রবীন্দ্র সঙ্গীতায়ন

রবীন্দ্র সঙ্গীতায়ন Rabindra Sangeetayan is a School of Recitation and Rabindra Sangeet. It’s guide people and children about Recitation and Rabindra Sangeet.

It’s running officially from November 2015.

06/12/2021

জয়িতা ঢোল,, রবীন্দ্র sangitayan এর ছাত্রী,,

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
18/06/2020

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বর্ধমানে ঘন্টাবাবার মন্দিরের স্নানঘাটে যেখানে মন্দিরের সিড়িগুলো শেষ হয়েছে জলাশয়ের স্ফটিক জলে সেইখানে বসে আ....

আমাদের রবীন্দ্রনাথ, আমাদের কবি, আমাদের একান্ত আমাদের সেই আমাদের কবির সমস্থ কিছু পেয়ে যাবেন আমাদের এই এপে।  সমাজের বিশিষ্...
17/05/2020

আমাদের রবীন্দ্রনাথ, আমাদের কবি, আমাদের একান্ত আমাদের সেই আমাদের কবির সমস্থ কিছু পেয়ে যাবেন আমাদের এই এপে। সমাজের বিশিষ্টজনের কাছে কবি কেমন সব কিছু পেয়ে যাবেন আমাদের এই এপে।

আজকের এই লকডাউনে সবাই গৃহবন্দী কিন্তু গুরুদেবের জন্মজয়ন্তী পালন করা থেকে তো বিরত থাকা যায় না তাই আমরা যে যার নিজেদের ব...
15/05/2020

আজকের এই লকডাউনে সবাই গৃহবন্দী কিন্তু গুরুদেবের জন্মজয়ন্তী পালন করা থেকে তো বিরত থাকা যায় না তাই আমরা যে যার নিজেদের বাড়ি থেকে গুরুদেবের প্রতি আমাদের ক্ষুদ্র নিবেদন... তবু মনে রেখো।

আজকের এই লকডাউনে সবাই গৃহবন্দী কিন্তু গুরুদেবের জন্মজয়ন্তী পালন করা থেকে তো বিরত থাকা যায় না তাই আমরা যে যার নি....

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে..
11/03/2020

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে..

ডাঃ বিধান চন্দ্র রায় স্মৃতি রক্ষা কমিটি আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সঙ্গীতায়নের ছাত্রীর সাফল্য।
26/07/2017

ডাঃ বিধান চন্দ্র রায় স্মৃতি রক্ষা কমিটি আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সঙ্গীতায়নের ছাত্রীর সাফল্য।

রবীন্দ্র সঙ্গীতায়নের ছাত্র ছাত্রীরা
25/06/2017

রবীন্দ্র সঙ্গীতায়নের ছাত্র ছাত্রীরা

10/06/2017

হঠাৎ নীরার জন্য-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

বাস স্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল
স্বপ্নে বহুক্ষণ
দেখেছি ছুরির মতো বিঁধে থাকতে সিন্ধুপারে–দিকচিহ্নহীন–
বাহান্ন তীর্থের মতো এক শরীর, হাওয়ার ভিতরে
তোমাকে দেখছি কাল স্বপ্নে, নীরা, ওষধি স্বপ্নের
নীল দুঃসময়ে।

দক্ষিণ সমুদ্রদ্বারে গিয়েছিলে কবে, কার সঙ্গে? তুমি
আজই কি ফিরেছো?
স্বপ্নের সমুদ্র সে কী ভয়ংকর, ঢেউহীন, শব্দহীন, যেন
তিনদিন পরেই আত্মঘাতী হবে, হারানো আঙটির মতো দূরে
তোমার দিগন্ত, দুই উরু ডুবে কোনো জুয়াড়ির সঙ্গিনীর মতো,
অথচ একলা ছিলে, ঘোরতর স্বপ্নের ভিতরে তুমি একা।

এক বছর ঘুমোবো না, স্বপ্নে দেখে কপালের ঘাম
ভোরে মুছে নিতে বড় মূর্খের মতন মনে হয়
বরং বিস্মৃতি ভালো, পোশাকের মধ্যে ঢেকে রাখা
নগ্ন শরীরের মতো লজ্জাহীন, আমি
এক বছর ঘুমোবো না, এক বছর স্বপ্নহীন জেগে
বাহান্ন তীর্থের মতো তোমার ও-শরীর ভ্রমণে
পুণ্যবান হবো।

বাসের জানালার পাশে তোমার সহাস্য মুখ, ‘আজ যাই,
বাড়িতে আসবেন!’

রৌদ্রের চিৎকারে সব শব্দ ডুবে গেল।
‘একটু দাঁড়াও’, কিংবা ‘চলো লাইব্রেরির মাঠে’, বুকের ভিতরে
কেউ এই কথা বলেছিল, আমি মনে পড়া চোখে
সহসা হাতঘড়ি দেখে লাফিয়ে উঠেছি, রাস্তা, বাস, ট্রাম, রিকশা, লোকজন
ডিগবাজির মতো পার হয়ে, যেন ওরাং উটাং, চার হাত-পায়ে ছুটে
পৌঁছে গেছি আফিসের লিফ্‌টের দরজায়।

বাস স্টপে তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ।।

10/06/2017

কেউ কথা রাখেনি-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনি
ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল
শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবে
তারপর কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা চলে গেলো, কিন্তু সেই বোষ্টুমী
আর এলোনা
পঁচিশ বছর প্রতিক্ষায় আছি।

মামা বাড়ির মাঝি নাদের আলী বলেছিল, বড় হও দাদাঠাকুর
তোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যাবো
সেখানে পদ্মফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর
খেলা করে!
নাদের আলী, আমি আর কত বড় হবো? আমার মাথা এ ঘরের ছাদ
ফুঁড়ে আকাশ স্পর্শ করলে তারপর তুমি আমায়
তিন প্রহরের বিল দেখাবে?

একটাও রয়্যাল গুলি কিনতে পারিনি কখনো
লাঠি-লজেন্স দেখিয়ে দেখিয়ে চুষেছে লস্করবাড়ির ছেলেরা
ভিখারীর মতন চৌধুরীদের গেটে দাঁড়িয়ে দেখেছি
ভিতরে রাস-উৎসব
অবিরল রঙের ধারার মধ্যে সুবর্ণ কঙ্কণ পরা ফর্সা রমণীরা
কত রকম আমোদে হেসেছে
আমার দিকে তারা ফিরেও চায়নি!
বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন, দেখিস, একদিন, আমরাও…
বাবা এখন অন্ধ, আমাদের দেখা হয়নি কিছুই
সেই রয়্যাল গুলি, সেই লাঠি-লজেন্স, সেই রাস-উৎসব
আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবেনা!

বুকের মধ্যে সুগন্ধি রুমাল রেখে বরুণা বলেছিল,
যেদিন আমায় সত্যিকারের ভালবাসবে
সেদিন আমার বুকেও এ-রকম আতরের গন্ধ হবে!
ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠেয়ে প্রাণ নিয়েছি
দূরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়
বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮টা নীল পদ্ম
তবু কথা রাখেনি বরুণা, এখন তার বুকে শুধুই মাংসের গন্ধ
এখনো সে যে-কোনো নারী।
কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটল, কেউ কথা রাখে না

10/06/2017

পাহাড় চূড়ায়

অনেকদিন থেকেই আমার একটা পাহাড় কেনার শখ। কিন্তু পাহাড় কে বিক্রি
করে তা জানি না। যদি তার দেখা পেতাম, দামের জন্য আটকাতো না। আমার
নিজস্ব একটা নদী আছে, সেটা দিয়ে দিতাম পাহাড়টার বদলে। কে না জানে
পাহাড়ের চেয়ে নদীর দামই বেশি। পাহাড় স্থানু, নদী বহমান। তবু আমি নদীর
বদলে পাহাড়ই কিনতাম। কারণ আমি ঠকতে চাই।

নদীটাও অবশ্য আমি কিনেছিলাম একটা দ্বীপের বদলে। ছেলেবেলায় আমার বেশ
ছোট্টোখাট্টো ছিমছাম একটা দ্বীপ ছিল। সেখানে অসংখ্য প্রজাপতি। শৈশবে
দ্বীপটি ছিল বড় প্রিয়।

আমার যৌবনে দ্বীপটি আমার কাছে মাপে ছোট লাগলো। প্রবহমান
ছিপছিপে তন্বী নদীটি বেশ পছন্দ হল আমার। বন্ধুরা বললো, ঐটুকু একটা
দ্বীপের বিনিময়ে এতবড় একটা নদী পেয়েছিস? খুব তো জিতেছিস মাইরি।
তখন জয়ের আনন্দে আমি বিহ্বল হতাম। তখন সত্যিই আমি ভালবাসতাম
নদীটিকে।
নদী আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিত। যেমন, বলো তো, আজ সন্ধেবেলা বৃষ্টি
হবে কিনা?
সে বলতো, আজ এখানে দক্ষিণ গরম হাওয়া। শুধু একটা ছোট্ট দ্বীপে বৃষ্টি, সে কী প্রবল বৃদ্ধি, যেন একটা উৎসব।
আমি সেই দ্বীপে আর যেতে পারি না। সে জানতো। সবাই জানে।
শৈশবে আর ফেরা যায় না।

এখন আমি একটা পাহাড় কিনতে চাই। সে ই পাহাড়ের পায়ের কাছে
থাকবে গহন অরণ্য, আমি সেই অরণ্য পার হয়ে যাবো, তারপর শুধু রুক্ষ কঠিন
পাহাড়। একেবারে চূড়ায়, মাথার খুব কাছে আকাশম নিচে বিপুলা পৃথিবী,
চরাচরে তীব্র নির্জনতা। আমার কষ্ঠস্বর সেখানে কেউ শুনতে পাবে না। আমি
ঈশ্বর মানি না, তিনি আমার মাথার কাছে ঝুঁকে দাঁড়াবেন না। আমি শুধু দশ
দিককে উদ্দেশ্য করে বলবো, প্রত্যেক মানুষই অহঙ্কারী, এখানে আমি
একা—এখানে আমার কোনো অহঙ্কার নেই। এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা
চাইতে ভালো লাগে। হে দশ দিক, আমি কোনো দোষ করিনি। আমাকে ক্ষমা
করো।

10/06/2017

মন ভালো নেই- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

মন ভালো নেই মন ভালো নেই মন ভালো নেই
কেউ তা বোঝে না সকলি গোপন মুখে ছায়া নেই
চোখ খোলা তবু চোখ বুজে আছি কেউ তা দেখেনি
প্রতিদিন কাটে দিন কেটে যায় আশায় আশায়
আশায় আশায় আশায় আশায়
এখন আমার ওষ্ঠে লাগে না কোনো প্রিয় স্বাদ
এমনকি নারী এমনকি নারী এমনকি নারী
এমনকি সুরা এমনকি ভাষা
মন ভালো নেই মন ভালো নেই মন ভালো নেই
বিকেল বেলায় একলা একলা পথে ঘুরে ঘুরে
একলা একলা পথে ঘুরে ঘুরে পথে ঘুরে ঘুরে
কিছুই খুঁজি না কোথাও যাই না কারুকে চাইনি
কিছুই খুঁজি না কোথাও যাই না
আমিও মানুষ আমার কী আছে অথবা কী ছিল
আমার কী আছে অথবা কী ছিল
ফুলের ভিতরে বীজের ভিতরে ঘুণের ভিতরে
যেমন আগুন আগুন আগুন আগুন আগুন
মন ভালো নেই মন ভালো নেই মন ভালো নেই
তবু দিন কাটে দিন কেটে যায় আশায় আশায়
আশায় আশায় আশায় আশায়

Address

Bankim Path, Dakhinayan
Durgapur
713201

Telephone

8918397307

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রবীন্দ্র সঙ্গীতায়ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to রবীন্দ্র সঙ্গীতায়ন:

Shortcuts

Share

Category