28/04/2026
এর আগেও বহুবার আমাদের বিদ্যালয় নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা পূর্বেও পোস্ট করেছি। মিড-ডে মিলের বাসন চুরি, জলের মোটর চুরি, কম্পিউটার চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হয়েছে আমাদের প্রিয় বিদ্যালয়।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পোলিং পার্সোনালদের জন্য বিদ্যালয়ের কক্ষগুলি সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। ট্যাপ, কলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও ঠিকঠাক অবস্থায় ছিল। এমনকি ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরও সবকিছু অক্ষত ছিল।
কিন্তু সোমবার বিদ্যালয় খোলার দিন আমরা এসে দেখি, ছোট ছোট বাচ্চাদের হাত ধোয়ার জন্য যে কলগুলি লাগানো ছিল, সেগুলি ভেঙে পড়ে রয়েছে। এই ধরনের ঘটনা আমাদের অত্যন্ত মর্মাহত ও ব্যথিত করেছে। বারবার আমাদের বিদ্যালয়কে এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে, যা সত্যিই দুঃখজনক।
পরবর্তীকালে আমাদের প্রধান শিক্ষিকা মহাশয়া দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে জলের কলগুলি মেরামত করিয়ে আবার স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে এনেছেন।
আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না এবং সকলের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের সুন্দর পরিবেশ অটুট থাকবে।
09/04/2026
মাঝে মাঝে আমাদের মনে কিছু প্রশ্ন জাগে। যখন আমরা শিক্ষকতার কাজে যোগদান করি তখন বাচ্চাদের সঠিকভাবে শিক্ষা দেয়াটাই আমরা আমাদের প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য বলে জানি। এই কাজ করতে গিয়ে কখনো কখনো আমাদের একটু অতিরিক্ত খাটতে হয়। এই অতিরিক্ত খাটতে গিয়ে আমরা অনেক সময় বিতর্কের মধ্যে পড়ে যাই। তখনই মনে প্রশ্ন জাগে যে তাহলে কি আমাদের বাচ্চাদের শেখানোর জন্য অতিরিক্ত চেষ্টা করা ঠিক না ? এমনই একটি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা কিছুদিন আগে গিয়েছি।
গত ১/৪/ ২৬ তারিখ আমাদের বিদ্যালয়ের ৬৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস ছিল। ঘটনাচক্রে তার আগের দিন মহাবীর জয়ন্তী পড়ে। বেশিরভাগ বিদ্যালয় ঐদিন মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে ছুটি ছিল। কিন্তু আমাদের স্কুলে কোন জৈন সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক শিক্ষিকা নেই । তাই আমরা ওই দিনটি বিদ্যালয় খোলা রাখি। আমাদের মনের দুটো ইচ্ছে ছিল। প্রথমতঃ , যেহেতু পরীক্ষার আগের দিন বেশিরভাগ বাচ্চাই স্কুলে আসে না , তাই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রাক্কালে বিদ্যালয়ের ইতিহাস বাচ্চাদেরকে জানানো। দ্বিতীয়তঃ তার একদিন পরেই প্রথম সামেটিভ ইভ্যালুয়েশন শুরু। তাই বাচ্চাদের শেষ মুহূর্তে কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে সেগুলো সমাধান করে দেয়া। কিন্তু এখানেই হল বিপত্তি। স্কুল খোলা রাখায় উত্তরবঙ্গের একটি বহুল প্রচলিত সংবাদপত্রে আমাদের বিদ্যালয় সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন বেরোয় - যে কেন ছুটির দিনে স্কুল খোলা রাখা হলো। এখন প্রশ্ন হল আমরা কি ওই দিন বাচ্চাদের পড়াশোনায় একটু অতিরিক্ত সাহায্য করতে গিয়ে এবং বিদ্যালয়ের ইতিহাস বাচ্চাদের সামনে তুলে ধরতে গিয়ে কোন অনৈতিক কাজ করেছি? কোন ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না আর সেই কারণেই চার পিরিয়ডের পর মিড ডে মিল খাইয়ে বাচ্চাদের ছুটিও দেয়া হয় যেন তারা মহাবীর জয়ন্তী সম্বন্ধে সচেতন হতে পারে। আমাদের স্কুলের অভিভাবকদের প্রতি এবং এই লেখাটি যারা পড়ছেন তাদের সবার কাছে আমার জিজ্ঞাসা আমরা কি খুব ভুল কোন কাজ করেছি? আমরা আশা রাখছি যে আপনারা কমেন্ট করে আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাবেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে ওই প্রতিবেদনে মহাবীর জয়ন্তীর দিনটি একটি জাতীয় ছুটির দিন অর্থাৎ National Holiday বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে ভারতবর্ষে তিনটি মাত্র জাতীয় ছুটির দিন আছে - প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবস এবং গান্ধী জয়ন্তী। আমরা wikipedia- এর একটি লিংক এখানে শেয়ার করছি যেখানে ক্লিক করে আপনারা বিশদভাবে ন্যাশনাল হলিডে সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
https://en.wikipedia.org/wiki/Public_holidays_in_India
তাই এই ধরনের অর্ধসত্য এবং বিকৃত সংবাদ পরিবেশন এর বিরুদ্ধে আমাদের সরব হতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন এর দ্বারা প্রকাশিত ছুটির নির্দেশটি আমরা যদি নজর করি তাহলে দেখতে পাবো যে ছুটির তালিকার নিচে পরিষ্কারভাবে লেখা আছ যে ছুটির তালিকাটি একটি নমুনা মাত্র। স্থানকাল ভেদে তা পরিবর্তন করা যেতে পারে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা ছুটির তালিকাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
https://wbxpress.com/model-holiday-list-2026-wbbse-schools/
সমালোচনা নিঃসন্দেহে উপকারী । সমালোচনা সঠিক দিশা দেখায়। কিন্তু কোন শিক্ষায়তন সম্পর্কে যখন কোন সমালোচনা মূলক প্রতিবেদন লেখা হয় ,তখন যিনি লিখছেন তার কাছে এই অনুরোধ রইল যে তিনি যেন ছোট ছোট শিশুদের সঠিক মানসিক বিকাশের কথা মাথায় রেখে লেখেন । শিক্ষায়তনে শুধু যে শিক্ষক শিক্ষিকারাই কাজ করেন তা না, সেখানে নরম মনের শিশুরাও থাকে। ওরা হয়তো সবকিছু ঠিকমত প্রকাশ করতে পারে না ঠিকই কিন্তু ওরা খুব সংবেদনশীল হয় এবং প্রতিটা কথা কি কারণে বলা হচ্ছে সেটা উপলব্ধি করতে পারে । ওদের মধ্যেও ভালো বা মন্দ বিচার করার ক্ষমতা আছে। তাদের প্রিয় বিদ্যালয় সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা তাদের কোমল মনে প্রভাব ফেলতে পারে । আমাদের মধ্যে যদি সঠিক মূল্যবোধ থাকে তাহলেই আমরা আমাদের শিশুদের একটি নির্মল সমাজ উপহার দিতে পারব । আমাদের ঔচিত্যবোধ যদি সজাগ হয় তাহলে আমরা কোন কিছু রং চড়িয়ে উপস্থাপন করব না । আমরা জীবনের এই নীতি অনুসরণ করতে পারলেই আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষা পাবে । তাই আসুন আমরা সবাই মিলে একটা সুস্থ এবং সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলি যেখানে সকল শিশুর প্রকৃত অর্থে বিকাশ ঘটে।
সকলের কাছে অনুরোধ রইলো যে কোচবিহার মহাত্মা গান্ধী গার্লস হাই স্কুল ( বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম) এর সঠিক খবর পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটি ফলো করে আমাদের পাশে থাকুন। সাথে লাইক এবং কমেন্ট করে আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন এই আশা রাখি।
02/04/2026
Today, the first summative assessment has started in our school. The students are taking the examination with great attention and sincerity, which reflects a disciplined and learning-friendly environment in the school. A sense of concentration and responsibility regarding the examination is noticeable among everyone.
01/04/2026
আজ পহেলা এপ্রিল ২০২৬। কোচবিহার মহাত্মা গান্ধী গার্লস হাই স্কুলের ৬৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৬০ সালে এই বিদ্যালয়টি দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত একটি ছোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে এটি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ বালিকা বিদ্যালয়ে পরিণত হয়, যেখানে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হতো এবং শিক্ষার মাধ্যম ছিল বাংলা।
২০১৯ সালে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমেও পাঠদানের নির্দেশ আসে। বর্তমানে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমে পাঠদান করা হয়। একই সঙ্গে ইংরেজি মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর তরফ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি মাধ্যমে পাঠদানের নির্দেশ ইতিমধ্যে হাতে এসেছে। একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে এই বিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যম অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। সময়ের সাথে সাথে আগামী দুই বছরের মধ্যে নবম ও দশম শ্রেণিতেও ইংরেজি মাধ্যমে পাঠদান চালু হবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করেন, যাতে তারা আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ পায়। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইমারি কাউন্সিল থেকে ড্রাফট শিক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ বিদ্যালয়ের স্থায়ী শিক্ষিকারাও প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ইংরেজি মাধ্যমে পাঠদান করেন। ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিদিন প্রতিটি পিরিয়ডে দুইজন শিক্ষক/শিক্ষিকা একযোগে পাঠদান করেন। একজন শিক্ষক পাঠদান করলে অপরজন ছাত্রছাত্রীরা তা সঠিকভাবে অনুসরণ করছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনে তাদের সাহায্য করেন। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ বিদ্যালয়ের স্থায়ী শিক্ষিকারাই পাঠদান করেন।
বাংলা মাধ্যমের ক্লাসে আলাদাভাবে বাংলা ভাষায় পাঠদান করা হয়। তবে বর্তমানে বাংলা মাধ্যমে ছাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম; অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্তই ছাত্রী রয়েছে।
আমাদের বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। খেলাধুলো, ড্রয়িং, নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি, কুইজ প্রভৃতি বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে নিয়মিতভাবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এই সকল ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সাফল্য অর্জন করেছে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী রাশি রায় একজন প্রতিভাবান রাজ্য স্তরীয় দৌড়বিদ, যিনি ক্রীড়াক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ পরিচালিত পৌরসভা স্তরীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমাদের বিদ্যালয় পরপর চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে এক বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
২০১৯ সাল থেকে ইংরেজি মাধ্যম চালু হলেও বিদ্যালয় আজ পর্যন্ত কোনো আর্থিক অনুদান পায়নি। এর ফলে বাংলা মাধ্যমে পড়ার জন্য ছাত্রী এলেও বসার জায়গার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে ভর্তি নেওয়া সম্ভব হয় না। নিয়মিত মিড-ডে মিল দেওয়া হলেও ডাইনিং হলের অভাবে ছাত্রছাত্রীরা অসুবিধার সম্মুখীন হয়। তবুও আমরা পড়াশোনাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিই। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় হাতের লেখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয় এবং গণিত বিষয়কে আকর্ষণীয় করে শেখানোর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্তরিক প্রচেষ্টা চালান।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো বিদ্যুৎ সংযোগ। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে গড়ে চারটি সিলিং ফ্যান ও দুটি টিউব লাইট চালানোর কারণে প্রচুর বিদ্যুৎ বিল আসে। গত গ্রীষ্মকালে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিকট চাঁদা তুলে সেই বিল পরিশোধ করতে হয়েছে।
কিছুদিন আগে পর্যন্ত মিড-ডে মিলের উচ্ছিষ্ট পরিষ্কার করার সমস্যাও ছিল। বর্তমানে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার শ্রীমতি যূঁথিকা সরকার মহাশয়ার সহযোগিতায় এই সমস্যার সমাধান হয়েছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমাদের বিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট শ্রীমতি রেবা কুন্ডু মহাশয়া তাঁর মূল্যবান উপদেশ দিয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত উৎসাহ ও প্রেরণা জোগান। তবে আমরা সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ আমাদের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের প্রতি, কারণ তাঁদের আস্থার ওপর ভর করেই তাঁরা তাঁদের সন্তানদের আমাদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন। আমরা আশা রাখি, এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্রছাত্রী ভবিষ্যতে একটি সুন্দর জীবন গড়ে তুলবে এবং আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে।
21/03/2026
আমাদের বিদ্যালয়ে কোচবিহার এম জে এন হসপিটাল-এর পক্ষ থেকে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক একটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। 🩸📚
শিবিরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ থ্যালাসেমিয়া কী, এর কারণ, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষা করার গুরুত্ব সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।
এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য থ্যালাসেমিয়া টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়। 👩⚕️👨⚕️
এই উদ্যোগ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা মনে করি। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। 🙏
17/03/2026
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী শ্রীধা দে কালিম্পং-এ অনুষ্ঠিত রাজ্য স্তরীয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় তার অসাধারণ দক্ষতা ও খেলাধুলার নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়ে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও তার লড়াই ছিল সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা শ্রীধার এই কৃতিত্বকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তোমার ভবিষ্যৎ জীবন আরও উজ্জ্বল হোক—এই কামনা করি। এগিয়ে চলো শ্রীধা, বিদ্যালয়ের সকলেই তোমার পাশে আছে।
15/03/2026
রঙ, গান আর নাচের মেলবন্ধনে বসন্তকে বরণ করল আমাদের বিদ্যালয়। ছাত্র-ছাত্রীদের অনবদ্য পরিবেশনা মন ছুঁয়ে গেল। 🌺🎵
11/03/2026
বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে আজ কে বা কারা ব্যবহৃত হাগিস, সবজির খোসা, মহিলাদের ব্যবহৃত প্যাডসহ বিভিন্ন নোংরা আবর্জনা ফেলে রেখে যায়। এর ফলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে।
বিষয়টি জানানো হলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নির্মল সাথী প্রকল্পের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে থেকে সমস্ত জঞ্জাল পরিষ্কার করে এলাকাটিকে জঞ্জালমুক্ত করেন। এজন্য তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বিভিন্ন সময়ে মিড ডে মিলের কিচেন গার্ডেনের ফুলকপি ও বাঁধাকপির গাছ নষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও জলের মোটর, মিড ডে মিলের বাসনপত্র ও কম্পিউটার সামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে।
এমতাবস্থায় এলাকার সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন—আপনারা বিদ্যালয়ের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সম্পত্তি রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালন করুন।
আমাদের স্কুল আমাদের সবার। 🙏
09/03/2026
আজকের দিনটি আমাদের স্কুলে ছিল একটু বিশেষ।
মিড ডে মিলের মেনুতে ছিল চিকেন। 🍗
এই বিশেষ খাবার পেয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এক আলাদা আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সবাই খুব খুশি মনে একসাথে বসে খাবার উপভোগ করেছে।
বাচ্চাদের হাসিমুখ আর আনন্দময় পরিবেশ আজকের দিনটিকে আরও সুন্দর করে তুলেছে।
07/03/2026
আজ দেওয়াল পত্রিকা 'ইচ্ছেডানা' তৃতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হলো বসন্ত বন্দনা অনুষ্ঠানের শুভ সূচনার মধ্য দিয়ে। কচিকাঁচাদের হাতের লেখা ও তাদের আঁকা ছবিতে সমৃদ্ধ হয়েছে আমাদের ইচ্ছেডানা।
24/02/2026
সৃজনশীলতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে বিদ্যালয়ের দেয়াল পত্রিকা “ইচ্ছে দানা”-র দ্বিতীয় সংখ্যা গর্বের সঙ্গে প্রকাশিত হলো।