LLC Medical Science

LLC Medical Science Those people who have a great enthusiasm to know about medical science,
they can visit this page.

জনগণের সেবায় ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পে কাজের ফাঁকে
10/02/2026

জনগণের সেবায় ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্পে কাজের ফাঁকে

03/11/2025

লিভার আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি। এটি শরীরের টক্সিন বের করে, খাবার হজমে সাহায্য করে, শক্তি সঞ্চয় করে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখে।
কিন্তু নিয়মিত অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অতিরিক্ত অ্যালকোহল, ওষুধ বা ফ্যাটি খাবারের কারণে লিভার ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নিচের ধাপগুলোতে👇



🩸 Healthy Liver (সুস্থ লিভার)

🌿স্বাভাবিক লিভার লালচে ও মসৃণ থাকে।
🌿এটি সহজে টক্সিন বের করে ও হজমে সাহায্য করে।
🩺পর্যাপ্ত জল, স্বাস্থ্যকর খাবার, ও নিয়মিত রুটিন লিভারকে রাখে একদম ফিট।



🍔 Fatty Liver (চর্বিযুক্ত লিভার)

🌿অতিরিক্ত ফ্যাট জমে গেলে লিভার ভারী হয়ে যায়।
🌿সাধারণত কোনো উপসর্গ দেখা যায় না, কিন্তু ক্লান্তি ও হজমের সমস্যা হতে পারে।
🩺খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে এই ধাপ সম্পূর্ণভাবে উল্টানো যায়।



👉 Fibrosis (দাগ পড়া শুরু)

🌿দীর্ঘদিন প্রদাহ থাকলে লিভারে দাগ (scar tissue) জমতে শুরু করে।
🌿এখনো লিভারের কিছু অংশ কাজ করে, কিন্তু ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা কমে যায়।
🩺চিকিৎসা ও নিয়মিত পরীক্ষা এই পর্যায়ে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

👉 Cirrhosis (সিরোসিস)

🌿লিভার শক্ত ও সংকুচিত হয়ে যায়, দাগে ঢেকে ফেলে পুরো টিস্যু।
🌿চোখ ও ত্বক হলুদ হওয়া, পেটে জল জমা, দুর্বলতা, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
🩺এটি অনেকাংশে স্থায়ী ক্ষতি, তবে চিকিৎসায় জটিলতা কিছুটা কমানো সম্ভব।

👉 Liver Cancer (লিভার ক্যান্সার)

🌿 দীর্ঘদিন সিরোসিস বা ভাইরাল সংক্রমণের কারণে ক্যান্সার কোষ গঠন হয়।
🌿 এটি জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
🩺অনেক সময় লিভার ট্রান্সপ্লান্ট একমাত্র সমাধান হয়ে দাঁড়ায়।

🌿 নিজেকে বাঁচাতে যা করবেন:

✅ অ্যালকোহল ও অতিরিক্ত ওষুধ থেকে বিরত থাকুন
✅ তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কমান
✅ নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করুন
✅ পর্যাপ্ত পরিমানে জল পান ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন
✅ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না

💚 মনে রাখবেন:
লিভার নীরব যোদ্ধা — সে অনেক কষ্ট সহ্য করে, কিন্তু একবার পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আর ফিরে আসে না।
তাই সময় থাকতে সচেতন হোন, লিভারকে ভালোবাসুন!

চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন কমেন্টস বক্সে,
ডাক্তারি কোর্স করতে যোগাযোগ করুন
ফোন:8759612504

Collected

16/08/2025
Call 8759612504
13/04/2025

Call 8759612504

19/03/2025

সকলের জানা প্রয়োজন

17/02/2025

🕝 বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

🔸চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

🔸মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

🔸ছয়টি জিনিষের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

🔸সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

🔸পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন

“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

11/02/2025
09/02/2025

স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন?
খুব প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট।।
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মা*রা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃ*ত্যু*বরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!

09/02/2025

®® হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন-------
® ® হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?
হঠাৎ করে প্রেসার – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ র*ক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ র*ক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।
কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ র*ক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।
তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।
বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।
১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।
৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।
৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।
৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।
৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।
® ® হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?
ব্লা*ড প্রেসার বা র*ক্তচাপ মানবদেহে র*ক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে র*ক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ র*ক্তচাপ বা হাই ব্লা*ড প্রেসার ও নিম্ন র*ক্তচাপ বা লো ব্লা*ড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ র*ক্তচাপের মতোই নিম্ন র*ক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লা*ড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের র*ক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে র*ক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লা*ড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র*ক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লা*ড প্রেসার হতে পারে।
® লক্ষণঃ
সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে র*ক্তক্ষরণ হলে যেমন: র*ক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত র*ক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে র*ক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লা*ড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।
প্রাথমিক চিকিৎসাঃ
লো ব্লা*ড প্রেসার বা নিম্ন র*ক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ র*ক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-লবণ-পানি লবণ র*ক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।
কফি-হট চকলেটঃ
হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যা*ফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।
বিটের রসঃ
বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
বাদামঃ
লো-প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।
পুদিনাঃ
ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
যষ্টিমধুঃ
আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।
স্যালাইনঃ
শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন র*ক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক। তবে যেসব ওষুধে র*ক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন র*ক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকরা নিম্ন র*ক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

Address

Katiahat Sayestanagar Road
Basirhat
LLCMS

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LLC Medical Science posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share