Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Haripur High School Unofficial, School, Haripur, Madhabpur, Purba Meidinipur, Contai.
ইতিহাস হল এক চলমান ঘটনার অতীতের কথা।
স্মৃতি -বিস্মৃতির আলো আঁধারী ভাব ও প্রামান্য কিছু
তথ্য বিধৃত করা, ঊনিশ শতকের শেষ ভাগ, ভারতবর্ষে ব্রিটিশ রাজত্ব স্বমহিমায় বিরাজিত।
প্রবল স্বাধীনতা সংগ্রাম, পাশ্চাত্যের প্রভাব, মনীষীদের আত্মত্যাগ এবং জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ দেশের মানুষকে উৎসাহিত
করেছিল । আমাদের দেশের সহৃদয় মহানুভব জমিদার শ্রেনী নিজেদের আনুকুল্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি
লেন শিক্ষাবিস্তার ও জাতীয় চেতনার বিস্তার ঘটানোর উদ্দেশ্যে। একবিংশ শতাব্দীর প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে সে সকল জমিদার
আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়।
॥ প্রতিষ্ঠা পর্ব ॥
_________________________
বিদ্যাসাগরের জন্মভূমি এই মেদিনীপুর জেলার
প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে শিক্ষাবিস্তারের আলোকবর্তিকা নিয়ে বড়বড়িয়া গ্রামের স্বর্গীয় রাজনারায়ন হাজরা অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার কাঁথি মহকুমার ভগবানপুর ( বর্তমান ভূপতিনগর থানার) অন্তর্গত
হরিপুর গ্রামে আজ থেকে ১৩১ বছর পূর্বে ১৮৮৯ সালের ৪ঠা মার্চ 'হরিপুর এম. ই'. বা 'মিডল ইংলিশ'
স্কুলটি স্থাপন করেছিলেন।
হাওড়া জেলার এক জ্ঞানপিপাসু শিক্ষাব্রতী
ঁএক কড়ি মিত্র মহাশয় এই অঞ্চলে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে বড়বড়িয়ার জমিদার মাননীয়
স্বর্গীয় রাজনারায়ন হাজরা মহোদয়ের স্মরণাপন্ন
হন। তাঁরই দানে হরিপুর গ্রামে 0.৪৬ ডেসিমেল জায়গার উপর বিদ্যালয়টি গড়ে উঠেছিল। পরবর্তী
কালে হরিপুর গ্রামের মাননীয় স্বর্গীয় প্রফুল্ল মাইতি
মহাশয়ের উদ্যোগে বিদ্যালয় সংলগ্ন পুকুরটি বড়বড়িয়া গ্রামের হাজরা পরিবারের লোকেদের
অধিকারে থাকা ০. ০৬ ডেসিমেল জায়গা বিদ্যালয়টিকে দান করেন।
।।এম. ই স্কুল ও প্রবাদ পুরুষ হরিচরণ ।।
-----------------------------------------------------------------------@
বিদ্যালয় স্থাপনের অব্যবহিত পরে বিদ্যালয়টিকে
মধ্য ইংরেজী বিদ্যালয়ে উন্নীত করার জন্য ঁ এককড়ি মিত্র মহাশয় হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া নিবাসী মাননীয় ঁ হরিচরণ চক্রবর্তী মহোদয়কে
প্রধানশিক্ষক রূপে কার্যভার গ্রহনের জন্য আনয়ন
করেন। হরিচরণের পাদস্পর্শে ধন্য হল হরিপুর
গ্রাম। ধীরে ধীরে এম. ই স্কুলের খ্যাতি দূর দূরান্তে
প্রসারিত হল। প্রথমাবস্থায় বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনী
থেকে ষষ্ঠ শ্রেনী পর্যন্ত পঠন পাঠন পরিচালিত হত।
পরে দ্বিতীয় শ্রেনী পরিত্যক্ত হয়। বৃত্তি পরীক্ষার সাফল্যে ছাত্ররাও ভিড় করলো এই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।
তাঁদের প্রয়োজনে ১৯৩৪-৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হল
ছাত্রাবাস।
১৯৩৮ সাল পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল নিরলস
সাধনায় ঁ হরিচরণ চক্রবর্তী মহাশয় এত্দঞ্চলের
শিক্ষা জগতে এক প্রবাদপুরুষে পরিণত হলেন। তাঁর
সময়ে বিদ্যালয়ের সুখ্যাতির অন্তরালে যে সকল
সহ-শিক্ষকের অবদান ছিল অবিস্মরণীয,তাঁরা হলেন
---তাঙ্গুড়িয়ার রামচরণ দাস, মাছনানের বৈকুণ্ঠ দিণ্ডা,
কুঞ্জপাড়ার হরপ্রসাদ পাত্র(হেড পন্ডিত),নুনহন্ডের
গিরিশচন্দ্র জানা, রাধাপুরের ঈশ্বরচন্দ্র জানা,
মানিকজোড়ের জ্যোতিন্দ্রনাথ সাউ, হরিপুরের ঈশ্বর
চন্দ্র সাউ এবং অমূল্যকুমার মাইতি মহাশয়গণ।
যশস্বী প্রধান শিক্ষক ঁশ্রীনিবাস
-------------------------------------------------------------------
প্রবাদপুরুষ প্রধানশিক্ষক ঁ হরিচরণ চক্রবর্তী
অবসর গ্রহনের পর তাঁরই উদ্যোগে তাঁর কৃতি
ছাত্র কসবাগ্রাম নিবাসী শ্রীনিবাস চন্দ্র অধিকারী
মহাশয় প্রধান শিক্ষকের কার্যভার গ্রহণ করেন।
যদিও তখন চারিদিকে আরও কিছু বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে,তবুও দূরদূরান্তের ছাত্রদের প্রবাহ
ছিল হরিপুর এম. ই স্কুলের অভিমুখে। এই বিদ্যালয়ের
পঠন পাঠনের মান ছিল এতদ্ঞ্চলে আদর্শস্থানীয়।
শিক্ষকগণের নিষ্ঠা ও সেবা ছিল তর্কাতীত। তাই
প্রায় প্রতি বছরই একাধিক ছাত্র বৃত্তিলাভ করত।
সে সময়ের বহু ছাত্র আজও দেশে বিদেশে, সমাজের
বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সঙ্গে সুপ্রতিষ্ঠিত থেকে মাতৃপ্রতীম বিদ্যালয়ের গৌরব বৃদ্ধি করেছেন এবং করছেন ।
শ্রীনিবাস চন্দ্রের সময় কালের যশস্বী শিক্ষকগণ
হলেন ভূপতিনগরের ঁজ্ঞানেন্দ্রনাথ প্রধান (হেডপন্ডিত), উত্তর খামারের মধুসূদন দাস, ডুমরদাঁড়ির চক্রধর আচার্য্য, ঁপ্রহ্লাদ কুমার সাহু,
ঈশ্বরপুরের ঁসুকুমার রঞ্জন মাইতি, ডুমরদাঁড়ির
শ্রীপতিচরণ রায় মহাশয়গণ। এছাড়া ছিলেন ঁপঞ্চানন বেরা ঁঅলোক বোস, ঁসতীশ চন্দ্র দাসমিত্র
প্রমুখ।
এবছর (২০২০ সালে) স্বর্গীয় শ্রীনিবাস চন্দ্র অধিকারী মহাশয়ের অমরকীর্তিকে অক্ষয় করে
রাখার নিমিত্তে, তাঁরই স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর সুযোগ্য পুত্র
-কন্যাগণের আর্থিক সহযোগিতায়, ঐকান্তিক শুভ
উদ্যোগ ও মানসিকতায় এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক
সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উন্মোচিত হয় 'শ্রীনিবাস চন্দ্র অধিকারী মহাশয়ের আবক্ষমূর্তি ।'
এ ব্যাপারে শ্রীনিবাস চন্দ্র অধিকারী মহাশয়ের সুযোগ্য পুত্র-কন্যাগণের উদ্যোগ সত্যই প্রশংসনীয় ।
।।ক্রমোন্নয়ন।।
-------------------------------------------------------------
বিপদ আপদ অতিক্রম করে জনগনের প্রয়োজনের
সঙ্গে তাল রেখে আমাদের বিদ্যালয় ধাপে ধাপে
উন্নতি লাভ করেছে। হরিচরণের এম. ই. স্কুল শ্রীনিবাস চন্দ্রের কার্যকালে ১৯৩৪-৩৫ সালে প্রথম চারশ্রেনীর জুনিয়র হাই স্কুলে ও পরে হাইস্কুলে (১৯৭৩ সালে ) উন্নীত হয়। জুনিয়র হাই স্কুল হওয়ার
সময় সম্পাদক ছিলেন সমাজসেবী ডা.প্রভাতকুমার
মাইতি মহোদয় এবং হাই স্কুল হওয়ার সময় সম্পাদক
ছিলেন শিক্ষাব্রতী ও সমাজসেবী মাননীয় শ্রী চিত্তরঞ্জন শী মহোদয়। শ্রীনিবাস চন্দ্রের উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে স্থাপিত হয় প্রবাদপুরুষ প্রধান শিক্ষক 'হরিচরণ স্মৃতিস্তম্ভ'। ১৯৬৮ সালে বিদ্যালয়ে আশীতিতম বর্ষপূর্তি উত্সব উদ্ যাপিত হয়। ঐ সময় থেকে বিদ্যালয়ে সুনামের সঙ্গে সহ-শিক্ষা প্রথা প্রচলিত আছে। ১৯৭৩ সালে হাই স্কুল হওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক ছিলেন মাননীয় শ্রী রামকৃষ্ণ দাস মহাশয়। বিদ্যালয়টি হাই স্কুল হিসাবে অনুমোদন লাভের ক্ষেত্রে শ্রী চিন্ময় নন্দ মহাশয়ের সাহায্য ও সহযোগিতা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়।
মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হওয়ার সময় বিদ্যালয়ের
নতুন গৃহ নির্মাণের এবং গৃহনির্মাণ উপযোগী ভূমির
প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই প্রয়োজনের দিনে হরিপুর
গ্রামের ঁ ভূতনাথ বেরা মহাশয় বিদ্যালয় সংলগ্ন
প্রয়োজনীয় পরিমান মূল্যবান জমি বিদ্যালয়কে দান
করেন। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাতা স্বর্গীয় বেরা মহাশয়কে পরিচালক সমিতির আজীবন
সদস্যরূপে মর্যাদা দিয়েছেন। নতুন বিদ্যালয় গৃহও
নির্মিত হয়। এ ব্যাপারে গ্রামবাসী ও শিক্ষকগণের
অর্থসাহায্য শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। বিদ্যালয়ের সুনাম
কখনো ম্লান হয় নি। শিক্ষকগণের অক্লান্ত পরিশ্রমে
মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল হওয়ায় ছাত্র ছাত্রীর
সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। নতুন শ্রেনীকক্ষ
নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
উচ্চবিদ্যালয়ের অনুমোদন এক গৌরবময় অধ্যায় ---------------------------------------------------------------------
তত্কালীন সময়ে কোন বিদ্যালয়কে উচ্চবিদ্যালয়ে
রূপান্তরিত করতে হলে অনেক নিয়মকানুন মেনে
চলতে হত। শর্তগুলির অভাব ঘটলে অনুমোদন
দেওয়া হতো না। তাই জুনিয়র হাই স্কুল থেকে হাই
স্কুলে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের তত্কালীন
শিক্ষকগণের ভূমিকা ছিল বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।
মাননীয় শ্রী রামকৃষ্ণ দাস, ঁপ্রদ্যোত কুমার মাইতি,
ঁ মনোরঞ্জন জানা, শ্রী বাদল চন্দ্র দাস, শ্রী দিবাকর
মাইতি, শ্রী বিরোচন নন্দ, ঁ বিষ্ণুপদ কুইলা, শ্রী ভক্তিপদ মুখোপাধ্যায়, শ্রী মনোরঞ্জন খাটুয়া, শ্রীমতি
রেখা চৌধুরী, শ্রী পূর্ণেন্দু বেরা, শ্রী রত্নজিত্ বেরা, ঁমৃণালকান্তি মাইতি মহাশয়গণ অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে
কাজ করে বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন।
এঁদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। এবং যার ফলে
উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে অনুমোদন লাভে
কোনো অসুবিধা হয় নি। এঁদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। এছাড়া চতুর্থ শ্রেনীর কর্মী হিসাবে স্বর্গীয়া
সাবিত্রী বালা দাস ও শ্রী অনীল কুমার শী দীর্ঘকাল
নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে অবসর নিয়েছেন।
যেকোনো বিদ্যালয়ের পতাকা ও প্রতীক থাকা গর্বের ব্যাপার। আমাদের বিদ্যালয়ের পতাকা ও প্রতীক অশীতিবর্ষ ,শতবর্ষ ও ১২৫ তম বর্ষ পূর্তিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই প্রতীক ব্যবহৃত সূর্য, পদ্ম, পুস্তক, শস্যমন্জরী, চক্রাংশ, জল ও শ্বেত হংস যথাক্রমে তেজ, হৃদয়, জ্ঞান,প্রাণ প্রবহমানতা, শান্তি ও গতির অর্থবহ।
উচ্চতর মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত করণ
------------------------------------------------------
একবিংশ শতাব্দীর প্রাক্কালে (২০০২ সালে) উচ্চমাধ্যমিক কলা বিজ্ঞান বিভাগের অনুমোদন লাভ
করে। এ সময়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন মাননীয় শ্রী বাদল চন্দ্র দাস মহাশয় এবং সম্পাদক
ছিলেন মাননীয় ঁচিত্ত শী মহাশয় (২০০১--২০০৩)।
পরবর্তীকালে প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পান
মাননীয় শ্রী গৌতম কুমার দে মহাশয়। বিদ্যালয়ে
২০১০ সালে কারিগরী শিক্ষা পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে।
বিদ্যালয়ের জায়গার পরিধিকে বিস্তৃত করার জন্য বিদ্যালয়ে জমিদার করেছেন মাননীয় সেক আবুল
ফজল ও শ্রী প্রশান্ত কুমার মাইতি মহোদয়গণ।
বিদ্যালয়ের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বহু শিক্ষকের আর্থিক
সহযোগিতা প্রশংসার দাবি রাখে। বিদ্যালয়ের ভবন
নির্মাণের জন্য তিনটি ACR GRANT পাওয়া গিয়েছে
এবং প্রাপ্ত অর্থে তিনটি ভবন নির্মিত হয়েছে। বিধায়ক
তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ, রাজ্যসভার সাংসদ শ্রী তপন
সেনের MP LAD এর বরাদ্দ অর্থ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় স্যানিটারি সিস্টেমের সুষ্ঠ
রূপায়ণ, বিভিন্ন সরকারী অনুদান, ১২৫ তম বর্ষ পূর্তি
উপলক্ষে প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী-শিক্ষক শিক্ষিকা-অভিভাবক অভিভাবিকা- এলাকার শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিবর্গের আর্থিক অনুদান, সরকারী
Library Grant, Mid-day Meal ব্যবস্থার সুষ্ঠু রূপায়ণ
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা, শিক্ষক শিক্ষিকাগণের
নিষ্ঠার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীর পড়ানোর মনোভাব,
পড়ানোর উপযুক্ত পরিবেশ, সুষ্ঠ পরিচালনা ,
সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রভৃতি বিদ্যালয়ের শ্রীবৃদ্ধিতে
প্রভূত সহায়তা করেছে এবং এই উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত।
২০১৭ সালে মাননীয় প্রধান শিক্ষক শ্রী গৌতম কুমার দে মহোদয় অবসর গ্রহণ করলে সহকারী প্রধান শিক্ষক মাননীয় শ্রী কেশব চন্দ্র প্রধান মহাশয় দক্ষতার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের সুমহান দায়িত্ব পালন করেন( ২০১৭-২০১৮)।২০১৯ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান
মাননীয় শ্রী অরবিন্দ দাস মহাশয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সুমহান দায়িত্ব পালন
করছেন শ্রী অরবিন্দ দাস মহাশয়।.............
"বর্ষে বর্ষে দলে দলে আসে বিদ্যামঠতলে
চলে যায় তারা কলরবে।
কৌশরের কিশলয় পর্ণে পরিণত হয়
যৌবনের শ্যামল গৌরবে।"
মরমী শিক্ষক কবি কালিদাস রায়ের অনন্য রূপকল্পে
এই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার চিরপরিচিত চলচ্ছবি। এ
বিদ্যামঠ যেন সেই অভিনব কারখানা, যেখানে সেবা দিয়ে ,যত্ন দিয়ে, শিক্ষা দিয়ে আজকের শিশুকে গড়ে
তোলা হয় কালকের মানুষরূপে। আর এই বিশ্বজোড়া
বিরামহীন কর্মযজ্ঞে শিক্ষকরাই হয়ে থাকেন সর্বময় কারিগর। হরিপুর হাই স্কুল শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়,
শিক্ষাতীর্থ। কবিগুরুর ভাষায়:--আমাদের শিক্ষার মধ্যে এমন একটি সম্পদ থাকা চাই যা কেবল আমাদের তথ্য দেয় না, সত্য দেয়; যা কেবল ইন্ধন দেয় না, অগ্নি দেয়।এই শিক্ষাতীর্থের পুরোহিতগণ
'মানুষ গড়ার শিক্ষা 'য় সদা ব্রতী। স্বামীজির কথায় -"চোখ আমাদের পিছনের দিকে নয় সামনের দিকে, অতএব সামনের দিকে অগ্রসর হও।" ...."Education is the manifestation of perfection already in man". এই বাণীকে পাথেয় করে মাতৃসমা এই বিদ্যায়তনের অভিজ্ঞ শিক্ষকগণ মানুষগড়ার কাজে সদা ব্যাপৃত।
04/03/2026
মাতৃসমা স্কুলের জন্মদিন আজ।
26/07/2025
বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
জানুয়ারি, ২০২৪
Haripur High School Unofficial
Haripur High School - H.S
24/07/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Contai?