Manage your skills

Manage your skills manage your skill


people skill


leadership developments

18/08/2020

*সাফল্য আসতে পারে এই সাত সুত্র ধরে!*

চলার পথে অনেক বাধাবিপত্তি আসে, আসে হতাশাও। তাই সাফল্যের জন্য মাঝেমধ্যে প্রয়োজন হয় অনুপ্রেরণার, দরকার হয় উৎসাহের। নিজেকে নিজে সাহস দেওয়া, আত্মবিশ্বাসী হওয়াই মূল কথা। নিজের মধ্যেই নিজের কাজের অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে হবে। এই সাতটি বিষয় মাথায় রাখুন, সাফল্য এই সূত্র ধরেই আসতে পারে!

*কাজে আন্তরিক হওয়া*
আপনার পেশা যা-ই হোক, সেটাকেই আপন করে নিয়ে কাজের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। সাফল্যের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাতে আপনাকে লক্ষ্য স্থির রেখে কাজ করে যেতে হবে। নিতে হবে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছার সংকল্প। নিজেকে নিজে বলতে হবে, ‘আমার কাজের ক্ষেত্রে আমিই সেরা।’ দেখবেন, আপনার চিন্তাভাবনা উন্নত হবে। তাই অযথা সময় নষ্ট না করে এখনই আন্তরিক হয়ে কাজে লেগে পড়ুন।

আপনার দুর্বলতা ও প্রতিবন্ধকতাগুলো জানুন
আপনার দুর্বলতার জায়গাটা কী? কোন জায়গাটায় আপনার দক্ষতার ঘাটতি আছে? কোন গুণটা আপনার নেই? নিজের ভুল বা ঘাটতি সাধারণত নিজের চোখে ধরা পড়ে না। তাই আপনার আশপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করুন, আপনাকে যারা ভালোভাবে চেনেন, তাদের জিজ্ঞেস করুন আপনার দোষ-ত্রুটি বা ঘাটতিগুলো খুঁজে দিতে। অনেকের মত পর্যালোচনা করে খুঁজে বের করুন আপনার দুর্বলতা। তারপর কীভাবে সেই দুর্বলতা কমিয়ে আনা যায়, এ জন্য পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান।

*সঠিক মানুষের সঙ্গে থাকুন*
‘সঠিক মানুষ’ কারা? যারা আপনার ভালো চান এবং যারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে জয়ী, তারাই সঠিক মানুষ। এমন মানুষের সঙ্গে মিশবেন, যারা অযথা সময় নষ্ট করে না, যাদের নিজস্ব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আছে। এমন মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করুন, যারা উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইতিবাচক মানসিকতার। সফল হতে হলে সফলদের সঙ্গে থাকুন। নেতিবাচক মনের মানুষদের থেকে দূরে থাকাই ভালো। এরা আপনার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং আপনাকে টেনে নিচে নামাবে!

*স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখুন*
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। তাই নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট খেয়াল রাখুন। শরীর ঠিক না থাকলে কোনো কাজই ঠিকভাবে করতে পারবেন না। শরীর ঠিক রাখতে ঠিকঠাক পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং করতে হবে নিয়মিত শরীরচর্চা। রাতে দেরি করে না ঘুমিয়ে আগেভাগে ঘুমান, যাতে ভোরে ওঠা যায়।

*নিজেকে সেরা ভাবুন*
মোহাম্মদ আলীকে বলা হয় সর্বকালের সেরা বক্সার। এ কথা তিনি নিজেও জানতেন। তাইতো সেই সাদা-কালো যুগের এক ভিডিও ক্লিপে আমরা দেখি, মোহাম্মদ আলী নিজের সম্পর্কে বলছেন, ‘I am the greatest.’ আমিই সেরা—এই বাক্যটি আপনি যদি নিজের মনে ধারণ না করেন, তাহলে আপনার পক্ষে নিজের মনোবল চাঙা রাখা মুশকিল। আবার নিজেকে সেরা বানানোর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রমও করতে হবে, শুধু সেরা ভাবলে চলবে না। আপনি নিজেকে যা ভাববেন, মন থেকে যা হতে চাইবেন, আপনি একদিন তা-ই হবেন। ভালো মানুষ হতে চাইলে ভালো মানুষ হবেন। সেরাদের সেরা হতে চাইলে সেরাই হবেন। যার নিজের ওপর বিশ্বাস নেই, নিজের সামর্থ্যের ওপর ভরসা নেই, সে কখনো জয়ী হতে পারে না।

*নিজের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করুন*
নিজের মনের সঙ্গে কথা বলুন। গঠনমূলক কথা বলুন, চিন্তাভাবনাও গঠনমূলক করুন। অন্যের সম্পর্কে খারাপ চিন্তা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেলে নিজের মনটাও খারাপ চিন্তায় ভরে যাবে। তার চেয়ে নিজেকে বলুন, ‘আমি নিজেকে ভালোবাসি’, ‘আমি এটা করতে পারি’, ‘আমি আমার কাজকে ভালোবাসি’। এগুলো কিন্তু নিজেকে নিজে মিথ্যা বলা নয়, বরং অগ্রিম সত্য হিসেবে ধরে নিন। কারণ, এভাবে চললে একদিন আপনি এগুলোকে সত্য বানাতে পারবেন। নিজেকে আপনি যে অবস্থায় দেখতে চান, যা বানাতে চান ভবিষ্যতে, সেভাবেই নিজের সঙ্গে কথা বলুন।

*এগিয়ে যান*
নিজের ভেতর তাড়া আনুন। সেই তাড়াই আপনাকে সামনে এগিয়ে নেবে। অযথা সময় নষ্ট করবেন না। ভালো কোনো পথ পেলে দেরি না করে সেই পথে হাঁটতে শুরু করে দিন। যত দ্রুত আপনি এগোবেন, আপনার উন্নতি ততই এগিয়ে আসবে। আর আপনার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আপনি নিজেকে ততই ভালোবাসতে শুরু করবেন। নিজেকে ভালোবেসে এগিয়ে যান সাফল্যের দিকে, কেউ আপনার পথের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।

22/07/2020

চাকরী করা অবস্থায় কীভাবে ব্যবসা শুরু করবেন
চাকরি করব, না ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা করব এই রকম চিন্তা কম বেশী অনেক চাকরিজীবী করে থাকেন। চাকরি করা অবস্থায় একটি ব্যবসা শুরু করা কঠিন চ্যালেঞ্জ। আজকের এই লেখায় কিভাবে চাকরি করা অবস্থায় একটি ব্যবসা শুরু ও কি ব্যবসা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

চাকরি করা অবস্থায় ব্যবসা শুরু করার অনেক কারনই থাকতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কারো অধীনে থাকতে না চাওয়া, নিজের মত করে জীবন অতিবাহিত করা, লিমিটলেস টাকা কামানো, ইত্যাদি। আশা করছি পাঠকগন এই লেখাটি পড়ে কিছু চিন্তার খোরাক পাবেন।

সময়ের হিসাব করুন: আপনি কত ঘণ্টা অফিসে কাজ করছেন এবং আপনার কত ঘণ্টা সময় দিন শেষে পরে থাকে তা জেনে নিন। তারপর আপনার ব্যাক্তিগত কাজের জন্য কত ঘণ্টা সময় লাগে তা জেনে নিন। উদাহরন- আপনি সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে উঠেন এবং ৯ টা থেকে অফিসের কাজ শুরু করেন এবং যা বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলতে থাকে। তারপর বাসায় আসতে ৬ টা বেজে গেল।

এবার আপনি ৬ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত এই ৩ ঘণ্টা ফ্রী থাকেন যা আপনি এই সময় কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন। অনেকের ক্ষেএে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় ব্যবসায় দিতে পারে। তাছাড়া ছুটির দিনে আপনি চাইলে ব্যবসায় অতিরিক্ত সময় দিতে পারেন। তাহলে আমরা একটি বিষয়ে পরিষ্কার ধরনা পেয়েছি যে, চাকরি করা অবস্থায় আপনি চাইলে গড়ে ৪ ঘণ্টা সময় ব্যবসায় কাজে লাগাতে পারেন।

যে ব্যবসা চাকরি করা অবস্থায় শুরু করা যায়:-
১। যৌথ মালিকানা ব্যবসা শুরু করতে পারেন, বিশেষ ভাবে যেসব ব্যবসা দোকান ভিত্তিক হয়ে থাকে। এই ব্যবসার জন্য ৩ জন মালিক থাকলে সব থেকে উত্তম। পালা ক্রমে দোকানদারি করা যেতে পারে। উদাহরন- কাপড়ের শোরুম, জুতার দোকান, খেলনার দোকান, ক্রোকারিজ পণ্য, ইত্যাদি।

২। ই-কমার্স। অনেক পণ্যের দিকে না ছুটে, দুই তিনটি পণ্য নিয়ে পার্ট-টাইম ব্যবসা হিসাবে ই-কমার্স শুরু করতে পারেন। সারা দিনে যেই সব পণ্যের অর্ডার পাবেন তা অফিস থেকে এসে কুরিয়ার সার্ভিসর মাধ্যমে এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন। ছুটির দিনে মার্কেটিং এর দিকে নজর দিন। ধৈর্য ও সততার সাথে এই ব্যবসা করলে লাভবান হবেন বলে বিশ্বাস করছি।

৩। পার্ট টাইম অনলাইন ব্লগার। সারাদিন অফিসের কাজ করে যদি আবার বাইরে যেতে মন চায় তাহলে অনলাইন ব্লগিং করতে পারেন। মেধা ও ধৈর্য দিয়ে কাজ করলে অফিসের বেতনের চেয়ে বেশী আয় করতে পারবেন।

৪। লন্ড্রি ব্যবসা। সম্প্রতি লন্ড্রি ব্যবসা একটি সফল ব্যবসা হিসাবে বেশ পরিচিত। এক বা দুই জন কর্মচারী দিয়ে এই ব্যবসা করতে পারেন। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনি নিজে থেকে তদারকি করতে পারবেন। এই ব্যবসা লস হবার সম্ভবনা খুবই কম। অল্প টাকা দিয়ে লন্ড্রি ব্যবসা শুরু করা যায়। তবে লন্ড্রি দোকান নেওয়ার আগে মার্কেট যাচাই করে নিতে হবে।

৫। আইপিও শেয়ারে আবেদন করুন। অনেক চাকরিজীবীই এই ব্যবসার সাথে আজ সম্পৃক্ত। ১০০ ভাগ ঝুঁকি মুক্ত ব্যবসা করতে চাইলে এই ব্যবসার বিকল্প নেই। বিশেষ নোটঃ আবেগে পড়ে কখনই চাকরি ছেড়ে ব্যবসা করবেন না। চাকরি আপনি তখনই ছাড়বেন যখন আপনার চাকরির বেতনের থেকে ব্যবসা থেকে বেশী আয় হচ্ছে।

21/07/2020

নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারলেই সফলতা....

আসলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারা একজন মানুষের সবচেয়ে বড় দক্ষতা। দুইজন ছাত্রের কথা ধরা যাক। কাল তাদের পরীক্ষা। আজ টিভিতে তাদের দু’জনের প্রিয় টিমের ক্রিকেট ম্যাচ সরাসরি দেখাবে। তবে পরীক্ষায় যদি ভালো করতে হয় তবে তাদের উচি‌ৎ হবে খেলা দেখা বাদ দিয়ে সময়টা পড়ার কাজে লাগানো, যাতে পরদিন পরীক্ষাটা ভালো হয়।

এই দুইজন ছাত্রের একজন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে খেলা দেখা বাদ দিয়ে পড়াশুনা করল।তার পরীক্ষা খুবই ভালো হল। আরেকজন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলো না। ফলে তার পড়া ঠিকমত হল না, আর তাই তার পরীক্ষাও ভালো হল না। অথচ দু’জনেরই লক্ষ্য ছিল পরীক্ষায় ভালো করা। একজন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে লক্ষ্য অর্জনের জন্য সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করেছে, আরেকজন করেনি।

শুধু পড়াশুনা নয়, যে কোনও বিষয়েই মানুষ যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করতে পারে – তবে সে জীবনে অনেক বেশি সফল হতে পারবে। আসলে মানুষের লক্ষ্য পূরণ না হওয়ার সবচেয়ে বড় একটি কারণই হল সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করতে না পারা। এবং এই না পারার সবচেয়ে বড় কারণ হল নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকা।

কাজের সময়ে খেলা দেখা বা অন্য কোনও মজা বিসর্জন দেয়ার মত আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তি আপনার থাকতেই হবে, না হলে পিছিয়ে পড়তে হবে। সত্যি কথা বলতে, সব সময়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা সহজ নয়। কারণ সব সময়েই আমাদের সামনে বিভিন্ন ধরনের বিনোদন ও মজার বিষয় আসতে থাকে, যেগুলো এড়িয়ে সত্যিকার কাজ করাটা অনেক সময়েই কঠিন হয়ে যায়।

আর এটা কঠিন বলেই পৃথিবীর মাত্র ২০% মানুষ বাকি ৮০% এর ওপর কতৃত্ব করে। এই ২০% মানুষ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে সফল হতে হতে এমন একটা জায়গায় চলে যায়, তারা তখন অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বিখ্যাত সেলফ ডেভেলপমেন্ট ট্রেইনার ও বেস্ট সেলিং লেখক ব্রায়ান ট্রেসি তাঁর “দি পাওয়ার অব সেল্‌ফ ডিসিপ্লিন”বইয়ে লিখেছেন, পৃথিবীর ২০ ভাগ মানুষ বাকি ৮০% টাকার মালিক।

পৃথিবীর ৮০% মানুষ বাকি ২০% এর জন্য কাজ করে। এর কারণ হিসেবে অনেকে পুঁজিবাদ, সামাজিক অবস্থা – ইত্যাদিকে দায়ী করেন। একথা সত্যি যে, এগুলোর কিছু দায় আছে। কিন্তু এই ৮০% মানুষের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় ও পরিশ্রমে বড় হয়েছেন। তাঁদের জন্ম হয়েছিল খুব সাধারণ অবস্থায়। বলার মত কোনও পরিচয় অথবা কোনও সম্পদ নিয়ে তাঁরা শুরু করেননি।

চীনের জ্যাক মা, বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তা টমাস আলভা এডিসন, ভারতীয় ধনকুবের ধীরুভাই আম্বানী, অথবা বাংলাদেশের আকিজ শেখ এর মত মানুষরা এমন অবস্থা থেকে এমন জায়গায় উঠে এসেছেন – যা দেখেও বিশ্বাস হতে চায় না।

তাঁদের এই অবাক করা সাফল্যের পেছনে মেধা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি আত্ম নিয়ন্ত্রণের একটা বড় ভূমিকা ছিল। ক্লাসের সেরা ছাত্রটি থেকে শুরু করে যে কোনও ক্ষেত্রের সেরা মানুষগুলোর মধ্যে এই গুণটি দেখা যায়। একজন মানুষ যত মেধাবী আর সুযোগের অধিকারীই হোক না কেন – সে যদি সময়মত নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে সঠিক কাজটি করতে না পারে – তবে সে সফল হতে পারবে না। যে কোনও ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়ার অন্যতম একটি শর্তই হল নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারা।

20/07/2020

উদ্যোক্তা হতে বেড়িয়ে আসুন চাকুরীর দাসত্ব থেকে!

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টার কমতি নেই। চাকুরীর দাসত্ব থেকে নিজেকে মুক্তি দিতে চাই আমরা। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারনে বের হয়ে আসা হয় না এ যাতাকল থেকে। চাই ঝুঁকি নিতে সাহসী হতে গিয়েও হতে পারি না। চাকুরীকে নিরাপত্তা ভেবে সেই চাকুরীর পরাধীনতার মধ্যে স্বাধীনতা খুঁজতে হয়। অনিচ্ছায় নির্বাসনে যাওয়ার মত করে প্রতিদিন অফিস যেতে হয় বাসে ঝুলে ঝুলে।

যারা হবেন উদোক্তা তাদের সর্বপ্রথম মনের মধ্যে জিদ থাকতে হবে। কখনও কখনও জয় নিশ্চিত জেনেও শোচনীয় পরাজয় বরন করতে হয়। আবার নিশ্চিত হারও জয়ে পরিনত হয়ে যায়। আপনার মনের মধ্যে একটি জিদ পুষে রাখুন যে কোন মূল্যে আপনাকে জয়ী হতেই হবে। তবে সবার প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হল একটি বড় লক্ষ নির্ধারন করা। আর লক্ষকে তাড়া করতে থাকতে হবে আত্মবিশ্বামের দম।

আত্মবিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি। আপনার মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে। আপনি শ্রেষ্ঠ আপনার কাজ দ্বারা এই একটি কথা নিজেকে বিশ্বাস করান। আপনি অন্য সবার থেকে আলাদা। আপনি সেই কাজটি করতে প্রস্তুত যেখানে আপনার আগেও অনেকে ব্যর্থ হয়েছে। আপনি বার বার ব্যর্থ হলেও সেই কাজের সফলতা পাওয়ার আগ পর্যন্ত লেগে থাকতে রাজি।

কোন কিছু পেতেই হবে এবং তা সৎপথে। কেউ আপনার সহযোগী হিসেবে না থাকলেও আল্লাহ আপনার সাথে আছে এটা বিশ্বাস করুন। সৎপথে যে কোন ভাল কিছু পেতে যখন আপনি মনস্থির করবেন তখন সেই কাজটির জন্য সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং আপনার সহযোগী হয়ে যাবে। কোন কিছুর জন্য সুযোগ থাকে না। সুযোগ তৈরী করে নিতে হয়। সফল হবার রাস্তা আপনাকে কেউ দেখিয়ে দিতে পারবে কিন্তু আপনাকে সেই পথের শেষে পৌঁছে দিতে পারবে না। তাহলে কারও জন্য অপেক্ষা নয়।

কে কি বলল তাতে আপনার কিছু যায় আসে না। পৃথিবীর মানুষকে কয়েক বছরের জন্য ভুলে নিজের কাজে মন দিন। পৃথিবীর মানুষগুলো আপনাকে খুঁজে বের করে নিবে আপনার কাজের দ্বারা। শেষ দেখার জিদ নিয়েই নামুন কাজে। মাঝ নদীতে নৌকা থেকে নেমে পড়লে পাড়ে এসে পৌছাতে পারবেন কিনা তা অনিশ্চিত। কিন্তু মাঝ নদীতে তুফানে ছেঁড়া পালের নৌকা ডুবে গেলেও যদি মনের মধ্যে জিদ থাকে তবে পাড়ে ঠিকই পৌঁছানোর যেকোন একটা ব্যবস্থা হবেই।

ভাল কোন কিছুর জন্য জিদ ধরুন। মন্দ কোন কিছুর জন্য নয়। ঝুঁকি নেওয়ার মত সাহস তৈরী করুন। সবাই ঝুঁকি নেওয়ার মত সাহস দেখাতে পারে না। যারা ঝুঁকি নেওয়ার মত সাহস দেখাতে ব্যর্থ হয় তারা গোলামীর মধ্যে স্বাধীনতা খুঁজে ফিরে। সেটাকেই সম্মান আর নিরাপত্তা মনে করে আর বলে বেড়ায় সবাই যদি উদ্যোক্তা হয় তাহলে চাকরী করবে কে?

বলি উন্নত দেশের বেশীর ভাগ মানুষ উদ্যোক্তা তাদের চাকুরী কারা করে? প্রয়োজনে অন্যের দেশ থেকে শ্রমশক্তি আমদানী করবেন। কে আপনাকে বাধা দেয়? আমাদের দেশে বহু উদ্যেক্তা আছে যারা তার প্রতিষ্ঠানে বিদেশের শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে রেখেছে। এমনকি আপনি যার চাকুরী করছেন সেও দেশের বাইরের দুই চার জনকে আপনার মত চাকুরী দিয়ে রেখেছেন।

জেতার জন্য হলেও একবার আকাশের দিকে তাকান। বিশালতার আকাশে আপনি মুক্ত পাখি হয়ে উড়বেন নাকি বন্দী পখির মত খাঁচায় মধ্যে দাপাদাপি করবেন সেটা ব্যক্তিগত। তবে আপনার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার জন্য অপেক্ষায় সবাই। সুযোগ কেউ তৈরী করে না দিলেও আপনি অন্যদের পথ দেখানোর জন্য হলেও নিজের সঙ্গে নিজে জিদ ধরুন। পথ দেখান আপনি, কারো জন্য হলেও সামনে চলুন।

19/07/2020

🌺🌱🌺🌱🌺🌱🌺🌱🌺

*_छाता "बारिश"नहीं रोक सकता_*
*_परन्तु "बारिश" में खड़े रहने का_*
*_"हौंसला" अवश्य देता है_*
*_💐💐💐_*
*_उसी तरह "आत्मविश्वास"_*
*_सफलता की "गारन्टी" तो नहीं_*

*_परन्तु "सफलता" के लिए_*
*_संघर्ष करने की "प्रेरणा"_*

*_"अवश्य" देता है_*

*_💐💐💐सुप्रभात💐💐💐_*
🌹🙏🙏🙏🙏🙏🌹
------------
----------------

Good afternoon....
17/07/2020

Good afternoon....

29/06/2020

চাকরি সবার ভালো লাগবে না, এমনটাই স্বাভাবিক। তা ছাড়া আমাদের সমাজে দেখা যায়, একটা বয়সের পর প্রায় সবাই ব্যবসা শুরু করতে চান। পুঁজি, অভিজ্ঞতা_ এসব বিষয় থাকে বিবেচনায়। অনেকেই আবার তরুণ বয়সেই ব্যবসা শুরু করেন, এই তরুণরাই ব্যবসায় সফলতা পান বেশি। ব্যবসার ধরনের ওপরও নির্ভর করে অনেক কিছু। তবে সফল ব্যবসায়ীরা মনে করেন ব্যবসা শুরু করা উচিত ২০-৩০ বছর বয়সের মধ্যেই। চলি্লশের পরে ব্যবসায় নামা নাকি বোকামিরই শামিল! চলুন, সফল ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতার আলোয় হেঁটে আসি-

সফলতার মাত্রা: পরিশ্রম ও মেধার সমন্বয়ে একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারলে দীর্ঘদিন সেই আয় ভোগও করতে পারবেন। আপনি যদি শুরুতেই কোনো চাকরিতে ঢুকে যান, তাহলে সেই চাকরি ছেড়ে আবার নতুন করে জীবন শুরু করা কঠিন। আর যে কোনো ব্যবসা হঠাৎ সফল হয় না। সে জন্য প্রয়োজন হয় সময়। যত কম বয়সে আপনি কাজে নেমে পড়বেন ততই বেশি সময় পাবেন। আপনার পরিশ্রমের ফল উপভোগ করারও সুযোগ থাকবে।

ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা: আপনার মনে হতে পারে যে, বয়স বাড়লে সহ্য ক্ষমতা বাড়ে; আসলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীর, নার্ভ সবই দুর্বল হয়ে যায়। একজন তরুণ ব্যবসাটাকে যেভাবে বিচার করতে পারেন, বিশ্বের কোথায় কোনোভাবে একই আইডিয়ার সমন্বয় ঘটছে, সেখান থেকে তিনি কী নেবেন, কী নেবেন না, কীভাবে নিজের ব্যবসাকে অনন্য করে তুলে ধরবেন, মোটকথা ঝুঁকি নেওয়ার যে সাহস তার থাকে চলি্লশোর্ধ্ব একজন মানুষের পক্ষে সেই ঝুঁকি নেওয়া কঠিন।

ধকল সামলানো: একজন তরুণের পরিশ্রম শক্তি একজন বয়স্ক ব্যক্তির চেয়ে আলাদা থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চলি্লশের পর নতুন করে জীবন শুরু করতে চাইলে বিষয়টা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ঝুঁকির সঙ্গে সঙ্গে ব্যর্থতার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তরুণ বয়সটাই এসব ধকল সামলানোর জন্য উপযোগী।

মাল্টিপল ব্যবসা: আমরা একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে উদ্যোক্তা হয়ে মার্কেটে প্রবেশ করি। ধীরে ধীরে ব্যবসা বাড়াই। যেমন, একজন কাপড়ের ব্যবসায়ী ধীরে ধীরে ব্যবসার সফলতা অনুযায়ী বাড়াতে থাকেন ব্যবসার পরিধি। যোগ করেন গহনা বা অন্যান্য অনুষঙ্গের ব্যবসাও। আবার হয়তো কাপড়ের ব্যবসাকেই আরও বিস্তৃত করেন। কারখানা নেন। নিজেই প্রোডাকশনে চলে যান। কম বয়সে শুরু করলে এই সময় পাওয়া সহজ। আপনি হারবেন, আবার উঠে দাঁড়াতে পারবেন। তাই, সব বিবেচনা করে চলি্লশের আগেই এই পথে পা বাড়ানো উচিত। আর ত্রিশের আগে হলে তো আরও ভালো!

16/06/2020

*সফলতা পেতে বৃত্তের বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে হবে*

মানুষ মাত্রই সাফল্য প্রত্যাশী। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায় সফল মানুষের চেয়ে ব্যর্থদের সংখ্যাই বেশি। সফলতা লাভের জন্য সকলেই কম-বেশি পরিশ্রম করেন। কিন্তু কেউ কেউ দ্রুত সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছে যান, আবার অনেকেই ব্যর্থতার বৃত্ত ছেড়ে বের হতে পারেন না। আজকে জীবনে সফলতা অর্জনের উপায় সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে একটু আলোচনা করার চেষ্টা করছি।
1. সাফল্যের জন্য প্রয়োজন সময়ের সঠিক ব্যবহার: সাফল্যের পূর্বশর্ত হচ্ছে সময়ের যথাযথ ব্যবহার। একমাত্র সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই সাফল্যের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। এজন্য জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহামূল্যবান সময়কে পরিকল্পনামাফিক কাজে লাগাতে হবে। প্রতিটি মিনিট ব্যয় করার পূর্বে এর সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে ভেবে দেখা প্রয়োজন।
একজন সফল মানুষ দিনে যতটুকু সময় পান, ব্যর্থ একজন মানুষও ঠিক ততটুকু সময় পান। সফল মানুষজন নিজেদের সময়ের যথাযথ ব্যবহার করেন বলেই অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকেন। পক্ষান্তরে সময়ের অপচয়কারীগণকে সারাজীবন ব্যর্থতার বোঝা বয়ে বেড়াতে হয়।
2. সফল মানুষেরা আত্মবিশ্বাসী থাকেন: আত্মবিশ্বাস কাজের গতি বৃদ্ধি করে এবং ছোটখাট অনাকাঙ্ক্ষিত বাধাগুলোকে দূরে সরিয়ে রাখে। এজন্য সবসময় আত্মবিশ্বাসী থাকতে হবে এবং প্রতিটি কাজ পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে সম্পাদনের চেষ্টা করতে হবে। দৃঢ় আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ শুরু করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাফল্য অনিবার্য।
3. বৃত্তের বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে হবে: সাম্প্রতিক সময়ে “থিংক আউটসাইড দ্যা বক্স” কনসেপ্টটি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সবাই এখন বুঝতে পারে যে, সফলতা পেতে হলে চিন্তা-ধারা এবং কাজকর্মে সৃজনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। অন্য দশ জন লোক যেভাবে চিন্তা করে, সফল ব্যক্তিদের চিন্তাধারা তাদের চেয়ে একটু ব্যতিক্রম হয়। একটিমাত্র ভিন্নধর্মী আইডিয়াই আপনার সফলতা অর্জনের উপায় হতে পারে। তাই সাফল্যের জন্য উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন।
4. সাফল্যের জন্য প্রয়োজন দায়িত্বশীল ভূমিকা: অনেকেই দায়িত্ব নিতে ভয় পান। অথচ দায়িত্ব ছাড়া কাজ করলে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। এজন্য ছোট-বড় সকল কাজ পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে সম্পাদন করার চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে- দায়িত্বের অবহেলা করা মানে হচ্ছে স্বপ্ন ও সাফল্য থেকে দূরে সরে যাওয়া।
5. ঝুঁকি নিতে ভয় পাওয়া যাবে না: সাফল্য আর ঝুঁকি- একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই ঝুঁকি নিতে ভয় পাওয়া যাবে না। তবে যেকোনো বিষয়ে হুট করে ঝুঁকি নিয়ে নিলে ব্যার্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য ঝুঁকি নেওয়ার আগে অবশ্যই ভালভাবে রিসার্চ এবং এনালাইসিস করে নিতে হবে।
6. ঝামেলা এড়িয়ে চলার কৌশল শিখতে হবে: সাফল্য পেতে হলে উটকো ঝামেলা এড়িয়ে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সামাজিক সমস্যা, পলিটিক্স সহ আরও বহুবিধ বিষয় রয়েছে যেগুলো সাফল্যের কাছে পৌঁছাতে বিলম্ব করিয়ে দিতে পারে। এজন্য একান্ত বাধ্য না হলে কোনো বাড়তি ঝামেলায় নিজেকে জড়ানো উচিৎ নয়।
7. সফলতার জন্য সঙ্গী বাছাইয়ে সতর্ক থাকতে হবে: সঙ্গ দোষে লোহা জলে ভাসে- তাই সঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। উৎসাহী, উদ্যমী, সৃজনশীল লোকদেরকে সঙ্গী হিসেবে পেলে লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হয়। একজন অলস ব্যক্তি তার সঙ্গীর জীবনে সাফল্য অর্জনের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সবসময় যোগ্য লোকদের সাথে চলাফেরা করা ও সম্পর্ক রাখা প্রয়োজন।
8. ব্যার্থতাকে ভয় পা‌ওয়া যাবে না: সাফল্য পেতে গেলে ব্যর্থতাকে মোকাবেলা করতেই হবে। এজন্য ব্যর্থতাকে হিসাবের বাইরে রেখে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যেত হবে। একটি কাজে ব্যর্থ হলেও সেই ব্যর্থতা থেকে নতুন অনেক কিছু জানা হয়। আর ব্যর্থতা থেকে নেওয়া শিক্ষাই মানুষকে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে উঠতে সাহায্য করে। 9. ভাললাগার কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে: যে কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং ভালোলাগা রয়েছে, যে কাজ করতে আনন্দ পাওয়া যায়, সেই কাজটি গুরুত্ব দিয়ে করা প্রয়োজন। কাজ ছোট হোক বা বড় হোক সেটি কোনো ব্যাপার না। পছন্দের বিষয়ে পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে পারলে অবশ্যই সফলদের খাতায় নাম লেখানো সম্ভব। কাজের প্রতি ভালবাসা থাকলে দক্ষতা আসবেই। আর দক্ষতা মানেই নতুন কিছুর সম্ভাবনা।
10. পরিশ্রমীরাই সফল হন: “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি” এই প্রবাদ বাক্যটি অনেকের কাছে বেশ পুরানো মনে হতে পারে। কিন্তু একবার গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- আসলেই পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য পাওয়া সম্ভব? আর এটা তো জানা কথা যে, যারা সফল হন তাদেরকেই সৌভাগ্যবান হিসেবে বিচেনা করা হয়। তাই সফলতা অর্জনের উপায় নিয়ে বলতে গেলে পরিশ্রমকে বাদ দেওয়ার কোনো উপায় নেই।
11. সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে: সফল হতে হলে সমালোচনার তিক্ত আঘাত সহ্য করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোগী ব্যক্তিকে নিয়ে লোকজন সমালোচনা করবে, বিভিন্নভাবে নিরুৎসাহিত করবে, এটাই স্বাভাবিক। যারা প্রথমে সমালোচনা করে, তারাই পরবর্তীতে সাফল্যের মালা পরিয়ে দেয়। তাই শুরুতে সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে এটিকে পাশ কাটিয়ে যেতে হবে। এটিকে সাফল্যের জন্য উৎসাহ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
12 . ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে: কাজ করতে গিয়ে ভুল হবেই। কখনোই ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য হতাশ হওয়া বা ভেঙ্গে পড়া যাবে না। একটি ভুলের ফলে কি কি ক্ষতি হলো তার হিসাব না করে কি কি নতুন বিষয় শিখা গেল তার হিসাব করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ভুলের মাঝ দিয় চলতে চলতেই মানুষ এক সময় ঠিকই সাফল্যের দরজায় পৌঁছে যায়।
13. সফল মানুষজনকে অনুসরণ করতে হবে: সফল লোকদের গল্প পড়তে হবে। তাদের ব্যার্থতার কাহিনী শুনতে হবে। সংশ্লিষ্ট সেক্টরের সফল ব্যক্তিদের ইন্টারভিউ শুনতে হবে, তাদের লেখা পড়তে হবে। তাদের জীবনের উত্থান-পতন এবং পালাবদলের বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে এবং সেগুলো নিজের জীবনের সাথে তুলনা করে দেখতে হবে। যারা সফল হয়েছেন, তাদের কাজের ফর্মুলা, রুটিন, পরামর্শ কাজে লাগাতে হবে।

06/06/2020

*সফলতাই সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ!*
পৃথিবীতে ধনী বা সফল হতে চায় না এমন লোক একটাও খুজে পাওয়া যাবে না, হোক সে ভালো বা মন্দ লোক। ইংরেজিতে একটা কথা আছে-”Success is the best revenge “.অর্থাৎ সফলতাই সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ। কেউ যখন সফল হয় তখন সমাজে সবাই তাকে সম্মান করে। এমনকি তখন তার শত্রুরাও অনুশোচনা করে, কেন তার সাথে সর্ম্পক খারাপ করলাম। এবার আসুন জেনে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধনী বা সফল ব্যাক্তিদের কিছু গুন যার দ্বারা আজ তারা পৃথিবীতে রাজত্ব করছেন।
১)পরিকল্পনা(Planning): সফল ব্যাক্তিরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই সারাদিন কি কি করবেন তার পরিকল্পনা করতেন,যে কোন কাজ করার আগে পুনঃরায় ভেবে নিতেন।প্রস্তুতি আগে ভালো নিয়ে তারপর কাজ শুরু করতেন।একজন দার্শনিক বলেছিলেন -“আমাকে যদি একাটি কুঠার দিয়ে ৩ ঘন্টায় একটি গাছ কাটতে বলে। তাহলে আমি ২ ঘন্টা ব্যায় করব কুঠার শান দিতে, বাকী ১ ঘন্টা ব্যায় করব গাছটি কাটতে”
২)শ্রম ও বাস্তবায়ন (Actualization): পরিকল্পনা করে বসে থাকলেই সব শেষ।এটাকে এখানেই কবর দিয়ে দিলেন।বলা হয় যে -“পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমান সময় স্বপ্ন দেখায় ব্যায় করে, তার অর্ধেক ও যদি কাজে ব্যায় করতো,তাহলে দারিদ্র্যতা শব্দাটি পৃথিবী থেকে উঠে যেতো।
৩) নিজের শক্তি ও দুর্বলতা খুজে বের করা (Find out your strength and weakness): বিধাতা সবাইকে সব কিছু দেন না।আবার সবাইকে ১টা না ১টা স্পেশাল গুন দেন, যা সবার থাকে না।আপনার এই গুনটিকে খুজে বের করে কাজে লাগাতে হবে এবং দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করতে হবে।
জ্যাক মা বলেছিলেন-“I failed a key primary school test two times,I failed the middle school test 3 times,I failed the college entrance exam two times” মানে মোট ৭ বার তিনি স্কুল থেকে কলেজ এ ফেইল করে এখন তিনি চীনের সবচেয়ে এবং বিশ্বের ৩৩তম ধনী। কারণ লেখাপড়ায় ভালো হওয়া মানেই সব না,তিনি তার আইটি মেধা কাজে লাগিয়ে আজ আলীবাবা গ্রুপ এর CEO.
৪)ধৈর্য্য(Patience): জীবনে উথ্থান পতন আসবেই কিন্তু ধৈর্য্য হারালেই সব শেষ।টেন্ডুলকারের ছোটবেলার বন্ধু বিনোদ কাম্বলি টেন্ডুলকারের চেয়ে অনেক ভালো প্লেয়ার ছিলেন কিন্তু ধৈর্য্যের অভাবে আজ তাকে কতজন চিনে,অপদিকে টেন্ডুলকারকে চিনে না এমন লোক খুজে বের করা কঠিন।
৫)অযুহাত(Excuse): পৃথিবীতে যারা সফল হয়েছেন তারা কোন অযুহাত দিতেন না,সরাসরি নিজের দোষ স্বীকার করে নিতেন। আর তাই তারা কোন কাজে ব্যার্থ হতেন না। স্টিভ জভসকে যখন তার নিজের কোম্পানী Apple থেকে বের করে দিয়েছিলো তখন তিনি কোন কিছুই বলেননি, নিজেকে দোষী মনে করে, বের হয়ে, নিজেকে নতুনভাবে চিনেয়েছেন এনিমেশন তৈরি করে। এবং পরে Apple কোম্পানী কিনে নিয়েছিলেন, তৈরী করেছেন স্মার্টফোন ।

The story of Sindhu Taiচার ক্লাসের পর আর স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়নি। গরু-মহিষ চরিয়ে দিন যেতো। দশ বছর বয়সে বিয়ে হলো ৩০ বছরের ...
14/04/2020

The story of Sindhu Tai

চার ক্লাসের পর আর স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়নি। গরু-মহিষ চরিয়ে দিন যেতো। দশ বছর বয়সে বিয়ে হলো ৩০ বছরের এক লোকের সাথে। ১৯ বছর বয়সে হলেন তিন সন্তানের মা। এই সময় ঘটলো জীবনে সবচেয়ে বেদনাদায়ক মর্মান্তিক এক দূর্ঘটনা। যৌতুকের পণ দিতে না পারায় তিনি স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হলেন। দুশ্চিরিত্রা হিসাবে বদনামের ভাগী হলেন। নির্মম প্রহারের আঘাত সহ্য করতে না পেরে মূর্ছা গেলে স্বামী মনে করেছিলো- মনে হয় মারাই গেছে। গোয়ালঘরে যখন তাকে টেনে হিঁচড়ে আনা হলো তখন তিনি সন্তানসম্ভবা। সেই গোয়ালঘরেই তাঁর কন্যা সন্তানের প্রসব হয়। নিজের নাড়ী নিজেই কাটেন।

স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হলেন। বাপের ঘরে আশ্রয় মিললোনা। সমাজে ঠাঁই হলোনা। আশ্রয় নিলেন শশ্মানে। খাবার জুটতো শশ্মানে । শবদেহ পোড়ানোর পর কিছু খাবার ছিটিয়ে দেওয়া হতো। সেসব খেয়েই ক্ষুধা নিবৃত হতো। সমাজে বেরতে চাইলে শশ্মানের ভূত বলে মানুষ মা আর মেয়েকে তাড়িয়ে দিতো।

জীবন থেকে মুক্তিপেতে সুইসাইড করার জন্য রেললাইনে শুয়ে থাকলেন। ট্রেন এলোনা। তিনি জানতেন না সেদিন রেল ধর্মঘট। শ্মশানে ফিরে আসলেন। মেয়ে বুঝতে পারে মা তাকে নিয়ে মরতে চাইছে । সে পালাতে চায়। পরের সপ্তাহে আবার মেয়েকে আঁচলের সাথে বেঁধে শুয়ে পড়লেন রেললাইনের ওপর। এমন সময় শোনেন প্রচণ্ড কান্নার শব্দ। কী মনে করে মাথা তুলে দেখেন গাছের নীচে বসে একটা শিশু কাঁদছে।

তিনি দেখেন গাছের একটি ডাল কোনো রকমে ভেঙে পড়তে পড়তে গাছের সাথে লেগে আছে। সেই ভাঙ্গা ডালেই আবার পাতা হয়েছে। ফুল ফুটেছে। সেই ভাঙ্গা ডালের ছায়ায় বসে ছেলেটি কাঁদছে।

তিনি ভাবলেন ভেঙ্গে যেতে যেতে টিকে থাকা গাছে যদি পাতা গজায়, ফুল ফোটে, সেই ভাঙ্গা গাছের ডাল আবার ছায়া দিয়ে মানুষকে আশ্রয় দেয় তবে তার এই জীবনটা কি শুধুই অর্থহীন। এগুলো কি বিশেষ কোনো ইংগিত।

এক হাতে ছেলে আরেক হাতে মেয়েকে নিয়ে তিনি রেলস্টেশানে আসলেন। ভাগাড় থেকে খাবার খুঁজে খাওয়ালেন। কাজ খুঁজে কাজ পেলেন না। স্টেশানে গান গেয়ে ভিক্ষা করা শুরু করলেন। যত টাকা আয় হতো সেগুলো দিয়ে খাবার কিনে রাতে রান্না করেন। শিশুদুটোকে নিয়ে খান। রেলস্টেশনে ঘুমিয়ে থাকে অন্যান্য শিশুদের নিয়ে এসেও খাওয়ান। ঘুম পাড়ান। স্নান করান। পিতামাতাহীন ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিশুগুলোও যেন মাকে খুঁজে পায়। মাতৃত্বের চির শ্বাসত রুপ তাকে আরো মানবীয় করে তোলে।

এর মাঝে ঘটে আরেক ঘটনা। একটি ব্রিফকেস খুঁজে পেয়ে স্টেশান মাস্টারের অফিসে জমা দেন। লোকটি ভালো মানুষ ছিলো। কয়েক সপ্তাহ পর ভদ্রলোক দেখা করতে এসে তাকে উপহার দিতে চায়। তিনি বলেন কোনো উপহার চাইনা। শুধু আমার শিশুদের নিয়ে থাকার জন্য একটা ঘর বেঁধে দিন। শুরু হলো তার জীবনের আরেকটি অধ্যায়। অনাথ শিশুদের নিয়ে থাকার একটা ঘর পেলেন। বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করে দিলেন। শিশুদের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসা দেখে অন্যান্য মানুষেরাও এগিয়ে আসলো। ঘর বড় হলো। যাদের পৃথিবীতে আরে কেউ নেই এসব শিশুরা তাঁর কাছে আশ্রয় পেলো। অনাথ শিশুরা নতুন এক মা খুঁজে পেলো। এরপর কেটে গেছে অনেকদিন । প্রায় হাজার অনাথের ঠিকানা হলো তাঁর কাছে ।

একদিন দেখেন একজন বৃদ্ধ, জীর্ণ শীর্ণ লোক তার কাছে এসে আশ্রয় চাইছে। ভাত, রুটি যাই থাকুক না কেন এতোটুকু খাবার চাইছে। বৃদ্ধ লোকটিকে তিনি আশ্রয় দিলেন। স্নান করালেন। গায়ের জামা বদলে দিলেন। খাবার খাওয়ালেন। ডাক্তার এসে তার শরীর চেক করে ঔষধ খাইয়ে গেলো। বৃদ্ধ লোকটি তাকে চিনলোনা। কিন্তু তিনি নিজে চিনতে পেরে বললেন- একদিন তুমি এক সন্তানসম্ভবা মেয়েকে মেরে গোয়ালঘরে ফেলে রেখেছিলে। কিন্তু বিধাতার কি নিয়ম দেখো আজকে তুমি সেই মেয়ের কাছেই আশ্রয়ের জন্য এসেছো। শশ্মানে শবের অপেক্ষায় থেকে দুমুঠো খাবারের জন্য যার জীবনে কেটেছে সে জানে খিদের কষ্ট কি। সে জানে মাথার উপর একটু আশ্রয় প্রাপ্তির সুখ কি। তাই তুমি সব কিছুই এখানে আমার কাছে পাবে। কোনো অবহেলা হবেনা। তবে তুমি আর আমার স্বামী হিসাবে না । বরং আমার সন্তান হিসাবেই এখানে থাকবে।

পুরো বিশ্ব থেকে তিনি নানা সম্মান, খ্যাতি এবং প্রায় ৭৫০ টি নানা রকমের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। "মাদার অব থাউজেন্ড অরফ্যানস" নাম দিয়ে সার্চ করলে এই মহিয়ষী নারী সিন্দুতাই শেপকালকে নিয়ে লেখা অসংখ্য আর্টিকেল উঠে আসে। গোয়াল ঘরে জন্ম নেয়া তাঁর মেয়েটি চিকিৎসক হয়ে সব অনাথদের চিকিৎসার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। তাঁর অনাথ আশ্রম থেকে শত শত ডাক্তার , ইন্জিনীয়ার হয়ে শুধু ভারতে না, বিশ্বের নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। এই মহিয়ষী নারী এবার করোনার এই ডিজাস্টারের সময় যাতে একজন মানুষও তার এলাকায় অভুক্ত না থাকেন তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। বিবিসির সাংবাদিককে বলেন বড় চিকিৎসক, বড় প্রযুক্তিবিদ হওয়া অবশ্যই ভালো । কিন্তু এসব না
হলে যে মানুষের সেবা করা যায়না তা ঠিক নয়। চারপাশ থেকে যা পেলাম তা শুধু নিজের করেই নিলাম এরকম মানুষ যতবড় বিত্তশালী হোক না কেন তাতে সমাজের কোনো লাভ হয় না। মানুষের সেবা করার জন্য সুন্দর একটা ত্যাগের মন থাকাটাই যথেষ্ঠ। গহনা, অলংকার, পোষাক পরিচ্ছদের কথা বলতে গিয়ে হেসে বলেন মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে বড় অলঙকার আর কিছুই নেই। সততার চেয়ে দামি পরিচ্ছদও আর নেই ।
আপনার এতো সুন্দর চিন্তা, ভাবনাকে প্রণাম । হাজার সন্তানের জননী আপনাকে প্রণাম l

এ.কে.বাবু

শুভ নববর্ষ...... গুড মর্নিং........
14/04/2020

শুভ নববর্ষ......
গুড মর্নিং........

01/02/2020

Famous women are offering eight tips to overcome failure and succeed in life

But some of the most famous women in the world, known as successful and wise, say that following a few principles in life can help anyone to become successful.

1. Put yourself first:-

Whatever you want to succeed in life, you have to learn to take care of yourself.

If you cannot give yourself the most importance, you will not find the balance of life.

Eminent actress Emma Thompson is asking to look into her own physical and mental health.

A positive outlook is essential to being successful

Only then will the people closest to you, namely family and close people. Keep up with the daily news of their lives. "Although it may be difficult to do the job at Rose, try it."

2. Don't stop moving forward:-

Edith Edge, a psychologist who returned from the Auschwitz concentration camp in Germany during World War II, always considered himself a climber.

"When a mountaineer climbs up, he falls down, goes down two or three steps. But he doesn't stop rising.

I kind of fell back, but I never stopped going up, I never stopped. "

Women worked in the garment factory in the 9s and 9s

In the 9's and 9's, women worked in the garment factories in Western countries.

Edith's parents were executed at the Oswego Concentration Camp, she survived.

He later moved to the United States and studied psychology.

"People can kill me, torture me. But no one can put an end to my soul's consciousness."

3. No need to think what others are thinking:-

Famous comedian and writer Joe Brand says, what others don't need to know about you.

Because you can believe what you think about yourself without the approval of others.

"I don't care what others think of me. I like my own look, but many more people seem to dislike it."

"I've learned to believe that it doesn't always matter how I look."

"It's not a big deal to my friends or those who love me. I think it's important to remember."

4. Change perspectives:-

Often times at a bad moment we think we are buried, or we are drowned.

But it can be thought of another way, as we might think, that the seeds of something new were sown.

Actress Kelsey Okafor says, "I believe that you really have to decide how you feel about your life or decision.

We need to make it a habit to look positively. "

A positive outlook is essential to being successful

Change the outlook as positive and view failure as a positive.

"Drowning or sowing seeds - both but underground or underwater.

But in two cases, there are two meanings, one that has a very negative outlook. On the other hand there is a positive attitude, which imprints your thinking process. "

"There have been moments in my life when I thought I was dead, but in those moments, I started afresh."

5. Be around positive people:-

Mary Porteas, known as a marketing guru, says that if a positive person is around all the time, she should not be questioning her abilities or hesitating about failure.

"At my agency, we employ people who are around the light, not the ones who subvert others."

He says, "People who are always positive in all situations, agree to 'do all the work' and we like people who give their best to get it."

"Those who depend on their energy can encourage others too. If you want to improve, stay away from those who are passionate or egotistical."

6. Nod your head:-

In any case, use your intelligence, says Edith Edge, a psychologist who returned from the Auschwitz concentration camp.

"My mother used to say we didn't know where to go, we didn't know what would happen in our lives.

But as no one else knows what is inside our head, no one can take it away. "

"I came to America with zero hands, didn't know English. But look, I graduated with honors from a renowned university in this country. I tell everybody the biggest strength of a human being is his ability to nod his head."

7. Give yourself a break from time to time:-

US author Michelle Lowry says one man will not always succeed in the same way, it is not possible.

If you do not succeed, then there is nothing to worry about.

"We are always taught that we have to do everything. We have to be creative all the time.

But we also need time to rest and think again. "

"A human being needs time to fill his own void, and he also retires to evaluate his own activities."

It could be five minutes at the end of the day, think differently about what worked all day, how you did it, how to do it better.

At this time, except for the phone, just give yourself some time to watch TV.

8. Failure is not the end of life:-

If you fail at something, don't think your life is over.

Rather, think of it as a 'comma' in your life, not a short break, a 'full stop' or an end.

Film personality Lily Collins says, "I tell myself all the time that something 'negative' doesn't mean 'no', but it's 'not now'."

There will be no tomorrow or something not likely to happen now or in the moment, it does not matter.

ব্যর্থতা কাটিয়ে জীবনে সফল হওয়ার যে আট পরামর্শ দিচ্ছেন বিখ্যাত নারীরা

কিন্তু সফল আর জ্ঞানী হিসেবে পরিচিত বিশ্বের কয়েকজন বিখ্যাত নারী বলছেন জীবনে কয়েকটি মূলমন্ত্র অনুসরণ করতে পারলে তা যে কাউকে সফল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে।

১. সবার আগে নিজেকে গুরুত্ব দিন:-

জীবনের যে ক্ষেত্রেই আপনি সফল হতে চান, আপনাকে নিজের যত্ন নিতে শিখতে হবে।

যদি আপনি নিজেকে সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিতে না পারেন, তাহলে আপনি জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পাবেন না।

এক্ষেত্রে নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে বলছেন নামকরা অভিনেত্রী এমা থম্পসন।

সফল হতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জরুরী

এরপরই আসবে আপনার সবচাইতে কাছের মানুষেরা, মানে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মানুষেরা। তাদের জীবনের দৈনন্দিন খবরাখবর রাখুন। "যদিও হয়ত রোজ এ কাজটি করা কঠিন, তবু চেষ্টা করুন।"

এর পর শুরু করুন নিজের কাজ।

২. সামনে এগিয়ে যাওয়া থামাবেন না:-

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির অসউইজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে ফিরে আসা মনোবিজ্ঞানী এডিথ এজের নিজেকে সবসময় পর্বতারোহী মনে করেন।

"একজন পর্বতারোহী যখন ওপরে উঠতে থাকেন, তিনি পিছলে পড়েন, দুই তিন ধাপ নিচে নেমে যান। কিন্তু ওপরে ওঠা থামান না তিনি।

আমি সেরকম, পিছলে পড়ি কিন্তু ওপরে ওঠা থামাই না আমি, কোনদিন থামাবও না।"

৬০ ও ৭০ এর দশকে নারীরা কাজ করেছেন পোশাক কারখানায়

৬০ ও ৭০ এর দশকে পশ্চিমা দেশগুলোতে নারীরা কাজ করেছেন পোশাক কারখানায়।

অসউইজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে এডিথের বাবা মায়ের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল, তিনি বেঁচে যান।

পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন এবং মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করেন।

"মানুষ আমাকে মারতে পারবে, অত্যাচার চালাতে পারবে। কিন্তু আমার আত্মা আর এগিয়ে যাবার চেতনা কেউ শেষ করে দিতে পারবে না।"

৩. অন্যরা কী ভাবছে তা ভাবার দরকার নেই:-

বিখ্যাত কমেডিয়ান এবং লেখক জো ব্রান্ড বলছেন, অন্যরা আপনার সম্পর্কে কী পাত্তা দেবার অত দরকার নেই।

কারণ নিজের সম্পর্কে আপনার যে ধারণা তা অন্যের অনুমোদনের ছাড়াই আপনি বিশ্বাস করতে পারেন।

"আমি ভাবি না অন্যেরা আমার সম্পর্কে কী ভাবছে। আমি আমার নিজের চেহারা পছন্দ করি, কিন্তু আরো বহু মানুষ তা পছন্দ করে না বলেই মনে হয়।"

"আমি বিশ্বাস করতে শিখেছি, আমাকে কেমন দেখায় সেটা সব সময় গুরুত্বপূর্ণ নয়।"

"আমার বন্ধু বা যারা আমাকে ভালোবাসে তাদের কাছেও সেটা ততটা বড় ব্যপার না। এটা মনে রাখা জরুরী বলে আমি মনে করি।"

৪. দৃষ্টিভঙ্গি বদলান:-

অনেক সময়ই কোন খারাপ মুহূর্তে আমরা ভাবি আমাদের কবর হয়ে গেছে, বা আমরা ডুবেছি।

কিন্তু সেটা অন্যভাবে ভাবা যায়, যেমন আমরা ভাবতে পারি নতুন কোন কিছুর বীজ বোনা হয়েছে।

অভিনেত্রী কেলেসি ওকাফর বলছেন, "আমার স্থির বিশ্বাস, আপনাকে আসলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি নিজের জীবন বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কেমন মনোভাব পোষণ করেন।

ইতিবাচকভাবে দেখার অভ্যাস করা দরকার আমাদের।"

সফল হতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জরুরী

দৃষ্টিভঙ্গি বদলিয়ে ইতিবাচক হিসেবে দেখুন ব্যর্থতাকে।

"ডুবে যাওয়া বা বীজ বোনা---দুটোই কিন্তু মাটি বা পানির নিচে হচ্ছে।

কিন্তু দুই ক্ষেত্রে দুই রকম মানে হয়, একটায় অত্যন্ত নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। অন্যটায় ইতিবাচক একটা মনোভাব বোঝা যায়, যা আপনার চিন্তা প্রক্রিয়ায় ছাপ ফেলে।"

"আমার জীবনে এমন অনেক মুহূর্তআছে যখন আমার মনে হয়েছে আমি মরে গেছি, কিন্তু সেসব মুহূর্তেই আবার আমি নতুন করে সব শুরু করেছি।"

৫. ইতিবাচক মানুষের চারপাশে থাকুন:-

বিপণন গুরু বলে পরিচিত মেরি পোরটাস বলছেন, কারো চারপাশে যদি ইতিবাচক মানুষ সব সময় থাকে, তাহলে নিজের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কিংবা ব্যর্থতা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত থাকার কথা নয় তার।

"আমার এজেন্সিতে আমরা এমন মানুষ নিয়োগ দেই, যারা আলো ছড়ান চারপাশে, যারা অন্যকে হীনমন্যতায় ডুবিয়ে দেন তাদের নয়।"

তিনি বলছেন, "যারা সব সময় সব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকেন, সব কাজ 'পারব' বলে রাজি হয়ে যান ও সেটা পাবার জন্য নিজের সেরাটা দেন এমন মানুষ পছন্দ আমাদের।"

"যারা নিজেরা এনার্জিতে ভরপুর থাকেন, তারা অন্যকেও উৎসাহ দিতে পারেন। যদি উন্নতি করতে চান, তাহলে যারা মনমরা থাকেন বা অহমপূর্ণ আচরণ করেন তাদের থেকে দূরে থাকুন।"

৬. মাথা খাটান:-

অসউইজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে ফিরে আসা মনোবিজ্ঞানী এডিথ এজের বলেন, যেকোন পরিস্থিতিতে নিজের বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করুন।

"আমার মা বলতেন আমরা কোথায় যাব জানি না, আমাদের জীবনে কী ঘটবে আমরা জানি না।

কিন্তু আমাদের মাথার ভেতরে কী আছে সেটা যেমন অন্যরা জানে না, তেমনি সেটা কেউ ছিনিয়ে নিতেও পারবে না।"

"আমি অ্যামেরিকায় এসেছি শূন্য হাতে, ইংরেজি জানতাম না। কিন্তু দেখুন আমি এই দেশের একটি নামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স নিয়ে স্নাতক পাস করেছি। আমি সবাইকে বলি মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মাথা খাটানোর ক্ষমতা।"

৭. নিজেকে মাঝে-মধ্যে ছুটি দিন:-

মার্কিন লেখক মেশেল লোরি বলছেন, একজন মানুষ সব সময় একই রকমভাবে সফল হবে না, সেটা সম্ভব নয়।

আর সফল না হতে পারলে মুষড়ে পড়ার কিছু নেই।

"আমাদের সব সময় শেখানো হয় আমাদের সবকিছু পারতে হবে। আমাদের সব সময় সৃষ্টিশীল হতে হবে।

কিন্তু আমাদের তো বিশ্রাম আর নতুন করে ভাবার জন্যেও সময় চাই।"

"নিজের ভেতরকার শূণ্যতা পূরণের জন্য সময় দরকার একজন মানুষের, সেই সাথে নিজের কাজকর্ম মূল্যায়নের জন্যেও তো অবসর লাগে।"

সেটা দিনের শেষে পাঁচ মিনিট সময় হতে পারে, আলাদা করে ভাবুন সারাদিনে কী কী কাজ করলেন, কেমন ভাবে করলেন, আরো ভালোভাবে কিভাবে করা যেত।

এই সময়ে ফোন ঘাটা বাদ দিয়ে, টিভি না দেখে কেবলই নিজেকে কিছুটা সময় দিন।

৮. ব্যর্থতা জীবনের শেষ কথা নয়:-

কোন কাজে ব্যর্থ হলে ভাববেন না আপনার জীবন শেষ।

বরং ভাবুন এটা আপনার জীবনের একটা 'কমা' মানে স্বল্প বিরতি, 'ফুলস্টপ' বা শেষ নয়।

চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব লিলি কলিন্স বলছেন, "আমি সব সময় নিজেকে বলি, কোনকিছু 'নেতিবাচক' হওয়া মানে সেটা 'না' হয়, বরং সেটা হচ্ছে 'এখন নয়'।"

এখন বা এই মুহূর্তে হয়নি বা হওয়ার সম্ভাবনা নেই এমন কিছু কাল হবে না, তার কোন মানে নেই।

Address

Bolpur

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manage your skills posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Manage your skills:

Shortcuts

Share

Category