06/07/2022
Snail movement Snail can move using thair mascular foot. The travel speed can vary from 0.0028 m/s to 0.013 m/s.
Springshine International Preschool Coochbhar is the first true Montessori's philosophy guided and a
06/07/2022
Snail movement Snail can move using thair mascular foot. The travel speed can vary from 0.0028 m/s to 0.013 m/s.
03/07/2022
04/01/2020
#শুঁয়াপোকা_প্রজাপতির_গল্প
পার্কে খেলতে খেলতেই, গতকাল খেয়াল করেছিলো। ঝোপে গাছের ডালে, কি একটা ঝুলছিলো। সামনে গিয়ে দেখলো, একটা নয়, বেশ কয়েকটা। আর অচেনাও কিছু নয়, কদিন আগেই স্কুলে পড়িয়েছে। তবে নিজের চোখে প্রথম দেখা। দারুন উৎসাহ তাই। শুঁয়োপোকার গুটি কেটে প্রজাপতি বের হচ্ছে। আর বেশ কয়েকটা ফুটো দিয়ে বেরোতে চেষ্টা করছে, কিন্তু পারছে না। দেখে খুব কষ্ট হয়েছে।
আজ পকেটে লুকিয়ে, ছোট্ট একটা কাঁচি এনেছে। খেলাতে মন নেই, গাছটির কাছে গিয়ে অনেক্ষন দেখলো। তারপর খুব সাবধানে, গোটা কয়েক ফুটোওয়ালা গুটি কেটে দিলো।
বাড়ী ফেরার পরে আজও মন খারাপ আরবে'র। হোমওয়ার্ক করতে বসে, এই গল্পই করছিলো মায়ের সাথে।
বলুন তো, "আজ মন খারাপের কারন কি?"
গুটি খুব সাবধানে কেটে দেওয়ার পর, যে প্রজাপতি গুলো বের হয়েছিলো। খুব চেষ্টা করেও তারা উড়তে পারেনি। আরব খেয়াল করেছে, ওদের ডানাগুলোতে সেরকম রঙও আসেনি, তেমন শক্ত হয়নি ডানাগুলো।
হ্যাঁ, শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি হতে আর গুটি কেটে বেড়িয়ে আসতে, অনেকটাই লড়াই করতে হয় ওদের। সেই কঠিন লড়াইয়ের মাধ্যমেই ডানা শক্ত হয়, রঙ লাগে। শক্তি আসে ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ানোর। সুন্দর জগৎটা অনুভব করার আগে, বেশ কষ্ট করতে হয় নিজেকে। অন্য কেউ গুটি কেটে দিলে, সবই অধরা থেকে যায়।
আপনার আমার সন্তানও তাই। একটু কষ্ট করতে না দিলে, অনুভূতি তৈরি হবে না ওর মধ্যে। বড় হয়ে আশেপাশের ভালো/খারাপ বুঝবে না। একটু কষ্ট/অভিজ্ঞতা তাই নিজেকে করতে দিন। সব ভালোগুলো আমরাই বেছে, ওদের সামনে দিলে খারাপ তো চিনবেই না। মোকাবিলা তো অনেক পরের কথা।
ভিটামিন-N এর নাম শুনেছেন? আজকাল বাচ্চারা এই ভিটামিন-N এর অভাব জনিত রোগে ভুগছে। না, ভুল করেও মেডিসিন শপ বা ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করবেন না। ওদের কাছে নেই এই ভিটামিন। এটা আপনার কাছেই আছে। ভিটামিন-N আসলে, কোনো ফুড সাপ্লিমেন্ট না। বলতে পারেন সাইকোলজি সাপ্লিমেন্ট। Say to your child, আপনার সন্তানকে #না বলতে পারাটাই #ভিটামিন_N। যে কোনো কিছুই চাওয়া মাত্র, আপনি "না" বলতে পাচ্ছেন না। ব্যস্ হয়ে গেলো, ভিটামিন-N এর ঘাটতি।
কি করে দেবেন তাহলে এই ভিটামিন?
কিছু চাইলেই একটু ভাবুন, সেটা তাৎক্ষণিক প্রয়োজন কি না। হ্যাঁ, #প্রয়োজন আর #হলে_ভালো_হয়, এই দুয়ের তফাৎ বুঝতে হবে আপনাকেই। "প্রয়োজন" হলে এখুনি দিন।
"তাহলে কি আমার সন্তান একটু #হলে_ভালো_হয় এর সুবিধা পাবে না কখনো?"
এই প্রশ্নটাই আসে মাথায়। নিশ্চই সুবিধা পাবে। তবে ৪-৭ দিন বাদে। দেখবেন ৪-৭ দিনের মধ্যে, ঠিক ম্যানেজ করে নেবে। না হলে ওটা প্রয়োজন ছিলোই না। আগে ম্যানেজ করতে শিখুক তারপর সুবিধা দিন। আরো দুটো ব্যাপার এখানে একসাথে ডেভেলপ করবে। প্রথমতঃ ম্যানেজ করতে গিয়ে, ও ভাবতে শিখবে। চিন্তাশক্তি বাড়বে। দ্বিতীয়তঃ ধৈর্য্যক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে।
25/12/2019
আজকের দিনে শিশু-মনের ডিপ্রেশনের কারন ও তার ভয়াবহ পরিনাম নিয়ে বলছিলাম আগের দিন। আসুন এবারে দেখা যাক, কি করে সেসব ওভারকাম করা যায়। যে কোনো মানসিক ডিপ্রেশনের মূলত দুটি কারন। একাকিত্ব ও আত্মবিশ্বাসের অভাব। এখানেও তাই। ফলে এই দুটি আটকে দিতে পারলেই হলো। মা-বাবা ও বাড়ীর লোকজনকে এজন্য একটু চেঞ্জ হতে হবে।
প্রথমত, একাকিত্ব কাটানোর জন্য #বন্ধু হতে হবে মা-বাবাকে বিশেষ করে। আচ্ছা, ছেলে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব ব্যাপারটা কেমন? বাচ্চারা বন্ধু হয়ে গেলে, পাত্তা দেবে তো? সন্মান করবে তো? কথা বললে শুনবে তো? মুখে মুখে তর্ক করবে না তো? এই প্রশ্নগুলো চলে আসে, তাই তো? হুম্ ভয় নেই। বন্ধুত্বের মানেটা ভিন্ন সম্পর্কে বিভিন্ন হয়। শিশুদের সাথে, সঠিক বন্ধুত্বে এসব ভাবার কোনো দরকারই নেই। কারন, কাউকে সন্মান না করা, কথা না শোনা, অযথা তর্ক করা, এসব বন্ধুত্বের অধিকার নয়। বলা যেতে পারে, এসব হলো পারিপার্শ্বিক সামাজিক কু-প্রভাব। বাড়ীতে #টিভি_সিরিয়াল দেখা বন্ধ করেই, এর ৮০% এর সমাধান করা যায়।
কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে, প্রথমেই আমরা যে ভুলটা করি, তা হলো নিজের সম্পর্কে একটা ইম্প্রেশন তৈরি করার চেষ্টা। আমি অমুক, আমি তমুক, বিপরীতে থাকা মানুষটির মধ্যে এরকম একটা ধারনা তৈরি হলেই, আমার প্রতি attract হবে। না, একেবারেই না, এটা আসলে বন্ধুত্ব নয়। এই ইম্প্রেশনটা আসলে নিজের একটা wrong image. বিপরীতে থাকা মানুষটির কাছে এটা ধরা পরলেই, attraction টা শেষ।
নিজের সন্তানের সাথে বন্ধুত্বেও কোনো wrong image থাকা চলবে না। এই বন্ধুত্বের ভালোবাসায়, কোনো মিথ্যে চলবে না। অফিস থেকে ফোন করে, চকোলেট আনার প্রতিশ্রুতি করলে, সেটা রাখতেই হবে। সে ছোটো বলেই, ভুলভাল বাহানা দিয়ে কাটিয়ে দেওয়া নয়। বন্ধুত্ব মানে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা। মনে রাখতে হবে, এখান থেকেই সে, বন্ধুত্ব করাটাও শিখবে।
সেদিন শুরুতেই বলছিলাম, আপনাকে দেখে আপনার সন্তান, কার্টুন দেখা/গেম খেলা বন্ধ করে, বই খুলে বসে কি না? এটা ওর সম্পর্কে আপনার মনে একটা wrong image বানানোর চেষ্টা। অলরেডি আপনার/আমার থেকে বা পরিবেশ থেকে শিখে নিয়েছে। এটা একেবারেই বন্ধুত্ব নয়, সন্মান করাও নয়। একে বলে ভয় পাওয়া। এরকম ভয় দেখিয়ে কাজ, যে কেউও করিয়ে নিতে পারে। এই ইমেজটাও একবারে তৈরি করবেন না। আর হয়ে গিয়ে থাকলে, ভেঙে দিন খুব আজই। কারন, ভয়ের পরের ধাপই হলো, দুরত্ব তৈরি করা। নিজেকে সরিয়ে নেওয়া। কদিন পরই, নিজেকে সরিয়ে নিতে শুরু করবে আপনার থেকে। কিছু বলবে না, সমস্যায় পরলেও। একাকী হয়ে ডিপ্রেশনে ভুগবে, কোনো সমস্যা এলেই।
কি করতে হবে তাহলে? #ওপেন_রিলেশনশিপ বলে একটা কথা খুব চলছে আজকাল। সেটাই করতে হবে। মানে ওয়ান-ওয়ে নয়, টু-ওয়ে রিলেশনশিপ। শুধু আপনি বলবেন না, বেশী বলতে দিন ওকেই। পরাশুনার মাঝে এরকম জিজ্ঞেস করবেন না "হোমওয়ার্ক হয়ে গেছে?" তাহলে উত্তরটা "হ্যাঁ/না" হবে। বরঞ্চ জিজ্ঞেস করুন, "আজকের হোমওয়ার্কটা কি ছিলো?" খাওয়া হয়েছে কি না জিজ্ঞেস করলে, উত্তরটা "হ্যাঁ/না" আসবে। পারলে জিজ্ঞেস করুন কি খেয়েছে? খাবারের টেষ্ট কেমন ছিলো? স্কুলের কিছু বন্ধুর নাম জেনে নিন। নাম উল্লেখ করে জিজ্ঞেস করুন, কে কি করেছে আজ স্কুলে? কেবল পরাশুনা নয়। দুষ্টুমি-বাঁদরামি'র কথাও জানতে চান। তবে ভুল করেও, সেই মোমেন্টে বকতে যাবেন না। তাহলে পরদিন কিন্তু এই সুন্দর করে স্কিপ করে যাবে। আপনি ধরতেও পারবেন না। অন্যভাবে বুঝিয়ে বলুন পরে। গল্প করতে করতে বা খেলতে খেলতে।
শিশুমনে প্রচুর প্রশ্ন আসে। শুরুতে কিন্তু আপনাকেই জিজ্ঞেস করবে। আপনি জবাব না দিলে বা avoid করলে, ওর প্রশ্ন করা কমে যাবে আস্তে আস্তে। বলা ভালো, ওর চিন্তাভাবনা'র ক্ষমতা কমে যাবে। আপনি কি চান, সেটা হোক? তাহলে জবাব তো দিতেই হবে। তাই চেষ্টা করুন জবাব দিতে, না পারলে বলুন সেটা আপনার অজানা। জেনে নিয়ে পরে বলবেন। ভুলেও এরকম wrong image তৈরি করবেন না, যে আপনি সবই জানেন, প্রশ্ন অবান্তর জন্য, আপনি জবাব দিচ্ছেন না। আর হ্যাঁ, ভুলে যাবেন না, জেনে নিয়ে পরে অবশ্যই বলুন। আর, প্রশ্ন শোনার সময় না থাকলে? তখন বলুন, প্রশ্নগুলো লিখে রাখতে। পরে সেগুলো দেখে জবাব দিন। "পরে প্রশ্ন কোরো" এই approach একেবারে নয়। কারন, এত প্রশ্নের ভীড়ে, এখন মনে হওয়া প্রশ্নটা ওর মনে নাও থাকতে পারে। ও ধরে নিতেই পারে, avoid করছেন ওকে।
এভাবে একটু একটু করে প্রায়োরিটি দিতে থাকলে, একাকিত্ব যেমন কমে যাবে, তেমনি আত্মবিশ্বাসও গড়ে উঠবে। আজকের কঠিন/জটিল জীবনে এরপরেও আত্মবিশ্বাসের অভাব হয়। তাই মাঝে মাঝেই ওর নিজের achievement এর কথাগুলো মনে করিয়ে দিন। আলোচনা করুন মাঝে মাঝে সেগুলো। sports এ মেডেল পেয়েছিলো, বা ভালো খেলেছিলো, বা নিতান্তই সেদিন স্কুলের হোমওয়ার্ক খাতায় "ভেরি-গুড" পেয়েছিলো। কিছু সোসাল-ইমোশনাল ভালো গুনের কথাও রাখুন আলোচনায়। এই যেমন ধরুন রাস্তায় কুকুরকে বিস্কুট খাইয়েছিলো। কোনো রাস্তার বাচ্চাকে নিজের একটা খেলনা দিতে বলুন, আর সেটাই বলুন। শেয়ারিং টেন্ডেন্সিও বাড়বে এতে। মাঝে মাঝে আপনাদের নিজেদের ছোটোবেলার গল্প বলুন। তারসাথে ওর এখনকার সিমিলারিটি গুলো ধরিয়ে দিন। দেখবেন কি দারুন ফলো করতে শুরু করবে।
22/12/2019
আরব স্কুলের হোমওয়ার্ক করছিলো। অনন্যা ভেজা জামাকাপড় গুলো, ছাদে মেলে ঘরে ঢুকতেই বুঝলো, কার্টুন চলছিলো টিভিতে। দরজার আওয়াজ শুনেই, রিমোটে আঙুল পরেছে। সেদিন সন্ধ্যার পর রান্নাঘরে কাজ করছিলো। আরব পড়াশুনা করছিলো বেডরুমে। ওর বাবাও ছিলো সাথে। একটা ফোন আসায়, কথা বলতে বলতে পাশের ঘরে চলে যায় রঞ্জন। অফিসের কাজের ফোন, একটু লম্বা কল। হটাৎ ও বেডরুমে ঢুকতেই বুঝলো, অন্য ফোনটা নিয়ে গেম খেলছিলো আরব। ঘরে ঢুকছে বুঝেই ফোনটা লুকিয়ে, বইয়ে মুখ গুঁজেছে।
কম-বেশী বা কখোনো, আপনার সন্তানের মধ্যে কি এরকম খেয়াল করেছেন? পড়াশুনার সময় বা অন্য কখনো লুকিয়ে, আপনার অপছন্দের কোনো কাজ করছিলো। আপনার উপস্থিতি টের পেয়ে, সেটাকে ধামাচাপা দিলো? তারপর, একধাপ এগিয়ে আপনি ব্যাপারটা ধরে ফেললেন। একটু বকাবকি করলেন। বুঝিয়ে দিলেন, এসব চালাকি আপনি ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে এরকমটা হলে শাস্তি হবে ভয়ানক। হ্যাঁ, একধাপ এগিয়ে, যে কাজটা আপনি করলেন, সেটা কিন্তু আদতে দু'ধাপ পিছিয়ে দিলো আপনার সন্তানকে।
কি করে? সেটাই বলবো এখন। তার আগে কিছু পরিসংখ্যান দিচ্ছি। যেগুলো আপনার সন্তানের সাথে না মিললেও, সমস্যাগুলো শুরু এখন থেকেই। তাই সাবধান হতে হবে। আপনি কি জানেন, ১৫-২৯ বছর বয়সের মৃত্যুর হার প্রচুর বেড়ে গেছে, যার পুরোটাই প্রায় সুইসাইডাল ডেথ। আমাদের দেশে, প্রতি তিন সেকেন্ডে একটি করে সুইসাইডাল এটেম্পট হচ্ছে। আপনি কি জানেন, আমাদের দেশের ৮৯% মানুষ মেন্টাল ষ্ট্রেস-ডিপ্রেশনে ভুগছে। আর, শিশুরাও এতে পিছিয়ে নেই। ৬৫% শিশুর মধ্যে "early sign of depression" দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চল থেকে শহরাঞ্চলে এই হারটা বেশী।
শিশুদের মেন্টাল ডিপ্রেশনের প্রধান কারন গুলি দেখা যাক একটু।
#প্রথমত_পড়াশুনা_ও_পরীক্ষার_চাপ, একটু তুলনা করুন নিজেদের সময়ের সাথে। কম করে দশগুন বেশী হবে। বয়সের সাথে মেন্টাল গ্রোথ হয়, তার আগেই আমরা চাপিয়ে দেই। তিন বছরে নার্সারি বা ছয় বছরে ক্লাস ওয়ান। এবার সেসন অনুসারে ধরা যাক, ভর্তির সময় বয়স ২ বছর ৯ মাস বা ৫ বছর দশ মাস। স্কুলে বলে অনুরোধ-আব্দার করে নার্সারি বা ওয়ানে দিলেন। এই ছোটো বয়সে ২-৩ মাসের ব্রেন ম্যাচুরিটি কতটা আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন না। ১ বছর বসের থেকে ওর পরিবর্তন খেয়াল করুন। প্রতি ১৫ দিনে কি ভাবে চেঞ্জ হচ্ছিলো শিশুটি। ০-৬ বছরে যে হারে ব্রেন গ্রোথ হয়, সেই মুহূর্তে আপনি তিনমাস স্কিপ করে কি ভুল করলেন, খেয়ালই করলেন না। পরাশুনার সারা জীবন ধরে চলবে এই পিছিয়ে থাকা। একটু বুদ্ধি করে, পরের ক্লাসে দিয়ে দেখুন। দেখবেন কেমন ম্যাচুরিটি নিয়ে প্রতি ক্লাসে এগিয়ে থাকে আপনার সন্তান।
#দ্বিতীয়তঃ আজকের দিনে আমাদের #প্রতিযোগীতা_মূলক_চিন্তা_ভাবনা। আসলে, যাই হোক না কেন, শো-অফ করতেই হবে। না হলে পিছিয়ে পরবেন সমাজে। হ্যাঁ, এই শো-অফের প্রভাব আমাদের সন্তানদের জীবনেও পরে গেছে।
#তৃতীয়ত কারনটি একটু পরের দিকে শুরু হয়, #রিলেশনশিপ_ও_ব্রেকআপ। তাই রিলেশনশিপ আসলে কি জিনিষ, সে ব্যাপারে একটু একটু করে খেয়াল রাখাও জরুরি।
#চতুর্থ হলো #সোসাল_মিডিয়া এখানে চলে খোলাখুলি প্রচার। ফলে আমার চেয়ে কে কে এগিয়ে আর আমি কতজনের পেছনে, তা পরিস্কার বোঝা যায়। কেবল বোঝা যায় না, সেটা ঠিক নাকি ফেক্।
#পঞ্চম হলো #অভাব, অর্থনৈতিক ভাবে কমজোর। বন্ধুরা প্রতি ৬ মাসে দূরদূরান্তে ঘুরতে যাচ্ছে, বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কথায় কথায় যা ইচ্ছে তাই করছে। হ্যাঁ, এটা আসলে যে চিন্তাভাবনা নিয়ে বড় হওয়া, তার প্রভাব।
আজকের শিশুদের ডিপ্রেশনের মূলত এগুলোই কারন। এই থেকেই সার্বিক ভাবে তৈরি হচ্ছে বিকৃত সমাজ। কর্মক্ষেত্রে গিয়ে তো আরো চাপ, সেখানে আরো প্রতিযোগীতা, আরো ষ্ট্রেস। সেই প্রভাব এসে পরে পরিবারে। হয়ে গেলো আপনার আমার উদ্দেশ্য বিফল।
ফিরে আসি শুরুর কথায়। ঐ যে আপনাকে দেখে, সেই লুকিয়ে লুকিয়ে করা কাজটা হাইড করে, বই নিয়ে বসলো। মানে শো-অফ করলো আপনাকে... এটা কিন্তু আসলে বিরাট #সিগ্নাল। আপনার সাথে আপনার সন্তানের দুরত্ব তৈরি হচ্ছে, সেই বার্তা। ফলে ওর ভেতরে কি চিন্তাভাবনা চলছে, সেটা আর জানতে পারবেন না। আপনি নিজেই, ওর কাছে ভয়ের কারন। যেটা জানলে অফিসের বস বকবে আপনাকে, আপনি সেটা বলবেন বসকে? তাহলে ও কেনো বলবে?
এবারে উপরের ওই পাঁচটি কারনের, কোনো একটি বা দুটি থেকে, ডিপ্রেশন এলে বুঝবেন কি করে??
(চলবে)
14/12/2019
learning the elements that increase the social values, the most important things today’s life
13/08/2019
Springshine Dance Practice Independence day preparation
12/08/2019