09/05/2026
"চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির..."
লহ প্রণাম -- 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
২৫শে বৈশাখ - ১৪৩৩
#তাহাদের_কথা_TheStoryteller
'তাহাদের কথা' : যেখানে শব্দরা কথা বলে...
Welcome to "TAHADER KOTHA" - The Storyteller... A treasure trove of captivating audio stories in Bengali.
Follow us for a timeless collection of classics and contemporary tales from Bengali and global tales..
09/05/2026
"চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির..."
লহ প্রণাম -- 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
২৫শে বৈশাখ - ১৪৩৩
#তাহাদের_কথা_TheStoryteller
"দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ওপারে..."
#নিবেদিত_নৈবেদ্য
04/05/2026
আজকের প্রার্থনা 🙏
#নিবেদিত_নৈবেদ্য
#তাহাদের_কথা_Thestoryteller
03/05/2026
সম্প্রতি একাডেমি অফ ফাইন আর্টস-এ
Tannistha Biswas এর আমন্ত্রণে একটা নাটক দেখলাম। প্রায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে।
"এবার খলনায়কের পালা" কৌশিক করের নির্মাণ।
_________________________________
রাজনৈতিক নাটক vs রাজনীতির নাটক
--------------------------------------------------------
মঞ্চের বাইরেও যে অভিনয় চলে সেই
রাজনীতি আর নাটকের মধ্যে সম্পর্কটা বহু পুরনো। অ্যারিস্টটল তাঁর Poetics-এ বলেছিলেন, নাটক হলো মানবজীবনের অনুকরণ — আর রাজনীতি? সেটাও কি মানবজীবনের এক বিশেষ ধরনের অনুকরণ নয়? ক্ষমতার মঞ্চে প্রতিদিন যা ঘটে, তার একটা বড়ো অংশই আসলে সুচিন্তিত পরিকল্পনায় সাজানো "Political Theatre" — অর্থাৎ রাজনৈতিক নাটক। (রাজনীতির নাটক!)
Political Theatre কী?
সহজ কথায়, Political Theatre হলো এমন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা বক্তব্য, যার মূল উদ্দেশ্য বাস্তব পরিবর্তন নয় — বরং জনমানসে একটি নির্দিষ্ট ধারণা বা আবেগ তৈরি করা। এটি হতে পারে একটি ভাষণ, একটি সংসদীয় বিতর্ক, একটি প্রেস কনফারেন্স, এমনকি একটি বিপ্লব ঘোষণা — যেখানে দর্শকই মূল লক্ষ্য, কিন্তু সেখানে কোনো সমাধান নেই। থাকে কিছু আশ্বাস বা কিছু আশার বাণী।
জার্মান নাট্যকার Bertolt Brecht তাঁর Epic Theatre-এর ধারণায় বলেছিলেন, নাটকের কাজ শুধু আবেগ জাগানো নয় — দর্শককে ভাবাতে হবে। তিনি চেয়েছিলেন মানুষ মঞ্চ দেখে জেগে উঠুক। কিন্তু রাজনীতিবিদরা ঠিক উল্টোটা করেন — তাঁরা চান দর্শক ভাবুক কম, দেখুক বেশী - শুনুন বেশী।
আধুনিক রাজনীতিতে "নাটক" :
আজকের রাজনীতিতে Political Theatre- এর রূপটা অনেক বেশি পরিশীলিত। কয়েকটি চেনা উদাহরণ —
১. সংকট তৈরি ও সমাধানের নাটক: একটি সমস্যাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বড়ো করে দেখানো। তারপর তার "সমাধানকারী" হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন। দর্শক হাততালি দেয়, কারণ সে ভাবেই না সংকটটা কৃত্রিম ছিল।
২. প্রতীকী পদক্ষেপ: যে সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রভাব নগণ্য, কিন্তু প্রতীকী মূল্য বিশাল — এটি Political Theatre-র সবচেয়ে বড়ো চালিকা শক্তি।
৩. শত্রু নির্মাণ (Enemy Construction): জনগণের ক্ষোভকে একটি নির্দিষ্ট "শত্রু"র দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। শেক্সপিয়ারের Julius Caesar-এ Antony ঠিক এটাই করেছিলেন — একটি ভাষণ দিয়ে জনতাকে দাঙ্গায় নামিয়েছিলেন।
৪. মিডিয়া পারফরম্যান্স: আধুনিক রাজনীতিবিদ জানেন, ক্যামেরার সামনে সঠিক মুহূর্তে সঠিক আবেগ দেখানোটাই আসল দক্ষতা।
দর্শকের দায় :
নোবেলজয়ী নাট্যকার Dario Fo (Accidental Death of an Anarchist) বলেছিলেন, ক্ষমতা তখনই টিকে থাকে যখন জনগণ নাটকটা বিশ্বাস করে (রাজনীতি)! সুতরাং প্রশ্ন হলো — আমরা দর্শক হিসেবে কতটা সজাগ?
রাজনৈতিক নাটকের সবচেয়ে বড়ো বিপদ এখানেই। মঞ্চের নাটকে আমরা জানি এটা কাল্পনিক। কিন্তু রাজনীতির মঞ্চে সবাই প্রায়ই ভুলে যায় — এটাও একটা performance। সঠিক না হলে বিদায় অবসম্ভাবি।
এবং এখানে পর্দা কখনো পড়ে না। অভিনয় চলতেই থাকে।
________________________________
এই প্রসঙ্গে একটা নাটকের কথা মনে পড়লো। মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের "নোনা জল"। বিষয় প্রায় একই। উপস্থাপনা আলাদা। সে যাইহোক,
কৌশিক করের "এবার খলনায়কের পালা" বর্তমান প্রেক্ষাপটে সব অনাচারের পাশে আমাদের স্থানু অবস্থানের মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমরা দৌড়োচ্ছি, অথচ এক ইঞ্চিও এগোচ্ছি না! Anti-establishment বা প্রতিষ্ঠান-বিরোধী কত কথাই না আমরা বলে যাই — কিন্তু বাস্তব জীবনে তার প্রকাশ কোথায়? পুঁজির প্রবল তাণ্ডবে বৈশিষ্ট্যহীন হতে হতে মানুষ তার আত্মপরিচয়টাই ভুলে যাবে? নৈতিকতার কোনো স্থান থাকবে না জীবনে? বিত্তবান, ক্ষমতাবানের ছোবল থেকে আর কতদিন সাধারণ মানুষ নিজেকে বাঁচাতে পারবে? প্রশ্ন অনেক। "এবার খলনায়কের পালা" এই প্রশ্নগুলো নতুন করে ভাবিয়ে তুললো।
Political Theatre —
"এবার খলনায়কের পালা" কৌশিক করের নির্মাণ, সেই অর্থেই একটি সত্যিকারের Political Theatre। দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ক্ষমতা, বড়ো প্রোমোটার, উঁচু বিল্ডিং - রেড - গ্রীন - ব্লু জোন, 'দখলের চেষ্টা' — আর তার ঠিক পাশে বস্তির সাধারণ মানুষের অসহায় দিনযাপন। নেশা, মারপিট, চুরি, টাকার লোভে খুন — এই নির্মম চিত্রপটে নাটকটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থাপন করেছে Opera-ধর্মী আঙ্গিকে, নাচ ও গানের সমন্বয়ে এবং সুনিপুন আলোর ব্যাবহারে। এই contrast-ই নাটকের সবচেয়ে বড়ো শক্তি — যন্ত্রণার কথা বলা হচ্ছে সুরে, ক্রোধের কথা বলা হচ্ছে নৃত্যে।
এই ধারার নাটক বাংলায় নতুন নয়। বিজন ভট্টাচার্যের "নবান্ন" (১৯৪৪) দুর্ভিক্ষের যন্ত্রণাকে মঞ্চে এনেছিল এমন তীব্রতায় যা দর্শককে নাড়িয়ে দিয়েছিল। উৎপল দত্তের "টিনের তলোয়ার" সরাসরি রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে প্রশ্ন করেছিল। মারাঠি নাট্যকার বিজয় তেন্ডুলকরের "Ghashiram Kotwal"(ঘাসিরাম কোতোয়াল) ক্ষমতার দুর্নীতিকে এতটাই নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছিল যে সরকার নাটকটি নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। আর বিশ্বমঞ্চে Bertolt Brecht-এর Threepenny Opera — যেখানে অপরাধ ও রাষ্ট্রক্ষমতার মধ্যে ফারাকটা যে কতটা কম, সেটাই ছিল মূল বক্তব্য। "এবার খলনায়কের পালা"-র Opera আঙ্গিকটি সেই Brecht-এর উত্তরাধিকারকেই মনে করিয়ে দেয়।
কিন্তু Political Theatre-র সবচেয়ে বড়ো বিপদ হলো — সে কখনো "আরামদায়ক" নয়।
আবার বলি - নোবেলজয়ী নাট্যকার Dario Fo বলেছিলেন, ক্ষমতা তখনই টিকে থাকে যখন জনগণ নাটকটা বিশ্বাস করে — অর্থাৎ, ক্ষমতার নিজের সাজানো নাটকটা। সেই মিথ্যা নাটকের বিরুদ্ধে সত্যিকারের নাটককেই দাঁড়াতে হয়।
"এবার খলনায়কের পালা" সেই কাজটাই করেছে। কৌশিক কর (চরিত্রের নাম: কন্ডোম) এবং তন্নিষ্ঠা বিশ্বাস (চরিত্রের নাম: 'শাক'চুন্নি) — এই নামকরণেই বোঝা যায় নির্মাতা কতটা নির্ভয়ে ও নির্মম ভাবে ব্যবস্থাটাকে বিদ্রূপ করতে চেয়েছেন। অভিনয়ে তাঁরা দুজনেই উপভোগ্য — বহু চরিত্রের ভিড়েও স্বতন্ত্র।
তবে একটি কথা না বললেই নয়। বিজন ভট্টাচার্যের "নবান্ন", শম্ভু মিত্রের "চাঁদ বনিকের পালা", বা Shakespeare-এর "হ্যামলেট" — এই দীর্ঘ নাটকগুলো দর্শককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেঁধে রাখে তার অসাধারণ বাঁধুনি ও সাহিত্যরসের কারণে। তিন ঘণ্টার নাটক দীর্ঘ নয়, যদি প্রতিটি মুহূর্ত অপরিহার্য মনে হয়। "এবার খলনায়কের পালা"-র নির্মাতাদের কাছে আবেদন — এই শক্তিশালী বিষয়বস্তুটিকে আরও শানিত করুন।
আমি নিজে অতিদীর্ঘ নাটক দেখে অভ্যস্ত। উল্লেখযোগ্য - কসবা নাট্য অর্ঘ্য-র "উরুভঙ্গম" (৬ ঘন্টার নাটক, কতবার দেখেছি ঠিক মনে নেই। বারে বারে দেখতে ইচ্ছা করে এখনো।) আবার অনু নাটক দেখেও অভিভূত হয়েছি (ইছাপুর স্মৃতি নাট্য সংঘ-র "দগ্ধ ফিনিক্স")। অর্থাৎ নাটকের পুরো সময়টা যেনো মানুষকে বসিয়ে রাখতে কোনো অসুবিধা না হয়। তবেই তার সার্থকতা। সংলাপের উপর সঙ্গীত নয়, সঙ্গীত ও সংলাপ পাশাপাশি — সমান মর্যাদায়।
কারণ, এই নাটক যে কথা বলতে চাইছে, সেই কথা শোনা দরকার। সম্পূর্ণভাবে।
নাটকের জয় হোক। "শূন্য" নামের দলটি "শতায়ু" পেরিয়ে এগিয়ে চলুক।
নিচের দামী সিটের বদলে ওপরে ব্যালকনিতে গিয়ে বসে নাটকটা দেখলাম তার অপেরা ধর্মী ক্যানভাসের সম্পূর্ণ স্বাদ নেবার জন্য। তাই জুম্ করেও অতো দূর থেকে মোবাইলে ছবি ভালো ওঠেনি। অগত্যা তিনটে ছবি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করতে হোলো।
[কিছু ভুল লিখে থাকলে মার্জনা প্রার্থী]
🖋️ Parthapratim Das
(পার্থপ্রতিম দাস)
25/03/2026
খুব স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ ভাবে "মাথার ওপরে ছাদ" মানেই আশ্রয়। এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল!
মাথার ওপরে ছাদ আপনার শরীরটাকে আশ্রয় দেয় ঠিকই। কিন্ত আপনার মনের আশ্রয়!? যেটা না হলে আপনার শরীরটাই অচল!! যে আশ্রয়ের খোঁজে আজ পৃথিবী ব্যাপি মানুষ হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে 'এক মুঠো আশ্রয়'। কোথায় পাবেন!? হয়তো আপনার আশেপাশেই... কিংবা বহু দূরে কোথাও...। যেটা না পেলে, যাকে না পেলে আপনার জীবনটাই একটা উন্মুক্ত প্রান্তর। দিশাহীন। মেঘের মতো। ক্রমাগত ভেসে চলা। আপনি প্রকৃতই আশ্রয়হীন দুর্ভাগা মানুষ!!
সুবর্ণা মুস্তফাকে অপি করিম প্রশ্ন করেছিলেন- আচ্ছা, হুমায়ূন ফরিদীর সাথে আপনি বাইশ বছর তার সহধর্মিণী ছিলেন, হঠাৎ কি হয়েছিল যে আপনারা আলাদা হয়ে গেলেন? সুবর্ণা মুস্তফা ছোট্ট করে উত্তর দিয়েছিলেন- বন্ধুত্বটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল! তারপর আস্তে করে বলেছিলেন- হুমায়ূন ফরিদী যেহেতু আমাদের মাঝে আর নেই কাজেই আমি আর বলতে চাইনা এরচেয়ে বেশি কিছুই। কারণ যদি আমি বলি তাহলে ওর কথা বলার জায়গাটা নেই!
আমরা অবাক হয়ে দেখেছিলাম নিজের প্রাক্তনকেও কিভাবে সম্মান করতে হয়!
এই সম্মানটা আসে কিভাবে জানেন?
-বন্ধুত্ব থেকে! বিশ্বাস থেকে! ভরসা থেকে।
কারিনা কাপুরের কাছে সদ্য ডিভোর্স হওয়ার পর বলিউড সুপারস্টার মালাইকা অরোরা বলেছিলেন- ডিভোর্স হওয়ার আগের রাতেও আমরা আলোচনা করেছিলাম, আমরা কি একসাথে থাকতে পারি, শুধরে নিতে পারি নিজেদেরকে? তারপর দেখলাম- না, সম্ভব না! বাট উই স্টিল হ্যাভ গুড ফ্রেন্ডশিপ!
দুটো সাক্ষাৎকারেই একটা জায়গায় মিল ছিলো। মালাইকা আর সুবর্ণা দুজনেই বলেছিলেন- কাছে থেকে সম্মান হারিয়ে ফেলার চেয়ে দূরে গিয়ে সম্মান রাখাটা বেশি সম্মানের! তারা সেই স্বামীরূপী প্রেমিককে মিস করেননি, মিস করেছেন বন্ধুত্বের সম্পর্কটা!
মানুষ আসলে প্রেমিক প্রেমিকা খোঁজে না, মানুষ খোঁজে বন্ধু। প্রেমিকের কাছে প্রাক্তন প্রেমিকের কথা যতটা না সহজে বলা যায়, তারচেয়ে বলা যায় বন্ধুর কাছে! এজন্য কেউ যখন সুবর্ণার মতো বাইশ বছরের সম্পর্ক, মালাইকার মতো ষোলো বছরের সংসার ছেড়ে যায় তখন আমরা ভাবি- আর একটু সহ্য করা যেতো না? কিন্তু কীসের অভাবে কেউ ছেড়ে যায় সব তা বুঝিনা! তিক্ত হলেও সত্য- প্রেমিক ছাড়া একজীবন বেঁচে থাকা যায়, বন্ধু ছাড়া যায়না!
এজন্য প্রেমিকের এগিয়ে দেয়া হাতে হাত রেখেও আমরা খুঁজে বেড়াই সেই বন্ধুটিকে যাকে বলা যায় প্রথম প্রেম ভাঙার কষ্ট, প্রথম চুমুর অনুভূতি, প্রথম স্পর্শের আবেগ। আমাদের জানাতে ভালো লাগে আমাদের অনূভুতিগুলো আসলে কেমন!
আপনি হয়তো বলবেন দিনশেষে মানুষ আকাশের মতো একা। কিন্তু আমি বলবো মানুষ আকাশের মতো একা হলেও আকাশজুড়ে ভেসে থাকা মেঘেদলের মতো দোকা! আকাশ নিজের জন্য মেঘ খুঁজে পেলে আপনি একজন বন্ধু পাবেন না কেন ⁉️
#তাহাদের_কথা
25/03/2026
বীরেন রায় রোড (ইস্ট), টালিগঞ্জ-মুচিপাড়া, নেতাজি সড়কে --
𝟐𝐛𝐡𝐤, 𝟖𝟎𝟎 𝐬𝐪𝐟𝐭, 𝟐𝐧𝐝. 𝐅𝐥𝐨𝐨𝐫, 𝐅𝐮𝐥𝐥 𝐅𝐮𝐫𝐧𝐢𝐬𝐡𝐞𝐝, 𝐑𝐞𝐚𝐝𝐲 𝐭𝐨 𝐦𝐨𝐯𝐞 𝐅𝐥𝐚𝐭 𝐟𝐨𝐫 𝐢𝐦𝐦𝐞𝐝𝐢𝐚𝐭𝐞 𝐒𝐀𝐋𝐄...
ᴄᴏɴᴛᴀᴄᴛ ᴏɴᴡᴇʀ ꜰᴏʀ ᴍᴏʀᴇ ᴅᴇᴛᴀɪʟꜱ.
25/03/2026
John Logie Baird, a Scottish engineer and inventor widely celebrated as one of the
"𝐅𝐚𝐭𝐡𝐞𝐫 𝐨𝐟 𝐓𝐞𝐥𝐞𝐯𝐢𝐬𝐢𝐨𝐧".
✍️ The text at the bottom refers to his monumental achievement in 1926 in the United Kingdom (Reino Unido), when he gave the world's first public demonstration of a working television system.
📌 Key Historical Significance...
The Watershed Moment: On January 26, 1926, Baird demonstrated his "Televisor" to members of the Royal Institution and a reporter from The Times in his Soho laboratory in London.
🟠 "True Television": This was the first time a system successfully transmitted live, moving images of human faces with tonal graduation (shades of light and dark), rather than just silhouettes.
Mechanical Innovation: His original system was mechanical, using a rapidly spinning "Nipkow disk" to scan images.
🔴 First Human Face: During his experiments leading up to the public reveal, an office boy named William Taynton became the first human to ever be televised.
🟡 Legacy and Later Inventions
Following his 1926 breakthrough, Baird continued to pioneer the field by achieving several other "firsts":
💫 1927: Transmitted television signals over 438 miles of telephone line between London and Glasgow.
🟣 1928: Successfully demonstrated the first color television and the first transatlantic television transmission from London to New York.
📺⭕1941: Demonstrated the first purely electronic color television picture tube, known as the "Telechrome".
#তাহাদের_কথা
24/03/2026
𝗖𝗛𝗘𝗩𝗢𝗥𝗢𝗟𝗘𝗧 : 𝟭𝟵𝟯𝟲 [গাড়ীর বিজ্ঞাপন]
গাড়িটার দাম ছিলো ৩, ৬৭৫ টাকা
#তাহাদের_কথা
24/03/2026
Guglielmo Marconi, the Italian inventor and electrical engineer celebrated as the "father of radio". 📻 ✅
📍Key Historical Context ✅
The 1895 Milestone: As noted at the bottom of the image, 1895 was a pivotal year. At his family's estate in Italy, Marconi successfully transmitted wireless signals over a distance of approximately 1.5 to 2 kilometers (about 1 mile).
📻 The "Radio" Pictured: The device shown is a "cathedral-style" radio, a popular design from the 1930s. While Marconi's original 1895 inventions were experimental wireless telegraphs using Morse code, this style represents the commercial era of radio broadcasting that his work made possible.
📌 Major Achievements:
First Patent (1896): After finding little interest in Italy, he moved to England and received the world's first patent for a wireless telegraphy system.
Transatlantic Signal (1901): He famously transmitted the Morse code letter "S" from Cornwall, England, to Newfoundland, Canada, proving that radio waves could follow the Earth's curvature.
Nobel Prize (1909): He shared the Nobel Prize in Physics with Karl Ferdinand Braun for their contributions to wireless telegraphy.
📌 Impact and Legacy
Marconi's technology was instrumental in maritime safety, most notably during the Titanic disaster in 1912, where wireless operators used his equipment to summon the rescue ship Carpathia, saving over 700 lives. His work laid the fundamental groundwork for modern wireless communication, including television, mobile phones, and Wi-Fi.
#তাহাদের_কথা
24/03/2026
🔺 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 🔺 ❗"ফেসবুক"❗
🔻🔻🔻🔻🔻
The series, titled "Everything Ages," was released around 2010 and imagined what modern social media platforms would have looked like if they were launched in the mid-20th century.
Facebook was actually launched on February 4, 2004.
📷 পিন্টারেস্ট | Pinterest
#তাহাদের_কথা
24/03/2026
🔺𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞🔺 ❗"একুশে পা" ❗
🔻🔻🔻🔻🔻
The series, titled "Everything Ages," was released around 2010 and imagined what modern social media platforms would have looked like if they were launched in the mid-20th century.
"Since 1892" is a deliberate joke;
✅ YouTube was actually founded in February 2005 by Chad Hurley, Steve Chen, and Jawed Karim.
#তাহাদের_কথা