাপড় পরে যাবে না।
১০।নিজের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও আইডেনটি কার্ড কাছে রাখব।