03/04/2024
অগ্রদূত শিক্ষা নিকেতন, ছোটপুইছোড়া Agradoot Siksha Niketan, Choto puichara এর বাগদেবীর আরাধনা 2024 🙏🏵️💮🌼🖊️📚🙏
বাগদেবীর আরাধনায় ভুবন উঠেছিল মেতে,
শ্রীপঞ্চমীর পূর্ণ তিথি সেজেছিল মা সরস্বতীর বন্দনাতে।
বাগদেবীর আরাধনায় সকলে হয়েছিল ব্রত ব্রতী,
শুভ্র বসনায় সুরের সাধনায় প্রণম্য মাগো দেবী ভগবতী।
সরস্বতী পুজো এলে বেশ ভাল লাগে,
আনন্দ ছোটদের মনে খুব জাগে।
ছাত্রছাত্রীরা পুজোয় ফুল নিয়ে হাতে,
অঞ্জলি দল বেঁধে দেয় একসাথে।
বাসন্তী রঙের রকমারি পোশাকে আনন্দের রোশনাই,
একত্র সুরে মায়ের বন্দনায় মেতে ওঠে সবাই।
জ্ঞানের অধিকারী মা গো বিদ্যা বুদ্ধি দাও প্রাণভরে,
তোমার ঐ রাঙাচরণে প্রণমী মোরা নতশিরে।
পুজো শেষে ভোগ খেতে সব মিলে যায়,
আনন্দে ভোগ ওরা পেট ভরে খায়।
মাগো তুমি পাশে থেকো সকল ছাত্রছাত্রীদের,
বিদ্যা বুদ্ধি অনেক দিও আর ভাল রেখো ওদের।
আওয়াজ জোর ওঠে মুখে মুখে সবে,
সরস্বতী পুজো ফের আগামীতে হবে।
প্রতি বছরের মতো এবছরেও আমাদের অগ্রদূত শিক্ষা নিকতনে বাণী বন্দনায় মেতে উঠেছিল সকলে।এলাকা ও দূর দূরান্তের বহু বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।পুজোর আগে থেকেই সকলের মনে একটা আলাদা উন্মাদনা কাজ করে।শিক্ষক শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জীর সাথে আলাপ আলোচনা পর্ব চলতেই থাকে প্রত্যেক ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের এছাড়া আগে থেকেই এতে অংশ নেয় প্রাক্তনীরা।সকলের দূরদর্শিতা ও আন্তরিকতায় সাফল্যের সাথে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরেও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছিল সবকিছুই।প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীর দেওয়া আল্পনা সকলের মন জয় করেছিল প্রত্যেক বারের মতোই তার হাতের নিপুণ শিল্পকলা সকলের প্রিয়।ছাত্রছাত্রীরা সকাল থেকে নিজেরাই সবকিছুর জোগাড় করে পুরোহিত মশাইয়ের অনেক সাহায্য করতে থাকে।শ্বেতবসনা মা কে প্রণাম জানিয়ে শুরু হয় পুজোর প্রাথমিক পর্ব।পুরোহিত মশাই সামনে পবিত্র জলাশয় থেকে আনেন জলভর্তি ঘট।এরপর হয় ঘটপ্রতিষ্ঠা,মায়ের প্রাণপ্রতিষ্ঠা। শুরু হয় পুজোর পর্ব,হোম যজ্ঞ শেষে হয় ভোগ আরতি।ভোগে ছিল চিড়ে,নানাবিধ ফলাদি,মিষ্টি,লুচি,সুজি।কচিকাঁচারা ছাড়াও বড়রা সেজেগুজে উপস্থিত হয় প্রতিষ্ঠানে।রঙিন শাড়ি পাঞ্জাবির যেন মেলা বসেছিল।বহু প্রাক্তন যারা নিজেদের শিকড় ভোলেনি তারাও এসে পুজোয় অংশ নেয়।শিক্ষকের সাথে চলে গল্পগাছা,আনন্দ।শ্রী বিশ্বজিৎ মুখার্জী বাঙালিয়ানা বজায় রেখে ছিলেন শ্বেতশুভ্র বসনে।সবার সাথে চলে ফটো তোলার পর্ব।সকলে মিলে গ্রুপ ফটোশ্যুট সারা হয় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে।সব মুহুর্ত গুলি বেশ কিছু ছাত্রছাত্রীদের ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করা হয়।পুজো শেষে সকলে প্রসাদ গ্রহন করে।আসলে তিনদিন ব্যাপী এই পুজোর পেছনে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা জড়িত ছিল তাদের পরীক্ষার কারণে এতদিন ধরে চলছিল ব্যস্ততা তাই সময়ের অভাবে সঠিক সময়ে পোস্ট করা সম্ভব হয়নি তবে মনে রাখা ভাল মুহুর্তরা সবসময়ই থাকে প্রাণবন্ত আর জীবন্ত।এই মুহুর্ত গুলো নিয়েই এক বছর আবার কাটিয়ে দেওয়া যাবে।অপেক্ষায় থাকবো সকলে,আসছে বছর আবার হবে।
🙏🖊️📚🌼💮🏵️🙏