26/06/2025
The Children's Academy পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুমনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশে সদা সচেষ্ট। সেই কারণে ফেসবুকের এই পেজে আমরা স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, তার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আর ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশিত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ছবি বা ভিডিও আপলোড করি। কিন্তু একরকম বাধ্য হয়েই আজ অন্য একটি বিষয়ের অবতারণা করছি।
চলতি সপ্তাহে একজন অভিভাবিকার ফেসবুক পেজ থেকে এই স্কুলের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ করা হয় আর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হল বিষয়টির সত্যাসত্য যাচাই না করেই কিছু মানুষ তা শেয়ার করে দেওয়ায় অনেকের মনেই কিছু ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে আলোকপাত করার জন্যই আজকের এই পোস্ট।
বিষয়টি হল KG I এর দুজন ছাত্রীর মধ্যে একজন অপর জনের মুখে আঁচড়ে দেয় ফলে বাচ্চাটির মুখে কিছু জায়গায় ছড়ে যায়। ক্লাসে উপস্থিত শিক্ষিকাদের নজরে বিষয়টি আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাচ্চাটিকে ফার্স্ট এইড দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার বুস্টার ডোজ দেওয়া থাকে তাই অভিভাবককে জিজ্ঞাসা না করে অ্যান্টি টিটেনাস ইংজেকশন দেওয়া যায় না, তাই দেওয়া হয়নি। এর অব্যবহিত পরেই ছুটির সময় তার মাকে বিষয়টি জানানো হয়। একটি K.G.I এর বাচ্চাকে এ ব্যাপারে শাস্তি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না তাই যে বাচ্চাটি আঁচড় দিয়েছে তার মাকে ডেকে অভিযোগ জানানো হয়, এরকম ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
এরপর আমরা জানতে পারি বিষয়টিকে স্কুল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার উদাহরণ হিসেবে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সবথেকে বড় কথা বাচ্চাটির মুখের বিভিন্ন স্থানে বেটাডাইন লাগানো অবস্থায় ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে। ছবিতে বেটাডাইনের লাল রং দেখে যতটা রক্তাক্ত মনে হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে সেরকম হয়নি। হয়তো পোস্টটিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহানুভূতি অর্জন করার জন্যই এই অতিরঞ্জিত ছবি পোস্ট করা হয়েছে এবং কিছু মানুষ হয়তো সহানুভূতিশীল হয়েই পোস্টটি শেয়ার করেছেন। এখন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন নাগরিক ও সত্যমিথ্যা যাচাই না করেই পোস্ট শেয়ার করা ব্যক্তিদের কাছে আমার প্রশ্ন মানুষের বিশেষত একটা ৪বছরের বাচ্চার আঁচড়ে এভাবে রক্তাক্ত হওয়া কি সম্ভব?
গত আটত্রিশ বছর ধরে ধামুয়ায় সততা ও সুনামের সঙ্গে পঠন-পাঠন চালিয়ে আসছে The Children's Academy. সদ্য বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমেও পঠন-পাঠন শুরু করেছে স্কুল। স্কুলের এই উত্তরোত্তর সাফল্য ও শ্রী বৃদ্ধির কারণে হয়তো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্কুলকে কালিমা লিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাঁরা এটা করছেন তাঁরা তাঁদের কাজ করুন আমরা গত ৩৮ বছর ধরে যেভাবে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পঠন পাঠন চালাচ্ছি সেভাবেই চালিয়ে যাব। সময় প্রমাণ করেছে The Children's Academy ধামুয়া অঞ্চলের প্রথম সারির স্কুল, আগামী দিনেও আমাদের কাজের মাধ্যমে স্কুলের সেই সুনাম বজায় রাখতে পারব আশা রাখি।