*সকল ভারতীয় মুসলিমদের কাছে আবেদন*
(১) জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate)
(২) স্কুল ত্যাগের শংসাপত্র (School Leaving Certificate)
(৩) আধার কার্ড
(৪) প্যান কার্ড
(৫) নির্বাচনী কার্ড (ভোটার আইডি)
(৬) রেশন কার্ড
(৭) পাসপোর্ট
(৮) ব্যাংক পাসবুক (যাদের কেওয়াইসি সম্পূর্ণ)
(৯) বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি।
*প্রত্যেক মুসলিম পুরুষ ও মহিলার কাছে এই সমস্ত নথি থাকতে হবে যাতে প্রতিটি নথিতে সঠিক জন্ম তারিখ এবং নামের সঠিক বানান থাকে।*
*এরপর, আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করুন যেমন*:
(১) নিকাহনামা (বিবাহের শংসাপত্র, Marriage Certificate)
(২) বাসস্থান শংসাপত্র (Domicile Certificate)
(৩) আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate)
(৪) অন্যান্য অনগ্রসর শংসাপত্র (OBC Certificate)
(৫) মৃত্যু শংসাপত্র (Death Certificate)
(আম্মি/আব্বা, দাদা/দাদী, নানা/ঠাকুমা ইত্যাদি যারা মারা গেছেন, যদি তাদের মৃত্যু শংসাপত্র তৈরি না করা হয় তবে তা তৈরি করুন)
(৬) বাড়ির নথিগুলিও পরীক্ষা করুন যেমন - ঘর পট্টি/সম্পত্তি কার্ড/নিবন্ধন ইত্যাদি এবং সেগুলিতে নাম সংশোধন করুন।
*বিঃদ্রঃ: বাড়ির সমস্ত পুরানো নথি নিরাপদে রাখুন*।
সমস্ত নথি নিরাপদে রাখুন এবং সেগুলি ল্যামিনেটেড করুন।
যদি আপনার সমস্ত নথি সঠিক হয় তবে আপনার বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ইত্যাদিকেও সাহায্য করুন, তাদের গাইড করুন। এবং যদি তারা দরিদ্র হয় তবে আপনার পক্ষ থেকে তাদের নথি তৈরি করতে তাদের সাহায্য করুন
(এটি সদকায়ে জারিয়া এবং সওয়াবের একটি কাজ)।
এই বার্তাটি প্রতিটি মুসলিম গ্রু পে শেয়ার করুন এবং এটি প্রতিটি ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিন।
Islamic Gyan and Shikha 1.0
ইসলামিক অজানাকে জানা, ও ইসলাম কে সারাবিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
বিষয়: কুরবানী
হযরত আইশাহ রা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, কোনও আদম সন্তানের কুরবানীর দিন রক্ত বাহানোর চেয়ে আল্লাহর নিকট বেশি প্রিয় আর কোনও আমলই হতে পারে না। কিয়ামতের দিন জবাই করা পশু তার শিং, পশম ও খুর নিয়ে উপস্থিত হবে। কুরবানীর রক্ত যমীনে পতিত হওয়ার পূর্বেই আল্লাহতায়ালার দরবারে এর সওয়ার পৌঁছে যায়। অতএব, তোমরা কুরবানীর মাধ্যমে খুশি ও পবিত্রতা অর্জন কর।
(তিরমিযী)
কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হল 'তায়া' বা 'আল্লাহভীতি'। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে: 'তাদের মাংস বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাওয়া তাঁর কাছে পৌঁছে।'
(সূরা হজ, আয়াত ৩৭)
অনলাইনে সময়ের অপচয়, পাপ থেকেও সতর্কতা প্রয়োজন
অনলাইনের নলাইনের সঠিক ব্যবহার। এহার জীবনকে সহজ, তথ্যবহুল ও উপকারী করে তুলছে। এর অপব্যবহার আবার ব্যক্তি ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে অনলাইনের অপব্যবহার লক্ষণীয় হারে বাড়ছে। নিত্যনতুন পাপের পথ আবিষ্কার হচ্ছে। হুমড়ি খেয়ে পাপের পথে ছুটে চলছে বেশির ভাগ মানুষ, বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অনলাইন ব্যবহার করা উচিত।
■ সময় ও অর্থ অপচয়
অনলাইনে সবচেয়ে বেশি হয় সময়ের অপচয়। সময়ের অপচয় মানেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। আমল থেকে বঞ্চিত হওয়া।
মহান আল্লাহ বলেন: 'সময়ের শপথ। মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত, কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে।' (সূরা আসর, আয়াত: ১-২)
অনলাইনে অনেক টাকা অনর্থক কাজে ব্যয় হয়। ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে হুলুস্থুল কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়। বিচার দিবসে এসব অনর্থক ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: 'পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছ থেকে আদম সন্তানের পা সরবে না। সেগুলোর অন্যতম হল- বনি আদমের সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, কোথা থেকে সে তা অর্জন করেছে আর কী কাজে সে তা ব্যয় করেছে?' (তিরমিজি, হাদিস: ২৪১৬)
■ সুপার এডিটের কারসাজি
ইসলাম মিথ্যা, অপবাদ ও মানুষের সম্মানহানিকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে কিংবা প্রতিশোধ নিতে কারও পিকচার সংগ্রহ করে সুপার এডিটের দ্বারা নগ্ন বানিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে প্রকাশ করা এবং মানুষকে দেখানো কবিরা গুনাহ। এডিটের দক্ষতা দেখাতে গিয়ে কারও ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানো, চরিত্র হনন করাও গুনাহের কাজ। কিয়ামতের দিন শরিয়তবিরোধী কাজকর্ম করার জন্য সেই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হবে।
■ ব্ল্যাকমেইল প্রবণতা বৃদ্ধি
মিডিয়ায় হ্যাকিং, ব্ল্যাকমেইলিং বা অন্য কোনও প্রতারণার খবর নিয়মিত শিরোনাম হচ্ছে। অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের প্রবণতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এক্ষেত্রে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারও গোপন তথ্যের পেছনে পড়া এবং স্ক্যান্ডাল ভিডিও ফাঁস করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
সাইবার আক্রমণ চালিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকিং করে ব্ল্যাকমেইল করার মাধ্যমে যেকোনো মানুষের সম্পদ আত্মসাত্ করা মহাপাপ। ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার অনেক ব্যক্তি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বেশির ভাগ সময় এতটাই হতাশাগ্রস্ত হয় যে তারা আত্মহত্যার মতো ভয়ংকর পথও বেছে নেয়। ব্ল্যাকমেইল করার আগে সাইবার যোদ্ধারা সাবধান।
আল্লাহ বলেন: 'যে বিষয়ে তোমার কোনও জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই কান, চক্ষু ও অন্তর- এসবের প্রতিটির জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।' (সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত: ৩৬)
■ অশ্লীলতার জয়জয়কার
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীলতা ছড়ানো যেন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ স্বেচ্ছায় এসব কনটেন্ট শেয়ার, লাইক ও কমেন্টের মাধ্যমে অশ্লীলতা প্রচারে সহযোগিতা করছে। অথচ এগুলো ইসলামে গুরুতর অপরাধ। তাদের জন্য কঠিন শাস্তি নির্ধারিত আছে। যারা আগে এসব কাজে লিপ্ত হয়েছে তাদের উচিত দ্রুত তাওবা করা, এসব কনটেন্ট ডিলেট করা এবং অশ্লীলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম ঘোষণা করা।
■ অশ্লীল কনটেন্ট বানানো
অশ্লীল ভিডিও কনটেন্ট কিংবা যৌন সুড়সুড়ি মূলক অশ্লীল কাব্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে ইনকাম করা সম্পূর্ণ হারাম। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অ্যাপের সাহায্যে কিছু পথভ্রষ্টা নারীর শরীর দেখিয়ে অর্থোপার্জন করছে। ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামে গ্রুপিং করে অবৈধ পথে ইনভায়েট করছে। এসব নোংরামি স্পষ্ট হারাম। এগুলো পতিতাবৃত্তির নবরূপ। ওদের খপ্পর থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য।
■ সব গুনাহ থেকে বাঁচুন
অনলাইনের সব পাপ এড়ানো আজকের যুগে চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখতে না চাইলেও অনেক অবৈধ কিছু সামনে চলে আসে। এখানে কে কতটা মুত্তাকি নিজেই ভালো বুঝতে পারে। কেউ যদি শয়তানের প্ররোচনায় অশ্লীল কিছু দেখে বা অজ্ঞতাবশত মন্দ কিছু করে, এতে অবশ্যই গুনাহগার হবে। পাপী ব্যক্তি যদি খালেস দিলে তাওবা করে এবং কারো কাছে গুনাহ প্রকাশ না করে আল্লাহতায়ালা ক্ষমা করে দেবেন।
Copy by:. কলম পত্রিকা (দ্বীন-দুনিয়া)
ফিতরা কী ও কেন আদায় করতে হয়...
বিশ্ব মুসলিমের এক বৃহৎ উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর রমযান মাস শেষে শাওয়ালের প্রথমদিন শুরু হয় এই বৃহৎ উৎসবের আয়োজন। ধনীদের পাশাপাশি দরিদ্ররাও যাতে সমানভাবে এই উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে ইসলামী শরীয়তে বিশেষ ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে। দরিদ্রদের ঈদের আনন্দে সমানভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য ইসলামে সামর্থ্যবানদের উপর ফিতরা ধার্য করা হয়েছে।
আমাদের মাঝে হাজির হতে যাচ্ছে পরিবত্র ঈদ-উল-ফিতর। ঈদের এই পূর্ব-মুহূর্তে ফিতরা সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক:
১. ফিতরা কী?
সামর্থ্যবান মুসলিমদের উপর প্রযোজ্য ফিতরা একটি আর্থিক ইবাদত। ঈদউল ফিতরের নামাযের পূর্বে দরিদ্র ও অভাবী লোকদের ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা প্রদানের লক্ষ্যে তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যবস্তু বা সমমূল্যের অর্থ প্রদান করাই হল ফিতরা।
২. কে ফিতরা দেবে?
ঈদের দিন যে ব্যক্তির কাছে তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য ও অর্থ থাকবে, তার উপরই ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। সেই ব্যক্তিকে তার এবং তার উপর নির্ভরশীল প্রতিটি ব্যক্তির জন্য ঈদের নামাযের পূর্বেই ফিতরা আদায় করে নিতে হবে।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার রা. বলেছেন: 'রাসুল সা. এক সা খেজুর বা যব প্রত্যেক (সামর্থ্যবান) মুসলমান যুবক এবং বৃদ্ধ, পুরুষ এবং নারী, স্বাধীন এবং দাসের উপর ফিতরা ধার্য করেছেন।' (বুখারী, মুসলিম)
৩. কেন ফিতরা দেওয়া হবে?
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেছেন: 'রাসূলুল্লাহ সা.-এর ফিতরা ধার্য করার পেছনে তাৎপর্য হল, রোযাদারদের রোযারত অবস্থায় অসার ও অযৌক্তিক কথা থেকে পবিত্র করা এবং দুস্থ ও অসহায়ের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করা। তাই কেউ যদি ঈদের নামাযের পূর্বেই তা আদায় করে, তবে তার এই দানকে ফিতরা হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কেই যদি এর থেকে দেরি করে এটি প্রদান করে, তবে এটি তার সাধারণ দান হবে।' (আবু দাউদ ও ইবনে মাযাহ)
সুতরাং, ফিতরার উদ্দেশ্য হল দুইটি-
ক. রমযানের রোযারত ব্যক্তির দ্বারা সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি থেকে তাকে পবিত্র করা।
খ. দুস্থ ও অসহায়দের ঈদকেও আনন্দে পরিপূর্ণ করা।
৪. ফিতরা দেওয়া কখন আবশ্যক?
কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, রমযানের শেষদিন সূর্যাস্তের সময় ফিতরা দেওয়া আবশ্যিক হয়ে পড়ে। অপর একটি মত অনুযায়ী, ঈদের দিন ফজরের পরপরই তা আদায় করা ওয়াজিব হয়ে পড়ে। এই প্রেক্ষিতে দুই ভিন্নমতের ভিত্তিতে দুইটি ভিন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যদি রমযানের শেষদিন সূর্যাস্তের পর কিন্তু ঈদের দিন ফজরের পূর্বে কোনও শিশুর জন্ম হয়, তবে প্রথম মত অনুসারে তার জন্য ফিতরা আদায় করতে হবে না। কেননা, ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার সময় সে জন্মগ্রহণ করেনি। অন্যদিকে, দ্বিতীয় মত অনুসারে শিশুটির উপর ফিতরা ওয়াজিব হবে; কেননা, সে ফিতরা আদায়ের মুহূর্তে উপস্থিত ছিল।
৫. ফিতরা কখন দেওয়া যাবে?
অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ একমত হয়েছেন, ঈদের একদিন বা দুইদিন পূর্বে ফিতরা আদায় করা যাবে। ইমাম শাফেয়ী রহ.-এর মতে, রমযানের প্রথমদিনই ফিতরা আদায় করা যাবে।
কিন্তু কোনওক্রমেই এটি ঈদের দিন পার হওয়ার মুহূর্ত পর্যন্ত দেরি করা যাবে না।
৬. ফিতরায় কি দেওয়া যাবে?
ফিতরার জন্য নির্ধারিত হল এক সা (প্রায় তিন কেজি পরিমাণ) গম, ময়দা, যব, খেজুর, কিসমিস, চাল বা অন্যান্য খাদ্যশস্য। অনেক বিশেষজ্ঞই অবশ্য এই পরিমাণ খাদ্যের সমমূল্যের অর্থ প্রদান করাকেও অনুমোদন করেছেন।
কলকাতার নাখোদা মসজিদের তরফ থেকে এই বছর জনপ্রতি ফিতরার জন্য বাজার মূল্য অনুসারে সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
৭. ফিতরা কাকে দেওয়া হবে?
যাকাত পাওয়ার উপযুক্ত অভাবী, দরিদ্র, দুস্থ ও সাহায্যপ্রার্থীরা ফিতরা গ্রহণ করতে পারবে। একদেশ থেকে অন্যদেশেও যাকাত ও অন্যান্য দান প্রেরণ করার সুযোগ রয়েছে যদি সেই দেশে দান নেওয়ার মতো কেউ না থাকে এবং অন্য কোনও দেশ যদি চরমভাবে বিপর্যস্ত থাকে অথবা অন্য কোন দেশে
দাতার কোন আত্মীয় বসবাস করে যারা তার দানের মুখাপেক্ষী।
Copy by- (কলম পত্রিকা- দ্বীন দুনিয়া)
19/03/2025
ঈদের কেনাকাটা করুন একটু সাবধানে,
একদিকে দেখতে দিয়ে মূল জিনিসটা যেনো আমরা ভুলে না যায়।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন একজন ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতা এবং ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক, যিনি আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তিনি ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় ইন্তেকাল করেন।
গীবত করা:
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন:. একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোস্ত খেতে পছন্দ করবে?
আল-হুজুরাত, আয়াত: ১২
দিন শেষে আযানের মধুর ধ্বনিতে
এক গ্লাস পানিই বলে
দেয় ইসলাম কতটা শান্তির 💝🥀
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Momrejpur, P. S/Farakka
Dhulian
742202