Classroom

Classroom

Share

classroom uploads videos, posts on learning based topics

11/01/2023

Madhyamik ABTA test paper 2023
Geography page 56

বিভাগ ক
১. বিকল্পগুলির থেকে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ:
১.১ ক্ষয়সীমা ধারণার প্রবর্তক হলেন-
উঃ - জি ডাব্লিউ পাওয়েল।
১.২ হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘ আঁকাবাঁকা শৈলশিরা ন্যায় ভূমিরূপ কে বলে-
উঃ - এসকার ।
১.৩ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত ফিলিপাইন্সে যে নামে পরিচিত-
উঃ - ব্যাগুই।
১.৪ পর্বতের ঢাল বয়ে উপরের দিকে বয়ে চলা বায়ুকে বলে-
উঃ - অ্যানাবেটিক বায়ু।
১.৫ উষ্ণ কুরোশিও স্রোত প্রবাহিত হয় যে মহাসাগরে-
উঃ - প্রশান্ত মহাসাগর।
১.৬ পৃথিবীর বৃহৎ মৎস্য ক্ষেত্র গুলি করে উঠেছে যে দুই ধরনের সমুদ্রস্রোতে মিলনস্থল তা হল-
উঃ - উষ্ণ ও শীতল স্রোতের
১.৭ বর্জ্য সৃষ্টি হয় না নিচের যে উৎস থেকে-
উঃ -সবগুলি প্রযোজ্য। (বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জোয়ার ভাটা শক্তি কেন্দ্র )
১.৮ গাঙ্গেয় সমভূমির নদী তীরবর্তী নবীন পলিমাটিকে বলে-
উঃ - খাদার
১.৯ পশ্চিমঘাট পর্বতের একটি গিরিপথ যা নীলগিরি পর্বতের নিকটবর্তী তা হলো-
উঃ - পলঘাট
১.১০ গোদাবরির একটি উপনদী হল-
উঃ - ইন্দ্রাবতী
১.১১ ভারতের মৃত্তিকা সংরক্ষণের একটি পদ্ধতি হলো-
উঃ - ফালি চাষ।
১.১২ উত্তর ভারতের একটি ডিজেল রেল ইঞ্জিন নির্মাণ কেন্দ্র হল-
উঃ - বারাণসী
১.১৩ পূর্ব উপকূলের গভীরতম সমুদ্র বন্দরটি হল-
উঃ - বিশাখাপত্তন
১.১৪ নিচের যেটি জিও স্টেশনারি উপগ্রহ নয় তা হলো-
উঃ - LANDSAT

বিভাগ খ

২.১ নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে শু এবং অশুদ্ধ হলে অ লেখ। (যেকোনো ছয়টি)
২.১.১ সমপ্রায় ভূমিতে ইনসেলবার্জ দেখা যায়
উঃ - অ
২.১.২ পর্বতের অনুবাত ঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে
উঃ - অ
২.১.৩ চিল্কা হলো ভারতের বৃহত্তম উপহ্রদ
উঃ - শু
২.১.৪ দুটি মুখ্য জোয়ারের সময়ের ব্যবধান 24 ঘন্টা
উঃ - অ
২.১.৫ মরু অঞ্চলে লবণাম্বু উদ্ভিদ দেখা যায়
উঃ - অ
২.১.৬ ১ নং জাতীয় জলপথ টি হলদিয়া থেকে এলাহাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত
উঃ - শু
২.১.৭ মৌজা ম্যাপ হল একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
উঃ - শু

২.২ উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ কর।
২.২.১ _____ হলো পৃথিবীর বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহ।
উঃ - ম্যালাসপিনা
২.২.২ ঘনী ভবনের সময়_____ নির্গত হয়।
উঃ - লীন তাপ।
২.২.৩ পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝে চাঁদ অবস্থিত হলে তাকে ____ বলে।
উঃ -সংযোগ
২.২.৪ জৈব ভঙ্গুর বর্জ্যের জীবাণু দ্বারা বিয়োজনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ____ বলে।
উঃ - কম্পোস্টিং ‌।
২.২.৫ অনু স্রাবণ প্রক্রিয়াটি গুরুত্বপূর্ণ ____ মৃত্তিকার উৎপত্তিতে।
উঃ - ল্যাটেরাইট
২.২.৬ ____ হলো একটি বিশুদ্ধ কাঁচামাল ভিত্তিক শিল্প।
উঃ - কার্পাস বস্ত্র বয়ন শিল্প।
২.২.৭ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয় ____ শহরকে।
উঃ -শিলিগুড়ি

২.৩ একটি বা দুটি শব্দের উত্তর দাও।
২.৩.১ হিমবাহের উপর সৃষ্টি হওয়া সমান্তরাল ও আড়াআড়ি ফাটল কে কি বলে?
উঃ - ক্রেভাস
২.৩.২ রকি পর্বতের পূর্ব ঢলে প্রবাহিত উষ্ণ বায়ু টির নাম কি?
উঃ - চিনুক
২.৩.৩ ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে কোন সমুদ্র স্রোতে দিক পরিবর্তন ঘটে?
উঃ - ভারত মহাসাগরীয় স্রোত।
২.৩.৪ কালবৈশাখী আসামে কি নামে পরিচিত?
উঃ - বরদৈছিলা।
২.৩.৫ পৃথিবীর দ্রুতগামী সমুদ্র স্রোত টির নাম কি?
উঃ - উপসাগরীয় স্রোত।
২.৩.৬ কোন ক্ষতিকারক ধাতুর প্রভাবে ডিসলেক্সিয়া রোগ হয়?
উঃ - সীসা।
২.৩.৭ সিকিমের কোন গিরিপথ দ্বারা ভারত এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক আদান-প্রদান হয়?
উঃ - নাথুলা।
২.৩.৮ ISRO-র সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
উঃ - ব্যাঙ্গালোর।

২.৪ বাম দিকের সাথে ডান দিকের গুলি মিলিয়ে লেখ:
উত্তর -
বাম দিক ডানদিক

আনাইমুদি আনাই মালাই
বলউইভিল কার্পাস
গুরগাঁও। মোটরগাড়ি
সোনালিকা গম

11/01/2023

Madhyamik ABTA test paper 2023
History page 50

বিভাগ ক
সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখ।
১.১ সাইলেন্ট স্প্রিং এর রচয়িতা হলেন-
উঃ -রাচেল কারসন
১.২. ভারতে ফুটবল খেলা প্রবর্তন করেন-
উঃ - ইংরেজরা।
১.৩ বামাবোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন-
উঃ - উমেশচন্দ্র দত্ত।
১.৪ তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করেন-
উঃ -দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১.৫ সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ হয় কোন গভর্নর জেনারেলের সময়?-
উঃ - উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক।
১.৬ ভারতের প্রথম অরণ্য আইন পাশ হয়-
উঃ - ১৮৬৫ খ্রিস্টাব।
১.৭ কাকে বিদ্রোহীদের রাজা বলে সমসাময়িক পত্রপত্রিকা চিহ্নিত করা হয়?-
উঃ - ঈশান চন্দ্র রায়।
১.৮ ১৮৫৭ বিদ্রোহের সময় মুঘল সম্রাট ছিলেন-
উঃ - দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।
১.৯ হিন্দুমেলা প্রতিষ্ঠা করেন-
উঃ - নবগোপাল মিত্র।
১.১০ ভারত মাতা চিত্রটি অঙ্কন করেন-
উঃ -অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১.১১ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দি কালটিভেশন অফ সাইন্স প্রতিষ্ঠা করেন-
উঃ - মহেন্দ্রলাল সরকার।
১.১২ ইতিহাসমালা রচনা করেন-
উঃ - উইলিয়াম কেরি।
১.১৩ কংগ্রেস সমাজতন্ত্রী দল প্রতিষ্ঠিত হয়-
উঃ - ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে।
১.১৪ আল্লুরি সীতারাম রাজু কোন আন্দোলনের সাথে জড়িত-
উঃ - রম্পা বিদ্রোহ।
১.১৫ হিন্দুস্তান সোসালিস্ট রিপাবলিকান এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন-
উঃ - ভগৎ সিং।
১.১৬ বীরাষ্টমী ব্রত সূচনা করেন-
উঃ - সরলা দেবী চৌধুরানী।
১.১৭ ধারাসানা লবষ সত্যাগ্রহে হয়ে নেতৃত্ব দেন-
উঃ - সরোজিনী নাইডু।
১.১৮ সত্যশোধক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন-
উঃ - জ্যোতিরাও ফুলে।
১.১৯ মার্জিনাল ম্যান গ্রন্থের রচয়িতা হলেন-
উঃ - প্রফুল্ল চক্রবর্তী।
১.২০ ভারতের সবচেয়ে বড় দেশীয় রাজ্যটি ছিল-
উঃ - হায়দ্রাবাদ।

বিভাগ- খ

২.১ একটি বাক্যে উত্তর দাও:
২.১.১ বাংলায় প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র কোনটি?
উঃ - সমাচার দর্পণ।
২.১.২ এশিয়াটিক সোসাইটি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উঃ - উইলিয়াম জনস।
২.১.৩ সুই মুন্ডা কোন বিদ্রোহের নেতা ছিলেন?
উঃ - কোল বিদ্রোহের নেতা।
২.১.৪ ভাষার ভিত্তিতে প্রথম পুণর্গঠিত রাজ্য কোনটি?
উঃ - অন্ধ্রপ্রদেশ।

২.২ ঠিক না ভুল নির্ণয় কর:
২.২.১ সিপাহী বিদ্রোহকে ভারতের স্বাধীনতার যুদ্ধ বলে প্রথম উল্লেখ করেন বিনায়ক দামোদর সাভারকার।
উঃ - ঠিক
২.২.২ বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট পরবর্তীতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পরিণত হয়।
উঃ - ঠিক
২.২.৩ বারদৌলি সত্যাগ্রহের নেতৃত্ব দেন ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ।
উঃ - ভুল । সঠিক উত্তর সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল।
২.২.৪ ১৯৪৬ এর ১২ ফেব্রুয়ারি রশিদ আলী দিবস পালিত হয়।
উঃ -ঠিক।

২.৩ ক স্তম্ভের সাথে খ স্তম্ভ মেলাও:
ক স্তম্ভ খ স্তম্ভ
২.৩.১ ক্রিকেট খেলা। ইংরেজ
২.৩.২ শব ব্যবচ্ছেদ মধুসূদন গুপ্ত
২.৩.৩ সংস্কৃত প্রেস। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগ
২.৩.৪ বর্তমান ভারত। স্বামী বিবেকানন্দ

২.৫ নিম্নলিখিত বিবৃতিগুলির সঙ্গে সঠিক ব্যাখ্যাটি নির্বাচন কর:
২.৫.১ উনিশ শতক ছিল বাংলার ইতিহাসের নবজাগরণের যুগ
ব্যাখ্যা ১-ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা ২-ভারতের পাশ্চাত্য আদর্শের উদ্বুদ্ধ নব্য প্রজন্মের উন্মেষ ঘটে
ব্যাখ্যা ৩-সাহিত্য সংস্কৃতি শিল্প বিজ্ঞানের জোয়ার আসে
উঃ -ব্যাখ্যা ৩
২.৫.২ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে কৃষকরা তেমন সক্রিয় ছিল না
ব্যাখ্যা ১-ব্রিটিশের অত্যাচারের ভয় তারা অংশ নেয়নি
ব্যাখ্যা ২-আন্দোলনের কোন কৃষিভিত্তিক কর্মসূচি ছিল না
ব্যাখ্যা ৩-সামাজিক ভেদাভেদের জন্য তারা আন্দোলন সামিল হয়নি
উঃ - ব্যাখ্যা ২
২.৫.৩ কার্লাইল সার্কুলার জারি করা হয়েছিল
ব্যাখ্যা ১ - শিক্ষক আন্দোলন দমন করতে
ব্যাখ্যা ২-ব্যবসায়ীদের আন্দোলন বন্ধ করতে
ব্যাখ্যা ৩-ছাত্রদেরকে আন্দোলন থেকে দূরে রাখতে
উঃ-ব্যাখ্যা ৩
২.৫.৪ বিশ শতকের দলিত শ্রেণি রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে ওঠে
ব্যাখ্যা ১- দলিতদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটে
ব্যাখ্যা ২-দলিতরা তাদের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার লাভ কে গুরুত্ব দেয়
ব্যাখ্যা ৩- দলিতরা ভোটাধিকার লাভ করে
উঃ - ব্যাখ্যা ২

30/12/2022

Essay writing - my experience during lockdown

30/12/2022

50 common phrasal verbs for madhyamik students

29/12/2022

MY EXPERIENCE DURING LOCKDOWN essay writing

Photos from Classroom's post 11/08/2022

চোখের সমস্যা Myopia & hypermetropya কী

19/07/2022

নবম শ্রেণী ইতিহাস
তৃতীয় অধ্যায়
উনবিংশ শতকের ইউরোপ: রাজতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী ভাবধারার সংঘাত
ছোট ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১. ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে কোন যুদ্ধে নেপোলিয়ান চূড়ান্ত ভাবে পরাজিত হয়েছিলেন?
উঃ - ওয়াটার লু যুদ্ধে।
২. কবে ভিয়েনা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
উঃ - ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ‌।
৩. ভিয়েনা সম্মেলনের মূলনীতি কি ছিল?
উঃ - ভিয়েনা সম্মেলনের তিনটি মূলনীতি ছিল যথা- ন্যায্য অধিকারনীতি, ক্ষতিপূরণ নীতি ও শক্তি সাম্য নীতি।
৪. বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন কোনটি?
উঃ - ভিয়েনা সম্মেলন।
৫. ভিয়েনা সম্মেলনে যোগদানকারী বৃহৎ চারটি শক্তি কোন কোন দেশগুলি ছিল?
উঃ - অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, প্রাশিয়া ও ইংল্যান্ড।
৬. ফরাসি বিপ্লবের পূর্বে ফ্রান্সে কোন রাজবংশ রাজত্ব করত?
উঃ - বুঁরবো রাজবংশ।
৭. ফরাসি বিপ্লবের মূল আদর্শ গুলি কি কি ছিল?
উঃ - ফরাসি বিপ্লবের মূল আদর্শ গুলি ছিল- সাম্য মৈত্রী ও স্বাধীনতা।
৮. কোন সময় মেটারনিখের যুগ নামে পরিচিত ছিল?
উঃ - ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত সময়কালকে ইউরোপের ইতিহাসে মেটারনিখ যুগ নামে পরিচিত।
৯. মেটারনিক কে ছিলেন?
উঃ - অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
১০. পবিত্র চুক্তির প্রবক্তা কে ছিলেন?
উঃ - রাশিয়ার জার প্রথম আলেকজান্ডার ‌।
১১.কার্লসবাড ডিক্রি কে ঘোষণা করেন?
উঃ - কার্লসবাড ডিক্রি অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী মেটারনিক ঘোষণা করেন।
১২. কার্লসবাড ডিক্রি কেন ঘোষিত হয়?
উঃ - জার্মানিতে ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ করা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য কার্লসবাড ডিক্রি ঘোষণা করা হয়।
১৩. বিগ ফোর বলা হয় কোন কোন রাষ্ট্রকে?
উঃ - রাশিয়া, প্রশিয়া, অস্ট্রিয়া ও ইংল্যান্ডকে।
১৪. কবে মেটারনিখতন্ত্রের পতন হয়?
উঃ - ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে।
১৫. ফ্রান্সের জুলাই বিপ্লব কালে ফ্রান্সের রাজা কে ছিলেন?
উঃ - রাজা দশম চার্লস।
১৬. বোনাপার্টিস্ট করা?
উঃ -নেপোলিয়ন বোনাপার্টের অনুগামী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা বোনাপার্টিস্ট নামে পরিচিত ছিলেন।
১৭. নাগরিক রাজা নামে কে পরিচিত ছিলেন?
উঃ - ফ্রান্সের রাজা লুই ফিলি।
১৮. কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো কারা রচনা করেছিলেন?
উঃ - কার্ল মার্কস ও অ্যাঙ্গেলস।
১৯. কার্বনারি কি?
উঃ - ইটালির একটি গুপ্ত সমিতির নাম। এর অর্থ জ্বলন্ত অঙ্গারবাহী।
২০. ইয়ং ইটালি দলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উঃ - জোসেফ মাৎসিনি।
২১. ইয়াং ইটালি দলের সদস্যরা কি পোশাক পড়তেন?
উঃ - কালো পোশাক।
২২. প্যান জার্মানিসম কথাটির অর্থ কি?
উঃ - সর্ব জার্মানবাদ।
২৩. রিসর্জিমেন্টো পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
উঃ - ক্যাভুর।
২৪. প্লমবিয়ার্স এর চুক্তি কবে কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
উঃ - ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে ইতালির প্রধানমন্ত্রীয় ক্যাভুর এবং ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
২৫. ভিল্লাফ্রাঙ্কার চুক্তি কবে কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
উঃ - ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে।
২৬. জোসেফ গ্যারিবল্ডি কে ছিলেন?
উঃ - জোসেফ গ্যারিবল্ডি ছিলেন ইটালির দেশপ্রেমিক ও লাল কুর্তা বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা।
২৭. কবে রোম ইটালির অন্তর্ভুক্ত হয়?
উঃ - ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে।
২৮. জোলভেরাইন কি?
উঃ - জার্মানি অর্থনীতিবিদ ম্যাজেনের উদ্যোগে ও প্রাশিয়ার নেতৃত্বে গঠিত অন্তরারাষ্ট্রীয় শুল্ক সংঘ জোলভেরাইন পরিচিত।
২৯. রাশিয়া সম্রাটদের কি বলা হয়?
উঃ - জার।
৩০. কূটনীতির জাদুকর কাকে বলা হয?
উঃ - মেটারনিখকে।
৩১. কনফেডারেশন অফ দি রাইন কে গঠন করেন?
উঃ - নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
৩২. লৌহ ও রক্তনীতির প্রবক্তা কে ছিলেন?
উঃ -জার্মানির প্রধানমন্ত্রী বিসমার্ক।
৩৩. গ্যাস্টিনের সন্ধি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
উঃ -১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে।
৩৪. ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ বলতে কী বোঝো?
উঃ - ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ বলতে অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার মধ্যে সংগঠিত স্যাডোয়ার যুদ্ধকে বোঝায়।
৩৫. কোন সন্ধির দ্বারা জার্মানির ঐক্য সম্পন্ন হয়?
উঃ - ফ্রাঙ্কফোর্ট সন্ধি। (১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দ)
৩৬. সাধু দালাল কাকে বলা হত?
উঃ- বিসমার্ককে।
৩৭. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ কবে ঘটেছিল?
উঃ- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে।
৩৮. কোন সন্ধির মাধ্যমে ক্রিমিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটে?
উঃ- প্যারিস সন্ধি ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
৩৯. মুক্তিদাতা জার কাকে বলা হয়?
উঃ- জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার ভূমিদাসদের মুক্তি ঘোষণা করায় তিনি মুক্তিদাতা জার নামে পরিচিত হন।
৪০. ত্রিশক্তি চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
উঃ- ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও ইতালির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :

১. ভিয়েনা সম্মেলন কবে ও কেন আহূত হয়েছিল?
উঃ- ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ভিয়েনা সম্মেলন আহূত হয়েছিল।
নেপোলিয়নের পতনের ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপের রাষ্ট্র ব্যবস্থার পুনর্গঠন ও পুনর্বন্টনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সম্মেলন সংঘটিত হয়েছিল।
২. বিগ ফোর বলতে কাদের বোঝানো হয়?
উঃ- ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা তে ইউরোপের প্রায় সমস্ত দেশ উপস্থিত থাকলেও মূলত চারটি শক্তি ছিল প্রধান যথা অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, প্রাশিয়া ও ইংল্যান্ড এই চার শক্তিকে একত্রে বলা হতো বিগ ফোর।
৩. ভিয়েনা সম্মেলন কি?
উঃ- ১৮১৪ খ্রিস্টাব্দের নেপোলিয়নের পতনের পর রণক্লান্ত ইউরোপের রাষ্ট্রনায়করা তৎকালীন ইউরোপের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও ইউরোপের রাষ্ট্র ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যতের কর্মপন্থা ঠিক করার জন্য ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে নভেম্বর মাসে ভিয়েনাতে যে আন্তর্জাতিক সম্মেলন মিলিত হয় তা ভিয়েনা সম্মেলন নামে পরিচিত। এই সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন প্রিন্স মেটারনিক। তুরস্কের সুলতান ও রোমের পোপ ছাড়া এই ইউরোপের প্রতিটি দেশ অংশ নিলেও প্রধান চারটি দেশ অস্ট্রিয়া, প্রাশিয়া ইংল্যান্ড ও রাশিয়া ছিল এর মূল চালিকাশক্তি। এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপের পুনর্গঠন, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নেপোলিয়নের ভীতি থেকে ইউরোপকে রক্ষা করা।
৪. শক্তি সাম্য নীতি কি?
উঃ-শক্তি সাম্য নীতির মূল কথা হল ফ্রান্স যাতে ভবিষ্যতে আর কোনদিন অপর রাষ্ট্রকে আক্রমণ করে ইউরোপের মানচিত্রকে ওলট পালট করে দিতে না পারে সেজন্য ইউরোপকে ঢেলে সাজানো এবং নানা ধরনের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ফ্রান্সের সেনাবাহিনী ভেঙ্গে দিয়ে সেখানে পাঁচ বছরের জন্য মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা ও ফ্রান্সের উপর এই সেনাবাহিনীর খরচ চাপানো হয়। ফ্রান্সকে ৭০ কোটি ফ্রাঙ্ক ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়। ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রসীমানাকে প্রাক ফরাসি বিপ্লব যুগের সীমারেখায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
৫. ভিয়েনা সম্মেলনে অনুসৃত ক্ষতিপূরণ নীতি কি ছিল?
উঃ-নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড ,রাশিয়া, অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়া প্রভৃতি দেশ কিছু কিছু ভূখণ্ড নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। ইংল্যান্ড পায় সিংহল, মাল্টা ,মরিশাস প্রভৃতি অঞ্চল। অস্ট্রিয়া লাভ করে লোম্বার্ডি, ভেনেসিয়া ,টাইরন প্রভৃতি অঞ্চল। প্রাশিয়া লাভ করে পোল্যান্ডের কিছুটা অংশ ও রাশিয়া লাভ করে ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ডের একটা বড় অংশ প্রকৃতি অঞ্চল।
৬. পবিত্র চুক্তি কি?
উঃ- ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে রাশিয়ার ভাবপ্রবণ ও আদর্শবাদী জার প্রথম আলেকজান্ডারের উদ্যোগে যে চুক্তিটি প্রবর্তিত হয়েছিল তা পবিত্র চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তির মূল কথা হল ১)প্রতিটি রাষ্ট্র খ্রিস্ট ধর্মের মূল আদর্শ গুলি অনুসরণ করে নিজ নিজ আভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করবে, ২) জাতীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ন্যায়, সততা ও নৈতিকতা প্রয়োগ করে ইউরোপের শান্তি বজায় রাখবে, ৩) প্রতিটি রাষ্ট্র একে অপরের সঙ্গে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে, ৪) এবং নিজ নিজ প্রজাদের সন্তানের মত দেখবে।
৭. মেটারনিক ব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়?
উঃ- অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী তথা ইউরোপের অহিংসবাদী রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রিন্স মেটারনিক ফরাসি বিপ্লব প্রসূত ভাবধারাগুলিকে দমন করে প্রাক বিপ্লব অবস্থা ফিরিয়ে আনার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন তাকে মেটানিক ব্যবস্থা বলা হয়।
৮. মেটারনিক ব্যবস্থা প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি কি ছিল?
উঃ-ফরাসি বিপ্লব প্রসূত প্রগতিশীল ভাবধারাকে ধ্বংস করা ,ইউরোপের রাষ্ট্রের প্রাধান্য অখুন্ন রাখা, ভিয়েনা চুক্তির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা করা ও ইউরোপীয় শক্তিসমবায়কে বিপ্লব প্রসূত ভাবধারা দমনের কাজে ব্যবহার করা।
৯. ট্রপ্পো প্রটোকল কি?
উঃ- ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ট্রপ্পো বৈঠকে মেটারনিকের পরামর্শে যে প্রটোকলটি রচিত হয় তাকে বলা হয় ট্রপ্পো প্রটোকল।এই প্রটোকলে বলা হয়, যদি কোন দেশে বিপ্লব ঘটে এবং সেই দেশের রাজা যদি তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তাহলে শক্তি সমবায় বলপূর্বক সেই বিপ্লব দমন করবে। যদি কোন দেশে, ইউরোপীয় অন্য কোন রাষ্ট্রের পক্ষে বিপদজনক শাসক সংস্কার করে তাহলে শক্তি সমবায় সেই দেশকে জোট থেকে বহিষ্কার করতে পারবে।
১০. কার্লসবাড ডিক্রি কি?
উঃ- ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দের জার্মানিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্র আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে মেটারনিক কুখ্যাত যে আদেশনামা ঘোষণা করেছিলেন সেটি কার্লসবাড ডিক্রি নামে পরিচিত। এই নির্দেশে বলা হয়- ১)বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হলো,২) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হলো,৩) জার্মানির প্রগতিশীল ও উদয়নৈতিক ভাব ধরার কন্ঠ রোধ করা হয়, ৪)মানুষের সভা সমিতি করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় ৫) ছাত্র ও অধ্যাপকদের কার্যকলাপ নজর রাখার জন্য গুপ্তচর নিয়োগ করা হয় ও উদার পন্থী বিপ্লবী ছাত্রদের কারারূদ্ধ করা হয়।
১১. মনরো নীতি কি?
উঃ- দক্ষিণ আমেরিকায় স্পেনীয় উপনিবেশ গুলি স্বাধীনতা লাভের জন্য আন্দোলন শুরু করলে মেটারনিক শক্তি সমবায়ের মাধ্যমে ওই আন্দোলন দমনে উদ্যোগী হলে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস ইউরোপীয়দের সতর্ক করে দিয়ে ঘোষণা করেন যে, আমেরিকা শুধুমাত্র আমেরিকা-বাসীর জন্য এখানে ইউরোপের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।আমেরিকায় ইউরোপীয়দের উপনিবেশ বিস্তারে মার্কিন দেশ বিরোধিতা করবে এবং আমেরিকা ইউরোপের ব্যাপারে জড়িত থাকবে না। এই ঘোষণা মনরো নীতি নামে পরিচিত।
১২. লুই ফিলিপকে কেন নাগরিক রাজা বলা হয়?
উঃ- দীর্ঘদিনের অত্যাচারী বংশানুক্রমিক রাজা হওয়ার অভিলাষী বূর্ব রাজতন্ত্রের অবসান শেষে জনগণের ইচ্ছায় অর্লিয়েন্স বংশীয় লুই ফিলিপ সিংহাসনে বসেন। তার সিংহাসন আরোহণের পেছনে উত্তরাধিকারের কোন দাবি ছিল না। তাই তিনি জনগণের সঙ্গে একান্ত হয়ে যৌথভাবে শাসন কার্য পরিচালনা করতেন বলে লুই ফিলিপকে নাগরিক রাজা বলা হত।
১৩. জুলাই বিপ্লবের কারণ গুলি কি কি ছিল?
উঃ- জুলাই বিপ্লব শুধুমাত্র দুটি বা একটি কারণে ঘটেনি এর পিছনে নানাবিধ কারণ বর্তমান ছিল। যথা- ১) ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে জুলাই বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন দশম চার্লস যিনি উগ্র রাজপন্থায় বিশ্বাসী তিনি পুরাতন তন্ত্র পুনঃ স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। ২) চার্চ ও অভিজাতদের সমস্ত সুযোগ সুবিধা ফিরিয়ে দিয়ে বুর্জোয়া শ্রেণীর বিরাগভাজন হয়েছিলেন। ৩) জাজকদের সাহায্যে শাসনকার্য চালানো। ৪) উগ্র রাজতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক আদর্শের বিরোধ ও দশম চার্চ কর্তৃক জুলাই অর্ডিন্যান্স জারি করা ইত্যাদি কারণে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
১৪. জুলাই অর্ডিন্যান্স কি?
উঃ- ফরাসি রাজা দশম চার্লসের মন্ত্রী ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে জুলাই মাসে যে চারটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন তা জুলাই অর্ডিন্যান্স নামে পরিচিত। এগুলি হলো- ১) সংসদ তথা প্রতিনিধি সভা ভেঙ্গে দেওয়া তথা সংশোধিত নির্বাচনী আইনে নির্বাচকদের সংখ্যা তিন চতুর্থাংশ নামিয়ে আনা। ২) ভোটার সংখা হ্রাস করা। ৩) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা ও ৪) জাতীয় সভার নতুন নির্বাচনের আদেশ দান প্রভৃতি।
এর প্রতিবাদে প্যারিসের সর্বোত্র সশস্ত্র অভ্যুত্থান ঘটে এবং দশম চার্লস সিংহাসন ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
১৫. ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণগুলি কি ছিল?
উঃ- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের প্রধান কারণ গুলি ছিল- ১) লুই ফিলিপের জনসমর্থনের অভাব ‌ ২) অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে লুই ফিলিপের ব্যর্থতা। ৩) লুই ফিলিপ কর্তৃক জনগণের ভোটাধিকার বৃদ্ধি আন্দোলন বলপূর্বক দমনের চেষ্টা। ৪) শ্রমিক শ্রেণীর উন্নয়নের সরকারের চরম ব্যর্থতা ও এদের উন্নয়নের জন্য কোন রকম ব্যবস্থা না করা। ৫) ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ফ্রান্সের ক্যাথলিকদের বিরোধিতা ও ৬) সরকার কর্তৃক শিল্প উদ্যোগের অভাব প্রভৃতি কারনে ফ্রান্সে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
১৬. ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলাফল কি ছিল?
উঃ- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান হয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা হয়, ফ্রান্সে জনগণের ভোটাধিকার সম্প্রসারিত হয়, সকলের কাজের অধিকার মেনে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণীর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কর্মহীন বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য জাতীয় কর্মশালা স্থাপিত হয় ও এই বিপ্লব ইউরোপের ভিয়েনা বন্দোবস্ত ও মেটারনিকতান্ত্রের সমাধি ঘটায়।
১৭. ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ব্যর্থতার কারণগুলি কি ছিল?
উঃ- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ব্যর্থতার কারণগুলি ছিল- সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাব, নেত্রী বর্গের মধ্যে মতাদর্শ গত মতপার্থক্য ও পারস্পরিক বিরোধিতা, মহামারী, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিরোধ ও অস্ট্রিয়ার মত দেশগুলির তীব্র আক্রমণের ফলে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।
১৮. ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে বিপ্লবের বছর বলা হয় কেন?
উঃ- ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দে বিপ্লব ফ্রান্সের সীমানা ছাড়িয়ে ইউরোপের 15 টি দেশ বিশেষ করে ইটালি, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ,হাংগেরি প্রভৃতি দেশে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সৃষ্টি করেছিল। এই কারণে সাধারণভাবে ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দ কে বিপ্লবের বছর বলা হয়।
১৯. এটারই তো প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি গুপ্ত সমিতির নাম উল্লেখ কর।
উঃ- পিডমান্টের ফেডারিটি, লোম্বার্ডির গুয়েলফি ও নেপলস এর কার্বনারি।
২০. ইটালির জাতীয়তাবাদের উদ্ভবের পেছনে নেপোলিয়নের অবদান কি ছিল উল্লেখ করো।
উঃ-১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে নেপোলিয়ান কর্তৃক ইতালি জয়ের পূর্বে ইটালি ছিল পরস্পর বিবাদমান অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত। নেপোলিয়ান ইটালি জয় করে সমগ্র ইতালিকে এক শাসনাধীনে আনেন। বিদেশী শক্তিকে বিতাড়িত করেন। সমগ্র ইটালিতে একই ধরনের শাসন ও আইন-কানুন প্রবর্তন করেন ও কোড নেপোলিয়ন প্রদান করেন।। যার ফলে ইটালির সাধারণ মানুষের মনে ঐক্যবোধ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে এবং তারা স্বাধীন ও ঐক্যবদ্ধ জাতীয় রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।
২১. কার্বোনারি কি?
উঃ- কার্বোনারি ছিল ইতালির একটি গুপ্ত সমিতি। সর্বোপরি এই কথার অর্থ হলো জ্বলন্ত অঙ্গারবাহী। ইটালিতে বিদেশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অর্জনের ব্যবস্থা করা ছিল এই সমিতির মূল লক্ষ্য।
২২. কে কবে ইয়াং ইটালি দল প্রতিষ্ঠা করেন এর মূল লক্ষ্য কি ছিল?
উঃ - ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে ইটালির জাতীয়তাবাদী নেতা জোসেফ মাৎস্যেনি ইতালিবাসীকে জাতীয়তাবাদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য দলের প্রতিষ্ঠা করেন।
ইয়ং ইটালি দলটি গড়ে তোলার পিছনে ম্যৎসিনির লক্ষ্য ছিল- ঐক্যের ব্যাপারে সারাদেশে জনমত গড়ে তোলা। দেশে যুব সমাজকে এই দলের সদস্য করে জাতীয় চেতনায় জাগ্রত করা। সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে দেশের মুক্তির জন্য প্রস্তুত করা, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে ইটালির মুক্তি সাধন করা ইত্যাদি।
২৩. রিসর্জিমেন্টো বলতে কী বোঝ ?
উঃ- রিসর্জিমেন্ট ও কথাটির বাংলা প্রতিশব্দ পুনর্জন্ম। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইতালিতে যে জাতীয় ঐক্য আন্দোলনের সূচনা হয় তাকে সার্বিকভাবে রিসর্জিমেন্ট বলা হয়। এই নবজাগরণের লক্ষ্য ছিল বিদেশি শাসনের উচ্ছেদ করে ইতালিকে ঐক্যবদ্ধ করা ও ইতালির হৃত মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা।রিসর্জিমেন্টো সংবাদপত্রটির সম্পাদক ছিলেন ক্যাভুর।
২৪. প্লমবিয়ার্স এর চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয় এবং এর শর্তগুলি কি ছিল?
উঃ- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে পিগমেন্ট- সার্ডিনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্যাভুর ও ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়নের মধ্যে প্লমবিয়ার্সএর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি শর্ত গুলি ছিল- ১) পিডমন্ট-সার্ডিনিয়া যদি অস্ট্রিয়ার দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে ফ্রান্স তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।২) অস্ট্রিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ জিততে পারলে পিডমন্ট-সার্ডিনিয়া, লোম্বার্ডি, ভেনিসিয়া, মোডেনা ও পোপের রাজ্যের কিছুটা অংশ নিয়ে উত্তর ইতালি গঠিত হবে ঠিক হয়। ৩) এই সাহায্যের বিনিময়ে ফ্রান্স ইটালির কাছ থেকে পাবে স্যাভয় ও নিস।
২৫. গ্যারিবল্ডি কে ছিলেন?
উঃ- ম্যৎসিনির শিষ্য ও ইতালির ঐক্য আন্দোলনের অন্যতম নির্ভীক ও দুঃসাহসিক সেনাপতি ছিলেন গ্যারিবল্ডি। তার বিশ্বাস ছিল প্রজাতন্ত্রে। রোমান প্রজাতন্ত্রের তিনি ছিলেন রক্ষক কিন্তু শেষ পর্যন্ত রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন হলে তিনি দেশত্যাগী হন। পরবর্তীকালে তিনি ফিরে এসে তার লাল কুর্তা বাহিনীর সাহায্যে সিসিলি ও নেপালস জয় করেন। নিজে গণতন্ত্রের সমর্থক হয়েও ইতালির ঐক্যের কথা ভেবে তিনি দুটি প্রদেশেই ভিক্টর - ইম্যানুয়েলের হাতে তুলে দিয়ে তিনি দেশপ্রেমেরা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
২৬. ফ্রাঙ্কফোর্ট পার্লামেন্ট কি?
উঃ- জার্মানির ঐক্যসখধন ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে জার্মানির ফ্রাঙ্কফোটে নির্বাচিত জাতীয় পার্লামেন্টের প্রথম যে অধিবেশনটি বসেছিল সেটি ফ্রাঙ্কফোর্ট পার্লামেন্ট নামে পরিচিত।
২৭. জোলভেরাইন কি? এর গুরুত্ব উল্লেখ করো।
উঃ- অর্থনীতিবিদ ম্যাজেনের উদ্যোগে ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রাশিয়ার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জার্মান রাষ্ট্রসমূহের শুল্ক সমবায় কে বলা হয় জোলভেরাইন।
জার্মানির ইতিহাসে জোলভেরাইন এর গুরুত্ব অপরিসীম। জার্মান রাজ্যগুলির অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে একতাবোধ গড়ে তোলে, জার্মানির শিল্পায়ন ব্যবস্থা উন্নত হয়, অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে ও জার্মানির শক্তি বৃদ্ধি ঘটে।
২৮. এমস টেলিগ্রাম কি?
উঃ - এমস নামক স্থানে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বেনেদিতি প্রাশিয়ার রাজা উলিয়ামের সঙ্গে দেখা করেন। এবং ভবিষ্যতের স্পেনের সিংহাসনে প্রাশিয়ার কোন দাবি থাকবে না এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দাবি করেন। রাজা উইলিয়াম এই ঘটনার বিবরণ বিসমার্ককে টেলিগ্রাম করে জানালে বিসমার্ক টেলিগ্রামটির বয়ান সংশোধিত করে প্রকাশ করেন। এর ফলে ফরাসিরা মনে করলো যে তাদের দুত উইলিয়াম, প্রাশিয়া রাজা কর্তৃক অপমানিত হয়েছেন। এই ঘটনা ইতিহাসে এমস টেলিগ্রাম নামে পরিচিত।
২৯. গ্যাস্টিনের চুক্তি কবে কাদের মধ্যে হয়েছিল এই চুক্তি শর্ত গুলি কি কি ছিল?
উঃ- ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার মধ্যে গ্যাস্টিনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির শর্তানুযায়ী ঠিক হয় যে ১) প্রাশিয়ার অধিকারে আসবে স্লেজউইগ। ২) অস্ট্রিয়া হলস্টিন ডাচটি লাভ করবে। ৩) অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়া স্থির করে যে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিতে ডাচি দুটির সম্পর্কে পাকা ব্যবস্থা করা হবে।
এই চুক্তির ফলে জার্মানিতে প্রাশিয়ার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং প্রাশিয়ার নেতৃত্বে জার্মানির ঐক্যসম্ভব বলে জাতীয়তাবাদীরা মনে করতে থাকে।
৩০. বল্কান জাতীয়তাবাদ কি?
উঃ- বল্কান অঞ্চলে বসবাসকারী গ্রিস, বুলগার প্রভৃতি জাতির বেশিরভাগই ছিল খ্রিস্টান আর ছিল কিছু সংখ্যক ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষ। তুরস্কের সুলতানও ছিলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী। তিনি বল্কান অঞ্চলের খ্রিস্টান প্রজাদের উপর ধর্মীয় চাপের সৃষ্টি করলে বলকান অঞ্চলের জাতিগুলি তুরস্কের হাত থেকে মুক্তি পেতে চায়। তুরস্কের দুর্বলতার সুযোগে রাজনৈতিক সংকটে বলকান অঞ্চলের অধিবাসীদের স্বাধীনতা লাভের ইচ্ছা বল্কান জাতীয়তাবাদ নামে পরিচিত।
৩১. Warm water policy কী?
উঃ- তুরস্কের সুলতান ছিলেন মুসলমান আর বল্কান অঞ্চলের বেশিরভাগ প্রজা ছিল রাশিয়ার মতো শ্লাব জাতিভুক্ত। বল্কাল অঞ্চলের প্রজারা জাতীয়তাবাদের উদ্বুদ্ধ হয়ে যখন সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তখন রাশিয়া এই সুযোগে বল্কান জাতি গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্যের নাম করে কৃষ্ণ সাগরের উপর দিয়ে দার্দানেলিস প্রণালী হয়ে ভূমধ্যসাগরে পৌঁছানোর যে পরিকল্পনাটি করে সেটি ওয়ার্ম ওয়াটার পলিসি নামে পরিচিত।
৩২. ক্রিমিয়ার যুদ্ধের ধর্মীয় কারণ কি ছিল?
উঃ- প্যালেস্টাইনের খ্রিস্টান ধর্মস্থান গুলির ওপর অধিপত্য স্থাপনের প্রচেষ্টা ছিল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের অন্যতম কারণ। ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়ন এই ধর্মস্থান গুলির উপর থেকে গ্রিক খ্রিস্টানদের অধিপত্য দূর করে ক্যাথলিক অধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু রাশিয়া পুনরায় এই অঞ্চলে ব্রিক খ্রিস্টান আধিপত্য প্রতিষ্ঠার দাবি জানায় এবং একে কেন্দ্র করেই ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
৩৩. ইউরোপের কোন দেশকে বলা হয় ইউরোপের রুগ্ন মানুষ এবং কেন?
উঃ- তুরস্ককে বলা হয় ইউরোপের রুগ্ন মানুষ। কারণ- ১) যুগোপযোগী সংস্কারের অভাবে মধ্যযুগীয় মুসলিম তান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় তুরস্ক সামাজিক, অর্থনৈতিক , সামরিক ও প্রশাসনিক সব দিক থেকেই ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলি থেকে পিছিয়ে পড়ে।২) তুর্কি সুলতানরা ছিলেন স্বেচ্ছাচারী, ব্যভিচারী ,অদক্ষ, দুর্বল ও সংস্কার বিমুখ। ৩) তীব্র অর্থনৈতিক সংকট ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে তুরস্কের রুগ্ন গড়ে তোলে। এছাড়াও সেনাবাহিনীকে আধুনিক রণসজ্জায় সজ্জিত না করে তুলতে পারায় তুরস্ক ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়ে তাই তুরস্ককে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ বলা হয়।
৩৪. মুক্তিদাতা জার কাকে বলে এবং কেন?
উঃ- রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডারকে বলা হয় মুক্তিদাতা যার।
১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে তিনি এক আদেশ জারি করে রাশিয়াতে যুগ যুগ ধরে চলে আসা ভূমি দাসের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করেন। ভূমি দাসরা স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করার ও সম্পত্তির অধিকার লাভ করে এই কারণে দ্বিতীয় আলেকজান্ডারকে মুক্তিদাতা যার বলা হয়।
৩৫. ভূমি দাসদের মুক্তির ঘোষণাপত্রে কি কি ঘোষণা করা হয়?
উঃ-মুক্তির ঘোষণাপত্রে ঘোষণা করা হয় যে- ১) ভূমিদাস প্রথার অবসান হবে ২) ভূমিদাসরা মুক্ত হয়ে স্বাধীন নাগরিকদের মর্যাদা পাবে ৩) ভূমিদাসরা পূর্বে প্রভুর যে জমিতে চাষ করত তার অর্ধেক তাকে দেওয়া হবে ৪) জমিদাররা ক্ষতিপূরণ পাবে ৫) জমিদারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জমির মালিকানা ভূমি দাসরা পাবে না, তা থাকবে গ্রাম সভা মীরের হাতে।
৩৬. মির কি?
উঃ-মির বলতে রাশিয়ার গ্রাম্য সমিতিকে বোঝানো হতো। মির এ কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল যে,জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার রাশিয়ায় ভূমিদাস প্রথার বিলোপ সাধন করলে ভূমি দাসগন মুক্তি লাভ করে জমির মালিকানা পাইনি। মুক্তিপ্রাপ্ত ভূমি দাসদের মির বা গ্রাম্য সমবায় সমিতির নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে কৃষকরা মুক্ত হলেও মিরের দ্বারা নির্যাতিত হতে থাকে।

ধন্যবাদ

23/05/2022

alphabets

20/05/2022

why strong wind blows, when fired

20/05/2022

who is faster horse or camel

19/05/2022

types of clouds

11/05/2022

Indian states and capitals

Want your school to be the top-listed School/college in Barrackpore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Barrackpore