H.Z. Islami Siksha Mission

H.Z. Islami Siksha Mission K.G. School � (Nursery - IV)

11/11/2021

বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন।
বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল।
শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়।
আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে।
ভাবলাম জমির ব্যাপারতো
তাই লোভ সামলাতে পারেনি।

আমি যেখানে থাকি সেখানে একজন রিক্সাওয়ালা আছেন।
বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম।
একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকা টাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দিন। লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই বললাম।
ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো।

আমার এক প্রতিবেশী।
রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তার গোয়ালাটা সে ফেরার আগে দুধ নিয়ে আসে।
আমি বাড়িতে না থাকায় সেই দুধ নেয়ার দায়িত্বটা আমার কাজের লোকের উপর পড়ে।
প্রতিবেশি হিসেবে এটুকু উপকারতো করতেই হয়। একদিন আমার কাজের লোকটি কোথাও একটা কাজে বেড়াতে গেছে, দুধটা আর নেয়া হয়নি।
আমি বাসায় ফেরার পর উনি এসে বললেন, "আপনার কাজের লোক কোথায়? "
উত্তর দিলাম, "একটু বেড়াতে গেছে।"
আমাকে আগে বলল না!! এখন দখুন তো আমার ছোট ছেলেটা কি খাবে ?
বৌদি ঝাঁঝিয়ে উঠলেন, "আগে বললে আমি অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতাম।"
ওনাকে বললাম, "আরে বৌদি, ও হয়তো ভুলে গেছে।"
উনি উত্তর দিলেন, "না, না, যাই বলুন কোনো দায়িত্ব নিলে ঠিক ভাবে পালন করতে হয়।"
তখন তাকে কেটে কেটে জবাব দিলাম, "ও হয়তো আপনার এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায়না তাই অবহেলা করেছে। আপনি বরং দায়িত্বটা অন্য কাউকে দিয়ে দিন।"
বৌদি কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে গটগট করে চলে গেলেন।
ভাবলাম, অল্প শিক্ষিতা মহিলা তো তাই এমন আরকি।

আমার এক কলিগ। গর্ভবতী হয়ে অফিসে কাজ করেন, আমি তার কষ্ট দেখে তার একটা কাজের দায়িত্ব নিজে থেকেই নিলাম।
সে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেলো। সে ফিরেও এলো। তাকে কাজটা ফিরিয়ে দিতে চাইলে সে গরিমসি শুরু করলো।
ভাবটা এমন যে কাজটা আমারই ছিলো। এবার ভাবনাটা বদলালাম।

আসলে মানুষ একটা সুবিধা বেশিদিন ভোগ করলে সেটাকে তার অধিকার ভেবে নেয়।
ভুলে যায় --"It's facility, not right."
তাই শুধু সুবিধা দেয়া নয়, নেয়ার ক্ষেত্রেও সাবধান থাকা দরকার।
হিউম্যান বিহেভিয়ার খুব অদ্ভুত। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কাজ করে।

টিউশনি করানোর সময় ছাত্রের মা আমাকে প্রতিদিন জলখাবার দিতেন। হঠাৎ টানা ২-৩ দিন তা না দেয়ায় আমার খুব খারাপ লেগেছিল, আরে জলখাবারই দিল না।
পরে অবশ্য আমার নিজের আচরণে আমি নিজেই অবাক হই। আমার সাথে তো কখনো অভিভাবক এর জলখাবার নিয়ে চুক্তি হয়নি, তারা তো আমাকে জলখাবার দিতে বাধ্য নন।
বরং তা দেয়ার জন্য আমার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ ছিল।

কোনটা অধিকার আর কোনটা অতিরিক্ত পাচ্ছি, সেটা বোঝা জরুরি।।

*তাই যতটুকু সম্ভব সবার ভুল গুলো ধরিয়ে দিন।*
🙏
(সংগৃহীত)

20/10/2021

শিক্ষনীয় গল্প

ছােট্ট এক ছেলে ছিলাে প্রচন্ড রাগী । তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললাে যে,যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে । প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলাে।পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলাে ।

সে বুঝতে পারলাে হাতুড়ী দিয়ে কাঠ বেড়ায় পেরেক বসানাের চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ।শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলাে যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলাে না । সে তার বাবাকে এই কথা জানালাে । তারা বাবা তাকে বললাে এখন তুমি যেসব দিনে তােমার রাগকে পুরােপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে,সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলাে।অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালাে যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে । তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললাে‘ তুমি খুব ভাল ভাবে তােমার কাজ সম্পন্ন করেছাে,এখন তুমি তােমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারাে কিন্তু দেখাে , প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্ত গুলাে এখনাে রয়ে গিয়েছে । কাঠের বেড়াটি কখনাে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না ।যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলাে তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় পরে যায় । তাই নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে শেখাে।মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।

Address

Bhangar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when H.Z. Islami Siksha Mission posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category