Historia Pedia

Historia Pedia Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Historia Pedia, Education Website, Bolpur.

20/10/2025

হাজার হাজার বছর আগের মানুষদের জীবন্ত রূপ।।ancient royals।confusiys। Peter the great।gilmagesh। Queen tiye।william walllace



Md Julfikar Ali

রাজকুমারী দুররে শাহওয়ার দুরদানা বেগম সাহিবা। জন্ম: ১৬ জানুয়ারী ১৯১৪ - মৃত্যু ৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৬ । ছিলেন একজন উসমানীয় ...
05/10/2025

রাজকুমারী দুররে শাহওয়ার দুরদানা বেগম সাহিবা। জন্ম: ১৬ জানুয়ারী ১৯১৪ - মৃত্যু ৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৬ । ছিলেন একজন উসমানীয় রাজকন্যা। তিনি উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিংহাসনের শেষ উত্তরাধিকারী এবং উসমানীয় খিলাফতের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আব্দুল মজিদের একমাত্র কন্যা। কনস্টান্টিনোপলের অংশ উসকুদারের সামলিকা প্রাসাদে জন্মগ্রহণ করেন ।তার মা ছিলেন মেহেস্তি হানিম, যিনি হাসিমাফ আকলসবা এবং সাফিয়ে হানিমের কন্যা।

১৯৩১ সালে তার বাবা আজম জাহ মীর ওসমান আলী খানের (হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্যের ৭ম নিজাম) বড় ছেলে এবং উত্তরাধিকারীর সাথে তার বিবাহের ব্যবস্থা করেন।তার জন্য পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড মহর দাবি করা হয়, যা নিজাম খুব বেশি বলে মনে করেছিলেন। শওকত আলীর হস্তক্ষেপে তিনি একই মহরের জন্য নিজামের ছোট ছেলে মোয়াজ্জাম জাহের সঙ্গে রাজকুমারী নীলুফারের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। নিজাম অনায়াসে রাজি হন এবং তার দুই ছেলেকে বিয়ে করার জন্য ফ্রান্সে পাঠান।

#দুররেশাহওয়ারসুলতান










'মগ' মূলত একটি derogatory term, যা মূলত পর্তুগিজ জলদস্যু ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো এবং যারা বাংলাদেশ...
30/09/2025

'মগ' মূলত একটি derogatory term, যা মূলত পর্তুগিজ জলদস্যু ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো এবং যারা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লুঠতরাজ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাত। এই জলদস্যু গোষ্ঠীটি মূলত বর্তমান মায়ানমারের আরাকান (বর্তমান রাখাইন) রাজ্যের অংশ থেকে আসত এবং এদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের ফলে "মগের মুল্লুক" নামক একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে, যা অরাজক ও বিশৃঙ্খল দেশ বোঝায়। ইতিহাস অনুযায়ী, আরাকান রাজ্যের রাখাইন ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে এই জলদস্যু কার্যকলাপের জন্য তাদের 'মগ' বলে অভিহিত করা হতো।
মগ জাতির উৎস ও পরিচয়
আদি উৎস: মগ বলতে মূলত আরাকান রাজ্যের জলদস্যুদের বোঝানো হয়, যারা ১৫০০ থেকে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে (তৎকালীন মুঘল বাংলা) আক্রমণ করত।
রাখাইন বা মারমা: ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, এই জলদস্যু গোষ্ঠীটি মূলত রাখাইন ও মারমা জাতির অংশ ছিল, যদিও পরবর্তীতে রাখাইন ও মারমা জাতিগোষ্ঠী নিজেদের এই বিশেষ জলদস্যু পরিচয় থেকে পৃথক করে।
পর্তুগিজ সংযোগ: মগ জলদস্যুরা পর্তুগিজ জলদস্যুদের সাথে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশে আক্রমণ করত, যা তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের একটি কারণ ছিল।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
"মগের মুল্লুক": মগ জলদস্যুদের ভয়ানক লুঠতরাজ ও অরাজকতার কারণে বাংলাদেশে "মগের মুল্লুক" প্রবাদটি প্রচলিত হয়, যা একটি বিশৃঙ্খল বা আইনহীন রাজ্য বোঝায়।
আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ: এরা বাংলাদেশে এসে স্থানীয় মানুষজনদের ধরে নিয়ে যেত এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাত, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও তার আশেপাশের উপকূলীয় অঞ্চলে।
বর্তমান অবস্থা
জাতিগোষ্ঠী হিসেবে: এখনকার রাখাইন, মারমা, ও আরাকানীরা 'মগ' জলদস্যু হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয় না। বরং তারা একটি স্বাধীন জাতিগোষ্ঠী।
ঐতিহাসিক ভুল ধারণা: 'মগ' শব্দটি সাধারণত একটি জাতির তুলনায় জলদস্যু হিসেবেই বেশি পরিচিত, যার ফলে এটি একটি নেতিবাচক ও কলঙ্কিত পরিচয় বহন করে।

#মগদস্যু #মুঘল_আরাকান_যুদ্ধ , #মগমুঘলযুদ্ধ #শায়েস্তাখান #মগেরমুল্লুক #আরাকানরাজ্য ্ট

দামাত রুস্তম পাশা ওপোকোভিচ (১৫০০-১৫৬১) ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের একজন উজিরে আজম। তিনি প্রথমে ১৫৪৪ থেকে ১৫৫৩ এবং পরবর্তী...
27/09/2025

দামাত রুস্তম পাশা ওপোকোভিচ (১৫০০-১৫৬১) ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের একজন উজিরে আজম। তিনি প্রথমে ১৫৪৪ থেকে ১৫৫৩ এবং পরবর্তীতে ১৫৫৫ থেকে ১৫৬১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত উজিরে আজমের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত, বহু ভাষায় পারদর্শী এবং বীর যোদ্ধা। তিনি সুলতান সুলেমান এবং হুররাম সুলতানের একমাত্র কন্যা শাহজাদি মিহরিমাহ সুলতান কে বিবাহ করেছিলেন৷ যার ফলে তাকে দামাত অর্থাৎ জামাতা উপাধী দেওয়া হয়েছিলো। তার অঢেল সম্পদের কারণে তাকে ইতিহাসের সবচেয়ে সম্পদশালী উজিরে আজম ও বলা হয়। তার দ্বারা নির্মিত রুস্তম পাশা মসজিদ আজও তার ঐশ্বর্যের পরিচয় দেয়।





#রুস্তমপাশা





pasha

নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যা হিমালয় পর্বতমালার উপর অবস্থিত এবং চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত। এর সরকারি ন...
17/09/2025

নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যা হিমালয় পর্বতমালার উপর অবস্থিত এবং চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত। এর সরকারি নাম ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব নেপাল। নেপাল তার পর্বতমালা, বিশেষ করে মাউন্ট এভারেস্ট এবং অন্নপূর্ণার মতো আটটি সর্বোচ্চ শৃঙ্গের জন্য পরিচিত। দেশটি একটি ফেডারেল সংসদীয় প্রজাতন্ত্র এবং এর রাজধানী কাঠমান্ডু। নেপালি হলো প্রধান ভাষা, এবং দেশটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
অবস্থান ও ভূগোল:
অবস্থান: নেপাল দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
ভূপ্রকৃতি: দেশটি হিমালয় পর্বতমালার একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
পর্বত: বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ৮টি নেপালেই অবস্থিত, যার মধ্যে মাউন্ট এভারেস্ট অন্যতম।
প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক তথ্য:
সরকার: নেপাল একটি ফেডারেল সংসদীয় প্রজাতন্ত্র।
রাজধানী: কাঠমান্ডু হলো দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
রাষ্ট্রপতি: দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
ভাষা ও সংস্কৃতি:
ভাষা: নেপালি দেশটির প্রধান ভাষা।
ধর্ম: এখানে প্রধান ধর্ম হলো হিন্দুধর্ম, যা দেশটির জনসংখ্যার একটি বড় অংশ অনুসরণ করে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
আয়তন: নেপালের আয়তন প্রায় ১,৪৭,১৮১ বর্গকিলোমিটার।
জনসংখ্যা: দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি।
মুদ্রা: নেপালি রুপি হলো নেপালের সরকারি মুদ্রা।


#নেপাল

12/09/2025

অটোমানদের শেষ হাসেকি রাবিয়া সুলতনের জীবনী। #রাবিয়াসুলতানেরজীবনী
#উসমানীয়শেষহাসেকীরাবিয়া



Historia Pedia

"মক্কা মসজিদ" বলতে সাধারণত ভারতের হায়দ্রাবাদে অবস্থিত কুতুব শাহী রাজবংশের দ্বারা নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদকে বোঝানো হ...
07/09/2025

"মক্কা মসজিদ" বলতে সাধারণত ভারতের হায়দ্রাবাদে অবস্থিত কুতুব শাহী রাজবংশের দ্বারা নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদকে বোঝানো হয়। এটি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম এবং প্রাচীনতম মসজিদগুলির মধ্যে একটি এবং এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৭৭ বছর সময় লেগেছিল। মসজিদটির স্থাপত্যশৈলীতে সম্পূর্ণভাবে খোদাই করা পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, যা একে একটি অনন্য স্থাপত্যকর্মে পরিণত করেছে।
মক্কা মসজিদের বৈশিষ্ট্য:
নির্মাণকাল ও শাসক:
কুতুব শাহী শাসক কুলি কুতুব শাহ ১৬১৪ সালে এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
স্থাপত্যশৈলী:
মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে খোদাই করা পাথর দিয়ে তৈরি, যা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
নির্মাণ সময় ও শ্রমিক:
এর নির্মাণ সম্পন্ন করতে প্রায় ৭৭ বছর সময় লেগেছিল এবং হাজার হাজার শ্রমিক এর নির্মাণ কাজে অংশ নিয়েছিল।
অবস্থান:
এটি ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরে অবস্থিত।
অন্যান্য তথ্য:
এই মসজিদটি "মসজিদ আল-হারাম" বা "পবিত্র মসজিদ" থেকে ভিন্ন। ভারতের হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদটি একটি স্থানীয় এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা।


#মোহাম্মদকুলিকুতুবশাহ










#হায়দ্রাবাদটুর
#মক্কামসজিদহায়দ্রাবাদ

মীর মীরন ছিলেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে বাংলার নবাব মীর জাফরের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি পলাশীর যুদ্ধের সময় পলাত...
02/09/2025

মীর মীরন ছিলেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে বাংলার নবাব মীর জাফরের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি পলাশীর যুদ্ধের সময় পলাতক সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করার আদেশ দেন। তাঁর জন্ম আনুমানিক 1735 সালে এবং মৃত্যু 1760 সালে হয়েছিল।
প্রধান তথ্য
পরিচয়:
মীর মীরন ছিলেন বাংলার নবাব মীর জাফরের পুত্র এবং পরবর্তী নবাবের মনোনীত উত্তরসূরী।
পলাশীর যুদ্ধ:
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর, মীর মীরনের তত্ত্বাবধানে ঘাতক মুহম্মদিবেগ সিরাজকে হত্যা করে।
জীবনাবসান:
মীর মীরন অল্প বয়সেই মারা যান। কিছু সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি বজ্রপাতে মারা যান, তবে তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে।


⚔️ তামার যুগের গণহত্যা – যখন সভ্যতা একদিনে ধ্বংস হয়ে গেলমানবসভ্যতার ইতিহাসে অনেক উত্থান-পতন ঘটেছে। কিন্তু প্রায় খ্রিষ্টপ...
25/08/2025

⚔️ তামার যুগের গণহত্যা – যখন সভ্যতা একদিনে ধ্বংস হয়ে গেল

মানবসভ্যতার ইতিহাসে অনেক উত্থান-পতন ঘটেছে। কিন্তু প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ সালের দিকে ঘটে যাওয়া এক মহাবিপর্যয় ইতিহাসবিদদের আজও হতবাক করে রেখেছে। হঠাৎ করেই ইউরোপ, এশিয়া মাইনর ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরের একের পর এক শক্তিশালী সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে। এই ঘটনাকে বলা হয় “ব্রোঞ্জ যুগের পতন” (Bronze Age Collapse)।

মাত্র কয়েক দশকের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায় মাইসেনীয় সভ্যতা, হিট্টাইট সাম্রাজ্য, উগারিত নগররাষ্ট্র এবং মিশরও পড়ে ভয়াবহ সংকটে। ইতিহাসবিদরা বলেন, এটা যেন “একদিনেই সভ্যতার গণহত্যা”—কারণ হঠাৎ করে সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছিল।

🏺 ব্রোঞ্জ যুগ: অগ্রগতির যুগ

ব্রোঞ্জ যুগ (প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০০–১২০০) ছিল প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের সোনালি সময়।

ব্রোঞ্জের অস্ত্রগুলো তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি হতো। এই ধাতু দিয়ে অস্ত্র, সরঞ্জাম ও বর্ম বানানো হতো।

গ্রীসের মাইসেনীয়রা, আনাতোলিয়ার হিট্টাইটরা, মিশরীয়রা ও লেভান্তের নগররাষ্ট্রগুলো শক্তিশালী বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে কূটনীতি, যুদ্ধবিরতি ও বাণিজ্য চুক্তি ছিল। কিন্তু এই সমৃদ্ধির ওপর হঠাৎই নেমে আসে বিপর্যয়।

প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ সালের দিকে, হঠাৎ একের পর এক নগররাষ্ট্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। হিট্টাইট সাম্রাজ্যের রাজধানী হাত্তুসা ধ্বংস হয় আগুনে। উগারিত শহরের ট্যাবলেটগুলোতে পাওয়া যায় সাহায্যের আর্তনাদ: “শত্রুরা এসেছে, শহর পুড়ছে।”
মাইসেনীয় প্রাসাদগুলো একে একে ধ্বংস হয়। মিশরও আক্রান্ত হয় রহস্যময় “সি পিপলস” (Sea Peoples)-এর আক্রমণে।
ফলে কয়েক দশকের মধ্যেই প্রাচীন বিশ্বের প্রায় সব বড় শক্তি ভেঙে পড়ে।

ইতিহাসবিদরা এখনো একমত নন কেন এই পতন ঘটেছিল। তবে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরা হয়—

🔸আক্রমণ ও যুদ্ধ

রহস্যময় “সি পিপলস” ভূমধ্যসাগরের উপকূলে হামলা চালায়। তারা সমুদ্র থেকে আক্রমণ করে একের পর এক নগর ধ্বংস করেছিল।

🔸 প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে দেয়। জলবায়ুর পরিবর্তন ফসল উৎপাদন কমিয়ে দেয়।

🔸অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ- কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছিল। খাদ্যের অভাব ও শাসকদের নিপীড়নের কারণে বিদ্রোহ ঘটে।

🔸 অর্থনৈতিক ভাঙন- ব্রোঞ্জের জন্য টিনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অস্ত্রশস্ত্র উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ে।

⚰️ “একদিনের গণহত্যা”

প্রত্নতাত্ত্বিক খননে দেখা যায়—অনেক শহর হঠাৎ করে জনশূন্য হয়ে গেছে।
ঘরবাড়ি, বাজার, প্রাসাদ—সবকিছু যেমন ছিল, সেভাবেই পড়ে আছে। মনে হয় মানুষ পালাতে পারার আগেই মৃত্যু নেমে এসেছিল। এই জন্যই ইতিহাসবিদরা একে বলেন “সভ্যতার গণহত্যা”।

ব্রোঞ্জ যুগের পতনের পর আসে অন্ধকার যুগ (Dark Ages)। গ্রীসে মাইসেনীয় সভ্যতার জায়গায় শূন্যতা তৈরি হয়।
আনাতোলিয়ায় হিট্টাইট সাম্রাজ্যের স্থলে ছোট ছোট নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। মিশর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আর কখনো আগের মতো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি।

তবে এই পতনই নতুন এক যুগের জন্ম দেয়—আয়রন যুগ। লোহা দিয়ে অস্ত্র তৈরি শুরু হয়, যা ধীরে ধীরে নতুন সভ্যতার পথ খুলে দেয়।

“ব্রোঞ্জ যুগের পতন” মানব ইতিহাসের অন্যতম বড় ধ্বংসযজ্ঞ।
এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সভ্যতা যতই শক্তিশালী হোক, হঠাৎ এক বিপর্যয়ে সবকিছু ভেঙে পড়তে পারে।

আজও প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই রহস্য উন্মোচনে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি প্রশ্ন রয়ে গেছে—সত্যিই কি একদিনে পুরো এক যুগ শেষ হয়ে গিয়েছিল, নাকি এটা ছিল ধীরে ধীরে ঘটে যাওয়া পতন?

সংগৃহীত


#তামার_যুগ #ব্রোঞ্জ_যুগের_পতন #মাইসেনীয় #হিট্টাইট #সি_পিপলস #প্রাচীন_ইতিহাস #সভ্যতার_পতন #প্রত্নতত্ত্ব #ইতিহাসের_রহস্য

23/08/2025

সুলতান সেলিম (১) যে ভাবে দূত বন্দীর প্রতিশোধ নিলেন মিশর শাসক আল ঘোরীর উপর।








চীন মূলত বাজার অর্থনীতির সংস্কার, ব্যাপক শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাতের প্রসারের মাধ্যমে ধনী হয়েছে। কম শ্রম খরচ, শক্তিশালী ব্...
21/08/2025

চীন মূলত বাজার অর্থনীতির সংস্কার, ব্যাপক শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাতের প্রসারের মাধ্যমে ধনী হয়েছে। কম শ্রম খরচ, শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিবেশ, কম কর ও শুল্ক এবং প্রতিযোগিতামূলক মুদ্রা নীতি বিশ্বব্যাপী এটিকে 'বিশ্বের কারখানা' হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে, যা রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে। এর ফলস্বরূপ, চীন দ্রুত দারিদ্র্য কমিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।
মূল কারণসমূহ:
বাজার অর্থনীতির সংস্কার:
বিগত চার দশকে চীন তার অর্থনীতিতে যুগান্তকারী সংস্কার এনেছে, যা ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য নতুন পথ খুলে দিয়েছে।
শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাতের প্রসার:
চীন দ্রুত শিল্পায়ন করেছে এবং এখন বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ। কম শ্রম খরচের সুবিধা কাজে লাগিয়ে 'বিশ্বের কারখানা' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
ব্যাপক রপ্তানি:
উৎপাদন খাতে দক্ষতা অর্জনের পর, চীন বিশ্বের বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে, যা তার অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।
কাস্টমাইজড মুদ্রানীতি:
প্রতিযোগিতামূলক মুদ্রা অনুশীলনের মাধ্যমে, চীন তার পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
বিনিয়োগ আকর্ষণ:
উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং কম কর ও শুল্কের কারণে চীন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
ব্যাপক দারিদ্র্য বিমোচন:
এই অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ফলে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।
সংক্ষেপে, চীনের এই অর্থনৈতিক রূপান্তর ছিল বাজার সংস্কার, শিল্পায়ন, বিশ্ব বাণিজ্য এবং সঠিক নীতি গ্রহণের একটি সম্মিলিত ফলাফল।

বিশ্ব বিখ্যাত ব্যক্তিদের অদ্ভুত যত শখশখ এমন একটি জিনিস যা যেকোনো বয়সী মানুষকে ছেলেমানুষি করে তুলতে পারে। বিশ্বজুড়ে নানা ...
19/08/2025

বিশ্ব বিখ্যাত ব্যক্তিদের অদ্ভুত যত শখ

শখ এমন একটি জিনিস যা যেকোনো বয়সী মানুষকে ছেলেমানুষি করে তুলতে পারে। বিশ্বজুড়ে নানা মানুষের নানা রকম শখ থাকে। আর সেই শখ যদি হয় কোনো বিখ্যাত মানুষের তবে সে শখের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে আরো বেশি। কেউ কেউ বিখ্যাতদের অনুকরণে তাদের শখের দুনিয়া গড়ে তোলেন। আবার বিচিত্র শখ আছে বা ভয়ঙ্কর শখ আছে এমন লোকের সংখ্যাও কম না।
একেকজন মানুষের মানসিকতা, চিন্তাধারা ও সত্ত্বা যেমন আলাদা। তেমনই তাদের শখের ধরনও আলাদা ধরনের হয়। চলুন জেনে আসি বিশ্ব বিখ্যাত মানুষদের কার কি শখ ছিল-

🔺লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মোনালিসার হাসি আজো শত শত হৃদয়ে দাগ কাটে। এরই মাঝে অমর হয়ে আছেন তিনি। তবে তারও ছিল শখের নেশা। তিনি বাজার থেকে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন জাতের পাখি কিনতেন। তবে অদ্ভুত ব্যাপার ছিল তিনি পাখিগুলো পুষতেন না। কিনে মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দিতেন।

🔺রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অনেক ধরনের ঘটনা আমাদের কাছে অজানা। তেমনই আমাদের অনেকের আগ্রহ রয়েছে তার শখের ব্যাপারে। কবিগুরুর ছিল নানা ডিজাইনের কলম সংগ্রহের নেশা। অনেকে ভাবতে পারেন তিনি ছিলেন সাহিত্যকার, তার মধ্যে এই শখটি থাকতেই পারে। কিন্তু তার শখটি অদ্ভুত হওয়ার কারণ ছিল তিনি সেই কলমগুলো দিয়ে খাতায় একটি আঁচড় কেটেও দেখতেন না।

🔺আলেক্সান্ডার ডুমা
আলেক্সান্ডার ডুমার লেখা নানা উপন্যাস, গল্প ও কবিতা এখনো অনেক ভক্তের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। কিন্তু আপনারা জানেন কি, তার ছিল অদ্ভুত ধরনের শখ। এবং তিনি তার শখকে নিজের পেশার সাথে জুড়ে নিয়েছিলেন। তিনি নীলরঙের কাগজে উপন্যাস লিখতেন, গোলাপি রঙের কাগজ রেখেছিলেন কবিতা লেখার জন্য এবং পত্রিকায় ছাপানোর জন্য তিনি লেখা পাঠাতেন হলুদ রঙের কাগজে।

🔺অ্যাডলফ হিটলার
বিশ্বের ইতিহাসে যত যুদ্ধের ইতিহাস আছে তার মধ্যে অ্যাডলফ হিটলারের নাম প্রথমের সারিতেই। কিন্তু তিনি
যুদ্ধের বাইরে কেমন মানুষ ছিলেন তা অনেকেরই অজানা। তিনিও ছিলেন অদ্ভুত শখের মালিক। তিনি ছোটবেলা থেকেই ভায়োলিন বাজাতেন। এবং তার সময়ের জার্মানির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভায়োলিন বাদক ছিলেন তিনি। তার অদ্ভুত শখের সাথে এই ভায়োলিনের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তার নির্দেশে যত হত্যাযজ্ঞ করা হয়েছে প্রত্যেকটির পর তিনি তার ভায়োলিনটি বাজিয়ে দুঃখ প্রকাশ করতেন। এটিই ছিল তার শখ।

সংগৃহীত







**er

**er


Address

Bolpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Historia Pedia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Historia Pedia:

Shortcuts

Share