EduCanteen

EduCanteen Connecting People & Nurturing Ideas
Library || Study Room || Practical Lab

17/01/2026

থাঙ্কামনি কুটি (Thankamani Kutty)
ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের এক উজ্জ্বল নাম
থাঙ্কামনি কুটি একজন প্রখ্যাত ভরতনাট্যম ও মোহিনীঅট্টম নৃত্যশিল্পী, গুরু ও কোরিওগ্রাফার। কেরলে জন্ম হলেও তাঁর কর্মজীবনের বৃহৎ অংশ জুড়ে রয়েছে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গ। দক্ষিণ ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যকে বাংলার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
১৯৬৮ সালে স্বামী, বিশিষ্ট কাথাকলি শিল্পী গোবিন্দন কুটি-র সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন কলামন্দলম কলকাতা (Kalamandalam Calcutta)—যা আজ পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাস্ত্রীয় নৃত্যকেন্দ্র। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ভরতনাট্যম, মোহিনীঅট্টম ও অন্যান্য কেরালার নৃত্যরীতিতে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
থাঙ্কামনি কুটির নৃত্যশৈলীর বিশেষত্ব হল—
✨ শাস্ত্রীয় শুদ্ধতা বজায় রাখা
✨ আবেগপূর্ণ অভিনয় (অভিনয় বা অভিনয় অংশ)
✨ গুরু-শিষ্য পরম্পরার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
তিনি শুধু একজন মঞ্চশিল্পী নন, বরং একজন নিবেদিত শিক্ষিকা, যাঁর ছাত্রছাত্রীরা আজ ভারত ও বিদেশে নৃত্যশিক্ষক ও শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংস্কৃতিতে আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি অমৃত পুরস্কার—যা দেশের প্রবীণ ও কৃতী শিল্পীদের জন্য একটি বিশেষ সম্মান।
থাঙ্কামনি কুটি প্রমাণ করেছেন—নৃত্য শুধু শিল্প নয়, নৃত্য একটি সাধনা, একটি জীবনদর্শন।







12/01/2026

কেরালার ডাঃ ভি. এস. প্রিয়া হলেন ভারতের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার(তৃতীয় লিঙ্গ) ডাক্তার হলেন — এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা এবং LGBTQ+ সম্প্রদায়ের গর্ব। 🌈

ত্রিশুরে জিনু শশিধরন নামে জন্ম নেওয়া প্রিয়া ছোটবেলা থেকেই চিকিৎসা জগতে নিজের জায়গা তৈরি করার স্বপ্ন দেখতেন। চিকিৎসাবিদ্যায় পড়াশোনা শেষ করে তিনি BAMS ডিগ্রি অর্জন কোরলেন ।।

তিনি শুধু একজন চিকিৎসকই নন — সাহস, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। পারিবারিক সমর্থন এবং নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে সমাজের নানা বাধা অতিক্রম করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে স্বপ্ন এবং পরিচয় দুটোই একসাথে বাঁচানো যায়।

আজ ডাঃ প্রিয়া চিকিৎসা জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং ট্রান্সজেন্ডার অধিকারের এক জোরালো কণ্ঠস্বর। সমাজ তাঁকে স্বীকৃতি দিয়েছে একজন পথিকৃৎ, রোল মডেল এবং মানবতার অনন্য প্রতিনিধি হিসেবে। অনেক #অভিনন্দন_ভালোবাসা_CONGRATULATION 🌟

07/01/2026

🌸 ভাগরিয়া উৎসব (Bhagoria Festival) 🌸
ভারতের লোকজ ও আদিবাসী সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন হলো ভাগরিয়া উৎসব। এই উৎসব মূলত মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাটের ভিল (Bhil) আদিবাসী সমাজের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বসন্ত ঋতুর আগমনে, ফসল কাটার আনন্দকে ঘিরে ফাল্গুন মাসে এই উৎসব পালিত হয়।
ভাগরিয়া উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর রঙিন হাট ও লোকজ মেলা। ঢোল, মাদল আর বাঁশির তালে তালে শুরু হয় নাচ-গান। নারী-পুরুষ সবাই রঙিন পোশাকে সেজে ওঠে, মুখে ও পোশাকে লাগানো হয় আবির। এই উৎসব কেবল আনন্দের নয়, বরং ভালোবাসা ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার এক বিশেষ উপলক্ষ। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময় তরুণ-তরুণীরা নিজেদের পছন্দের সঙ্গী বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়—যা আদিবাসী সমাজের সামাজিক স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।
ভাগরিয়া উৎসব আসলে প্রকৃতি, মানবজীবন ও সমাজের মিলনের প্রতীক। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ভারতের আসল পরিচয় লুকিয়ে আছে তার গ্রাম, আদিবাসী জীবন ও লোকসংস্কৃতির গভীরে।
✨ লোকজ সংস্কৃতির এই রঙিন উৎসব আমাদের ঐতিহ্যের অমূল্য সম্পদ ✨
#ভাগরিয়া_উৎসব

#লোকসংস্কৃতি
#আদিবাসী_ঐতিহ্য
#ভারতের_উৎসব

04/01/2026

📚📚 দেব সাহিত্য কুটির : বাংলা প্রকাশনার এক ঐতিহ্যবাহী পথচলা
১৮৬০ সাল—বাংলা প্রকাশনা জগতের ইতিহাসে এক স্মরণীয় সূচনা। এই বছরেই কলকাতায় বরদাপ্রসাদ মজুমদার বই বিক্রি ও প্রকাশনার কাজ শুরু করেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠে যে বীজ, তা-ই পরবর্তী কালে পরিণত হয় দেব সাহিত্য কুটির নামে এক ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনায়।
পরবর্তীকালে তাঁর পুত্র আশুতোষ দেব (A. T. Deb) এই উদ্যোগকে সুসংগঠিত রূপ দেন এবং প্রকাশনাটিকে বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যান। ধীরে ধীরে দেব সাহিত্য কুটির হয়ে ওঠে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক নির্ভরযোগ্য ঠিকানা।
বাংলা সাহিত্যের দুটি ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা শুকতারা এবং নবকল্লোল এই দেব সাহিত্য কুটীর থেকেই প্রকাশিত। নারায়ণ দেবনাথের বাঁটুল, হাঁদা ভোঁদার মতো কালজয়ী কমিক্স প্রথম প্রকাশিত হয় শুকতারা পত্রিকায়। বাংলার সাহিত্যের বিভিন্ন কালজয়ী লেখকরা যুক্ত ছিলেন এই দুটি পত্রিকার সঙ্গে।
শিশু সাহিত্য থেকে শুরু করে পাঠ্যবই, অভিধান, ধর্মীয় গ্রন্থ, মনীষীদের রচনা—বাংলা পাঠকের হাতে জ্ঞানের আলো পৌঁছে দিতে এই প্রকাশনা কয়েক প্রজন্ম ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
দেব সাহিত্য কুটির শুধু একটি প্রকাশনা সংস্থা নয়, এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক—যার পথচলা আজও অবিচল, ঐতিহ্যের গৌরবে উজ্জ্বল।
✍️ ১৮৬০ থেকে আজ পর্যন্ত—জ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির নিরন্তর সঙ্গী।
#দেবসাহিত্যকুটির

#বাংলাসাহিত্য
#বাংলাপ্রকাশনা
#বাংলারঐতিহ্য



21/12/2025

অরুন্ধতী রায়—সমকালীন ভারতীয় সাহিত্য ও চিন্তাজগতের এক সাহসী, স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর। ১৯৬১ সালে মেঘালয়ের শিলংয়ে তাঁর জন্ম। শৈশব কাটে কেরালার আইমানামে, যে জায়গার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব পরে তাঁর লেখায় গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। দিল্লির স্কুল অব প্ল্যানিং অ্যান্ড আর্কিটেকচার থেকে পড়াশোনা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেকে খুঁজে পান লেখালেখির জগতে।
১৯৯৭ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস The God of Small Things বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলে এবং তাঁকে এনে দেয় বুকার পুরস্কার। উপন্যাসটি শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়—জাত, শ্রেণি, লিঙ্গ ও সামাজিক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে এক তীক্ষ্ণ প্রতিবাদ। এই বই অরুন্ধতী রায়কে আন্তর্জাতিক সাহিত্যাঙ্গনে স্থায়ী আসন করে দেয়।
এরপর তিনি নিয়মিতভাবে প্রবন্ধ, রাজনৈতিক লেখা ও বক্তৃতার মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশ করে চলেছেন। বড় বাঁধ প্রকল্প, সামরিকীকরণ, যুদ্ধ, কর্পোরেট পুঁজি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান সবসময়ই স্পষ্ট ও আপসহীন। তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থগুলির মধ্যে The Algebra of Infinite Justice, Listening to Grasshoppers এবং Capitalism: A Ghost Story বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৭ সালে প্রকাশিত উপন্যাস The Ministry of Utmost Happiness-এ তিনি আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে বহু কণ্ঠে, বহু জীবনের গল্পে তুলে ধরেন। তাঁর লেখার ভাষা যেমন কাব্যিক, তেমনই তীক্ষ্ণ—যেখানে সাহিত্য আর প্রতিবাদ একে অপরের পরিপূরক।
অরুন্ধতী রায় বিশ্বাস করেন, লেখকের দায়িত্ব শুধু গল্প বলা নয়—সময়ের অন্যায়কে প্রশ্ন করা। তাই তিনি আজ শুধু একজন লেখক নন, বিবেকের কণ্ঠস্বর হিসেবেও পরিচিত।

11/12/2025

জি. শঙ্কর কুরুপ — মালয়ালম সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র

জি. শঙ্কর কুরুপ ছিলেন মালয়ালম ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি—যার লেখায় মানুষের জীবন, প্রকৃতি আর সমাজের প্রতি গভীর দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে ওঠে। জন্ম ১৯০১ সালে, কেরালার নিদুবিলে। ছাত্রজীবন থেকেই কবিতার প্রতি গভীর ঝোঁক ছিল, আর সেই ঝোঁকই তাঁকে পরিণত করে এক অনন্য সাহিত্যিক ব্যক্তিত্বে।

১৯৪০ সালে তাঁর কাব্যগ্রন্থ "ওদেক্কুঝাল" (Odaykkuzhal)।জি. শঙ্কর কুরুপ তাঁর কাব্যগ্রন্থের নাম “Odaykkuzhal” রেখেছিলেন, যা কবিতার সুর, সংগীতধর্মিতা ও অন্তরের ধ্বনিকে বোঝায়।
সারা ভারতের সাহিত্যজগৎকে আলোড়িত করে। পরে এই বইয়ের জন্য তিনি পান ভারতের প্রথম "জ্ঞানপীঠ পুরস্কার", যা মালয়ালম সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক।
তাঁর লেখা অন্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ -

Sahitya Pathangal
Basheerinte Kathakal (সংকলন-ভিত্তিক কাজ)
Sooryageetham
Odiyan
Avil Pothi
Natakeeyam
Samanyadharmangal
Puthen Pookkal
Jeevithappatha
Oru Theruvinte Katha
Chirakukal
Puthariyil

কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত -

Odaykkuzhal (জ্ঞানপীঠপ্রাপ্ত)
Shankara Kuruppinte Kavithakal (সংকলন)
Sankara Kurup Poems – Selected Works

অনুবাদ ও প্রবন্ধ -

Sri Buddha Charitham (অনুবাদ)
Thiranjedutha Lekhanangal (নির্বাচিত প্রবন্ধ)
কুরুপের কবিতায় জীবনের সংগ্রাম, মানুষের ভেতরের আলো–অন্ধকার আর কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য গভীরভাবে ধরা পড়ে। তিনি শুধু কবিই নন—একজন অনুবাদক, চিত্তনিবেদক এবং আধুনিক মালয়ালম কবিতার পথপ্রদর্শক।

১৯৭৮ সালে তিনি প্রয়াত হন, কিন্তু তাঁর লেখা আজও নতুন
পাঠককে অনুপ্রাণিত করে চলে।

03/12/2025

একজন মানুষ, একটি কলম, আর একটি জাতির আত্মপরিচয়ের লড়াই ✊
অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরী — অসমের চেতনার নাম।

অসমের আকাশে যখন স্বাধীনতার রং গাঢ় হচ্ছিল, তখন একজন মানুষ নিজের পুরো জীবনটাকে ঢেলে দিয়েছিলেন এক টুকরো দেশের স্বপ্নে। নাম তাঁর — অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরী, ইতিহাস যাঁকে ডাকে “অসাম কেশরী” নামে।

১৮৮৫ সালে জন্ম নেওয়া অম্বিকাগিরি ছোট থেকেই দেখেছিলেন ব্রিটিশ শাসনের দমননীতি, অসমিয়া পরিচয়ের অবমাননা, আর সাধারণ মানুষের নীরব আর্তনাদ। সেই নীরবতাকে ভাষা দেন তিনি — কখনো কবিতায়, কখনো প্রবন্ধে, কখনো আবার সরাসরি আন্দোলনের ময়দানে নেমে।

তাঁর লেখা শুধু সাহিত্য ছিল না — সেগুলো ছিল বিদ্রোহের ঘোষণা।
“অসমীয়া আত্মা জাগাও” — এই বার্তা পৌঁছে দিতে তিনি কলমকে বানিয়েছিলেন অস্ত্র। অসমীয় ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয় রক্ষার জন্য তিনি আজীবন লড়াই করেছেন। ব্রিটিশ সরকার একাধিকবার তাঁকে কারারুদ্ধ করেছিল, কিন্তু প্রতিবারই তিনি আরও শক্ত হয়ে ফিরে এসেছেন। কারণ তাঁর কাছে দেশপ্রেম ছিল শাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় জবাব।

কবিতায় তাঁর ভাষা ছিল আগুনের মতো, আর চিন্তায় ছিল পাহাড়ের মতো দৃঢ়তা। অসমের মানুষের মধ্যে আত্মসম্মানবোধ জাগাতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি বুঝেছিলেন — রাজনৈতিক স্বাধীনতার আগে দরকার মানসিক স্বাধীনতা। আর সেই স্বাধীনতা জাগানোর গুরুদায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।

১৯৬৭ সালে তাঁর জীবনাবসান ঘটে, কিন্তু আজও অসমের বাতাসে তাঁর কণ্ঠস্বর শোনা যায়।
যখন কেউ নিজের ভাষা, মাটি কিংবা পরিচয়ের জন্য দাঁড়ায় — তখনই যেন ফিরে আসেন “অসাম কেশরী” অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরী।

তিনি শুধু একজন মানুষ নন — তিনি একটি চেতনা।
অসমের মাটির হৃদয়ের নাম, অম্বিকাগিরি।




#অসমেরগর্ব

#অসমীয়গৌরব


সরলা ঠাকরাল — আকাশ জয় করা ভারতের প্রথম নারী পাইলটএকটা সময়, যখন নারীরা ঘরের বাইরে কাজ করা তো দূরের কথা—বিমান চালাবে, এটা ...
29/11/2025

সরলা ঠাকরাল — আকাশ জয় করা ভারতের প্রথম নারী পাইলট

একটা সময়, যখন নারীরা ঘরের বাইরে কাজ করা তো দূরের কথা—বিমান চালাবে, এটা কেউ কল্পনাই করেনি। ঠিক সেই নাম সরলা ঠাকরাল,যার জন্ম ৮ আগস্ট ১৯১৪, দিল্লিতে এটি বাস্তবে পরিণত করেন। ছোট থেকেই তার মধ্যে ছিল স্বপ্ন দেখার সাহস আর কিছু আলাদা করার ইচ্ছে।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয় পাইলট পি. ডি. ঠাকরালের সঙ্গে। স্বামী-ই তার প্রথম অনুপ্রেরণা। স্বামীর উৎসাহে সরলা ভর্তি হন লাহোর ফ্লাইং ক্লাব-এ। সেখানেই শুরু তার আকাশ ছোঁয়ার যাত্রা।

১৯৩৬ সালে, মাত্র ২১ বছর বয়সে, তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে পেলেন A-licence (পাইলট লাইসেন্স)। উড়াল দিলেন Gypsy Moth বিমান চালিয়ে, আর করে ফেললেন ১০০০ ঘণ্টারও বেশি ফ্লাইং—যা সেই সময় একজন মহিলার জন্য ছিল যুগান্তকারী সাফল্য। তিনি পরেছিলেন একটি সাদা শাড়ি, মাথায় বেঁধেছিলেন স্কার্ফ—এই ছবিটাই আজ ইতিহাসের অংশ।

কিন্তু ভাগ্য কখনও কখনও কঠিন হয়। স্বামী মারা গেলে সরলা আর পাইলট হিসেবে ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে পারলেন না। তবুও জীবনকে নতুন করে সাজালেন।
তিনি যোগ দিলেন মায়ো স্কুল অফ আর্টস–এ। এরপর গড়ে তুললেন নিজের পরিচয় জুয়েলারি ডিজাইনার, ফ্যাশন ডিজাইনার, পেইন্টার এবং হস্তশিল্প শিল্পী হিসেবে। দিল্লিতে তিনি নিজের ডিজাইন ব্যবসা গড়ে তোলেন এবং নিজেই হয়ে ওঠেন একজন সফল উদ্যোক্তা।

২০০৮ সালে তিনি পৃথিবীকে বিদায় জানান। কিন্তু তার কাহিনি আজও প্রমাণ করে—
“নারী মানেই শক্তি। আর শক্তির সীমা আকাশের মতোই—অসীম।”



Admission is going on....Janai Training High School (H.S.)Delhi World Public School - HooghlyJanai training high school ...
28/11/2025

Admission is going on....

Janai Training High School (H.S.)Delhi World Public School - HooghlyJanai training high school boys & girlsDankuni Shree Ramkrishna Vidyashram Girl's High School -T084

21/11/2025

চোনিরা বেল্লিয়াপ্পা মুথাম্মা — ভারতের প্রথম মহিলা কূটনীতিকের সাহসী পথচলা

ভারতের প্রশাসনিক ইতিহাসে নারীশক্তির প্রথম জাগরণ ঘটেছিল এক সাহসী কোর্গি নারীর হাতে—চোনিরা বেল্লিয়াপ্পা মুথাম্মা। ১৯২৪ সালে কোর্গে জন্ম নেওয়া মুথাম্মা ১৯৪৮ সালে UPSC-এ সফল হয়ে দেশের প্রথম মহিলা IFS কর্মকর্তা হন। লন্ডন, মাদাম, ইয়াংগুনসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ মিশনে কাজ করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন—কাজের ক্ষেত্র কখনোই লিঙ্গ দেখে না, দেখে যোগ্যতা।

কিন্তু তাঁর লড়াই শুধু বিদেশ মন্ত্রণালয়ে নয়, ভারতের নারীর অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও। সরকারি নীতিতে নারী কর্মকর্তাদের প্রতি অসাম্য দেখে তিনি ১৯৭৯ সালে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর এই সাহসী পদক্ষেপের ফলেই সরকার বাধ্য হয় নীতি পরিবর্তন করতে—নারীরা সরকারি চাকরিতে সমান মর্যাদা ও সুযোগ পাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়।

পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে নেদারল্যান্ডস, হাঙ্গেরি ও আরও কয়েকটি দেশে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।

তাঁর আত্মস্মৃতি "Slain by the System"
তাঁর লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বই—
যেখানে তিনি প্রশাসনের ভেতরের বৈষম্য, দুর্নীতি ও নারীর প্রতি অবিচারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।তিনি বাংলা, ইংরেজি, কোডাভা ভাষা জানতেন।
ভ্রমণ, কূটনীতি ও নারী-অধিকার নিয়ে লিখতেন।

২০০৯ সালে তিনি চলে গেলেও, তাঁর রেখে যাওয়া পথ আজও দেশের অসংখ্য মেয়ের অনুপ্রেরণা—
ভয় না পাওয়া, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, আর নিজের যোগ্যতায় ভবিষ্যৎ গড়া।

15/11/2025

রানি দুর্গাবতী - এক যোদ্ধার গল্পঃ

সালটা ১৫৫০। গন্ডোয়ানা রাজ্যের রাজা দলপৎ শাহ মারা গেলেন।রেখে গেলেন ৫ বছরের পুত্র বীর নারায়নকে আর ভবিষ্যতের শাসিকা রানি দুর্গাবতীকে। ঝাঁসির রানী লক্ষীবাঈ বা নূরজাহানেরও আগে ভারত দেখেছিল এক রাষ্ট্রনীতি ও প্রশাসন পরিচালনায় পারদর্শী এক নারীকে - রানি দুর্গাবতী।
১৫২৪ সালে কালিঞ্জরে(উত্তরপ্রদেশ) বিখ্যাত চন্দেল্লা বংশে তাঁর জন্ম।তিনি বুদ্ধিমতি,বিচক্ষণ, অশ্বারোহণে ও যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্য পরিচালনায় দক্ষ ছিলেন।১৫৪২ সালে গণ্ডরাজ্যের শাসক সংগ্রাম শাহের জ্যেষ্ঠপুত্র দলপৎ শাহের সাথে দুর্গাবতীর বিবাহ হয়।১৫৪৫ সালের তাঁদের সন্তান বীর নারায়ণের জন্ম হয়। দলপৎ শাহ মারা যাবার পর ৫ বছরের পুত্র বীর নারায়ণকে সিংহাসনে বসিয়ে দুর্গাবতী শাসকের হাল ধরেন। তাঁর রাজত্বের সময়কাল ছিল ১৫৫০- ১৫৬৪ সাল।
১৫৬২ সালে আফগান নেতা বাজ বাহাদুর গন্ডোয়ানা আক্রমণ করলে তিনি দক্ষতার সঙ্গে তা প্রতিরোধ করেন। বাজ বাহাদুর আরও কয়েকবার পণ্ডোয়ানা আক্রমণ করলেও রানি দুর্গাবতীর বাহিনীর কাছে পরাজিত হন।গণ্ডোয়ানার বিপুল অর্থ সম্পদ মোগল সম্রাট আকবরকে প্রলুব্ধ করেছিল। তাই তিনি মোগল সুবাদার আসফ খাঁ -র নেতৃত্বে গণ্ডোয়ানা অভিযানে এক বিশাল বাহিনী পাঠান।১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দে মোগল বাহিনী গণ্ডোয়ানা আক্রমণ করে।বিশাল মোগল বাহিনীকে প্রতিহত করে রাজ্যের স্বাধীনতা রক্ষার উদ্দেশ্যে গণ্ডোয়ানার রানি দুর্গাবতী ও বীর নারায়ণ তাঁর ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়েই প্রবল বিক্রমে যুদ্ধ করেন। কিন্তু যুদ্ধ করেও প্রবল বৃষ্টির কারণে এবং অন্ধকার নেমে আসায় গণ্ডোয়ানার বাহিনী বিশৃঙ্খল হয়ে যায়। তার কানের কাছে একটি তীরের আঘাতে আহত হন আরেকটি তীর তার ঘাড়ে বিদ্ধ হয়।যুদ্ধের সময় রানীর মাহুত তাকে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার ছুরি বের করে আত্মহত্যা করেন(২৪শে জুন ১৫৬৪)।১৯৮৩ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার তার স্মৃতিতে জব্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রাণী দুর্গাবতী বিশ্ববিদালয় নামে নামকরণ করে।ভারত সরকার ২৪ জুন, ১৯৮৮ তারিখে তার মৃত্যু স্মরণে একটি ডাক-স্ট্যাম্প জারি করে।জব্বলপুর জংশন থেকে জম্মুগামী ট্রেন রানির নামে দুর্গাবতী এক্সপ্রেস নামে পরিচিত।
#রানি_দুর্গাবতী #বীরনারী #যোদ্ধা_নারী #গোন্ডোয়ানা

Address

Kaji Najrul Sarani, Kalipur , Near Sishu Tirtha School, Behind Dankuni Pantaloons
Dankuni
712311

Opening Hours

Monday 10am - 9pm
Wednesday 10am - 9pm
Friday 10am - 9pm
Saturday 10am - 9pm
Sunday 10am - 9pm

Telephone

+919681687670

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EduCanteen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to EduCanteen:

Shortcuts

Share

Category