21/05/2025
এরা প্রত্যেকেই হানাফি থেকে নাস্তিক হয়েছে। তার মধ্যে ইমরান বশিরকে নিয়ে আমার আগ্রহ বেশি ছিলো। কারন তিনি হচ্ছেন দেওবন্দ হানাফি। তার আরবি উচ্চারণ, পড়া সব উচ্চ মানের। তার নাস্তিকতার কারন কি?? এটা জানার আমার বেশি আগ্রহ ছিলো। তাই youtube এ তাকে ফ্লো দিয়ে রেখেছি। তার সব ভিডিও দেখে যা বুঝলাম তার নাস্তিকতার মূল কারন হচ্ছে যঈব হাদিস। কারন তিনি অনেক হাদিস পেশ করেছেন যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্রকে টিকানো যাইনা।
এই বিষয়গুলি তাকে সংশয়ে সন্দেহের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যা তিনি অন্যদের সামনে পেশ করে চমৎকারভাবে আরবি উচ্চারণ করে অন্যদেরকেও নাস্তিকতার দাওয়াত দিচ্ছেন। তার দাওয়াত সবচেয়ে বেশি কার্যকর হচ্ছে।
সুতরাং দেওবন্দের সেই উসুল জয়ীফ হাদিস বিশ্বাস যোগ্য। এটি নাস্তিকতা প্রবেশের চূড়া পথ। সুতরাং এখন আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কে সাবধান করুন!! সহি যঈব হাদিসের পার্থক্য শিখান। তা না হলে সেই হাদিস গুলি আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইমরান বশিরের মত নাস্তিকতাই প্রবেশ করিয়ে দিবে।
মনে সংশয় সৃষ্টি করে দিবে, আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি জয়ীফ হাদিস পড়ে আলেম পাস করে, সেই হাদিস মাথায় ইনপুট করে রেখে দেই। তাহলে যেকোনো নাস্তিক তাকে সহজে তাদের রাস্তায় কনভার্ট করে নিতে পারে। দেখো এই হাদিসে কি আছে?? এটা কি কোন মুসলিম করতে পারে??
মনে রাখবেন দেওবন্দের সিলেবাস হিন্দুদের আকীদায় বেষ্টিত হয়। ভারতে মসজিদ,মুসলিমদের প্রকাশ্য হত্যা করা হলেও কুরবানীর নিষিদ্ধ করা হলেও :ডক্টর জাকির নায়েকের মতো ব্যক্তিতে বিতাড়িত করা হলেও। ১০০ বছরে ভারত সরকার দেওবন্দ মাদ্রাসার একটা খুঁটির দিকেও হাত বাড়ায় নিই।
কারণ এই মাদ্রাসায় নাস্তিকতা ইনপুট করা হয় হাদিসের মাধ্যমে। তাদের কৌশল জয়ীফ হাদিস দিয়ে তাদের মস্তিষ্ক ভরিয়ে দাও। আর সহজে নাস্তিকতায় কনভার্ট করিয়ে নাও। একমাত্র জঈব হাদীস প্রতিষ্ঠাকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা হানাফী সম্প্রদায়।
দেখবেন এদের আমল সহীহ হাদিসের বিপক্ষে। কেউ সহি হাদিস আমল করলে তারা বলে এরা ইহুদি খ্রিস্টানদের দালাল।
সহি হাদিস দিলে নাস্তিকতার মত যুক্তি পেশ করে সেটাকে রদ করবে।
এদের ফতোয়া আছে কেউ সহি হাদিস আমল করলে তাকে হত্যা করা, তাদের মসজিদ ভাঙ্গা। সহি বুখারির দিকে যে নজর দিবে সে নাস্তিক হয়ে যাবে। এরকম অসংখ্য বিষয় তাদের মধ্যে ইনপুট করে রেখেছে ইহুদি খ্রিস্টানরা । আর এই গুলির সাহস তারা পাই যঈব হাদিসের মাধ্যমেই। মনে রাখবেন ডক্টর জাকির নায়েকের লেকচার শোনে যখন ভারতে অসংখ্য মুসলিম ইসলাম ধর্মের শিক্ষিত হচ্ছিল, ঠিক সেই সময়ে ভারতের দেওবন্দ থেকে ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল, তিনি ইহুদি খ্রিসটানদের দালাল। তিনি মুসলিম নয়। বিষয়টা খুবই হাস্যকর ছিলো। তখনও আপনেরা দেওবন্দের আসল রুপ চিনতে পারেন নাই। দেখবেন এদের ওয়াজে কিচ্ছা কাহিনী সাপ,ব্যাঙের গল্প শুনিয়ে মুসলিমদেরকে মূল ইসলাম থেকে সরিয়ে রাখা হয়। যা নাস্তিকতার প্রথম দাপ। কুরআন ও হাদিস নয়,মানুষদের রায় আর রুপকথার গল্প শুনিয়ে এরা প্রজন্মকে বড় করে।