Geography-Madhyamik,h.s & competitive Exam"

Geography-Madhyamik,h.s & competitive Exam" Educational,Madhyamik Geography,H.s Geography and Competitive exams

11/06/2025

চ্যুতি ও চ্যুতি দ্বারা গঠিত ভূমিরূপ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর গুলো আলোচনা করা হলো ।
SLST Geography question

১. চ্যুতি সৃষ্টি হয় কি প্রক্রিয়ায়?
উত্তর: অন্তর্জাত প্রক্রিয়া মাধ্যমে।

২. যে ধরনের ভূ-আলোড়নের ফলে চ্যুতি সৃষ্টি হয়?
উত্তর: মহিভাবক আলোড়ন।

৩. যে বলের ফলে চ্যুতি সৃষ্টি হয় সেটি কী?
উত্তর: সংকোচন প্রসারণ বল।

৪. সাধারণত কোন শিলাস্তরে সবথেকে বেশি চ্যুতি হয়ে থাকে?
উত্তর: পাললিক শিলা স্তরে।

৫. চ্যুতিতে যে তল বরাবর শিলাস্তরের খণ্ডিত অংশ ওঠানামা করে তাকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতিতল।

৬. যে অনুভূমিক রেখা বরাবর চ্যুতি ঘটে তাকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতিরেখা।

৭. চ্যুতিতল অনুভূমিক তলের সাথে যে কোণে হেলে থাকে তাকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতি নতি।

৮. চ্যুতিতল ও অনুভূমিক তল পরস্পরকে যেখান দিয়ে ছেদ করে তাকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতি আয়াম।

৯. চ্যুতি তলের উপরের শিলাস্তরকে কী বলা হয়?
উত্তর: উধ্বস্তূপ।

১০. চ্যুতি তলের নিচের শিলাস্তরকে কী বলা হয়?
উত্তর: অধোস্তূপ।

১১. ঊর্ধ্বাংশ ও নিম্নাংশের মধ্যে উল্লম্ব ব্যবধানকে কী বলে?
উত্তর: ক্ষেপ।

১২. উর্ধ্বাংশ ও নিম্নাংশের অনুভূমিক পাশাপাশি ব্যবধানকে কী বলে?
উত্তর: নতি।

১৩. চ্যুতিতল উলম্ব তলের সাথে যে কোণে হেলে থাকে তাকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতি কোণ।

১৪. চ্যুতি আয়ামের সমান্তরালে যখন প্রকৃত স্থলন ঘটে তাকে কী বলে?
উত্তর: আয়াম স্থলন।

১৫. চ্যুতি নতির সমান্তরালে প্রকৃত স্থলন হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: নতি স্থলন।

১৬. ঝুলন্ত প্রাচীর নিচে বসে যায় এবং পাদমূল প্রাচীর ওপরে উঠে গেলে তা কী চ্যুতি?
উত্তর: স্বাভাবিক চ্যুতি।

১৭. ঝুলন্ত প্রাচীর উপরে উঠে এবং পাদমূল প্রাচীর নিচে বসে গেলে তা কী চ্যুতি?
উত্তর: বিপরীত চ্যুতি।

১৮. স্বাভাবিক চ্যুতি ক্ষেত্রে নতির মান কত হয়?
উত্তর: ৫৮°।

১৯. স্বাভাবিক চ্যুতি সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
উত্তর: শিলাস্তরের টান।

২০. বিপরীত চ্যুতি সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
উত্তর: শিলাস্তরের সংনমন।

২১. ধাপের ন্যায় সমান্তরালে চ্যুতি ঘটলে তাকে কী বলে?
উত্তর: সোপান চ্যুতি।

২২. প্রবল সংনমন বলে বিপরীত চ্যুতি নদী হ্রাস পেলে তাকে কী বলে?
উত্তর: থ্রাস্ট চ্যুতি।

২৩. থ্রাস্ট চ্যুতি ভারতের কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে / কাশ্মীর হিমালয়।

২৪. চ্যুতি আয়াম বরাবর উধ্বস্তূপ অনেক দূরে সরে গেলে তাকে কী বলে?
উত্তর: ছিন্ন চ্যুতি।

২৫. আয়াম ও নতির মধ্যবর্তী কোণে প্রকৃত স্থলন ঘটলে তাকে কী বলে?
উত্তর: তির্যক স্থলন চ্যুতি।

২৬. আঞ্চলিক গঠনের আয়ামের সমান্তরালে চ্যুতি হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: অনুদৈর্ঘ্য চ্যুতি।

২৭. ঝুলন্ত ভৃগু সৃষ্টি হয় কোন চ্যুতিতে?
উত্তর: অনুলোম চ্যুতি।

২৮. চ্যুতি কোণ ও চ্যুতি নতির যোগফল কত?
উত্তর: ৯০°।

২৯. পূর্ব আফ্রিকার গ্রস্ত উপত্যকা কী ধরনের চ্যুতি?
উত্তর: পরিখা চ্যুতি।

৩০. সান আন্দ্রিয়াস চ্যুতি কোন ধরনের চ্যুতি?
উত্তর: ট্রান্সফর্ম চ্যুতি।

৩১. অনেকগুলো নতি ও আয়াম বিশিষ্ট চ্যুতিকে কী বলে?
উত্তর: সমান্তরাল চ্যুতি।

৩২. চ্যুতির ফলে কোন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়?
উত্তর: স্তূপ পর্বত।

৩৩. দুটি বিপরীত চ্যুতির মধ্যবর্তী অবনমিত অংশ কী?
উত্তর: র‍্যাম্প উপত্যকা।

৩৪. স্বাভাবিক চ্যুতি কী সৃষ্টি করে?
উত্তর: চ্যুতিভৃগুতট।

৩৫. বিপরীত চ্যুতি কী সৃষ্টি করে?
উত্তর: ঝুলন্ত ভৃগু।

৩৬. প্রতিসম চ্যুতি কী সৃষ্টি করে?
উত্তর: গ্ৰস্ত উপত্যকা।

৩৭. অনুলোম চ্যুতি ভূপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফলে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: বাড়ে।

৩৮. বিপরীত চ্যুতি ভূপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফলে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: কমে।

৩৯. অধিকাংশ স্তূপ পর্বত কোন চ্যুতির ফলে সৃষ্টি?
উত্তর: অনুলোম চ্যুতি।

৪০. কোন চ্যুতিকে অভিকর্ষ চ্যুতি বলা হয়?
উত্তর: অনুলোম চ্যুতি।

৪১. চ্যুতিতলের ওপরে পৃষ্ঠের শিলাস্তূপকে কী বলে?
উত্তর: ন্যস্তশিলা।

৪২. কোন চ্যুতিতে খরস্রোতের সৃষ্টি হয়?
উত্তর: সোপান চ্যুতি।

৪৩. চ্যুতির নতি কোন এককে মাপা হয়?
উত্তর: ডিগ্রিতে।

৪৪. পাউডারের মতো শিলাকণা পূর্ণ চ্যুতিতলকে কী বলে?
উত্তর: গুজ।

৪৫. সমকেন্দ্রিক চ্যুতির উদাহরণ কী?
উত্তর: পরিধি চ্যুতি।

৪৬. চ্যুতির আয়াম কোন এককে মাপা হয়?
উত্তর: কিলোমিটার।

৪৭. ক্লাইনোমিটার যন্ত্র দ্বারা কী মাপা হয়?
উত্তর: চ্যুতির নতি।

৪৮. জার্মানির রাইন উপত্যকা আসলে কী?
উত্তর: মঞ্চ।

৪৯. প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে কোন চ্যুতি হয়?
উত্তর: ইমব্রিকেট চ্যুতি।

৫০. সিমলায় ওয়াদিয়া কোন ভূমিরূপ লক্ষ্য করেন?
উত্তর: ক্লিম্পে।

৫১. চ্যুতিতলের ওপরের ঝুলন্ত অংশকে কী বলে?
উত্তর: ঝুলন্ত প্রাচীর।

৫২. চ্যুতিতলের নিচের অংশকে কী বলে?
উত্তর: পাদমূল প্রাচীর।

৫৩. দুই শিলাস্তূপের প্রকৃত মোট সরণের ব্যবধানকে কী বলে?
উত্তর: প্রকৃত স্থলন।

৫৪. ঘর্ষণে আঁচড় কাটা চ্যুতিতলকে কী বলে?
উত্তর: স্লিকেনসাইড।

৫৫. শিলাচূণপূর্ণ অমসৃণ চ্যুতিতলকে কী বলে?
উত্তর: চ্যুতি ব্রেক্সিয়া।

৫৬. অগভীর মাটির স্তর দ্বারা আচ্ছাদিত চ্যুতিতলকে কী বলে?
উত্তর: ফ্লুকন।

৫৭. পাউডার সদৃশ শিলাকণাযুক্ত চ্যুতিতলকে কী বলে?
উত্তর: গুজ।

৫৮. অনুভূমিক রেখার সঙ্গে শিলাস্তূপের নির্দিষ্ট বিন্দুর কোণকে কী বলে?
উত্তর: সরণ / রেক / পিচ।

৫৯. আঁনেশোঁলা চ্যুতি কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: ক্যালিফোর্নিয়ার ব্ল্যাক সৈকতের লাডালাতে।

৬০. বিশ্বের বৃহত্তম আয়াম স্থলন চ্যুতি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: স্কটল্যান্ডের গ্রেট প্লেন।

৬১. রিজ চ্যুতি (Ridge Fault):➡️ কখনো কখনো ভূত্বকে দুটি সমান্তরাল চ্যুতির ফলে মধ্যবর্তী অংশ পার্শ্ববর্তী অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে চাপের ফলে নীচে না বসে উপরে উঠে পড়ে (Upthrust)। এই উত্থিত অংশকে জার্মান ভাষায় হোস্ট বা স্তূপ পর্বত বলে। এই ধরনের চ্যুতিকে রিজ চ্যুতি বলা হয়।

৬২. তির্যক চ্যুতি (Tilted Fault): ➡️চ্যুতির ফলে শিলান্তর চ্যুতির একদিকে বা উভয়দিকে হেলে অবস্থান করলে তাকে তির্যক চ্যুতি বলে। এক্ষেত্রে, শিলাস্তর উল্লম্ব ও অনুভূমিকভাবে উভয় দিকেই সরে যায়।

৬৩. অরীয় চ্যুতি (Radial Fault ):➡️ চুত্যিরেখাগুলি কেন্দ্র বিন্দু থেকে বাইরের দিকে প্রসারিত হলে তাকে অরীয় চ্যুতি বলে।

৬৪. র‍্যাম্প উপত্যকা ➡️ দুটি স্বাভাবিক চ্যুতির মধ্যবর্তী অবনমিত ভূভাগকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে। কিন্তু র‍্যাম্প উপত্যকা বলতে দুটি বিপরীত চ্যুতির মধ্যবর্তী অবনত ভূভাগকে বোঝায়। গ্রস্ত উপত্যকার ক্ষেত্রে প্রসারিত ভূমিভাগের সৃষ্টি হয় ও র‍্যাম্প উপত্যকার ক্ষেত্রে ভূপৃষ্ঠ সংকুচিত হয়।

৬৫. গ্রস্ত উপত্যকা ➡️ ভূ-আলোড়নের ফলে দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ পার্শ্ববর্তী অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নীচের দিকেবসে গিয়ে যে অবনমিত ভূভাগের সৃষ্টি করে, সেই ভূভাগকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।গ্রস্ত উপত্যকার উভয় পাশে স্তুপ পর্বত বিরাজ করে ।

🔹 উদাহরণ-— সাতপুরা ও বিন্ধ্য পর্বতের মাঝে নর্মদা নদীর উপত্যকা ।

৬৬. স্তূপ পর্বত ➡️ ভূ-আলোড়নের দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ পার্শ্ববর্তী অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ওপরে উঠে গিয়ে যে উঁচু ভূমিরূপ বা পর্বত গঠন করে, সেই ভূমিরূপ বা পর্বতকে স্তুপ পর্বত বলে।

🔹উদাহরণ-ভারতের নর্মদা ও তাপ্তি নদীর মাঝে সাতপুরা পর্বত ও জার্মানির রাইন ও ফ্রান্সের রোন নদীর মাঝে ভোজ পর্বত হল স্তূপ পর্বত ।

💠 এইধরনের নতুন নতুন বিষয়ের উপর প্রশ্ন উত্তর পেতে হলে আমার পেজটিকে ফলো করবেন।

🔹 ভালো লাগলে লাইক ও বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

আশা করি বুঝতে পেরেছো।
02/12/2023

আশা করি বুঝতে পেরেছো।

05/10/2023

1-হিমবাহ ও জলধারার সম্মিলিত অবক্ষেপণ বা সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।

নিম্নভূমিতে হিমবাহ প্রধানত অবক্ষেপণ করে থাকে। হিমরেখার নীচে হিমবাহ গলে ছােটো ছােটো অসংখ্য অস্থায়ী জলধারার সৃষ্টি হয়। এই সমস্ত জলধারা হিমবাহ সঞ্চত পদার্থকে অনেকদূর পর্যন্ত বয়ে নিয়ে গিয়ে দূরবর্তী স্থানে জমা করে। একে হিমবাহ-জলধারার মিলিত সঞ্চয়কার্য বলে। এর ফলে গড়ে ওঠা উল্লেখযােগ্য ভূমিরূপগুলি হল—

1)এস্কার (Esker): উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের পাদদেশে হিমবাহের বহন করে আনা বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি, পাথর, কাদা, বালি, কাঁকর প্রভৃতি জমা হয়ে দীর্ঘ, আঁকাবাঁকা, নাতিউচ্চ ও সংকীর্ণ বাঁধের মতো শৈলশিরা বা উচ্চভূমি গঠন করে । একে এস্কার (Esker) বলে ।

উদাঃ ফিনল্যান্ডের পুনকাহারয়ু একটি বিখ্যাত এস্কার ।

বৈশিষ্ট্যঃ এস্কার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এটি বহিঃবিধৌত সমভূমির মধ্যে অবস্থিত হয় ।
খ) হিমবাহ থাকাকালীন এটি দেখা যায় না, হিমবাহ গলে গেলে এটি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে ।

2)কেম (Kame): অনেক সময় পার্বত্য হিমবাহের শেষপ্রান্তে হিমবাহ যেখানে গলতে শুরু করে সেখানে কাদা, বালি, নুড়ি, পাথর, কাঁকর ইত্যাদি স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে ব-দ্বীপ আকৃতিবিশিষ্ট অর্থাৎ ত্রিকোণাকার যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে কেম (Kame) বলে ।
উপত্যকার দুই পাশে কেম সৃষ্টি হলে তাকে কেমমঞ্চ বা কেমসোপান বলে ।

উদাঃ পূর্ব স্কটল্যান্ডের ল্যামারহিলে বহু কেম দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ কেম – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) কেম হলো হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের একটি প্রকৃষ্ট নিদর্শন ।
খ) এগুলি উপত্যকার পার্শ্বদেশের সঙ্গে মিশে ধাপ তৈরি করে ।

3)বহিঃবিধৌত সমভূমি
সংজ্ঞাঃ উচ্চ পর্বতের পাদদেশে হিমবাহ এসে পৌঁছালে তা গলে নদীর সৃষ্টি হয় এবং সেখানে হিমবাহবাহিত পাথরের টুকরো, নুড়ি, কাঁকর, বালি, কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তীর্ণ সমভূমি গঠন করে, তাকে বহিঃবিধৌত সমভূমি (Out-Wash-Plain) বলে ।

উদাঃ কানাডার উত্তরাংশে বহিঃবিধৌত সমভূমি দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ বহিঃবিধৌত সমভূমি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এটি একটি বিশাল সমতলভূমি ।
খ) এর উপরে অসংখ্য ড্রামলিন দেখা যায় ।

4)ড্রামলিন(Drumlin
বুৎপত্তিগত অর্থ: “Drumlin” শব্দটির অর্থ ‘ঢিবি’ ।

সংজ্ঞা: হিমবাহ গলে গেলে বহিবিধৌত সমভূমিতে স্তূপীকৃত বোল্ডার ক্লে অনেক সময়ে সারিবদ্ধ টিলা বা ছোটো ছোটো স্তূপের আকারে বিরাজ করে । ভূ-পৃষ্ঠের উপর এদের দেখতে অনেকটা উলটানো নৌকা বা চামচের মতো আকৃতির হয় । এদের ড্রামলিন (Drumlin) বলে ।

উদাঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চল, উত্তর ইংল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে বহু ড্রামলিন দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্যঃ ড্রামলিন – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) একটি আদর্শ ড্রামলিন ১-২ কি.মি. দীর্ঘ ৪০০-৬০০ মিটার প্রশস্ত এবং ১৫-৩০ মিটার উঁচু হয় ।
খ) ড্রামলিনের হিমবাহ প্রবাহের দিকটি অমসৃণ এবং বিপরীত দিকটি মসৃণ হয়ে থাকে ।
গ) একক ড্রামলিন সাধারণত দেখা যায় না, সাধারণত ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রামলিন দেখা যায় ।
ঘ) বহু ড্রামলিন একসঙ্গে অবস্থান করলে তাদের মধ্যবর্তী অবনত অঞ্চলগুলোতে জল জমে জলাভূমি সৃষ্টি হয় ।
ঙ) অনেক উঁচুজায়গা থেকে দেখলে ড্রামলিনগুলিকে ‘ডিম ভর্তি ঝুড়ি’ – র মত মনে হয় । ড্রামলিন অধ্যুষিত অঞ্চলকে তাই “Basket of Eggs Topography” বলে ।

01/10/2023

এই পেজ এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের মাধ্যমিক,উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য ভূগোল বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর দেওয়া হবে।

Address

Bankura
722132

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Geography-Madhyamik,h.s & competitive Exam" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share