28/08/2018
#পড়াশুনা_হবে_না_এই_নিয়ে_চিন্তিত_শাহিনা।
#গলসি
গলসি থানার পুরসা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী শাহিনা খাতুন। বাড়ী পুরসা গ্রামে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সে ৪৪৮ নাম্বার পেয়ে গলসি থানার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। জানা গেল তার পড়ার খুব সখ। কিন্ত তার বাবা সেখ আব্দুস সমীর দিন মজুরের কাজ করেন এবং তার মা হামিদা বেগম গৃহস্থলীর কাজ করেন। সাহিনা ও তার মায়ের বক্তব্য তাদের আর্থিক সমর্থ নেই পড়াশোনা চালানোর। সরকারী সহযোগীতা না পেলে শাহিনার আর পড়াশোনা হবে না। আর পড়া হবে কিনা এই চিন্তায় সে কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেললো। তার কান্নায় শুনে পাশের প্রতিবেশীরাও কষ্ট পাচ্ছেন বলে জানা গেল। তার বাবার বক্তব্য খুব কষ্ট করে টিউশানি দিয়ে মেয়েকে পড়িয়েছি। জমি-জমা কিছু নেই তার। দিন মজুরের কাজ করে মেয়েকে আর পড়ানো সম্ভব নয়। বরং আত্মীয় - স্বজনের কাছে সহযোগীতা নিয়ে বিয়ের ব্যাবস্থা করছি। তাই আর পড়া হবে না শুনে শাহিনার কান্না থামছে না কিছুতেই। বিডিও তারকনাথ দাস বলেন বাড়ীর লোক যদি লিখিত অভিযোগ জানায়, তাহলে পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে সরকারী অনুদান দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তাই শাহিনার ইচ্ছাপূরণ করতে বাড়ীর লোকরা শেষ চেষ্টা করে দেখবেন সরকারী সহযোগীতা পাওয়া যায় কিনা। এমনটায় জানালেন শাহিনার বাবা। শাহিনার বক্তব্য সে ভালোভাবে পড়াশুনা করে স্কুল টিচার হতে চায়। অথচ সেই আশার আলো নিভতে চলেছে,শুধু অর্থের অভাবে। পাশের জাগুলিপাড়া গ্রামের সমাজ সেবক রহমত মোল্লা এই খবর পাওয়া মাত্রই বলেন যে সে পুরোপুরি পড়াশোনার খরচ না দিতে পারলেও কিছু আর্থক ভাবে অনুদান দিয়ে পাশে দাড়াতে চান।