Ujjwal Kids World

Ujjwal Kids World Ujjwal Kids World - India’s Skill-First School
(1)

শিশুকে শুধু পড়াশোনা নয়, প্রশ্ন করতে ও নিজের মতো করে ভাবতে শেখান।কারণ শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়।শেখার আসল ...
26/09/2026

শিশুকে শুধু পড়াশোনা নয়, প্রশ্ন করতে ও নিজের মতো করে ভাবতে শেখান।

কারণ শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়।

শেখার আসল আনন্দ আসে যখন শিশু নিজে কিছু বুঝতে চায়।

তাকে প্রশ্ন করতে দিন, কৌতূহলী হতে দিন।

ভুল করলে বকবেন না, বরং ভুল থেকে শিখতে সাহায্য করুন।

প্রতিটি শিশুর শেখার গতি ও পদ্ধতি আলাদা।

তাই অন্য শিশুর সঙ্গে তাকে তুলনা করবেন না।

তার ছোট ছোট সাফল্যকেও উৎসাহ দিন।

পড়াশোনাকে যেন কখনও ভয়ের বিষয় মনে না হয়।

শেখাকে আনন্দময় করে তুলুন।

শিশুর কথা মন দিয়ে শুনুন।

তার চিন্তাভাবনাকে গুরুত্ব দিন।

নিজের মতামত প্রকাশ করার সুযোগ দিন।

কারণ আজকের কৌতূহলই আগামী দিনের জ্ঞানের ভিত্তি।

শুধু ভালো নম্বর নয়, ভালোভাবে বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ।

জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা—সবকিছুরই শুরু হয় একটি কৌতূহলী মন থেকে। আজকের ছোট্ট প্রশ্নটিই আগামী দিনের এক বিশাল আবিষ্কার।

“পড়তে বসলেই ওর মন অন্যদিকে চলে যায়!”—এই কথাটা কি আপনিও প্রায়ই বলেন?একটা জিনিস আগে বুঝুন—মনোযোগ না থাকা আর পড়তে না চা...
26/09/2026

“পড়তে বসলেই ওর মন অন্যদিকে চলে যায়!”—এই কথাটা কি আপনিও প্রায়ই বলেন?

একটা জিনিস আগে বুঝুন—

মনোযোগ না থাকা আর পড়তে না চাওয়া—দুটো কিন্তু এক জিনিস নয়।

অনেক বাচ্চা বই খুলে 5 মিনিটের মধ্যেই উঠে যায়।
কখনও জল খেতে যায়, কখনও pencil খোঁজে, কখনও টেবিল ছেড়ে অন্য কিছু করতে শুরু করে।

আর আমরা ধরে নিই—

“ও পড়াশোনায় মনই দেয় না।”

কিন্তু অনেক সময় আসল সমস্যাটা অন্য জায়গায়।

বাচ্চা হয়তো বুঝতেই পারছে না কীভাবে পড়তে হবে।

তাই আজ থেকে শুধু বলবেন না—

“মন দিয়ে পড়ো।”

তার বদলে বলুন—

“আগে এই 2টা question করো। তারপর আমাকে দেখাবে।”

একসঙ্গে 2 ঘণ্টা পড়ানোর চেষ্টা না করে ছোট ছোট Study Target দিন।

20 মিনিট পড়া → 5 মিনিট Break → আবার 20 মিনিট।

আর একটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ—

বাচ্চা 10টা প্রশ্নের মধ্যে 8টা ঠিক করলে শুধু বলবেন না,
“বাকি 2টা ভুল কেন?”

একবার বলুন—

“দেখো, 10টার মধ্যে 8টা তুমি নিজে পেরেছ। এবার ভাবি বাকি 2টা কীভাবে ঠিক করা যায়।”

কারণ প্রতিদিন যদি পড়াশোনার শেষে বাচ্চার মনে হয়—

“আমি পারি না…”

তাহলে বইয়ের সামনে বসাটাই তার কাছে একটা চাপ হয়ে যাবে।

কিন্তু যদি তার মনে হয়—

“আমি একটু একটু করে পারছি…”

তাহলে পড়াশোনার সঙ্গে তার relationship-টাই বদলে যেতে শুরু করবে।

আমি সবসময় একটা কথা বলি—

বাচ্চাকে শুধু পড়তে বসানো নয়, তাকে কীভাবে পড়তে হয় সেটা শেখানোই আসল কাজ।

আপনার সন্তান পড়তে বসলে সবচেয়ে বেশি কোন সমস্যাটা হয়?

মন বসে না / মোবাইল চায় / পড়া মনে থাকে না / লিখতে চায় না / অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যায়—

কমেন্টে শুধু সমস্যাটা লিখুন।

পরের পোস্টগুলোতে আমি একেকটা সমস্যার practical solution নিয়ে লিখব।

“মা, এটা আমি পারব না…”—সন্তান এই কথাটা বলার পর আপনি কী করেন?অনেক Parent সঙ্গে সঙ্গে বলে ফেলেন—“এটা আবার কী কঠিন?”“এত সহজ...
25/09/2026

“মা, এটা আমি পারব না…”—সন্তান এই কথাটা বলার পর আপনি কী করেন?

অনেক Parent সঙ্গে সঙ্গে বলে ফেলেন—
“এটা আবার কী কঠিন?”
“এত সহজ জিনিসও পারছ না?”
“আর কতবার বুঝিয়ে দেব?”

কিন্তু আমি বাচ্চাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে একটা বিষয় খুব কাছ থেকে দেখেছি—

অনেক সময় সন্তান সমস্যাটার জন্য নয়, আপনার প্রতিক্রিয়ার ভয়ে ‘আমি পারব না’ বলতে শুরু করে।
তাই সে পড়ায় আটকে গেলে সঙ্গে সঙ্গে উত্তরটা বুঝিয়ে দেবেন না।

একটা প্রশ্ন করুন—
“কোন জায়গাটা বুঝতে পারছ না, আমাকে দেখাও।”
তারপর সমস্যাটাকে ছোট করে দিন।

পুরো Chapter নয়।
পুরো Worksheet নয়।
শুধু একটা প্রশ্ন।

বলুন—
“চলো, এই একটা প্রশ্নটা আগে করি।”

সে পারলে সঙ্গে সঙ্গে বলবেন না—
“এটা তো খুব সহজ ছিল!”

বলুন—
“দেখলে? তুমি করতে পেরেছ।”

কারণ পড়াশোনায় অনেক বাচ্চার আসল সমস্যা বুদ্ধির অভাব নয়, শুরু করার ভয়।

আর প্রতিবার “পারব না” বলার পর যদি আমরা তার হয়ে কাজটা করে দিই, তাহলে সে নিজের উপর ভরসা করতে শিখবে কীভাবে?

সন্তানকে সব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।
কখনও কখনও তাকে শুধু এতটুকু সাহায্য করুন—

“তুমি চেষ্টা করো, আটকে গেলে আমি আছি।”

এই একটা অনুভূতি একটা শিশুর পড়াশোনার অভ্যাস বদলে দিতে পারে।

আজ ভেবে দেখুন—
আপনার সন্তান পড়তে গিয়ে আটকে গেলে আপনি প্রথমে বলেন—“আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি”, নাকি “তুমি আগে চেষ্টা করো”?

কমেন্টে সত্যিটা লিখুন।

বাচ্চা ভুল করলে আপনি আগে কী করেন—বকেন, নাকি বোঝার চেষ্টা করেন কেন ভুলটা হলো?একটা ছোট্ট ঘটনা বলি।একজন বাচ্চা স্কুল থেকে এ...
25/09/2026

বাচ্চা ভুল করলে আপনি আগে কী করেন—বকেন, নাকি বোঝার চেষ্টা করেন কেন ভুলটা হলো?

একটা ছোট্ট ঘটনা বলি।

একজন বাচ্চা স্কুল থেকে এসে বলল,
“আজ আমি একটা ভুল করেছি।”

মা সঙ্গে সঙ্গে বললেন,
“কতবার বলেছি, সাবধানে করতে! তোমার কোনও কথাই মাথায় ঢোকে না!”

বাচ্চাটা চুপ করে গেল।
কয়েকদিন পর আবার একটা ভুল হলো।
কিন্তু এবার সে মাকে বললই না।

এখানেই Parent হিসেবে আমাদের একটু থামা দরকার।
আমরা চাই সন্তান যেন ভুল না করে।

কিন্তু সত্যিটা হলো—
ভুল করা বন্ধ করানো যায় না।
ভুলের পর সন্তান যেন আপনার কাছে ফিরে আসে—সেটা নিশ্চিত করা যায়।

তাই সন্তান ভুল করলে প্রথম কথাটা হতে পারে—

“ঠিক আছে, এবার বলো তো—কোথায় ভুল হয়েছে?”
তারপর একসঙ্গে কারণটা খুঁজুন।

কারণ একটা শিশু যখন জানে—

“আমি ভুল করলেও মা-বাবা আমাকে অপমান করবেন না,”
তখন সে নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখে।

আর যে শিশু নিজের ভুল স্বীকার করতে পারে,
সে-ই ধীরে ধীরে নিজের ভুল সংশোধন করতেও শেখে।

মনে রাখবেন—
ভুলের সময় সন্তানকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো সহজ।
কিন্তু ভুল থেকে শেখার সাহস তৈরি করা—সেটাই Parenting।

আজ আপনার সন্তান কোনও ভুল করলে, বকাঝকা করার আগে শুধু একবার বলুন—
“চলো, দেখি কোথায় ভুল হয়েছে।”

হয়তো এই ছোট্ট বাক্যটাই আপনাদের সম্পর্কের অনেক কিছু বদলে দিতে পারে।

আপনার সন্তান ভুল করলে আপনি প্রথমে কী করেন—রাগ করেন, নাকি কারণটা জানতে চান?

কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা লিখুন।

25/09/2026

বাংলা মিডিয়াম স্টুডেন্টদের জন্য maths এর কোন বইটা পড়তে হবে?

“ওর ছেলে এত ভালো করছে, তুমি পারছ না কেন?”এই একটা বাক্য একটা বাচ্চার আত্মবিশ্বাস খুব ধীরে ধীরে নষ্ট করে দিতে পারে।আমি অভি...
24/09/2026

“ওর ছেলে এত ভালো করছে, তুমি পারছ না কেন?”

এই একটা বাক্য একটা বাচ্চার আত্মবিশ্বাস খুব ধীরে ধীরে নষ্ট করে দিতে পারে।

আমি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একটা বিষয় বারবার দেখি—

বাবা-মা চান সন্তান ভালো করুক।

তাই অন্য বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করেন।

“ও 95 পেয়েছে, তুমি 75 কেন?”

“ও এতক্ষণ পড়ে, তুমি পড়তে পারো না কেন?”

“ও Maths-এ এত ভালো, তুমি কেন পারো না?”

কিন্তু একটা কথা আমরা ভুলে যাই—

প্রতিটি বাচ্চার শেখার গতি এক নয়।

কেউ Maths-এ ভালো।

কেউ Drawing-এ।

কেউ গল্প বলতে পারে অসাধারণ।

কেউ খুব ভালোভাবে প্রশ্ন করতে পারে।

কেউ হয়তো একটু ধীরে শেখে—কিন্তু একবার বুঝলে খুব গভীরভাবে বোঝে।

আমি সবসময় বলি,

আপনার সন্তানের প্রতিযোগিতা অন্য কোনও বাচ্চার সঙ্গে নয়।

তার প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত—

গতকালের নিজের সঙ্গে।

গত মাসে যে অঙ্কটা পারত না, আজ সেটা পারছে কি না।

যে বাচ্চা আগে 10 মিনিট মন দিয়ে পড়তে পারত না, আজ 20 মিনিট পারছে কি না।

আগে যে প্রশ্ন করতে ভয় পেত, আজ হাত তুলে প্রশ্ন করছে কি না।

এই ছোট ছোট উন্নতিগুলোই আসল Progress।

তাই আজ বাড়ি ফিরে সন্তানকে বলবেন না—

“ওর থেকে বেশি নম্বর পেতে হবে।”

একবার বলুন—

“গতবারের থেকে এবার তুমি একটু ভালো করেছ—আমি সেটা দেখেছি।”

বিশ্বাস করুন, এই একটা বাক্য অনেক সময় 100 নম্বরের থেকেও বেশি শক্তি দেয়। ❤️

আমি চাই, আমাদের সন্তানরা শুধু ভালো Marks না পাক—

ভালো মানুষ হোক, আত্মবিশ্বাসী হোক, প্রশ্ন করতে শিখুক এবং নিজের ক্ষমতার উপর বিশ্বাস করতে শিখুক।

আপনি যদি একজন Parent হন, তাহলে আজ একটা কথা মনে রাখুন—

**তুলনা নয়।

চাপ নয়।
সন্তানের পাশে থাকুন।**

বাচ্চা জেদ করলেই আমরা অনেক সময় রেগে গিয়ে বলি—এত জেদ করছ কেন? চুপ করো!কিন্তু একটু ভেবে দেখুন…বাচ্চার জেদটা কি সত্যিই শুধু...
24/09/2026

বাচ্চা জেদ করলেই আমরা অনেক সময় রেগে গিয়ে বলি—
এত জেদ করছ কেন? চুপ করো!

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন…
বাচ্চার জেদটা কি সত্যিই শুধু অবাধ্যতা?
নাকি তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অনুভূতি সে প্রকাশ করতে পারছে না?

হয়তো সে আপনার attention চাইছে,
হয়তো কোনো কিছুতে হতাশ হয়েছে,
অথবা নিজের ইচ্ছেটা কীভাবে প্রকাশ করবে, সেটাই এখনও শেখেনি।

তাই বাচ্চা জেদ করলে প্রথমে নিজে শান্ত থাকুন।
তারপর তার অনুভূতিটাকে বুঝতে চেষ্টা করুন।

বলুন—
‘আমি বুঝতে পারছি তুমি এটা চাইছো। কিন্তু এখন এটা করা যাবে না।’

অর্থাৎ, শিশুর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেবেন,
কিন্তু সবসময় তার দাবি মেনে নেবেন না।

প্রয়োজনে তাকে দুটো বিকল্প দিন—
যাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটা সুযোগ সে পায়।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—
জেদের সময় শিশুকে অপমান, ভয় দেখানো বা মারধর করবেন না।

কারণ আমরা শুধু আজকের জেদটা থামাতে চাই না…
আমরা চাই, আমাদের সন্তান ধীরে ধীরে নিজের emotion বুঝতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুক।

৫টি সহজ উপায়ে শিশুর জেদ handle করুন -

① আগে শান্ত থাকুন
আপনি রেগে গেলে শিশুর emotion আরও বেড়ে যেতে পারে।

② তার অনুভূতিটা বুঝুন
বলুন— “আমি বুঝতে পারছি তুমি এটা খুব চাইছো।”

③ জিজ্ঞেস করুন, “কেন?”
জেদের কারণটা বোঝার চেষ্টা করুন, শুধু আচরণটা থামানোর নয়।

④ সীমা ঠিক করুন, কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে
সব দাবি মেনে নেওয়া নয়—প্রয়োজনে শান্তভাবে “না” বলুন।

⑤ বিকল্প দিন
“এটা করবে না” বলার বদলে— “তুমি এটা করবে, নাকি ওটা?”—এভাবে choice দিন।

মনে রাখবেন, শিশুর জেদ ভাঙতে নয়—
তার অনুভূতিগুলো বুঝে সঠিক পথে guide করতে পারাটাই parenting❤️

“আমার বাচ্চা কিছু না পড়েই বলে—সব পারি! ওকে কীভাবে পড়াব?”এই প্রশ্নটা একজন parent আমাকে করেছেন।অনেক বাড়িতেই সমস্যা আছে।...
23/09/2026

“আমার বাচ্চা কিছু না পড়েই বলে—সব পারি! ওকে কীভাবে পড়াব?”

এই প্রশ্নটা একজন parent আমাকে করেছেন।

অনেক বাড়িতেই সমস্যা আছে।

বাচ্চাকে পড়তে বললে বলে,
“এটা তো আমি জানি!”

বই খুলে দুটো প্রশ্ন দেখে বলে,
“এগুলো খুব easy!”

কিন্তু পরীক্ষার খাতা হাতে এলে দেখা যায়—
যে জিনিসটা জানে বলেছিল, সেটাতেই ভুল!

তখন বাচ্চাকে “তুই কিছুই জানিস না” বলবেন না।

তাতে confidence ভাঙবে, শেখার আগ্রহও কমতে পারে।

তার বদলে একটা অভ্যাস তৈরি করুন—

“তুমি জানো—এটা খুব ভালো। এবার আমাকে বুঝিয়ে দেখাও।”

তারপর ওকে শুধু answer বলতে বলবেন না।

জিজ্ঞেস করুন—

কেন এই উত্তরটা হবে?
অন্যভাবে করা যায়?
তোমার উত্তরটা ভুল হলে কোথায় ভুল হতে পারে?
এবার একটু কঠিন একটা করে দেখাও।

একটা সময় দেখবেন, বাচ্চা বুঝতে শিখছে—

“আমি জানি” আর “আমি সত্যিই বুঝেছি”—দুটো এক জিনিস নয়।

আর একটা কথা সব বাবা-মায়ের মনে রাখা দরকার—

সন্তানের confidence ভাঙবেন না।
তার confidence-কে challenge করুন।

কারণ আমাদের লক্ষ্য এমন সন্তান তৈরি করা নয় যে বলে—
“আমি সব পারি।”

আমাদের লক্ষ্য এমন সন্তান তৈরি করা, যে বলে—

“আমি এখনও পারছি না, কিন্তু চেষ্টা করলে শিখে নিতে পারব।”

এই পার্থক্যটাই একটা শিশুর শেখার মানসিকতা বদলে দিতে পারে।

আপনার বাচ্চাও কি মাঝে মাঝে এরকম কিছু বলে? আপনার বাচ্চা কি বলে পড়ার সময় কমেন্টে জানান আমি সেগুলোর উত্তর দেবার চেষ্টা করব।

আজকের Class 5 বা Class 6-এর একটি শিশু যখন 15 বছর পরে career-এর জগতে প্রবেশ করবে, তখন পৃথিবীর কাজের ধরন, technology এবং প...
23/09/2026

আজকের Class 5 বা Class 6-এর একটি শিশু যখন 15 বছর পরে career-এর জগতে প্রবেশ করবে, তখন পৃথিবীর কাজের ধরন, technology এবং প্রয়োজনীয় skills অনেকটাই বদলে যেতে পারে।

তাই তাকে শুধু আজকের syllabus বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করলেই হবে না; ভবিষ্যতের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো skills-ও তৈরি করতে হবে।

তাহলে আজ থেকেই কী শেখানো উচিত?

1. Critical Thinking

শুধু উত্তর মুখস্থ না করে—“কেন?”, “কীভাবে?”, “এর অন্য কোনো উপায় আছে কি?”—এই প্রশ্নগুলো করতে শেখানো।

2. Problem Solving
প্রশ্নের ready-made answer খোঁজার বদলে সমস্যাকে বুঝে নিজের মতো করে solution বের করতে শেখানো।

3. Communication Skill
নিজের idea, মতামত ও প্রশ্ন পরিষ্কারভাবে বলা এবং অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা শেখানো।

4. Creativity
একই সমস্যাকে অন্যভাবে ভাবা, নতুন idea তৈরি করা এবং ভুল করার ভয় না পাওয়া।

5. Technology & AI Literacy
শুধু technology ব্যবহার নয়—AI ও digital tools কীভাবে কাজ করে, কীভাবে responsible এবং safe ভাবে ব্যবহার করতে হয়, সেটাও শেখানো।

6. Collaboration
একসঙ্গে কাজ করা, অন্যের মতামতকে respect করা এবং team-এর সঙ্গে problem solve করতে শেখানো।

7. Decision Making
নিজে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নিজের সিদ্ধান্তের responsibility নিতে শেখানো।

8. Emotional Intelligence
নিজের emotion বুঝতে শেখা, frustration সামলানো এবং অন্যের feelings-এর প্রতি empathy তৈরি করা।

9. Adaptability
পৃথিবী বা technology বদলালে “আমি এটা পারব না” না ভেবে, “আমি নতুন করে শিখতে পারব”—এই mindset তৈরি করা।

10. Learning How to Learn
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। কারণ 15 বছর পরে কোন skill সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে, সেটা আজ আমরা পুরোপুরি জানি না। কিন্তু যদি শিশু কীভাবে নতুন কিছু শিখতে হয় সেটা শিখে যায়, তাহলে ভবিষ্যতের পরিবর্তনের সঙ্গে সে নিজেকে তৈরি করতে পারবে।
শেষ কথা

Future-ready education মানে শিশুকে আজ থেকেই একটি নির্দিষ্ট career-এর দিকে ঠেলে দেওয়া নয়।
বরং তাকে এমনভাবে তৈরি করা, যাতে আগামী দিনে career বা পৃথিবীর পরিবর্তন যাই হোক না কেন, সে শিখতে পারে, ভাবতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে, সমস্যার সমাধান করতে পারে এবং নিজের পথ তৈরি করতে পারে।

আজকের শিক্ষা শুধু আগামীকালের পরীক্ষার জন্য নয়—আগামী 15 বছরের জীবনের জন্যও।

বাচ্চাকে শাসন করতে গিয়ে, কখন যে তার মনে guilt ঢুকিয়ে দিচ্ছেন—খেয়াল আছে?আমরা সবাই চাই, আমাদের সন্তান ভালো মানুষ হয়ে উঠুক।...
22/09/2026

বাচ্চাকে শাসন করতে গিয়ে, কখন যে তার মনে guilt ঢুকিয়ে দিচ্ছেন—খেয়াল আছে?

আমরা সবাই চাই, আমাদের সন্তান ভালো মানুষ হয়ে উঠুক।
ভদ্র হোক, দায়িত্বশীল হোক, ভুল করলে নিজের ভুলটা বুঝুক।

আর সেই চেষ্টাতেই কখনও কখনও আমরা এমন কিছু কথা বলে ফেলি, যেগুলো আমাদের কাছে হয়তো শাসন, কিন্তু সন্তানের কাছে হয়ে যায় অপরাধবোধের বোঝা।

“তোমার জন্য আমি এত কিছু করি…”
“তোমাকে মানুষ করতে গিয়ে নিজের জীবনটাই শেষ করে দিলাম।”
“তুমি যদি আমাকে ভালোবাসতে, তাহলে এমন করতে না।”
“তোমার জন্যই আমি এত কষ্ট পাই।”
“তোমাকে জন্ম দেওয়াটাই আমার ভুল ছিল।”

এই কথাগুলো বলার সময় হয়তো বাবা-মায়ের উদ্দেশ্য থাকে সন্তানকে নিজের ভুলটা বোঝানো।

কিন্তু শিশুর মন সবসময় কথার উদ্দেশ্যটা বুঝতে পারে না।

সে শুধু ভাবতে শুরু করে—

“আমি কি সত্যিই খারাপ?”
“আমার জন্য কি মা-বাবা অসুখী?”
“আমি কি তাদের বোঝা?”
“আমি কি ভালো সন্তান হতে পারছি না?”

এভাবেই একটা ভুলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতে পারে নিজেকে খারাপ ভাবার অনুভূতি।

তাই ভুলের জন্য accountability শেখানো আর guilt তৈরি করা—এক জিনিস নয়।

সন্তান পড়াশোনা করেনি?

“তোর জন্য এত টাকা খরচ করছি”—এটা বলার বদলে বলা যায়,
“তুমি পড়াশোনাটা ঠিকমতো করোনি। এর ফলে কী হতে পারে, জানো? "

সন্তান ভুল করেছে?

“তুমি আমাকে হতাশ করেছ”—এর বদলে বলা যায়, “তোমার কাজটা ঠিক হয়নি। এবার কীভাবে সেটা ঠিক করা যায়, ভাবি।”

কারণ আমরা চাই না সন্তান শুধু ভয় পেয়ে আমাদের কথা শুনুক।

আমরা চাই সে বুঝুক—

কেন কিছু কাজ ঠিক, আর কেন কিছু কাজ ঠিক নয়।

আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—

সন্তানের কাছে নিজের ত্যাগের হিসাব তুলে ধরা আর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা এক নয়।
আপনি ক্লান্ত হতে পারেন।
আপনার কষ্ট হতে পারে।
আপনারও বিশ্রাম, সময় এবং নিজের জীবনের প্রয়োজন আছে।

সেটা সন্তানকে বলা যায়—

“আমি আজ খুব ক্লান্ত, তাই একটু সাহায্য করলে আমার ভালো লাগবে।”
এতে সন্তান দায়িত্ববোধ শিখবে।

কিন্তু—
“তোমার জন্যই আমার জীবন শেষ”—
এই কথাটা তাকে আপনার জীবনের কষ্টের জন্য দায়ী করে দিতে পারে।
আমাদের সন্তান আমাদের ত্যাগের ঋণ শোধ করার জন্য জন্মায়নি।

তবে তার কাজের জন্য তাকে দায়িত্বশীল হতে শেখানো অবশ্যই আমাদের দায়িত্ব।
তাই পরের বার রাগের মুহূর্তে একটু থামুন।

নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন—

“আমি কি ওকে ভুলটা বুঝতে সাহায্য করছি, নাকি ওকে নিজের কাছেই অপরাধী করে তুলছি?”

কারণ শিশুর ভুল শুধরে দেওয়া দরকার,
কিন্তু তার আত্মসম্মান ভেঙে দিয়ে নয়।
শাসন থাকুক। সীমারেখা থাকুক। নিয়ম থাকুক।
কিন্তু সেই সঙ্গে থাকুক নিরাপত্তা, কথা বলার জায়গা আর বোঝাপড়া।

Parenting মানে শুধু সন্তানকে শাসন করে নিজের মতো করে গড়ে তোলা নয়।

Parenting মানে এমন একটা নিরাপদ জায়গা তৈরি করা,
যেখানে সন্তান ভুল করেও বলতে পারে—
“মা, আমি ভুল করেছি।”
কারণ আমরা চাই না আমাদের সন্তান শুধু ভালো সন্তান হোক।

আমরা চাই সে একজন আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল এবং emotionally healthy মানুষ হয়ে উঠুক।

তাই guilt নয়—connection তৈরি করুন।
ভয় নয়—বোঝাপড়া তৈরি করুন। ❤️

Address

Belbari
Gangarampur
733124

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ujjwal Kids World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Ujjwal Kids World:

Shortcuts

Share

Category