Pathankhali Children Hut K. G. School

Pathankhali Children Hut K. G. School এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। পাঠান খালী দ্বীপের সর্বপুরাতন কে জি স্কুল।

বাংলার আকাশে আজ রবির আলো — বিশ্বকবির জন্মদিনে অফুরান শ্রদ্ধা।শুভ ২৫শে বৈশাখ — রবীন্দ্রনাথের আলোয় জীবন হোক সুন্দর, সুরভিত...
09/05/2026

বাংলার আকাশে আজ রবির আলো — বিশ্বকবির জন্মদিনে অফুরান শ্রদ্ধা।
শুভ ২৫শে বৈশাখ — রবীন্দ্রনাথের আলোয় জীবন হোক সুন্দর, সুরভিত।
Pathankhali Children Hut K. G. School

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে। Pathankhali Children Hut K. G. School
22/01/2026

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে।
Pathankhali Children Hut K. G. School

ছুটির তালিকা 2026 Pathankhali Children Hut K. G. School  2026 শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলিতেছে।।
19/01/2026

ছুটির তালিকা 2026 Pathankhali Children Hut K. G. School 2026 শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলিতেছে।।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি Pathankhali Children Hut K. G. School
26/12/2025

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
Pathankhali Children Hut K. G. School

কোনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে দেখে আপনার মনে হয়, আরে, এ তো জিনিয়াস, লাইফে নিশ্চয়ই বড় কিছু হবে।আবার কাউকে কাউকে দেখে আপ...
24/10/2025

কোনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে দেখে আপনার মনে হয়, আরে, এ তো জিনিয়াস, লাইফে নিশ্চয়ই বড় কিছু হবে।

আবার কাউকে কাউকে দেখে আপনি নিশ্চিত হয়ে যান, এটা একেবারেই অপদার্থ, জীবনে কিছুই করতে পারবে না!

বাস্তব ঘটে উল্টোটা। যাকে আপনি "বিরল প্রতিভা" ভেবেছিলেন, সে ছাপোষা কেরানি, ভবঘুরে বা মাদকাসক্ত হয়ে দিন কাটায়, আর যাকে "কোনো কাজের না" মনে করেছিলেন, সে একদিন উচ্চ পদাধিকারী, পাবলিক ফিগার বা শিল্পপতি হয়ে ওঠে।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন এটা হয়? এমনটা ঘটার কারণ আর কিছুই না, আপনি যাকে অপদার্থ ভেবেছিলেন তার IQ (পড়া মুখস্থ করার সামর্থ্য) কম হলেও EQ (দায়িত্বশীল হয়ে ওঠার যোগ্যতা), SQ (অন্যদের সাথে নেটওয়ার্ক তৈরি করার ক্ষমতা) ও AQ (হাল ছেড়ে না দেবার মানসিকতা) অনেক বেশি। আর যাকে মেধাবী ভেবেছিলেন তার মধ্যে শুধু IQ ছাড়া আর কিছুই নেই!

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মধ্যে উচ্চ EQ, SQ ও AQ আছে তারা, যাদের উচ্চ IQ আছে তাদের তুলনায় জীবনে এগিয়ে যায়, যদিও আমাদের দেশের বেশিরভাগ স্কুল ছাত্রছাত্রীদের IQ বাড়ানোর জন্য সচেষ্ট হলেও EQ, SQ ও AQ এর উন্নতির দিকে নজর দেয় না।

আপনি জানলে অবাক হবেন, পেশাগত জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই উচ্চ IQ সম্পন্ন একজন মানুষ, উচ্চ EQ, SQ ও AQ সম্পন্ন একজনের অধীনে কাজ করে। বিশ্বের বেশিরভাগ সফল মানুষের IQ সাধারণ মানের। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানির কর্মচারীদের IQ অনেক বেশি হয়, পক্ষান্তরে ওই কোম্পানির মালিকের IQ কম থাকলেও EQ, SQ ও AQ বেশি থাকে। IQ কম থাকলেও আপনি জীবনে কোনো না কোনোভাবে উতরে যাবেন, কিন্তু EQ, SQ ও AQ কম থাকলে আপনি জীবনে প্রতি পদে পদে ধরা খাবেন।

আপনার সন্তানকে পড়াশুনার পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য দিকগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। তার মধ্যে কায়িক শ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন, তাকে অভাবের মধ্যে চলতে শেখান, খেলাধুলা, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য ইত্যাদির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি করুন। মোদ্দা কথা, তার মধ্যে IQ এর পাশাপাশি EQ, SQ এবং AQ এর বিকাশ ঘটান, যেন সে বড়দের মুখাপেক্ষী না হয়ে থেকে স্বাধীনভাবে কিছু করতে সক্ষম হওয়ার মতো বহুমুখী চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।
Pathankhali Children Hut K. G. School

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন 🇮🇳Pathankhali Children Hut K. G. School ১৫ই আগস্ট ২০২৫ 💫
15/08/2025

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন 🇮🇳
Pathankhali Children Hut K. G. School
১৫ই আগস্ট ২০২৫ 💫

শিশুদের ঘুমের সময়: ১৯৫০-এর দশকের আমেরিকার একটি Kindergarten ঐতিহ্য -১৯৫০-এর দশকের আমেরিকান কিন্ডারগার্টেনে ‘ন্যাপ টাইম’...
07/06/2025

শিশুদের ঘুমের সময়: ১৯৫০-এর দশকের আমেরিকার একটি Kindergarten ঐতিহ্য -

১৯৫০-এর দশকের আমেরিকান কিন্ডারগার্টেনে ‘ন্যাপ টাইম’ বা দুপুরের ঘুম ছিল শুধু দিনের একটি বিরতি নয়—এটি ছিল প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে সময়কার শিক্ষাদর্শনে বিশ্বাস করা হতো, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ঘুম অপরিহার্য।

প্রতিদিনের এক শান্তির আচার:
সাধারণত দুপুরের খাবারের পরপরই ন্যাপ টাইম শুরু হতো। ছোট ছোট শিশুেরা নিজের brought-from-home ম্যাট বা স্কুলের কট খুলে নির্ধারিত জায়গায় শুয়ে পড়ত। শিক্ষক-শিক্ষিকারা বাতি নিভিয়ে দিতেন, পর্দা টেনে দিতেন, আর পুরো ঘরে সৃষ্টি হতো এক নরম ও নীরব পরিবেশ—যেখানে কল্পনা ও শরীর দুটোই বিশ্রাম নিতে পারত।

সঙ্গীতের কোমল ভূমিকা:
শান্তভাবে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করত সুরেলা সঙ্গীত। অনেক শ্রেণিকক্ষে শোনা যেত—
• ক্লাসিকাল সুর, যেমন Debussy’র “Clair de Lune” বা Beethoven’র “Moonlight Sonata”, যা শিশুদের মন শান্ত করত।
• Brahms’ Lullaby কিংবা “Hush, Little Baby”-র মতো জনপ্রিয় লোরি, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শান্ত করেছে।
• প্রকৃতির শব্দ—জলের কলকল ধ্বনি, নরম বৃষ্টির শব্দ, বা পাতার মৃদু ঝিরঝিরানি—এইসব ছিল ঘুমপাড়ানির অন্যতম কৌশল।
• সেই সময়ের জনপ্রিয় কোমল গান, যেমন Nat King Cole-এর “Mona Lisa” বা Bing Crosby-এর “Too-Ra-Loo-Ra-Loo-Ral”, যা ঘরে উষ্ণতা ও পরিচিতির ছোঁয়া এনে দিত।

শিক্ষিকার মায়াভরা উপস্থিতি:
শিক্ষিকারা এই নীরব সময়ের রক্ষক ছিলেন। নরম পায়ে চলাফেরা, শান্ত কণ্ঠে কথা বলা, একেকটি কটের পাশে দাঁড়িয়ে কম্বলের কোণা ঠিক করে দেওয়া, পিঠে হালকা হাত বুলিয়ে দেওয়া—সবই ছিল তাদের কোমল দায়িত্ব। ঘুম ছিল শুধু বিশ্রাম নয়, ছিল মানসিক নিরাপত্তার এক আশ্রয়স্থল।

শুধু একটি বিরতি নয়:
১৯৫০-এর দশকের শিশুদের কাছে, এই ন্যাপ টাইম হয়ে উঠেছিল প্রিয় মুহূর্ত। আধা ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে আঁকার চাপ, বর্ণমালা শেখা, বা খেলনা ভাগাভাগির মতো কাজগুলো থেকে মুক্তি মিলত। বদলে থাকত—হালকা আলো, মৃদু সঙ্গীত, আর এক যত্নশীল শিক্ষিকার উপস্থিতি।

ন্যাপ টাইম ছিল এক উদ্দেশ্যপূর্ণ ও মননশীল শিক্ষা-অনুশীলন—যা শিশুদের মন শান্ত করত, হৃদয়কে স্থিরতা দিত, আর নতুন উদ্যমে শেখার জন্য প্রস্তুত করত।
Pathankhali Children Hut K. G. School

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের...
28/03/2025

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে?
তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।

এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।

👉 আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:

আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আ'ঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আ'ঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আ'ঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হাম'লাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।

👉মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:

এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।

👉বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:

যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।

👉বিপদের বন্ধু চেনান:

শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র‌্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।

👉'না’ বলতে শেখান:

আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

👉প্রাথমিক চিকিৎসা:

খেলতে গিয়ে কে'টে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।

👉অর্থ ব্যবস্থাপনা:

শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।

👉রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:

আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছু'রি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।

তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।

👉এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।
Pathankhali Children Hut K. G. School

জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে।।বীনা পুস্তক রঞ্জিত হস্তে, ভগবতী ভারতি দেবি নমোহস্তুতে।।সরস্বতী পুজো উদয...
03/02/2025

জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে।।
বীনা পুস্তক রঞ্জিত হস্তে, ভগবতী ভারতি দেবি নমোহস্তুতে।।
সরস্বতী পুজো উদযাপন ২০২৫
Pathankhali Children Hut K. G. School

ফ্রান্ৎস কাফকা (Franz Kafka) কখনও বিয়ে করেননি এবং তার কোনো সন্তানাদিও ছিল না। তার বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্লিনের প...
11/01/2025

ফ্রান্ৎস কাফকা (Franz Kafka) কখনও বিয়ে করেননি এবং তার কোনো সন্তানাদিও ছিল না। তার বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্লিনের পার্কে হাঁটছিলেন। এমন সময় তিনি একটি ছোট্ট মেয়েকে দেখলেন যে তার প্রিয় পুতুলটি হারিয়ে কাঁদছিল। সেই মেয়েটি এবং কাফকা, দু’জনে মিলে খুব খুঁজলেন হারিয়ে যাওয়া পুতুলটিকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না তা।

কাফকা মেয়েটিকে পরের দিন আবার সেখানে আসতে বললেন। উদ্দেশ্য, আবার তারা দু’জনে মিলে হারিয়ে যাওয়া পুতুলটি খুঁজবেন সেখানে।

কিন্তু পরের দিনও পুতুলটিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। তখন কাফকা ছোট্ট মেয়েটিকে একটি চিঠি দিলেন। আর বললেন, ‘এই চিঠিটি তোমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’। সে চিঠিতে লেখা ছিল, ‘দয়া করে তুমি কেঁদো না। আমি পৃথিবী দেখতে বেরিয়েছি। আমি আমার রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী তোমাকে নিয়মিত লিখে জানাব।’

এভাবেই শুরু হয়েছিল একটি গল্পের, যা চলেছিল কাফকার মৃত্যু পর্যন্ত।

ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে কাফকার নিয়মিত দেখা হতো। আর যখনই দেখা হতো তখনই কাফকা একটি চিঠি দিতেন মেয়েটিকে, বলতেন সেই একই কথা, ‘চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’, এবং পড়ে শোনাতেন তার প্রিয় পুতুলের বিশ্ব-ভ্রমণের রোমাঞ্চকর সব বর্ণনা খুব যত্নের সাথে, যে বর্ণনাগুলো মেয়েটিকে ভীষণ আনন্দ দিত।

এর কিছুদিন পর একদিন কাফকা একটি পুতুল কিনলেন এবং মেয়েটিকে দিলেন। বললেন, ‘এই নাও, তোমার হারিয়ে যাওয়া সেই পুতুল।’

মেয়েটি বললো, ‘এই পুতুলটি মোটেও আমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের মতো দেখতে নয়।’

কাফকা তখন মেয়েটিকে আরও একটা চিঠি দিলেন যেটাতে তার প্রিয় পুতুলটি তাকে লিখেছে, ‘ভ্রমণ করতে করতে আমি অনেক পাল্টে গিয়েছি।’

ছোট্ট মেয়েটি তখন নতুন পুতুলটিকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল এবং অপার আনন্দে ভাসল।

এর এক বছর বাদে কাফকা মারা যান।

বহু বছর বাদে, সেই ছোট্ট মেয়েটি যখন অনেক বড় হয়ে গেছে, তখন সে সেই পুতুলটির ভিতরে একটি ছোট্ট চিঠি পায়। কাফকার সই করা ছোট্ট সে চিঠিটিতে লেখা ছিল, ‘Everything you love will probably be lost, but in the end, love will return in another way.’ ....

Pathankhali Children Hut K. G. School
[ফ্রান্ৎস কাফকা ছিলেন জার্মান ভাষার উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।]

বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়? আমরা সবাই জানি যে, বই পড়ার অভ্যাস একটি শিশুর সঠিক বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ...
05/01/2025

বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়?

আমরা সবাই জানি যে, বই পড়ার অভ্যাস একটি শিশুর সঠিক বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়া এবং গেমসের মাঝে বাচ্চাদের মনোযোগ ধরে রাখা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, বইপোকা হতে গেলে কিছু সহজ ও সৃজনশীল উপায় রয়েছে, যেগুলো আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি এবং প্রয়োগ করেছি।

১. প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তোলাঃ
বাচ্চাদের বইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হলে, প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। বইয়ের আকার, রঙিন ছবি, সহজ ভাষা এবং গল্পের টানটান আকর্ষণ তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। ছোটদের জন্য ছবি বই খুবই উপযোগী, কারণ সেগুলো তাদের কল্পনাশক্তি জাগিয়ে তোলে। কখনও কখনও, আমি বইয়ের চেয়ে আরও মজার কিছু সাজাই—যেমন বিভিন্ন রঙের কভার, সুন্দর স্টিকার, এবং এমন গল্প যা তাদের বর্তমান অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

২. বই পড়ার সময়কে বিশেষ করে তুলুনঃ
একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। বিকেলে চা খাওয়ার পর, অথবা রাতে ঘুমানোর আগে, গল্পের সময় তৈরি করুন। আমি লক্ষ্য করেছি, যখন একটি নির্দিষ্ট সময় বই পড়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়, তখন শিশুরা সেই সময়টার অপেক্ষা করে থাকে। এতে বই পড়া হয়ে ওঠে একটি রুটিন, যা পরবর্তীতে তাদের ভালো অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়।

৩. গল্পের চরিত্রদের সাথে পরিচয় করানোঃ
একটি ভালো গল্প শুধু কল্পনা নয়, একটি জীবনও হতে পারে। বাচ্চাদের জন্য আমি চেষ্টা করি তাদের গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে, যেন তারা সেই চরিত্রের অনুভূতি বুঝতে পারে। যখন তারা চরিত্রগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন তাদের গল্পের প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। আমি গল্পের মাঝে ছোট ছোট প্রশ্ন করে তাদের অংশগ্রহণও উৎসাহিত করি।

৪. পড়ার পরে আলোচনাঃ
পড়াশোনার পর আমি বাচ্চাদের সঙ্গে গল্পটি নিয়ে আলোচনা করি। এটা তাদের মনোযোগ আরও বাড়ায়, এবং তারা বইয়ের প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়। বইটির শেষ পর্যন্ত কী হয়েছে, চরিত্রগুলো কেমন ছিল—এসব নিয়ে প্রশ্ন করে তাদের চিন্তা-ভাবনার জায়গাটিকে আরও প্রশস্ত করি। এতে বই পড়া তাদের কাছে একটি অভিজ্ঞতার মতো মনে হয়, যা শুধুমাত্র মস্তিষ্কের গণ্ডি পেরিয়ে হৃদয়েও প্রবাহিত হয়।

৫. বইয়ের সাথে যুক্ত একটি কার্যকলাপঃ
গল্পের সাথে সম্পর্কিত কিছু কার্যকলাপ যুক্ত করা খুবই কার্যকরী। যেমন, একটি চরিত্রের পোশাক বানানো, কোনো দৃশ্য আঁকানো ইত্যাদি।

উল্লেখিত পদ্ধতিসমূহ আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন।
Pathankhali Children Hut K. G. School

_ collected

Address

Pathankhali, Gosaba, South 24 Parganas
Gosaba
743611

Opening Hours

Monday 7am - 10am
Tuesday 7am - 10am
Wednesday 7am - 10am
Thursday 7am - 10am
Friday 7am - 10am

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pathankhali Children Hut K. G. School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category