Kurulia High school - H.S.

Kurulia High school - H.S.

Share

আমাদের স্কুল।

15/08/2026
Photos from Kurulia High school - H.S.'s post 23/07/2026

🎗️ জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব। সচেতনতাই প্রথম পদক্ষেপ।

Human Papillomavirus (HPV) সংক্রমণ থেকেই অধিকাংশ জরায়ুমুখের ক্যান্সার হয়। সুখবর হলো, HPV ভ্যাকসিন এই ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সাহায্য করে।
👧 নির্ধারিত বয়সী কিশোরীদের সময়মতো HPV টিকা দিন।
🛡️ একটি ছোট্ট সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বড় সুরক্ষা এনে দিতে পারে।
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।
সুস্থ কন্যা, সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজ। 💚

16/07/2026

দলিলের নকল (Certified Copy) তুলতে কী কী লাগে?

জমির দলিল হারিয়ে গেলে, জমি বিক্রি করার আগে, ব্যাংক ঋণ নেওয়ার সময় বা আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য অনেক সময় দলিলের সার্টিফাইড কপি (নকল) প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নির্ধারিত নিয়মে এই নকল সংগ্রহ করা যায়।

দলিলের নকল তুলতে যা যা লাগে

১. দলিল নম্বর

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। দলিল নম্বর জানা থাকলে নকল বের করা অনেক সহজ হয়।

২. দলিলের সাল

কোন সালে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে তা জানা থাকলে রেজিস্ট্রি অফিসে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।

৩. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম

দলিল যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধিত হয়েছে, সেই অফিস থেকেই সাধারণত নকল সংগ্রহ করতে হয়।

৪. দলিলদাতা বা দলিলগ্রহীতার নাম

বিক্রেতা বা ক্রেতার নাম জানা থাকলে দলিল শনাক্ত করতে সুবিধা হয়।

৫. মৌজার নাম

যে মৌজায় জমিটি অবস্থিত, সেই মৌজার নাম প্রয়োজন হতে পারে।

৬. দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর

দাগ ও খতিয়ান নম্বর থাকলে দলিল শনাক্ত করা আরও সহজ হয়।

৭. আবেদনপত্র

নির্ধারিত ফরমে বা অফিসের নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে হয়।

৮. সরকারি ফি

সার্টিফাইড কপি তুলতে সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়। ফি দলিলের ধরন ও পৃষ্ঠাসংখ্যা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

৯. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়া হতে পারে।

যদি দলিল নম্বর জানা না থাকে?

তাহলেও অনেক ক্ষেত্রে দলিল খুঁজে বের করা সম্ভব। এজন্য নিচের তথ্যগুলো যত বেশি সম্ভব দিতে হবে—

দলিলদাতা ও দলিলগ্রহীতার নাম

মৌজার নাম

আনুমানিক নিবন্ধনের সাল

দাগ নম্বর

খতিয়ান নম্বর

জমির অবস্থান

দলিলের নকল সংগ্রহের ধাপ

১. সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান।
২. নির্ধারিত ফরমে আবেদন করুন।
৩. প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিন।
৪. সরকারি ফি পরিশোধ করুন।
৫. অফিস যাচাই-বাছাই শেষে সার্টিফাইড কপি (নকল) প্রদান করবে।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

আবেদন করার আগে দলিল নম্বর ও সাল সঠিকভাবে নিশ্চিত করুন।

শুধুমাত্র সরকারি রসিদ দিয়ে ফি পরিশোধ করুন।

দালালের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি অফিসে আবেদন করার চেষ্টা করুন।

নকল হাতে পাওয়ার পর দলিলের সব তথ্য (নাম, দাগ, খতিয়ান, জমির পরিমাণ ইত্যাদি) ভালোভাবে মিলিয়ে দেখুন।

কোনো তথ্য ভুল থাকলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

দলিলের নকল সংগ্রহের জন্য মূলত দলিল নম্বর, নিবন্ধনের সাল, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম এবং আবেদনপত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে দলিল নম্বর না থাকলেও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে অনেক ক্ষেত্রে দলিল শনাক্ত করে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা সম্ভব। জমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনের আগে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করে যাচাই করা সবসময় নিরাপদ।

16/07/2026

সালটা ছিল ১৯৬৫, অস্ট্রেলিয়া থেকে সুদূর ভারতের ওড়িশায় এসে পা রাখলেন এক তরুণ—গ্রাহাম স্টেইনস। তাঁর চোখে কোনো বৈভবের স্বপ্ন ছিল না, ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আকুলতা। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ এলাকায় পৌঁছে তিনি কুষ্ঠ রোগীদের অবর্ণনীয় কষ্ট দেখতে পান। সমাজ তখন কুষ্ঠ আক্রান্তদের অস্পৃশ্য মনে করত, দূর-দূর করে তাড়িয়ে দিত।
স্টেইনস সাহেব তাঁদের বুকে টেনে নিলেন। তিনি খুব দ্রুত ওড়িয়া ভাষা শিখে নিলেন এবং ওড়িশার মানুষেরই একজন হয়ে উঠলেন। টানা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি দিন-রাত এক করে কুষ্ঠাশ্রম পরিচালনা করেন, রোগীদের ক্ষত ধুয়ে দিতেন, ওষুধ খাওয়াতেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণে স্থানীয় আদিবাসী মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দেবদূতের মতো। এর মাঝেই তিনি বিয়ে করেন গ্ল্যাডিসকে। তাঁদের কোল আলো করে আসে মেয়ে এস্থার এবং দুই ছেলে—ফিলিপ ও টিমোথি। এভাবেই চলছিল তাদের জীবন।
🔥 সেই অভিশপ্ত রাত: ২২ জানুয়ারি, ১৯৯৯
ওড়িশার কেওনঝড় জেলার মনোহরপুর গ্রাম। প্রতি বছরের মতো সেবারও স্টেইনস সাহেব স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একটি বার্ষিক ক্যাম্পে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। সাথে ছিল তাঁর দুই আদরের সন্তান—১০ বছরের ফিলিপ আর ৬ বছরের নিষ্পাপ টিমোথি।
ক্যাম্পের কাজ শেষ হতে হতে বেশ রাত হয়ে যায়। কনকনে শীতের হাত থেকে বাঁচতে গ্রাহাম স্টেইনস তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে তাঁদের পুরনো স্টেশন ওয়াগন (গাড়ি) গাড়ির ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত যখন গভীর, চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন আচমকাই সেই গাড়িটিকে ঘিরে ধরে একদল উগ্র উন্মত্ত জনতা। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল দারা সিং নামের এক উগ্রপন্থী যুবক। তাদের মনে ভুল ধারণা ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, স্টেইনস সাহেব জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ করছেন।
সেই যুগে ছিল না কোন সোশ্যাল মিডিয়া, তাই একবার গুজব ছড়িয়ে গেলে সেটা আর আটকানো সহজ হতো না।। উন্মাদ জনতা গাড়িটির দরজা বাইরে থেকে শক্ত করে বন্ধ করে দেয়, যাতে কেউ বের হতে না পারে। এরপর পুরো গাড়ির ওপর ঢেলে দেওয়া হয় দাহ্য তরল। দপ করে জ্বলে ওঠে আগুন।
গাড়ির ভেতরে থাকা ঘুমন্ত বাবা আর দুই অবুঝ শিশু আগুনের লেলিহান শিখার মধ্যে জেগে ওঠে। বাঁচার জন্য তাঁরা জানলা দিয়ে হাত বাড়িয়ে তীব্র আর্তনাদ করছিলেন, কিন্তু বাইরের অন্ধকার মানুষের মনকে ততক্ষণে পশুর চেয়েও নিষ্ঠুর করে তুলেছিল। কেউ তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। চোখের পলকে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠা সেই আগুনের চিতায় পুড়ে ছাই হয়ে গেলেন একজন নিঃস্বার্থ সেবক এবং তাঁর দুটি ফুটফুটে সন্তান।
⚖️ বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ এবং বিচার
পরদিন সকালে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো ভারতসহ সমগ্র বিশ্ব। তৎকালীন ভারতের রাষ্ট্রপতি কে. আর. নারায়ণন একে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছিলেন, এটি মানুষের চরম অসহিষ্ণুতার এক "কালো অধ্যায়"।
পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি.পি. ওয়াধওয়ার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন তদন্ত শেষে স্পষ্টভাবে জানায়, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণের যে অভিযোগ স্টেইনস সাহেবের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি কেবলই মানবসেবা করতেন।
২০০৩ সালে এই জঘন্য অপরাধের মূল চক্রী দারা সিংকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ওড়িশা হাইকোর্ট সেই সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করে, যা ২০১১ সালে ভারতের সর্বোচ্চ আদালতও বহাল রাখে।
🕊️ প্রতিশোধ নয়, ক্ষমার এক অনন্য দৃষ্টান্ত
এই গল্পের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য এবং হৃদয়স্পর্শী অংশটি তৈরি করলেন গ্রাহাম স্টেইনসের স্ত্রী গ্ল্যাডিস স্টেইনস। স্বামী আর দুটি সন্তানকে এভাবে হারানোর পর যেকোনো মানুষের মন ঘেন্না আর প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠার কথা। কিন্তু গ্ল্যাডিস বিশ্ববাসীকে স্তব্ধ করে দিয়ে ঘোষণা করলেন: "আমি আমার স্বামী ও সন্তানদের হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিলাম। আমার মনে কারো জন্য কোনো ক্ষোভ বা তিক্ততা নেই।"
তিনি শুধু ক্ষমাই করেননি, হত্যাকারীদের ফাঁসির সাজারও বিরোধিতা করেছিলেন এই ভেবে যে, এতে আরেকটি পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি দেশ ছেড়ে চলেও যাননি, বরং মেয়ে এস্থারকে নিয়ে ওড়িশাতেই থেকে যান এবং তাঁর স্বামীর শুরু করা কুষ্ঠ রোগীদের সেবা যত্ন চালিয়ে যান।
২০০৫ সালে ভারত সরকার গ্ল্যাডিস স্টেইনসের এই অসামান্য মানবিকতা, ত্যাগ ও সমাজসেবাকে সম্মান জানিয়ে তাঁকে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান 'পদ্মশ্রী' উপাধিতে ভূষিত করে।
✨ শেষ কথা: গ্রাহাম স্টেইনস ও তাঁর সন্তানদের শরীর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও, তাঁদের ভালোবাসা ও গ্ল্যাডিস স্টেইনসের ক্ষমার যে আলো, তা আজও ঘৃণা আর অন্ধকারের বিরুদ্ধে এক জ্বলন্ত প্রতীক হয়ে রয়েছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Bangaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kurulia, Hat-Kurulia, Bagdah, North 24pgs. Pin :743232.
Bangaon
743232