Beramara Ramchandrapur High School H.S

Beramara Ramchandrapur High School  H.S এই শিক্ষণীয় পেইজ এ সকলকে স্বাগতম

https://youtu.be/ZbKNcInfffQ👉 ঈদ মোবারক 2023          ঈদ মোবারক বা ঈদ মুবারক (আরবি: عيد مبارك‎‎) হলো মুসলিমদের একটি ঐতিহ...
21/04/2023

https://youtu.be/ZbKNcInfffQ
👉 ঈদ মোবারক 2023

ঈদ মোবারক বা ঈদ মুবারক (আরবি: عيد مبارك‎‎) হলো মুসলিমদের একটি ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছাবাক্য, যার অর্থ "আনন্দ উদযাপন কল্যাণময় হোক"। এটি ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহায় পরস্পরকে বলে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়ে থাকে।

ঈদ মোবারক ক্যালিগ্রাফি
আরবি
عيد مبارك
আক্ষরিক অর্থ
আনন্দ উদযাপন কল্যাণময় হোক
কিছু রাষ্ট্রে এই শুভেচ্ছা বিনিময় একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং কোনো ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার অংশ নয়। এই শুভেচ্ছাবাক্যটি শুধু এই দুই মুসলিম উৎসবের সময় ব্যবহৃত হয়।

মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য অন্যান্য অনেক শুভেচ্ছাবাক্য রয়েছে। ঈদুল ফিতরের সময় নবী মুহাম্মদ সাহাবিদের সাথে সাক্ষাতের সময় একে অপরকে বলতেন “তাকাব্‌বাললাল্‌লাহু মিন্‌না ওয়া মিন্‌কুম্‌”, অর্থ: "আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন"। মুসলিম বিশ্ব জুড়ে, ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনেক বৈচিত্র‍্য বিদ্যমান।

আরব মুসলমানরা “ঈদ মোবারক” শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন এবং দিনটির শুভেচ্ছা জানানোর জন্য তাদের আরো বিভিন্ন উপায় রয়েছে। কিছু আরব “কুল্‌'আম্‌ ওয়ান্‌তুম্‌ বিখাইর্‌” (كل عام و تمنتم بخير) বলেন, যার অর্থ “আপনার প্রতিটি অতিবাহিত বছর ভালো যাক”। উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোতে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আরেকটি সাধারণ শব্দ রয়েছে যা হলো “মিনাল আইদিন্‌ ওয়াল্‌ ফাইজিন্‌” (من العايدين والفايزين), যার অর্থ “আমরা যেন [আরও একবার] পবিত্র হতে পারি এবং আমরা যেন [আমাদের রোজাতে] সফল হতে পারি”, এবং এটির উত্তর হিসেবে “মিনাল্‌ মাক্‌বুলিনা ওয়াল্‌ ঘানিমিন্‌” (من المقبولين والغانمين), যার অর্থ “[আমাদের সৎকর্ম আল্লাহ দ্বারা] গৃহীত হোক এবং আমরা যেন [জান্নাত] লাভ করতে পারি”।

ফার্সি ভাষাভাষীরা (ইরানি, আফগান এবং তাজিক) শব্দগুচ্ছ "ঈদ-ই শোমা মোবারক" (عید شما مبارک) বা সংক্ষেপে "ঈদ মোবারক" (عید مبارک) ব্যবহার করেন ।

বসনিয়ার মুসলমানরা সাধারণত "বজরাম শেরিফ মুবারেক ওলসুন" বলে শুভেচ্ছা জানায়। উত্তরে বলা হয় "আল্লাহ রাজি অলসুন"। বসনিয়ান মুসলমানদের আরেকটি সাধারণ ঈদের শুভেচ্ছা হল "বজরাম বারেচুলা"

তুরস্ক এবং আজারবাইজানে , তুর্কিরা একে অপরকে তুর্কি বাক্যাংশ ব্যবহার করে ঈদের শুভেচ্ছা জানায় যার মধ্যে রয়েছে: "বায়রামিনিজ কুটলু ওলসুন" ("আপনার ঈদ শুভ হোক"), "ইয়ি বায়রামলার" ("শুভ ঈদের দিন"), এবং "বায়রামিজ মুবারেক ওলসুন" ( "আমাদের ঈদ শুভ হোক")। সাধারণত "ঈদ মোবারক" শব্দটি ব্যবহার করা হয়না ।

আলবেনিয়া এবং কসোভোর মুসলমানরা ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে (উরিমে ই ফেস্তা ফিতর বা কুরবান বজ্রমিত) শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন।

ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে শুভেচ্ছা হিসেবে "ঈদ মোবারক" বলা হয়। এছাড়া ঈদের নামাজ শেষে একে অপরকে জড়িয়ে কোলাকুলি করে থাকেন।

বাংলা অক্ষরে ঈদ মোবারক
বেশিরভাগ বাংলাদেশীরা "ঈদ মোবারক" বা "ঈদের শুভেচ্ছা" শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন।

উর্দুভাষীরা ,ঐতিহ্যগতভাবে ঈদের নামাজের পরেই শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। যদিও নতুন প্রজন্ম সাধারণত ঈদের দিন মধ্যরাতে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। তারা "ঈদ মুবারক" ( উর্দু : عید مبارک ) অভিবাদন ব্যবহার করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে "খায়ের মুবারক" ( উর্দু : خیر مبارک ) দিয়ে উত্তর দেওয়া হয়। নতুন শহুরে প্রজন্মের মধ্যে একটি ক্রমবর্ধমান বিকল্পের মধ্যে "আপ কো বি ঈদ মোবারক" ( উর্দু : آپ کو بھی عید مبارک) (অর্থ:আপনাকেও ঈদ মোবারক') অন্যতম ।

পশতু ভাষাভাষীরা (প্রধানত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ এবং পূর্ব আফগানিস্তানের পশতুন লোকেরা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে "আপনার উৎসব বরকতময় হোক " ( পশতু : اختري مبارک شه (আখতার দে মুবারক শা) ব্যবহার করেন।

বেলুচি ভাষাভাষীরা (প্রধানত বেলুচিস্তান প্রদেশ এবং ইরানের সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্রদেশের বেলুচ জনগণ ) ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে " আপনার ঈদ শুভ হোক " (বেলুচি: عید تر مبارک با) (আইয়েদ তারা মুবারক বা ) ব্যবহার করেন।

ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া,ব্রুনাই এবং সিঙ্গাপুরের মালয় ভাষা-ভাষী জনগোষ্ঠীর মতো দেশগুলোর মুসলমানরা ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে "সেলামাত হরি রায়" বা "সেলামাত ইদুল ফিত্রি" (ইন্দোনেশিয়ান) বা "সালাম আইদিলফিত্রি" (মালয়) ব্যবহার করেন। পাশাপাশি জনপ্রিয় অভিব্যক্তি "মিনাল আইদিন ওয়াল ফাইজিন" ও ব্যবহৃত হয়। এটি একটি আরবি বাক্য যার অর্থ "আমরা যেন আরও একবার পবিত্র হতে পারি এবং আমাদের উপবাসে সফল হতে পারি"। এটি আল-আন্দালুসে মুসলমানদের শাসনের সময় শাফিউদ্দীন আল-হুলির লেখা একটি কবিতার উদ্ধৃতি।

ফিলিপাইনে ঈদ এটি একটি আইনি ছুটির দিন হিসাবে স্বীকৃত। ঈদ মোবারক অভিবাদনটি ফিলিপাইনে সম্প্রতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ।তবে ফিলিপাইনের মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী অভিবাদন প্রতিবেশী মালয়-ভাষীদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঈদ-উল-ফিতরের জন্য এটি হলো "সালামত হারিরায়া পুওয়াসা" এবং ঈদুল আযহার জন্য "সালামত হারিরায়া হাজজি"

উত্তর নাইজেরিয়া এবং নাইজার থেকে উদ্ভূত হাউসা ভাষায় পশ্চিম আফ্রিকা জুড়ে মুসলমানদের ব্যাপকভাবে কথা বলতে দেখা যায়। হাউসায় তাদের ঈদের শুভেচ্ছা হলো "বারকা দা সাল্লাহ", যার অনুবাদ "ধন্য ঈদের নামাজ"।

মালিতে, বামবারা ভাষায় "সাম্বে-সাম্বে বলে শুভেচ্ছা জানানো হয় । যেসব দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মান্ডে ভাষী মানুষ তারা ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে এই অভিবাদনটি ব্যবহার করেন।

ঘানার দাগবানলি এবং কুসাসে ভাষা-ভাষীরা "নি তি ইউন' পল্লী" বলে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর অর্থ "শুভ নতুন ঈদ মৌসুম"। এছাড়াও হাউসা ভাষায় "বারকা দা সাল্লা" ব্যবহৃত হয়।

লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মুসলমানরা "ফেলিজ ঈদ" (স্প্যানিশ) বলে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে।

22/02/2023

বহু বছরের অপেক্ষার এক নতুন উপস্থাপনা।

বিচলিত হওয়ার কোনো কিছুই নেই প্রিয় একটু দূরে থাক তোরা সময় সবার আসে শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হয়!

আর একটা কথা মাথায় রাখ এ দুনিয়ায় শত্রুর অভাব নেই।

অনেক অনেক ভালো থাকো, সুস্থ থাকো, জীবনের সব আশা ইচ্ছা পূরণ হোক আরো বেশি, বন্ধুবান্ধব, বাবা-মা, ভাই-বোন ও বাড়ির সবাইকে নিয়ে অনেক ভালো থাকো জীবনে আরও যা যা আশা আকাঙ্ক্ষা আছে সব গুলো উপরওয়ালা পূরণ করুক এটাই চাই। এই দিনটার এতটাই মাহাত্ম্য গুরুত্ব প্রার্থনা করি এই দিনটা তোমার জীবনে ফিরে আসুক, আর সব বাধা বিপদ কাটিয়ে আরো এগিয়ে যাও যত বাধা বিপত্তি আসুক না সামনে অনেক ভালো থাকো।

https://youtube.com/shorts/OaOLJEHLGV0?feature=share👉 Happy promise day 🤝🏻     আপনি কি জানেন, প্রমিস অর্থ কি? -যদি আপনি ...
11/02/2023

https://youtube.com/shorts/OaOLJEHLGV0?feature=share
👉 Happy promise day 🤝🏻

আপনি কি জানেন, প্রমিস অর্থ কি? -যদি আপনি না জেনে থাকেন। তাহলে শুনুন,, প্রমিস হলো একটি ইংরেজি শব্দ। আর এই ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ হলো, অঙ্গীকার, প্রতিশ্রুতি। মূলত, যখন আপনি কাউকে প্রতিশ্রুতি দিবেন কিংবা প্রতিজ্ঞা করবেন। তখন তাকে প্রমিস বলা হবে।

https://youtu.be/4_q7dO1QXW8👉 ভারতীয় প্রজাতন্ত্র দিবস 🇮🇳      ভারতবর্ষের সম্পূর্ণ নাম হল সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপ...
26/01/2023

https://youtu.be/4_q7dO1QXW8
👉 ভারতীয় প্রজাতন্ত্র দিবস 🇮🇳

ভারতবর্ষের সম্পূর্ণ নাম হল সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র ভারত। ভারতে সাধারণতন্ত্র দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে ভারত শাসনের জন্য ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের পরিবর্তে ভারতীয় সংবিধান কার্যকরী হওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে। এটি ভারতের একটি জাতীয় দিবস। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় গণপরিষদ সংবিধান কার্যকরী হলে ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

কার্যকরী হওয়ার ঠিক দুই মাস আগে, ১৯৪৯ খ্রিঃ ২৬ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক ভারতের সংবিধান অনুমোদিত হয়। ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে সংবিধান কার্যকর করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ ১৯৩০ খ্রিঃ ঐ একই দিনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক পূর্ণ স্বরাজের সংকল্প ঘোষিত ও গৃহীত হয়েছিল।

এই দিনটি ভারতের তিনটি জাতীয় দিবসের অন্যতম। অন্য দু'টি জাতীয় দিবস যথাক্রমে স্বাধীনতা দিবস ও গান্ধী জয়ন্তি এই দিন সারা ভারতেই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেন্দ্রীয় কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানটি হয় নতুন দিল্লির রাজপথে। ভারতের রাষ্ট্রপতি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন।

১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ এ দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনের ফলে ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায়। এই স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত, প্রায় সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ অহিংস অসহযোগ আন্দোলন ও আইন অমান্য আন্দোলন। স্বাধীনতা লাভের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয় যুক্তরাজ্যের সংসদে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন পাশ হওয়ার মাধ্যমে। এর ফলে ব্রিটিশ ভারত ভেঙে গিয়ে কমনওয়েলথ অফ নেশনস-এর অন্তর্গত অধিরাজ্য হিসেবে দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের জন্ম হয়। ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ এ ভারত স্বাধীন হলেও দেশের প্রধান হিসেবে তখনও বহাল ছিলেন ষষ্ঠ জর্জ এবং লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন ছিলেন এর গভর্ণর জেনারেল। তখনও দেশে কোনো স্থায়ী সংবিধান ছিল না; ঔপনিবেশিক ভারত শাসন আইনে কিছু রদবদল ঘটিয়েই দেশ শাসনের কাজ চলছিল। ১৯৪৭ খ্রিঃ ২৮শে আগস্ট একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ভীমরাও রামজি আম্বেডকর। ৪ঠা নভেম্বর ১৯৪৭ তারিখে কমিটি একটি খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করে গণপরিষদে জমা দেয়। চূড়ান্তভাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে ২ বছর, ১১ মাস, ১৮ দিন ব্যাপী সময়ে গণপরিষদ এই খসড়া সংবিধান আলোচনার জন্য ১৬৬ বার অধিবেশন ডাকে। এই সমস্ত অধিবেশনে জনসাধারণের প্রবেশের অধিকার ছিল। ১৯৪৯ সালের ২৬শে নভেম্বর স্বাধীন ভারতের সংবিধান গৃহীত হবার পর ঠিক করা হয় ১৯৩০ সালের ২৬শে জানুয়ারি প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালনের সেই দিনটিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারি থেকে ভারতের সংবিধান কার্যকর হবে এবং সেদিন থেকে প্রজাতান্ত্রিক ভারতবর্ষ বা Republic of India হিসেবে পরিচিত হবে। বহু বিতর্ক ও কিছু সংশোধনের পর ২৪ শে জানুয়ারি ১৯৫০ এ গণপরিষদের ৩০৮ জন সদস্য চূড়ান্ত সংবিধানের হাতে-লেখা দু'টি নথিতে (একটি ইংরেজি ও অপরটি হিন্দি) স্বাক্ষর করেন। এর দু'দিন পর সারা দেশব্যাপী এই সংবিধান কার্যকর হয়।

সাধারণতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের প্রধান কর্মসূচী পালিত হয় ভারতের রাষ্ট্রপতির সামনে, জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লীতে। এই দিন রাজপথে আড়ম্বরপূর্ণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয় যা ভারত রাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়।

২০১৪ খ্রিঃ ৬৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে মহারাষ্ট্র সরকার প্রথম বার দিল্লী সাধারণতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের অনুকরণে মেরিন ড্রাইভ বরাবর তাদের নিজস্ব কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছিল।

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে জাতীয় রাজধানী নতুন দিল্লীতে কুচকাওয়াজ হয় রাষ্ট্রপতির আবাসস্থল রাষ্ট্রপতি ভবনের নিকটবর্তী রাইসিনা হিল থেকে রাজপথ বরাবর ইন্ডিয়া গেট ছাড়িয়ে। কুচকাওয়াজ আরম্ভ হওয়ার পূর্বে রাষ্ট্রপতি রাজপথের একপ্রান্তে অবস্থিত ইন্ডিয়া গেটে শহিদ সৈন্যদের উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মারক অমর জওয়ান জ্যোতি-তে একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর পর ঐ সৈন্যদের উদ্দেশ্যে ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্বাধীনতা আন্দোলন ও তার পরবর্তী যুদ্ধগুলিতে ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহিদ সৈন্যদের প্রতি এইভাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। এর পর রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মিলিত হন এবং প্রধান অতিথির সাথে রাজপথে অবস্থিত অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে আসেন। রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষকরা ঘোড়ার পিঠে করে তাদের পথপ্রদর্শন করেন।

বীটিং রিট্রীট দ্বারা সাধারণতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি সূচিত হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসের ৩ দিন পর, ২৯শে জানুয়ারি সন্ধ্যেবেলা বীটিং রিট্রীট অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের সামরিক বাহিনীর তিন প্রধান শাখা ভারতীয় স্থলসেনা, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ভারতীয় বায়ুসেনা এই রিট্রীটে অংশ নেয়। রাজপথের প্রান্তে ভারতের কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও রাষ্ট্রপতি ভবনের নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক ভবন দু'টির মধ্যবর্তী রাইসিনা হিল ও বিজয় চকে এই অনুষ্ঠানটি হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি, যিনি অশ্বারোহী 'পিবিজি' (প্রেসিডেন্টস বডিগার্ডস/ রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষক) কর্তৃক পথপ্রদর্শিত হয়ে আসেন। তিনি উপস্থিত হলে পিবিজির অধিনায়ক তার বাহিনীকে জাতীয় অভিবাদনের (স্যালুট) নির্দেশ দেন। এর পর সামরিক বাহিনী কর্তৃক ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। এই সঙ্গীতের পাশাপাশি সম্মিলিত স্থল, জল ও বায়ুসেনার বিভিন্ন ব্যান্ড, পাইপ, ভেরী প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্রের কুশলীরা অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে সারে জাঁহা সে আচ্ছা প্রভৃতি দেশাত্মবোধক গানের আয়োজনও করেন।

https://youtube.com/shorts/oICJVxAj6TM?feature=share👉 নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু জন্মজয়ন্তী 🍰🎁          জানুয়ারি ১৮৯৭ ভার...
23/01/2023

https://youtube.com/shorts/oICJVxAj6TM?feature=share
👉 নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু জন্মজয়ন্তী 🍰🎁

জানুয়ারি ১৮৯৭ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনি হলেন এক উজ্জ্বল ও মহান চরিত্র যিনি এই সংগ্রামে নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত। ২০২১ সালে ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার জন্মবার্ষিকীকে জাতীয় পরাক্রম দিবস বলে ঘোষণা করেন। সুভাষচন্দ্র পরপর দুইবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু গান্ধীর সঙ্গে আদর্শগত সংঘাত, কংগ্রেসের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রকাশ্য সমালোচনা এবং বিরুদ্ধ-মত প্রকাশ করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হয়।

সুভাষচন্দ্র মনে করতেন, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর অহিংসা এবং সত্যাগ্রহের নীতি ভারতের স্বাধীনতা লাভের জন্য যথেষ্ট নয়। এই কারণে তিনি সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছিলেন। সুভাষচন্দ্র ফরওয়ার্ড ব্লক নামক একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতের সত্বর ও পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানাতে থাকেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে এগারো বার কারারুদ্ধ করে। তার বিখ্যাত উক্তি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।" দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরেও তার মতাদর্শের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি; বরং এই যুদ্ধকে ব্রিটিশদের দুর্বলতাকে সুবিধা আদায়ের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন। যুদ্ধের সূচনালগ্নে তিনি লুকিয়ে ভারত ত্যাগ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, জার্মানি ও জাপান ভ্রমণ করেন ভারতে ব্রিটিশদের আক্রমণ করার জন্য সহযোগিতা লাভের উদ্দেশ্যে। জাপানিদের সহযোগিতায় তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ পুনর্গঠন করেন এবং পরে তিনি নেতৃত্ব প্রদান করেন। এই বাহিনীর সৈনিকেরা ছিলেন মূলত ভারতীয় যুদ্ধবন্দি এবং ব্রিটিশ মালয়, সিঙ্গাপুরসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে কর্মরত মজুর। জাপানের আর্থিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তায় তিনি নির্বাসিত আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্বদান করে ব্রিটিশ মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে ইম্ফল ও ব্রহ্মদেশে (বর্তমান মায়ানমার) যুদ্ধ পরিচালনা করেন।

ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নাৎসি ও অন্যান্য যুদ্ধবাদী শক্তিগুলির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনের জন্য কোনো কোনো ঐতিহাসিক ও রাজনীতিবিদ সুভাষচন্দ্রের সমালোচনা করেছেন; এমনকি কেউ কেউ তাকে নাৎসি মতাদর্শের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন বলে অভিযুক্ত করেছেন। তবে ভারতে অন্যান্যরা তার ইস্তাহারকে রিয়েলপোলিটিক (নৈতিক বা আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বদলে ব্যবহারিক রাজনীতি)-এর নিদর্শন বলে উল্লেখ করে তার পথপ্রদর্শক সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবাদর্শের প্রতি সহানুভূতি পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, কংগ্রেস কমিটি যেখানে ভারতের অধিরাজ্য মর্যাদা বা ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পক্ষে মত প্রদান করে, সেখানে সুভাষচন্দ্রই প্রথম ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে মত দেন। জওহরলাল নেহরুসহ অন্যান্য যুবনেতারা তাকে সমর্থন করেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক লাহোর অধিবেশনে কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ মতবাদ গ্রহণে বাধ্য হয়। ভগৎ সিংয়ের ফাঁসি ও তার জীবন রক্ষায় কংগ্রেস নেতাদের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ সুভাষচন্দ্র গান্ধী-আরউইন চুক্তি বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। তাকে কারারুদ্ধ করে ভারত থেকে নির্বাসিত করা হয়। নিষেধাজ্ঞা ভেঙে তিনি ভারতে ফিরে এলে আবার তাকে কারারুদ্ধ করা হয়।

https://youtube.com/shorts/vTktEYNvlwI?feature=share👉 স্বামী বিবেকানন্দ জন্মদিন 🎁🍰    ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ – ৪ জুলাই ১৯০২। ...
12/01/2023

https://youtube.com/shorts/vTktEYNvlwI?feature=share

👉 স্বামী বিবেকানন্দ জন্মদিন 🎁🍰

১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ – ৪ জুলাই ১৯০২। জন্মনাম নরেন্দ্রনাথ ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রিয়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে হিন্দুধর্ম তথা ভারতীয় বেদান্ত ও যোগ দর্শনের প্রচারে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। অনেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বিভিন্ন ধর্মমতের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রচার করার কৃতিত্ব বিবেকানন্দকে দিয়ে থাকেন। ভারতে হিন্দু পুনর্জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। সেই সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতে তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ধারণাটি প্রবর্তন করেন। বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত বক্তৃতাটি হল, "আমেরিকার ভাই ও বোনেরা ...," ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতা, যার মাধ্যমেই তিনি পাশ্চাত্য সমাজে প্রথম হিন্দুধর্ম প্রচার করেন।

স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার এক উচ্চবিত্ত হিন্দু বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছোটোবেলা থেকেই আধ্যাত্মিকতার প্রতি তিনি আকর্ষিত হতেন। তার গুরু রামকৃষ্ণ দেবের কাছ থেকে তিনি শেখেন, সকল জীবই ঈশ্বরের প্রতিভূ; তাই মানুষের সেবা করলেই ঈশ্বরের সেবা করা হয়। রামকৃষ্ণের মৃত্যুর পর বিবেকানন্দ ভারতীয় উপমহাদেশ ভালোভাবে ঘুরে দেখেন এবং ব্রিটিশ ভারতের আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জন করেন। পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দের বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় ভারত ও হিন্দুধর্মের প্রতিনিধিত্ব করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড ও ইউরোপে তিনি হিন্দু দর্শনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অসংখ্য সাধারণ ও ঘরোয়া বক্তৃতা দিয়েছিলেন এবং ক্লাস নিয়েছিলেন। তার রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য চিকাগো বক্তৃতা, কর্মযোগ, রাজযোগ, জ্ঞানযোগ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত, ভারতে বিবেকানন্দ, ভাববার কথা, পরিব্রাজক, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বর্তমান ভারত, বীরবাণী (কবিতা-সংকলন), মদীয় আচার্যদেব ইত্যাদি। বিবেকানন্দ ছিলেন সংগীতজ্ঞ ও গায়ক। তার রচিত দুটি বিখ্যাত গান হল "খণ্ডন-ভব-বন্ধন" (শ্রীরামকৃষ্ণ আরাত্রিক ভজন) ও "নাহি সূর্য নাহি জ্যোতি"। এছাড়া "নাচুক তাহাতে শ্যামা", "৪ জুলাইয়ের প্রতি", "সন্ন্যাসীর গীতি" ও "সখার প্রতি" তার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা। "সখার প্রতি" কবিতার অন্তিম দুইটি চরণ– “বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর? / জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।" – বিবেকানন্দের সর্বাধিক উদ্ধৃত একটি উক্তি।

ভারতে বিবেকানন্দকে ‘বীর সন্ন্যাসী’ নামে অভিহিত করা হয় এবং তার জন্মদিনটি ভারতে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালিত হয়।

৪ জুলাই ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দ, (তার মৃত্যুর দিন) বিবেকানন্দ ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন, বেলুড় মঠের চ্যাপেলে তিন ঘণ্টা ধরে ধ্যান করেন। এরপর তিনি ছাত্রদের শুক্লা-যজুর্বেদ শেখান, যা একটি সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং যোগ দর্শন। পরে সহকর্মীদের সঙ্গে রামকৃষ্ণ মঠের বৈদিক কলেজে একটি পরিকল্পনার আলোচনা করেন। তিনি ভ্রাতা-শিষ্য স্বামী প্রেমানন্দের সঙ্গে হাঁটেন এবং তাকে রামকৃষ্ণ মঠের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও নির্দেশনা দেন। সন্ধ্যা ৭:০০ টায় বিবেকানন্দ তার ঘরে ফেরেন এবং তাকে বিরক্ত করতে নিষেধ করেন এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত ৯:১০ মিনিটে ধ্যানরত অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। তার শিষ্যদের মতে, বিবেকানন্দের মহাসমাধি ঘটেছিল আর চিকিৎসকের প্রতিবেদনে বলা হয় এটি হয়েছে তার মস্তিষ্কে একটি রক্তনালী ফেটে যাবার কারণে, কিন্তু তারা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ধার করতে পারেননি। তার শিষ্যদের মতানুসারে ব্রহ্মরন্ধ্র-মস্তিষ্কের চূড়ার রন্ধ্র-অবশ্যই ফেটে থাকবে যখন তিনি মহাসমাধি অর্জন করেছিলেন। বিবেকানন্দ চল্লিশ বছর জীবৎকাল পূর্ণ করার আগেই তার ভাববাণী সম্পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাকে বেলুড়ে গঙ্গা নদীর তীরে একটি চন্দন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চিতার উপর দাহ করা হয়, যার বিপরীত পাশে ষোল বছর আগে রামকৃষ্ণ দেবের মরদেহ দাহ করা হয়েছিল।

স্বামী বিবেকানন্দের ভ্রমণসমূহ, উত্তেজনাপূর্ণ বক্তৃতাদান, ব্যক্তিগত আলোচনা এবং চিঠিপত্রের আদান-প্রদান তার স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করেছিল। তিনি হাঁপানি, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য শারীরিক অসুখে ভুগছিলেন। তার দেহত্যাগের কিছুদিন পূর্বে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বর্ষপঞ্জি/পঞ্জিকা পড়তে দেখা যেত। তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার তিন দিন পূর্বে তাকে দাহ করার স্থান দেখিয়ে দেন - যে স্থানে বর্তমানে তার স্মৃতিতে একটি মন্দির দাঁড়িয়ে আছে। তিনি কতিপয় লোকের কাছে মন্তব্য করেছিলেন যে তিনি চল্লিশ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচবেন না।

01/01/2023

https://youtube.com/shorts/OaOLJEHLGV0?feature=share
👉 হ্যাপি নিউ ইয়ার 2023 💥🌎

নিশি অবসান, ওই পুরাতন বর্ষ হয় গত! মহাকালের অমোঘ নিয়মে ইতিহাসের পাতা থেকে বিদায় নিল আরেকটি বছর। শুরু হল ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৩ সালের প্রথম দিন। আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা, আশা-নিরাশা, প্রাপ্তি-প্রবঞ্চনার হিসেব-নিকাশ পেছনে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানাই আগামী দিনের নতুন স্বপ্নে সোনালি প্রত্যাশার পাখা মেলে। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথায়, ‘বন্ধু হও, শত্রু হও, যেখানে যে কেহ রও,/ ক্ষমা করো আজিকার মতো,/পুরাতন বর্ষের সাথে/পুরাতন অপরাধ যত।’ আমাদেরও প্রত্যাশা পুরনো বছরের যত ব্যর্থতা-বেদনা, হতাশা-নিরাশা এমনি করে ক্ষয় হোক আবর্ত আঘাতে।

কবি সুফিয়া কামাল লিখেছেন, ‘ অনন্ত সূর্যাস্ত-অন্তে আজিকার সূর্যাস্তের কালে/সুন্দর দক্ষিণ হস্তে পশ্চিমের দিকপ্রান্ত-ভালে/দক্ষিণা দানিয়া গেল, বিচিত্র রঙের তুলি তার/বুঝি আজি দিনশেষে নিঃশেষে সে করিয়া উজাড়/দানের আনন্দ গেল শেষ করি মহাসমারোহে।
পুরনো বছরের ভুলগুলো শুধরে সমস্ত ইতিহাস থেকে ভালো ভালো শিক্ষা গ্রহণ এবং অতীতের সফলতা-ব্যর্থতাকে পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমাদের সামনের দিকে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যেতে হবে। অর্থাৎ বাঙালি অন্যদের তুলনায় এই ভেবে অনায়াসে গর্ব করতে পারে যে, তাদের একটি নিজস্ব বর্ণমালা এবং একটি বর্ষপঞ্জি রয়েছে, যা বিশ্বের অনেক বিখ্যাত জাতিরও নেই। নিজস্ব বর্ষপঞ্জি থাকার কারণে বাঙালি বছরে দু’বার বর্ষবরণ করে, তার একটি পয়লা বৈশাখ। আরেকটা হলো ১লা জানুয়ারি। বাঙালি একবার বলে শুভ নববর্ষ। আরেকবার বলে হ্যাপি নিউ ইয়ার।
চিরসংগ্রামী, লড়াকু ও আশাবাদী মানুষের প্রত্যাশা সব ধরনের স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনবে অনাবিল আনন্দ। এ দেশে ফিরে আসবে শান্তি, সমৃদ্ধি, স্বস্তি, গতিময়তা। নতুন আশার আলো প্লাবিত করবে দিক-দিগন্ত।
নতুনের প্রতি সবসময়ই মানুষের থাকে বিশেষ আগ্রহ ও উদ্দীপনা। নতুনের মধ্যে নিহিত থাকে অমিত সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়ন করার সুযোগ করে দিতে এলো নতুন বছর।
মহাকালের অতলে হারিয়ে গেলো আরো একটি বছর। সময়ের চক্রে আর কখনোই ফিরবে না ২০২২ সাল। তবে বছরটির রেখে যাওয়া স্মৃতি-বিস্মৃতি আলোড়িত হবে প্রকৃতি-পরিবেশ-মনুষ্য সভ্যতায়। আজি নব-বর্ষ-প্রভাতে ভিক্ষা চাহি মার্জনা সবার। আবারও সবাইকে জানাই ইংরেজি নতুন বছরের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। শুভ হোক ইংরেজি নববর্ষ।

https://youtu.be/fOyKmgwWFyU👉 শুভ বড়দিনের দিন 🎁🍰        বড়দিনের প্রাক্কাল বলতে বড়দিনের আগের দিন, বিশেষত বড়দিনের আগের...
25/12/2022

https://youtu.be/fOyKmgwWFyU
👉 শুভ বড়দিনের দিন 🎁🍰

বড়দিনের প্রাক্কাল বলতে বড়দিনের আগের দিন, বিশেষত বড়দিনের আগের সন্ধ্যাটিকে বোঝানো হয়। বড়দিন হল যিশুখ্রিস্টের জন্ম উদযাপনকারী দিবস, যা সারা বিশ্ব জুড়ে পালন করা হয়। যিশুখ্রিস্ট ঠিক কোন্‌ তারিখে জন্ম নিয়েছিলেন, তা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ৩৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে পুণ্যপিতা (পোপ) ১ম জুলিয়াসের নির্দেশ অনুযায়ী খ্রিস্টান মন্ডলীগুলি ২৫শে ডিসেম্বর তারিখের দিবসটিকে প্রতীকীভাবে খ্রিস্টের জন্মবার্ষিকী তথা বড়দিন হিসেবে পালন করে আসছে। বড়দিনের প্রাক্কাল হল ২৪শে ডিসেম্বর। অনেক দেশে বড়দিনের প্রাক্কালটিকেও পূর্ণ বা আংশিক ছুটির দিন হিসেবে পালন করা হয়। খ্রিস্টীয় ধর্মাবলম্বীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই দুইটি দিনকে একত্রে সাংস্কৃতিক দৃষ্টিতেও পশ্চিমা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব-পর্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।

খ্রিস্টধর্মের পশ্চিমী ধারাগুলিতে বহুদিন ধরেই বড়দিনের প্রাক্কালেই বড়দিনের উৎসব শুরু হওয়ার চল। এর একটি কারণ হল খ্রিস্টীয় যাজকীয় দিবস সূর্যাস্তের সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায়; সূর্যাস্তের সাথে সাথে দিবস শুরু করার এ প্রথাটি ইহুদী ঐতিহ্য থেকে এসেছে। এছাড়া খ্রিস্টধর্মের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে বিশ্বসৃষ্টির যে কাহিনী আছে, তাতে বলা হয়েছে "সন্ধ্যা হল এবং এরপর সকাল হল। এই হল প্রথম দিন।" খ্রিস্টধর্মের অনেক মন্ডলী বড়দিনের প্রাক্কালেই গির্জার ঘণ্টা বাজিয়ে থাকে ও সেই সন্ধ্যাতেই বিশেষ প্রার্থনাসভার আয়োজন করে থাকে। খ্রিস্টীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী যিশু রাত্রিতে জন্মগ্রহণ করেন। এ কারণে বড়দিনের প্রাক্কালে মধ্যরাত্রিতে বিশেষ প্রার্থনা তথা মাঝরাতের খ্রিস্টযোগ অনুষ্ঠিত হয়। বড়দিনের প্রাক্কালকে অনেক ভাষাতেই পবিত্র রাত্রি বা পুণ্য রাত্রি (যেমন জার্মান ভাষায় "হাইলিগে নাখ্‌ট" Heilige Nacht; স্পেনীয় ভাষায় "নোচেবুয়েনা" Nochebuena) নামে ডাকা হয়। ইংরেজি ভাষাতে একে সাধারণত "ক্রিসমাস ইভ" (Christmas Eve) নামে ডাকা হয়।

খ্রিস্টধর্মের প্রাক্কালে অনেক সাংস্কৃতিক প্রথার প্রচলন আছে। যেমন ঐ সন্ধ্যায় পরিবার ও বন্ধুবান্ধবেরা একত্রিত হয়, বড়দিনের স্তবগান গাওয়া হয়, বড়দিনের বৃক্ষ, আলোকসজ্জা ও অন্যান্য অলঙ্করণ করা হয়। এদিন পরিবার ও বন্ধুবান্ধব একে অপরকে মোড়কবন্দী উপহার প্রদান করে থাকে, যেগুলি সবার সামনে খুলে গ্রহণ করা হয়।

https://youtu.be/Ou3Eh6zexds👉 Fifa World Cup 🌎           ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ (কাসু আল আলামি ২০২২) হচ্ছে ফিফা দ্বারা আয়োজ...
21/12/2022

https://youtu.be/Ou3Eh6zexds
👉 Fifa World Cup 🌎

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ (কাসু আল আলামি ২০২২) হচ্ছে ফিফা দ্বারা আয়োজিত চতুর্বার্ষিক আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা ফিফা বিশ্বকাপের ২২তম আসরের চূড়ান্ত পর্ব, যেখানে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার অন্তর্ভুক্ত ৩২টি জাতীয় ফুটবল দল (পুরুষ) প্রতিযোগিতা করবে। এই আসরের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপ আরব বিশ্বের কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে, এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপের পর এটি এশিয়ায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ফিফা বিশ্বকাপ। এটি ৩২ দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের আসর হতে ৪৮ দলের সমন্বয়ে ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। কাতারের তীব্র গ্রীষ্মকালীন উত্তাপের কারণে এই আসরটি ২০২২ সালের ২০শে নভেম্বর হতে ১৮ই ডিসেম্বর পর্যন্ত কাতারের ৫টি শহরের ৮টি মাঠে অনুষ্ঠিত হয় যার ফলে এটি মে, জুন অথবা জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত না হওয়া এবং উত্তর শরৎকালে অনুষ্ঠিত প্রথম আসর হয় এটি প্রায় ২৯ দিনের সময়সীমায় অনুষ্ঠিত হয়। এই আসরে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে আল খুরের আল বাইত স্টেডিয়ামে কাতার এবং ইকুয়েডর মুখোমুখি হয়। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১৮ই ডিসেম্বর তারিখে কাতার জাতীয় দিবসে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়

২০১১ সালের মে মাসে, কাতারের এই আসরটি আয়োজনের জন্য নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে ফিফার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। দুর্নীতির বিষয়ে ফিফার তদন্ত প্রতিবেদনে কাতারকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে তবে প্রধান তদন্তকারী মাইকেল জে গার্সিয়া তখন থেকে তার তদন্তের বিষয়ে ফিফার প্রতিবেদনে "অসংখ্য বস্তুগতভাবে অসম্পূর্ণ এবং ভুল উপস্থাপনা" বলে বর্ণনা করেছেন।

ফ্রান্স ফিফা বিশ্বকাপের পূর্ববর্তী আসরের চ্যাম্পিয়ন, যারা ২০১৮ আসরের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪–২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়লাভ করেছিল।

২০১৮ ও ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নিলামের প্রক্রিয়া ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হয়েছিল এবং জাতীয় ফুটবল ক্লাব সংস্থাগুলো তাদের আগ্রহ নিবন্ধনের জন্য ২০০৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত সময় পেয়েছিল। প্রাথমিকভাবে, ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ১১টি আবেদনপত্র জমা হয়েছিল, কিন্তু মেক্সিকো পরবর্তীতে এই কার্যক্রম থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে দিয়েছিল এবং ইন্দোনেশিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাদের আবেদনপত্রের পক্ষে ইন্দোনেশিয়া সরকারের অনাপত্তিপত্রএকটি চিঠি জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফিফা ইন্দোনেশিয়ার আবেদনপত্রটি প্রত্যাখ্যান করেছিল। কাতারকে ২০২২ সালের আসরটি প্রদান করার পূর্ব পর্যন্ত ইন্দোনেশীয় কর্মকর্তারা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য আবেদন বাতিল করেনি। আয়োজক নির্ধারণ প্রক্রিয়া চলাকালীন, সকল উয়েফা বহির্ভূত দেশগুলো ধীরে ধীরে ২০১৮ সালের আসরের জন্য করা তাদের আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল, যার ফলে এটি নিশ্চিত হয়েছিল যে একটি উয়েফা জাতি ২০১৮ সালের আসরটি আয়োজন করবে এবং এর ফলে উয়েফা দেশগুলো ২০২২ সালের আয়োজক নির্ধারণ প্রক্রিয়ার জন্য অযোগ্য হয়ে উঠবে।

শেষ পর্যন্ত ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য পাঁচটি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল: অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ফিফার ২২ সদস্যের নির্বাহী কমিটি ২০১০ সালের ২রা ডিসেম্বর তারিখে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে উভয় আসরের আয়োজক নির্বাচন করার জন্য ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল ফিফার নির্বাহী কমিটির দুই সদস্যকে তাদের ভোট সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে ভোটের পূর্বে বরখাস্ত করা হয়েছিল। কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত, যা "উচ্চ কর্মক্ষম ঝুঁকি" হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার পাশাপাশি গণমাধ্যম ধারাভাষ্যকারদের কাছ থেকে সমালোচনা সৃষ্টি করেছিল। ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারির অংশ হিসেবে অনেকেই এর সমালোচনা করেছেন।

কাতার আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ যাকে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার প্রদান করা হয়েছে – আয়তনের দিক থেকে পরবর্তী ক্ষুদ্রতম দেশ সুইজারল্যান্ড, যারা ১৯৫৪ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল, তারা কাতারের চেয়ে তিনগুণেরও বেশি বড়। বর্তমান ৩২টির পরিবর্তে কেবলমাত্র ১৬টি দল সমন্বিত দেশকে আয়োজন করার অধিকার প্রদান করা হয়। কাতার দ্বিতীয় দেশ (প্রথম দেশ ছিল উরুগুয়ে, যারা ১৯৩০ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে) ফিফা বিশ্বকাপের পূর্ববর্তী কোন আসরে উত্তীর্ণ না হয়েও ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার অর্জন করেছে। পূর্বে জাপানকে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সহ-আয়োজক হিসেবে ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজন করার অধিকার প্রদান করা ছিল, যদিও তারা আয়োজন নির্ধারণের পূর্ব পর্যন্ত চূড়ান্ত পর্বের জন্য কখনো উত্তীর্ণ হয়নি, তবে পরবর্তীতে তারা ১৯৯৮ ফিফা বিশ্বকাপের উত্তীর্ণ হয়েছিল।

কিছু তদন্তে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে কাতার সিআইএ-এর প্রাক্তন কর্মকর্তা থেকে ব্যক্তিগত ঠিকাদার, কেভিন চকারকে আয়োজন অধিকার সুরক্ষিত করতে, নিলামে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশ এবং ফুটবলের মূল কর্মকর্তাদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করার জন্য নিয়োগ করেছিল। অতঃপর ফিফার নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। এই অভিযোগগুলো ফিফা দ্বারা তদন্ত করা হয়েছে।

https://youtu.be/W2vZ8_SoxB8👉 শুভ জন্মদিন যুবরাজ সিং🥧🎂     যুবরাজ সিং জন্ম ডিসেম্বর ১২ ১৯৮১,চন্ডীগড়,( ভারত) একজন প্রাক্...
12/12/2022

https://youtu.be/W2vZ8_SoxB8
👉 শুভ জন্মদিন যুবরাজ সিং🥧🎂

যুবরাজ সিং জন্ম ডিসেম্বর ১২ ১৯৮১,চন্ডীগড়,( ভারত) একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার যিনি সব ধরনের ক্রিকেট খেলেছেন। তিনি একজন অলরাউন্ডার যিনি বাঁহাতি মিডিয়াম পেসে বল করতেন এবং মিডল অর্ডারে বাঁহাতি ব্যাটিং করতেন। তার পিতা পাঞ্জাবী চলচ্চিত্র তারকা যোগরাজ সিং। ভারতের হয়ে খেলতে আসা ওয়ানডে খেলোয়াড়দের মধ্যে যুবরাজ ছিলেন অন্যতম, তিনি তার ব্যাটিং আর ফিল্ডিংয়ের জন্য বিশেষভাবে খ্যাতি পেয়েছিলেন।

২০০০ সালে তিনি ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন এবং ২০০৩ সালের অক্টোবরে তার প্রথম টেস্ট ম্যাচে খেলেন। ২০০৭ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টিতে এবং ২০১১ আইসিসি ক্রিকেট ওয়ানডে বিশ্বকাপে উভয়ে তিনি ভারতের মহাকাব্য জয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশীদার ছিলেন। ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে তিনি ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট ছিলেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ২০১৭ সাল অবধি ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলেন। ২০০৭ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি স্টুয়ার্ট ব্রড এর একটি ওভারে ছয়টি ছক্কা মারেন এমন একটি কীর্তি যা পূর্বে মাত্র তিনবার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঘটে ছিল, যদিও দুটি টেস্ট ক্রিকেট দলের মধ্যে কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে কখনও হয়নি। একই ম্যাচে, তিনি আর একটি কীর্তি স্থাপন করেন টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং সমস্ত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুততম ৫০ রানের রেকর্ড, তিনি মাত্র ১২ বলে ৫০ রান করেছিলেন। ২০১১ বিশ্বকাপ চলাকালীন, তিনি প্রথম খেলোয়াড় হয়েছিলেন যিনি ৫ উইকেট শিকার নেওয়ার সাথে সাথে একই বিশ্বকাপের ম্যাচে ৫০ রান করেছেন।

২০১১ সালে, ঘটে এক বড় অঘটন, যুবরাজের বাম ফুসফুসে ক্যান্সারযুক্ত টিউমার ধরা পড়ে এবং তিনি বোস্টন এবং ইন্ডিয়ানাপলিসে কেমোথেরাপির চিকিৎসা করতে চলে যান। ২০১২ সালের মার্চ মাসে কেমোথেরাপির তৃতীয় ও চূড়ান্ত চক্র শেষ করে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এপ্রিল মাসে তিনি ভারতে ফিরে আসেন। ২০১২ বিশ্ব টি-টোয়েন্টির কিছু আগে, সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তিনি তার আন্তর্জাতিক প্রত্যাবর্তন করেছিলেন।

২০১২ সালে, সালে তার ভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অবদানের জন্য অর্জুন পুরস্কার লাভ করেন, ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্রীড়া পুরস্কার। পরবর্তীকালে, ২০১৪ সালে, তিনি ভারত সরকারের দ্বারা পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন, ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। ২০১৪ আইপিএল নিলামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু যুবরাজকে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে ১৪ কোটি টাকা দিয়ে তাঁদের দলে নিয়েছিল এবং ২০১৫ সালে, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস তাঁকে ১৬ কোটি টাকা দিয়ে তাঁদের দলে নিয়েছিল।

২০১৭ সালের জুন মাসে, তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার পর আর ভারতীয় দলে খেলার সুযোগ পাননি এবং সেটাই ছিল তার সর্বশেষ খেলা। ১০ জুন ২০১৯-তে যুবরাজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

https://youtu.be/oVv54Hv7Do0👉 ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস 💪🏾✊🏻        জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১...
10/12/2022

https://youtu.be/oVv54Hv7Do0
👉 ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস 💪🏾✊🏻

জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়। এছাড়াও, 'সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়। সার্বজনীন মানব অধিকার ঘোষণা ছিল ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন।

৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৩১৭তম পূর্ণ অধিবেশনে ৪২৩(৫) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সদস্যভূক্ত দেশসহ আগ্রহী সংস্থাগুলোকে দিনটি তাদের মতো করে উদ্‌যাপনের আহ্বান জানানো হয়।

মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সভা-সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্যচিত্র কিংবা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী প্রধানতঃ এ দিনের সাধারণ ঘটনা। ঐতিহ্যগতভাবে ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে প্রতি পাঁচ বৎসর অন্তর 'জাতিসংঘের মানব অধিকার ক্ষেত্র পুরস্কার' প্রদান করা হয়। এছাড়া নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কার্যক্রমও এদিনেই হয়ে থাকে।

২০০৬ সালে মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে অবস্থান', যা ছিল মানব অধিকার সংক্রান্ত। অনেকগুলো বক্তৃতা-বিবৃতি এ দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রদান করা হয়েছিল। তন্মধ্যে ৩৭টি দেশ নিয়ে গড়া জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের নিম্নের বিবৃতিটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্যঃ-

“ আজ দারিদ্র্য বিশ্বে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে মানব অধিকারকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নিয়েছে। দারিদ্র্য, বঞ্চনা, বর্জন ইত্যাদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়া দাতব্য তহবিলের জন্য কোন বিষয়ই নয়। দারিদ্র্য মোকাবিলায় দেশটি কতখানি ধনী তা-ও নির্ভরশীল নয়। দারিদ্রকে মোকাবিলার লক্ষ্যে মানব অধিকারকে সমুন্নত রাখতে হবে। বিশ্ব এটিকে সমূলে উৎপাটনের জন্য আরো বৃহৎ সুযোগ পাবে ...... দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য এটি একটি বৃহৎ লক্ষ্য অর্জন।”

১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বৎসরের ১০ই ডিসেম্বর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিশ্বের সর্বত্র পালিত হয়। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকায় শার্পেভিল গণহত্যাকে স্মরণ করে দিবসটি উদযাপিত হয় ২১ মার্চ।

Address

Bishnupur
743503

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beramara Ramchandrapur High School H.S posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Beramara Ramchandrapur High School H.S:

Shortcuts

Share

Category