Darul Ulum Ahle Sunnat Mozaddadia Madrassa

Darul Ulum Ahle Sunnat Mozaddadia Madrassa 𝐀𝐧 𝐈𝐧𝐬𝐭𝐢𝐭𝐮𝐭𝐞 𝐈𝐧 𝐍𝐨𝐫𝐭𝐡𝐞𝐚𝐬𝐭 𝐈𝐧𝐝𝐢𝐚 𝐅𝐨𝐫 𝐐𝐮𝐚𝐥𝐢𝐭𝐲 𝐀𝐧𝐝 𝐌𝐨𝐝𝐞𝐫𝐧 𝐄𝐝𝐮𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐎𝐧 𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦

15/06/2026

💥 হাদীস
পুরুষদের জন্য সোনার আংটি পরা হারাম।

عَنۡ عَبۡدِ اللّٰهِ بۡنِ عَبَّاسٍ اَنَّ رَسُوۡلَ اللّٰهِ صَلَّي اللّٰهُ عَلَيۡهِ وَ سَلَّمَ رَاٰي خَاتَمًا مِّنۡ ذَهَبٍ فِيۡ يَدِ رَجُلٍ فَنَزَعَهٗ فَطَرَحَهٗ وَ قَالَ يَعۡمِدُ اَحَدُكُمۡ اِلٰي جَمۡرَةٍ مِّنۡ نَّارٍ فَيَجۡعَلُهَا فِيۡ يَدِهٖ فَقِيۡلَ لِلرَّجُلِ بَعۡدَ مَا ذَهَبَ رَسُوۡلُ اللّٰهِ صَلَّي اللّٰهُ عَلَيۡهِ وَ سَلَّمَ خُذۡ خَاتِمَكَ انۡتَفِعۡ بِهٖ قَالَ لَا وَ اللّٰهِ لَآ اٰخُذُهٗ اَبَدًا وَّ قَدۡ طَّرَحَهٗ رَسُوۡلُ اللّٰهِ صَلَّي اللّٰهُ عَلَيۡهِ وَ سَلَّمَ.

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির হাতে সোনার আংটি দেখলেন। তখন তিনি সেটি খুলে ফেলে দিলেন এবং বললেন, “তোমাদের কেউ আগুনের জ্বলন্ত কয়লার ইচ্ছা করে আর তা হাতে তুলে নেয়?” তার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন চলে গেলেন তখন সেই ব্যক্তিকে বলা হলো, “তোমার আংটিটি তুলে নাও এবং অন্য কোনোভাবে তা থেকে উপকার লাভ করো।” সে বললো, “আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সেটি ফেলে দিয়েছেন, সুতরাং সেটি আমি কখনো নেব না।”

📚 (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৪৭২)
📚 (মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ৪৩৮৫)

🌷 উক্ত হাদীস থেকে যা কিছু শিখতে পেলাম:

১/অসৎ এবং গুনাহের কাজ চোখে পড়লে সামর্থ্য অনুযায়ী তা প্রতিরোধ করা উচিত। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত থেকে আংটি বের করে ফেলে দিয়েছেন। আর এটিই হলো প্রকৃত রূপে ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং মন্দ কাজ থেকে দূরে রাখা।`

২/ `পুরুষদের জন্য সোনা পরা এমন গুরুতর বিষয় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম একে হাতে জাহান্নামের জ্বলন্ত কয়লা ধারণ করার সঙ্গে তুলনা করেছেন।`

৩/`পুরুষদের জন্য সোনার আংটি পরা হারাম; তবে তা বিক্রি করে সেই টাকা ব্যবহার করা বা সেই আংটি কোনো মহিলাকে ব্যবহার করার জন্য দিয়ে দেওয়া জাইয।`

৪/ `রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ ও নিষেধের প্রতি সাহাবায়ে কেরামদের ভালোবাসা ও আনুগত্য ছিল অতুলনীয়। যেমন তিনি যদি সেই আংটি তুলে সেটা বিক্রি করে সেই টাকা কোন কাজে ব্যবহার করতেন, তাহলে সেটা অবশ্যই জাইয হতো। কিন্তু তিনি সেটা না করে আংটিটি সেখানেই ফেলে রাখলেন এবং বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেহেতু সেটাকে ফেলে দিয়েছেন, সুতরাং সেটাতে আমি আর কখনো হাত লাগাবো না। যেন কোনো গরিব ব্যক্তি এটিকে তুলে নেয়, আর এটি আমার সেই ভুলের কাফফারা হয়ে যায়, যা আমি না জেনে করেছি। আর এখানে সম্পদের অপচয় উদ্দেশ্য নয়; বরং নিজের ভুলের কাফফারা আদায় করা উদ্দেশ্য।`

বিঃদ্রঃ
`অনেক মানুষ বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ি থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সোনার আংটি পরে থাকেন এবং মনে করেন, “এটি তো উপহার, তাই পরা যাবে।” অথচ উপহার হওয়ার কারণে হারাম বস্তু কখনো হালাল হয় না। সুতরাং পুরুষের জন্য উপহারস্বরূপ পাওয়া সোনার আংটি পরাও হারাম এবং কবীরা গুনাহ।`

08/06/2026

আজি ৰাতিপুৱা ৮ বজাত আমাৰ বাৰাপেটা গাঁৱৰ এজন বিশিষ্ট সমাজসেৱক আৰু BPF দলৰ Foundation কৰ্মী সন্মানীয় অছিম উদ্দিন সৰকাৰ চাহাব বৰপেটা ফকৰুদ্দিন আলী আহমেদ মেডিকেল কলেজত ইহলীলা সম্বৰণ কৰে
انا للہ وانا الیہ راجعون
মৰহুমৰ জানাযা নামাজ আছৰ নামাজ বাদ ৪.৫০ বজাত নিজ বাসভৱনত অনুষ্ঠিত হ'ব।

07/06/2026
26/05/2026

🌷 মাসআলাহঃ
তাকবীরে তাশরীক্ব ও তার সময়কাল।

প্রশ্নঃ `তাকবীরে তাশরীক্ব কি, আর তাকবীরে তাশরীক্ব কখন থেকে কখন পর্যন্ত বলা ওয়াজিব?

উত্তরঃ `যুলহজ্জ মাসের ৯ তারিখের ফজর নামায থেকে, যুলহজ্জ মাসের ১৩ তারিখের আসর নামায পর্যন্ত, জামাআতের সঙ্গে আদায় করা প্রত্যেক ফরয নামাজের পর নিম্নতম একবার উচ্চস্বরে তাকবীরে তাশরীক্ব বলা ওয়াজিব, আর তিনবার বলা উত্তম। তাকবীরে তাশরীক্ব হলঃ`

اَللّٰهُ اَکۡبَرُ اَللّٰهُ اَکۡبَرُ لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَ اللّٰهُ اَکۡبَرُ اَللّٰهُ اَکۡبَرُ وَ لِلّٰهِ الۡحَمۡدُ

📚 (তানৱীরুল আবসার ওয়া জামিউল বিহার, পৃষ্ঠা ৫৬, লাইন ১২ থেকে ১৬, প্রকাশিত দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ বেরূত লেবনান)
📚 (বাহারে শরীঅত, খণ্ড ১, ভাগ ৪, পৃষ্ঠা ৭৮৪, লাইন ১৭, পৃষ্ঠা ৭৮৫, লাইন ১-২, মাসআলাহ ২২, প্রকাশিত মাকতাবাতুল মাদীনাহ দাওয়াতে ইসলামী)

21/05/2026

السلام علیکم ورحمتہ اللہ وبرکاتہ صبح بخیر

قربانی کی دعاء
21/05/2026

قربانی کی دعاء

20/05/2026

🌷 মাসআলাহঃ
ক্বুরবানীর আগের দশ দিন মাংস খাওয়ার হুকুম

প্রশ্নঃ `যিল হজ্জ মাসের প্রথম তারিখ অর্থাৎ ক্বুরবানীর চাঁদ ওঠার দিন থেকে শুরু করে ক্বুরবানী করার আগ পর্যন্ত কোন মাংসা খাওয়া যাবে কি যাবে না? কেউ কেউ বলে যে খাওয়া যাবে না।`

উত্তরঃ `অবশ্যই খাওয়া যাবে, ক্বুরআন ও হাদীসে কোথাও এটাকে নিষেধ করা হয়নি। সুতরাং যারা বলে যে এই দিনগুলোতে মাংস খাওয়া যাবে না, তাদের এ কথা সম্পূর্ণ ভুল এবং আল্লাহ ও রাসূলের উপর প্রকাশ্য মিথ্যা অপবাদ; যা হারাম এবং কবীরা গুনাহ। এ থেকে তওবা করা ফরয। সাধারণ মানুষের উচিত, তারা যেন আলিমদের কথার উপর আমল করে এবং জাহিলদের বাজে কথা না শোনে।`

19/05/2026

كَمَا تُدِيْنُ تُدَانُ

جیسی کرنی ویسی بھرنی

18/05/2026

💥 হাদীস
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্বুরবানী না করা মোটেই উচিত নয়।

عَنۡ اَبِيۡ هُرَيۡرَةَ اَنَّ رَسُوۡلَ اللّٰهِ صَلَّي اللّٰهُ عَلَيۡهِ وَ سَلَّمَ قَالَ مَنۡ كَانَ لَهٗ سَعَةُٗ وَّ لَمۡ يُضَحِّ فَلَا يَقۡرَبَنَّ مُصَلَّانَا

হযরত আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্বুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।

📚 (সুনানু ইবনি মাজাহ, হাদীস নং ৩১২৩)

`এই হাদীসের অর্থ এই নয় যে, ক্বুরবানী না করলে ঈদের নামায পড়া যাবে না। বরং এতে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্বুরবানী না করার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা ও কড়া নসীহত দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি ক্বুরবানী দেওয়ার সামর্থ্য রাখে, তারপরেও অবহেলা করে ক্বুরবানী করে না, সে খুব বড় ভুল ও গুনাহের কাজ করে। তাই হাদীসে কঠিন ভাষায় বলা হয়েছে— “সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।"`

`এটি আসলে ক্বুরবানীর গুরুত্ব বোঝানোর জন্য বলা হয়েছে, ঈদের নামায থেকে বাধা দেওয়ার জন্য নয়। তাই এমন ব্যক্তি ঈদের নামায অবশ্যই পড়বে, তবে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্বুরবানী না করলে গুনাহগার হবে।`

Address

Darul Ulum Ahle Sunnat Mozaddadia Madrassa, Barpeta Road
Barpeta Road
MAINAMATA

Opening Hours

Monday 8am - 1pm
Tuesday 8am - 1pm
Wednesday 8am - 1pm
Thursday 8am - 12:30pm
Saturday 8am - 1pm
Sunday 8am - 1pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darul Ulum Ahle Sunnat Mozaddadia Madrassa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share