28/12/2025
“আজ PSC Clerkship পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সম্ভাব্য উত্তর প্রদান করা হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতে পারেন।”
#ক্লার্কশিপ
#সরকারিচাকরি
#চাকরিরপরীক্ষা
1. "বিশুদ্ধ জল, নিরাপদ জীবন: আর্সেনিক দূষণ মোকাবিলায় সরকারি পদক্ষেপ"
(নিজস্ব প্রতিনিধি)
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং কিছু অন্যান্য জেলায় পানীয় জলে আর্সেনিক দূষণ একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ আর্সেনিক আক্রান্ত অঞ্চলে বসবাস করছেন। বহু নলকূপে আর্সেনিকের মাত্রা WHO নির্ধারিত সীমা (১০ μg/L) অতিক্রম করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে এবং আর্সেনিকজনিত রোগের ক্ষেত্রে মৃত্যুহারও বাড়িয়েছে।
এই সমস্যার মূল কারণ হলো ভূগর্ভস্থ জলের অতিরিক্ত ব্যবহার, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত অর্থের অনুপস্থিতি। অনেক নলকূপে আর্সেনিক ফিল্টার থাকলেও সঠিক ব্যবহারের অভাব ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় কার্যকারিতা কমে যায়।
রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর্সেনিক রিমুভাল প্ল্যান্ট স্থাপন, জল পরিশোধন কেন্দ্র নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নদী ও বৃষ্টির জল সংরক্ষণ, দূষিত নলকূপ বন্ধ করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
সরকারি উদ্যোগগুলির মধ্যে রয়েছে নিয়মিত জল পরীক্ষা, জনগণকে নিরাপদ জল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ, এবং জল সংরক্ষণে কমিউনিটি অংশগ্রহণ বাড়ানো। প্রযুক্তির সহায়তায় দূষিত জলের সরবরাহ কমানো এবং বিশুদ্ধ জল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, সরকারি তহবিলের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু এলাকায় অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে মানুষ তাত্ক্ষণিকভাবে বিশুদ্ধ জল পেতে পারে।
এই উদ্যোগগুলি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে আর্সেনিকজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জল পাবে।
Or
“সততার অনন্য উদাহরণ: ট্যাক্সি ড্রাইভারের নৈতিকতা ও মানবিকতা”
(নিজস্ব প্রতিনিধি)
আমরা সকলেই কখনও না কখনও এমন সমস্যার মুখোমুখি হই, যখন হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ টাকা হারিয়ে যায়। সম্প্রতি কলকাতায় এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, যা সততা ও নৈতিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
কলকাতার একটি ব্যক্তি ₹৫,০০,০০০ তার ব্যাগে নিয়ে শহরের একটি হোটেলে গিয়েছিলেন। হোটেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন যে ব্যাগের টাকা নেই। তখন তিনি আতঙ্কিত এবং হতাশ হয়ে পড়েন। অর্থাৎ, এমন পরিস্থিতি যে কারও ঘটতে পারে, আমরা সকলেই এই সমস্যার সাথে পরিচিত।
প্রায় এক ঘণ্টা পর কলকাতা হোয়াইট ট্যাক্সি নম্বর WB-04A-1234 চালানো একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার সেই ব্যক্তিকে খুঁজে পান। ট্যাক্সি ড্রাইভার ব্যাগে থাকা সম্পূর্ণ টাকা মালিককে ফেরত দেন। তিনি কোনও দ্বিধা বা স্বার্থ দেখাননি, বরং মানবিক দায়িত্ব ও সততার উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
এই কাজের জন্য ট্যাক্সি ড্রাইভারকে স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ দু’পক্ষেই প্রশংসা জানিয়েছে। তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং সমাজে সততার এক আদর্শ মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এই ড্রাইভার আমাদের সমাজের জন্য আদর্শ। তার সততা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং নৈতিকতার দৃষ্টান্ত সবাইকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। এমন মানুষ আমাদের সমাজে দুর্লভ, তবে তাদের উদাহরণ অনুসরণ করলে সমাজ আরও মানবিক ও দায়িত্বশীল হবে।
3. Translation:
যখন রাহমাত আফগানিস্তান থেকে কলকাতায় এসেছিলেন, তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন তার ছোট মেয়ে রাবেয়ার হাতের ছাপ একটি কাগজে। তিনি সবসময় এটিকে সঙ্গে রাখতেন। সঙ্গে ছিল পাঁচ টাকার একটি নোট, যা মিনি একবার তাকে দিয়েছিল যখন তিনি মিষ্টি বিক্রি করছিলেন। তিনি এই দুইটি জিনিসই কারাগারে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রায়ই দারোগার কাছ থেকে এগুলো পেতেন এবং দেখে নিতেন। তিনি তার মেয়ে রাবেয়া বা মিনিকে ভুলতে পারতেন না।