17/02/2018
শুভ জন্মতিথি। প্রনাম।
Ramakrishna Mission Darjeeling, Roy Villa, West Bengal , Ramakrishna Mission Nivedita Educational an
17/02/2018
শুভ জন্মতিথি। প্রনাম।
15/12/2017
রামকৃষ্ণ-সঙ্ঘের ত্রয়োদশ অধ্যক্ষ রঙ্গনাথানন্দজী মহারাজ ১৯০৮ সালের ১৫ডিসেম্বর কেরালা রাজ্যের ছোট একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ৷ পূর্বাশ্রমের নাম ছিল শঙ্করন্ ৷
রামকৃষ্ণ মিশনে যোগ দেবার পর তাঁর কাজ ছিল আশ্রমে রান্না করা ৷ রান্নাঘরে কয়লার উনুনে রাঁধতেন ৷ উনুনের পাশে বসে স্বামী বিবেকানন্দের বই পড়তেন ৷
একবার স্বামী শিবানন্দজী মহারাজ বেলুড় থেকে আসেন কেরালার আশ্রমে ৷ কেরালা রাজ্যে কফি খাওয়ার চল বেশী, কিন্তু শিবানন্দজী চা খেতে অভ্যস্ত ৷ তরুন ব্রহ্মচারী শঙ্করন্ নিজেই চা তৈরী করে নিয়ে এলেন ৷ মনে একটু দ্বিধাবোধ ছিল ৷ চা ঠিকমতো তৈরী হয়েছে কিনা ৷ কিন্তু শিবানন্দজী খু-উ-ব খুশি হলেন ৷
এত খুশী যে ব্রহ্মচারীকে বর দিতে চাইলেন ঃ বল্ কি বর চাস্ ৷ যা চাইবি তা-ই দেবো ৷
ব্রহ্মচারী শঙ্করন্ হাতজোড় করে বললেন ঃ মহারাজ, আমি যেন দেশের কোনে-কোনে ঠাকুর-স্বামীজীর বাণী নিয়ে যেতে পারি মানুষের কাছে ৷
শিবানন্দজী মহারাজ চা খেয়ে এতো খুশী হয়েছিলেন যে সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন ঃ আজ থেকে তোর জিভে মা সরস্বতী প্রতিষ্ঠিত হলেন ; শুধু দেশে নয়, বিদেশেও কোণে-কোণে তুই ঠাকুর-স্বামীজীর বাণী প্রচার করবি ৷
২৫ বছর বয়সে স্বামী শিবানন্দজীর কাছে সন্ন্যাস পেয়ে শঙ্করনের নাম হলো স্বামী রঙ্গনাথানন্দ ৷ সেদিন ছিল স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথি ৷ রেঙ্গুন ও করাচি আশ্রমের পর দিল্লী আশ্রমের অধ্যক্ষ ছিলেন দীর্ঘ ১৩ বছর (১৯৪৯-৬২ ) ৷
সেই সময়ে ৫০ টি দেশে গিয়েছিলেন বক্তৃতা দেবার জন্য ৷১৯৬২ থেকে ৬৭পর্যন্ত অধ্যক্ষ ছিলেন কলকাতায় ইন্স্টিটিউট অব্ কালচারের (গোলপার্ক) ৷ এরপর ১৯৭৩ থেকে ৯৩ পর্যন্ত ছিলেন হায়দ্রাবাদ আশ্রমের অধ্যক্ষ ৷ ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত রামকৃষ্ণ মঠ-মিশনের সঙ্ঘগুরু ছিলেন ৷পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে তিনি বক্তৃতা করতে যাননি ৷এত বেশী আমন্ত্রন আসতো যে ৮-৯ টা দেশের প্রোগ্রাম সম্মিলিতভাবে (একের পর এক) করতে হতো ৷
শুভ জন্মদিনে মহারাজজীর শ্রীচরণে সশ্রদ্ধ বিনম্র
প্রণাম জানাই ৷
ধর্মের জন্য প্রকৃত ব্যাকুলতা বড় কঠিন জিনিস ; আমরা সচরাচর যত সহজ মনে করি, উহা তত সহজ নয়। শুধু ধর্মকথা শুনিলে ও ধর্মপুস্তক পড়িলেই যথেষ্ঠভাবে প্রমাণিত হয় না যে, হৃদয়ে ধর্মপিপাসা প্রবল হইয়াছে। যতদিন না প্রাণে ব্যাকুলতা জাগরিত হয় এবং যতদিন না আমরা প্রবৃত্তির উপর জয়লাভ করিতে পারি, ততদিন সদাসর্বদা অভ্যাস ও আমাদের পাশব প্রকৃতির সহিত নিরন্তর সংগ্রাম আবশ্যক। উহা দু-এক দিনের কর্ম নয়, কয়েক বৎসর বা দু-এক জন্মেরও কর্ম নয় ; শত শত জন্ম ধরিয়া এই সংগ্রাম চলিতে পারে।
- স্বামী বিবেকানন্দ
"Never mind failures, these little backslidings; hold the ideal a thousand times, and if you fail a thousand times, make the attempt once more."
--- Swami Vivekananda
*- : আমার ভারত অমর ভারত : -*
*"নমঃ শ্রীযতিরাজায় বিবেকানন্দ সুরয়ে।* *সচ্চিৎসুখস্বরূপায় স্বামিনে তাপহারিণে।।"*
।।ঔঁ।।
ক্ষত্রিয়-শাসন বড়ই নিষ্ঠুর ও অত্যাচারপূর্ণ ; কিন্তু ক্ষত্রিয়রা এতটা অনুদার নন। এ-যুগে শিল্পের ও সামাজিক কৃষ্টির (Culture) চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়ে থাকে।
তারপর বৈশ্য-শাসন যুগ। এর ভেতরে শরীর-নিষ্পেষণ ও রক্তশোষণকারী ক্ষমতা, অথচ বাইরে প্রশান্তভাব - বড়ই ভয়াবহ। এ-যুগের সুবিধা এই যে, ব্যবসায়ীরা সর্বত্র যাতায়াত করে বলে আগের দুই যুগের পুঞ্জীভূত ভাবরাশি চারদিকে বিস্তৃতি লাভ করে।
বৈশ্যযুগ ক্ষত্রিয়যুগের চেয়েও উদার - কিন্তু এই সময় কৃষ্টির অবনতি শুরু হয়।
সবশেষে শূদ্র-শাসন যুগের আবির্ভাব হবে। এ-যুগের সুবিধা হবে - এ-সময়ে শারীরিক সুখস্বাচ্ছন্দ্যের বিস্তার হবে। কিন্তু অসুবিধা এই যে, হয়তো সংস্কৃতির অবনতি হবে ; সাধারণ শিক্ষার খুব প্রসার হবে ; কিন্তু অসাধারণ প্রতিভা ক্রমেই কমে আসবে।...
তবুও প্রথম তিনটির পালা শেষ হয়েছে - এবার শেষটির সময়। শূদ্রযুগ আসবেই আসবে - এ কেউ রোধ করতে পারবে না।
এমন সময় আসবে, যখন শূদ্ররা তাদের শূদ্রসুলভ বৈশিষ্ট্যগুলো সঙ্গে নিয়েই প্রাধান্য লাভ করবে। অর্থাৎ বৈশ্য ও ক্ষত্রিয়ের বৈশিষ্ট্যগুলো আয়ত্ত করে শূদ্রজাতি যেমন প্রধান হয়ে উঠছে সেরকম নয়...শূদ্র-প্রকৃতি এবং আচার-ব্যবহার সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে সবদেশের শূদ্ররাই সমাজে একাধিপত্য লাভ করবে।
তারই পূর্বাভাষ পাশ্চাত্য-জগতে ধীরে ধীরে দেখা যাচ্ছে এবং সকলেই তার ফলাফল ভেবে আকুল। সোশ্যালিজম, এনার্কিজম, নিহিলিজম প্রভৃতি সম্প্রদায় এই বিপ্লবের অগ্রগামী ধ্বজা।
হ্যাঁ, পৃথিবীর শূদ্রদের অভ্যুত্থান ঘটবে। সামাজিক গতিশীলতার নির্দেশই এই, সেই হল শিবম্।
নতুন পৃথিবী গঠনের জন্য সমগ্র প্রাচ্যভূমিতে নবজাগরণ ঘটবে, আজ দিবালোকের মতো তা স্পষ্ট। চেয়ে দেখো, চীনের ভবিষ্যৎ মহান অভ্যুত্থান এবং তার অনুসরণে সমগ্র এশিয়ার দেশসমূহের জাগরণ।...
*"ওঁ পরতত্ত্বে সদালীনো রামকৃষ্ণ সমাজ্ঞয়া।*
*যো ধর্মস্থাপনরতো বীরেশং তং নমাম্যহম্।।"*
স্বামীজীর অনুগত বাঘা
********************
বরানগর থেকে স্বামীজীর জন্য পানীয় কলের জল আনতে হরিপদ মহারাজ যেতেন। স্বামীজীর প্রিয় কুকুর বাঘা একদিন পূজোর জল নষ্ট করে দেওয়াতে স্বামীজী হরিপদ মহারাজকে আদেশ দিলেন, " বাঘাকে মঠ থেকে তাড়িয়ে দাও।" ওপারে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেবার হুকুম। তথাস্তু। কিছুক্ষণ পরে সেইদিনই খেয়া নৌকার উপর সহসা বাঘা এসে জমিয়ে বসল। মাঝিরা তাকে মঠের কুকুর বলে চিনত। তারা নির্বিবাদে তাকে পার করে দিলে। বাঘা নাচতে নাচতে স্বামীজীর কাছে গিয়ে হাজির। তিনি তো দেখেই চটে লাল। হরিপদ মহারাজের ডাক পড়ল। সত্যি তাকে ওপারে বিদায় করা হয়েছিল কিনা জানলেন। মাঝিদের সাহায্যে সে ফিরে এসেছে তাও জানলেন। আবার আজ্ঞা দিলেন, ফের ঐভাবে ওপারে দিয়ে আসতে। বললেন, মাঝিদেরও যেন সঙ্গে সঙ্গে বলে দেওয়া হয়, তাকে ফিরিয়ে আনতে নিষেধ আছে।
বাঘা কিন্তু নাছোড়বান্দা। দ্বিতীয়বার একপ্রকার জোর করেই সে নৌকায় চেপে জমি নিলে। কিছুতেই নামবে না। লাঠির ভয়েও দমল না। ঘেউ ঘেউ করতে লাগল। মাঝি বেচারিরা আর কি করবে ! ফের নাচতে নাচতে বাঘা মঠে উপস্থিত। স্বামীজী দেখে হেসে ফেললেন। জিজ্ঞাসা করলেন, " এবার কি ব্যাপার ?" শেষে বললেন, " আর তাড়াতে হবে না, যা !"
একদিন অন্ধকারে স্বামীজী বাঘার ওপর পা দিয়েছিলেন। বুঝতে পারেননি। বললেন, " একটা বালিশ না কি পড়ে আছে দেখ তো।" আশ্চর্য, বাঘা ওঁকে কিছুই বলেনি অন্যলোক ওরূপ করলে নির্ঘাত কামড়াত। খোকা মহারাজ এক রাত্তিরে বাঘাকে মেরেছিলেন। সেকথা স্বামীজীকে জানাবার জন্য বাঘা পরদিন ভোরেই ঠাকুরঘরের সিঁড়ি দিয়ে উঠে সটান স্বামীজীর কাছে উপস্থিত। স্বামীজীর পা ধরে আঁচড়-কামড় করতে লাগল। উনি তখন খোঁজ নিলেন কি ব্যাপার। খোকা মহারাজ বৃত্তান্ত বললেন।
গ্রহণের দিন বাঘা গ্রহণ লাগার অল্প পরেই গঙ্গাস্নান করত। তারপর গ্রহণ ছাড়তে সকলের আগে মুক্তি স্নান করে নিত। যত সাহেব-সুবো মঠে আসত, বাঘাই তাদের অগ্রগামী হয়ে স্বামীজীর কাছে নিয়ে আসত। তখন গেস্ট হাউজ হয়নি। সাহেবরা ক্যাম্প ফেলে থাকত। বাঘাই ছিল তাদের দিনরাতের পাহারাদার। মারা যাবার পর তার শরীর গঙ্গায় ভেসে গিয়েছিল। পরে দেখা গেল ভাঁটার টানে আবার মঠের ঘাটের কাছে ফিরে এসেছে। তখন মঠের ধারে গঙ্গাতীরে তাকে সমাধি দেওয়া হলো।
স্মৃতির আলোয় স্বামীজী -- নরেশচন্দ্র ঘোষ
: আমার ভারত অমর ভারত :
*"নমঃ শ্রীযতিরাজায় বিবেকানন্দ সুরয়ে। *সচ্চিৎসুখস্বরূপায় স্বামিনে তাপহারিণে।।
।।ঔঁ।।
আমি এই দেশে অনাহারে বা শীতে মরতে পারি; কিন্তু... আমি তোমাদের কাছে গরিব, অজ্ঞ, অত্যাচার-পীড়িতদের জন্য এই সহানুভূতি এই প্রাণপণ চেষ্টা - দায়স্বরূপ অর্পণ করছি।
যাও, এই মুহূর্তে সেই পার্থসারথির মন্দিরে - যিনি গোকুলের দীনদরিদ্র গোপদের সখা ছিলেন, যিনি গুহক চন্ডালকে আলিঙ্গন করতে সঙ্কুচিত হননি, যিনি তাঁর বুদ্ধ-অবতারে রাজপুরুষদের আমন্ত্রণ অগ্রাহ্য করে এক বেশ্যার নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে তাকে উদ্ধার করেছিলেন;
যাও তাঁর কাছে গিয়ে সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত করো ; তাঁর কাছে এক মহাবলি প্রদান করো। বলি - অর্থাৎ জীবন-বলি।
জীবন-বলি তাদের জন্য যাদের জন্য তিনি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকেন, যাদের তিনি সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন ; সেই দীন দরিদ্র পতিত উৎপীড়িতদের জন্য জীবন-বলি।
তোমরা সারাজীবন এই ত্রিশ কোটি (বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা প্রায় একশো কুড়ি কোটি) ভারতবাসীর উদ্ধারের জন্য ব্রত গ্রহণ করো, যারা দিন-দিন ডুবছে।...
আমরা ধনী বা বড়লোককে গ্রাহ্য করি না। আমরা হৃদয়শূন্য মস্তিষ্কসার ব্যক্তিদের ও তাদের নিস্তেজ সংবাদপত্রের প্রবন্ধগুলিও গ্রাহ্য করি না।
বিশ্বাস, বিশ্বাস, সহানুভূতি, অগ্নিময় বিশ্বাস, অগ্নিময় সহানুভূতি। জয় প্রভু, জয় প্রভু। তুচ্ছ জীবন, তুচ্ছ মরণ, তুচ্ছ ক্ষুধা, তুচ্ছ শীত। জয় প্রভু! অগ্রসর হও, প্রভু আমাদের নেতা।
পেছনে তাকিও না। কে পড়ল দেখতে যেও না। এগিয়ে যাও, সম্মুখে, সম্মুখে। এই-ভাবেই আমরা অগ্রসর হব - একজন পড়বে, আর একজন তার স্থান দখল করবে।
মূল রহস্য ত্যাগ ও সেবা
আমাদের পদ্ধতিটি খুব সহজেই বর্ণনা করা যায়। তা আর কিছুই নয় - জাতির জীবনাদর্শকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। বুদ্ধ ত্যাগ প্রচার করলেন, ভারতবর্ষ কান পেতে তা শুনল এবং ছয় শতাব্দীর মধ্যেই সে তার গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করল।
এই হল গিয়ে রহস্য। ত্যাগ এবং সেবাই ভারতের জাতীয় আদর্শ - ঐ দুটি বিষয়ে তাকে উন্নত করো, তাহলে অবশিষ্ট যা কিছু আপনা-আপনিই হবে।
"ওঁ পরতত্ত্বে সদালীনো রামকৃষ্ণ সমাজ্ঞয়া।
যো ধর্মস্থাপনরতো বীরেশং তং নমাম্যহম্।।"
07/06/2016
Honorable governor Keshari Nath Tripathi visited our Centre on 6th June, 2016.
Visit - http://rkmdarjeeling.org/news.html
07/06/2016
07/06/2016
18/05/2016
View Morning of Roy Villa Darjeeling:
https://www.youtube.com/watch?v=k85NDvyuDBA
Morning Circumstances of Roy Villa Darjeeling Beautiful Morning
21/03/2016
Disaster Relief Survey