Shilpi Art Centre

Shilpi Art Centre Art & Craft Institution

COURSE AVAILABLE :-

1) Drawing
2) Any craft work
3) Mural & sculpture
4) Paper Folding /Sculpture
5) Chalk Sculpture
6) Collage Work
7) Jute Work
8) Fabric Work
9) Tharmocol Designing
10) Glass Painting
11) Project /Modeling
12) Computer (Basic /School Syllabus)

N:B: - We accept any art work or Project work order.

01/04/2026
04/01/2026

অঙ্কন শেখাতে চাইলে যোগাযোগ করুন 🖼️
🎨1) Play group
🎨2) Junior group
🎨3) Senior group

🖌️ বিঃদ্রঃ - প্রতি ব্যাচে মাত্র 10 জন করে।
🏠 বাড়িতে গিয়েও শেখানো হয় একা বা ব্যাচে।

অঙ্কন শেখাতে চাইলে যোগাযোগ করুন 🖼️🎨1) Play group🎨2) Junior group🎨3) Senior group 🖌️বিঃদ্রঃ - প্রতি ব্যাচে মাত্র 10 জন কর...
17/12/2025

অঙ্কন শেখাতে চাইলে যোগাযোগ করুন 🖼️
🎨1) Play group
🎨2) Junior group
🎨3) Senior group

🖌️বিঃদ্রঃ - প্রতি ব্যাচে মাত্র 10 জন করে।

https://www.facebook.com/share/p/1Gox5WE693/
20/11/2025

https://www.facebook.com/share/p/1Gox5WE693/

দৈনিক সহজ প্র্যাকটিস (যে কোনো লেভেলের আর্টিস্টের জন্য)

১. লাইন কন্ট্রোল (৫ মিনিট)
সোজা লাইন, বাকা লাইন, গোল লাইন— ধীরে এবং নিয়ন্ত্রণ রেখে ২ পাতায় প্র্যাকটিস করো।
কারণ: হাত স্থির হয়, স্কেচ পরিষ্কার হয়।

২. বেসিক শেপ (৫ মিনিট)
শুধু বৃত্ত, স্কোয়ার, আয়তক্ষেত্র, ত্রিভুজ আঁকো— খুব পরিষ্কার করে।
কারণ: সব মুখ, শরীর, অবজেক্ট—সবকিছুই এই শেপ থেকে তৈরি।

৩. শেডিং স্কেল (৩–৪ মিনিট)
হালকা থেকে গাঢ় ৫–৭ ধাপের শেডিং স্কেল বানাও।
কারণ: লাইট–শ্যাডো সঠিক আসে, ছবি 3D দেখায়।

৪. ছোট ছোট অবজেক্ট ড্রয়িং (৫ মিনিট)
কাপ, চামচ, বল, পেন্সিল— খুব ছোট করে দ্রুত স্কেচ।
কারণ: অবজেক্ট কাউন্ট বেশি হলে হাত ফাস্ট এবং অটোমেটিক হয়ে যায়।

৫. মুখের বেসিক স্ট্রাকচার (৫–৬ মিনিট)
প্রতিদিন ৫–৬টা লুমিস হেড বা বেসিক হেড কন্সট্রাকশন।
কারণ: মাথার এনাটমি, এঙ্গেল, প্রপোর্শন ঠিক হয়।

৬. রেফারেন্স দেখে ২ মিনিট স্কেচ (২ মিনিট × २ বার)
যে কোনো ছবি ২ মিনিটে স্কেচ করার চেষ্টা করো।
কারণ: চোখের মাপ + দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া + পর্যবেক্ষণ শক্তি বাড়ে।

৭. নিজের পুরোনো ভুল সংশোধন (২ মিনিট)
আগের দিন কী ভুল ছিল—একটি জিনিস ঠিক করে আবার আঁকো।
কারণ: উন্নতি সবচেয়ে দ্রুত এখানেই হয়।

প্লাস— মানসিক প্র্যাকটিস (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)

৮. প্রতিদিন ২ মিনিট চোখ দিয়ে পর্যবেক্ষণ
মানুষের মুখ, আলো কেমন পড়ে, নাকের ছায়া কেমন— এগুলো শুধু দেখো।
কারণ: চোখ যত শিখবে, হাত তত শক্তিশালী হবে।

৯. রিড্রয়িং প্র্যাকটিস (সপ্তাহে ২–৩ দিন)
একই ছবি দু’বার আঁকো— প্রথমটা নরমাল, দ্বিতীয়টা উন্নত।
কারণ: পার্থক্য বুঝে নিজের স্কিল ২× দ্রুত বাড়ে।

১০. ভুলকে ভয় না পাওয়া
ইরেজার খুব কম ব্যবহার করো।
মনে রাখবে: ভুল দেখলে তোমার দক্ষতা বাড়ে, ভুল মুছলে দক্ষতা লুকায়।

এক কথায় ডেইলি রুটিন
লাইন → শেপ → শেডিং → ছোট অবজেক্ট → হেড স্ট্রাকচার → দ্রুত স্কেচ → ভুল ঠিক করা → পর্যবেক্ষণ

Artist Home ✍️✍️✍️




















15/11/2025

শিশু দুষ্টুমি করলেই আমরা তেতে উঠি। মুহূর্তের উত্তেজনায় ভুলে যাই—শাসন আর শাস্তি এক জিনিস নয়। রাগের চোটে আমরা ভাবি, একটু ধমক দিলে বা চড়-থাপ্পড় দিলে ও চুপ করবে। সত্যি, ওরা হয়তো একদম চুপ মেরে যাবে। কিন্তু ভেতরে জমে থাকবে ভয়, অনীহা, হীনমন্যতা আর ক্ষোভ। সেই ক্ষত বড় হয়ে গিয়ে কখনো-সখনো চরিত্র, আত্মবিশ্বাস আর সম্পর্ক—তিনটাই নষ্ট করে দেয়।

এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে শিশুকে শৃঙ্খলা শিখানো যাবে কীভাবে? উত্তরটা সহজ। ভালোবাসা দিয়ে। ধৈর্য দিয়ে। বোঝাপড়া দিয়ে। কারণ যাদের হাতে পৃথিবীটা মাত্র খুলে গেছে, তাদের ভরসার সবচেয়ে বড় জায়গা হওয়া উচিত বাবা-মা। এখানে রাগ নয়, দরকার নরম হাতে পথ দেখানো। চলুন, এই পথটা একটু খুলে দেখি।

এখানে যা সবচেয়ে জরুরি, সেটা হলো শিশুর আচরণের মূল কারণ বোঝা। একটা শিশু কেন জেদ করছে? ক্ষুধার কারণে? অতিরিক্ত উত্তেজনা? ঘুম কম হয়েছে? কোনো কিছু বুঝতে না পেরে বিরক্ত? প্রতিটি ছোট আচরণের পেছনে থাকে বড় কারণ। ওরা কথায় সব বোঝাতে পারে না, তাই আচরণ দিয়েই জানায়। একটু ধৈর্যে দেখুন, আপনি কারণটা ধরতে পারবেন।

এরপর আসে শোনার জায়গা। আমরা বড়রা অভ্যাসে কথা বলি বেশি, শুনি কম। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে উল্টোটা দরকার। ওরা যদি আমাদের কাছে বিচার করতে না পারে, নিরাপত্তা পাবে কোথায়? আপনি যদি মন খুলে ওর কথা শোনেন—ওর অভিযোগ, ছোট ছোট দুঃখ, ক্ষুদ্র কৌতূহল—তাহলে বাচ্চাও বুঝবে যে আপনি তার পাশে আছেন। তখন আপনার বলা কথাও ও সহজে গ্রহণ করবে।

শিশুকে সীমা শেখানো জরুরি, কিন্তু সেই সীমা যেন ভয়ের দেয়াল হয়ে না দাঁড়ায়। “না” বলার ভঙ্গিটা বদলাতে হবে। রাগ দেখিয়ে নয়, চোখে চোখ রেখে শান্ত গলায় বোঝাতে হবে—কেন এটা ঠিক নয়, কেন ওর অন্য আচরণ প্রয়োজন। আপনি শান্ত থাকলে শিশুর ভেতরেও শান্তি ঢোকে। এই শান্ত ভঙ্গিতেই তৈরি হয় আস্থার সেতু।

শাস্তির বদলে টাইম-আউট একটা দারুণ কার্যকর পদ্ধতি। এটাকে রাগের বিরতি ভাবুন। কিছুক্ষণ চুপচাপ আলাদা করে বসতে বলা, একটু সময় নিয়ে নিজের ভুলটা ভাবতে শেখানো—এগুলো ওর ভেতরে দায়িত্ববোধ তৈরি করে। এতে মনে হয় না যে তাকে অপমান করা হচ্ছে, বরং বুঝতে শেখে প্রতিটি কাজের ফল থাকে। এই বোধটাই ভবিষ্যতে ওকে সংযত মানুষ হিসেবে বড় হতে সাহায্য করে।

সবশেষে যা সবচেয়ে শক্তিশালী শিক্ষা—আপনার আচরণই শিশুর আয়না। আপনি যদি রাগ দেখান, ও রাগ শেখে। আপনি যদি তর্ক করেন, ও তর্ক শেখে। আর আপনি যদি ভালোবাসা দিয়ে পথ দেখান, ও সেই পথই অনুসরণ করে। তাই শিশুর শৃঙ্খলা শুরু হয় আপনার থেকেই। নিজের ধৈর্যকে প্রশিক্ষণ দিন, নিজেরভঙ্গিটা কোমল করুন, নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। শিশুরা যা শোনে তার চেয়েও বেশি শেখে তারা যা দেখে।

মোট কথা, শিশুকে শাসন নয়—দায়িত্ববোধ শেখাতে হয়। ভয় দেখিয়ে নয়—ভরসা দিয়ে বড় করতে হয়। কারণ মাটির চারা যত কোমলভাবে আগলে রাখবেন, ততই শক্ত হয়ে শেকড় গড়বে। আর শেকড় শক্ত হলে গাছ নিজের মতো করে উঁচু হয়ে উঠতেই পারে।

©️ An Animesh

পোস্ট ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করবেন 🙏
🚨 অনুমতি ছাড়া লেখা কপি পেস্ট করবেন না।

#শিশুশিক্ষা #প্যারেন্টিংটিপস #ইতিবাচকশাসন #শিশুমনোবিজ্ঞান #সুস্থশিক্ষা

15/11/2025

একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তার নিজস্ব স্টাইল।
যে স্টাইল দেখলেই মানুষ বলে — “এই কাজটা নিশ্চয়ই তার!”
কিন্তু সেই জায়গায় পৌঁছানো যায় কিভাবে?
চারুকলা না পড়ে, নিজের চেষ্টায় কি সম্ভব?
উত্তর হলো — হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব!

১. শুরু করুন নিজের ভেতর থেকে

প্রত্যেক শিল্পীর ভেতরে একটা আলাদা পৃথিবী আছে।
সেই পৃথিবীকে প্রকাশ করা মানেই নিজের স্টাইল খুঁজে পাওয়া।
অন্য কারো মতো হবার চেষ্টা করবেন না —
বরং ভাবুন, “আমার চোখে পৃথিবীটা কেমন?”
যেভাবে আপনি দেখেন, সেইভাবেই আঁকুন।

২. বেশি দেখে, কম নকল করুন

অনেকেই শেখার নামে কপি করতে করতে নিজের অনুভূতি হারিয়ে ফেলে।
অন্যের কাজ থেকে শিখুন, কিন্তু নিজের ভেতর রূপান্তর করুন।
অন্যের ছবিকে কপি না করে বোঝার চেষ্টা করুন,
তার মধ্যে কীভাবে রেখা, আলো, ছায়া বা ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
তারপর সেটাকে নিজের মতো করে ব্যবহার করুন।

৩. কল্পনা শক্তিকে জাগিয়ে তুলুন

প্রতিদিন একটু সময় দিন “ভাবনার প্র্যাকটিসে”।
চোখ বন্ধ করুন, একটা দৃশ্য ভাবুন —
কেমন আলো পড়ছে, বাতাস কেমন বইছে, মানুষগুলো কী করছে।
যত বেশি কল্পনা করবেন, তত বেশি আপনার মস্তিষ্ক নতুন দৃশ্য তৈরি করতে শিখবে।
এই কল্পনাই হবে আপনার স্টাইলের সবচেয়ে বড় শক্তি।

৪. বাস্তব আর কল্পনাকে মেলান

কল্পনাকে বাস্তবের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলুন।
যেমন, আপনি যদি একজন মানুষ আঁকেন, তার মুখ বাস্তব হতে পারে,
কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে দিন আপনার কল্পনার রঙ,
যেন সেটা শুধু আপনার গল্প বলে।
এটাই “স্টাইল” — নিজের ভাবনার রঙে বাস্তবকে নতুন করে দেখা।

৫. ভুলকে ভয় পাবেন না

ভুল হচ্ছে মানেই আপনি চেষ্টা করছেন।
যত বেশি ভুল করবেন, তত দ্রুত আপনি নিজের পথ খুঁজে পাবেন।
প্রত্যেক অসম্পূর্ণ কাজই একদিন সম্পূর্ণতার দিকে নিয়ে যাবে।

৬. নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন

মাঝেমধ্যে পুরনো কাজগুলোর দিকে ফিরে তাকান।
দেখুন, কোন ছবিতে আপনার হাতের ছাপ স্পষ্ট ছিল,
কোনটায় আপনি কপি করেছেন, আর কোনটায় নিজেকে প্রকাশ করেছেন।
এই বিশ্লেষণটাই ধীরে ধীরে আপনার স্টাইলকে শক্ত করবে।

৭. নিজেকে ছোট ভাববেন না

চারুকলায় না পড়েও দুনিয়ার অসংখ্য বড় শিল্পী
নিজের স্টাইল তৈরি করেছেন — নিজের ভালোবাসা আর অধ্যবসায়ে।
শিল্পের আসল শক্তি কোনো ডিগ্রিতে না, থাকে হৃদয়ে।

৮. নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন

স্টাইল একদিনে তৈরি হয় না।
প্রতিদিন ১ ঘণ্টা সময় দিন শুধু এক্সপেরিমেন্টে।
নতুন রঙ, নতুন ব্রাশ, নতুন ভাবনা —
যখন নিয়মিত চর্চা হবে, তখন আপনার হাত নিজের মতো আঁকতে শুরু করবে।

💬 শেষ কথা:
আপনি যদি সত্যি নিজের স্টাইল খুঁজে পেতে চান,
তাহলে অন্যদের মতো না ভেবে নিজের মতো ভাবুন,
নিজের মতো আঁকুন, নিজের মতো অনুভব করুন।
একদিন দেখবেন, আপনার ছবির দিকে তাকিয়ে মানুষ বলছে —
“এই ছবিটা আমি চিনে ফেলেছি... এটা নিশ্চয়ই আপনার!”

শেয়ার করুন প্লিজ🙏🙏🙏🙏
Artist Home ✍️✍️✍️✍️












29/10/2025

জলরঙের জগতে ব্রাশের ভূমিকা ঠিক তেমনই যেমন একজন কবির হাতে কলম। রঙের প্রবাহ, পানির নরম ছোঁয়া আর আবেগের মিশ্রণে যে ছবি জন্ম নেয়, তার মূল নিয়ন্ত্রক এই ব্রাশগুলো। তাই একজন শিল্পীর জন্য জলরঙের ব্রাশ সম্পর্কে জানা মানে নিজের হাতকে আরও বেশি দক্ষ করে তোলা। জলরঙে ব্যবহৃত ব্রাশগুলো মূলত বিভিন্ন আকার ও আকৃতির হয়ে থাকে, এবং প্রতিটি ব্রাশের রয়েছে নিজস্ব কাজ ও বৈশিষ্ট্য।

রাউন্ড ব্রাশ (Round Brush): এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জলরঙের ব্রাশ। এর মাথা সূচালো হওয়ায় একদিকে সূক্ষ্ম লাইন, আবার অন্যদিকে চওড়া স্ট্রোক—দুটোই করা যায়। পাপড়ি, পাতা, মুখের ডিটেইল, এমনকি ফুলের আকার—সবই এই এক ব্রাশে সম্ভব।

ফ্ল্যাট ব্রাশ (Flat Brush): নামেই বোঝা যায়, এটি চওড়া ও সমান মুখবিশিষ্ট ব্রাশ। বড় জায়গায় রঙ ছড়িয়ে দিতে, ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করতে বা ওয়াশ দিতে এই ব্রাশের জুড়ি নেই। এছাড়া এর ধারালো প্রান্ত দিয়ে জ্যামিতিক বা শক্ত আকৃতিও তৈরি করা যায়।

ফিলবার্ট ব্রাশ (Filbert Brush): এটি এক ধরনের ফ্ল্যাট ও রাউন্ডের মিশ্রণ। এর মাথা একটু গোলাকার হওয়ায় রঙের ব্লেন্ডিং বা মসৃণ ট্রানজিশন করতে সুবিধা হয়। বিশেষ করে ফুল বা মানবদেহের নরম অংশগুলো আঁকার ক্ষেত্রে এটি আদর্শ।

মপ ব্রাশ (Mop Brush): বড়সড়, গোলাকার এবং প্রচুর পানি ধারণক্ষম এই ব্রাশটি সাধারণত বড় ওয়াশ বা আকাশ ও ব্যাকগ্রাউন্ড রঙ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দিয়ে রঙ ছড়িয়ে দেওয়া বা নরম গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করা খুব সহজ।

ডিটেইল ব্রাশ (Detail Brush বা Liner Brush): সূক্ষ্ম কাজের জন্য তৈরি, যেমন পাতার শিরা, চুল, বা ক্ষুদ্র নকশা আঁকার জন্য এই ব্রাশ অপরিহার্য। এর টিপ খুবই পাতলা, ফলে এটি নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ দেয়।

অ্যাঙ্গেল ব্রাশ (Angle Brush): এর মাথা তির্যকভাবে কাটা, তাই এটি দিয়ে একদিকে চওড়া ও অন্যদিকে সূক্ষ্ম লাইন—দুটোই সহজে করা যায়। এটি ফুলের পাপড়ি বা জলের প্রতিফলন তুলতে বেশ কার্যকর।

জলরঙে ব্রাশের মান ও উপাদানও খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক ব্রাশ (যেমন সেবল) পানি ও রঙ ধারণে চমৎকার, তবে আধুনিক যুগে Pro Arte Sablene-এর মতো সিনথেটিক ব্রাশগুলো সেবল হেয়ারের বিকল্প হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়। এগুলো প্রাণীবান্ধব, টেকসই এবং একইসঙ্গে পেশাদার মানের ফলাফল দেয়।

একজন শিল্পীকে বুঝতে হবে কখন কোন ব্রাশ ব্যবহার করলে কাজ সহজ ও নিখুঁত হবে। যেমন, ব্যাকগ্রাউন্ডে ফ্ল্যাট বা মপ ব্রাশ, প্রধান বিষয়বস্তুতে রাউন্ড ব্রাশ, আর সূক্ষ্ম অংশে ডিটেইল ব্রাশ ব্যবহার করা শ্রেয়।

জলরঙ এমন এক মাধ্যম যেখানে রঙের সঙ্গে পানির ভারসাম্যই সবকিছু। আর এই ভারসাম্য বজায় রাখার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে সঠিক ব্রাশের নির্বাচন। ভালো ব্রাশ শুধু রঙ ধরে রাখে না, এটি শিল্পীর হাতের ভাবও ফুটিয়ে তোলে। তাই ব্রাশে বিনিয়োগ করা মানে নিজের শিল্পচর্চায় একধাপ এগিয়ে যাওয়া।

আপনার কাছে থাকা প্রতিটি ব্রাশই যেন একেকটা জাদুর ছোঁয়া। শুধু জানা দরকার, কখন কোন জাদুটি ব্যবহার করবেন।

যদি আপনি জলরঙ ভালোবাসেন, তাহলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন—যাতে আরও অনেক নতুন শিল্পী জানতে পারে ব্রাশের এই জাদুময় দুনিয়া সম্পর্কে।
Artist Home ✍️✍️✍️

কালিপুজোয় আমার করা থার্মোকলের কিছু কাজ নৈহাটি বিজয়নগরে।
22/10/2025

কালিপুজোয় আমার করা থার্মোকলের কিছু কাজ নৈহাটি বিজয়নগরে।

Address

9/1, Sadgope Para Road (south), P. O./Bhatpara, 24 Pgs (N), PIN/
Bhatpara
743123

Opening Hours

8am - 1pm

Telephone

+919339616307

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shilpi Art Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Shilpi Art Centre:

Shortcuts

Share

Category