Fertilizer Higher Secondary School,Durgapur

Fertilizer Higher Secondary School,Durgapur Mail ID '[email protected] '

03/11/2016
ভ্রাতৃদ্বিতীয়া” বা “ভাইফোঁটা” উৎসব কেন করা হয় তার পিছনে অনেক পৌরাণিক ব্যাখ্যা বা কাহিনী রয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে, “কার...
01/11/2016

ভ্রাতৃদ্বিতীয়া” বা “ভাইফোঁটা” উৎসব কেন করা হয় তার পিছনে অনেক পৌরাণিক ব্যাখ্যা বা কাহিনী রয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে, “কার্তিক মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে যমুনাদেবী তাঁর ভাই যমরাজের মঙ্গল কামনায় আরাধনা করেন; যার পুণ্যপ্রভাবে যমদেব অমরত্ব লাভ করেন। বোন যমুনা দেবীর পুজার ফলে ভাই যমের এই অমরত্ব লাভের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান কালের বোনেরাও এই সংস্কার বা ধর্মাচার পালন করে আসছে।”

অপর একটি সূত্রে জানা যায় যে, “ একদা প্রবল পরাক্রমশালী বলির হাতে বিষ্ণু পাতালে বন্দি হন। দেবতারা পড়েছেন মহা বিপদে, কারন কোন মতেই তাঁরা নারায়ণকে বলির কবল থেকে বার করে আনতে পারছেন না। শেষ পর্যন্ত এগিয়ে এলেন স্বয়ং লক্ষ্মী। তিনি বলিকে ভাই হিসেবে স্বীকার করেন। সেই উপলক্ষে তাঁর কপালে তিলক এঁকে দেন। ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তখন স্বীকার করে বলি লক্ষ্মীকে উপহার দিতে চাইলে লক্ষ্মী চেয়ে নেন ভগবান বিষ্ণুকে। সেই থেকেই ভাইফোঁটা উৎসবের সূচনা”

এই সকল পৌরাণিক ব্যাখ্যা বা কাহিনি যাই থাকুক না কেন, বর্তমানে ভাইফোঁটা একটি সামাজিক উৎসব। এই উৎসবে এক দিকে যেমন পারিবারিক সম্পর্কগুলো আরও পোক্ত হয়; অন্য দিকে সূচিত হয় নারীদের সামাজিক সম্মান। তাই, ভাইফোঁটার ধর্মীয় গুরুত্ব অপেক্ষা সামাজিক ও পারিবারিক গুরুত্ব অনেক বেশী, যেখানে ভাই-বোনের মধ্যেকার প্রীতি ও ভালোবাসার স্বর্গীয় সম্পর্কটিই মূখ্য।

আমরা সামাজিক জীব। আমাদের সমাজ তৈরী হয় প্রথমে ঘর থেকে। মা-বাবা, ভাই-বোন দিয়ে যে পরিবার শুরু হয়, সেই পরিবারটিই সময়ের সাথে সাথে আত্মীয়তার বন্ধন বিস্তৃত করে, ঘর থেকে বেরিয়ে প্রতিবেশী, প্রতিবেশী পেরিয়ে পাড়া, গ্রাম ছাড়িয়ে একদিন সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে। আজ বাংলার যে নানা লোকাচার রয়েছে, যা দিয়ে বাঙালির সংস্কৃতিকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা যায়, তারই অনিবার্য অঙ্গ ভাইফোঁটা।

পরিশেষে “ভাইফোঁটা” উপলক্ষে পেজের সকল ভাই ও বোনদের প্রতি রইলো শুভকামনা। ভাইফোঁটা হোক সম্প্রীতির উৎসব৷

(সূত্র : সনাতন ভাবনা ও সংস্কৃতি)

দীপাবলি খুশির উৎসব,কিন্তু আনন্দের উচ্ছ্বাসে অনেক সময় অনেক রকম দুর্ঘটনা ঘটে যায়,একে নিরাপদ ও সুন্দর ভাবে পালন করুন......ন...
29/10/2016

দীপাবলি খুশির উৎসব,কিন্তু আনন্দের উচ্ছ্বাসে অনেক সময় অনেক রকম দুর্ঘটনা ঘটে যায়,একে নিরাপদ ও সুন্দর ভাবে পালন করুন......নিন্ম লিখিত সতর্কতা মেনে চলুন বন্ধুরা...

১) কোন ঘিঞ্জি বা অল্প পরিসর জায়গায় বাজি ফাটাবেন না,বড় কোন খোলা স্থানে একত্রিত হয়ে বাজি ফাটান,একে অপরের খেয়াল রাখুন।

২)বাচ্চাদের একা বাজি ফাটাতে দেবেন না,সঙ্গে থাকুন,নজরে রাখুন।

৩)হঠাৎ দুর্ঘটনার জন্য জলের ব্যবস্থা থাকুন।

৪)বাজি সরানোর সময় সতর্ক থাকুন,অনেক সময় না ফাটা বাজি থেকে বিপদ হতে পারে।

৫)পকেটে একসাথে অনেক বাজি,দেশলাই,লাইটার রাখবেন না।

৬)ঢিলে ঢালা ও সূতির পোশাক পড়ার চেষ্টা করুন।

৭)লাইটার বা দেশলাই দিয়ে সরাসরি বাজি জ্বালাবেন না,একটা বড় মোমবাতি বা প্রদীপ রাখুন জ্বালানোর জন্য।

৮) একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর বাজি ফাটানো বন্ধ করুন,নিজের আনন্দের সাথে আশেপাশের পরিবেশ ও মানুষজনের আনন্দের কথা ভুলে যাবেন না।

নিরাপদ থাকুন,আনন্দে উপভোগ করুন আলোর উৎসব।

অন্ধকার থেকে আলো আসুকদীপ্তি ছড়িয়ে পড়ুক অন্ধমনে,বস্তি অলি গলিসমৃদ্ধির আনন্দ ছুঁয়ে যাক ...রোশনার দীপাবলি ।সকলকে দীপাবলির অ...
29/10/2016

অন্ধকার থেকে আলো আসুক
দীপ্তি ছড়িয়ে পড়ুক অন্ধমনে,বস্তি অলি গলি
সমৃদ্ধির আনন্দ ছুঁয়ে যাক ...রোশনার দীপাবলি ।

সকলকে দীপাবলির অনেক শুভেচ্ছা।

29/10/2016

ভূত চতুর্দশী কি এবং কেন ?

বলা হয় এদিন মৃত প্রেতাত্মারা পৃথিবীতে আসেন। এটা হিন্দুদের "হ্যালুইন উৎসব" । বিদেশে হ্যালুইন উৎসব পালন করা হয় মিষ্টিকুমড়োর ওপরের অংশ কেটে সমস্ত
বের করে মিষ্টিকুমড়োর মধ্যে চোখ মুখ
আঁকিয়ে তার মধ্যে মোমবাতি জালিয়ে রাখা হয়।

মানা হয় এতে প্রেতাত্মারা খুশী হন। এছাড়া এদিন ভূতের সাজসজ্জা সেজে আনন্দ উৎসব করা হয়। হিন্দুদের উৎসব একেবারে অন্য নিয়মে। চৌদ্দ শাক খেয়ে দিনটি পবিত্র ভাবে পালন করে সন্ধ্যায়
মৃত পূর্বপুরুষ দের উদ্দ্যেশে সাতটি প্রদীপ
দেওয়া হয়। একে "যম প্রদীপ" বলে। বলা হয় এতে যমরাজ প্রসন্ন হয়ে মৃত ব্যাক্তির
আত্মাকে মুক্ত করেন । সমস্ত পৃথিবীর মানুষ দের মতো হিন্দুরাও বিশ্বাস করে এই দিনটি তে মৃত আত্মারা পৃথিবীতে নেমে আসেন। যাই হোক ভূত চতুর্দশীর একটি অন্য রকম অর্থ দাড়ায় । ভূত
চতুর্দশীর পর দিন দীপান্বিতা অমাবস্যা।
মহাশক্তি মা কালীর পূজার দিন । আমাদের এই দেহ পঞ্চভূতের সমষ্টি। আকাশ, ভূমি, জল, অনল, পবন
। দেহান্তে শ্মশানে দেহ দাহ হলে এই শরীর
পঞ্চভূতে বিলীন হয় । সুতরাং এই পঞ্চভূতের শরীর কে নশ্বর জ্ঞানে এই দিনটি পবিত্র ভাবে থেকে চৌদ্দ শাক ভক্ষণ করে, সন্ধ্যায় ধর্মরাজের নামে প্রদীপ উৎসর্গ করে পর দিবস মা কালীর উপাসনায় ব্রতী হবার শিক্ষে দেয়। তাই
এই দিন ভূত চতুর্দশী নামে খ্যাত । প্রেতাত্মার কথা বলতে এখানে দেহের নশ্বর মূর্তির কথাই তুলে ধরা হয়েছে ।

সনাতন ধর্ম বা ভারতীয় আন্চলিকতায় বিভীন্ন অশরীরি আত্মার কথা পাওয়া যায় তেমনী পুরাণ গুলোতে ভূত পিশাচ বেতাল ডাকিনী ইত্যাদি রকম নাম পাওয়া যায় । সকল পূজার পূর্বে ভূতের নামে পূজা দিয়ে তাদের তারাতে হয় নাহলে পূজায় বিঘ্ন ঘটে ।

ভূত কে বিস্বাস না করার কিছু নেই কারণ, সকল আত্মাই স্বর্গ বা নরকে যেতে পারে না । বিভীন্ন কারণে তারা পৃথিবীতে থেকে যায় । কেউ বা অতৃপ্ততার জন্য কেউবা অপঘাতে মৃত্যুর জন্য । ভূত যোনীতে থাকা আত্মারা পৃথিবীতে থেকেও নরক যন্ত্রনা ভোগ করে । যখন তারা এই পৃথিবীর মানুষদের সুখে থাকতে দেখে তখন তারা তাদের সুখকে বিঘ্ন ঘটাতে চায় ।

কিন্তু মনে রাখতে হবে টিভি সিনেমার ভূত আর বাস্তব ভূত একদম আলাদা । কারণ, ভূত কারো ক্ষতি করতে পারে না, মানুষ ভূত কে অনুভব করে নিজেদের মধ্যই একটা চিত্র তৈরী করে নেয় আর তার বর্ণনা দেয় । আপনাদের অবগতির জন্য বলতে হচ্ছে, পরমাণুর ১০লক্ষ ভাগের সমান একটি আত্মা সুতরাং তার কোন দেহ বা রুপ চর্মচক্ষুতে দেখা অসম্ভব ।

তাই অযথা ভূতের ভয় পাবেন না, ভূতের মত কিছু অনুভব করলে মন্ত্র জপ করুণ যেমন : দশমহাবিদ্যার নাম, গায়েত্রী, হরেকৃষ্ণ নাম ইত্যাদি জপ করলে মানসিক ভাবে সাহস পাবেন যে ভগবান আছে ।
তথ্যসূত্র : সনাতন শাস্ত্র

সকলকে জানাই দীপাবলির শুভেচ্ছা।

ধন ত্রিয়দশীতে বন্ধুদের শুভেচ্ছা....
28/10/2016

ধন ত্রিয়দশীতে বন্ধুদের শুভেচ্ছা....

একদিকে আনন্দ ,অন্য দিকে বিষাদের সুর নিয়ে শেষ হয়ে গেল পুজো......সব অশুভ শক্তির বিনাশ হোক,নতুন উদ্যম উৎসাহে শুরু হোক পথচলা...
11/10/2016

একদিকে আনন্দ ,অন্য দিকে বিষাদের সুর নিয়ে শেষ হয়ে গেল পুজো......সব অশুভ শক্তির বিনাশ হোক,নতুন উদ্যম উৎসাহে শুরু হোক পথচলা......সকলকে শুভ বিজয়া দশমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

Address

HFC COLONY
Durgapur
713212

Telephone

09830378203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fertilizer Higher Secondary School,Durgapur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Fertilizer Higher Secondary School,Durgapur:

Shortcuts

Share

Category