অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara

অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara

Share

অগ্রদূত শিক্ষানিকেতনের পথিকৃৎ শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জী আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছে।সবাই পাশে থাকুন 🙏🏻

আমি শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জী, পথিকৃৎ - অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন,ছোট পুইছোড়া,আমলাশুলি,গড়বেতার পক্ষ থেকে সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি।এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমি যত্ন সহকারে ক্লাস v থেকে ক্লাস xii পর্যন্ত ENGLISH পড়াই।যে কোন বিষয়ে অধিক জানতে যোগাযোগ করুন।
দূরভাষ - 7047165136

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 22/02/2026

"শুক্লাং ব্রহ্মবিচারসারপরমাংধ্যাং জগদ্ব্যপনীং, বাণী-পুস্তক-ধারিণীমভয়দাং জাড্যাংধকারপহাম্।"
📚🖊️
শুভ সরস্বতী পূজা ২০২৬ 🙏🌼🙏
প্রতি বছরের মত এবছরও অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara এ বাগদেবীর আরাধনায় ছাত্রছাত্রীরা ব্রতী হয়েছিল।তিন দিনব্যাপী পুজো ও ক্রিড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষক মহাশয় ও ছাত্রছাত্রীদের সম্মিলিত প্রয়াসে মহা ধূমধামের সাথে সরস্বতী পুজো সুসম্পন্ন হয়।

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 14/09/2025

📓🖋️Celebrating Teacher's Day 2025📓🖋️ অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara
Education is the key to success in life, and teachers make a lasting impact in the lives of their students.” –

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 19/08/2025

অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara -পক্ষ থেকে সকল ভারতবাসীকে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা
🇮🇳🙏🇮🇳

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 13/02/2025

অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara
||বাণী বন্দনা 2025 ||🙏📚🖋
শ্বেতপদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা।
শ্বেতাম্ভরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা।।
শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চ্চিতা।
শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারব‌ভূষিতা
বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ।
পূঝিতা মুনিভি: সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।।
স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম্।
যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়ং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।
প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতনে বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বাগদেবীর আরাধনায় ব্রতী হয়।ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রীরা বহুদিন আগে থেকেই তাদের প্রিয় দেবীর জন্য আনন্দের সাথে অপেক্ষা করতে থাকে কবে তাদের সেই বিশেষ এই দিনটি এসে উপস্থিত হবে যেদিন তারা নিজের হাতে সমস্ত সাজসজ্জা যেমন প্রতিমা আনতে যাওয়া থেকে শুরু করে আলপনা দেওয়া, বিভিন্ন কাগজের টুকরো দিয়ে সৌখিনভাবে দেবীর চারপাশটা সাজিয়ে তোলা, নিজেদের হাতে ফল কাটা থেকে শুরু করে প্রসাদ বিতরণ, মালা গাঁথা, সমস্ত কাজটাই করতে পারবে শুধু তাই নয় ছোট ছোট মেয়েরা অর্থাৎ ছাত্রীরা অনেকেই অপেক্ষায় থাকে তাদের প্রথম শাড়ি পরার জন্য ও ছেলেরা পাঞ্জাবী পড়ার জন্য। এবং অনেকেই হাতে খড়ি দেবার জন্য অপেক্ষা করে, ক্রমে দিনটি আসে তাদের প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে। শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেই নয় তাদের প্রিয় অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষক শ্রী বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়ের কাছেও এই দিনটি ভীষণভাবে আনন্দের দিন হয়ে ওঠে, কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আবদার গুলি থাকে এই পুজোর দিনটিতে তিনিও সেগুলি খুবই আনন্দের সঙ্গে পালন করেন ও বহু প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা পুজোর দিনগুলিতে তাদের প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মন্ডপে এসে উপস্থিত হয় তাদের স্মৃতি রোমন্থন করতে থাকে তাদের প্রিয় শিক্ষকমহাশয়ের কাছে। এই দিন সকাল থেকেই শুরু সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী মন্ডপে এসে উপস্থিত হয় একে একে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে তারা সমস্ত মন্ডপটি যেন বাসন্তী রঙে সেজে ওঠে সেদিন তারপর তারা প্রতিমার সামনে আলপনা দেয়, ফল কাটে, দল বেঁধে ঘট আনতে যায় শঙ্খ বাজিয়ে জলের ধারা দিয়ে ঘট নিয়ে ফেরে পুরোহিত মশাই পূজোর প্রস্তুতি নেয় সেখানে তারা সকলে মিলে তাদের প্রিয় দেবীর সামনে বসে পুজো দেখে এবং সমস্বরে পুষ্পাঞ্জলি দেয় তারপর প্রসাদ বিতরণ করে প্রসাদ খায়, সকলে মিলে নিজেরা তো বটেই তাদের প্রিয় শিক্ষকের সাথেও ফটো সেশন করে।এবং সন্ধ্যেবেলায় স্থানীয় ছাত্র -ছাত্রীরা আসে সন্ধ্যা আরতি দেখতে। এইভাবে কি দুটি দিন খুব আনন্দের সঙ্গে কাটে তাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতনের প্রাঙ্গণে ও তাদের প্রিয় শিক্ষক শ্রী বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে, তৃতীয় দিনে একটু মনটা খারাপ হয়ে যায় সকলেরই কিন্তু তার মধ্যেও সবাই মিলে আনন্দের সাথে খিচুড়ি খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় সাথে থাকে আলু পোস্ত ও চাটনি, ছাত্র-ছাত্রীরা সকলে মিলে তা পরিবেশন করে নিজেরাই এরপর সন্ধ্যেবেলায় প্রতিমা নিরঞ্জনের পর সকলে মিলে কিছুক্ষণ ভারাক্রান্ত মনে নিজেদের মধ্যে সময় কাটায় আবার একটি বছরের অপেক্ষায় থাকে তাদের প্রিয় দেবীর জন্য। 🙏🤗

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 02/10/2024

Happy Teacher’s Day 2024 Celebration In অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara
৫ ই সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছুদিন বিভিন্ন ব্যাচে ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানগুলির কিছু সোনালী মুহূর্ত সকলের সামনে তুলে ধরলাম । সারা বিশ্বে ৫ইঅক্টোবর আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস পালন করা হয়, কিন্তু ভারতের শিক্ষক দিবস পালিত হয় ৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস পালন করা হয় ভারতবর্ষের অন্যতম মহান শিক্ষাবিদ তথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর জন্মদিন উপলক্ষে। সারা জীবন ভারতের শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তিনি অবিরাম পরিশ্রম করেছিলেন, শিক্ষকরা হলেন সমাজ গড়ার কারিগর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেন শিক্ষকরা তাই ৫ই সেপ্টেম্বর এদেশের প্রতিটি শিক্ষা ক্ষেত্রে মহাসমারোহের সঙ্গে দিনটি পালন করা হয় অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতনও তার ব্যতিক্রম নয় বর্তমান ছাত্র ছাত্রীরা তো বটেই সাথে বহু প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী শুভেচ্ছা বার্তা জানায় তাদের প্রিয় শিক্ষক মহাশয় কে বিভিন্ন ব্যাচের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা মিলে খুব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে আনন্দের সঙ্গে দিনটি পালন করে উপহার ছাড়াও তাদের হাসি মুখগুলো ছিল শিক্ষক মহাশয়ের পরম পাওয়া। ওদের সাথে এই আনন্দের দিনটি মনের মনিকোঠায় সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলেন শিক্ষক শ্রী বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়।ওদের আগামী দিনগুলো আরো সুন্দর হোক এই প্রার্থনা রইল।

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 19/08/2024

অগ্রদূত শিক্ষানিকেতনে ভারতবর্ষের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস পালন 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳
"স্বাধীনতা মানুষের মনের একটি খোলা জানালা।যেদিক দিয়ে মানুষের আত্মা ও মানবমর্যাদার আলো প্রবেশ করে।"
"সেই একই ভাবে স্বাধীনতা মানুষের প্রথম এবং মহান একটি অধিকার।"
১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ ছিল আমাদের দেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবস।২০২৪ এ আমরা ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছি।আজ আমরা যে স্বাধীনতার বাতাসে নিঃশ্বাস নিচ্ছি তা আমাদের পূর্বপুরুষদের বেদনা, সাহসিকতা ও সংগ্রামের কারণে।যারা আমাদের এই স্বাধীনতা পেতে শতাব্দী ধরে লড়াই করেছিলেন।আমরা একটি ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হতে অনেক দূরে এগিয়ে এসেছি।স্বাধীনতার এই উদযাপন সারা দেশে দেশপ্রেম ও উদ্দীপনার সাথে পালন করা হয়।এই জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়।সারা দেশের বিভিন্ন এই প্রতিষ্ঠান গুলির ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক শিক্ষিকা মিলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করে যেমন প্রবন্ধ রচনা,বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, নাটক, গান এবং নৃত্য এই অনুষ্ঠান গুলির দ্বারা বিকাশমান মনের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করে ও গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালন করে।এটা নিছক ছুটির দিন নয়।স্বাধীনতা দিবস শুধু স্মরণ ও উদযাপনের দিন নয় বরং স্বরাজ ও জাতিগঠনের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের নবায়ন। এটি ভারতীয়দের অনুপ্রাণিত করে যাতে তাদের ঐক্য সাম্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চেতনা কখনোই ত্যাগ না করা হয়।এই দিনে আমরা শ্রদ্ধা জানাই সেই মুক্তিযোদ্ধাদের যারা আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমরা ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসে এটাই ব্রত করি যাতে দেশবাসীর মন নির্ভীক এবং তাদের মাথা উঁচু হয়।তাই কবিগুরুর কথা মাথায় রেখে বলা যায়,যেখানে মন ভয়হীন এবং মাথা উঁচু করে রাখা হয় সেই স্বাধীনতার স্বর্গে আমরা প্রভু,আমার দেশ জেগে উঠুক।
অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতনের পক্ষ থেকে আমি বিশ্বজিৎ মুখার্জী সকলকে স্বাধীনতা দিবসের অনেক শুভেচ্ছা ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জানাই।
জয় হিন্দ🇮🇳

Photos from অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara's post 03/04/2024

অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara এর বাগদেবীর আরাধনা 2024 🙏🏵️💮🌼🖊️📚🙏
বাগদেবীর আরাধনায় ভুবন উঠেছিল মেতে,
শ্রীপঞ্চমীর পূর্ণ তিথি সেজেছিল মা সরস্বতীর বন্দনাতে।
বাগদেবীর আরাধনায় সকলে হয়েছিল ব্রত ব্রতী,
শুভ্র বসনায় সুরের সাধনায় প্রণম্য মাগো দেবী ভগবতী।
সরস্বতী পুজো এলে বেশ ভাল লাগে,
আনন্দ ছোটদের মনে খুব জাগে।
ছাত্রছাত্রীরা পুজোয় ফুল নিয়ে হাতে,
অঞ্জলি দল বেঁধে দেয় একসাথে।
বাসন্তী রঙের রকমারি পোশাকে আনন্দের রোশনাই,
একত্র সুরে মায়ের বন্দনায় মেতে ওঠে সবাই।
জ্ঞানের অধিকারী মা গো বিদ্যা বুদ্ধি দাও প্রাণভরে,
তোমার ঐ রাঙাচরণে প্রণমী মোরা নতশিরে।
পুজো শেষে ভোগ খেতে সব মিলে যায়,
আনন্দে ভোগ ওরা পেট ভরে খায়।
মাগো তুমি পাশে থেকো সকল ছাত্রছাত্রীদের,
বিদ্যা বুদ্ধি অনেক দিও আর ভাল রেখো ওদের।
আওয়াজ জোর ওঠে মুখে মুখে সবে,
সরস্বতী পুজো ফের আগামীতে হবে।
প্রতি বছরের মতো এবছরেও আমাদের অগ্রদূত শিক্ষা নিকতনে বাণী বন্দনায় মেতে উঠেছিল সকলে।এলাকা ও দূর দূরান্তের বহু বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।পুজোর আগে থেকেই সকলের মনে একটা আলাদা উন্মাদনা কাজ করে।শিক্ষক শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জীর সাথে আলাপ আলোচনা পর্ব চলতেই থাকে প্রত্যেক ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের এছাড়া আগে থেকেই এতে অংশ নেয় প্রাক্তনীরা।সকলের দূরদর্শিতা ও আন্তরিকতায় সাফল্যের সাথে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরেও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছিল সবকিছুই।প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীর দেওয়া আল্পনা সকলের মন জয় করেছিল প্রত্যেক বারের মতোই তার হাতের নিপুণ শিল্পকলা সকলের প্রিয়।ছাত্রছাত্রীরা সকাল থেকে নিজেরাই সবকিছুর জোগাড় করে পুরোহিত মশাইয়ের অনেক সাহায্য করতে থাকে।শ্বেতবসনা মা কে প্রণাম জানিয়ে শুরু হয় পুজোর প্রাথমিক পর্ব।পুরোহিত মশাই সামনে পবিত্র জলাশয় থেকে আনেন জলভর্তি ঘট।এরপর হয় ঘটপ্রতিষ্ঠা,মায়ের প্রাণপ্রতিষ্ঠা। শুরু হয় পুজোর পর্ব,হোম যজ্ঞ শেষে হয় ভোগ আরতি।ভোগে ছিল চিড়ে,নানাবিধ ফলাদি,মিষ্টি,লুচি,সুজি।কচিকাঁচারা ছাড়াও বড়রা সেজেগুজে উপস্থিত হয় প্রতিষ্ঠানে।রঙিন শাড়ি পাঞ্জাবির যেন মেলা বসেছিল।বহু প্রাক্তন যারা নিজেদের শিকড় ভোলেনি তারাও এসে পুজোয় অংশ নেয়।শিক্ষকের সাথে চলে গল্পগাছা,আনন্দ।শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জী বাঙালিয়ানা বজায় রেখে ছিলেন শ্বেতশুভ্র বসনে।সবার সাথে চলে ফটো তোলার পর্ব।সকলে মিলে গ্রুপ ফটোশ্যুট সারা হয় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে।সব মুহুর্ত গুলি বেশ কিছু ছাত্রছাত্রীদের ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করা হয়।পুজো শেষে সকলে প্রসাদ গ্রহন করে।আসলে তিনদিন ব্যাপী এই পুজোর পেছনে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা জড়িত ছিল তাদের পরীক্ষার কারণে এতদিন ধরে চলছিল ব্যস্ততা তাই সময়ের অভাবে সঠিক সময়ে পোস্ট করা সম্ভব হয়নি তবে মনে রাখা ভাল মুহুর্তরা সবসময়ই থাকে প্রাণবন্ত আর জীবন্ত।এই মুহুর্ত গুলো নিয়েই এক বছর আবার কাটিয়ে দেওয়া যাবে।অপেক্ষায় থাকবো সকলে,আসছে বছর আবার হবে।
🙏🖊️📚🌼💮🏵️🙏

06/02/2024
06/02/2024
06/02/2024
06/02/2024
Want your school to be the top-listed School/college in Garhbeta?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Puichara, Amlasuli
Garhbeta
721157

Opening Hours

Monday 5am - 10pm
Tuesday 5am - 10pm
Wednesday 5am - 10pm
Thursday 5am - 10pm
Friday 5am - 10pm
Saturday 5am - 10pm
Sunday 5am - 10pm